Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শ্রেষ্ঠ গল্প – ইমদাদুল হক মিলন

    ইমদাদুল হক মিলন এক পাতা গল্প513 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    খরা কিংবা বৃষ্টির পরে

    তারপর একদিন বৃষ্টি নামল। বিকেলবেলা। দুপুরের পর সারা আকাশ জন্ডিস রোগীর চোখের রঙ ধারণ করেছিল। মাটি থেকে আকাশসীমা পর্যন্ত জমেছিল কুয়াশার মতো পাতলা ধুলার একটা রেখা। গাছের পাতায় কাঁপন তোলার মতো হাওয়া ছিল না। কোথাও। দেশজুড়ে চলছে প্রচণ্ড খরা। শীতকাল শেষ হতে না হতেই শুরু হয়েছে। এখন জুন মাস যায়, তবুও প্রতিদিন সূর্যের তেজ বেড়ে চলেছে। গুলি খাওয়া বাঘের মতো রোদ গোত্তা খেয়ে বেড়ায় সারা দেশে। উত্তরবঙ্গে মাইল মাইল শস্যের মাঠ রোদে পুড়ে ছারখার হয়ে গেছে। দেশের প্রতিটি অঞ্চল থেকে আসছে খরায় শস্যনাশের খবর। খবরের কাগজগুলো হুমড়ি খেয়ে লিড হেডিঙে ছেপে দিচ্ছে সেই খবর। দেখে দেশবাসীর মাথায় প্রতিদিন একটু একটু করে ঢুকে যাচ্ছে তীব্র রোদ। উষ্ণতায় হাঁসফাঁস করছে মানুষ। তবু বেঁচে থাকার নেশায় দিগ্বিদিক ছুটছে।

    সকালবেলা অফিসে এসে আলাউদ্দিন আলী (৩১) প্রথমে খানিক জিরিয়ে নিয়েছে। গেণ্ডারিয়া থেকে প্রতিদিন হেঁটে আসে মতিঝিলে। তার অফিসে। একটা প্রাইভেট ফার্মের কেরানি আলাউদ্দিন আলী। মাইনে ছশো চল্লিশ টাকা। সকাল নটায় বাড়ি থেকে বেরোয় সে। তারপর টানা চল্লিশ মিনিট, নামাপাড়া হয়ে, পুরোনো রেললাইনের নিচে যে প্রাচীন ধোলাইখাল, রাস্তা শর্টকাট করে সেখানে সাঁকো বেঁধে দিয়েছে ধান্দাবাজ মানুষ, পেরিয়ে যেতে আসতে দশ পয়সা করে লাগে, বিশ পয়সা খরচ করে আলাউদ্দিন আলী অফিসে যায়, ফিরে আসে। অফিসের গেটে এসে, সেখানে ডালা নিয়ে বসে এক পানবিড়িঅলা, দশ পয়সায় একটা পান কিনে মুখে দেয় আলাউদ্দিন আলী। চারতলার সিঁড়ি ভেঙে যখন অফিসে নিজের টেবিলে এসে বসে, দশটা বাজতে তখন বিশ মিনিট। পান চিবোতে চিবোতে ওই বিশটা মিনিট রেস্ট আলাউদ্দিন আলীর। সাড়ে চার বছর এই নিয়মে অফিস করেছে সে। সিগারেট খায় না আলাউদ্দিন আলী, চা খায় না। দুপুরের আহার চারখানা আটা রুটি আর সবজি। বউ তৈরি করে দেয়। বাড়ি থেকে ছোট্ট টিফিন বক্সে ভরে নিয়ে আসে। দুপুরবেলা আয়েশ করে খায়। তারপর পুরো এক গ্লাস পানি খেয়ে দেয়ে ঢেঁকুর তুলে পিয়ন দিয়ে আনায় একটা পান। দশ পয়সা। মোট চল্লিশ পয়সা সারা দিনের খরচ আলাউদ্দিন আলীর। ছশো চল্লিশ টাকা মাস মাইনে, দুজন মানুষের খাই খরচা সাধ আহ্লাদ এবং বাড়িভাড়া দিয়ে চল্লিশ পয়সার বেশি নিজের জন্য একটা খরচ কোন মানুষের পক্ষে সম্ভব!

    আলাউদ্দিন আলী থাকে ডিস্টিলারি রোডে। ঢাকা নারায়ণগঞ্জ রেললাইনের পাশে গেণ্ডারিয়ায় যে বাঁধানো পুকুর তার উত্তর গলির মুখে একটা পুরোনো দোতলা বাড়ি। সেই বাড়ির নিচের তলায় মাঝারি সাইজের একটা রুম, এক চিলতে বারান্দা, বারান্দায় রান্নার ব্যবস্থা, তারপর পাঁচ কদম খোলা জায়গা, গেটের সঙ্গে ছোট্ট বাথরুম। আলাউদ্দিন আলীর সংসার। সংসারে বউ সুফিয়া, আর কেউ নেই। মা বাপ গত হয়েছেন অনেককাল। বড় দুবোন বিয়ে হয়ে চলে গেছে। এখন স্বামীর সংসার সামলায় একজন রায়ের বাজারে আরেকজন নোয়াব গঞ্জে। বছরে দু বছরে এক আধবার বোনদের সঙ্গে, ভাগ্নে-ভাগ্নীদের সঙ্গে দেখা হয় আলাউদ্দিন আলীর।

    আর একটা ছোট ভাই ছিল। কামালউদ্দিন। চৌষট্টি সালের রায়টের সময় তাঁতীবাজার এলাকায় থাকত আলাউদ্দিন আলীরা। রায়ট করতে এসে এক রাতে আগুন দিল লোক। আগুন দেখে বাড়ি থেকে ছুটে বেরিয়েছিল সবাই। তারপর যে যেদিকে পারে ছুট।

    কামালউদ্দিন তখন আট ন বছরের। সেই যে বাড়ি থেকে ছুটে বেরুল, আর ফিরল না। তারপর কতদিন গেল রাত গেল। মা মরেছিল আগেই। কামাল কামাল করে বাপটাও গেল। কিন্তু কামাল ফিরল না।

    এখন মাঝে মাঝে মনটা খারাপ থাকলে কামালউদ্দিনের কথা মনে পড়ে আলাউদ্দিন আলীর। সংসারে এখন আপন বলতে কেউ নেই আলাউদ্দিন আলীর। শুধু বউটা। মেয়ে মানুষ দিয়ে কী হয়! বোঝে শুধু খাওয়াটা আর শোয়াটা। ভাইটা থাকলে আপদে-বিপদে পাশে এসে দাঁড়াত! আহারে কামালটা বেঁচে আছে কি মরে গেছে কে জানে।

    কিন্তু সময়ে অসময়ে আলাউদ্দিন আলীর মনে হয় ভাইটা তার বেঁচে আছে। একদিন ঠিকঠাক করে আসবে। কামালউদ্দিনের সঙ্গে একদিন না একদিন তার দেখা হবেই।

    আজ সকালে নাশতাটা খেয়ে মুখে পান পুরে আলাউদ্দিন আলী যখন বেরুবে, হাতে রুটি ভাজির টিফিন বক্সটা ধরিয়ে দিয়ে সুফিয়া বলল, কাল রেশন তুলতে হবে। ঘরে কিন্তু টাকা-পয়সা নেই।

    শুনে আলাউদ্দিন আলীর মনটা একটু খারাপ হয়ে গেছে। সকালবেলাই শুরু হয়েছে। প্রচণ্ড গরম। ছশো চল্লিশ টাকা মাইনের কেরানির ঘরে তো আর ফ্যান থাকে না! জামা কাপড় পরে ঘামছিল আলাউদ্দিন আলী। রেশন তোলার কথাটা শুনে গরমটা আরো বেড়ে যায় তার। তবু চৌকির ওপর খানিক বসে পান চিবোয় সে। সুফিয়াকে দেখে পেটের কাপড় পিঠের কাপড় সরিয়ে খসখস করে পেট পিঠ চুলকাচ্ছে। পেটটা দিন দিন উঁচু হচ্ছে। চারমাস চলছে সুফিয়ার। কথাটা মনে হতে মাথার ভিতরটা চক্কর খায় আলাউদ্দিন আলীর। আর পাঁচ ছয় মাস বাদেই সংসারে আসবে একটা নতুন মানুষ। ঝামেলা পোহাতে যাবে একগাদা টাকা। তারপর দিনদিন খরচ বাড়বে। বাড়তি টাকাটা আসবে কোত্থেকে! এখনই মাসের শেষ দিকে এডভান্স নিয়ে রেশন তুলতে হয়, বাজার করতে হয়।

    বাজারটা সপ্তাহে একদিন, রোববার নিজে করে আলাউদ্দিন আলী। সারা সপ্তাহেরটা। মাছমাংস তো কপালে জোটে না। আলুভর্তা, ডাল আর ভাজিভুজি। তবু মাসের শেষটা আর চলে না। আড়াই শো টাকা বাড়ি ভাড়া দিয়ে বাকি তিনশো নব্বই টাকায় দুজন মানুষের সংসার কি চলতে চায়! সুফিয়াটা ভালো মেয়ে বলে এসব নিয়ে কখন কথা বলে না। টেনেটুনে সংসারটা ঠিকই চালিয়ে নেয়। বাড়িঅলার চাকর ছেলেটাকে পটিয়ে পাটিয়ে সপ্তাহের রেশনটা তুলিয়ে নেয়।

    সুখে-দুঃখে দিন চলে যাচ্ছিল ঠিকই। পাঁচ বছরের বিবাহিত জীবনে কখন কোনও আবদার করেনি সুফিয়া। শখ করে কোনও জিনিসের বায়না ধরেনি। ঘুরতে নিয়ে যেতে বলেনি, সিনেমা দেখাতে বলেনি। আলাউদ্দিন আলীর সংসারে এসেই বুঝে গিয়েছিল এটা একটা জেলখানা, আমোদ-আহ্লাদ কিংবা শখ করার জায়গা নয়। জীবনটা মেনে নিয়েছিল সুফিয়া। তবু মেয়েমানুষ চিরকালই মেয়েমানুষ, সন্তান না চেয়ে কি পারে! প্রথম থেকেই একটা সন্তানের বায়না ধরেছিল সুফিয়া। সব বুঝেও। পৃথিবীতে আল্লাহ কোনও মানুষ পাঠালে তার অন্নের সংস্থান করেই পাঠান, এসব বুঝিয়েছে আলাউদ্দিন আলীকে।

    পুরুষমানুষ কি এসব সহজে বোঝে! তবু ব্যাপারটা অনেক কাল ঠেকিয়ে রেখেছিল। শেষপর্যন্ত পারেনি।

    ঘর থেকে বেরুতে বেরুতে সকালবেলা আলাউদ্দিন আলী একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলেছে। তারপর সুফিয়ার মুখের দিকে তাকিয়ে বলেছে আজ এডভান্স নেব।

    শুনে মৃদু হেসেছে। তারপর পেটপিঠ চুলকাতে লেগে গেছে সে।

    সুফিয়ার শরীর ভরে গেছে ঘামাচিতে। নাকের তলায় সকালবেলাই জমে গেছে ঘাম। ইস কী যে গরম এবছর। তবু সুফিয়ার মুখে সকালবেলা আলাউদ্দিন আলী দেখেছে এক ধরনের প্রশান্তি। গরম ঘামাচি দারিদ্র? সব ছাপিয়ে সন্তান আসছে এক সুখেই কি বিভোর হয়ে থাকে সুফিয়া?

    তারপর সুফিয়ার জন্য কী যে এক মায়ায় বুক ভরে গেছে তার। এই সময়ে মেয়েদের ভালো খাওয়াদাওয়া দরকার, পুরোপুরি বিশ্রামের দরকার। সুফিয়া এসবের কিছুই পাচ্ছে না। তার ওপর শরীর ভরে গেছে ঘামাচিতে। কী যে শুরু হল এবছর! এত গরমে মানুষ বাঁচবে কেমন করে!

    রোদে পুড়ে ঘামে হাঁসফাঁস করতে করতে আলাউদ্দিন আলী যখন অফিসে পৌঁছে দশটা বাজতে তখন পনের মিনিট বাকি। এই প্রথম পাঁচ মিনিট লেট হল আলাউদ্দিন আলীর। আর আজ বহুদিন বাদে অফিসের সামনের দোকানটা থেকে পান খেতে ভুলে গিয়েছিল আলাউদ্দিন আলী।

    সে কি কোনও ঘোরের মধ্যে চল্লিশ মিনিটের পথ পেরিয়ে এল আজ!

    অফিসে এসে আলাউদ্দিন আলী দেখে ইলেকট্রিসিটি নেই। কলিগরা যে যার টেবিলে বসে ঘামছে। দু-একজন শার্টের সব বোতাম খুলে জানালার সব পর্দা সরিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু বাইরের পৃথিবীতে কোথাও কি হাওয়া আছে! কদিন ধরেই এরকম হচ্ছে। যখন তখন ইলেকট্রিসিটি চলে যায়। নাগাড়ে চার পাঁচ ঘণ্টা লোডশেডিং। বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে দেখা দিয়েছে বিপর্যয়। খরায় জল নেমে গেছে নিচে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটেছে। কী যে হবে!

    নিজের টেবিলে বসে হা করে শ্বাস টানে আলাউদ্দিন আলী। তারপর ক্যাশিয়ার বিপিন বাবুর টেবিলের সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। বিপিনবাবু পাতলা পাঞ্জাবি পরা, চশমা চোখে মাথা নিচু করে খবরের কাগজ পড়ছিলেন। আলাউদ্দিন আলী ডাকল, বাবু।

    বিপিনবাবু মুখ তোলেন। তারপর মোটা লেন্সের ভেতর থেকে সোজা আলাউদ্দিন আলীর মুখে। কী ব্যাপার আলাউদ্দিন সাহেব? আলাউদ্দিন আলী কথা বলে না। কাঁচুমাচু করে। বিপিনবাবু হেসে বললেন, কত?

    শখানেক।

    ছুটির সময় নিয়ে যেয়েন।

    শুনে আলাউদ্দিন আলী খুব খুশি। হে হে করে একটু হেসে বলল, পেপারের একটা পাতা দিন না। পড়ি।

    বিপিন বাবু মাঝের একটা পাতা খুলে দিলেন।

    নিজের টেবিলে এসে কাগজটা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পড়ে আলাউদ্দিন আলী। এক জায়গায় বক্স করা ছোট্ট একটা খবর পড়ে মাথার ভেতরটা ফাঁকা হয়ে যায় তার। উত্তরবঙ্গের জনৈক সত্তর বছর বয়স্ক বৃদ্ধ, খরায় বৃষ্টির অভাবে মাইল মাইল শস্যের মাঠ ছারখার হয়ে যাচ্ছে দেখে খালি গায়ে গিয়ে বিলের জমিতে গিয়ে বসেছেন। তারপর বৃষ্টির জন্যে আল্লাহর দরবারে হাত তুলেছেন। নাগাড়ে তিনদিন জমিতে বসেছিলেন তিনি। প্রার্থনার ভঙ্গিতে তোলা ছিল দুহাত।

    তিনদিন অন্নজল স্পর্শ করেননি। তবু বৃষ্টি হয়নি। চারদিনের দিন সকালবেলা সংসারের অন্যান্য লোক যখন তাকে ফিরিয়ে আনতে গেছে তখন তিনি মৃত।

    একটি লোকের জীবন নিয়েও আল্লাহ বৃষ্টি দেননি। কথাটা ভেবে কেন যে আলাউদ্দিন আলীর মনে হয় পৃথিবীতে কোনও কালেই বুঝি আর বৃষ্টি হবে না। উষ্ণতায় মারা যাবে সমগ্র পৃথিবীর মানুষ।

    সারাদিন মনটা খারাপ হয়ে থাকে। অফিসে তেমন কাজকাম ছিল না। তবু সময়টা কেটে গেছে।

    বিকেলবেলা অফিস থেকে বেরিয়ে আলাউদ্দিন আলী দেখে রোদ নেই। আকাশ জন্ডিস রোগীর চোখের মতো। মাটি থেকে আকাশ পর্যন্ত কুয়াশার মতো জমে আছে পাতলা ধুলোর রেখা। এক বিন্দু হাওয়া নেই। মাটির চুলো থেকে আগুন তুলে নেয়ার পরও যেমন উষ্ণতা থাকে, তেমনি উষ্ণতা চারদিকে। তবুও আলাউদ্দিন আলীর মনে একটা ফূর্তির ভাব। একশো টাকা এডভান্স পাওয়া গেছে। টাকাপয়সা পকেটে থাকলে হাজার দুঃখ-কষ্টের মধ্যেও নিম্নবিত্ত মানুষের মনে আলাদা একটা সুখ থাকে। আলাউদ্দিন আলী এখন সেই সুখে বিভোর।

    টিকাটুলীর মোড়ে এসে আলাউদ্দিন আলীর মনে পড়ল সকালবেলা অফিসের সামনে দোকান থেকে পানটা আজ খাওয়া হয়নি। মনে পড়তেই পানের নেশাটা চড়ে যায়। একটা স্টেশনারি দোকান থেকে পান নিয়ে যখন মুখে পোরে তখন সুফিয়ার কথা মনে পড়ে তার। ঘামাচিতে শরীর ভরে গেছে সুফিয়ার। যে হারে গরম বাড়ছে প্রতিদিন তাতে ঘামাচি কমার কোনও সম্ভাবনা নেই। এই সময় মেয়েদের একটা ভালো। খাওয়াদাওয়া দরকার, আরামআয়েশের দরকার। কোনওটাই পায় না সুফিয়া। বরঞ্চ বাড়তি কষ্ট পাচ্ছে ঘামাচির। এইট্টুকু কষ্ট থেকে যদি সুফিয়াকে না বাঁচাতে পারি তো আমি কেমন স্বামী। কথাটা ভেবে ঘামাচি মারার মোক্ষম ওষুধ, মাইসেল পাউডার পৌনে সাত টাকা দিয়ে একটা কিনে ফেলল আলাউদ্দিন আলী। তাতে মনে একটা পরিতৃপ্তি আসে তার। পাউডারের টিন হাতে পান চিবোতে চিবোতে, জন্ডিস রোগীর চোখের মতো আকাশের তলা দিয়ে হেঁটে হেঁটে পাঁচ বছরের পুরোনো সংসারে ফিরে এল। আলাউদ্দিন আলী। বিকেলবেলা।

    বারান্দায় বসে পেটপিঠের কাপড় সরিয়ে ঘামাছি মারছিল সুফিয়া। গায়ে ব্লাউজ নেই। বলে ভারি বুক ইতিউতি উঁকি দিচ্ছিল। সে সবের খেয়াল ছিল না তার।

    সুফিয়া মগ্ন হয়ে ঘামাচি মারছে দেখে আলাউদ্দিন আলী একটু গলা খাঁকারি দিল। সঙ্গে সঙ্গে চমকে শরীরে আঁচল টেনে দেয় সুফিয়া। তারপর আলাউদ্দিন আলীকে দেখে হেসে ফেলে। ও তুমি, আমি ভাবলাম কে না কে?

    একথায় বহুকাল বাদে বউর সঙ্গে একটু ঠাট্টা করে আলাউদ্দিন আলী। অন্য কেউ আসে নাকি?

    যা।

    তারপর আলাউদ্দিন আলীর হাতে পাউডারের টিন দেখে লাফিয়ে ওঠে সুফিয়া। থাবা দিয়ে টিনটা নিয়ে জিজ্ঞেস করে, আমার জন্যে এনেছ?

    তো কার জন্যে! আমার কি আর দু-একটা বউ আছে?

    কত দাম?

    পৌণে সাত টাকা।

    এই এতগুলো টাকা খরচ না করলেই পারতে!

    আলাউদ্দিন আলী কথা বলে না। ঘরে ঢুকে জামাকাপড় ছাড়তে ছাড়তে সুফিয়ার চেহারায় আলাদা একটা লাবণ্য খেলা করছে দেখে পরিতৃপ্তির শ্বাস ফেলে। ভেতরে ভেতরে সুফিয়া যে প্রচণ্ড খুশি হয়েছে, বুঝতে দেরি হয় না তার।

    অফিসের জামাকাপড় সদরঘাটের নিকসন মার্কেট থেকে অতি সস্তায় কেনা সাহেবদের পুরোনো শার্টপ্যান্ট খুলে খালি গায়ে, লুঙ্গি পরে ছোট বারান্দায় এসে বসে আলাউদ্দিন আলী। শরীরে ঘাম শুকিয়ে গিয়ে লবণ হয়ে গেছে দেখে সুফিয়া ভাঙা তালপাতায় তাকে বাতাস করছিল। তখনি একবার বিদ্যুৎ চমকে ওঠে আকাশে। বহুকাল বাদে, যেন এই প্রথম পৃথিবীতে মেঘ ডাকছে, এমন করে, দশদিক মুখরিত করে মেঘ ডেকে ওঠে। সঙ্গে সঙ্গে সুফিয়া বলল, আয় আয়।

    আলাউদ্দিন আলী আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল, বৃষ্টি হলে দুনিয়াটা ঠাণ্ডা হয়, মানুষ বেঁচে যায়।

    একথার পরপরই শুরু হয় দমকা শুকনো বাতাস। রাজ্যের ধুলোবালি উড়ে আসে আলাউদ্দিন আলীর ছোট্ট ঘরে। ধুলোর দাপটে অন্ধকার হয়ে যায় চারদিক। সুফিয়া ছুটে গিয়ে ঘরের জানালা বন্ধ করে। তারপর ঘরে ষাট পাওয়ারের বালব জ্বেলে দেয়।

    তখুনি বাতাসের সঙ্গে কেঁপে আসে বৃষ্টি। থেকে থেকে বিদ্যুৎ চমকায়, মেঘ ডাকে। আলাউদ্দিন আলী বসেছিল বারান্দায়, বৃষ্টিতে হাওয়ায় তার শরীর জুড়িয়ে যেতে থাকে। বৃষ্টি দেখে সবচেয়ে খুশি হয়েছে সুফিয়া। দৌড়ে ছোট্ট উঠোনে নেমে যায় সে। তারপর বুক পিঠের কাপড় ফেলে দিয়ে বৃষ্টিতে ভিজতে থাকে।

    সুফিয়াকে এখন বাচ্চা মেয়ের মতো দেখাচ্ছে। আলাউদ্দিন আলী তাকিয়ে দেখে।

    স্বামীর সামনে মেয়েদের কোনও লজ্জা থাকে না। কী রকম অবলীলায় বুকের পিঠের কাপড় ফেলে দিয়ে বৃষ্টিতে ভিজছে সুফিয়া!

    আলাউদ্দিন আলী বলল, বেশি ভেজাভেজি কোরো না। জ্বরজারি হবে। এসময় অসুখ বিসুখ খারাপ। বাচ্চার প্রবলেম হতে পারে। সুফিয়া হাসতে হাসতে বলে, তুমি অত ভেব না গো। কিছু হবে না। বছরের প্রথম বৃষ্টিতে ভিজলে ঘামাচি সব মরবে।

    আহা, তাহলে পাউডারটা কেন কিনলাম।

    আফসোস হচ্ছে?

    পৌণে সাতটা টাকা!

    মনে কর আমার জন্যে গচ্চা দিলে। বলেই সুফিয়া খুব হাসে। কখনও তো আমার জন্যে তোমার তেমন খরচা হয়নি। এবার একটু না হয় হল।

    শুনে আলাউদ্দিন আলীর একটা দীর্ঘশ্বাস পড়ে। খরচটা কি হত না, সামর্থ থাকলে ঠিকই হত। কিন্তু কথাটা বলা হয় না।

    অনেকক্ষণ বৃষ্টিতে ভিজে, শাড়িছায়া পাল্টে, ঘরের ভেতর ষাট পাওয়ারের আলোর তলায় দাঁড়িয়ে শরীরে পরম যত্নে মাইসেল পাউডার মাখছিল তখুনি লাইট চলে যায়। মুহূর্তে মৃত্যুর মতো গভীর অন্ধকার নেমে আসে। থেকে থেকে মেঘ ডাকছে, বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। আলাউদ্দিন আলী কাত হয়ে শুয়েছিল চৌকির ওপর। আলো চলে যেতেই ধড়ফড় করে ওঠে। ম্যাচ কোথায়? হারিকেন জ্বাল।

    সুফিয়া বলল, ব্যস্ত হয়ো না। আমি দেখছি।

    তারপর হাতড়ে হাতড়ে ম্যাচ বের করে সুফিয়া। হারিকেন জ্বেলে দেয়।

    হারিকেনের আলোয় খাওয়াদাওয়া যখন শেষ করেছে দুজন, তখন আলো ফেরেনি।

    সাড়ে আটটা নটা বাজে। আলাউদ্দিন আলী বলল, চল শুয়ে পড়ি। গরমে কতকাল ঘুমুতে পারিনি। আজ শান্তিতে ঘুমুব।

    হারিকেন নিবু নিবু করে সুফিয়া যখন বিছানায় গেছে, বাইরে তখন বৃষ্টি থেমে গেছে, দমকা হাওয়াটা একদম নেই। বৃষ্টির পরে পৃথিবী এখন শীতল। সুফিয়া বিছানায় শুয়ে আলাউদ্দিন আলীর বুকে পিঠে নরম হাত বুলিয়ে দিচ্ছিল। তখন আলাউদ্দিন আলীর মনে পড়ে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করতে করতে উত্তরবঙ্গে শস্যের মাঠে বলে মারা গেছেন এক বৃদ্ধ। অতঃপর বৃষ্টি হল বৃদ্ধের প্রার্থনা সফল হল, বৃদ্ধ দেখে যেতে পারলেন না।

    একটি দীর্ঘশ্বাস পড়ে আলাউদ্দিন আলীর। তখুনি গলির মুখে লোকজনের হল্লাচিল্লার শব্দ পাওয়া যায়। প্রথমে খেয়াল করে না আলাউদ্দিন আলী। সুফিয়া বলল কী হল? এত হইচই?

    আলাউদ্দিন আলী কান পেতে শব্দটা শোনে। তারপর বলে, বুঝতে পারছি না। বেরিয়ে দেখে আসব?

    না, এই অন্ধকারে বেরুতে হবে না।

    হল্লাচিল্লাটা তখন আরও বেড়েছে। অনেক লোকজন একত্রে উত্তেজিত হয়ে কথা বলছে। গলির একেবারে মুখে। কী ব্যাপার?

    আলাউদ্দিন আলী জোর করে বিছানা ছাড়ে। তারপর খালি গায়ে, লুঙ্গি পরা অবস্থায় হারিকেনটা নিয়ে ঘর থেকে বেরোয়। দেখে আসি। এখুনি চলে আসব।

    সুফিয়া বলল, দেরি কোরোনা। অন্ধকারে আমার ভয় করবে।

    গলির মুখে এসে আলাউদ্দিন আলী দেখে লোকজন জটলা করে দাঁড়িয়ে আছে এক জায়গায়। সেখানে কাত হয়ে পড়ে আছে একটা লাইটপোস্ট। লাইটপোস্টের তলায় একটা রিকশা। লোকজনের হাতে হারিকেন জ্বলছে। হারিকেনের আলোয় দেখা যায় রাস্তায় ভিড়ের মাঝমধ্যিখানে লুঙ্গি কাছামারা, খালি গা জোয়ান মর্দ এক যুবক উপুড় হয়ে পড়ে আছে। আলাউদ্দিন আলী কিছু বুঝতে না পেরে একজনকে জিজ্ঞেস করল, কী হয়েছে ভাই?

    ঝড়বৃষ্টি দেখে রিকশা রেখে লাইটপোস্টের নিচে দাঁড়িয়েছিল লোকটা। কী দুর্ভাগ্য দেখুন, লাইটপোস্টটা কাত হয়ে পড়ল বুকের ওপর।

    মারা গেছে?

    হ্যাঁ, বোধ হয় সঙ্গে সঙ্গেই।

    শুনে বুকের ভেতরটা কেমন করে ওঠে আলাউদ্দিন আলীর। চৌষট্টির রায়টে হারিয়ে যাওয়া কামালউদ্দিনের কথা মনে পড়ে। তারপর ভিড় ঠেলে যুবকের লাশের সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। উপুড় হয়ে পড়ে আছে। মুখ দেখার উপায় নেই। শুধু কুচকুচে কালো পিঠটা দেখা যায়। পিঠভর্তি ঘামাচি। বছরের প্রথম বৃষ্টি পেয়ে, ঘামাচি মারার লোভেই কি সে রিকশা নিয়ে লাইটপোস্টের তলায় বসেছিল। যুবক কি জানত গোপনে তার আজরাইল এসে বসে আছে ওই লাইটপোস্টে।

    হারিকেন হাতে ফিরে আসতে আসতে আলাউদ্দিন আলী মনে মনে বলল, ভাই আমার ভাই। কথাটি কি সে এই যুবক না চৌষট্টির রায়টে হারিয়ে যাওয়া ভাই কামালউদ্দিনের উদ্দেশে বলল, বুঝতে পারে না।

    ঘরে এসে আলাউদ্দিন আলী দেখে বহুকাল বাদে ঠাণ্ডা পেয়ে নিঃসাড়ে ঘুমুচ্ছে সুফিয়া। বউটাকে আর ডাকে না সে। হারিকেন নিবু নিবু করে তার পাশে শুয়ে পড়ে। কিন্তু শুয়ে না পড়ে এতকাল বাদে ঠাণ্ডা রাত পেয়েও ঘুম আসে না তার। হারিয়ে যাওয়া ভাইটার কথা মনে পড়ে। আর চোখের ওপর বারবার ভেসে ওঠে উপুড় হয়ে রাস্তায় পড়ে থাকা। রিকশাঅলা যুবকের লাশ। কামালউদ্দিন নয় তো!

    ঘুম আসে না আলাউদ্দিন আলীর। অদ্ভুত একটা ঘোরের মধ্যে না ঘুম না জাগরণ এমন। একটা অবস্থায় সুফিয়ার পাশে পড়ে থাকে সে। ভোররাতে একটু তন্দ্রামতন এসেছিল। হঠাৎ সুফিয়ার চিৎকারে লাফিয়ে ওঠে আলাউদ্দিন আলী। দেখে ঘরে ষাট পাওয়ারের বালব জ্বলছে। বিকেলবেলাটা ইলেকট্রিসিটি চলে গিয়েছিল। সুইচ অফ করা হয়নি বলে লাইটটা ইলেকট্রিসিটি ফিরে পেয়ে আপনা আপনি জ্বলে ওঠেছে। আর সেই আলোয় মেঝেতে গড়াগড়ি খেয়ে চিৎকার করছে সুফিয়া। রক্তে ভেসে যাচ্ছে মেঝে।

    প্রথমে আলাউদ্দিন আলী কিছুই বুঝতে পারে না। ভ্যাবলার মতন খানিক বসে থাকে চৌকির ওপর। তারপর লাফিয়ে নেমে সুফিয়াকে জড়িয়ে ধরে। কী হয়েছে?

    সুফিয়া কথা বলতে পারে না। গোঙায়। ব্যথায় মুখ দিয়ে ফেনা ওঠছে তার। নিম্নাঙ্গ ভেসে যাচ্ছে রক্তে, মেঝে ভেসে যাচ্ছে।

    আলাউদ্দিন আলী কী করবে বুঝতে পারে না। বারান্দায় ছুটে এসে দোতলায় লোকদের ডাকে। একটু আসুন তো দয়া করে। আমার ভারি বিপদ।

    মিনিট পাঁচেক পর বাড়িঅলা সাদেক সাহেব আর তার স্ত্রী নেমে আসেন। সাদেক সাহেবের স্ত্রী সুফিয়াকে এক পলক দেখেই বললেন, আলী সাহেব ডাক্তার ডেকে আনুন। আপনার স্ত্রীর এবরসন হয়ে গেছে। শুনে মাথার ভেতরটা ফাঁকা হয়ে যায় আলাউদ্দিন। আলীর। নিজেকে নিজেই মিনিট দুয়েক চিনতে পারে না সে।

    কিন্তু এই ভোররাতে আলাউদ্দিন আলী কোন ডাক্তারের কাছে যাবে, খানিক বুঝতে পারে না। এক সময় মনে পড়ে সাবেক শরাফতগঞ্জ লেইনে মফিজ ডাক্তারের বাসা। বাসাটা চেনা আছে। ডেকে, হাতে পায়ে ধরে ডাক্তারকে আনা যাবে। মফিজ ডাক্তার ভালো লোক।

    হাতে ডাক্তার সাহেবের ব্যাগ, পেছনে মফিজ ডাক্তার আলাউদ্দিন আলী যখন ফিরছে, তখন ভোরবেলার পবিত্র আলো ফুটে ওঠেছে চারদিকে। কাল সন্ধ্যার ঝড়বৃষ্টির ফলে ভেজা একটা ভাব চারদিকে। ধুলোবালির চিহ্ন নেই।

    বাঁধানো পুকুরটার কাছাকাছি এসে আলাউদ্দিন আলী দেখে পুকুরের চারদিকে লোকজনের ভিড়। দেখে আলাউদ্দিন আলী একটু অবাক হয়। হাতে ডাক্তারের ব্যাগ পিছনে মফিজ ডাক্তার, সুফিয়ার এবরসন হয়ে গেছে, সব ভুলে আলাউদ্দিন আলী পুকুরের পাড়ে গিয়ে দাঁড়ায়। তখন দৃশ্যটা চোখে পড়ে তার। হাতমুখ বাঁধা এক যুবতীর লাশ ভাসছে পুকুরে। মুখটা কাপড় দিয়ে বাধা বলে চেহারা বোঝা যায় না। হাত দুটো বাঁধা বুকের কাছে। শরীরে কাপড় নেই। সাদা শরীরটা জলের ওপর স্থির হয়ে আছে। লোকে বলাবলি করছে, রেপ কেস। রেপ করে, হাত মুখ বেঁধে পুকুরে। ফেলে দিয়ে গেছে। থানায় খবর দেয়া উচিত।

    আলাউদ্দিন আলী পুকুর পাড়ে দাঁড়িয়ে সব শোনে, সব দেখে। বহুদিন খরার পরে কাল বৃষ্টি হয়েছিল। লাইটপোস্ট চাপা পড়ে গলির মুখে পড়েছিল এক যুবক। হলেও সে তার হারিয়ে যাওয়া ভাই হতে পারে। ভোররাতে সুফিয়ার এবরসন হয়ে গেল। এখন ধর্ষিতা যুবতীর লাশ ভাসছে পুকুরে। এসবের মানে কী?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনূরজাহান – ইমদাদুল হক মিলন
    Next Article প্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন

    Related Articles

    ইমদাদুল হক মিলন

    ইমদাদুল হক মিলনের বিবিধ রচনা

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    অন্তরে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    এসো – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    দুই বাংলার দাম্পত্য কলহের শত কাহিনী – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও ইমদাদুল হক মিলন সম্পাদিত

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }