Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শ্রেষ্ঠ গল্প – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সম্পত্তি

    স্বরূপ মণ্ডল বলিল, আদালত-আদালত একালের একটা বাই হয়েছে দাদাঠাকুর এগুনে, মানে আমাদের সময়ে এসব ছেল না। তার আগেও ছেল না। দুজ্জোধন যখন বললেন —’ছুঁচের ডগায় যতটুকু মাটি ওঠে ততটুকু পর্যন্ত দোব না,’ কই, এঁরা পাঁচ ভাইয়ে তো কৌঁসুলি ডেকে আদালতে গিয়ে উঠলেন না!—মোট কথা মকদ্দমা করলেই যে সম্পত্তি-জ্ঞানটা খুব টল্টনে হল—এ কথা মানব না, দাদাঠাকুর। ওটা হল ট্যাকার গরমাই। শুনছেন তো— ঢোলের আওয়াজটা।—ট্যাকা আছে, কলকেতা থেকে কৌসুলি আনিয়ে মকদ্দমা জিতে দত্তরা লবীনের বাগানের ওপর দাঁড়িয়ে নিলেমের ট্যাডরা পিটোচ্ছে। ট্যাকার গরমাই, একে সম্পত্তিজ্ঞান বলব না।

    স্বরূপ আবার খানিকক্ষণ একমনে বাঁশের বাতাটা চাঁচিল, তাহার পর হাত থামাইয়া বলিল, কেমন করে বলব কন না, আমরা যে অন্যরকম দেখেছি কিনা! বেশি দূরের কথা নয়, এই তিনটে গেরাম পেরিয়েই বাতাসপুরে। বেশি দিনের কথাও নয় এমন, কতই বা আমার বয়েস হবে ত্যাখন? ধরুন দশ— জোর, বারো। যদি মনে করেন, স্বরূপ মিছে বলছে তো পাশের গেরামে গিয়ে খোঁজ নিলেই হবে, বাঞ্ছারামের নাতি-নাতকুড়েরা এখনও বাতাসপুরের ছ-আনিদের দেওয়া নাখরাজ রাজার হালে ভোগ করে যাচ্ছে।

    —বাতাসপুরের ছ-আনি তরফের কত্তা ত্যাখন উমেশ পাল। সবে কিছুদিন আগে সম্পত্তি ভাগ হয়েছে—দশ-আনি আর ছ-আনি এই দু-তরফের মধ্যে খুব রেষারেষি। ভৈরব পাল যদি উত্তর দিকে যায় তো উমেশ পাল যাবে দক্ষিণ দিকে। উমেশ পাল মায়ের সেরাদ্দে সাতখানা গেরাম বলে খব ধূমধাম করলে; ভৈরব পালের সেরাদ্দ করবার জন্যে না ছেল মা, না ছেল মাসি, না ছেল খুড়ি; মেয়ের এক দূর-সম্পক্যের জ্যেঠশাশুড়ি কোথায় পড়ে ভুগছিল, তাকে দেশে নিয়ে এসে ঘটা করে গঙ্গাযাত্রা করালে—তারপর সেরাদ্দ যা করলে তাতে উমেশ পালের মুখে চুনকালি মাখিয়ে দিলে একেবারে।…উমেশ পালের হাতে তখনও এক খুড়ি রয়েছে—বিধবা। কে জানে ভাসুরপো যেমন খেপে আছে রেষারেষির মাথায় কখন কী ঘটিয়ে বসবে—এই ভয়ে তিনি রাতারাতি একদিন সরে পড়লেন। ভাবটা—আমার ঘটা করে সেরাদ্দর কাজ নেই বাপু, কোনওরকমে দুটো দিন বাঁচি আগে। দশ বছর পরে সেতুবন্ধ তীর্থ থেকে তাঁর মৃত্যুর খবর যেদিনকে পাওয়া গেল, উমেশ পাল তিলকাঞ্চন করে গোনাগুনতি বারোটি বামুন খাইয়ে দায় খালাস হল। দোষ দেবেন কী করে দাদাঠাকুর? খুড়ির ব্যাভারটা তো ভালো হল না।

    —এইরকম কাণ্ড,—পুজো বলো, পাবন বলো, অতিথি বলো, কুটুম বলো—সব নিয়েই রেষারেষি,—এমন রেষারেষি যে, সমস্ত গেরামটা অষ্টপহর সরগরম হয়ে আছে। সমস্ত তল্লাটটায় পালেদের ঝগড়া নিয়ে একটা ডাক পড়ে গেল। এই সময় বাঞ্চারাম হঠাৎ কেমন করে একদিন ধরা পড়ে গেল।

     

     

    —বাঞ্ছারাম যেমন সিঁদও কাটত তেমনি আবার সুবিধে পেলে দিনমানেই গেরস্তর থালাটা, বাটিটা, কাপড়টা, গামছাটা, বেমালুম পাচার করে দিত। খুব হাতসাফাই ছেল, কিন্তু বিধেতাপুরুষ যখন মুখ তুলে চান, তখন হাত-সাফাইয়ে আর কী করবে বলুন দাদাঠাকুর? ধরা পড়ে গেল।

    আমি কতকটা বিস্মিতভাবেই প্রশ্ন করিলাম, অথচ বলছ—বিধাতাপুরুষ মুখ তুলে চাইলেন?

    স্বরূপ হাত থামাইয়া একটু মৃদুহাস্যের সহিত আমার পানে চাহিল, বলিল, ধৈর্য ধরে সবটা শুনতে হবে দাদাঠাকুর। যদি দেখেন স্বরূপ মণ্ডল ভুল বলেছে, যেমন অভিরুচি সাজা দেবেন। ত্যাতক্ষণ একটু ধৈর্য ধরে শুনতে হবে।…হ্যাঁ, কী যে বলছিলুম—বাঞ্ছারাম আর সেবারটায় পারলে না চোখে ধুলো দিতে, ধরা পড়ে গেল।—বাতাসপুরের দশ-আনি তরফের বাড়ি দুটো পাশাপাশি; মাঝখানে কুল্যে একটা পুষ্করিণী। ভাগাভাগিতে দশ-আনি তরফের ভৈরব পাল পেল বসত-বাড়িটা, তারপরেই পুষ্করিণীটা, তারপরে কাছারি-বাড়ি। উমেশ পালের ভাগে পড়ল কাছারি—বাড়িটা। সেইটেকেই লম্বা দেয়াল দিয়ে ঘেরে-ঘুরে, দোতলার ওপর আর একতলা উঠিয়ে উমেশ পাল যে বাড়ি হাঁকড়ালে, তার সামনে দশ-আনিদের বাস্তু কানা হয়ে গেল। ছোট তো হতে পারে না জ্ঞাতির কাছে?—তখন ভৈরব পালও আবার দোতলার ওপর আর একতলা চাপাতে শুরু করে দিলে। মানে, খুন চেপে গেল আর কী দু-তরফের মাথায়। এ যদি বলে—আমার বাড়ি দোতলা, তো ও বলে—আমি তেতলা তুললুম। ওর যদি তেতলা শেষ হল তো ও বলে—আমি চারতলা তুলব। এর চারতলা তো ওর পাঁচতলা, ওর পাঁচতলা তো এর ছয়, এ যদি বলে—আমার ছয়, তো—

     

     

    স্বরূপ কাটারিসুদ্ধ হাতটা এক-এক তলার অনুপাতে ধাপে ধাপে তুলিতেছিল। সাতের কাছে যখন আসিল, আমি তাহার হাতের পানে বিমূঢ়ভাবে চাহিতে হাতটা নামাইয়া বলিল, না, সাততলা পর্যন্ত উঠতে পেলে আর কই? ভৈরব পালের তেতলা শেষ হয়ে চিলেকোঠা উঠছে, এমন সময় কোথা দিয়ে কী হল, — সমস্ত চিলেকোঠাটা, তেতলার খানিকটা, দোতলার খানিকটা, মায় পুরোনো একতলারও কোণের দিকটা নিয়ে হুড়মুড়িয়ে নেমে পড়ল। ভৈরব পাল একটা ছুতো-নতে করে উমেশ পালের সঙ্গে ঠিক একটা দাঙ্গা বাধিয়ে দিত, কিন্তু

    আমি আবার বিস্মিত হইয়া প্রশ্ন করিলাম, এতে উমেশ পালের দোষটা হল কোথায়, বুঝছি না তো স্বরূপ?

    স্বরূপ মৃদু হাসিয়া বলিল, দোষ, মকদ্দমা, সালিসি—এসব হল আপনাদের একালের কথা দাদাঠাকুর, সেকালে এসব তো ছেল না।—তুমি কোট্ করে একতলার ওপর দোতলা চাপাতে গেলে বলেই তো আমার এই ক্ষতি আর অপমান হল—সেকালের লোকেরা কথাটা এইরকম সোজাসুজি ভাবেই ধরত কিনা।…নির্ঘাৎ একটা হাঙ্গামা বেঁধে যেত এক-আধ দিনের মধ্যে। কিন্তু উমেশ পালের গুরুঠাকুর ব্যাপারটা সামলে দিলে। তিনি পুকুরে চান-আন্নিকটুকু সেরে গামছাটি মাথায় পাট করে দশ-আনিদের শুনিয়ে শুনিয়ে মন্তর আওড়াতে আওড়াতে ওই পথ দিয়ে বাড়ি সেঁদুচ্ছেল, আদ্দেকগুলি ইঁট নেমে মন্তরসুদ্দু তেনাকে চাপা দিয়ে দিলে। তবু মন্দের ভালো—বলে ভৈরব পাল গায়ের জ্বালা গায়েই মেরে নিলে। বাড়ি পড়া নিয়ে আর কোনও গোলমাল করলে না। উমেশ পালের তেমন গুরুভক্তি-টুরুভক্তি ছেল না দাদাঠাকুর—সবার তো সমান হয় না! তবুও বাতাসপুরের লোকেরা কী হয় কী না-হয় করছে, এমন সময়, আপনাকে যা বলছিলুম, বাঞ্ছারাম ধরা প’ড়ে গেল।

     

     

    —বাঞ্ছারামকে এ তল্লাটে সবাই চেনে, সাবধান থাকে; কিন্তু বাতাসপুর তো দূরে, যেখানে তাকে বড় একটা কেউ চিনত না। না চেনার দরুন উমেশ পালের বাড়িতে দিন-মজুরিতে সে একটা কাজ পেয়ে গেছল।—দুপুর গড়িয়ে গেছে, শীতকালের বেলা, মজুরি সেরে বাঞ্ছারাম গায়ে সুতির র‍্যাপারটুকু জড়িয়ে দাঁতন করতে করতে ঠুকঠুক করে চলেছে। এইবার চানটা সেরে খুদ মুড়ি যা জোটে একমুঠো গালে দিয়ে আবার খাটুনিতে নামবে, এমন সময় হেঁড়ে গলায় এক ডাক—কে জাতা হ্যায়?

    —রাস্তাটা ভৈরব পালের দেউড়ির সামনে দিয়ে। বাঞ্ছারাম ফিরে দেখে সিং—দরজায় এক তেপাইয়ের ওপর এক বেটা নতুন পশ্চিমে দারোয়ান। সঙ্গে সঙ্গে চিনতে পেরে বাঞ্ছারামের বুক একেবারে শুকিয়ে গেল। কী তেওয়ারি না কি নামটা, আমার ঠিক স্মরণ হচ্ছে না, এগুনে পুলিশে কাজ করত, বাঞ্ছাকে এর আগে জেলে দেখেছে। বেশ ভালো করে চেনে।—মুখ ফিরুতেই জিজ্ঞেস করলে, বাঞ্ছারাম আছে না? এখানে কোথা থেকে?

    —যেমন বলা উচিত—খুব এক লম্বা সেলাম ঠুকে বাঞ্ছারাম বললে, হ্যাঁ, আমিই দারোগা সায়েব। গতর খাটিয়ে এক মুঠো উপার্জন করে যা জোটে তাতেই কোনওরকমে দিন গুজরান করছি। অনেকদিন পরে দর্শন পেয়ে বড় আনন্দ হল।…

     

     

    —মানে, মন ভিজোবার যতরকম কথা হতে পারে বাঞ্ছারাম আওড়ে দিলে, কিন্তু কথায় বলে, চোরা না শুনে ধর্মের কাহিনি, আর কথাতেই যদি মন ভিজবে তো পশ্চিমে বলেছে কেন? তেওয়ারি সব শুনে চোখ পাকিয়ে বললে, তোমারা র‍্যাপারকে ভেতরমে ফোলা কেন?

    —বাঞ্ছারাম একটু হাসবার চেষ্টা করে বললে, দুটো মুড়ি কিনেছিলুম দারোগা সাহেব, চান করে উঠে মুখে দোব।—আচ্ছা, এখন তা হলে আসি, বড্ড তাড়াহুড়ো রয়েছে, জমিদারের মজুর খাটছি, কিনা। সন্দের সময় এসে ভাং ঘুটে দিতে হবে দারোগা সাহেবকে, অনেকদিন সেবা করতে পাইনি…

    —তেওয়ারি তেপাই ছেড়ে উঠে দাঁড়াল, গোঁফে একটা চাড়া দিয়ে গলা চড়িয়ে বললে, তোম এদিকে আবেগা কী হামকো উঠনে পড়েগা?

    —তেওয়ারির শরীর আগে থেকে ভারী হয়ে গেছে, বাঞ্ছারাম ছুট দিলে যে দৌড়ে ধরতে পারত এমন নয়, তবে কথা হচ্ছে, যখন যেটা ঘটবার সেটা ঘটবেই কিনা দাদাঠাকুর, বাঞ্ছারাম কেঁচোটির মতো সুড়সুড় করে কাছে এসে দাঁড়াল। দাঁড়াতে দেরি, তেওয়ারি র‍্যাপার ধরে দিলে এক রাম-ঝটকা। র‍্যাপারটা তো হাতেই থাকুক, একদিকে বাঞ্ছারাম ওই হুখানে ছিটকে পড়ল, আর একদিকে এই এত বড় এক রুপোর পানের ডিবে। তেওয়ারি বললে—উঠায় করকে লে আও।

     

     

    —বাঞ্ছারাম আস্তে আস্তে ডিবেটা কুড়িয়ে এনে দিতে হাত ধরে আর একটা ঝটকা দিয়ে দে মার। পুলিশের কাজ ছাড়া পর্যন্ত আসামি পায়নি, হাতটা নিশপিশ করছিল, মার যা দিলে তার আর হিসেব রইল না দাদাঠাকুর। দশ-আনি দেউড়ির আমলা গোমস্তা যে যেখানে ছিল ছুটে এল, কেউ থামাবার চেষ্টা করলে, কেউ ওরই ওপর আরও দু-ঘা বসিয়ে হাতের সুখ করে নিলে। কেরমে শোরগোলটা যখন বেড়ে গেল, তখন ছ-আনিদের তরফ থেকেও কয়েকজন এসে জুটল।

    —ছ-আনি তরফের দারোয়ানের নাম পাঁড়ে। অমন লাশও কেউ এ তল্লাটে কখনও দেখেনি, অমন রুক্ষু মেজাজও না। রুটির ময়দা ঠাসছিল, চোর ধরা পড়েছে শুনে তালটা থালায় ঢাকা দিয়ে হাত ঝাড়তে ঝাড়তে এসে উপস্থিত হল। ভিড় ঠেলে সামনে এসে জিজ্ঞেস করলে, ক্যা হুয়া হ্যায়?

    —তেওয়ারি দেশওয়ালির কাছে বাহাদুরি দেখিয়ে বললে, শালা, রুপোর ডিনি চুরি করে পালাচ্ছেল পাঁড়েজি, ধরেছি।

    —পাঁড়েজি একে লোকটাই গোঁয়ার, তার—যেমন হয়ে থাকে দাদাঠাকুর, নিজে কখনও পুলিসে কাজ করত না বলে তেওয়ারির ওপর ভেতরে ভেতরে খুশি ছিল না। তার ওপর আবার যখন বাঞ্ছারামের দিকে চেয়ে বুঝলে যে, তেওয়ারি তার জন্যে কিছু বাকি রাখেনি, তখন ভয়ংকর খাপ্পা হয়ে উঠল। তা ছাড়া মনিবের মেজাজও বুঝত; জিজ্ঞেস করলে—ডিবে কোথায়?

     

     

    —তেওয়ারি ডিবেটা হাতে তুলে দিল। ডিবেটা হাতে নিয়ে পাঁড়েজি বললে, এ তো দেখছি আমাদের বাড়ির ডিবে। চোরকে ছেড়ে দাও। তেওয়ারি লতুন এসেছে, দুপক্ষের সব ব্যাপারটা শোনেনি তখনও তায় পুলিশের লোক সোজা পদ্ধতিটাই জানে, একটু হতভম্ব হয়ে থেকে বললে, বাঃ, চোরকে ছেড়ে দেব কেন?—ধরা পড়েছে, তাকে পুলিশে দিতে হবে।

    –পাঁড়েজি একটা সুবিধেই খুঁজছেল,— পুলিশের নাম হতেই তো ওদের নিজেদের ভাষায় চোখা চোখা একরাশ গাল ঝাড়লে, নিজে পুলিশ ছেল না বলে বরাবর একটা আক্রোশ ছেল কিনা। তারপর এগিয়ে বললে, মাল আমার, চোরও আমার, হাম য্যাসা খুশি করেঙ্গা, চোর দে দেও।

    —তেওয়ারিরও রোখ চেপে গেল, বাঞ্ছারামকে আড়াল করে দাঁড়িয়ে বুক ফুলিয়ে বললে, কোভি নেই ছোড়েঙ্গা, চোর সরকার বাহাদুরকে হ্যায়।

    —বলতে দেরি, চিতুনো বুকে এক রাম রদ্দা কষিয়ে তেওয়ারিকে হটিয়ে পাঁড়েজি ধরলে বাঞ্ছারামের টুটি টিপে; তারপর সে যা আরম্ভ হল দাদাঠাকুর, সে এক রামায়ণ—মহাভারতেই গপ্‌প শোনা যায়; প্রথমে তো নিজেদের মধ্যেই দিব্যি খানিকক্ষণ চড় ঘুষি অদল-বদল করলে দুজনে, তারপর চোর নিয়ে টানাটানি—একজন ধরলে দুটো নড়া বাগিয়ে, একজন ধরলে দুটো পা, তারপর টানাটানি, হেঁচড়া-হেঁচড়ি—এ একবার পাঁড়েজি সুদ্দু হিড়হিড় করে দেউড়ির দিকে টেনে নিয়ে যায় তো ও একবার তেওয়ারি সুদ্দু সিং-দরজার পাঁচ হাত বাইরে হিচড়ে নিয়ে আসে—’হামকো চোর’ তো ‘হামকো সরকারি চোর’। আমরা সবাই হাঁ করে তামাশা দেখছি। আমি ত্যাখন খুড়োর কাছে বেশির ভাগ থাকতাম কিনা—একবার মনে হচ্ছে, বুঝি নড়া দুটো ছিঁড়ে গেল, আবার মনে হচ্ছে পা দুটো বুঝি বাঞ্ছারামের কোমর থেকে খসে বেরিয়ে গেল। জন্মে আর একবার মাত্র সে-রকম কাণ্ড দেখেছি দাদাঠুকর, কলকেতার গড়ের মাঠে দু-দল গোরা খেলছেল—তা সেটা ছেল একটা কাছি -নিয়ে। গোটা একটা নিরীহ মানুষ নিয়ে—আর সে মানুষও আমাদের জানাশোনা বাঞ্ছারাম—এ ধরনের কাণ্ড আর দেখিনি কখনও। তামাশা দেখতে বোধ হয় দু-তরফে এমন শতাধিক লোক জমা হয়ে গেছে, খিস্তি খৌড় যা চলছে তার আর নেকা-জোকা নেই।…মাঝখানে ওই রকম সমুদ্রমন্থনের পালা চলেছে।…

     

     

    বলিলাম, মারা গেল না লোকটা স্বরূপ? গল্প শুনেই তো আমার আদ্দেক হয়ে এসেছে!

    স্বরূপ হাসিয়া উত্তর করিল, কথায় বলে–চোরের পরান ভোমরার মধ্যে থাকে দাদাঠাকুর, তা ছাড়া ওকে মরতে হবে যে অন্যভাবে, ত্যাতক্ষণ পর্যন্ত ওকে ধকলটা সামলাতেই হবে কিনা—তা না হলে নিয়তি আর বলেছে কেন! তারপর যা বলছিলুম, —বাঞ্ছারামের এর পরে যখন জ্ঞান হল, তখন দেখে সে ছ-আনিদের কাছারির সামনে ঘাসের ওপর পড়ে রয়েছে, চারদিকে একপাল লোক। পাশেই পাঁড়েজি, দশ—আনিদের দেউড়ির দিকে চেয়ে এক-একটা হুংকার ছাড়ছে আর তাল ঠুকছে—আর দ্যাখো, কীসকা চোর হ্যায়, শ্যালা তেওয়ারি! হামকো সামনে পুলিশগিরি ফলানে আয়া হ্যায়!

    —উমেশ পাল আহারাদি করে এই সময়টা ভেতরে থাকে। রাজামানুষ, একটু রঙেই থাকে, বুঝতেই পারেন, দাদাঠাকুর। পেরাই তো এই রকম ব্যাপার হচ্ছে দু—বাড়ি নিয়ে, গা করে না। তেমন তেমন কিছু হল, খবর গেল ভেতরে। দরকার মনে হয় বেরিয়ে এল, নয়তো হুকুম পাঠিয়ে দিলে। এই রকম করে চলে। এবার তো কাণ্ডটা একটু ঘোরালই হয়েছে, দাওয়ানজি খানসামাকে দিয়ে এত্তালা দিয়ে দিলে। খানসামা ছেল আমারই খুড়ো ভবানী মণ্ডল, দাদাঠাকুর। এত্তালা হল—এই রকম রুপোর ডিবে নিয়ে চোর পালাচ্ছেল, ও-দেউড়ির দারোয়ান আটকে রেখে মারপিট করছেল, পাঁড়েজি তাকে বামালসুদ্দু ছাড়িয়ে নিয়ে এসে আটকে রেখেছে, হুজুরে কী হুকুম হয়?

     

     

    —উমেশ পাল চোখ বুজে আলবোলায় তামাক খাচ্ছেল, বললে—শির লে আও।

    —কাঁচা মাথা একটা কেটে ফেলা সে সময় খুব বেশি কথা ছেল না, দাদাঠাকুর। খুড়ো বাইরে এসে হুকুম শুনিয়ে দিলে। শুনতে দেরি, মার খেয়ে বাঞ্ছারামের যে একটা ঝিম ধরেছেল, কোথায় গেল উড়ে, ডাক ছেড়ে কান্না জুড়ে দিলে। চোরের কান্না, তায় আবার মশানে যেতে বসেছে, কান্নার চোটে সারা দেউড়ি তোলপাড় করে তুললে বাঞ্চারাম—এমন কাণ্ড করে তুললে যে, কত্তার যে একটু রঙের আমেজ ধরে এসেছেল, সেটা গেল চটে। দাওয়ানজির ভেতরে ডাক পড়ল।

    —সামনে গিয়ে দাঁড়াতে কত্তা উমেশ পাল জিজ্ঞেস করলে, কাঁদে কে?

    —কত্তা রঙের মুখে থাকলে দাওয়ানজিও তটস্থ হয়ে থাকত, মানে মেজাজের ঠিক থাকত না কিনা; ভয়ে ভয়ে বললে—ওই ব্যাটা চোর। সামান্য একটু মাথাটা কেটে নেওয়ার হুকুম হয়েছে হুজুরের থেকে, পাড়া তোলপাড় করছে,—কেউ যেন কখনও দেয়নি মাথা এর আগে। তা এক্ষুনি ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে। যাই, পাঠিয়ে দিই।

     

     

    —দাওয়ানজি ফিরতেই কত্তা হাতটা একটু তুলে দাঁড়াতে হুকুম করলে, বললে—তোমার মাথা খারাপ হয়েছে, কাজ-কৰ্ম্ম ছেড়ে বাড়ি গিয়ে বসো এবার। আমি কাঁচা মাথা চেয়েছি সে বেটা খোট্টা দারোয়ানের।…কী অধিকারে সে আমার চোরের গায়ে হাত দেয়? পাঁড়ে কী করছেল? জানে না সে আমার হুকুম? আজ আমার চোর আটকাবে, কাল আমার ভারী আটকাবে, পরশু আমার জুড়ি আটকাবে, পরদিন আমার জমিদারিতে হাত দেবে—আমার খাস সম্পত্তির ওপর যদি এই ভাবে দখল বসায় সবাই,, তো পাঁড়ে ব্যাটা কী করতে আছে শুনি? তোমরাই বা কী করতে আছ?…যাও, আর্ভি নেকালো সব।

    —চটে গেলে উমেশ পালের আবার বেশি করে মালের দিকে ঝোঁক পড়ত, খুড়োকে বোতল আনতে হুকুম করে দিলে।

    —দাওয়ানজি হাতজোড় করে বললে, হুজুর, পাঁড়েজি তো সে বেটার ধাষ্টামো আর বে-আইনির জন্যে কিছু বাকি রাখেনি,—অচৈতন্য হয়ে ও-তরফের সিং-দরজার সামনে পড়ে আছে, হুকুম হয় তো ধড় থেকে না হয় মাথাটা আলাদা করে আনিয়ে হুজুরে নজর দিই।

     

     

    —কর্তা কিছু উত্তর না দিয়ে একটু গোঁজ হয়ে রইল, তারপর বললে, চোর বেটা কোথায়?

    —দাওয়ানজি বললে, বাইরেই পড়ে আছে আধমরা হয়ে, হুজুর…। বেটা চিৎকার করছিল, ঠান্ডা করবার হুকুম দিয়ে এসেছি।

    —দশ-আনির বড় কত্তা কোথায়—অন্দরে?

    —হই-চই শুনে তিনি বেইরে এসেছিলেন, এখন তেওয়ারির এজাহার নিচ্ছেন বোধ হয়। বারান্দার সামনে বেস্তর লোক জড়ো হয়েছে।

    —কত্তা আবার খানিকটা গোঁজ হয়ে রইল। দাওয়ানজি একবার জিজ্ঞেস করলে, তা হলে চোর বেটার সম্বন্ধে যা সাজার হুকুম হয় হুজুরের—

    —কত্তা বললে, সাজা উমেশ পাল নিজের হাতে দেবে। হাতিশালা থেকে নতুন হাতিটা বের করতে বলো, হাওদাসুদ্দ। আমি স্বয়ং আসছি।

     

     

    স্বরূপ বাতা আর কাটারিটা রাখিয়া দিয়া দুইটা হাঁটু দুই হাতে জড়াইয়া আমার দিকে মুখ করিয়া বসিল। বলিল, হাতির তলায় চাপা দিয়ে চোর মারা হবে, স্বয়ং কত্তা থাকবেন হাতির উপর—সঙ্গে সঙ্গে কথাটা চারদিকে রাষ্ট্র হয়ে গেল দাদাঠাকুর

    —কম করে বোধহয় দশখানা গেরামের লোক ভেঙে পড়ল। ছেলেমানুষ বলে খুড়ো আমায় দেখতে মানা করে দেছল, আমি চুপি চুপি গিয়া একটা ছাতিমগাছে উঠে বসে রইলেম। দশ-আনি তরফেরও যত লোক বাইরে এসে জমা হল, দেউড়ির ছাতে মেয়েরা গিয়ে জমা হল। ওদিকে দশ-আনির বড় কত্তা ভৈরব পাল গোপনে গোপনে সদর থানায় লোক ছুটিয়া ওপর-ঘরের একখানি ঘরে জানালার ধারে বসে ওপিক্ষে করতে লাগল। সেও তো বসে থাকবার পাত্তোর নয়—অত বড় অপমানটা হল!

    —বৈকাল হলে উমেশ পাল বাইরে এল। দাওয়ানজিকে জিজ্ঞেস করলে, ঢোল—সানাইয়ের জন্যে বলা হয়েছিল? হয়নি বলা—দাওয়ানজি চুপ করে রইল। কত্তা গলা চড়িয়ে বললে, বলেছি নিজে সাজা দোব, আমায় কি মেয়েমানুষের মতো লুকিয়ে চুরিয়ে সাজা দিতে হবে? নেকালো সব। তক্ষুনি ঢুলিসানাইদের ডাকতে পাইক ছুটল। কত্তা হুকুম দিল—চোরকে হাজির করা হোক

    —বাঞ্ছারামকে দু-তিনজন মিলে এক রকম টাঙিয়েই নিয়ে এল। হাতির পিঠে রুপোর হাওদাই থাকুক আর সোনার হাওদাই থাকুক, তবে তো মিত্যুই দাদাঠাকুর— একেবারে নেতিয়ে পড়েছে, মুখ দিয়ে আর রা সরছে না।

    —কত্তা হুকুম দিলেন, চারজন বরকন্দাজ সাজগোজ পরে হাজির হবে। তোষাখানা থেকে একখানা জরির পোশাক, আর কত্তার খাস আলমারি থেকে এক বোতল বিলাতি মালেরও হুকুম হল। সাজার আয়োজনটা দেখে দেউড়ির চারিদিকে ভিড় চাপ বেঁধে উঠল।—এইবার তামুকটা একবার দিন দাদাঠাকুর, একটু পেসাদ পাই।

    স্বরূপ বেশ পুরাদমে কয়েকটা টান দিল। কলিকাটা একবার দেখিয়া লইয়া বলিল, আছে এখনও খানিকটে।

    তাহার পর কলিকাটা আবার হুঁকার মাথায় চাপাইয়া দিয়া বলিল, সে অনেক কথা দাদাঠাকুর, কত আর কইব! তাই বলছিলুম সম্পত্তি-জ্ঞান একটা জিনিসই আলাদা, কথায় কথায় মামলা মকদ্দমা করলেই যে সেটা খুব টল্টনে বলতে হবে তা নয়।—হ্যাঁ, সেদিনকার কথা যা বলছিলুম—সদর থেকে খুনের খবর পেয়ে য্যাখন দারোগা এসে হাজির হল, ত্যাখন জলুসটা ঠিক দশ-আনি তরফের সিং-দরজার সামনে! ঝালর—হাওদা দেওয়া—হাতির ওপরে, হাওদার ঠিক মাঝখানটিতে জরির কাপড়-চোপড় পরে বাঞ্ছারাম, বাবুর বোতলের মাল খেয়ে জয়জয়কার করতে করতে রুপোর ডিবেটা যতদূর হাত যায়, মাথার ওপরে তুলে ধরেছে—চারপাশে চারটে সাজগোজ—পরা বরকন্দাজ আসাসোঁটা নিয়ে দাঁড়িয়ে। নিচে দুখানা গেরামের যত ঢুলি আর সানায়ি পেল্লায় জোরে নহবত বাজিয়ে চলেছে।

    —দশ-আনিদের দেউড়ি ঘুরে, সারা বাতাসপুরটায় বার দুই চক্কোর দিয়ে জলুসটা পোড়ো শিবমন্দিরের সামনে দাঁড়াল। সেখানে থেকে বাঞ্ছারাম সুদ্দু হাতিটা মাঠে নামিয়ে দশ-আনিদের জমির পাশেই ছ-আনিদের যে একটা চাকলা আছে, তার প্রায় বিঘে পাঁচ-ছয় ঘেরে মাহুত আর একটা চক্কোর দিলে, হাতির পেছনে পেছনে একটা লোক চুনের দাগ দিতে দিতে চলল। বাঞ্ছারামের নাতি-নাতকুড়েরা আজ সেটা ভোগদখল করছে। দশ-আনিদের জমির ঠিক লাগোয়াই, দাদাঠাকুর, যেন ওরা কখনও ভুলতে না পারে আর কী।

    —তেওয়ারির কাঁচা মাথাটা নিয়ে আসতে পারেনি বলে কত্তা পাঁড়েজির ওপর একটু চটে গেছল; তবুও পঞ্চাশটা টাকা বকশিশ করলে। নইলে যে বড় অধম্ম হয় দাদাঠাকুর—সে-বেচারি চেষ্টার তো কিছু কসুর করেনি…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাণুর প্রথম ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    Next Article ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও ঊনিশ শতকের বাঙালী সমাজ – বদরুদ্দীন উমর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর প্রথম ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর দ্বিতীয় ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর তৃতীয় ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর কথামালা – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় রচনাবলী ২ (দ্বিতীয় খণ্ড)

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }