Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সঞ্জীবের সেরা ১০১ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1246 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    যা হয়, তা হয়

    যা হয়, তা হয়

    মুখে পানের খিলি ঠুসে, সেজে গুঁজে চল্লে কোথায় দিদিমণি?

    আহা? কথার ছিরি দেখো। বউ আবার কবে থেকে দিদিমণি হল! বয়েস না হতেই ভীমরতি?

    তোমার ওই হুমদো মুখটা দেখলেই, কেন জানি না, ভোরের স্কুলের দিদিমণির কথা মনে পড়ে যায়। কী করব বলো!

    একটা ছুঁচলোমুখোকে বিয়ে করলেই পারতে। ওইরকম এক জনের সঙ্গে অনেকটা এগিয়েও তো ছিলে। লেঙ্গি খেয়ে ফিরে এসেছ। এখন আর পস্তালে কী হবে খোকা!

    তোমার মুখেরও একটা ভাস্কর্য ছিল, ওই ফ্রিজ আসার পর থেকে পুডিং খেয়ে খেয়ে তোমার মুখটাও পুডিং-এর মতো হয়ে গেছে।

    আর নিজের মুখটা! বাড়িতে বড় আয়নার তো অভাব নেই। একবার তাকিয়ে দেখতে পারো তো! বুলডগ কেটে বসানো। হাসলে মনে হয় হায়না হাসছে।

    আমাকে তোক চরিয়ে খেতে হয়। ভয়াল ভয়ংকর মুখ আমার প্রফেশানের অ্যাসেট। কিন্তু। তোমার মুখ দেখলে কবিতার লাইন শুকিয়ে যায়।

    সারা জীবনে ওই এক লাইন কবিতাই তো মুখস্থ দেখলুম, চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা। ও আর শুকোবে কী? শুকিয়েই তো আছে। এদিকে যে ক-গাছা চুল ছিল তাও তোমাদের এখানকার জলের গুণে টাক পড়ে গেল। কবে থেকে বলছি, চুল গজাবার নানারকম মলম না তেল না কী সব ভালো ভালো জিনিস বাজারে বেরিয়েছে, নিয়ে এসো, তা একান দিয়ে ঢুকছে ওকান দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। আমার কথা তো কানে যাবে না। ওই পাশের বাড়ির প্রেমা বললে, ধিতিং ধিতিং করে ছুটতে। একেই বলে স্ত্রী আর পরস্ত্রী। বাঙালির সেই আদি ব্যামো আর গেল না।

    কথাটা যখন তুললে তখন অঙ্কে তুমি কতটা মাথামোটা বুঝিয়ে দিই। প্রত্যেকেরই স্ত্রী অন্যের পরস্ত্রী। যেমন তুমি আমার স্ত্রী; কিন্তু প্রেমার স্বামীর কাছে তুমি পরস্ত্রী। স্ত্রী না থাকলে পরস্ত্রী আসে কোথা থেকে? সহজ-সরল হিসেব।

    তুমি মাথার তেল আনবে? তোমার জ্ঞানের কথা আমি অনেক শুনেছি। শুনে শুনে কান পচে গেছে। আমার এখন চুল চাই। চুল।

    তুমি জীবনে শুনেছ টাকে কখনও চুল গজায়! টাকে যে চুল গজিয়ে দিতে পারবে সে নোবেল পুবস্কার পাবে। টাকে চুল গজায় না বুড়ি। ও সব কথার কথা।

    তোমার ওই প্রেমাঠাকুরানির সামনেটা ফাঁকা হয়ে আসছিল, দেড়শো টাকা দিয়ে অমিয়বাবু একটা ফর্মুলা করিয়ে এনে দিয়েছেন, তাতে ওই ভাইটালাইজার আছে, ভিটামিন-ই আছে, আরও সব সাংঘাতিক সাংঘাতিক মশলা আছে। সাত দিন লাগাতে না লাগাতেই বিন বিন করে চুল বেরোতে শুরু করেছে।

    তোমার মাথা। মনে নেই যৌবনে একবার ফরসা হতে গিয়ে তুমি আমার হাতে হ্যারিকেন ধরিয়ে ছেড়েছিলে। ভিটেমাটি চাঁটি হওয়ার উপক্রম। শেষে আফগান ব্যাঙ্কের দ্বারস্থ। মুখে এমন এক ফর্মুলা ঘষলে, মুখটা ব্যাঙের পিঠের মতো হয়ে গেল। ফোসকা ফোসকা গোটা গোটা। সেই চর্মরোগ সারাতে চোখে সরষে ফুল। তুমি আর এই বয়সে টাকে চুল গজাতে যেয়ো না মাধু। কী আর হবে? তোমার কি আর প্রেমে পড়ার বয়েস আছে? কেউ আর ফিরে তাকাবেও না শঙ্করী। নাম করো। বালিকে নাম করো। হরের্নামৈব কেবলম। হিসেব মেলাতে বসে যাও ভবসুন্দরী। শমন আসার সময় হয়েছে।

    ভোলানাথ, পাড়ার সকলের ভোলাদা। পঞ্চাশ পেরিয়ে ষাটের দিকে পায়ে পায়ে এগিয়ে চলেছে। স্ত্রী মাধুরী বয়সে বছর দশেকের ছোট। এক সময় ডাকসাইটে সুন্দরী ছিলেন। চল্লিশে পা রেখে ক্রমশই মোটা হতে শুরু করেছেন। ছেলেপুলে নেই। দুজনের ছোট্ট সংসার। মাঝারি মাপের নতুন ঝকঝকে একটি বাড়ি। সুখের সংসার বলা চলে। দুঃখ একটাই। ছেলেপুলে হল না।

    তা না হোক। ভোলানাথের তেমন দুঃখ নেই। আজকালকার ছেলে-মেয়ে আনন্দের চেয়ে। নিরানন্দেরই কারণ। বাপ-মায়ের তোয়াক্কা করে না। বদমেজাজি। অসভ্য। অবাধ্য। পাড়ার দাদার কথা মানবে বেদবাক্যের মতো। বাপ-মায়ের কথা উড়িয়ে দেবে ফুঃ করে। বলবে, তোমরা কী বোঝো। চুপ করে বসে টিভি দ্যাখো।

    ভোলানাথ মাঝারি গোছের অ্যাডভোকেট। এলেম যথেষ্ট ছিল। আর একটু খাটলে এক নম্বর অ্যাডভোকেট হওয়া অসম্ভব ছিল না। তেমন লোভ নেই। চলে গেলেই হল। আর ঈশ্বরের কৃপায় ভালোই চলছে।

    ভোলানাথের গুরু স্বামী কৃপানন্দ শিষ্যকে বলেছেন, প্রয়োজনের অতিরিক্ত যত কিছু সবই জানবে পাপ। তোমার লোভ বাড়াবে। জীবনটা নষ্ট করে দেবে। ঈশ্বর মানে আনন্দ। পরমানন্দ। ধন নয়, জন নয়। যশ, খ্যাতি, প্রতিপত্তি নয়। চাইবি আনন্দ, আনন্দ। কেবলানন্দ।

    আনন্দ কাকে বলে, সে বিষয়ে ভোলানাথের ইদানীং অনেক সংশয় দেখা দিয়েছে। যুবকরা প্রেম করে আনন্দ পায়। সিনেমায় বিবসনা সুন্দরীর নৃত্য দেখে আনন্দ পায়। মাধুরী টাকে চুল গজাবে ভেবে আনন্দ পায়। ভোলানাথের কীসে আনন্দ তিনি নিজেই জানেন না। জটিল কোনও মামলা পেলে তাঁর আনন্দ হয়। কিন্তু তেমন জটিল মামলা আজকাল আর আসে না। তিনি ক্রিমিন্যাল সাইডে আছেন। ক্রাইমও বেড়েছে। মামলা নেই। মানুষ খুন আজকাল আর ধর্তব্যেই আসে না। কেস ওঠে। সাক্ষীর অভাবে ফেঁসে যায়।

    পুরোনো আমলের একটা গাড়ি ভোলানাথের বাহন। গাড়ি চালান ব্রজবাবু। গাড়ির মতোই প্রাচীন। তবে হাত ভালো। রাতে তেমন চোখ চলে না। সন্ধের মুখে গাড়ি গ্যারেজ হয়ে যায়। সেই কারণে ভোলানাথ নৈশ আনন্দ উপভোগ করতে পারেন না। বাড়িতে বসে আইন ওলটাতে হয়। তাতে জ্ঞান যেমন বাড়ছে আনন্দ সেই অনুপাতে কমছে। বউ পুরোনো হলে বিশ্বস্ত হয় ঠিকই, কিন্তু আনন্দের নয়। রসের কথা কওয়া যায় না। বলে, যত বয়েস বাড়ছে তত ভীমরতি হচ্ছে। ঠাকুর-দেবতার বই আছে। বাজে সময় নষ্ট না করে পড়োনা। পরকালের পাথেয় সংগ্রহ করো। একেবারে খালি হাতে গিয়ে দাঁড়াবে! ভালো লাগে না, তা-ও ভোলানাথকে গীতার কর্মযোগ ওলটাতে হয়। সে যে কী ভীষণ শাস্তি!

    গুরু কৃপানন্দকে একবার প্রশ্ন করেছিল, বাবা মনকে কী করে বশে আনা যায়?

    গুরু বলেছিলেন, ব্যায়াম করে।

    তার মানে ডন, বৈঠক, কুস্তি?

    দেহটাকে খালি খাঁটিয়ে যা ক্রীতদাসের মতো। আরাম হারাম হ্যায়।

    আর কোনও উপায় নেই প্রভু?

    আর একটা উপায় আছে বাপ। সেটি হল মনটাকে শক্ত করা।

    কীভাবে?

    যেমন ধর, কাউকে নিমন্ত্রণ করে সামনে বসে, তুই যা ভালোবাসিস খাওয়াবি গান্ডেপিন্ডে। নিজে কিছু স্পর্শ করবি না। সুন্দরী রমণীর সঙ্গ করবি, দেহ স্পর্শ করবি না। সুযোগ পেলেই যাকে-তাকে এটা-ওটা দান করবি। তোর মনটাকে উপবাসে রাখবি। তিন বছর এইভাবে চালাতে পারলে মন হয়ে যাবে চেন-বাঁধা-কুকুর। মন তোর প্রভু নয়। তুই মনের প্রভু।

    ভোলানাথ মাঝে মাঝে কসরত করে। করলেও মন এখনও তার প্রভু। যা বলে তা না শুনে উপায় থাকে না। যেমন আজ সকাল থেকেই মন বলছে, বিমলার কাছে যা। খুব আনন্দ পাবি।

    অনেকক্ষণ ধরেই বলছে। ভোলানাথ শুনেও শুনছেন না। তবু মন বলছে, সন্ধের দিকে ঘণ্টা দুয়েক ভালোই কাটবে। কী ম্যাদামারা হয়ে আছিস! শরীরের যেমন আয়রন, ভিটামিন, মিনারেলস, মনের তেমনি ফুর্তি। আরে বাবা, আজ আছিস, কাল থাকবি না। পুরুষ আর প্রকৃতির খেলাটা দেখ।

    বাঙালি মন মাঝে মাঝে আবার ইংরেজি বলে, এনজয় লাইফ।

    তা ঠিক। কে বলতে পারে! কালই হয় তো ফটাস করে বেলুন ফেটে যাবে। হার্টের অসুখ। ক্যানসার। দু-পক্ষের রাজনৈতিক বোমাবাজির মাঝখানে আচমকা পড়ে যাওয়া, দুটো গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ। জীবন-মৃত্যুর কথা কে বলতে পারে!

    আদালতের দিকে গাড়ি এগোচ্ছে। সারাজীবন সেই একঘেয়ে ব্যাপার—মামলা, মক্কেল, এজলাস, জজসায়েব। মি লর্ড, মাই প্লেণ্টিফ। আইনের হাজার কচকচি।

    না, আজ সন্ধেবেলা বিমলা। আজ একটু অন্যরকম ব্যাপার হবেই। এমন সুন্দর বসন্ত। ভোলানাথ মনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ফেললেন।

    আদালতের সামনে গাড়ি থেকে নেমে ব্রজকে বললেন, আজ আর গাড়ি এনোনা। গ্যারেজ করে দাও। আমার ফিরতে দেরি হবে।

    ব্রজবাবু বললেন, সময়টা বলুন না। মা আবার রাগ করবেন আমার ওপর।

    রাগ করবে কেন?

    আপনার বয়েস হচ্ছে। বাড়ি না-ফেরা পর্যন্ত মা ছটফট করেন। তিনটের পর থেকেই ঘর-বার করতে থাকেন। বলেন, দিনকাল ভালো নয়। যত দেরিই হোক সময়টা আমাকে বলুন। গাড়ি নিয়ে আসব।

    সময়টাই তো আমি বলতে পারছি না। একটা কঠিন মামলা আছে। একটা আপিলের ড্রাফট করতে হবে। তুমি মাকে বোলো আমি আনন্দর গাড়িতে ফিরে যাব। চিন্তার কোনও কারণ নেই। বুঝলে।

    লম্বা লম্বা পা ফেলে ভোলানাথ বিশাল বিশ্রী আদালতবাড়িতে ঢুকে গেল। ব্রজ দুমিনিট অপেক্ষা করে গাড়ি ঘুরিয়ে নিয়ে চলে গেল। কর্তার ইচ্ছায় কর্ম। তার কিছু করার নেই। মুহুরি অরবিন্দ বললেন, কেসটা একবার পড়বেন না!

    ক-টায় উঠবে?

    বারোটার আগে নয়।

    কার এজলাসে?

    জাস্টিস তারাপদ বোসের এজলাসে উঠবে।

    তুমি একবার সুপ্রিয়কে পাঠিয়ে দাও।

    জুনিয়ার সুপ্রিয় এসে গেল। স্মার্ট ছেলে। চোখে-মুখে কথা বলে। এই লাইনের উপযুক্ত। মেয়ে থাকলে ভোলানাথ জামাই করত। যাক, সে পথ ঈশ্বর মেরে দিয়েছেন।

    সুপ্রিয় নন্দদুলাল সরকারের কেসটা নাটশেলে বলো তো।

    নন্দদুলাল সরকার পয়সাওলা লোক। বাড়ি-গাড়ির মালিক। ওষুধের হোলসেলার। দুটো রিটেল দোকান আছে শহরের দু-প্রান্তে।

    বয়েস?

    ফিফটি ফাইভ।

    তারপর?

    বাইশ বছর বয়েসে নন্দদুলালের বিয়ে হয় বড়লোকের একমাত্র মেয়ের সঙ্গে।

    কোথায়?

    উত্তরবঙ্গে।

    কী রকম বড়লোক?

    কাঠের ব্যবসায়ী। একসময় চা-বাগান ছিল। এখন আর নেই।

    জীবিত না মৃত?

    দু-বছর আগে মারা গেছেন।

    কীভাবে?

    মাত্রাতিরিক্ত মদ্যপান ও শারীরিক অত্যাচারে।

    বয়েস?

    প্রায় পঁচাত্তর।

    রাইপ ওল্ড এজ।

    হ্যাঁ স্যার।

    ও পক্ষে লড়ছে কে?

    বড় ছেলে?

    কী করে?

    বাপের পয়সা ওড়ায়।

    বেশ, নন্দলুলালে ফিরে এসো।

    নন্দদুলালের ব্যবসা এখন জমজমাট। শহরের অন্যতম ধনী। গোটাতিনেক গাড়ি, কিন্তু নিঃসন্তান। নন্দদুলালকে সবাই মানী লোক বলেই জানে। প্রভাবপ্রতিপত্তিও যথেষ্ট।

    নন্দদুলাল এখন কোথায়? বেল পেয়েছে?

    না।

    পুলিশ কী কী চার্জ এনেছে?

    স্ট্রেট মার্ডার চার্জ।

    আজকাল এই এক রেওয়াজ হয়েছে। স্ত্রী আত্মহত্যা করলেও মার্ডার চার্জ আনবে। কারুর স্ত্রী আত্মহত্যা করতে পারে না? আগে করত না!

    করত স্যার। তবে দু-ধরনের আত্মহত্যা আছে। এক, মানসিক অবসাদে। আর এক মানসিক অত্যাচারে। নন্দদুলাল আর তার স্ত্রীর পারস্পরিক সম্পর্ক খুবই ভালো ছিল। আদর্শ দম্পতি। সমস্ত সামাজিক অনুষ্ঠানে দুজনকে দেখা যেত। হাসিখুশি। মহিলা খুব মিশুক ছিলেন। সদালাপী। মানসিক অবসাদের কোনও চিহ্ন ছিল না। সুতরাং প্রথম কারণে আত্মহত্যার থিয়োরি দাঁড় করানো মুশকিল।

    তুমি তাহলে কী বলতে চাও?

    এটা হত্যা স্যার। সেন্ট পারসেন্ট হত্যা।

    কীরকম?

    কাজটা নন্দদুলাল খুব ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা অনুসারে পথঘাট বেঁধে করেছে।

    কীরকম?

    নবমীর দিন সবাই যখন পুজোর আনন্দে মেতে আছে, সবাই যখন উৎসবের মেজাজে, সেই সময় নন্দদুলাল জানলাবন্ধ রান্নাঘরে বেশ কিছুক্ষণ গ্যাস খুলে রেখে, সিলিন্ডারের মুখ বন্ধ করে, দরজা বন্ধ করে শোবার ঘরে ফিরে এল।

    সময়?

    সকাল। প্রায় ছটা।

    তারপর?

    নন্দদুলাল ফিরে এসে স্ত্রী-র ঘুম ভাঙিয়ে বললে, ওঠো ওঠো, শিগগির চা চাপাও, আমাদের যেতে হবে না!

    কোথায় যেতে হবে?

    ঠিক ছিল বাই রোড দার্জিলিং যাবে।

    অক্টোবরে দার্জিলিং।

    সেপ্টেম্বরের শেষে।

    হ্যাঁ। এবার ছিল আরলি পুজো। তারপর?

    নন্দদুলাল স্ত্রীকে তাড়া দিয়ে চা চাপাতে পাঠাল। মহিলার পরনে ছিল ফিনফিনে নাইলনের নাইটি। ঘরে ঢুকে ঘুম চোখে দেশলাই জ্বালানোমাত্রই পুরো ঘরটা দপ করে জ্বলে উঠল। মহিলা ছুটে বেরোতে গিয়ে দেখলেন দরজা বাইরে থেকে বন্ধ।

    তারপর?

    তারপর অভিনয়। মৃত্যু সম্পর্কে সুনিশ্চিত হয়ে নন্দদুলাল দরজা খুলে চিৎকার চেঁচামেচি করে, নিজেকে সামান্য সামান্য পুড়িয়ে এক হইহই কাণ্ড করে বসল। পাশের পুজোপ্যান্ডেলে তখন ঢাক বাজছে।

    তারপর?

    তারপর নন্দদুলাল পড়ে রইল হাসপাতালে। বেশ কিছুদিন।

    পোস্টমর্টেম রিপোর্ট?

    ভেরি সিম্পল। বার্ন ইনজুরি। সেই রাতেই ক্রিমেশান হয়ে গেল।

    তা এইসব তথ্য আসছে কোথা থেকে! বানানো গল্প? রহস্য-রোমাঞ্চ?

    না, নন্দদুলালের কনফেশান?

    কনফেশান? কার কাছে?

    হাসপাতালের নার্সের কাছে।

    তবে আর কী! ঝুলিয়ে দিলেই হয়।

    না। তা হয় না। আমরা তাহলে আছি কী করতে। নন্দদুলাল সুস্থ হয়ে উঠে স্বীকারোক্তি অস্বীকার করেছে। সে অত সহজে মরতে চায় না।

    আমাদের তাহলে কী করতে হবে?

    হত্যাকে আত্মহত্যা করতে হবে।

    করে দেব। ফি পেলেই আমরা হয়কে নয় নয়কে হয় করব।

    চারটের সময় ভোলানাথ বেরিয়ে এলেন আদালত থেকে। গাছতলায় দাঁড়িয়ে একটা সিগারেট ধরালেন। মনে একটা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। নন্দদুলাল হয়ে যেতে কতক্ষণ? বিমলা, এই ধরনের প্রায় প্রতিটি ঘটনার পেছনে একটা করে বিমলা থাকবেই।

    সিগারেটে দুটো টান মেরে ফেলে দিলেন। এগিয়ে গেলেন পথের দিকে।

    একী ব্রজ? তুমি? গাড়ি গ্যারেজ করোনি?

    না। মা বলেছেন, যত রাতই হোক আপনাকে ফেরত নিয়ে যেতে হবে। দিনকাল ভালো নয়। আপনার হার্টের অবস্থাও ভালো নয়।

    ভোলানাথ গাড়িতে উঠলেন।

    স্বামী কৃপানন্দ বলেছেন, সংসার হল সোনার খাঁচা। দানাপানি পাবে। নিভৃত একটা আলয় পাবে। অন্য পাখির ঠোক্করের হাত থেকে বাঁচবে। নীল আকাশের দামালপনা সংসারীর নয়। ওই খাঁচায় বসে নামগান করো। আর প্রার্থনা করো জীবন্মুক্তির। সহধর্মিনীতে সন্তুষ্ট থাকো। নারী নরকস্য। দ্বার।

    ভোলানাথ বললেন, ব্রজ, ওই সামন্তর দোকানের সামনে গাড়িটা দাঁড় করাও।

    ভোলানাথ নামলেন। সামন্ত হাতজোড় করে বললে, আসুন, আসুন।

    হ্যাঁ হে, চুল গজাবার কী সব লোশান বেরিয়েছে আজকাল?

    বেরিয়েছে। বেরিয়েছে।

    সামন্ত দুরকমের দুটো ফাইল সামনে রাখল।

    আপনার জন্যে নেবেন স্যার?

    আমার? টাকই তো আমার বিউটি। গৃহিণীর জন্যে।

    এর সঙ্গে দু-অ্যাম্পুল ভিটামিন-ই মিশিয়ে নিলে খুব কাজ হয় শুনেছি। প্ল্যাসেনট্রেক্স-ও মেশাতে পারেন।

    গাড়িতে উঠলেন ভোলানাথ। বেশ সরেস লাগছে। খাঁচার পাখি খাঁচাতেই সুখে থাকে। বিশ বছরের জীবন আগামী দশ-বিশ বছরের ভবিষ্যৎ তৈরি করেই রেখেছে।

    ব্রজ টাকে চুল গজায়?

    কী জানি স্যার!

    আমার গজাবে?

    চেষ্টা করে দেখতে পারেন।

    ধুর, টাকে কখনও চুল গজায়? যা হয়ে যায়, তা হয়ে যায় এই হল দুনিয়ার নিয়ম।

    ভোলানাথ হো হো করে হাসতে লাগলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআকাশ পাতাল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article হরি ঘোষের গোয়াল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }