Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শ্রীশ্রী চৈতন্য চরিতামৃত

    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী এক পাতা গল্প136 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. আদি ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    আদি ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ
    শ্রীঅদ্বৈত-তত্ত্ব – মহাবিষ্ণুর অবতার, জগতের উপাদান-কারণ; শ্রীঅদ্বৈতকর্ত্তৃক শ্রীকৃষ্ণদাস-অভিমানের মাহাত্ম্য-খ্যাপন।

    বন্দে তং শ্রীমদদ্বৈতা-
    চার্য্যমদ্ভুতচেষ্টিতম্‌।
    যস্য প্রসাদাদজ্ঞোহপি
    তৎস্বরূপং নিরূপয়েৎ।।১
    অন্বয়ঃ।- অদ্ভুতচেষ্টিতম্‌ (আশ্চর্য্য-চরিত) তৎ শ্রীমদদ্বৈতাচার্য্যং বন্দে (সেই শ্রীমদদ্বৈত-আচার্য্যকে বন্দনা করি), অজ্ঞঃ অপি যস্য প্রসাদাৎ তৎস্বরূপং নিরূপয়েৎ (অতি অজ্ঞ হইয়াও যাঁহার অনুগ্রহে লোক তাঁহার স্বরূপ নিরূপণে সমর্থ হয়)।

    অনুবাদ।- অপূর্ব্বকর্ম্মা সেই অদ্বৈতের বন্দনা করি। তাঁর কৃপায় অজ্ঞজনও তাঁর তত্ত্ব নির্ণয় করতে পারেন।।১।।

    জয় জয় শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য দয়াময়।
    জয় নিত্যানন্দ জয়াদ্বৈত মহাশয়।।
    পঞ্চ শ্লোকে কহিল এই নিত্যানন্দ-তত্ত্ব।
    শ্লোকদ্বয়ে কহি অদ্বৈতাচার্য্যের মহত্ত্ব।।

    শ্রীস্বরূপগোস্বামিকড়চায়াঃ শ্লোকদ্বয়ম্‌
    মহাবিষ্ণুর্জগৎকর্ত্তা মায়যা যঃ সৃজত্যদঃ।
    তস্যাবতার এবায়মদ্বৈতাচার্য্য ঈশ্বরঃ।।২
    অদ্বৈতং হরিণাদ্বৈতাদাচার্য্যং ভক্তিশংসনাৎ।
    ভক্তাবতারমীশং তমদ্বৈতাচার্য্যমাশ্রয়ে।।৩
    এই শ্লোকদ্বয়ের অন্বয় ও বঙ্গানুবাদ ১ম পরিচ্ছেদে ১২।১৩ শ্লোকে দ্রষ্টব্য।।২।৩।।

    অদ্বৈত-আচার্য্য-গোঁসাঞি সাক্ষাৎ ঈশ্বর।
    যাঁহার মহিমা নহে জীবের গোচর।।
    মহাবিষ্ণু সৃষ্টি করেন জগদাদি-কার্য্য।
    তাঁর অবতার সাক্ষাৎ অদ্বৈত-আচার্য্য।।
    যে পুরুষ সৃষ্টি স্থিতি করেন মায়ায়।
    অনন্ত-ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি করেন লীলায় (১)।।
    (১) ‘লীলায়’ – অনায়াসে।

    ইচ্ছায় (২) অনন্তমূর্ত্তি (৩) করেন প্রকাশে।
    এক এক মূর্ত্ত্যে করেন ব্রহ্মাণ্ডে প্রবেশে।।
    সে পুরুষের অংশ (৪) অদ্বৈত নাহি কিছু ভেদ।
    শরীর বিশেষ তাঁর নাহিক বিচ্ছেদ (৫)।।
    সহায় করেন তাঁর লইয়া প্রধানে (৬)।
    কোটি ব্রহ্মাণ্ড করেন ইচ্ছায় নির্ম্মাণে।।
    জগৎ মঙ্গলাদ্বৈত মঙ্গল-গুণধাম।
    মঙ্গল চরিত্র সদামঙ্গল (৭) যাঁর নাম।।
    কোটি-অংশ কোটি-শক্তি কোটি-অবতার।
    এত লঞা সৃজে পুরুষ সকল সংসার।।
    মায়া যৈছে দুই অংশ নিমিত্ত উপাদান।
    মায়া নিমিত্ত-হেতু উপাদান প্রধান।।
    পুরুষ ঈশ্বর ঐছে দ্বিমূর্ত্তি করিয়া।
    বিশ্ব-সৃষ্টি করে নিমিত্ত-উপাদান লঞা।।
    আপনে পুরুষ বিশ্বের নিমিত্ত-কারণ।
    অদ্বৈত-রূপে উপাদান হয় নারায়ণ।।
    নিমিত্তাংশে করে তেঁহো মায়াতে ঈক্ষণ।
    উপাদান অদ্বৈত করেন ব্রহ্মাণ্ড-সৃজন (৮)।।
    (২) ‘ইচ্ছায়’ – স্বাধীনভাবে।

    (৩) ‘অনন্তমূর্ত্তি’ – গর্ভোদশায়িরূপ অসংখ্য মূর্ত্তি।

    (৪) ‘সে পুরুষের’ – মহাবিষ্ণুর। ‘অংশ’ – প্রকাশ।

    (৫) ‘বিচ্ছেদ’ – পার্থক্য।

    (৬) “সহায় করেন তাঁর লইয়া প্রধানে।” ‘সহায়’ – সৃষ্ট্যাদি কার্য্যে সাহায্য। ‘তাঁর লইয়া’ অর্থাৎ তাঁর শক্তি লইয়া। ‘প্রধান’ – প্রকৃতি।

    (৭) ‘সদামঙ্গল’ – সদাশিব।

    (৮) ‘ মায়া যৈছে ……. সৃজন’ – ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি-নিমিত্ত মহাবিষ্ণু নিমিত্ত মায়ার রজোগুণ বৃদ্ধি করেন। আর অদ্বৈত উপাদান মায়াদ্বারা অর্থাৎ পুরুষেক্ষণপ্রযুক্ত বর্দ্ধিতরজোগুণা মায়া দ্বারা ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি করেন।

    যদ্যপি সাংখ্য মানে প্রধান কারণ।
    জড় হইতে কভু নহে জগৎ সৃজন।।
    নিজ সৃষ্টিশক্তি প্রভু সঞ্চারে প্রধানে।
    ঈশ্বরের শক্ত্যে তবে হয়েত নির্ম্মাণে।।
    অদ্বৈতরূপে করে শক্তি সঞ্চারণ।
    অতএব অদ্বৈত হয়েত মুখ্য কারণ।। (১)
    অদ্বৈত আচার্য্য কোটি ব্রহ্মাণ্ডের কর্ত্তা।
    আর এক এক মূর্ত্ত্যে (২) ব্রহ্মাণ্ডের ভর্ত্তা।।
    সেই নারায়ণের মুখ্য অঙ্গ অদ্বৈত।
    অঙ্গ শব্দে অংশ করি কহে ভাগবত।।
    (১) জড় হইতে … কারণ – প্রভু মহাবিষ্ণু অদ্বৈতরূপে জড়রূপা প্রকৃতিতে সৃষ্টিশক্তি সঞ্চার করেন বলিয়া অদ্বৈতই ব্রহ্মাণ্ডসৃষ্টির মুখ্য কারণ।

    (২) ‘এক এক মূর্ত্ত্যে’ – গর্ভোদশায়িরূপে এক এক মূর্ত্তিতে।

    বৈষ্ণবের গুরু তেহোঁ জগতের আর্য্য।
    দুই নাম মিলনে হৈল অদ্বৈত আচার্য্য।।
    কমলনয়নের (৩) তেহোঁ যাতে অঙ্গ অংশ।
    কমলাক্ষ (৪) করি ধরে নাম অবতংস।।
    ঈশ্বর-সারূপ্য পায় পারিষদগণ।
    চতুর্ভুজ পীতবাস যৈছে নারায়ণ।।
    অদ্বৈত-আচার্য্য ঈশ্বরের অংশবর্য্য। (৫)
    তাঁর তত্ত্বনাম গুণ সকল আশ্চর্য্য।।
    যাঁহার তুলসীজলে যাঁহার হুঙ্কারে।
    স্বগণ সহিতে চৈতন্যের অবতারে।।
    যাঁর দ্বারা কৈল প্রভু কীর্ত্তন-প্রচার।
    যাঁর দ্বারা কৈল প্রভু জগৎ-নিস্তার।।
    আচার্য্য-গোঁসাঞির গুণ-মহিমা অপার।
    জীবকীট কোথায় পাইবেক তার পার।।
    আচার্য্য-গোঁসাঞি চৈতন্যের মুখ্য-অঙ্গ।
    আর এক অঙ্গ তাঁর প্রভু-নিত্যানন্দ।।
    প্রভুর উপাঙ্গ শ্রীবাসাদি ভক্তগণ।
    হস্ত-মুখ-নেত্র-অঙ্গ চক্রাদ্যস্ত্র সম।।
    এ সব লইয়া চৈতন্য প্রভুর বিহার।
    এই সব লইয়া করেন বাঞ্ছিত প্রচার।। (৬)
    মাধবেন্দ্র পুরীর ইহোঁ শিষ্য এই জ্ঞানে।
    আচার্য্য গোঁসাঞিরে প্রভু গুরু করি মানে।।
    লৌকিক লীলাতে ধর্ম্ম মর্য্যাদা রক্ষণ।
    স্তুতি ভক্ত্যে করেন তাঁর চরণ বন্দন।।
    চৈতন্য গোঁসাঞিকে আচার্য্য করে প্রভুজ্ঞান।
    আপনাকে করেন তাঁর দাস অভিমান।।
    সেই অভিমানে সুখে আপনা পাসরে।
    কৃষ্ণদাস হও জীবে উপদেশ করে।।
    কৃষ্ণদাস অভিমানে যে আনন্দ-সিন্ধু।
    কোটি ব্রহ্ম সুখ নহে তার এক বিন্দু।।
    (৩) ‘কমলনয়নের’ – মহাবিষ্ণুর।

    (৪) ‘কমলাক্ষ’ – অদ্বৈত প্রভুর পিতৃদত্ত নাম।

    (৫) ‘অংশবর্য্য’ – শ্রেষ্ঠ অংশ।

    (৬) ‘বাঞ্ছিত প্রচার’ – জীবকে নাম প্রেম প্রদান।

    মুঞি যে চৈতন্যদাস আর নিত্যানন্দ।
    দাসভাব সম নহে অন্যত্র আনন্দ।।
    পরমপ্রেয়সী লক্ষ্মী হৃদয়ে বসতি।
    তেঁহো দাস্যসুখ মাগে করিয়া মিনতি।।
    দাস্যভাবে আনন্দিত পারিষদগণ।
    বিধি ভব নারদ আর শুক সনাতন।।
    নিত্যানন্দ অবধূত সবাতে আগল। (১)
    চৈতন্যের দাস্য প্রেমে হইলা পাগল।।
    শ্রীবাস হরিদাস রামদাস গদাধর।
    মুরারি মুকুন্দ চন্দ্রশেখর বক্রেশ্বর।।
    এ সব পণ্ডিত লোক পরম-মহত্ত্ব।
    চৈতন্যের দাস্যে সবায় করয়ে উন্মত্ত।।
    এই মত নাচে গায় করে অট্টহাস।
    লোকে উপদেশে (২) হও চৈতন্যের দাস।।
    চৈতন্য-গোঁসাঞি মোরে করে গুরুজ্ঞান।
    তথাপিহ মোর হয় দাস-অভিমান।।
    কৃষ্ণপ্রেমের এই এক অপূর্ব্ব প্রভাব।
    গুরু সম লঘুকে করায় দাসভাব।। (৩)
    ইহার প্রমাণ শুন শাস্ত্রের ব্যাখ্যান।
    মহদনুভব যাতে সুদৃঢ় প্রমাণ।।
    অন্যের কা কথা ব্রজে নন্দ মহাশয়।
    তাঁর সম গুরু কৃষ্ণের আর কেহ নয়।।
    শুদ্ধ বাৎসল্য ঈশ্বর-জ্ঞান নাহি যাঁর।
    তাঁহাকেও প্রেমে করায় দাস্য অনুকার।।
    তেঁহো রতি-মতি মাগে কৃষ্ণের চরণে।
    তাঁহার শ্রীমুখ-বাণী তাহাতে প্রমাণে।।
    শুন উদ্ধব সত্য কৃষ্ণ আমার তনয়।
    তেঁহো ঈশ্বর হেন যদি তোমার মনে লয়।।
    তথাপি তাঁহাতে মোর রহু মনোবৃত্তি।
    তোমার ঈশ্বর কৃষ্ণে হউক মোর মতি।।
    (১) ‘সবাতে আগল’ – সকল পারিষদ মধ্যে অগ্রগণ্য, সর্ব্বশ্রেষ্ঠ।

    (২) ‘উপদেশে’ – উপদেশ দান করেন।

    (৩) ‘গুরু’ – পিতা, মাতা প্রভৃতি। ‘সম’ – সখা প্রভৃতি। ‘লঘু’ – কনিষ্ঠ বা দাস প্রভৃতি।

    তথাহি – শ্রীমদ্ভাগবতে ১০।৪৭।৬৬-৬৭
    মনসো বৃত্তয়ো নঃ স্যুঃ কৃষ্ণপাদাম্বুজাশ্রয়াঃ।
    বাচোহভিধায়িনীর্নাম্নাং কায়স্তৎ প্রহ্বণাদিষু।।৫
    কর্ম্মভির্ভ্রাম্যমাণানাং যত্র ক্কাপীশ্বরেচ্ছয়া।
    মঙ্গলাচরিতৈর্দানৈ-রতির্নঃ কৃষ্ণ ঈশ্বরে।।৬
    অন্বয়ঃ।- [শ্রীনন্দমহারাজ বলিতেছেন] নঃ মনসো বৃত্তয়ঃ কৃষ্ণপাদাম্বুজাশ্রয়াঃ স্যুঃ (আমাদের মনোবৃত্তিসমূহ কৃষ্ণপাদপদ্মের আশ্রয়ে থাকুক) বাচঃ নাম্নাম্‌ অভিধায়িনীঃ স্যুঃ (ঐ বাক্যসকল তাঁহার নাম উচ্চারণে নিযুক্ত হউক) তৎপ্রহ্বণাদিষু কায়ঃ অস্তু (এবং শরীর তাঁহার নমস্কারাদিতে নিরত হউক) যত্র ক্কাপি ভ্রাম্যমাণানাং নঃ মঙ্গলাচরিতৈঃ দানৈঃ ঈশ্বরে কৃষ্ণে রতিঃ অস্তু (কর্ম্মফলে ঈশ্বরেচ্ছায় যে কোন স্থানেই ভ্রমণকারী আমাদের দানাদি পুণ্যাচরণের ও দানের ফলে শ্রীকৃষ্ণে রতি হউক)।

    অনুবাদ।- আমাদের মনের বৃত্তিগুলি শ্রীকৃষ্ণের চরণকমলকে আশ্রয় করুক, কথায়হোক তাঁরই নামকীর্ত্তন, দেহ করুক তাঁরই সেবা। ঈশ্বরের নির্দ্দেশে প্রাক্তনকর্ম্ম আমাদের যেখানেই নিয়ে যাক, দানাদি-পুণ্যকর্ম্মফলে যেন ঈশ্বরস্বরূপ কৃষ্ণেই মতি থাকে।।৫-৬।।

    শ্রীদামাদি ব্রজের যত সখার নিচয়।
    ঐশ্বর্য্য-জ্ঞানহীন কেবল সখ্যময়।।
    কৃষ্ণসঙ্গে যুদ্ধ করে স্কন্ধে আরোহণ।
    তারা দাস্যভাবে করে চরণ-সেবন।।
    তথাহি – তত্রৈব শ্রীমদ্ভাগবতে ১০।১৫।১৭
    পাদসংবাহনং চক্রুঃ কেচিত্তস্য মহাত্মনঃ
    অপরে হতপাপ্মানো ব্যজনৈঃ সমবীজয়ন্‌।।৭
    অন্বয়ঃ।- কেচিৎ তস্য মহাত্মনঃ (কেহ কেহ সেই মহাত্মা শ্রীকৃষ্ণের) পাদসংবাহনং চক্রুঃ (পাদসংবাহন করিয়াছিল) হতপাপ্মানঃ অপরে ব্যজনৈঃ সমবীজয়ন্‌ (পাপশূন্য অপর কেহ কেহ তাঁহাকে ব্যজন দ্বারা বাতাস করিয়াছিল)।

    অনুবাদ।- জনকয়েক সেই পরমপুরুষের পদসেবা করলেন, আর নিষ্পাপচিত্ত অনেকে তাঁকে ব্যজন করলেন।।৭।।

    কৃষ্ণের প্রেয়সী ব্রজে যত গোপীগণ।
    যাঁর পদধূলি করে উদ্ধব প্রার্থন।।
    যাঁ সভা উপরে কৃষ্ণের প্রিয় নাহি আন।
    তাঁরা আপনাকে করে দাসী অভিমান।।
    তথাহি – শ্রীমদ্ভাগবতে ১০।৩১।৬
    ব্রজজনার্ত্তিহন্‌! বীর! যোষিতাং
    নিজজনস্ময়ধ্বংসনস্মিত।
    ভজ সখে! ভবৎকিঙ্করীঃ স্ম নো
    জলরুহাননং চারু দর্শয়।।৮
    অন্বয়ঃ।- ব্রজজনার্ত্তিহন্‌ (তুমি ব্রজবাসীর দুঃখহারী) বীর নিজজনস্ময়ধ্বংসনস্মিত (তুমি নিজজনের গর্ব্বধ্বংসকারী হাস্যযুক্ত) সখে ভবৎকিঙ্করীঃ নঃ ভজ স্ম (অতএব হে সখে! তোমার দাসী আমাদিগকে তুমি ভজন কর) চারু জলরুহাননং যোষিতাং দর্শয় (এবং এই নারীগণকে তোমার বদনকমল দর্শন করাও)।

    অনুবাদ।- হে বীর! ব্রজের দুঃখ তুমি নাশ কর! হাস্যদ্বারা নিজজনের গর্ব্বকে তুমি হরণ কর। সখা! আমরা তোমার কিঙ্করী, আমাদের ভজনা কর; আর তোমার কমল-আনন তুমি দেখাও।।৮।।

    তত্রৈব ১০।৪৭।২১
    অপি বত মধুপুর্য্যামার্য্যপুত্রোহধুনাস্তে
    স্মরতি স পিতৃগেহান্‌ সৌম্য বন্ধূংশ্চ গোপান্‌।
    ক্বচিদপি স কথাং নঃ কিঙ্করীণাং গৃণীতে
    ভুজমগুরুসুগন্ধং মূর্দ্ধ্ন্যধাস্যৎ কদা নু।।৯
    অন্বয়ঃ।- [গোপীগণ উদ্ধবকে বলিতেছেন] আর্য্যপুত্রঃ অধুনা অপি বত মধুপুর্য্যাম্‌ আস্তে (আর্য্যপুত্র কি এখন মধুপুরীতেই আছেন?) সৌম্য! সঃ পিতৃগেহান্‌ বন্ধূন্‌ শ্চ গোপান্‌ চ স্মরতি (হে সৌম্য! তিনি পিতৃগৃহসমূহকে, বন্ধুগণকে ও গোপগণকে কি স্মরণ করিয়া থাকেন?) স ক্বচিদপি কিঙ্করীণাং নঃ কথাং গৃণীতে (তিনি কি কখনও এই দাসীদিগের কথা বলিয়া থাকেন?) অগুরুসুগন্ধং ভুজং কদা নু মূর্দ্ধ্নি অধাস্যৎ (হায় হায়! কবে তিনি তাঁহার অগুরুর দ্বারা সুগন্ধ বাহু আমাদিগের মস্তকে অর্পণ করিবেন?)।

    অনুবাদ।- এখন কি আর্য্যপুত্র মথুরায় রয়েছেন? হে সৌম্য! তাঁর কি পিতৃগৃহের কথা মনে পড়ে? মনে পড়ে স্বজন ও গোপদের কথা? আমাদের মত কিঙ্করীদের কথা কি কখনো বলেন? হায়! আর কি তাঁর অগুরু-সুরভি বাহু আমাদের মাথায় রাখবেন?।।৯।।

    তাঁ সবার কথা রহু শ্রীমতী রাধিকা।
    সভা হৈতে সকলাংশে পরম অধিকা।।
    তেহোঁ যার দাসী হৈঞা সেবেন চরণ।
    যাঁর প্রেমগুণে কৃষ্ণ বদ্ধ অনুক্ষণ।।
    তথাহি – শ্রীমদ্ভাগবতে ১০।৩০।৩৯
    হা নাথ রমণ প্রেষ্ঠ ক্কাসি ক্কাসি মহাভুজ।
    দাস্যাস্তে কৃপণায়া মে সখে দর্শয় সন্নিধিম্‌।।১০
    অন্বয়ঃ।- [শ্রীরাধিকা বলিতেছেন] হা নাথ! রমণ! প্রেষ্ঠ! মহাভুজ! ক্ক অসি ক্ক অসি (হে নাথ‍! হে রমণ! হে প্রিয়তম! হে মহাভুজ! তুমি কোথায় আছ?) সখে! দাস্যাঃ কৃপণায়াঃ মে তে সন্নিধিং দর্শয় (হে সখে! তুমি এই দুঃখিতা দাসীকে তোমার দর্শন দান কর)।

    অনুবাদ।- হে প্রভু, হে রমণ, হে প্রিয়তম! – মহাভুজ! তুমি কোথায়, তুমি কোথায়? আমি তোমার কিঙ্করী – সখা, তুমি কোথায় আছ, দুঃখিতা আমাকে দেখা দাও।।১০।।

    দ্বারকতাতে রুক্মিণ্যাদি যতেক মহিষী।
    তাঁহারাও আপনাকে মানে কৃষ্ণদাসী।।
    শ্রীমদ্ভাগবতে ১০।৮৩।৮
    চৈদ্যায় মার্পয়িতুমুদ্যত কার্ম্মুকেষু
    রাজস্বজেয়ভটশেখারিতাঙ্ঘ্রিরেণুঃ।
    নিন্যে মৃগেন্দ্র ইব ভাগমজাবিষূথা –
    ত্তচ্ছ্রীনিকেতচরণোহস্তু মমার্চ্চনায়।।১১
    অন্বয়ঃ।- [শ্রীরুক্মিণী দেবী শ্রীদ্রৌপদীকে বলিতেছেন] মা চৈদ্যায় অর্পয়িতুং (আমাকে শিশুপালের হস্তে সমর্পণ করিবার জন্য) রাজসু উদ্যতকার্ম্মুকেষু (রাজগণ ধনুর্ব্বাণ ধারণ করিলে) মৃগেন্দ্রঃ অজাবিষূথাৎ ভাগম্‌ ইব (যিনি সিংহের ন্যায় অজগণের নিকট হইতে স্বীয় ভাগস্বরূপ) অজেয়ভটশিখারিতাঙ্ঘ্রিরেণুঃ (অজেয় বীরগণের মুকুটসমূহে পাদরেণু অর্পণপূর্ব্বক) [অহং] নিন্যে (আমাকে গ্রহণ করিয়াছিলেন) তচ্ছ্রীনিকেত-চরণঃ মম অর্চ্চনায় অস্তু (তাঁহার সর্ব্বশোভার আস্পদ সেই শ্রীচরণ আমার অর্চ্চনের যোগ্য হউক)।

    অনুবাদ।- সিংহ যেমন ক’রে অজযুথের মধ্য থেকে নিজের ভাগ ছিনিয়ে আনে তিনিও তেমনি দুর্জয় রাজবৃন্দের মাথায় পা দিয়ে সেই সব উদ্যতধনু রাজাদের সম্মুখেই শিশুপালে হাত থেকে আমাকে উদ্ধার করেছিলেন। সকল শোভার আস্পদ তাঁর চরণ দু’টি যেন আমি পূজা করতে পাই।।১১।।

    তথাহি শ্রীমদ্ভাগবতে – ১০।৮৩।১১
    তপশ্চরন্তীং মাজ্ঞায় স পাদস্পর্শনাশয়া।
    সখ্যোপেত্যাগ্রহীৎ পাণিং সাহং তদ্‌গৃহমার্জ্জনী।।১২
    অন্বয়ঃ।- [শ্রীকালিন্দী শ্রীদ্রৌপদীকে বলিতেছেন] পাদস্পর্শনাশয়া তপশ্চরন্তীং মা আজ্ঞায় (আমি তাঁহার পাদস্পর্শের আমায় তপস্যা করিতেছি জানিতে পারিয়া) স সখ্যা উপেত্য পাণিম্‌ অগ্রহীৎ (তিনি সখার সহিত গমন করিয়া আমার পাণিগ্রহণ করিয়াছিলেন) সা অহং তদ্‌গৃহমার্জ্জনী (সেই আমি তদবধি তাঁহার গৃহসংস্কারকারিণী দাসী)।

    অনুবাদ।- আমি তাঁর চরণস্পর্শের আশায় তপস্যা করেছিলাম, কিন্তু এ কথা জেনে তিনি সখাকে সঙ্গে নিয়ে এসে যার পাণিগ্রহণ করলেন আমিই সেই তাঁর গৃহদাসী।।১২।।

    তত্রৈব ১০।৮৩।৩৯
    আত্মারামস্য তস্যেমা বয়ং বৈ গৃহদাসিকাঃ।
    সর্ব্বসঙ্গনিবৃত্ত্যাদ্ধা তপসা চ বভূবিম।।১৩
    অন্বয়ঃ।- [শ্রীলক্ষণা বলিতেছেন] ইমা বয়ং সর্ব্বসঙ্গনিবৃত্ত্যা তপসা চ (এই আমরা সর্ব্বসঙ্গনিবৃত্তিমূলক তপস্যার দ্বারা) আত্মারামস্য তস্য অদ্ধা গৃহদাসিকাঃ বভূবিম (সেই আত্মারাম শ্রীকৃষ্ণের সাক্ষাৎ গৃহদাসী হইয়াছি)।

    অনুবাদ।- সবার সঙ্গ ত্যাগ ক’রে আর তপস্যা ক’রে সেই আনন্দময় পুরুষোত্তমের আমরা সাক্ষাৎ কিঙ্করীই হয়েছি।।১৩।।

    আনের কি কথা বলদেব মহাশয়।
    যাঁর ভাব শুদ্ধ সখ্য-বাৎসল্যাদিময়।।
    তেঁহো আপনাকে করেন দাস-ভাবনা।
    কৃষ্ণদাস-ভাব বিনু আছে কোন্‌ জনা।।
    সহস্র বদন যেহো শেষ সঙ্কর্ষণ।
    দশদেহ (১) ধরি করেন কৃষ্ণের সেবন।।
    অনন্ত ব্রহ্মাণ্ডে রুদ্র সদাশিবের অংশ।
    গুণাবতার তেঁহো সর্ব্ব-অবতংস।।
    তেহোঁ যে করেন কৃষ্ণের দাস্য প্রত্যাশ।
    নিরন্তর কহে শিব মুঞি কৃষ্ণদাস।।
    কৃষ্ণপ্রেমে উন্মত্ত বিহ্বল দিগম্বর।
    কৃষ্ণগুণ-লীলা গায় নাচে নিরন্তর।।
    পিতা-মাতা-গুরু-সখা-ভাব কেনে নয়।
    প্রেমের স্বভাবে দাস্যভাব সে করয়।।
    এক কৃষ্ণ সর্ব্বসেব্য জগৎ ঈশ্বর।
    আর যত সব তাঁর সেবকানুচর।।
    সেই কৃষ্ণ অবতীর্ণ চৈতন্য-ঈশ্বর।
    অতএব আর সব তাঁহার কিঙ্কর।।
    কেহো মানে কেহো না মানে সবে তাঁর দাস।
    যে না মানে তার হয় সেই পাপে নাশ।।
    চৈতন্যের দাস মুঞি চৈতন্যের দাস।
    চৈতন্যের দাস মুঞি তাঁর দাসের দাস।।
    এত বলি নাচে গায় হুঙ্কার গম্ভীর।
    ক্ষণেকে বসিলা আচার্য্য হৈঞা সুস্থির।।
    (১) ‘দশদেহ’ – ছত্র, পাদুকা, শয্যা, উপাধান, বসন, উপবন, বাসগৃহ, যজ্ঞসূত্র, সিংহাসন ও পৃথিবীধারণ।

    ভক্ত অভিমান (১) মূল শ্রীবলরামে।
    সেই ভাবে অনুগত তাঁর অংশগণে।।
    তাঁর অবতার এক শ্রীসঙ্কর্ষণ।
    ভক্ত করি অভিমান করে সর্ব্বক্ষণ।।
    তাঁর অবতার এক শ্রীযুত লক্ষ্মণ।
    শ্রীরামের দাস্য তেহোঁ কৈল অনুক্ষণ।।
    সঙ্কর্ষণ অবতার কারণাব্ধিশায়ী।
    তাঁহার হৃদয়ে ভক্তভাবে অনুযায়ী।।
    তাঁহার প্রকাশভেদ অদ্বৈত-আচার্য্য।
    কায়মনোবক্যে তাঁর ভক্তি সদা কার্য্য।।
    বাক্যে কহে মুঞি চৈতন্যের অনুচর।
    মুঞি তাঁর ভক্ত মনে ভাবে নিরন্তর।।
    জল তুলসী দিয়া করে কায়েতে (২) সেবন।
    ভক্তি প্রচারিয়া সব তারিলা ভুবন।।
    পৃথিবী ধরেন যেই শেষ সঙ্কর্ষণ।
    কায়ব্যূহ (৩) করি করেন কৃষ্ণের সেবন।।
    এই সব হয় শ্রীকৃষ্ণের অবতার।
    নিরন্তর দেখি সবার ভক্তির আচার।।
    এ সবাকে শাস্ত্রে কহে ভক্ত-অবতার।
    ভক্ত-অবতার পদ উপরি সবার।।
    অতএব অংশী কৃষ্ণ অংশ অবতার।
    অংশী অংশে দেখি জ্যেষ্ঠ কনিষ্ঠ আচার।।
    জ্যেষ্ঠ ভাবে অংশীতে হয় প্রভুজ্ঞান।
    কনিষ্ঠ ভাবে আপনাতে ভক্ত অভিমান।।
    কৃষ্ণের সমতা হৈতে বড় ভক্তপদ।
    আত্মা হৈতে কৃষ্ণের ভক্ত প্রেমাস্পদ।।
    আত্মা হৈতে কৃষ্ণ ভক্ত বড় করি মানে।
    তাহাতে বহুত শাস্ত্র বচন-প্রমাণে।।
    (১) ‘অভিমান’ – ভাব, নিজের ভাব।

    (২) ‘কায়েতে’ – মস্তকে।

    (৩) ‘কায়ব্যূহ’ – এক শরীর হইতে বহু শরীর প্রকটীকরণের নাম কায়ব্যূহ।

    তথাহি – শ্রীমদ্ভাগবতে ১১।১৪।১৫
    ন তথা মে প্রিয়তমো আত্মযোনির্নশঙ্করঃ
    ন চ সঙ্কর্ষণো ন শ্রীর্নৈবাত্মাচ যথা ভবান্‌।।১৪
    অন্বয়ঃ।- [শ্রীকৃষ্ণ উদ্ভবকে বলিতেছেন] – ভবান্ যথা তথা (তুমি ভক্ত বলিয়া আমার যেরূপ প্রিয়তম সেরূপ) আত্মযোনিঃ মে ন প্রিয়তমঃ ন শঙ্করঃ ন চ সঙ্কর্ষণঃ ন শ্রীঃ ন এব আত্মা চ (আমা হইতে জাত ব্রহ্মা, আমা হইতে অভিন্ন শ্রীশঙ্কর বা সঙ্কর্ষণ, আমার বক্ষঃস্থিতা লক্ষ্মী, এমন কি – আমার আত্মাও আমার সেরূপ প্রিয় নহেন)।

    অনুবাদ।-আপনি যেমন আমার প্রিয়তম, তেমন প্রিয়তম ব্রহ্মাও নন, শিবও নন, সঙ্কর্ষণও নন, লক্ষ্মীও নন, আত্মপুরুষও নন।।১৪।।

    কৃষ্ণ সাম্যে নহে তাঁর মাধুর্য্য আস্বাদন।
    ভক্তভাবে করে তাঁর মাধুর্য্য চর্ব্বণ।।
    শাস্ত্রের সিদ্ধান্ত এই বিজ্ঞ অনুভব।
    মূঢ়লোক নাহি জানে ভাবের বৈভব।।
    ভক্তভাব অঙ্গীকরি বলরাম লক্ষ্মণ।
    অদ্বৈত নিত্যানন্দ শেষ সঙ্কর্ষণ।।
    কৃষ্ণের মাধুর্য্য-রসামৃত করে পান।
    সেই সুখে মত্ত কিছু নাহি জানে আন।।
    অন্যের আছুক কার্য্য আপনে শ্রীকৃষ্ণ।
    আপন-মাধুর্য্য পানে হইয়া সতৃষ্ণ।।
    স্বমাধুর্য্য আস্বাদিতে করেন যতন।
    ভক্তভাব বিনু নহে তাহা আস্বাদন।।
    ভক্তভাব অঙ্গীকরি হৈলা অবতীর্ণ।
    শ্রীকৃষ্ণ-চৈতন্য-রূপে সর্ব্বভাবে পূর্ণ।।
    নানা ভক্তভাবে করেন স্বমাধুর্য্য পান।
    পূর্ব্বে করিয়াছি এই সিদ্ধান্ত ব্যাখ্যান।।
    অবতারগণের ভক্তভাবে অধিকার।
    ভক্তভাব হইতে অধিক সুখ নাহি আর।।
    মূল ভক্ত অবতার শ্রীসঙ্কর্ষণ।
    ভক্ত অবতার তহিঁ অদ্বৈত গণন।। (৪)
    (৪) মূল ভক্ত-অবতার শ্রীসঙ্কর্ষণ, তাঁহার অবতার বলিয়া অদ্বৈতাচার্য্যকে ভক্তাবতার বলা হয়।

    অদ্বৈত আচার্য্য গোঁসাঞির মহিমা অপার।
    যাঁহার হুঙ্কারে কৈল চৈতন্যাবতার।।
    সংকীর্ত্তন প্রচারিয়া জগৎ তারিল।
    অদ্বৈত প্রসাদে লোক প্রেমধন পাইল।।
    অদ্বৈত মহিমানন্ত কে পারে কহিতে।
    সেই লিখি যেই শুনি মহাজন হৈতে।।
    আচার্য্য চরণে মোর কোটি নমস্কার।
    ইথে অপরাধ কিছু না লবে আমার।।
    তোমার মহিমা কোটি সমুদ্র অগাধ।
    তাহার ইয়ত্তা কহি এ বড় অপরাধ।।
    জয় জয় জয় শ্রীঅদ্বৈত-আচার্য্য।
    জয় জয় শ্রীচৈতন্য নিত্যানন্দ আর্য্য।।
    দুই শ্লোকে কহিল অদ্বৈত-তত্ত্ব-নিরূপণ।
    পঞ্চতত্ত্বের বিচার কিছু শুন ভক্তগণ।।
    শ্রীরূপ-রঘুনাথ-পদে যার আশ।
    চৈতন্যচরিতামৃত কহে কৃষ্ণদাস।।

    ইতি শ্রীচৈতন্যচরিতামৃতে আদিলীলায়াং শ্রীঅদ্বৈততত্ত্বনিরূপণং নাম ষষ্ঠঃ পরিচ্ছেদঃ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমি গাধা বলছি – কৃষণ চন্দর
    Next Article ভবিষ্য পুরাণ – অনুবাদ : স্বামী পরমাত্মানন্দনাথ ভৈরব (গিরি)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }