Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শ্রেষ্ঠ গল্প – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤶

    সার্টিফিকেট

    আজ নিয়োগ-পত্র পাইয়াছি।

    এমন কিছু বড় চাকরি নয়, গৃহশিক্ষকতা মাত্র, তবে লোভনীয়। জমিদারবাড়ির গৃহশিক্ষকতা; জায়গাটি মফস্সল হইলেও খুব স্বাস্থ্যকর; বেতন আশি টাকা; খাওয়া পরা, থাকার ব্যবস্থা ওঁদেরই; ছেলেটি স্কুলের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে, অর্থাৎ তিন বৎসর পরে ম্যাট্রিক দিবে। ছেলে পাস করিলে তাহার সঙ্গে কলিকাতায় আসিয়া থাকিতে হইবে; কলেজ-জীবন শেষ হইলে জমিদারিতেই চাকরির সম্ভাবনা আছে।

    নিয়োগের একটা বড় শর্ত ছিল সার্টিফিকেট। অভিজ্ঞতা, চরিত্র প্রভৃতি সম্বন্ধে খুব উঁচু ধরনের সার্টিফিকেট না থাকিলে দরখাস্ত করিবার ব্যর্থতা সম্বন্ধে স্পষ্ট ভাষায় লেখা ছিল।

    কোনই আশা ছিল না। এমন জায়গায় প্রথম শ্রেণির এম. এ. পি-এইচ-ডি-দের দরখাস্ত পড়িবে, তাহার উপর মুখ-দেখাদেখি আছে, সুপারিশ আছে; আমার মতো নিঃসহায় মামুলি বি. এ. কোথায় ভাসিয়া যাইবে। তবু লোভের বশে দরখাস্তটা করিয়া দিয়াছিলাম। লোভ জিনিসটাকে রিপুর পর্যায়ে ফেলা হইয়াছে, এ ক্ষেত্রে কিন্তু আমার বন্ধুরই কাজ করিল।

    আবার এও ভাবি, বেশি বন্ধুর কাজ কে করিল,–লোভ, না আমার ছাত্র নিকুঞ্জলালের প্রবন্ধ?

    নিকুঞ্জলালকেও আমি অষ্টম শ্রেণি হইতেই পড়াইতে আরম্ভ করি, এইবার ম্যাট্রিকুলেশন পাস করিল, এই সবে এক সপ্তাহ হইল পরীক্ষার ফল বাহির হইয়াছে। মন্দ হইল না, সেকেন্ড ডিভিশন। নিকুঞ্জলালকে সেকেন্ড ডিভিশনে পাস করাইয়া আমিও যদি আজ নেপোলিয়নের মতো বলি, ‘অসম্ভব’ কথাটা মূর্খদের অভিধানেই পাওয়া যায় তো নিতান্ত অশোভন হয় না।

    নিকুঞ্জলালের পিতা ব্রজমাধববাবু খুবই প্রীত হইয়াছেন; বলিলেন, আপনি এক অসাধ্যসাধন করলেন মাস্টারমশাই, আমার ছেলে বলেই যে আপনার প্রাপ্য যশ থেকে আমি বঞ্চিত করব আপনাকে, তা করব না।

    খুব পদস্থ ব্যক্তি একজন,—রায় বাহাদুর, জমিদার, অনারারি-ম্যাজিস্ট্রেট, আরও  অনেক কিছু। সবচেয়ে বড় কথা বঙ্গীয় জমিদার-সংঘের একজন হোমরা-চোমরা লোক, যেটুকু মুখে বলিলেন শুধু ওইটুকু কথাই যদি কাগজে লিখিয়া দেন তো কাজটার আমার অনেক আশা থাকে। কিন্তু জানি উনি তাহা করিবেন না।

     

     

    তাহার কারণ এই যে, আমি অসাধ্য সাধন করিতে পারি।

    নিকুঞ্জর যেদিন পাসের খবর বাহির হইল, সেই দিন সন্ধ্যার সময়ই আমি ব্রজমাধববাবুর সহিত দেখা করিলাম, বলিলাম, এইবার আপনি আমায় একটি ভালো সার্টিফিকেট দিন, অনেক দিন থেকেই আশা করে আছি, আপনি বলেছিলেনও দেবেন। আপনার একটি সার্টিফিকেটে আমার একটা ভবিষ্যৎ হয়ে যেতে পারে।

    ব্রজমাধব স্নেহভরে আমার কাঁধে দুইটি চাপড় দিয়া সস্মিত বদনে কহিলেন, পাবে হে ইয়ংম্যান, ব্রজমাধব সে রকম আন-এপ্রিসিয়েটিভ নয়, কাল সকালে দেখা করো।

    দেখা করিতে নিকুঞ্জর কনিষ্ঠকে আমার দিকে একটু আগাইয়া দিলেন, স্মিত বদনেই বলিলেন, এই তোমার সার্টিফিকেট, এটি আবার একটু বেশি ডাল (dull), ভূপেশবাবুর কর্ম নয়,—নিজের ছেলে বলেই যে অযথা প্রশংসা করতে হবে তার মানে কি?…আর এই ধরো, আসছে মাস থেকে আরও পাঁচ টাকা বেশি পাবে।

    পুরস্কারস্বরূপ একটি মাসের মাহিনাও হাতে তুলিয়া দিলেন। উপায়ও নাই; তবুও তো কলিকাতা শহরে খাওয়া-পরা ছাড়া পঁচিশটি করিয়া টাকা মাহিনা পাইতেছি; না আছে সুপারিশের জোর, না আছে কিছু, করিই বা কী। অথচ বিভীষিকা দেখিয়া আতঙ্কে শিহরিয়াও রহিয়াছি—নিকুঞ্জলালের পর কুঞ্জলাল, তারপর রঞ্জনলাল, তারপর মঞ্জুলিকা, সবাই একে একে ঘাড়ে আসিয়া চাপিবে—দুই তিন বৎসর অন্তর এক মাসের বোনাস আর পাঁচটি টাকার বেতন বৃদ্ধি লইয়া? এই আমার জীবনের প্রস্পেক্ট? একটু বেশি ডাল হইতে হইতে সব চেয়ে ছোট রঞ্জনলালটি আবার বোবা হইয়া জন্মাইয়াছেন।

     

     

    কুঞ্জলাল জলখাবার খাইতে গিয়াছে। পড়িবার ঘরে চুপ করিয়া বসিয়া এ-বইটা সে-বইটা লইয়া নাড়াচাড়া করিতেছি, আর নানারকম চিন্তা লইয়া তোলাপাড়া করিতেছি। বিজ্ঞাপনটা দেখা পর্যন্ত মনটা বড় চঞ্চল হইয়া আছে সব জিনিস যেন অত্যন্ত ফিকা বোধ হইতেছে। অবশ্য দুরাশা, তবুও যদি রায় বাহাদুরের একটা সার্টিফিকেট লইয়া দরখাস্তটা পাঠাইয়া দিতে পারিতাম তো কটা দিন আশায় আশায় কাটিত একরকম, আর তাহার পর বিফল মনোরথ হইলে ততটা কষ্টও হইতো না—চেষ্টা করার একটা সান্ত্বনা থাকিত তো। এখন আপশোশ হইবে, চেষ্টা করিলাম না বলিয়াই হইল না। –—একবার ভাবিতেছি, নিজেই গিয়া দেখা করি; কিন্তু দেখা করিবার পাত্রও তো আমি একা নয়। আবার মনে হইতেছে চাই একটা সার্টিফিকেট, যা হইবার হইবে। ভাবিয়া দেখিতেছি—যা হইবার মধ্যে হয়তো নৈরাশ্যজনিত বিরক্তিতে একটু কথাকাটাকাটি হইয়া হাতের চাকরিটাই যাইতে পারে। নিজেকেই প্রশ্ন করিতেছি, তোয়ের আছ তার জন্যে?—হলে দ্যাখো।

    এই সময় নিকুঞ্জলালের হাউন্ড কুকুর টম বাড়ির পোষা কাবুলি বেড়ালটাকে দেখিতে পাইল। টম তাহার প্রিয় আশ্রয় বইয়ের র‍্যাকের নিচেটিতে বসিয়া গরমে হাঁপাইতেছিল, বেড়ালটাকে নিশ্চিন্ত মনে ল্যাজ খাড়া করিয়া চলিয়া যাইতে দেখিয়া সহুংকারে লাফাইয়া উঠিয়াই পাঁচ থাক র‍্যাকের যত বই খাতা ম্যাপ দোয়াতদানি রুল ইনট্রুমেন্ট বক্স,—সমস্তর নিচে চাপা পড়িয়া গেল।

     

     

    যতক্ষণে উঠিল ততক্ষণে বিড়ালটা দোতালায় পৌঁছিয়া গেছে, সেখানে আলিসার একটি নিরাপদ কোণে গুটাইয়া বসিয়া ধীর অভিনিবেশের সহিত ঘরের দৃশ্যটি পর্যবেক্ষণ করিতেছে।

    যাই হোক, এই বিদ্যাসাগর-মন্থনে আমার ভাগ্যে একটি রক্ত উঠিল। চাকরটা আসিয়া বই-খাতা গুছাইয়া রাখিতেছিল, নিতান্ত অলস কৌতূহলবশেই আমি তাহার নিকট হইতে একখানি খাতা চাহিয়া লইলাম। নিকুঞ্জলালের বাংলা প্রবন্ধের খাতা, আজকের নয়, নিকুঞ্জ যখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়িত সেই সময়ের নিজের কীর্তির আলোচনায় আত্মপ্রসাদ উপভোগ করিতেছিলাম, আর যাই হোক না-হোক, হাতের লেখাটা নিকুঞ্জর মানুষের মতো হইয়াছে।

    …অনেকগুলি প্রবন্ধ—ঘোড়া, গোরু, হস্তী, সত্যবাদিতা, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, সিংহ, উষ্ট্র—সবগুলার নিচে এক দিকে নিকুঞ্জলালের নাম, লেখার তারিখ, অপর দিকে স্কুলের শিক্ষকের দস্তখত, তারিখ সমেত। একটি প্রবন্ধের গায়েও এতটুকু সংশোধনের আঁচড় নাই দেখিয়া কৌতূহল হওয়ায় দুই-একটা পড়িয়া দেখিলাম, সবগুলি কোন প্রবন্ধের পুস্তক থেকে যথাযথভাবে সংগ্রহ করা। পাতা উলটাইতে উলটাইতে হঠাৎ চোখে পড়িয়া গেল—”মনুষ্য”। ঝোঁকের উপর উলটাইয়াই যাইতেছিলাম, বারো চোদ্দোখানা পাতা যখন উলটাইয়া গেছি, হঠাৎ বড় কৌতূহল হইল। “মনুষ্য” সম্বন্ধে প্রবন্ধ ইস্কুল-ছাত্রদের গণ্ডির মধ্যে পড়ে না, ও লইয়া কলম চালাইবার সাহস করিতে পারে কার্লাইল, বেকন, হাক্সলির মতো মানুষই। স্কুলের প্রবন্ধ-পুস্তকেও মানুষ লইয়া কোনও প্রবন্ধ কোথাও দেখিয়াছি বলিয়া মনে পড়ে না। শিক্ষকের বিষয় নির্বাচনের তারিফ করিয়া আবার পিছন দিকে পাতা উলটাইয়া যাইতে লাগিলাম—নিকুঞ্জলালই বা কী লিখিল, শিক্ষকই বা কী পরিবর্তন-পরিবর্ধন করিলেন একবার দেখিতে হইল তো!

     

     

    প্রবন্ধের শেষ পাতাটিতে আসিলাম—শিক্ষকের দস্তখতে লেখা রহিয়াছে, “তুমি একটি আস্ত গদর্ভ”। কোনওখানে কাটাকুটি কিছু নাই। বুঝিলাম এই এতগুলি রচনার মধ্যে এইটিতে যখন নিকুঞ্জের স্বকীয় রূপ শিক্ষকের নিকট ধরা পড়িয়াছে, তখন এটি নিশ্চয় মৌলিক। প্রবন্ধটি পড়িতে লাগিলাম, যতই অগ্রসর হইতে লাগিলাম, বুঝিলাম— বইয়ে কোথাও না পাওয়ায় গোরু, ঘোড়া, উষ্ট্র, সিংহের আদর্শে নিকুঞ্জ প্রবন্ধটি সত্যই নিজে আগা-গোড়া লিখিয়া গিয়াছে হয়তো শিক্ষক আলগাভাবে ওইরকম একটা নির্দেশ দিয়া থাকিবেন, অর্থাৎ—জীবজগতের এতগুলি জীব সম্বন্ধে যখন প্রবন্ধ লিখিয়াছে, তখন সেই আদর্শে মনুষ্য সম্বন্ধেই রা পারিবে না কেন? যাই হোক, সেটা আমার আন্দাজ—আপাতত মূল প্রবন্ধটা এখানে তুলিয়া দিলাম

    “মানুষ দুই পদের জন্তু। তাহার সামনের দুইটিকে হাত বলা হয়, নতুবা সে চতুষ্পদ হইতে পারিত। মানুষ বনমানুষ সার্কাসের ভাল্লুক প্রভৃতির ন্যায় দাঁড়াইয়া দাঁড়াইয়া চলিতে ভালোবাসে। মানুষের দুইটি কান, দুইটি চোখ এবং একটি নাক আছে! ইহাদের মাথায় সিং নাই, তবে রাজপুতনার দিকে এক জাতীয় মানুষ পাওয়া যায় তাহাদের সিং বলে। তাহারা যুদ্ধের দ্বারা প্রাণ ধারণ করে এবং তাহাদের স্ত্রীরা আগুনে ঝাঁপ দেয়। মানুষের লেজও নাই, এই জন্য ইহাদের পাখা দিয়া মশামাছি তাড়াইতে হয়। মানুষ কাঁচা আম, পেঁপে, জাম, আনারস, মধু প্রভৃতি খাইতে বড় ভালোবাসে, নটে শাক, পালং শাক, আলু, পটল, মাছ, মাংস, ডিম্ব প্রভৃতি রন্ধন করিয়া খায়। ইহারা গোরু, মহিষ, ছাগল প্রভৃতির মতো জাবর কাটিতে পারে না; তবে পান চিবায়, বিশেষ করিয়া স্ত্রী-মানুষেরা—ইহাদের মেয়েমানুষ বলা হয়। যে মানুষেরা রন্ধন করে তাহাদের ঠাকুর বলে। ঠাকুর মুসলমান হইলে তাহাকে বাবুর্চি বলে। বাবুর্চি-ঠাকুরের পৈতা থাকে না। তাহারা কাছাও দেয় না, টিকিও রাখে না— তাহার বদলে দাড়ি রাখে।

     

     

    “মানুষের খুর নাই, সেইজন্য সে জুতা পরে। মেয়েমানুষরা জুতা পরে না, তবে মেম, চিনা প্রভৃতি কয়েক রকম মেয়েমানুষ জুতা পরিয়া থাকে। মানুষ চুল আঁচড়াইতে অত্যন্ত ভালোবাসে। ইহাকে ফ্যাশান বলে। জামা কাপড় প্রভৃতিকেও কখনো কখনো ফ্যাশান বলা হয়। পাম্পশু, অ্যালবার্ট-শু, স্নো, পাউডার প্রভৃতিকেও কেহ কেহ ফ্যাশান বলে।

    “মানুষ পূজা করিতে ভালোবাসে। যে মানুষেরা পাঁটা খাইতে ভালোবাসে, তাহারা কালীপূজা করে। যে মানুষ পাঁটা খায় না, তাহাকে বোষ্টম বলে। বোষ্টমদের ঠাকুর শ্রীকৃষ্ণের অনেকগুলি বিবাহ ছিল।

    “মানুষ পৃথিবীর প্রায় সর্বত্রই পাওয়া যায়, তাহার মধ্যে এশিয়া, ইউরোপ, আমেরিকা ও আফ্রিকার জঙ্গল প্রধান। ইহারা কথা কহিতে পারে। মানুষ দুই প্রকার—বনমানুষ এবং ভালোমানুষ। যাহারা জামা-কাপড়-প্যানটালুন-টুপি প্রভৃতি পরিতে শিখিয়া দাড়ি কামাইয়া শহরে আসিয়া গিয়াছিল, তাহারা ও তাহাদের সন্তানেরা ভালোমানুষ। যাহারা পারিল না, তাহারা বনমানুষ হইয়া রহিল। এই বনমানুষকে মানুষের প্রোপিতামহ বলা হয়। ভালোমানুষের সন্তানেরা পড়াশুনা করে এবং পরীক্ষা দেয়। ইহার জন্য পাঠশালা গুরুমশাই এবং স্কুলে মাস্টারমশাই বলিয়া একরকম রাগী মানুষ থাকে। ইহাদের মধ্যে কেহ কেহ দাড়ি নামক মুখে একরূপ পদার্থ রাখে। আমাদের প্রবন্ধের মাস্টারমহাশয় রাগী নহে।

     

     

    “মানুষের চামড়ায় ঘোড়ার জিন, সুটকেশ প্রভৃতি কিছুই তৈয়ার হয় না। এইজন্য মানুষ মরিলে তাদের পুড়াইয়া ফেলা হয়। মানুষের উপরে ষোলোটি ও নিচে ষোলোটি দাঁত আছে, সেগুলি চিবাইবার ও হাসিবার জন্য ব্যবহৃত হয়।…”

    সবটা তুলিয়া দেওয়ার দরকার নাই। এই রকম মানুষের আয়ু, মেয়েমানুষের একেবারে কয়টি করিয়া সন্তান হয়, মানুষ কয়েকটি বিশেষ বিশেষ অভ্যাস—সব খুঁটিয়া খুঁটিয়া ধরিয়া দিয়া ছয় পাতায় বেশ একটি মাঝারি সাইজের প্রবন্ধ শেষ করিয়াছে। সমস্তটি তাহার উর্বর মস্তিষ্ক থেকে বাহির করা, অবশ্য আদর্শ পাইয়াছে গোরু, উষ্ট্র, সিংহের নিকট।

    তীব্র ক্ষোভে মনটা ভরিয়া উঠিল; এই চিজের পিছনে প্রাণান্তকর খাটুনি খাটিয়া আজ তিন বৎসরের প্রতিটি মুহূর্ত ব্যয়িত করিয়াছি! পুরস্কার এক মাসের মাহিনা পঁচিশটি টাকা, আর পুরস্কারের আবরণে অভিশাপ—এই কুঞ্জলাল!

    ভাবিতে ভাবিতে মনটা সত্যই বড় অপ্রসন্ন হইয়া উঠিল। ঠিক করিলাম, যদি বচসাই হয়, চাকরিই যায় তো যাক, সার্টিফিকেট চাহিবই। স্পষ্টই বলিব, রাজভাষায় যাহাকে সার্টিফিকেট বলে, নিতান্ত তাহাই চাহিতেছি, নিকুঞ্জের কনিষ্ঠ কুঞ্জলালকে নয়। না দেয়, সার্টিফিকেট ফিরাইয়া দিব, তাহাতে উপবাস করিয়া মরিতে হয় সেও ভালো।

     

     

    এই সব চিন্তার মধ্যেই মাথায় সম্পূর্ণ একটা অন্য ধরনের মতলব ধীরে ধীরে উদয় হইয়া বেশ জাঁকিয়া বসিল।…ভাবিলাম, দেখাই যাক না একটু চেষ্টা করিয়া, কাজ কি রায় বাহাদুরের খোশামোদে?

    প্রবন্ধের পাতা কয়টি পরিষ্কার করিয়া কাটিয়া পকেটে পুরিলাম। চাকরকে বলিলাম, কুঞ্জ এলে বলিস, মাস্টারমশাইয়ের মাথাটা হঠাৎ ধরে উঠল বলে চলে গেছেন, পড়াশুনোগুলো নিজেই একটু দেখেশুনে নিতে

    বাসায় আসিয়া একটি দরখাস্ত করিলাম। সার্টিফিকেট হিসাবে নিকুঞ্জলালের প্রবন্ধটি নথি করিয়া দিয়া তাহার গায়ে লিখিয়া দিলাম—সপ্তম শ্রেণিতে যে ছেলেটির প্রতিভার নমুনা এই, তাহাকে তিন বৎসরের অমানুষিক পরিশ্রমে আমি এই বৎসর পাস করাইয়াছি সেকেন্ড ডিভিশানে। ইহার অতিরিক্ত সার্টিফিকেট চাহিলে সংগ্রহের প্রয়াস করিতে পারি, তবে এত প্রামাণিক হইবে বলিয়া আমার বিশ্বাস হয় না।

    নিকুঞ্জর বংশপরিচয় একটু একটু দিলাম, যাহাড়ে মিথ্যা বলিয়া সন্দেহ না করে, আর খবরের কাগজ থেকে তাহার ইস্কুলের ফলাফলের অংশটুকু কাটিয়া তাহার নামের নিচে লাল দাগ টানিয়া সার্টিফিকেটের সঙ্গে জুড়িয়া দিলাম।

     

     

    আজ সকালে নিয়োগপত্র পাইয়াছি,—টেলিগ্রাস, অর্থাৎ এসব অসাধ্য সাধন যে মাস্টার করিতে পারে সে যেন হাতছাড়া না হইয়া যায়।

    ।। সমাপ্ত।।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাণুর প্রথম ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    Next Article ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও ঊনিশ শতকের বাঙালী সমাজ – বদরুদ্দীন উমর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর প্রথম ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর দ্বিতীয় ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর তৃতীয় ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর কথামালা – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় রচনাবলী ২ (দ্বিতীয় খণ্ড)

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }