Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সঞ্জীবের সেরা ১০১ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1246 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঘড়ি

    ঘড়ি

    আমার একটা টেবিল ঘড়ি আছে। মেড ইন জার্মানি। ঘড়িটা আমি এক স্মাগলারের কাছ থেকে কিনেছিলুম। তখন আমার খুব দুঃসময়। আমার স্ত্রী অসুস্থ! চিকিৎসার জন্যে জলের মতো টাকা খরচ হচ্ছে। তবু ঘড়িটা আমি কিনে ফেললুম। আমার স্ত্রী দোতলার ঘরে রোগশয্যায়। আর সেই বিদেশি বেআইনি মালের ব্যবসায়ী আমাদের নীচের ঘরে। তার ঝোলা থেকে ঘড়িটা বের করে টেবিলের ওপর রাখল। কালো ডায়াল। সাদা কাঁটা। অক্ষর আর কাঁটায় রেডিয়াম লাগান। রাতে জ্বলজ্বল করে জ্বলবে। মানুষের যেমন রূপ থাকে ঘড়িরও সেই রকম রূপ আছে। কোনও কোনও ঘড়ি সুন্দরী রমণীর মতো। প্রথম দর্শনেই প্রেমে পড়ে যেতে হয়। টেবিলের ওপর কালো ডায়ালের ঝকঝকে জার্মান-সুন্দরীকে দেখে প্রেমে পড়ে গেলুম।

    লোকটি তখন ঘড়ির গুণাগুণে ব্যস্ত। গভীর অন্ধকারে ঘড়ি জুয়েলের মতো জ্বলবে। অ্যালার্ম আপনি দু-কায়দায় বাজাতে পারবেন। এক কায়দায় থেমে থেমে বাজবে। যত গভীর ঘুমই হোক, সে ঘুম আপনার ভাঙবেই। আর এক কায়দায় টানা বেজে যাবে। বাজতেই থাকবে। ঘুম থেকে। টেনে তুলবেই তুলবে।

    ‘দেখতে চান।’ বলেই সে লোকটি পেছন দিকে কী এক কেরামতি করতেই, ঘণ্টা বেজে উঠল। বেশ জোর, যেন স্কুল ছুটির ঘণ্টা। কিছুক্ষণ বেজে থামল। আবার বাজল, আবার থামল। সারা। ঘরে ধ্বনি-প্রতিধ্বনি। এক পাশে আমার ধবধবে সাদা, লোমঅলা কুকুরটা ঘুমোচ্ছিল। সে তড়াক লাফিয়ে উঠল। ঘড়িটাকে ধমকাতে লাগল ঘেউ ঘেউ করে। আমার রোগ-নিস্তব্ধ বাড়িতে সহসা শব্দের আন্দোলন।

    আমি বললুম, ‘থামান থামান।’

    লোকটি মাথার উপর একটা বোতাম টিপতেই সারা বাড়িতে নিস্তব্ধতা নেমে এল। শুধু কুকুরটা। তখনও রাগে গরগর করছে। আমি মনে মনে ভাবলুম, তুই তো কুকুর, তুই কেন, সময়ের ওপর সকলের রাগ। তোর অবশ্য বেশি রাগ হওয়াই স্বাভাবিক, কারণ, তোদের আয়ু মাত্র বারো বছর। বারো বছরেই এই সুন্দর লোমঅলা নরম দেহটি ফেলে চলে যেতে হবে। ওই ঝকঝকে কালো চোখে আর দৃষ্টি থাকবে না। আমি মানুষ। আমি হয়তো সত্তরটা বছর দুঃখে-সুখে কাটিয়ে যেতে পারব। প্রায় ছ-টা কুকুরের পরমায়ু এক সঙ্গে করলে যা হয়। আর যদি যত্নে-তোয়াজে থাকি, আনন্দে থাকি, তাহলে সাতটা কুকুরের পরমায়ু এ যুগে কিছুই নয়। আমাদের বংশে প্রায় একশো রান তোলার মতো ব্যাটসম্যান ছিলেন।

    কুকুরটা আবার কোণের দিকে গিয়ে হাত-পা ছড়িয়ে শুয়ে পড়ল। ফোঁস করে একটা দীর্ঘশ্বাস। লোকটি বললে, ‘একবার একটানা বাজানোটা দেখাব!’

    আমি বললুম, ‘না না, কোনও প্রয়োজন নেই!’

    লোকটি ঘড়ির পেছন দিকে, ছোট্ট একটা উঁচু মতো লোহার খোঁচা দেখিয়ে বললে, ‘ভেরি সিম্পল। এই দেখুন, কনটিনিউয়াসের দিকে ঠেললে নাগাড়ে বাজবে আর ইন্টারমিটেন্টের দিকে ঠেললে থেমে থেমে।’

    বুঝলাম তার খুব ইচ্ছে হচ্ছে আর একবার বাজায়। সব মানুষের মধ্যেই শিশুটা থেকে যায়। আমের ভেতর আমের আঁটির মতো। অ্যালার্ম বাজতেই কুকুরটা ঘেউ ঘেউ করেছিল, গোঁ গোঁ করেছিল। বেশ মজা লেগেছে। আর একবার খ্যাপাতে চায়। জানে না আমার বাড়িতে কী জীবন মরণ সংগ্রাম চলেছে দোতলার ঘরে। যে-কোনও মুহূর্তে আমার সবচেয়ে প্রিয়জন, আমার স্ত্রী। চলে যেতে পারে। সে এখন সময়ের সঙ্গে যুদ্ধ করছে। আমি তাকে বলিনি। ডাক্তার আমাকে বলে গেছেন, ‘শি ইজ ব্যাটলিং উইথ টাইম। এই যে ওষুধ, এতে আরোগ্য হবে না, শুধু কিছুদিন ধরে রাখা। আজ থেকে কাল, কাল থেকে পরশু স্পষ্ট দিন গোনা। একদিন দপ করে আলো নেবার মতো দীপ নিবে যাবে।’

    যে লোকটি ঘড়ি এনেছে তার সবই ভালো, কথায় কথায় সামনের দুটো দাঁত বের করে হাসিটা ভালো লাগে না। লোকটাকে তখন ভীষণ স্বার্থপর মনে হয়। কেনা আর বেচা এর বাইরে যেন পৃথিবীতে আর কিছু নেই। উত্তর মেরু, দক্ষিণ মেরুর মতো, ক্রেতার পৃথিবী আর বিক্রেতার পৃথিবী। ভালোবাসার পৃথিবীটা যেন উবে গেছে!

    আমাদের বাড়িতে যে মেয়েটি কাজ করে, সে রাগ রাগ মুখে দু-কাপ চা দিয়ে গেল। যাবার সময় বলে গেল, ‘আপনি এখন এই ঘড়ি নিয়ে রঙ্গ করছেন। বাড়িতে তো তিনটে ঘড়ি রয়েছে। এখন এই অ্যাতো খরচের সময়?’ আমাদের বাড়ির সঙ্গে মেয়েটি এমনভাবে জড়িয়ে গেছে যে, তার এইসব কথা বলার অধিকার জন্মেছে। সবাই জানে আমাকে টুপি পরানো খুব সহজ। চকচকে ঝকঝকে জিনিসের ওপর আমার ছেলেমানুষের মতো লোভ।

    মেয়েটি যেতে যেতে দরজা পার হবার আগে ঘুরে দাঁড়িয়ে বললে, ‘বউদি আগে ভালো হয়ে উঠুক না, তারপর এইসব বাজে খরচ যত পারেন করবেন।’

    লোকটি সেই অদ্ভুত হাসি, সামান্য তোতলানো গলায় বললে, ‘এসব ঘড়ি একবার হাতছাড়া হয়ে গেলে আর পাওয়া যাবে না। মেড ইন জার্মানি।’

    লোকটিকে ভীষণ বোকা বোকা দেখালেও পাকা ব্যবসাদার। আমার বাড়ির পরিস্থিতি, তাতে কারুর হাসা উচিত নয়, তবু লোকটির মুখের লোভী অথচ বোকা বোকা হাসি মেলাচ্ছেনা। সেই হাসিটাই বজায় রেখে চায়ের কাপে ফরফর করে চুমুক দিল।

    মেয়েটি আমার বিবেকে খোঁচা মেরে গেছে। সত্যিই তো, আমি কী বলে বাজে খরচ করতে চলেছি! এই কি সময়! ওষুধে-ডাক্তারে রোজ জলের মতো টাকা বেরিয়ে যাচ্ছে। মেয়েটি আমার সামনে নিষ্ঠুর ভবিষ্যৎ মেলে দিয়ে গেছে। বউদির ভালো হওয়া। বউদি আর কোনও দিন ভালো হবে না। খসখস করে এই ঘড়ির কাঁটা চলছে। বউদির জীবনঘড়িও চলছে। কতটা দম আছে কেউ জানে না। জীবনঘড়ির কোনও মেকানিক নেই। নিজেই চলে, নিজেই বন্ধ হয়। স্বাধীন। বাইরে থেকে দম দেবার কোনও চাবি নেই।

    ‘ঘড়িটার দাম কত?’

    ‘আপনার জন্যে আমার সবসময় স্পেশাল দাম। এ ঘড়ি আপনি আর কোথাও পাবেন না।’ লোকটি নিঃশব্দে হাসতে লাগল।

    ‘দামটা বলুন।’

    ‘কত আর, তিনটে পাত্তি দেবেন!’

    ‘বলেন কী! একটা টেবিল ক্লকের দাম তিনশো! আপনার মাথা খারাপ!’

    ‘এটা কোথাকার ঘড়ি দেখুন! জার্মানির। সারাজীবন চলবে।’

    ‘আমার দরকার নেই মশাই, নিয়ে যান। আমার এখন খুব দুঃসময়। আপনার সঙ্গে ঘ্যানোর ঘ্যানোর করার সময় নেই।’

    ‘ঠিক আছে, আমি আপনার জন্যে লোকসান করেই দেব। আপনি দুটো পাত্তি দিন।‘

    ‘দুশো! দুশো টাকার টেবল ক্লক।’

    ‘আচ্ছা যান, একশো ষাট।’

    লোকটার অদ্ভুত একটা ক্ষমতা আমি আগেও লক্ষ করেছি। যাকে ধরবে, তাকে বধ করে ছাড়বে। ঘড়িটা টেবিলের ওপর রেখে চলে গেল। সেই জার্মান রূপসির দিকে তাকিয়ে আমি বেশ কিছুক্ষণ বসে রইলুম।

    আমার স্ত্রী-র ঘরে কোনও ঘড়ি ছিল না। বাইরের দালানে একটা ওয়াল ক্লক সারা দিন খটর খটর করত, আর সময়মতো চড়া সুরে বেজে উঠত। রাতের দিকে যখন রোগের অসম্ভব বাড়াবাড়ি, রুগি যন্ত্রণায় ছটফট করছে, সেই সময় ঘড়িতে বাজছে রাত বারোটা। ঘড়িকে তো আর থামানো যায় না। সে এক বিরক্তিকর অভিজ্ঞতা। ওই ওয়াল ক্লকটা আমি সরাব।

    সকালের দিকে আমার স্ত্রী ওরই মধ্যে একটু ভালো থাকে। অসুখও আলোকে ভয় পায়। দিনের আলো নিবে গেলেই দাপাদাপি শুরু করে দেয়। আমি ঘড়িটাকে সাবধানে বুকের কাছে ধরে যখন তার ঘরে ঢুকলুম, তখন বাইরের প্রকৃতি রোদের আলোয় ঝলমল করছে। বালিশের পর বালিশ সাজিয়ে তাকে ঠেসান দিয়ে বসিয়ে রাখা হয়েছে। আমার মনে হল, আমি একটা কপূরের মূর্তি দেখছি। একটু একটু করে উবে যাচ্ছে। কপূর তার এই প্রাত্যহিক ক্ষয় জানে না। আমরা জানি। কাল যা ছিল, আজ আর তা নেই। দিন দিন সাদা, ফ্যাকাশে হয়ে আসছে, শুধু চোখ দুটো হয়ে উঠছে অসম্ভব রকমের উজ্জ্বল!

    আমি বললুম, ‘দ্যাখো, তোমার জন্যে একটা ঘড়ি কিনে এনেছি। ভারী সুন্দর।’

    ঘড়িটার দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইল। আমি তাকিয়ে আছি তার মুখের দিকে। চোখ দুটো ধীরে ধীরে জলে ভরে উঠছে। আমার একটা অস্বস্তি শুরু হল। কোনও অন্যায় করে ফেললুম না। তো! ধরা ধরা গলায় সে বললে, ‘সময়?’

    আমি তার মনটাকে ঘুরিয়ে দেবার জন্যে বললুম, ‘জার্মানির ঘড়ি। সারাজীবন নিখুঁত সময় দেবে। একটুও এদিক-ওদিক হবে না।’

    ‘সুন্দর দেখতে। ভারী সুন্দর। পৃথিবীতে কত যে সুন্দর সুন্দর জিনিস আছে।’

    ‘এটা তোমার চোখের সামনে, এই তাকে থাকবে। তুমি বুঝতে পারবে ক’টা বাজল। একে-ওকে আর জিজ্ঞাসা করতে হবে না, ক’টা বাজল।’

    ‘একটা হিসেব বলো?’

    ‘কীসের হিসেব?’

    ‘এই আর কতটা বাকি আছে!’

    তখনই মনে হল, ঘড়িটা এনে আমি ভুল করেছি। যার খরচের পালা, তার সামনে এই মাপের যন্ত্র হাজির করার অর্থ, তাকে সচেতন করা। আমি বললুম, ‘তুমি বড় বেশি ভেঙে পড়েছ। অসুখ কি। কারুর করে না!’

    ‘তিন মাস হল।’

    ‘হোক না, ছ’মাসও হতে পারে।’

    সে আকাশের দিকে তাকিয়ে রইল। যে যাবে, সে জানতে পারে। যাত্রীর কাছে ট্রেন আসার টাইমটেবল থাকে। আমি ঘড়িটাকে সামনের তাকে রাখলুম চোখের সামনে। সেকেন্ডের সাদা কাঁটা কালো ডায়ালের ওপর পাক মেরে চলেছে।

    সেদিন রাতে ভীষণ বাড়াবাড়ি হল। অসম্ভব শ্বাসকষ্ট। একবার নিশ্বাস নেবার জন্যে মাছের মতো খাবি খাওয়া। নাকে অক্সিজেনের নল পুরে দেওয়া হল। ঘর ভরতি আত্মীয়স্বজন। রোজই আমরা দল বেঁধে রাত জাগি। আমি এক পাশে বসে ঘড়িটার দিকে তাকিয়ে আছি। ন-টা বাজল, এগারোটা বাজল। বাইরের দালানের ঘড়িতে আগেই বারোটা বেজে গেল দুর্দান্ত সুরে। আমার। ভাবনা হল, কোন ঘড়িটা ঠিক! বাইরেরটা না ভেতরেরটা। একশো ষাট টাকায় ঠকে গেলুম! মাঝে মাঝে আমার স্ত্রী-র নাক থেকে নল বের করে ইঞ্জেকশানের উঁচ দিয়ে ফুটো পরিষ্কার করে আবার নাকে গুঁজে দেওয়া হচ্ছে।

    বাইরের ঘড়িতে একটা বাজল। ভেতরের ঘড়িতে বারোটা বাজতে পাঁচ। আমি ভালো করে তাকালুম। সেকেন্ডের কাঁটাটা ঘুরছেনা। এ কী, ঘরের সময় ফুরিয়ে গেল নাকি! তাড়াতাড়ি উঠে গিয়ে ঘড়িটা তাক থেকে নামালুম। দু-দিকে দুটো দম দেবার চাবি। বাঁ দিকেরটা তিন পাক ঘোরাতেই চড়া সুরে অ্যালার্ম বেজে উঠল। আমাদের কুকুরটা একপাশে পাখার বাতাসে হাত-পা ছড়িয়ে ঘুমোচ্ছিল। তড়াক করে লাফিয়ে উঠে ঘেউ ঘেউ শুরু করল। আমার এক আত্মীয়া বিরক্তির গলায় বললেন, ‘এখন ওসব থাক না।’ আমার ভুলটা বুঝতে পারলুম। অ্যালার্মের দমটা দিয়ে ফেলেছি। তখন ডান দিকের চাবিটা ঘোরাতে লাগলুম কটর কটর শব্দে। কোনওদিকে। আমার দৃকপাত নেই। খেয়াল নেই, একজনের সময় থেমে আসছে। যার দম হল বাতাস। সেই বাতাস টানতে পারছে না। আমার ঘড়ি আবার চলতে শুরু করেছে। দীর্ঘ, সুঠাম সেকেন্ডের কাঁটা নেচে নেচে চলেছে। বাইরে গিয়ে সময়টা মিলিয়ে নিয়ে তাকে তুলে দিলুম। এখন আমার শান্তি। উদবেগ কেটে গেছে। দুটো ঘড়িই আমার এক সময় দিচ্ছে। সকলেই আমার দিকে অবাক হয়ে তাকাচ্ছে। যার স্ত্রী-র এই রকম এখন-তখন অবস্থা, সে একটা ঘড়ি নিয়ে এই রকম ন্যাকামি করছে! সময় যে একটা দীর্ঘ রাজপথের মতো। গাড়ি যারা চালায় তারা জানে, পথের খারাপ অংশটা পেরোতে পারলেই আবার কিছুটা মসৃণ পথ, তখন সুন্দর পথ চলা। খারাপ সময়টা কোনওরকমে কাটাতে পারলেই আবার সুসময়। আমি যে সেই দিকেই তাকিয়ে আছি। ঘড়িতে সময়ের হাত ঘুরছে। দুটো বাজল, তিনটে বাজল। আমি জানি রাতটা কোনওরকমে পার করে দিতে পারলেই আমার স্ত্রী আবার কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠবে। গত তিনমাস ধরে রাতের অন্ধকার শক্তি জীবনের কূল থেকে অজানা সমুদ্রের কূলে নিয়ে যাবার চেষ্টা করছে।

    পুবের আকাশ রক্তিম হল। আমার স্ত্রী-র যন্ত্রণাকাতর চোখ দুটো সেই আকাশে। লাল। আরও লাল। অক্সিজেনের নল খুলে দেওয়া হল। একজন স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে বললে, ‘ক্রাইসিস ইজ ওভার।’ রাতজাগানিয়ার দল একে একে বিদায় নিয়ে চলে গেল। লাল আকাশের দিকে তাকিয়ে চোখের ইশারায় আমার স্ত্রী জানাল, দিন এসেছে। রাতের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া আর একটা দিন। আমি তার পাশে বসে আছি। সে ফিশফিশ করে আমাকে বলল, ‘ঘড়িটাকে একটা সুন্দর। খোপ তৈরি করে এই উত্তরের দেয়ালে রেখো। বেশ দেখাবে। নারায়ণের ছবিটাকে সরিয়ে দিয়ো পুবের দেয়ালে।’ এই কথা ক’টি বলেই ক্লান্ত হয়ে বালিশে মাথা রাখল। বাইরে কোলাহল শুরু হয়েছে। দিনের প্রথম গাড়িটা সশব্দে চলে গেল। ‘বালিশ-তুলো’ হেঁকে চলেছে ধুনুরি। শীত আসছে। আমার জীবন থেকে একজন চলে যাচ্ছে। বসন্তের অপেক্ষায় সে আর থাকবে না। আমার এই দোতলা ঘরে সবই ঠিক আগের মতোই আছে। খাট, বালিশ, বিছানা, চাদর, বইয়ের শেলফ, ছবি, দেরাজ সব আছে। শুধু একজন নেই। সবাই প্রশ্ন করে, ‘উত্তরের দেয়ালে, তোমার অমন সুন্দর ঘড়িটা ন’টা পঁয়তাল্লিশ বেজে বন্ধ হয়ে আছে কেন?’ আমি পালটা প্রশ্ন করি, ‘বলো তো ওটা রাত না দিন?’ সেদিন ছিল শুক্লা দ্বাদশী। রাত নটা পঁয়তাল্লিশ। সময়টাকে সময়ের। স্রোতে আমি খুঁটির মতো পুঁতে রেখেছি। বাইরের ঘড়িটাকে আমি সরাইনি। সেটা চলছে। চলেই চলেছে। ওটাই আমার হিসেব। দেখতে চাই, নদীর কত দূরে এসে আর একটা খুঁটি পড়ে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআকাশ পাতাল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article হরি ঘোষের গোয়াল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }