Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শ্রীশ্রীচণ্ডী – অনুবাদ : পঞ্চানন তর্করত্ন

    পঞ্চানন তর্করত্ন এক পাতা গল্প90 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পঞ্চম অধ্যায়—দেবীর সাথে অসুরদূতের কথোপকথন

    পঞ্চম অধ্যায়—দেবীর সাথে অসুরদূতের কথোপকথন

    ঋষি কহিলেন, পূর্ব্বকালে শুম্ভ ও নিশুম্ভ নামে অসুরদ্বয় মদবলাশ্রয়ে শচীপতি ইন্দ্রের ত্রৈলোক্য এবং নিখিল যজ্ঞভাগ হরণ করিল। সে‌ই শুম্ভ ও নিশুম্ভ,—সূর্য্য, চন্দ্র, কুবের ও বরুণের অধিকারকার্য্য স্বয়ং সম্পন্ন করিতে লাগিল এবং তাহারা‌ই পবনের অধিকার ও অগ্নির কর্ম্ম করিতে লাগিল। অনন্তর সে‌ই মহাসুরদ্বয়কর্ত্তৃক হৃতাধিকার, তিরস্কৃত, রাজ্যহীন, পরাজিত এবং বিতাড়িত দেবগণ, সে‌ই অপরাজিতা দেবীকে স্মরণ করিতে লাগিলেন। “বিপৎকালে আমাকে স্মরণ করিলে আমি তৎক্ষণাৎ তোমাদের পরমাপদ (মহা বিপদ) সকল বিনাশ করিব” এবম্প্রকার বর, দেবী আমাদিগকে পূর্ব্বে দিয়াছেন; এক্ষণে ঘোর বিপদ্‌ উপস্থিত, অতএব তাঁহার‌ই শরণ লওয়া সর্ব্বতোভাবে কর্ত্তব্য।—দেবগণ এ‌ই প্রকার মানস করিয়া হিমালয় পর্ব্বতে গমনপূর্ব্বক সে‌ই বিষ্ণুমায়ার স্তব করিতে লাগিলেন। ১-৬

    দেবগণ বলিলেন,

    দেবীকে নমস্কার, মহাদেবীকে নমস্কার, শিবাকে (শিবপত্নীকে অর্থাৎ দুর্গাকে বা ভবানীকে) সর্ব্বদা নমস্কার। প্রকৃতিকে নমস্কার, ভদ্রাকে নমস্কার; আমরা সংযত হ‌ইয়া সে‌ই দেবীকে নমস্কার করি। রৌদ্রাকে (যিনি রুদ্ররূপিণী তাকে) নমস্কার। নিত্যা, গৌরী এবং ধাত্রীকে নমস্কার।

    সে‌ই প্রকাশরূপা, চন্দ্ররূপা, এবং পরমানন্দরূপা দেবীকে সতত নমস্কার করি। কল্যাণী ও বুদ্ধিরূপা দেবীকে নমস্কার। সিদ্ধিরূপা দেবীকে পুনঃপুনঃ নমস্কার করি।

    নৈর্ঋতি-স্বরূপা (অলক্ষ্মী বা সংহাররূপিণী) দেবীকে নমস্কার; ভূপতিদিগের গৃহে লক্ষ্মীরূপা দেবীকে নমস্কার। সর্ব্বাণীস্বরূপা তোমাকে নমস্কার, নমস্কার।

    দুর্গা, দুর্গপারা (দুর্গত ব্যক্তিদের যিনি উদ্ধার করেন), সারা (সার বা শ্রেষ্ঠ অংশ অর্থাৎ ব্রহ্মরূপা) সর্ব্বকারিণী, খ্যাতি, কৃষ্ণা ও ধুম্রাস্বরূপ দেবীকে আমরা সতত নমস্কার করি।

    যিনি অতিসৌম্যা (অত্যন্ত সুন্দরী) অথচ অতিরৌদ্রা (ভীষণ রুদ্ররূপিণী), সে‌ই দেবীকে অতি বিনত হ‌ইয়া আমরা বারংবার নমস্কার করি। জগতের প্রতিষ্ঠারূপা (এ‌ই জগতের প্রাণশক্তি অর্থাৎ এ‌ই জগৎ যাতে প্রতিষ্ঠিত সে‌ই) দেবীকে নমস্কার, কৃতিস্বরূপা দেবীকে নমস্কার, নমস্কার।

    যে দেবী নিখিল প্রাণিনিবহে (প্রাণীসমূহে বা সকল প্রাণীতে) বিষ্ণুমায়া বলিয়া কীর্ত্তিত, সে‌ই দেবীকে বারংবার নমস্কার।

    যে দেবী নিখিল প্রাণিসমূহে চেতনারূপে অভিহিতা, সে‌ই দেবীকে ভূয়োভূয়ঃ (পুনঃপুনঃ) নমস্কার।

    যে দেবী নিখিল প্রাণিনিবহে বুদ্ধিরূপে সংস্থিতা, সে‌ই দেবীকে নমস্কার, নমস্কার, নমস্কার।

    যে দেবী নিখিল প্রাণীতে‌ই নিদ্রারূপে স্থিতি করিতেছেন, সে‌ই দেবীকে নমস্কার, নমস্কার, নমস্কার।

    যে দেবী নিখিল প্রাণীতে‌ই ক্ষুধারূপে স্থিতি করিতেছেন, তাঁহাকে নমস্কার, নমস্কার, নমস্কার।

    যে দেবী নিখিল (সমস্ত বা সমুদয়) ভূতে‌ই (দ্রব্যে, পদার্থে, উপাদানে বা বস্তুতে) ছায়ারূপে অবস্থিতি করিতেছেন, তাঁহাকে নমস্কার, নমস্কার, নমস্কার।

    যে দেবী নিখিল ভূতে শক্তিরূপে অবস্থিতি করিতেছেন, তাঁহাকে নমস্কার, নমস্কার, নমস্কার।

    যে দেবী নিখিল প্রাণীতে‌ই তৃষ্ণারূপে অবস্থিতি করিতেছেন, তাঁহাকে নমস্কার, নমস্কার, নমস্কার।

    যে দেবী সকল প্রাণীতে‌ ক্ষমারূপে অবস্থিতি করিতেছেন, তাঁহাকে নমস্কার, নমস্কার, নমস্কার।

    যে দেবী সকল প্রাণীতে‌ জাতিরূপে অবস্থিতি করিতেছেন, তাঁহাকে নমস্কার, নমস্কার, নমস্কার।

    যে দেবী নিখিল প্রাণীতে‌ লজ্জারূপে অবস্থিতি করিতেছেন, তাঁহাকে নমস্কার, নমস্কার, নমস্কার।

    যে দেবী সর্ব্বভূতে শান্তিরূপে অবস্থিতি করিতেছেন, তাঁহাকে নমস্কার, নমস্কার, নমস্কার।

    যে দেবী নিখিল প্রাণীসমূহে শ্রদ্ধারূপে অবস্থিতি করিতেছেন, তাঁহাকে নমস্কার, নমস্কার, নমস্কার।

    যে দেবী সর্ব্বভূতে শোভারূপে অবস্থিতি করিতেছেন, তাঁহাকে নমস্কার, নমস্কার, নমস্কার।

    যে দেবী সর্ব্বভূতে লক্ষ্মীরূপে অবস্থিতি করিতেছেন, তাঁহাকে নমস্কার, নমস্কার, নমস্কার।

    যে দেবী সর্ব্বপ্রাণীতে‌ই জীবিকারূপে অবস্থিতি করিতেছেন, তাঁহাকে নমস্কার, নমস্কার, নমস্কার।

    যে দেবী নিখিল প্রাণীতে স্মৃতি-স্বরূপে বিদ্যমান রহিয়াছেন, তাঁহাকে নমস্কার, নমস্কার, নমস্কার।

    যে দেবী নিখিল প্রাণীতে দয়ারূপে অবস্থিতি করিতেছেন, তাঁহাকে নমস্কার, নমস্কার, নমস্কার।

    যে দেবী সর্ব্বপ্রাণীতে‌ই সন্তোষরূপে অবস্থিতি করিতেছেন, তাঁহাকে নমস্কার, নমস্কার, নমস্কার।

    যে দেবী সকল ভূতে‌ই মাতৃস্বরূপে অবস্থিতি করিতেছেন, তাঁহাকে নমস্কার, নমস্কার, নমস্কার।

    যে দেবী নিখিল প্রাণীতে ভ্রান্তিরূপে অবস্থিতি করিতেছেন, তাঁহাকে নমস্কার, নমস্কার, নমস্কার।

    যিনি ইন্দ্রিয় ও ভূত সকলের অধিষ্ঠাত্রী এবং যিনি অখিল ভূতনিবহে ব্যাপ্তিরূপে বিদ্যমানা, সে‌ই দেবীকে নমস্কার, নমস্কার, নমস্কার।

    যিনি চৈতন্যরূপে এ‌ই নিখিল জগৎকে ব্যাপিয়া অবস্থিতি করিতেছেন, সে‌ই দেবীকে নমস্কার, নমস্কার, নমস্কার।

    পূর্ব্বে আমরা অভীষ্ট লাভ করিয়া যাঁহাকে স্তব করিয়াছি, দেবরাজ ইন্দ্র যাঁহার বহুদিন সেবা করিয়াছেন এবং যিনি মঙ্গলসমূহের কারণ; প্রচণ্ড দৈত্যপীড়িত হ‌ইয়া আমরা এক্ষণে যে ঈশ্বরীকে নমস্কার করিতেছি; ভক্তিবিনম্রশরীর হ‌ইয়া আমরা স্মরণ করিলে যিনি তৎক্ষণাৎ আমাদের সকল বিপদ্‌ বিনষ্ট করেন, সে‌ই ঈশ্বরী দেবী আমাদের সর্ব্ব প্রকার মঙ্গল করুন এবং বিপত্তি সকল বিনাশ করুন।

    ঋষি কহিলেন, হে নৃপনন্দন! দেবগণ এ‌ই প্রকার স্তব করিতেছেন, এমন সময়ে পার্ব্বতী দেবী জাহ্নবীজলে (গঙ্গা) স্নান করিতে যাইবার জন্য তাঁহাদের সম্মুখে উপস্থিত হ‌ইলেন। সে‌ই মনোহরভ্রূশালিনী (যার ভুরুজোড়া সুন্দর) পার্ব্বতী দেবগণকে কহিলেন, “আপনারা কাহার স্তব করিতেছেন?” এ‌ই সময়ে সে‌ই পার্ব্বতীর শরীরকোষ হ‌ইতে শিবা দেবী উৎপন্না হ‌ইয়া বলিলেন; “সমরে নিশুম্ভকর্ত্তৃক পরাজিত ও তৎপরে শুম্ভকর্ত্তৃক নিরাকৃত (নিষ্কাশিত) দেবগণ একত্র মিলিত হ‌ইয়া আমার‌ই স্তব করিতেছেন।” অম্বিকা সে‌ই পার্ব্বতীর শরীরকোষ হ‌ইতে উৎপত্তি লাভ করেন, এ‌ইজন্য সমস্ত ভুবনে তিনি “কৌষিকী” বলিয়া কীর্ত্তিত হ‌ইয়া থাকেন। সে‌ই কৌষিকী দেবী, শরীর হ‌ইতে নিষ্ক্রান্তা হ‌ইলে পর, পার্ব্বতী দেবী কৃষ্ণবর্ণ ধারণ করিলেন। তদবধি তিনি কালিকা নামে কীর্ত্তিতা হ‌ইয়া হিমাচলে অবস্থিতি করিলেন। তৎপরে অম্বিকা উৎকৃষ্ট রূপ ধারণ করিলেন। শুম্ভ ও নিশুম্ভাসুরের ভৃত্য চণ্ড এবং মুণ্ড নামে অসুরদ্বয় তাঁহার সে‌ই মনোহর রূপ দর্শন করিল। ৩৭-৪২

    তখন চণ্ড ও মুণ্ড, শুম্ভাসুরসমীপে (শুম্ভের কাছে) উপস্থিত হ‌ইয়া বলিতে লাগিল,—মহারাজ! অতীব সুমনোহরা কোন স্ত্রী হিমাচল শোভিত করত অবস্থান করিতেছে। মহারাজ! তাদৃশ (সে‌ইরকম) উত্তম রূপ কোন স্থলে আর কেহ‌ই দেখে না‌ই। অতএব এ নারী কে, তাহা জানিয়া আপনি উহাকে গ্রহণ করুন। সে‌ই অতি মনোহরাঙ্গী নারী স্ত্রীগণের মধ্যে রত্নস্থানীয়া। দৈত্যেশ্বর! সে‌ই নারী স্বকীয় দেহদীপ্তি দ্বারা দিক্‌সমূহ উদ্ভাসিত করিয়া অবস্থিতি করিতেছে; আপনার তাঁহাকে দেখা উচিত। প্রভো (হে প্রভু)! ত্রৈলোক্যের মধ্যে শ্রেষ্ঠ মণি ও শ্রেষ্ঠ গজাশ্ব প্রভৃতি যে সকল রত্ন আছে, তাহা সমস্ত‌ই আপনার গৃহে শোভা পাইতেছে। গজরত্ন ঐরাবত, ইন্দ্রের নিকট হ‌ইতে সমানীত হ‌ইয়াছে। ঐ ইন্দ্রের নিকট হ‌ইতে এ‌ই মনোহর পারিজাত তরু এবং উচ্চৈঃশ্রবা অশ্বও আনীত হ‌ইয়াছে। বিধাতার রত্নস্বরূপ যে অদ্ভুত হংসযুক্ত বিমান, তাহাও আনীত হ‌ইয়া আপনার অঙ্গনে স্থিতি করিতেছে। এ‌ই মহাপদ্ম নামে নিধিও (ধন বা রত্ন) কুবেরের নিকট হ‌ইতে সমানীত হ‌ইয়াছে। কিঞ্জল্কিনী নামে অম্লানপঙ্কজা মালা, সমুদ্র, আপনাকে প্রদান করিয়াছে। হে মহারাজ! বরুণের কাঞ্চনস্রাবী ছত্র আর এ‌ই যে রথবর (শ্রেষ্ঠ রথ) পূর্ব্বে প্রজাপতির নিকট ছিল, তাহাও আপনার গৃহে রহিয়াছে। যমের মরণপ্রদা যে শক্তি ছিল, হে ঈশ! তাহাও আপনি হরণ করিয়াছেন। বরুণের পাশাস্ত্র এবং সমুদ্রজাত সমুদায় রত্নরাজিও আপনার ভ্রাতা নিশুম্ভের অধীন রহিয়াছে। হে মহারাজ! অগ্নি আপনাকে বহ্নি দ্বারা পবিত্রীকৃত বস্ত্র ও উত্তরীয় প্রদান করিয়াছেন। হে দৈত্যেন্দ্র (শ্রেষ্ঠ দৈত্য বা দৈত্যদের রাজা)! এ‌ই সমস্ত রত্ন, আপনি আহরণ করিয়াছেন, এক্ষণে এ‌ই স্ত্রীরত্নভূতা কল্যাণীকে আপনি কেন গ্রহণ করিতেছেন না? ৪৩-৫৩

    ঋষি বলিলেন, তখন চণ্ড ও মুণ্ডের এ‌ই প্রকার বাক্য শ্রবণ করিয়া মহাসুর শুম্ভ, সুগ্রীব নামে দূতকে দেবীর নিকট প্রেরণ করিল এবং তাহাকে বলিয়া দিল, “তুমি গমন করিয়া, আমার বাক্যানুসারে তাহাকে এ‌ইরূপ এ‌ইরূপ বলিবে আর যে প্রকারে সে অতি প্রীত হ‌ইয়া শীঘ্র এখানে আগমন করে, তুমি তাহাও করিও।” অতি শোভন পর্ব্বতপ্রদেশে যেখানে পার্ব্বতী ছিলেন, সে‌ই দূত সে‌ইখানে গমন করত মধুর বাক্যে অথচ সামান্য কথায় তাঁহাকে বলিতে লাগিল, হে দেবি! দৈত্যেশ্বর শুম্ভ, ত্রৈলোক্যের পরমেশ্বর। তিনি‌ই তোমার নিকট আমাকে প্রেরণ করিয়াছেন, তাই আমি এস্থলে উপস্থিত হ‌ইয়াছি। সকল দেবতাগণে‌ই তাঁহার আজ্ঞা অব্যাহত, তিনি সকল দৈত্যারিকে‌ই (দেবতাকে‌ই) বিজয় করিয়াছেন। এক্ষণে তিনি তোমাকে যাহা বলিয়াছেন, তাহা শ্রবণ কর। ৫৪-৫৮

    তিনি বলিয়াছেন, এ‌ই অখিল ত্রৈলোক্য আমার। সমস্ত দেবগণও আমার বশীভূত ও অনুগত। আমি‌ই পৃথক্‌ পৃথক্‌ যজ্ঞভাগ সকল ভোজন করিয়া থাকি। ত্রৈলোক্যে যাহা কিছু উৎকৃষ্ট রত্ন আছে, সকল‌ই আমার অধীন। কেবল সমুদ্রোদ্ভূত রত্ন‌ই যে আমার অধীন, তাহা নহে; ঐরাবতাদি যাহা গজরত্ন বলিয়া প্রসিদ্ধ, তাহাও আমার অধীন। দেবেন্দ্রবাহন ক্ষীরোদ-মন্থনোদ্ভুত উচ্চৈঃশ্রবা নামে যে অশ্বরত্ন আছে, তাহাও দেবগণ ইন্দ্রের নিকট হ‌ইতে ল‌ইয়া প্রণিপাতপূর্ব্বক (প্রণাম সহকারে) আমাকে প্রদান করিয়াছেন। অন্যান্য যে সকল রত্ন দেবতা, গন্ধর্ব্ব কিংবা সর্পগণের ছিল, হে শোভনে! এক্ষণে সে সমুদায় আমার‌ই। হে দেবি! তোমাকে লোকমধ্যে স্ত্রীরত্নভূতা বলিয়া আমরা বিবেচনা করি! অতএব তুমি রত্নস্বরূপা, তুমি, আমাদিগের গৃহে আগমন কর; যেহেতু আমরা‌ই রত্নসমূহের ভোগকর্ত্তা। হে চঞ্চলাপাঙ্গি (যার কটাক্ষ বা চোখের চোরা চাহনি চঞ্চল)! আমাকে অথবা মদনুজ মহাবিক্রম নিশুম্ভকে তুমি ভজনা কর; যেহেতু তুমি রত্নভূতা। আমাকে ভজনা করিলে তুমি অতুলনীয় পরমৈশ্বর্য্য লাভ করিবে। এ‌ই সকল বুদ্ধিপূর্ব্বক বিবেচনা করিয়া আমাকে ভজনা কর। ৫৯-৬৫

    ঋষি কহিলেন, দূত এ‌ই কথা বলিলে, যিনি এ‌ই জগৎ ধারণ করিয়া রহিয়াছেন, সে‌ই ভগবতী ভদ্রা দুর্গাদেবী গম্ভীর ও গূঢ়ভাবে ঈষৎ হাস্য করিয়া বলিলেন, “হে দূত! তুমি সত্য কথা‌ই বলিলে, এস্থলে তোমার কথা কিছুই মিথ্যা নহে। শুম্ভ ত্রৈলোক্যের অধিপতি, নিশুম্ভও তাদৃশ (সে‌ই রকম) তাহার সন্দেহ না‌ই। কিন্তু আমি যে একটি প্রতিজ্ঞা করিয়াছি, তাহা এস্থলে কি প্রকারে অন্যথা করিব? আমি অল্পবুদ্ধিত্ব প্রযুক্ত (অল্পবুদ্ধির জন্য) যে প্রতিজ্ঞা করিয়াছি, তাহা শ্রবণ কর; যে ব্যক্তি আমাকে যুদ্ধে জয় করিবে, যে আমার দর্প দূর করিবে এবং যে ব্যক্তি আমার প্রতিবল (সমান ক্ষমতার অধিকারী), সে‌ই-ই আমার ভর্ত্তা (পালনকারী অর্থাৎ স্বামী) হ‌ইবে।” এক্ষণে শুম্ভ অথবা নিশুম্ভ আগমন করুক! যে সমর্থ হ‌ইবে, সে আমাকে জয় করিয়া শীঘ্র বিবাহ করুক। বিলম্বে প্রয়োজন কি? ৬৬-৭০

    দূত বলিল, হে দেবি! তুমি গর্ব্বিতা হ‌ইয়াছ। আমার সমীপে এ প্রকার কথা বলিও না। ত্রৈলোক্যমধ্যে শুম্ভ ও নিশুম্ভের অগ্রে কোন্‌ পুরুষ স্থির থাকিতে পারে? শুম্ভ-নিশুম্ভের কথা দূরে থাকুক, তাহাদের অনুচর অন্যান্য দৈত্যগণের সম্মুখে, দেবগণ মিলিত হ‌ইয়াও যুদ্ধে স্থির থাকিতে পারে না; তুমি একাকিনী স্ত্রী হ‌ইয়া কি প্রকারে স্থির থাকিবে? ইন্দ্রাদি দেবগণ, যুদ্ধে যে শুম্ভাদির সম্মুখে তিষ্ঠিতে পারে না‌ই, তুমি স্ত্রী হ‌ইয়া তাঁহাদের সহিত যুদ্ধ করিতে কিরূপে সম্মুখে যা‌ইবে? সে‌ই তুমি আমার কথানুসারে তাঁহাদের পার্শ্বে গমন কর; কেশাকর্ষণে প্রনষ্ট-গৌরবা হ‌ইয়া যাইও না (অর্থাৎ তোমার চুল ধরে টেনে নিয়ে গেলে তোমার গৌরব সম্পূর্ণরূপে নষ্ট হবে, সে অবস্থায় যেও না)। দেবী কহিলেন,—হে দূত! শুম্ভ এ‌ই প্রকার বলী এবং নিশুম্ভও অতি বীর্য্যবান্‌ ইহা সত্য, কিন্তু কি করিব? অল্পবুদ্ধিত্ব প্রযুক্ত পূর্ব্বে এ প্রকার প্রতিজ্ঞাবিষয়ে বিবেচনা করি না‌ই (অর্থাৎ অল্পবুদ্ধির জন্য প্রতিজ্ঞা করার সময় এ‌ই সম্ভাবনা ভেবে দেখিনি); তুমি গমন কর; আমি যাহা বলিলাম, তাহা সকল‌ই শ্রদ্ধাপূর্ব্বক অসুরেন্দ্র শুম্ভকে বলিও; যাহা উচিত, সে তাহা করুক। ৭১-৭৬

    পঞ্চম অধ্যায় সমাপ্ত॥৫॥

    —

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপুলিশ কাহিনী ১ – পঞ্চানন ঘোষাল (প্রথম খণ্ড)
    Next Article কালিকা পুরাণ (কালিকাপুরাণম্‌) – পঞ্চানন তর্করত্ন সম্পাদিত

    Related Articles

    পঞ্চানন তর্করত্ন

    কালিকা পুরাণ (কালিকাপুরাণম্‌) – পঞ্চানন তর্করত্ন সম্পাদিত

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }