Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সঞ্জীবের সেরা ১০১ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1246 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভালোবাসার বিষ

    ভালোবাসার বিষ

    রোজকার মতো সেদিনও গিয়ে দেখলুম, বৈঠকখানা ঘরে প্রফেসার বেহুঁশ হয়ে পড়ে আছেন। শূন্য মদের বোতল আর গেলাস গড়াচ্ছে ফরাসের ওপর। বই আর খাতা ফরাসের একপাশে রেখে চলে গেলুম ভিতরে। বাইরের সঙ্গে আর কোনও সম্পর্ক রইল না।

    ভিতরের ঘরে ছোট টেবিলের পাশে গালে হাত রেখে প্রতিমা বসে আছে। সেই ফিকে নীল সুন্দর ছাপা শাড়িখানা পরনে। আমি তার পিছনে গিয়ে দাঁড়ালুম। মুখ তুলে সে তাকাল। গভীর দুটো চোখে স্বপ্নাচ্ছন্ন দৃষ্টি। তার মুখখানা দু-হাত দিয়ে ধরে জিজ্ঞাসা করলুমকী ভাবছ?

    বললে, তোমার কথা ভাবছি।

    জিগ্যেস করলুম—সত্যি?

    চোখের পাতা দুটো নাচিয়ে, সে নীরব ভাষায় জানাল, সত্যি।

    ঘরের একপাশে খাট। খাটের ওপর ছোট্ট-নচিকেতা ঘুমোচ্ছে! নচিকেতা প্রতিমার ভাই। মাতৃহারা ছেলেটি দিদির স্নেহে মানুষ হচ্ছে। খাটের একপাশে বসতে যাচ্ছিলুম। প্রতিমা বারণ করল—বোসোনা, ও জেগে উঠবে। তার চেয়ে চলো আমরা ছাতে যাই।

    ছোট্ট কাঠের সিঁড়ি বেয়ে খুঁড়ি মেরে আমরা ছাদে উঠতে লাগলুম। প্রতিমা আগে আগে, আমি তার পিছে পিছে। কী সুন্দর লাগছিল। কী একটা সুন্দর মিষ্টি গন্ধ। কী সব পুলকিত স্পর্শ।

    ঝাপসা চাঁদের আলোয় আলোয় চারিপাশ ধোঁয়াটে। দূরে দূরে গাছের জটলা নিঃশব্দ প্রহরীর মতো রাতের অভিসার লক্ষ করছে।

    জলের ট্যাঙ্কের পাশে, প্রতিমার নিজের হাতে পোতা ছোট্ট রজনীগন্ধার একগুচ্ছ ফুল। তারই পাশে আমাদের বসে থাকা। পরস্পরের নিঃশব্দ অবস্থিতি। বসে বসে ভাবি প্রতিমা আমায়। ভালোবাসে। আমি কৃতজ্ঞ। হঠাৎ কী মনে হল, হেলান দিয়ে বসে থাকা প্রতিমার সুন্দর পা দুখানার ওপর মুখ ঘষতে লাগলুম। প্রতিমা বাধা দিল,—ও কী করো, পাগলামি রাখো।

    বললুম—না বাধা দিও না। আমি তোমায় ভালোবাসি। কিন্তু সে ভালোবাসা আমি তোমার কাছে কেমন করে প্রকাশ করব।

    শুধু প্রতিশ্রুতি দাও তুমি আমাকে ভালোবাসবে, মনে রাখবে চিরকাল।

    প্রতিমা বলল-বলো তুমিও আমায় মনে রাখবে অনন্তকাল।

    বললুম-অনন্তকাল কেন, তোমাকে ভালোবেসে আমি তোমার সত্তায় লীন হয়ে যেতে চাই। আশ্বাস দাও, তুমি অন্য কাউকে ভালোবাসবে না।

    হঠাৎ নচিকেতা এসে, ‘দিদি’, বলে পেছন দিক থেকে প্রতিমার গলা জড়িয়ে ধরল।

    তারপর আমাকে দেখে প্রশ্ন করল—দিদি, প্রকাশদার কী হয়েছে? তুমি বকেছ? তাই পায়ে ধরে ক্ষমা চাইছে।

    প্রতিমা হেসে বলল—হ্যাঁরে, খুব বকেছি। ভারি দুষ্টু কিনা,–

    আমার চে। নচিকেতা একগাল হেসে জিগ্যেস করল।

    প্রতিমা বলল—হ্যাঁ তোমার চেয়েও। তুমি প্রকাশদাকে ভালোবাসো না?

    হ্যাঁ

    আমাকে বাসো না?

    হ্যাঁ।

    কাকে বেশি বাসো, ছোদ্দি।

    প্রতিমা হেসে পালটা প্রশ্ন করল—তুই বল না।

    আমাকে। নচিকেতা বুক চাপড়ে জানাল।

    আমি এতক্ষণ প্রতিমার কোলে মাথা রেখে শুয়েছিলুম। নচিকেতা আমায় ঠেলা দিয়ে জিগ্যেস করল, প্রকাশদা তোমার ঘুম পেয়েছে। চলোনীচে শোবে চলো। দিদির কাপড়ে তোমার মাথার তেল লেগে যাবে। দিদির কষ্ট হবে।

    আমি বললুম—তুমি নীচে যাও। তোমার ঠান্ডা লাগবে। আমি আর তোমার দিদি পরে যাব।

    নচিকেতা প্রতিমার আর একপাশে ঘন হয়ে বসে বলল—তুমি নীচে যাও। আমি ছোদ্দির কাছে থাকব।

    প্রতিমার নরম কোলে মাথা রেখে ভাবছিলুম:নচিকেতা আজ যদি না থাকত। যদি এই পৃথিবীর মাটিতে ওর পদস্পর্শ না পড়ত, তা হলে আজকের এই রাত আরও কত সুন্দর হয়ে উঠত। এই নিভৃত অবসরে গোপন হৃদয়ের দ্বার খুলে দিতুম প্রতিমার সামনে, কত ভাব আর কত ভাষায়। ভরে দিতুম তার হৃদয়।

    নচিকেতা আমায় খোঁচাতে লাগল—ওঠো না, তোমার কি কোনও কাজ নেই।

    তুমি খালি শুয়ে থাকো। দিদির যে লাগছে। তুমি নীচে আমার বিছানায় শোওগে যাও।

    প্রতিমা বলল—প্রকাশচলোনীচে যাই। নচিকে খেতে দিতে হবে।

    উঠে দাঁড়ালুম। দাঁড়ানো মাত্রই নচিকেতা, প্রতিমার কোলে শুয়ে পড়ল।

    তুমি নীচে যাও, ঠান্ডা লাগবে তোমার। আমি আর দিদি পরে যাব।

    নচিকেতা গম্ভীর গলায় বলল। প্রতিমা হেসে আদর করে বলল—দুষ্টু ছেলে কোথাকার।

    আমি দাঁড়িয়ে রইলুম, নীরবে। এই প্রতিমার তো নীচে নামবার কোনও চেষ্টাই নেই।

    জিগ্যেস করলুম শঙ্কিত গলায়—প্রতিমা তুমি কি আমায় ভুলে গেলে? তুমি কি আমায় ভালবাসো না।

    প্রতিমা হেসে বলল—আচ্ছা পাগল। তুমি কিনচিকে হিংসে করো। ও ছোটো ছেলে, ও কী বোঝে বলো।

    নচিকেতা বলল—দিদি ওকে যেতে বলো, আমরা পরে যাব।

    না নচি নীচে চলো। প্রতিমা উঠে দাঁড়াল। ওরা নীচে চলে গেল। আমি ইচ্ছে করেই গেলুম না। আধোলোকিত ছাদে পদচারণা শুরু করলুম। হৃদয়ের রুদ্ধ আবেগ ঘোলাতে লাগল, প্রকাশের পথ না পেয়ে।

    কতক্ষণ একা ঘুরলুম। তারপর একসময় অন্ধকার সিঁড়ি বেয়ে নীচে নেমে এলুম। সিঁড়ির শেষ ধাপে, হাঁটুর ওপর মাথা রেখে অন্ধকারে প্রতিমা বসেছিল। আনন্দে হৃদয় উছলে উঠল। সত্যি প্রতিমা ভালোবাসে আমায়। আমার পথ আটকে তাই বসে আছে। কিন্তু কী হল তাকে ঠেলে তার। হাত মাড়িয়ে দিয়ে, আমি চলে গেলুম হনহন করে বাইরের ঘরে। প্রতিমা আর্তনাদ করে উঠল, ওঃ প্রকাশ তুমি আমায় দেখতে পেলে না। আমি যে তোমারই জন্যে এখানে বসে আছি।

    আমার গতিবেগ মুহূর্তের জন্যে স্তম্ভিত হল, কিন্তু ক্রুর হৃদয়ের কাছে আমার কোমল বৃত্তি পরাজয় স্বীকার করল। বই আর খাতাখানা তুলে নিয়ে হনহন করে চলে গেলুম।

    প্রফেসর মদের নেশায় বিকৃত কণ্ঠে আর্তনাদ করে উঠলেন—জ্বলে গেল, জ্বলে গেল। তারপর হাসতে হাসতে বললেন—জ্বলুক, জ্বলুক।

    সেদিন রাত্রি এল, কিন্তু নিদ্রা এল না। একরাশ তারার ভেতর দিয়ে প্রতিমার লক্ষ লক্ষ সজল চোখ চিকচিক করতে লাগল। অনুশোচনা ধীরে ধীরে দগ্ধ করতে লাগল অন্তর, অতন্দ্র চোখের সামনে নেমে এল শেষ রাতের ফ্যাকাসে চাঁদ। প্রথম রাতের অনুরাগের মূক সাক্ষী শেষ রাতে বিচ্ছেদের বেদনায় যেন পাণ্ডুর।

    তাড়াতাড়ি উঠে পড়লুম। বাগানের গাছে তখন শেষ রাতের কনকচাঁপা প্রস্ফুটিত হয়েছে। একরাশ ফুল নিয়ে হাজির হলুম প্রতিমার শোবার ঘরের জানালায়। গিয়ে দেখলুম জানালার গরাদে মাথা রেখে ক্লান্ত প্রতিমা দাঁড়িয়ে রয়েছে, কোমল একফালি অনুভূতির মতো।

    আমি তার সামনে দাঁড়াতেই সে চমকে উঠল, তারপর রুগ্ন একটুখানি হেসে তাড়াতাড়ি বাইরে বেরিয়ে এল। শিশির ভেজা ঘাসের ওপর তার শুভ্র নগ্ন পা, কনকচাঁপার অঞ্জলিতে ভরে দিলুম। তার মাড়িয়ে যাওয়া আঙুলটা মুখে পুরে দিলুম, বললুম—

    সেরে যাবে। তারপর বললুম—আমায় ক্ষমা করো। প্রতিমা ধীরে ধীরে আমার বুকে মাথা রাখল। হঠাৎ শেষ রাতের স্বপ্ন দেখে নচিকেতা ঘুমের ঘোরে চেঁচিয়ে উঠল—দিদি না, না।

    প্রতিমা চমকে উঠল, গাঢ় গলায় বলল—আসি। তুমি যাও, ওই দেখো ভোর হল। এইবার সবাই জাগবে।

    বললুম—জাগুক, আমি ভয় করি না। যারা জাগবে তারা কি জানবে আমরা আজ সারারাত জেগেছি, তারা কি জানবে কী ব্যথা আমাদের সারারাত দগ্ধ করেছে।

    নচিকেতা ঘুম ভেঙে, ডাকতে লাগল—দিদি, দিদি। শেষের দিকে তার গলা ধরে এল।

    আমি যাই। প্রতিমা মুহূর্তে চলে গেল। ভোরের পাখিরা সমস্বরে ডেকে উঠল। এল নতুন দিন।

    দিন কেটে গেল সুখানুভূতির আমেজে। নেমে এল সন্ধ্যা, আর একটি মধুর সন্ধ্যা। বাইরে ঘরের সেই বেহুঁশ হয়ে পড়ে থাকা প্রফেসার। ফরাসের কোণে বই রেখে সেই ভিতরে চলে যাওয়া। সেই গালে হাত দিয়ে বসে থাকা প্রতিমা।

    খাটের উপর বসে বসেনচিকেতা পড়ছে। আমাকে দেখেই প্রতিমা উঠে দাঁড়াল। গভীর উত্তেজনায় তার চোখদুটো চকচকে। সে উত্তেজিত কণ্ঠে বলল—প্রকাশ, আর সহ্য হয় না। আর কতদিন চলবে এ অভিনয়। অভিনয় কবে বাস্তব হবে। তার হাত দুটো চেপে ধরে বললুম— কীসের অভিনয় প্রতিমা। আমার প্রেমকে কি তুমি অভিনয় মনে করো।

    না, না তা নয়। এই মাতাল পিতার সৃষ্টিছাড়া সংসারে কর্তব্যনিষ্ঠার অভিনয়।

    চুপ করে রইলুম। তার হাতের মুঠোয় আমার হাত দুটো নিষ্পেষিত হতে লাগল।

    আমার জীবনে সাধ আছে, আছে স্বপ্ন। চলো প্রকাশ আমরা চলে যাই। পারবে না আমার ভার নিতে?

    কেন পারব না প্রতিমা, আমার সুস্থ সবল দেহ আর অন্তরভরা ভালোবাসা সবই তো তোমার পূজার অর্ঘ।

    হঠাৎ নচিকেতা খাট থেকে নেমে এল। পড়ে রইল তার ছবির বই।

    কোথায় যাবে দিদি। তুমি আর প্রকাশদা? প্রতিমা উত্তর দিল—সে এক জায়গায়। আমাকে নিয়ে যাবে না?

    সেখানে তোমাকে যেতে নেই।

    আমাকে ফেলে যেও না দিদি। নচিকেতা তার দিদির কোমর জড়িয়ে ধরল।

    না যাবে না। তোমার জন্য সারাদিন বসে থাকবে আর তোমার দুরন্তপনা সইবে।

    বা-রে তো আজ সারাদিন তোমার সঙ্গে কাজ করেছি। লক্ষ্মী হয়ে থেকেছি।

    দিদি তুমি ছাড়া আমায় যে কেউ ভালোবাসে না। নচিকেতা দিদির মুখের পানে সজল চোখ দুটো তুলে ধরল।

    আমি বললুম—চলো প্রতিমা ছাতে যাই।

    প্রতিমা বলল—চলো। নচিকেতা দৌড়ে গিয়ে তার ছবির বইটা তুলে রেখে এসে আমাদের সঙ্গ নিল।

    জিগ্যেস করলুম কোথায় যাবে?

    বলল—ছাতে।

    বললুম–না, তুমি বসে বসে পড়ো। ছাতে যায় না।

    না, যায় না! নিশ্চই যাব। আমি আমার দিদির সঙ্গে যাব, তোমার কী।

    যাও, পড়োগে যাও, যা বলি শোনো।

    তুমি যাও।

    প্রতিমা এতক্ষণ কোনও কথা বলেনি, হঠাৎ ঘুরে দাঁড়িয়ে নচিকেতার গালে সজোরে এক চড় মারল।

    বাঁদর ছেলে, মুখে মুখে জবাব। যা পড়গে। নচিকেতা হঠাৎ চড় খেয়ে কী রকম হতভম্ব হয়ে গেল। একটুও কাঁদল না। অসহ্য অভিমানে তার চোখ দুটো ছলছল করতে লাগল, নিশ্বাস পড়তে লাগল জোরে জোরে। সে ফিরে গেল। বালিশে মুখ ঢেকে, উপুড় হয়ে রইল। ফুলে ফুলে উঠতে লাগল, রুদ্ধ কান্নায়।

    ‘চলো’—প্রতিমা এগিয়ে গেল। অন্ধকার সিঁড়ি বেয়ে, দুজনে এসে উঠলুম, আলোকোজ্জ্বল ছাতে। চাঁদ হাসছে মাথার উপর। চারিদিকে থমথম করছে শান্ত জনপদের ছবি। দূরে, বহুদূরে, করুণ সুরে বেহালা বাজাচ্ছে, তারি রেশ ভেসে আসছে হাওয়ার ওঠা-পড়ায়।

    হঠাৎ ফিরে দেখি প্রতিমা কাঁদছে হু হু করে জল গড়াচ্ছে তার দু-গাল বেয়ে। তার কাঁধে ধীরে ধীরে হাত রেখে জিগ্যেস করলুম—কেন কাঁদছ প্রতিমা। তাকে টেনে নিলুম বুকের মাঝে, কিন্তু সে একটুখানি স্থির থেকেই নিজেকে মুক্ত করে নিল।

    বলল—আমি নীচে যাই, আমি যাই। নচিকেতার গভীর স্নেহ তাকে আকর্ষণ করে নিয়ে গেল। প্রকাশের প্রেম তাকে রাখতে পারল না অনুরাগের বাহুবন্ধনে।

    এ প্রেমে উত্তাপ আছে কিন্তু নেই আকর্ষণ, নেই সব ভুলিয়ে দেওয়া ক্ষমতা। এক শিষ রজনীগন্ধা, মৃদু বাতাসে মাথা দোলাতে লাগল। যেন বলতে চাইল নেই, সে নেই।

    হঠাৎ প্রশ্ন জাগল মনে, আমার প্রেমের কি কোনও গভীরতা নেই। যে প্রেমে প্রতিমা সম্পূর্ণ ডুবে যেতে পারে। পারে সব ভুলে যেতে। এসেছে সেই পরীক্ষার সময়। ক্রুর হৃদয় জেগে উঠল, কোমলতাকে ছাপিয়ে। মুহূর্তে রজনীগন্ধা ফুলগুলোকে তুলে, ছিঁড়ে ছড়িয়ে দিলুম চারপাশে। অনুরাগের সাক্ষীকে, বিরাগের ব্যঙ্গকারী রূপে দেখতে চাই না। এলোমেলো হাওয়ায় পাপড়িগুলো ছড়িয়ে গেল চারপাশে।

    নীচে নেমে গেলুম। প্রতিমার বুকে মাথা গুঁজে নচিকেতা দিন ও দীর্ঘদিন তারই কোলে বসে আছে। প্রতিমা তার মাথার চুলের ভিতর ধীরে ধীরে আঙুল চালাচ্ছে।

    আমি বললুম-চলো প্রতিমা, গঙ্গার ধারে বেরিয়ে আসি। প্রতিমা করুণ মুখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল—কিন্তু নচি।

    ও থাক, ও বাড়িতেই থাক না। বসে বসে পড়ুক। নচিকেতাদু-হাত দিয়ে প্রতিমাকে জাপটে ধরল।

    চলো।

    প্রতিমা আবার চাইল। এ প্রস্তাব যে রাখা সম্ভব নয় তারই লিখন সে-মুখে। বললাম—সত্যই যদি আমাকে ভালোবাসো তাহলে আমার কথা তুমি আজ রাখবে।

    প্রতিমা নচিকেতাকে নামিয়ে রেখে, আমার কাছে এগিয়ে এল—ভুল বুঝো না প্রকাশ, তুমি কি নচির মতোই ছেলেমানুষ? মুহূর্তে একটা আগুন জ্বলে উঠল ভিতরে—এগিয়ে আসা প্রতিমাকে; সজোরে ঠেলে দিলুম। পুরুষের সেই কঠিন ধাক্কায় প্রতিমা পড়ে গেল। খাটের কোণ লাগল কপালে। লাল রক্তের একটা ক্ষীণ ধারা পলকে গড়িয়ে পড়ল তার শুভ্র গাল বেয়ে। কিন্তু মুখে লেগে রইল ক্ষীণ একফালি হাসি।

    অসহ্য সে হাসির বিদ্যুৎ ধার। ছিটকে চলে গেলুম বাইরে। কানে এল নচিকেতার আর্তনাদ, দিদি, দিদি।

    সে রাত কেটে গেল পথে পথে। অনুশোচনা আর আত্মগ্লানির কশাঘাতে কখন মনে এল এ জীবন শেষ করে দিই, কিন্তু পরক্ষণেই মনে হল আত্মপীড়ন আর অনুশোচনার মর্মপীড়ায় দগ্ধ হওয়াই ভালো। সেদিন এক ভিন্ন প্রকাশ, অভিশপ্ত প্রেতাত্মার মতো বারে বারে পাক খেল প্রতিমার বাড়ি ফিরে। শেষ রাতে প্রফেসার চিৎকার করে উঠলেন—জ্বলুক, জ্বলুক। পূর্ব দিগন্তে জ্বলে উঠল বিষুব সূর্য। জানলার ধারে দাঁড়ানো আহত প্রতিমার দিকে তাকানো সে উষার সম্ভব হল না।

    অপরাধীর মতো, তার অলক্ষ্যে চলে গেলুম, পালিয়ে গেলুম।

    সে দিন এল না ক্ষমা চাওয়ার মধ্যে দিয়ে কোনও মধুর আত্মতৃপ্তি। সেন্টিমেন্টের সঙ্গে চলল বোঝাপোড়া। উদভ্রান্ত নিদ্রাহীন লাল চোখ মেলে দিবসের দগ্ধ পৃথিবীকে দেখলুম, দেখলুম। রাতের ক্ষণিক স্বপ্নবিলাস সেখানে রূঢ় ভাবে অবহেলিত। এ পৃথিবী সে রঙিন পৃথিবী নয়। এ। পৃথিবীতে আমার স্থান হতে পারে না। কঠিন বাস্তব ছাড়া এখানে কিছু নেই। অনেক দ্বন্দ্বের পর স্থির করলুম আজ আমার জীবনকে শেষ করে দেব, প্রাণহীন দেহ পড়ে থাকবে প্রতিমার পদপ্রান্তে। সার্থক স্বপ্নবিলাসীর এই হবে অতি সার্থক বিদায় গ্রহণ।

    সন্ধ্যা এল বেহুশ প্রফেসারের ফরাস ঘিরে। এ যেন কেমন মরা সন্ধ্যা। শীতের কুয়াশায় চারিপাশ ঝাপসা। পকেটে হাত দিয়ে অনুভব করে নিলুম পটাশিয়াম সায়ানাইডের ছোট্ট মোড়াটা। তারপর এসে দাঁড়ালুম প্রতিমার মুখোমুখি। কপালে ব্যান্ডেজ বাঁধা অসম্ভব উজ্জ্বল, রুগ্ন একখানি মুখ।

    ক্ষমা করো।

    প্রতিমা হাসল। হাত বাড়িয়ে আমার একখানি হাত চেপে ধরে।–কীসের জন্যে ক্ষমা?

    নচিকেতা চিৎকার করে উঠল—দিদি আবার তুমি ওর সঙ্গে কথা বলছ। ও তোমাকে খুন করতে পারে।

    প্রতিমা আমি অনুতপ্ত। আমায় আর একবার ক্ষমা করো। নচিকেতা চিৎকার করে উঠল—বেরিয়ে যাও তুমি। দিদির সঙ্গে তোমার কথা বলতে হবে না।

    প্রতিমা থামিয়ে দিল—নচি চুপ কর।

    আমাকে বলল—বোসো। সারারাত ঘুমোওনি কেন? পাগল।

    আমি বসলুম মুখ নীচু করে। বসলুম প্রতিমার পাশে। আমার একটা হাত প্রতিমার গরম মুঠোয়। আর একটা হাত পকেটের মধ্যে, বিষ পুরিয়া স্পর্শ করে। সময় ঘনিয়ে আসছে। সত্যিই কি আজ জীবনের শেষ মধুর সন্ধ্যা।

    নচিকেতা গজগজ করতে লাগল—তোমার কিছু মনে থাকে না দিদি। তুমি আবার প্রকাশদাকে ভালোবাসছ। যে তোমার মাথা ফাটাল কাল, আজই আবার তার সঙ্গে কথা বলছ। ওই লোকটা দেখছি যত নষ্টের গোড়া। ও না থাকলেই ভালো হত। আগে সন্ধ্যাবেলা তোমাতে আমাতে কত গল্প করতুম, কত বেড়াতুম, ও এসে সব মাটি করল।

    ভাবলুম, আশ্চর্য, বিধাতার উপহাস, নচিকেতার হলুম আমি প্রতিদ্বন্দ্বী, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী নচিকেতা। আমি চাই ও সরে যাক, ও চায় আমি যাই।

    বিষ পুরিয়াটা জোর করে চেপে ধরলুমকে সরবে, আমি? আমি সরে যাব? বিদায় নেব? এই মধুর পৃথিবীর স্বপ্নবিলাস ছেড়ে।

    প্রতিমা বলল কী ভাবছ। ও নিতান্ত ছোট। ও দিদি ছাড়া আর কিছুই জানে না।

    ভাবলুম—আমি কিন্তু ওর চেয়ে অনেক কিছু জানি। জানি প্রেম, জানি অনুরাগ, চিনি জীবন।

    প্রতিমা বলল—ওর কথায় যে রাগ করে সে পাগল।

    নচিকেতা বলল—দিদি খাবে চলো।

    প্রতিমা বলল—তুই খাবি চল আমি পরে খাব।

    নচিকেতা ছিনিয়ে নিয়ে গেল প্রতিমাকে।

    রাত বেড়ে চলল ধীরে ধীরে। আবার প্রতিমা এল, হাতে দুধের বাটিটা টেবিলের উপর রেখে সে চলে গেল। শুনলুম সে বলছে—নচি ঘরে দুধ আছে, লক্ষ্মী ছেলের মতো খাবে, খেয়ে শুয়ে পড়বে। শুনলুম নচি বলছে—তুমি ওকে যেতে বলো দিদি, ওকে আমার ভালো লাগে না।

    মুহূর্তে জ্বলে উঠল অন্তর। তোমাকেও আমার ভালো লাগে নানচিকেতা। তুমি সরে দাঁড়াও, ছেড়ে দাও প্রতিমাকে। হঠাৎ খেলে গেল বিদ্যুৎ। দেখলুম সঙ্কল্প, তারই চকিত আলোকে পকেট থেকে হাত বেরিয়ে এল। বিষের পুরিয়া মিশে গেল দুধে। শুনলুম প্রতিমা বলছে, আর জ্বালাস নানচি, আর ভালো লাগে না।

    নচিকেতা ঘরে এল ছোট্ট একফোঁটা ছেলে। দিদির মতোই ফুটফুটে সুন্দর। তাকাল আমার দিকে। ওইটুকু ছেলের চোখেও ঘৃণার দৃষ্টি। নচিকেতা দুধের বাটি তুলে ধরল ঠোঁটের আগায়। আমার বিস্ফারিত দৃষ্টির সামনে। বিস্ময়ে আর্তনাদ করে উঠলুম—উঁহু—আমার আচ্ছন্ন দৃষ্টির সামনে দেখলুম নচিকেতার চোখ দুটো পাথর হয়ে গেল, তার ক্ষীণ কণ্ঠে শেষ আর্তনাদ উঠল—দিদি রে। আমার চেতনা যখন পরিষ্কার হল, তখন দেখলুম প্রাণহীন নচিকেতার দেহ কোলে নিয়ে প্রতিমা পাথরের মতো বসে আছে।

    কী হল নচিকেতার? কী হয়েছে?

    প্রতিমা হাসল, আশ্চর্য। স্পষ্ট একফালি হাসি। বলল—তোমার ইচ্ছাই পূর্ণ হয়েছে। এখন এসো।

    আমি বললাম—আমার ইচ্ছা না তোমার ইচ্ছা। ভাইটাকে সরালে, অমন চাঁপাফুলের মতো ভাই।

    প্রতিমা বসে রইল, কী অসহায় সে ছবি।

    প্রফেসর বাইরের ঘরে আর্তনাদ করছেন—যাক সব যাক জ্বলে যাক পুড়ে যাক।

    বললাম—পুলিশে খবর দেওয়া উচিত।

    আরও কত কথাই বললাম। কিন্তু প্রতিমা আর একটাও কথা বলেনি। জীবনের সেই শেষদিন সেই শেষ কথা।

    এরপর কাহিনি হয়েছে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত। আজও প্রতিমা বেঁচে আছে। সে বেঁচে আছে কোনও এক কারার রুদ্ধ প্রাচীরের অন্তরালে। সে সুন্দর প্রতিমা নয়, দগ্ধ বীভৎস প্রতিমা। কাপড়ে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা তার ব্যর্থ হয়েছে, ব্যর্থ হয়েছে নিজেকে আইনের চোখে নির্দোষ প্রমাণ করবার প্রচেষ্টা। পটাসিয়াম সায়ানাইডের খালি বাক্সটা তার হাতব্যাগ থেকে পুলিশ আবিষ্কার। করেছিল।

    আমার নির্জন প্রকোষ্ঠে বসে ভাবি, এই সেই প্রতিমা যাকে আমি ভালোবেসেছিলুম, অন্তর থেকে যাকে ভালোবাসি আজ। যাকে আমি ছাড়া কেউ ভালোবাসেনি, বাসতে পারে না, পারবেও না, আর কোনওদিন। আমার একান্ত প্রেমধন্য প্রতিমা। এই সেই প্রতিমা যাকে আমার একটি মুখের কথা আবার সমাজে ফিরিয়ে আনতে পারে, রক্ষা করতে পারে অসহ্য কারা নির্য্যাতন।

    কিন্তু না।

    তার জীবনের এই শোচনীয় পরিণতির জন্যে আমিই দায়ী থাকতে চাই। তীব্র অনুশোচনায় আমার অন্তর দগ্ধ হয়ে যাক। প্রতিমার স্লাল মুখখানি সর্বদা ভাসুক আমার চোখের সামনে।

    রাতের নিদ্রা আমায় ত্যাগ করে যাক, যৌবন গেছে, যাক, যাক স্বাস্থ্য। মর্মপীড়ার অসহ্য দহনে আমার হৃদয় জ্বলুক সদা সর্বদা। আমার অপরাধ, আমার নৃশংসতা অহরহ আমাকে জর্জরিত। করুক, সেই তো হবে আমার সার্থক প্রেমবিলাস, সেই তো হবে আমার প্রেমের সার্থক রূপায়ণ।

    মনে হয় যেন কতযুগ আগে জন্মেছি, বিস্মত কোনও এক শতাব্দীর কোলে। দিনগুলো অতিমন্থর সন্ধ্যার অন্ধকারে বেদনা আর স্মৃতির জগদ্দল পাথর বুক চেপে ধরে, চেতনা আচ্ছন্ন করে প্রতিমার যন্ত্রণাক্লিষ্ট মুখশ্রী।

    কী সে গভীর বেদনা, কী অসহ্য যন্ত্রণা। জানি স্বীকারে এখনই ঘটে সে যন্ত্রণার অবসান, কিন্তু যন্ত্রণাই প্রেম, যন্ত্রণা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআকাশ পাতাল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article হরি ঘোষের গোয়াল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }