Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শ্রেষ্ঠ গল্প – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প311 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাঁতু

    ভগবানের সম্বন্ধে আপনাদের কোনও রকম স্পষ্ট ধারণা আছে?—বোধহয়, নাই। না-থাকিবারই কথা; কেন-না, সম্ভবত আপনারা সকলে সেই পন্থাই ধরিয়াছেন, যাহা অবলম্বন করিয়া আমায় হার মানিতে হইয়াছে। ওসব আগম নিগম বেদপুরাণে কোনও ফল হয় না। অরণ্যে ঘুরিয়া বেড়ানো, শুধু সংশয়ের ঘন অন্ধকার—যেটা একটু পথ বলিয়া মনে হয়, দেখা যায়, সেটা আরও নিবিড়তর অরণ্যে লইয়া আসিয়াছে মাত্র।

    তাই বলিতেছিলাম, বেশ একটা বিশদ ধারণা না থাকিবারই কথা। আমারও ছিল না; তবে সম্প্রতি লাভ করিয়াছি এবং আপনাদের মতো যাঁহারা অজ্ঞ, তাঁহাদের কাছে প্রকাশ না-করিয়া থাকিতে পারিতেছি না। জানেনই তো—থাকিতে পারা যায় না, জিনিসটা এই রকমই।

    অতএব আমি যাহা জানিয়াছি শুনুন—ভগবান আকাশের চেয়েও বড়, ইচ্ছা করিলে হাতির চেয়েও বেশি খাইতে পারেন, আর প্রয়োজন হইলে রেলগাড়ির চেয়ে জোরে দৌড়াইতে পারেন।

    এ ঈশতত্ত্ব অপৌরুষেয় কি না বলিতে পারিলাম না। আমার পাওয়া আমার ভাইঝি ছবির কাছে। তত্ত্বটি অপূর্ণ হইতে পারে, কেন-না, ভগবানের ষড়ৈশ্বর্যের মধ্যে তিনটি মাত্র পাওয়া যাইতেছে; কিন্তু এই তিনটিতেই ধারণা এত স্পষ্ট করিয়া দিতেছে যে, অপর তিনটির জন্য মাথা ঘামাইবার দরকারই হয় না। নয় কি?

    আমার দীক্ষা ছবির কাছে। ছবির গুরু পীতু। ধানবাদের পীতু—আপনারা নিশ্চয় জানিতে পারেন। জানেন না?—আপনারা যে অবাক করিলেন। অবশ্য আমিও জানিতাম না। কিন্তু ছবির কাছে যে-রকম পরিচয় পাওয়া যাইতেছে, এবং তাহাতে ধানবাদের দিকের পৃথিবীটা সে একাই যে রকম ভরাট করিয়া আছে বলিয়া মনে হইতেছে, তাহাতে তাহার সম্বন্ধে লোকে অজ্ঞ থাকিতে পারে—বিশ্বাসই করিতে পারা যায় না; আমি নিজেও কী করিয়া ছিলাম, আশ্চর্য হইতেছি।

    যতটা আন্দাজ পাওয়া যাইতেছে, তাহাতে মনে হয় পীতুর বয়স চার হইতে সাতের মধ্যে। আমাকে ছবির বয়সের তুলনায় আন্দাজটা করিতে হইতেছে। ছবির নিজের যাইতেছে পাঁচ বৎসর। নূতন কোনও সঙ্গীর নিকট পরিচয় দেওয়ার সময় বলে, আমার নাম ছবি—ছ, বয়ে হস্বই, ছবি—অর্থাৎ প্রথম ভাগ ধরিয়াছে। অনেকটা, যেমন সঙ্গতি থাকিলে আপনারা নাম লিখিয়া ‘এম. এ. ডি-লিট’অথবা ‘বিদ্যাবিনোদ’ প্রভৃতি জুড়িয়া দেন আর কি!

    পীতুর বয়স চার হইতে সাতের মধ্যে ধরার কারণ এই যে, এই ছবির চেয়ে ছোট কী বড় ঠিক করিয়া উঠিতে পারি নাই।

     

     

    যখন পীতু-কথিত কোনও তথ্যে সংশয় প্রকাশ করি, ছবি তাহাকে যতটা সম্ভব বাড়াইয়া তোলে। ধরুন, যেন বৃষ্টির কথা উঠিল। আপনারা যে মনে করেন বাষ্পে শৈত্যস্পর্শ হইয়া বৃষ্টি সংঘটিত হয়, আসলে তাহা নহে। ওটা কতকগুলি হাতির কীর্তি; তাহারা ভগবানের আকাশের মতো-বড় পুকুর থেকে কলসি কলসি জল আনিয়া স্বর্গের রাস্তায় ছিটায়, তাহাতেই বর্ষা হয়। স্বর্গের পথ যে পিচ্ছিল— একথা আপনারাও স্বীকার করিবেন। জল পড়িবার পূর্বে হাতিরা নিজেরা যে পড়িয়া যায় না, তাহার কারণ তাহাদের পাখা আছে। যদি বলি, হাতির তো পাখা হয় না ছবি? ছবি উত্তর দেয়, পীতু বলেছে, সগের হাতিদের হয়, তুমি পীতুর চেয়ে বেশি জানো? পীতু আমার চেয়ে বড় মশাই, অনেক জানে।

    এক এক সময় আবার পীতু ছোটও হইয়া যায়।

    আমি বলি, পড়াশুনো কিছু করছ না ছবি, খালি রোদে রোদে দুষ্টুমি করে বেড়াচ্ছ, এবার যখন ধানবাদে যাবে, দেখবে, পীতু আকাশের মতো পড়ে ফেলেছে, তোমাদের সঙ্গে কথাও কইবে না।

    ছবি তাচ্ছিল্যের সহিত বলে, ইস্, পীতুর সাধ্যি! পীতু তো আমার চেয়ে ছোট।

     

     

    নিজে সোজা হইয়া দাঁড়ায়, বলে, আমি তো এত্তো বড়। তাহার পর ডান হাতটা নামাইয়া বুকের কাছাকাছি আনিয়া মাথাটা নিচু করিয়া বলে, আর পীতু তো এত্তোটুকু। যখন ঈর্ষা প্রবলতর হয়, হাতটা আরও নামাইয়া একেবারে হাঁটুর কাছে লইয়া আসিতেও বাধে না। পীতুর বিদ্যার্জনের দিক দিয়া সে যে অন্য হিসাবেও নিশ্চিত্ত, তাহাও এক এক সময় জানাইয়া দেয়; বলে, ওর মা বলে,–তোর কিচ্ছু বিদ্যে হবে না পীতু…মার কথা মিথ্যে হয় না মশাই, পীতু নিজে বলেছে।

    মোট কথা, পীতুর ছোট হওয়া কী বড় হওয়া একেবারেই ছবির তৎকালীন মেজাজের উপর নির্ভর করে। তবে ছোটই হোক আর বড়ই হোক, বয়সটা চার থেকে সাত পর্যন্ত যাহাই হোক, পীতু যে অসামান্য তাহাতে তার সন্দেহ নাই।

    প্রথমত, পীতুর সব বিষয়ে নিজস্ব একটি মত আছে এবং সাধ্যমতো সে সেটা দেশ-বিদেশে ছড়াইতে কসুর করে নাই। কোথায় ধানবাদ আর কোথায় সুদূর বিহারে আমাদের এই নগণ্য নগরী—এখানে ইতিমধ্যে তাহার থিয়োরিগুলি আসিয়া পড়িয়াছে এবং বেশ চারাইয়া গিয়াছে। যে-কোনও পাড়ার যে-কোনও শিশুমণ্ডলীর মধ্যে দাঁড়াইলেই পীতুর নাম এবং এক-আধটা অভিমত কানে আসিবে।

     

     

    বৃষ্টির কথা বলা হইয়াছে। আরও আছে। যেমন এঞ্জিনের মধ্যে যে-রাক্ষসটা বসিয়া থাকিয়া অত হাঁকডাক করিতে করিতে গাড়ি টানিয়া লইয়া যায়, তাহারই একটি ছোট মেয়ে গ্রামোফোনের মধ্যে বসিয়া মিষ্ট মিষ্ট গান করে। মেয়েটি পলাতক—দুর্দান্ত নিষ্ঠুর পিতার ভয়ে রেল-জগৎ ছাড়িয়া সে মানব-পরিবারে আসিয়া লুকাইয়া আছে। ধানবাদ কিংবা যে কোনও স্টেশনে গেলেই দেখা যাইবে, কতকগুলি ছোট—বড় নানা আকারের এঞ্জিন অবিশ্রান্তভাবে গর্জন করিতে করিতে এদিক-ওদিক ছুটিয়া বেড়াইতেছে। তাহাদের উদ্দেশ্য আর কিছুই নয়, এই মেয়েটিকে খুঁজিয়া বেড়ানো! তাই, কাছে অনেক লোক না-জুটিলে মেয়েটি কোনও শব্দই করে না, গান গাওয়া তো দূরের কথা, আহা, রাক্ষস-বাপের লক্ষ্মী মেয়ে বেচারি! পীতু ওকে উদ্ধার করিয়া নিজের কাছে রাখিতে পারিত, কিন্তু রাত্রির অন্ধকারে এঞ্জিনের দল বড় বড় আলোয় চোখ মেলিয়া খোঁজাখুঁজি করে, অনেক দূরের পাহাড়ের মাথা থেকে গাছের ডগায় ডগায়, বাড়ির জানালায় জানালায় তাহাদের দৃষ্টি আসিয়া পড়ে! বড় হইয়া পীতু একটা ব্যবস্থা করিবে। ইতিমধ্যে ঝাল মাংস খাইয়া গায়ে খুব জোর করিয়া লইতেছে। ছবি চোখ বড় বড় করিয়া বলে, খুব ঝালমাংস খেয়ে পীতু একটুও উস্-আস্ করে না, পার তুমি মেজকা?

     

     

    কুকুর বিড়াল ছাগল ভেড়া সকলেই কথা কয়, এ তো দেখিতেই পাওয়া যাইতেছে; -মনে করেন বুঝি মাছেরা কথা কহিতে পারে না?—পারে। কয় না পেটে জল ঢুকিয়া যাইবার ভয়ে। পুকুরে ডুবিয়া একবার কথা কহিবার চেষ্টা করিয়া দেখুন না—পীতুর কথা সত্য কি না। পুকুরে যদি জল না থাকিত তো মাছেরা খুব কথা কহিত। অবশ্য যে-সব পুকুরে মাছও নাই, জলও নাই, সে-সব মাছ আর সে-সব পুকুরের কথা হইতেছে না।

    গোটাকতক নমুনা দেওয়া গেল, মোটের উপর সব জিনিস সম্বন্ধেই পীতুর এই রকম নিজের একটি স্বাধীন মতামত আছে। আপনাদের সঙ্গে মেলে না বলিয়াই যে সেগুলো অবহেলার যোগ্য, এমন মনে করি না। একটি সৃষ্টি—আপনারা দেখেন এক রকম চোখে, পীতু এবং পীতু-পন্থীরা দেখে অন্য রকম চোখে। কী ঠিক দেখে, কী করিয়া বলিব? এই যে মায়াবাদীরা বলে, আপনারাই ভুল দেখিতেছেন। পীতুও এক ধরনের মায়াবাদী।

    আমার দৃষ্টিতে আসুক সেই মায়া যাহা পীতুর চক্ষে বুলানো আছে। আপনারা বলিবেন, ছবির শিষ্য বলিয়াই আমার এ ধরনের অভিরুচি; ছবি দিন ওদের কল্পলোকের কাহিনি শুনাইয়া, দৃশ্য জগতের নিত্য-নূতন ব্যাখ্যা দিয়া আমাকে, আপনাদের চক্ষে যাহা সত্য, তাহা হইতে স্খলিত করিতেছে। সম্ভব।

     

     

    কিন্তু এই সত্যচ্যুতিতে আমার কোনও দুঃখ নাই। এ আমার পরম বিলাস; তাই প্রতিদিনের আপনাদের এই গতানুগতিক জীবনে যখন ক্লান্ত হইয়া পড়ি, বার-বার—পড়া একই কাহিনির মতো জীবন যখন ঠেকে নিতান্ত বিস্বাদ, অনুচ্চাবচ সমতোলের মতো বৈচিত্র্যহীন, ছবিকে কাছে ডাকিয়া লই, ধানবাদের পীতুর কথা পাড়ি। দেখিতে দেখিতে নীল পাহাড়ের স্তবকে স্তবকে, অসমতোল ভূমির তরঙ্গলীলায়, শিশু-শালের বনে, আর শরৎকালের স্বচ্ছ জলে ভরা সাহেববাঁধের দীঘিতে ধানবাদ জাগিয়া উঠে। ও-সবের মধ্যে যদি থাকেই কিছুর কঠোরতা তো এই তিন শত মাইলের দূরত্বে তাহা যায় গলিয়া মিলাইয়া। অনির্দেশ-সঞ্চরমান দুইটি শিশু পাহাড়ে-ঘেরা এবং পাহাড়কেও অতিক্রম করা সমস্ত জায়গাটিকে করিয়া তোলে একটি স্বপ্নপুরী।

    ছবি প্রশ্ন করিয়া শুরু করে, ভারী তো জানো—ভগবানের বাড়ি কোথায় বলো তো মেজকাকা?

    সরল প্রশ্ন। উত্তর দিই, স্বর্গে।

    উত্তরটা নিশ্চয় নির্ভুল, কিন্তু উপস্থিত ক্ষেত্রে ছবি যাহা চায় তাহা নয়। মনের ভাবটা ঠিক করিয়া প্রকাশ করিবার জন্য ছবি একটু ভাবে, তাহার পর বলে, সে তো ভগবানের কলকাতার বাড়ি,—দেশের বাড়ি কোথায়? .

     

     

    প্রশ্নটা তার ততটা সরল থাকে না, আমি উত্তর খুঁজিতেছি, ছবি বলে, পীতুদের বাড়ির জানালা থেকে ধানবাদে যে পাহাড়টা দেখা যায় না…অনেক দূরে, দেখেছ তুমি?

    পীতুদের বাড়ি সম্বন্ধে কোনও ধারণা নাই, তাহার জানালা দিয়া কোনও পাহাড় দেখা যায় কী করিয়া বলিব? বলি, না, দেখিনি তো!

    ছবি গম্ভীর হইয়া বলে, কিচ্ছু দেখনি তুমি, ধানবাদে গিয়ে তবে কী করতে? পীতুদের জানালা দিয়ে আকাশে-র মতো মস্ত একটা পাহাড় দেখা যায়। ভগবানের বাড়ি তার পেছনে, মশায়।…হ্যাঁ!—হাসছ তুমি, ভারী তো জানো; ভগবানের বাড়ি ঠিক তার পেছনে। সেখান থেকে রোজ সক্কালবেলা—কোথাও যখন কেউ ওঠে না—ভগবান সুয্যি ঠাকুরকে পাঠিয়ে দেন। আহা, অত ভোরে উঠতে কষ্ট হয় না মেজকাকা সুয্যিঠাকুরের? কী করবেন বলো? ভগবানের গায়ে হাতি-র মতো জোর, ভয় করে তো? দাদাকে বাবা ভোরবেলায় যখন পড়তে তুলে দেন, দেখনি?—সেই রকম চোখ রগড়াতে রগড়াতে ওঠেন সুয্যিঠাকুর। রাঙা হয়ে যায় চোখ

     

     

    ছবি হাতটা সঞ্চারিত করিয়া বলে, তখন কোথাও কেউ ওঠে না, খালি পীতু ওঠে। পীতুর মাও ঘুমিয়ে থাকে। পীতুর মা খুব সুন্দর মেজকাকা, জানো? যখন সুয্যিঠাকুর ওঠেন, পীতুর মার মুখ রাঙা হয়ে যায়; দুগ্‌গা ঠাকুরের যেমন ঝকঝকে মুখ নয়?—সেই রকম। এমন চমৎকার দেখায় মেজকাকা! পীতু বলেছে আমায় একদিন দেখাবে। পীতু অনেকক্ষণ ধরে দেখে। চাঁদের মতো মুখ পীতুর মার। এক—এক দিন জেগে উঠে জিগ্যেস করে, কী দেখছিস যে পীতু অমন করে? মেজকাকা চাঁদ কে বলো তো?

    বলি, সুয্যিঠাকুরের ছোট ভাই।

    ছবি এমন হাততালি দিয়া হাসিয়া ওঠে যে, সত্যই নিজের মূঢ়তার জন্য অপ্রতিভ হইয়া পড়িতে হয়। ও বলে, কিছু জানো না মেজকাকা তুমি, শুধু দোরের মতো উঁচু হয়েছ,—চাঁদ সুয্যিঠাকুর মশাই, রাত্তিরে চাঁদের মতন দেখায়—পীতু বলেছে।

    আমি ওকে এক রকম হারাইবার জন্যই বলি, চাঁদ যে সুয্যিঠাকুর বলছ, তবে অত চক্‌চক করে না কেন?

     

     

    দুর্বল প্রতিপক্ষকে হারাইবার উপযোগী অবজ্ঞার সহিত ছবি বলে, রাত্তিরে যে রোদ্দুর থাকে না মশাই, কী করে করবে চক্চক?…উনি পীতুর চেয়ে বেশি জানেন।… এবারে ধানবাদে গিয়ে পীতুকে বলব তোমার বুদ্ধির কথা, হেসে গড়িয়ে যাবেখন।

    হঠাৎ হাঁ-টি ছোট এবং গোল করিয়া লইয়া চোখ দুইটা বড় করিয়া ছবি প্রশ্ন করে, মেজকাকা, তুমি ভগবানকে দেখেছ?

    বলি, না, তাঁকে কি দেখা যায় ছবি?

    নাঃ, দেখা যায় না! তবে পীতু কী করে দেখলে মশাই?

    পীতু দেখেছিল নাকি?

    ছবি খুব টানিয়া জোরের সঙ্গে বলে, হ্যাঁ—! পীতুর পাঠশালের গুরুমশাই মরে গিছল কিনা, তার শ্রাদ্ধতে পীতুকে দই দিতে বলেছিল। আহা, কোথায় পাবে দই পীতু, মেজকাকা? গরিব মানুষ, গেরো-দেওয়া কাপড় পরে, চালের পিটুলিকে দুধ গুলে ওর মা ওকে খাওয়ায়; কোথায় দই পাবে মেজকাকা? পীতুর মা বললে, তোর মধুসূদনদাদাকে ডাকিস, তিনি দেবেন দই। যেদিন শ্রাদ্ধ না মেজকাকা?—পীতু ওদের বাড়ির ওদিকটায়, একলা পলাশবনের ধারে গিয়ে—”কোথায় মধুসূদনদাদা, কোথায় মধুসূদনদাদা, এস, দই দিয়ে যাও’ বলে কাঁদতে লাগল। আহা, কাঁদবে না মেজকাকা? দই না নিয়ে গেলে ওকে মারবে যে। কেঁদে কেঁদে ওর চোখের জলে একটা নদী বয়ে, পলাশবনের মধ্যে দিয়ে ছোট পাহাড়ের পাশ দিয়ে ভগবানের বাড়ির দিকে— যেদিকে সুয্যি ওঠে—কত দূর চলে গেল। অমনি একজন থুড়থুড়ে বুড়ো লাঠি ধরে ঠুকঠুক্ করতে করতে, হাতে করে এক ভাঁড় দই নিয়ে এসে বললে, এই নাও, দই, এর জন্যে কি এত কাঁদে?—এ বুড়ো কে বলো তো মেজকা?

     

     

    বুঝিতেই পারিতেছেন গল্পটি একটি প্রাচীন উপাখ্যান। কল্পনাপ্রবণ পীতু ওটিকে নিজের জীবনে আত্মসাৎ করিয়াছে,–গেরো দেওয়া কাপড় আর চালের পিটুলির দুধ-সমেত সমস্ত গল্পটি তাহার তরুণ মনে বড় লাগিয়াছে। অবশ্য, আবশ্যক-মতো একটু পরিবর্তন করিয়া লইয়াছে। মূল উপাখ্যানে বোধহয় গুরুমহাশয়ের মায়ের শ্রাদ্ধ ছিল, নিজের গল্পে পীতু খোদ গুরুমহাশয়েরই অন্ত্যেষ্টি ঘটাইয়াছে। এটা পীতুর মরজি বলুন, সাধই বলুন বা সুবিধাই বলুন।

    আমি প্রশ্ন করি, বুড়ো—ভগবান বুঝি?

    ছবি সপ্রশংস দৃষ্টিতে আমার দিকে চাহিয়া বলে, ঠিক বলেছে রে! তুমি বুঝতে পার মেজকাকা, খুব বোকা নয় তো!

    আমি বলি, কিন্তু এই তুমি বলো—ভগবান আকাশের মতো বড়, আর রেলগাড়ির চেয়েও দৌড়ুতে পারেন?

    সে তো যখন রাক্ষসের সঙ্গে কুস্তি করেন মশাই। দই আনবার সময় অত জোর নিয়ে কি হবে? যদি দই না আনলে ওরা পীতুকে মারত তো দেখতে ভগবানের জোর!—খপ্ করিয়া আমার হাতের কড়ে আঙুলটা ধরিয়া বলিল, ভগবানের এই আঙুল দিয়ে তাদের সব্বার গায়ে একটা পাহাড় ঠেলে দিতেন। হুঁ, চালাকি নয় মশাই!

     

     

    ভীত হইয়া বলি, ভাগ্যিস তা হলে দই এনে দিয়েছিল বুড়ো, নইলে —

    ছবি তাড়াতাড়ি উঠিয়া আমার মুখ চাপিয়া ধরে, শঙ্কিত কণ্ঠে নিম্নস্বরে কহে, জিব কামড়াও মেজকাকা, শিগগির, ভগবানকে বুড়ো বললে! এক্ষুনি এ-রকম শাপ দেবেন—

    চাপা ঠোঁটে বলি, হাতটা সরাও, বের করি জিবটা কামড়াবার জন্যে। বড্ড রাগ করেন বুঝি বুড়ো বললে?

    হ্যাঁ! পীতু কক্ষনোও বুড়ো বলে না। তাই কত ভালোবাসেন। বাড়ি গেলে কত আদর করেন, কত্তো খাবার দেন…

    বলি, খেতে দেন? তা হলে তো একবার গেলে হত ছবু! পীতু জানে পথটা?

    ওমা, জানে না?—বলিয়া ছবি গুছাইয়া বসে। রাফেলের আঁকা শিশু-পরীর মতো করতলে চিবুক রাখিয়া, আমার মুখের দিকে চোখ তুলিয়া গল্প আরম্ভ করিয়া দেয়! চোখ কোন এক অজানা লোকের আলোক ঝলমল করিতে থাকে।…

    পীতু জানে বইকি, ছবিও জানে। পীতুতে ছবিতে মিলিয়া কতবার গিয়াছে। পীতু একবার একলা গিয়াছিল। ওর মার কাছে সেদিন ধ্রুবের গল্প শুনিয়াছিল না?— সেই দিন, রাত্রিবেলা। সেদিন সকালবেলা ঠিক যেখান দিয়া সূর্য ওঠে, রাত্রে ঠিক সেইখানে দিয়া সূর্যটা চাঁদ হইয়া বাহির হইল। শোবার সময় পীতুর মার মুখে অন্ধকার ছিল, গল্প বলিতে বলিতে খোলা জানালা দিয়া আলো ফুটিয়া উঠিল। কপালে কাচপোকার টিপ আকাশের মতো নীল হইয়া উঠিল। চাঁদের চেয়েও পীতুর মার মুখ সুন্দর, মশাই! চাঁদের কপালে মায়ের মতো রাঙা পাড় আর সিঁদুর নাই, পান খাইয়া চাঁদের ঠোঁট মায়ের মতো রাঙা হয় না।…পীতু মাকে বড় ভালোবাসে—ভগবানের চেয়েও। গল্প শুনিতে শুনিতে সেদিন পীতু কাঁদিয়াছিল। আহা ধ্রুবের মায়ের মতন পীতুর মায়ের যদি মোটে একখানি কাপড় হয়, আর ওর বাবা যদি ঝড়ে বৃষ্টিতে বনে বনে ঘুরিয়া হঠাৎ রাত্রে আসিয়া পড়ে! তাহা হইলে তোমাকে তাই থেকে আধখানা ছিঁড়িয়া দিতে হইবে! তাই গল্প শুনিতে শুনিতে পীতু খুব কাঁদিয়াছিল। ওর মাকে জানিতে দেয় নাই—আস্তে আস্তে চোখের জল গড়াইয়া বালিশ ভিজিয়া গিয়াছিল। পীতু খুব সেয়ানা ছেলে মশাই। পীতুর বাবা বকিলে ওর মা যেমন চুপ করিয়া কাঁদিতে পারে না?—পীতুও সেই রকম ভাবে কাঁদিতে পারে।…ছবি বলিল, খু-ব আস্তে আস্তে, খালি ভগবান সে-রকম কান্না শুনতে পারেন। মেজকা, পার তুমি কাঁদতে সে-রকম করে?

     

     

    পীতু গল্প শুনিতে শুনিতে এবং কাঁদিতে কাঁদিতে ঠিক করিল, মা ঘুমাইলে সে ধ্রুবের মতো ঘুমন্ত মায়ের পাশ হইতে আস্তে আস্তে উঠিয়া ভগবানের কাছে চলিয়া যাইবে এবং গিয়া বলিবে—মায়ের যেন কখনও মোটে একখানি কাপড় না হয়, আর বনে বনে ঘুরিয়া যদি রাত্রে হঠাৎ আসিয়া পড়ে, ভগবান যেন দুয়ারের পাশটিতে চুপি চুপি খাবার রাখিয়া যান। কাহারও কাছে চাহিতে গেলে মার বড্ড লজ্জা করে, চোখে জল আসে; সে-সময় মাকে দেখিলে বড় কষ্ট হয়। ভগবান তো পীতুর মাকে জানেন না, পীতু গিয়া সব বলিবে।

    সেদিন রাত্রে মা যখন গল্প বলিতে বলিতে ঘুমাইয়া পড়িল, ভগবান আসিয়া পীতুর চোখে তাঁহার ঘুমের মতো ঠান্ডা আর নরম হাত বুলাইয়া দিলেন। তাহার পর পীতু উঠিল। ধ্রুবের মায়ের মতো পীতুর মা পীতুকে বাঁধিয়া রাখিয়াছিল, সেই গেরোটা জাঁতি দিয়া কাটিল, তাহার পর ভগবানের বাড়ির দিকে চলিল। তাহার আগের দিন মধুসূদনদাদাকে ডাকিয়া ডাকিয়া চোখের জলে যে নদী হইয়া গিয়াছিল—না? পীতু তাহার ধারে দাঁড়াইয়া খুব কাঁদিয়া কাঁদিয়া মধুসূদনদাদাকে আবার ডাকিতে লাগিল। তাহার চোখের জলের নদী বাড়িতে বাড়িতে বাড়িতে আকাশের মতো বড় হইয়া গেল এবং একটা সোনার নৌকো আসিয়া ধারে দাঁড়াইল। ছবি মামার বাড়িতে যে নৌকো চড়িয়া গিয়াছিল, তাহার চেয়ে অনে-ক ভালো নৌকো, অনে-ক বড় নদী, অনে-ক বেশি হাওয়া; নৌকোর সোনার পাল হাওয়ায় ফুলিয়া গিয়াছে।

    যাইতে যাইতে কত দূর চলিয়া গেল পীতু। আমার সঙ্গে কিংবা একলা চুরি করিয়া যতদূর বেড়াইতে যায়, তাহার চেয়ে আরও অনেক দূর। অত আলো ছিল তো? ভগবানের বাড়ির যত কাছে যাইতে লাগিল, আলো ততই আরও বাড়িয়া উঠিতে লাগিল। ধানবাদ ইস্টিশানের চেয়ে ঢের বেশি আলো। পীতুর এক-একবার ভয় করিতেছিল। পীতুর একটুও ভয় করে না, মশাই! ঝাল মাংস খাইয়া ওর গায়ে খুব জোর হইয়াছে। ওর মা যদি কাছে থাকে, আর রাক্ষস যদি দুঃখিনী সীতার মতন ওর মাকে ধরিতে আসে তো এ-ক চাপড়ে রাক্ষসকে মারিয়া ফেলিতে পারে। কিন্তু ওর মা তো কাছে ছিল না, তাই পীতুর ভয় করিতেছিল না…পীতুর একটুও ভয় করে না…মায়ের জন্য শুধু মন কেমন করিতেছিল। তখন ভগবান ওর নৌকো দুলাইয়া দুলাইয়া ওকে ঘুম পাড়াইয়া দিলেন। যখন ঘুম ভাঙিল না?—পীতু দেখিল পাহাড়ের ওদিকে, ভগবানের আরও আলোর দেশে পীতু পৌঁছিয়া গিয়াছে। কত বড় দেশ! কত বড় সোনার বাড়ি! আকাশে-র মতো উঁচু। ঝরিয়ার রাজার বাড়িতে যেমন ঝাড়লালঠেম টাঙানো আছে না?—ছবি দেখে নাই, কিন্তু পীতু একবার পূজার সময় দেখিয়াছিল—তাহার চেয়েও অনেক ভালো ভালো অনেক লালঠেম টাঙানো…

    পীতুর অভিজ্ঞতায় গরবিনী ছবি আমায় পরীক্ষার ভঙ্গিতে প্রশ্ন করিল, কীসের আলো বলো তো মেজকাকা?

    বোধহয় আমা হেন অনভিজ্ঞের পক্ষে উত্তরটা নিতান্তই অসম্ভব ভাবিয়া সঙ্গে সঙ্গে নিজেই বলিল, তারার ঝাড়-লালঠেম….হ্যাঁ মশাই, তুমি তো ভারী জানো! পীতুর মা বলেছে ভগবানের বাড়িতে খালি তারার ঝাড়-লালঠেম টাঙানো আছে!—তারার লালঠেম না হলে পীতুর নৌকায় অত আলো করেছিল কী করে?—বলো না এবার মশাই!

    এমন অকাট্য প্রমাণের সামনে আমি আর কিছু বলিতে পারিলাম না।

    ছবির বর্ণনা চলিল—

    ভগবান জানিতেন পীতু আসিবে। তাহা না হইলে নৌকা কে পাঠাইয়া দিয়াছিল? নৌকো ঘাটে লাগিলে ভগবান নামিয়া আসিয়া পীতুকে কোলে করিয়া লইলেন। চুমা খাইলেন। কী সুন্দর যে দেখাইতেছিল ভগবানকে!…ভগবান যখন ভালোবাসেন তখন আর প্রকাণ্ড থাকেন না, তাঁহাকে দেখিলে ভয় হয় না। তখন তিনি খুব সুন্দর হইয়া যান। তখন, মা পূজার সময় যে-মাল্য পরান, ভগবানের গলায় সেই মালা দুলিতে থাকে। মায়ের দেওয়া মালাসুদ্ধ তাঁকে খুব আপনার লোক বলিয়া মনে হয়। একটুও ভয় করে না। পীতুর কিন্তু লজ্জা করিতেছিল। বিকালের গাড়িতে পীতুর বাবা এক—একদিন আসিয়া পীতুকে কোলে লইয়া যখন চুমা খায় তখন যেমন লজ্জা করে, সেই রকম লজ্জা।

    পীতু তো বড় হইয়াছে? ওদের ছোটখুকির মতো তো ছোট নয়,—লজ্জা করিবে না?

    ছবি আবার প্রশ্ন করিল, ভগবান পীতুকে কেন কোলে করে নিলেন বলো তো মেজকাকা?

    বলিলাম, ভালোবাসতেন বলে।

    নির্বুদ্ধির ক্রমাগত ভুল উত্তরে লোকে যেমন জ্বালাতন হইয়া যায়, সেইভাবে ছবি ঈষৎ ঝংকার করিয়া উঠিল, আরে কাদা লেগে যাবে না বুঝি পীতুর পায়ে? কিছু যদি জানো তুমি!

    আমি প্রতি প্রশ্ন করিলাম, আর ভগবানের পায়ে কাদা লেগে গেল না? তিনি বুঝি বুট জুতো পরে ছিলেন?

    ছবির হিউমারের দৃষ্টিটা বেশ প্রখর, হো-হো করিয়া হাসিয়া উঠিল। তাহার পর আবার গম্ভীর হইয়া, বিচক্ষণের মতো মাথা দোলাইয়া একটু ব্যঙ্গহাস্যের সহিত জিজ্ঞাসা করিল, ভগবানের পায়ে বুঝি কাদা লাগে? কি বুদ্ধি তোমার মেজকাকা!

    বলিলাম, লাগে না বুঝি?

    ছবি মাথা নাড়িয়া বলিল, না, না,—একটুও না।

    একটু চিন্তা করিল, তাহার পর বলিল, ভগবানের পায়ে কাদাও লাগে না, হাতে কালি লাগে না, সাবান মাখলে চোখ জ্বালা করে না, বৃষ্টিতে ভিজলে সর্দি করে না, ওরা সব যে ভগবানের চাকর, মশাই; পীতুর মা বলেছে! আর জানো মেজকা?

    প্রশ্ন করিলাম, কী?

    ওল খেলে ভগবানের মুখ কুট্‌কুট্ করে না, একটুও তেঁতুল খেতে হয় না।

    ভগবানের এই গূঢ় শক্তির আবিষ্ক্রিয়াটা নিশ্চয় ছবির নিজের, কেন-না, আজ সকালেই ওল খাইয়া তাহার নিজের নির্যাতন গিয়াছে। আশ্চর্য হইয়া বলিলাম, তাই নাকি? খুব সুবিধে তো ভগবানের। আচ্ছা, তারপর ভগবান কী করলেন বল।

    ভগবানের বাড়িতে অনেক চাকরানি আছে। বুঝি মনে করিয়াছেন, তাহারা আমাদের বাড়ির ‘বিদেশিয়া-কে-মা’-এর মতো লম্বা, কালো এবং ময়লা কাপড় পরা? না, তাহারা সব খুব সুন্দর; পীতুর মায়ের মুখে চাঁদের আলো পড়িলে যেমন সুন্দর দেখায়, সেই রকম। তাহাদের সাদা পায়রার মতো বড় বড় ডানা আছে; পীতুদের ঘরে টাঙানো মেমসাহেবদের ছবিতে যেমন আছে না, সেই রকম। এক-এক দিন সকালবেলা পাহাড়ের ওদিকে ভগবানের বাড়ির উপর যখন ছোট ছোট রাঙা রাঙা মেঘ করে, এরা মেঘের সিঁড়ি দিয়া, আলোর রাস্তা ধরিয়া, গান করিতে করিতে আকাশে উড়িয়া যায়। পীতু ভোরবেলা উঠিয়া যখন জানালা দিয়া মেঘের দিকে চাহিয়া থাকে, ঘুমন্ত মায়ের আর খুকির মুখে, আর ডানাওয়ালা মেমসাহেবদের ছবিতে আলো আসিয়া পড়ে, তখন অনেকবার ইহাদের দেখিয়াছে। পীতুর মা বলেন, এদের পরি বলা হয়, পীতুদের খুকি মায়ের কোলে আসিবার আগে পরি ছিল।… পরিরা নরম ডানার মধ্যে করিয়া পীতুকে লইয়া গেল…বেশ লাগে, মনে হয় ঠিক যেন ঠান্ডা ঠান্ডা হাওয়া বইতেছে আর মা আঁচলে করিয়া পীতুকে ঘিরিয়া আছে। পীতুর মাও নিশ্চয় আগে পরি ছিল, পীতুকে এমনি করিয়া ডানায় ঢাকিতে, এখন যেমন রাঙা পাড়ের আঁচলে করিয়া ঢাকে।

    তাহার পর সোনার জলের ঝরনায় নাওয়া। পীতুর মা যে বলে সেখানকার জলে স্নান করিলে সমস্ত পাপ ধুইয়া গিয়া আলোর শরীর হয়, তাহা একটুও মিথ্যা নয়। দেখিতে দেখিতে পীতুও পরিদের মতো হইয়া গেল। মেমদের ছবিতে ডানা বসানো খোকা সব হাতজোড় করিয়া আছে না?—সেই রকম। তখন কিন্তু তাহার মায়ের জন্য বড় মন কেমন করিয়া উঠিল,—মা যদি চিনিতে না পারে! যদি মনে করে, পীতু আসলে সত্যই তাহাদের ঘরের মেমসাহেবদের ছবির সাদা পাখাওয়ালা ছোট ছেলে; মিছামিছি পীতু হইয়া নামিয়া আসিয়াছে। তাহা হইলে কী হইবে?

    না, পীতুর এসব ভালো লাগে না; ছেঁড়া কাপড় পরা ধ্রুবের মতো সে মায়ের কাছেই থাকিবে। ভগবানের চেয়ে মা অনেক ভালো। আর পীতু না থাকিলে ভগবান তো বাঁচিয়া থাকেন, মা কিন্তু কোন মতেই বাঁচিবে না যে!

    ভগবান সবার মনের কথা বুঝিতে পারেন, মশাই। পীতুকে কোলে লইয়া চুমা খাইয়া তাহার মনের ভয় সরাইয়া দিলেন। পীতু মার কথা ভুলিয়া গেল। কত খাবার দিলেন। গোবিন্ হালুয়াইয়ের দোকানের চেয়ে আরও অনেক মিষ্টি খাবার। তাহার পর আরও কত কী দিলেন;—পীতুর বাবা, পূজার সময় টাকা ছিল না বলিয়া যে বড় জাপানি ডলটা কিনিয়া দিতে পারেন নাই, সেইটা; নেমন্তন্নর দিন ওদের বাড়ির অজু যেমন জরি-বসানো জামা পরিয়াছিল, সেই রকম জামা; ইস্টিশানের সাহেবদের বাগানের পোষা হাঁস;—পীতুর মনের কথা নিজে নিজেই জানিয়া সমস্ত দিলেন পীতুকে। আরও কত কী দিলেন, কত জায়গায় লইয়া গেলেন—কত রাঙা রাস্তার ওপর দিয়া—লতার ফুলে ঢাকা কত বাড়ির কাছ দিয়া—কত পাহাড়ের গা বাহিয়া, সাঁওতালরা যেমন করিয়া যায়—কত রাঙা হলুদে বেগুনে মেঘে পা ফেলিয়া সাতরঙা রামধনুর নিচ দিয়া কত জায়গায় লইয়া গেলেন। ভগবানের গায়ের আলোয় পরিদের গায়ের রং কত সুন্দর হইয়া উঠিল…

    বর্ণনায় হারিয়া ছবি বলিল, সে তুমি বুঝবে না মেজকাকা, কখনও দেখনি কিনা। পীতুর মা বলে, বড়রা সে পায় না দেখতে। পীতুদের বাড়ির জানলা দিয়ে যে পাহাড় দেখা যায় তার ওধারে আছে সব। সেখানে যখন পাহাড়ের মাথায় রামধনু ওঠে, কী মেঘের মধ্যে মধ্যে চাঁদের রুপোর নৌকো ঢেউ ভেঙে ভেঙে চলে, সে সময় পীতু দেখতে পায় ভগবানকে, পরিদের—কত বাজনাবাদ্যি করে আগে-পিছে ভগবানের লোকেরা যাচ্ছে। পীতু সব দেখে; আমায়ও কতবার দেখিয়েছে মশাই, ওর মাকেও দেখিয়েছে। কিন্তু পীতুর মা দেখতে পায় না; পীতুর মা বলে—কেউ বড়রা দেখতে পায় না; ভগবান বড়দের ওপর রাগ করেন।

    ওই সব রাস্তা দিয়া ভগবানের স্বর্গের বাড়িতে যাওয়া যায়। যাইতে যাইতে পীতুরা কত দূর গেল,—মেঘের রাজ্য অতিক্রম করিয়া, রামধনুর ফটক পার হইয়া, কত উঁচুতে—রাত্রে যেখানে তারার জানালা খুলিয়া দিয়া আকাশের ওদিক থেকে দেববধূরা দলে দলে পৃথিবীর দিকে চাহিয়া বসিয়া থাকে—সেইখানে। সে জায়গাটায় একটু ভয়-ভয় করে, কেন-না, সেটা রাত্রির অন্ধকারের দেশ। এদিককার আলো কমিয়া কমিয়া সেইখানটায় শেষ হইয়াছে, আর উপর থেকে স্বর্গের আলোও পৌঁছোয় নাই। প্রতিদিন সন্ধ্যার সময় পৃথিবীর হাজার হাজার দুষ্টু ছেলে যখন খেলাধুলা শেষ করিয়া আসিয়া মায়েদের, দিদিদের ঘাড়ে পিঠে চড়িয়া দুরন্তপনা করে, সেই দেশ থেকে তখন অন্ধকার আস্তে আস্তে ভগবানের দেশের উপরও কালো ডানার ছায়া ফেলিয়া নামিয়া আসে। সেখানে পৌঁছিয়া পীতুর মায়ের জন্য বড্ড মন কেমন করিয়া উঠিল। চোখ নামাইয়া পীতু দেখিতে পাইল, নিচে অনেক—অনেক—অনে ক দূরে, তাহাদের ধানবাদের ছোট্ট ঘরটিতে পীতুর মা খুকিকে সঙ্গে লইয়া ঘুমাইয়া আছে; ঘুমাইয়া থাকিলে মায়ের মুখে যে-হাসিটি লাগিয়া থাকে সেই হাসিটি এখান থেকে দেখা যায়। মায়ের শাড়ির রাঙা পাড়, মায়ের পায়ের রাঙা আলতার উপর দিয়া, গায়ের উপর দিয়া মায়ের চুড়ি-পরা হাতের সঙ্গে খুকিকে জড়াইয়া, বুকের উপর দিয়া, কালো চুলের সঙ্গে মিশিয়া গিয়াছে; ভোরের মেঘে যেমন সোনার পাড় বসানো থাকে না?—ঠিক সেই রকম। ঘরের এদিকটায় চাঁদের আলো, কিন্তু ও—পাশটায়—পীতু যেখানটায় নাই, সেইখানটায় চাঁদের আলো নাই। পীতু সমস্ত রাত মায়ের হাতটি বুকে লইয়া শোয়, যেখানে তাহার বুক ছিল হাতটি এখনও সেইখানে পড়িয়া আছে। পীতুর মা না-জানিয়া মনে করিতেছে তাহার হাত এখনও পীতুর গায়েই আছে, মনে করিতেছে ওটা বালিশ নয়, পীতুর নরম বুক। তাই তাহার মুখে হাসি। পীতুকে বড্ড ভালোবাসিত কিনা,—ভগবানের চেয়েও

    পীতুর ভয়ানক মন কেমন করিয়া উঠিল। অন্ধকারের দেশ পার হইয়া আবার যদি ফিরিয়া আসিতে না পারে। যদি ভগবানের স্বর্গের বাড়ি এত সুন্দর হয় যে, মায়ের কথা এক্কেবারেই মনে না পড়ে!—কলকাতায় একবার রতনদিদির বাড়িতে গিয়া যেমন এক্কেবারে মনে পড়ে নাই!…মায়ের ঘুমন্ত মুখে এখনও হাসি দেখা যাইতেছে, মা মনে করিতেছে পীতুর বুকে হাতটি রহিয়াছে, তাই। ঘুম ভাঙিলেই মা যখন দেখিবে পীতু নাই, যখন বুঝিবে পীতু তাহার অত করিয়া বাঁধা আঁচলের গেরো কাটিয়া, তাহার চোখের জলের নদী দিয়া ভগবানের পাহাড়-ঘেরা বাড়ি পার হইয়া অন্ধকারের দেশ পার হইয়া ভগবানের স্বর্গের বাড়ি চলিয়া গিয়াছে—তখন!

    ভয়ানক মন কেমন করিয়া উঠিল পীতুর। ভগবান তো মনের কথা টের পান? টের পাইয়া আগেকার মতো ভুলাইয়া দেওয়ার অনেক চেষ্টা করিলেন, কিন্তু পীতু আর কিছুতেই ভুলিল না,—পীতুর বাবা একবার বাড়ি হইতে যাইবার সময় পীতুকে যেমন কোনও মতেই ভুলাইতে পারে নাই, সেই রকম। পরিরা কত বুঝাইল, আদর করিল, বলিল, অন্ধকারের ওপারে গিয়া তাহাকে ঝরিয়ার রাজার মতো বাড়ি দিবে, গাড়ি দিবে, অজুর চেয়েও ভালো ভালো জামা দিবে, পীতুর কিন্তু সব জিনিসের চেয়ে মাকে ভালো লাগিতেছিল। তখন ভগবান আরও চেষ্টা করিলেন, আরও লোভ দেখাইলেন। বলিলেন—ধ্রুবকে যেমন ধ্রুবলোক করিয়া দিয়াছিলেন—আকাশের অনেক দূরে এখনও দেখা যায়—পীতুকেও সেই রকম আকাশের চেয়েও আরও উঁচুতেও ধ্রুবলোক করিয়া দিবেন। আরও কত কথা সব…

    পীতুর একবার মনে হইল, যাই; মার যদি কষ্ট হয়?—খুকুকে কোলে লইয়া ভুলিবে। ভগবান এমন করিলেন যে, পীতু একটুখানি ভুলিয়া গেল মাকে, এ— টুখানি,—ঘুমাইবার সময় একটুখানি যেমন ভুলিয়া যায় না লোকে?—সেই রকম। ঠিক সেই সময় হঠাৎ সে রাস্তার পাতলা অন্ধকার ভেদ করিয়া দেখিতে পাইল— অনেক নিচে, ধানবাদের ঘরটিতে তাহার মা পাশ ফিরিতেই কাটা আঁচলটা কাপড়ের মধ্যে থেকে বাহির হইয়া পীতু যেখানটায় শুইয়া ছিল সেইখানটায় লুটাইয়া পড়িল। জাঁতি দিয়া কাটার দরুন পাড় হইতে সুতা বাহির হইয়া যেন রক্তের মতো দেখাইতেছে। …মা যদি এখনই উঠিয়া পড়ে!…মুখের হাসি এখনও মুখে লাগিয়া আছে।

    পীতু ভগবানের বুকে ছটফট করিয়া উঠিল। না, সে যাইবে; তাহার চাই না কিছু …চাই না ধ্রুবলোক। সে মায়ের কাছে ফিরিয়া যাইবে। ভগবান বড় দুষ্টু, ভগবানের চেয়ে মা ঢের ভালো। মা তো রোজ ভগবানকে পূজা করেন, সন্ধ্যার সময় তুলসী—তলায় প্রদীপ দেন, সকালবেলায় স্নান করিয়া মাটির ভগবান গড়িয়া ফুলচন্দন চড়ান। মায়ের দেওয়া মালা তো এখনও ভগবানের গলায়; তবুও কেন পীতুকে মায়ের কাছে যাইতে দিতেছেন না? পীতু যাইবেই যাইবে। ভগবান যদি না ছাড়েন, ধ্রুব যেমন আগুনের মধ্য থেকে, বাঘেদের মধ্য থেকে ভগবানের তপস্যা করিয়াছিল, পীতুও ধ্রুবলোকে গিয়া মার জন্য সেই রকম তপস্যা করিয়া আবার সেখান থেকে মায়ের কাছে নামিয়া আসিবে। না, পীতুকে ভগবান জানেন না,—পীতু মাকে বড্ড ভালোবাসে—ভগবানের চেয়েও—পরিদের চেয়েও—স্বর্গের চেয়েও—ধ্রুবলোকের চেয়েও…

    বলিলাম, ভগবান চটে গেলেন না ছবি?

    ছবি একটি স্বপ্নের মধ্যে ছিল যেন, মুখে একটি শান্ত করুণা ফুটিয়া উঠিয়াছে। একটু ভাবুকতার সঙ্গে, একটু ক্ষমার সঙ্গে, একটু আর একটা কী অনির্বচনীয়তার সঙ্গে স্মিত হাস্যের সহিত ধীরে কণ্ঠে বলিল, না মেজকাকা, ভগবান যে বড্ড ভালো। পীতুকেও যেমন ভালোবাসেন, ওর মাকেও সেই রকম ভালোবাসেন কিনা! আর ওপরে গেলেন না। আর অন্ধকারও রইল না। পীতুকে কত চুমু খেলেন, কত আদর করে কত সব কথা বললেন, পরিরাও কত চুমু খেলে, কত গালে হাত বুলিয়ে বললে, তোমার মায়ের কাছেই এবার থেকে তোমার জন্যে ভগবান থাকবেন পীতু; সেইখানেই তোমার জন্যে ধ্রুবলোকে গড়ে দেবেন।…তারপর আবার কত আলোর মধ্যে দিয়ে, কত বাজনা-বাদ্যির মধ্যে দিয়ে চাঁদের নৌকো করে নদী বেয়ে পীতুকে নামিয়ে নিয়ে এলেন।…হ্যাঁ মশাই, নিয়ে এলেন নামিয়ে, না হলে পীতু যখন উঠল, কী করে দেখলে ঠিক যেমন করে মায়ের হাত বুকে নিয়ে শুয়ে ছিল, সেই রকম করেই রয়েছে?…আর মেজকাকা, কী আশ্চর্য জানো?

    প্রশ্ন করলাম, কী?

    আঁচল কেটে পীতু চলে গিয়েছিল না?—উঠে দেখলে একটুও কাটা নেই। ভগবান যদি আসেননি তো কে জুড়ে দিয়ে গেল মেজকাকা? তুমি পার? আর পীতু দেখলেও যে নিজে। যখন চোখ খুললে না?—দেখলে, ভগবানের পাহাড়ের বাড়ির ওপরে নতুন সুয্যির আলো কেঁপে কেঁপে উঠছে—কত গান হচ্ছে—মন্দিরে ঘণ্টা বাজছে, আর রাঙা মেঘ দিয়ে গড়া সোনার সিঁড়ি বেয়ে ভগবান, তার পরিরা আর সোনার পোশাক পরে বাজনা বাজিয়ে যারা সঙ্গে এসেছিল—সব ফিরে যাচ্ছে…হ্যাঁ, দেখলে পীতু মেজকাকা; তখন আর একটু মনও কেমন করেছিল—মনে হচ্ছিল, ভগবান এত ভালো, এত লক্ষ্মী; কিন্তু পরিরা যে বললে পীতুর মায়ের কাছে থাকবেন সর্বদা— যদি ভুলে গিয়ে না-থাকেন কোনও দিন!…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাণুর প্রথম ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    Next Article ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও ঊনিশ শতকের বাঙালী সমাজ – বদরুদ্দীন উমর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর প্রথম ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর দ্বিতীয় ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর তৃতীয় ভাগ – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    রাণুর কথামালা – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    October 29, 2025
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় রচনাবলী ২ (দ্বিতীয় খণ্ড)

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }