Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সঞ্জীবের সেরা ১০১ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1246 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    যার যেমন

    যার যেমন

    আমি একটা মানুষ! আমার কোনও ইয়ে আছে? এই ‘ইয়ে’ শব্দটার কোনও তুলনা নেই। ‘ইয়ে’ টা যে ‘কিয়ে’ তা ব্যাখ্যা করা যায় না। ভেতরে অনেক না-বলা বাণী ঢুকে আছে। আমার কোনও ‘ইয়ে’ নেই। আমাতে আর মৃগাঙ্কতে অনেক তফাত। আমাতে আর অভিজিতে অনেক তফাত। মৃগাঙ্গ, অভিজিৎ, গজেন আলাদা আলাদা নাম হলেও একই ধরনের মানুষকে বোঝাচ্ছে। সফল মানুষ। জীবনে সফল। জীবিকায় সফল। ফুচকার মতো ভোগের জলে টইটুম্বুর হয়ে ভাসছে।

    রোজ সন্ধেবেলা আমিও বাড়ি ফিরি। মৃগাঙ্গ কি গজেনও বাড়ি ফেরে। কত পার্থক্য। আকাশ পাতাল ব্যবধান। মৃগাঙ্কর গাড়ি বাড়ির সামনে এসে দাঁড়াল। সিলভার গ্রে রঙের দোতলা বাড়ি। চারপাশে বাগান। বারান্দায় আইভি-লতা, উঁই। গেটের মাথায় লোহার অর্ধচন্দ্র। তার ওপর বোগেন হতে ভ্যালিয়ার আসর। যেন সানাই বাজাতে বসেছে, আলি আহমেদ খান। সামনে। বাগানে নানা রঙের গোলাপ, হাসনুহানা। যত রাত বাড়ে, রোমান্টিক ছোকরা থাকে, ততই গন্ধ বাড়তে থাকে। মৃগাঙ্কের লিপস্টিক-লাল গাড়ি বাড়ির সামনে থামামাত্রই চারজন ছুটে আসে— মৃগাঙ্কের মা, মৃগাঙ্কের বউ, মৃগাঙ্কের চাকর, মৃগাঙ্কর ধেড়ে ‘অ্যালসেশিয়ান’। ড্রাইভার দরজা। খোলামাত্রই পা বেরিয়ে আসবে, ঝকঝকে জুতো, কুচকুচে কালো মোজা, ধবধবে সাদা ডান পা কে অনুসরণ করবে বাঁ-পা। মৃগাঙ্ক নামক বিশেষ্যটি স্প্রিং-এর মতো নেমে আসবে। বেলুন। আকাশ থেকে মাটিতে পড়ে গেলে যেরকম হালকা নাচে, মৃগাঙ্ক ঠিক সেইরকম অল্প একটু নেচে নেবে। পরিধানে রুলটানা সুট। বুকের ওপর টাই। চোখে বিলিতি ফ্রেমের চশমায় অভিমানী কাচ। পোলারাইজাড় গ্লাসের বাংলা অনুবাদ। কাচে রোদ লাগালে অভিমানে কালো হয়ে ওঠে।

    মৃগাঙ্ক যখন প্রিং-এর মতো নাচছে তখন ড্রাইভার আর ছোকরা দুজন মিলে গাড়ির পেছন। হাতড়ে মালমশলা নামাতে ব্যস্ত। প্রচুর প্রচুর মশলানামে। রোজই নামে। প্রথমে নামবে একটা বাস্কেট। বেতের তৈরি সুদৃশ্য একটি ব্যাপার। মনে হয় ত্রিপুরা থেকে স্পেশ্যাল আমদানি। সাধারণ মানুষের হাতে অমন বস্তু সহসা দেখা যায় না। লন্ডন থেকেও আসতে পারে! কারণ। মৃগাঙ্কর সবই ফরেন। দিশি মালে অসম্ভব ঘৃণা। পারলে দিশি দেহটাকেও বিলিতি করে ফেলত। উপায় নেই। সে করতে হলে মরতে হবে। মরে টেমসের ধারে পিটার বা রবিনসের ঘরে জন্মাতে হবে। আবার নব ধারাপাত, প্রথম ভাগ দিয়ে জীবন শুরু করতে হবে। বাস্কেটে কী থাকে আমি জানি। থাকে লাঞ্চ বক্স, এক বোতল বিশুদ্ধ জল গরম করে, ঢাল-ওপর করে, হাওয়া খাইয়ে ক্লোরিন দিয়ে বোতল ভরা। এ দেশে জল নিয়ে নাকি ইয়ার্কি চলে না। জল এ দেশে জীবন নয়, মরণ। পাট করা একটা নরম তোয়ালে থাকে। থাকে সিজন্যাল ফ্রটস, দু-একটা ওষুধ। কথায়। বলে, প্রিভেনশান ইজ বেটার দ্যান কিওর। দামি শরীর। কত কিছুর আক্রমণ থেকে সামলে। রাখতে হয়! একজিকিউটিভ ব্যামো কী একটা! হার্টে জমাট রক্ত ধাক্কা মারতে পারে। লিভারে কি লাংসে ক্যানসার ঢুকতে পারে। মৃগাঙ্ক আসে যখন এতটা দামি ছিল না, তখন একের পর একটা খুব সিগারেট খেত। এখন ভীষণ টেনশানের সময় একটা কি দুটো—তাও দামি, বিলিতি।

    বাস্কেটের পর নামবে ব্রিফকেস। নামবে একটা সুদৃশ্য ফ্লাস্ক। সারা দিনের মতো কয়েক গ্যালন দুধ ছাড়া, চিনি ছাড়া কালো কফি থাকে। আর নামে পার্ক স্ট্রিটের দামি দোকানের কেক আর পেস্ট্রির বাক্স। এ এক এলাহি ব্যাপার! রোজ সকালে লোডিং, রোজ বিকেলে আনলোডিং। শরীরের রক্ত সঞ্চালনকে একটা লেভেলে এনে মৃগাঙ্ক প্রথমেই যা করবে তা হল, ওই বাঘের মতো কুকুরটার সঙ্গে একটু আদিখ্যেতা। কুকুরের সায়েবি নাম রেখেছে, রাখুক, আমার কিছু। বলার নেই। অ্যালসেশিয়ান। তার নাম ভোলা কি গজা রাখলে মানাত না। মৃগাঙ্ক কুকুরের মাথা চাপড়াবে আর বলবে, ডিক, আমার ডিক, তোমার সব ঠিক?

    ডিক, আধ হাত জিভ বের করে হ্যাঃ হ্যাঃ করবে।

    মৃগাঙ্ক আদুরে গলায় বলবে, ‘হ্যাঁ, হ্যাঁ বন্দো গলম, গলম’। তারপর আকাশের দিকে মুখ তুলে বলবে, ‘ওঃ হোয়াট এ সালটি ওয়েদার! অফুল।’

    কুকুর ছেড়ে মৃগাঙ্ক সামনে এগোতে থাকবে আর তার বুকের কাছে টাইয়ের নট খুলতে খুলতে পেছনে থাকবে মৃগাঙ্কর মেয়ে। মৃগাঙ্কর সময় খুব কম। বাড়িতে ঢুকে টাইয়ের ফাঁস খোলার। সময়টুকুও সে দিতে চায় না। বাপির যে সময়ের অভাব মৃগাঙ্কর মেয়ে তা জানে। মেয়ে কেন, বাড়ির সবাই জানে। মৃগাঙ্ক কথায় কথায় বলে ‘সিসটেম’, ‘প্ল্যান’, ‘ইউটিলাইজেশান’।

    বাড়িতে ঢোকামাত্রই মৃগাঙ্কর বউ একটা হ্যাঙ্গার হাতে পাশে এসে দাঁড়াবে। মৃগাঙ্ক হাত দুটো পেছনে ছেতরে দেবে। সঙ্গে সঙ্গে তার ছোকরা চাকর কোটটা সুড়ুত করে খুলে নিয়ে মেমসায়েবের হাতে দিয়ে দেবে। মৃগাঙ্ক চেয়ারে বসবে। নিমেষে খুলে ফেলবে জুতো, মোজা।

    মৃগাঙ্কর মেয়ে বিলিতি স্টিরিও সিসটেমে সেতার চড়াবে। মৃগাঙ্ক বলে, মিউজিকের একটা সুদিং এফেক্ট আছে। সেতার শুনতে শুনতে জামা আর ট্রাউজার খোলা হয়ে যাবে। হাতে এসে যাবে নরম তোয়ালে। মৃগাঙ্ক ধীর পায়ে এগিয়ে যাবে বাথরুমের দিকে। ফাইভস্টার বাথরুম। এই সময় লোডশেডিং হতে পারে। হলেও ক্ষতি নেই। নিজস্ব জেনারেটার আছে। ফ্যাট-ফ্যাট চলবে। ফটাফট আলো জ্বলে উঠবে। বাথরুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে মৃগাঙ্কর মুখ আয়নায় হেসে উঠবে। ছোট্ট করে মুখ ভ্যাংচাবে নিজেকে। মৃগাঙ্ক পড়েছে, মনটাকে শিশুর মতো করে রাখতে পারলে শরীর ফিট থাকে। যৌবন আটকে থাকে। স্মৃতি ভোঁতা হয় না। মৃগাঙ্ক কোমর দুলিয়ে খানিক নেচে নেয়। নিজের সঙ্গে আবোল-তাবোল কথা বলে। শিশুর মতো বলতে থাকে, বিশ্বকর্মা। পুজোয় মাঞ্জা দিয়ে ঘুড়ি ওড়াব। ঘুড়ি কিনব, একতে, আন্দে। কাল সকালে পড়া হয়ে গেলে গুলি খেলব। খোকন আমার সঙ্গে পারবে?

    খোকন ছিল মৃগাঙ্কের বাল্যবন্ধু। এখন কোথায় আছে, কে জানে!

    মৃগাঙ্ক বলবে, বড়দিদুটো টাকা দিলে দু-টাকারই লেবু লজেন্স কিনব। যত সব ছেলেবেলার পরিকল্পনার কথা বলতে থাকে একে একে। বলতে বলতে একেবারে শিশুর মতো হয়ে যাবে। ঘুরে ঘুরে বারকতক নাচবে। তারপর বাথটাবের কলদুটো খুলে দেবে। তখন সে গণিতজ্ঞ। গরম। জলের ট্যাপ দু-প্যাঁচ মেরে, ঠান্ডা জলেরটায় মারবে ছ’-প্যাঁচ। তবেই সে ‘টেপিড ওয়ার্ম’ জল পাবে। বার্থটা ভরে গেলে জলে এক খাবলা নুন ফেলে দেবে। এই নুন তাঁকে গেঁটে বাত থেকে বাঁচাবে।

    নুনটা গলতে মৃগাঙ্ক জোরে জোরে দম নিতে নিতে চেস্ট এক্সপানশান করবে। তারপর দেহটাকে সমর্পণ করবে বাথটবের জলে। ডান হাতের নাগালের মধ্যে দেওয়ালদানিতে বিলিতি সাবানের দুধসাদা কেক। মৃগাঙ্ক জল নিয়ে খুঁড়িতে থ্যামাক থ্যামাক করবে। ছোট ছেলের মতো নানা রকম শব্দ করতে থাকবে মুখে। তখন সে আর শিশু নয়। একেবারে সদ্যোজাত। ওঁয়া ওঁয়া করলেই হয়।

    এই সময়টাকে মৃগাঙ্ক বলে, ‘মোমেন্টস অফ পিস অ্যান্ড হ্যাপিনেস’।

    এইবার আমার কথায় আসি। আমি আর মৃগাঙ্ক সমবয়সি। কপালগুণে মৃগাঙ্ক গোপাল আর আমি কপালদোষে গরু। আমার গাড়ি নেই। আমার বাহন মিনি। আমি মিনিতে ধারের আসনে। আধঝোলা হয়ে বসব। দেখতে দেখতে খুদে যানের কুঁচকি, কণ্ঠা ঠেসে যাবে যাত্রীতে। আমাকে। উঁড়ি দিয়ে হাঁটু দিয়ে চেপে ধরবে। ব্রহ্মতালুতে কনুই মারবে। মেয়েরা মাথার ওপর ভ্যানিটি ব্যাগ রাখবে। মাঝে মাঝে আঁচলে মুখ ঢেকে যাবে। একবার এক ভদ্রলোক আমার মাথায় নস্যির ডিবে রেখে নস্যি নিয়েছিলেন।

    আমি ওইরকম আড়কাত হয়ে ঘণ্টাখানেক থাকব। জ্যাম থাকলে দেড় দু-ঘণ্টা। তারপর ধুপুস করে স্টপেজে নামব। কন্ডাকটার মাথায় চাটি মেরে টিকিট দেখতে চাইবে। আমার আকৃতিটাই এইরকম যে যে-ই দেখে সে-ই ভাবে, ব্যাটা একটা ছিচকে চোর। মেরে পালোনোর পার্টি।

    চেহারায় কোনও আভিজাত্য নেই। বড় দোকান থেকে জিনিস কিনে বেরোবার সময় দরজার ধারে টুলে বসে থাকা দরোয়ান বিশ্রী গলায় বলবেই বলবে, ‘ক্যাশমেমো’। এহেন প্রসঙ্গে একটা ঘটনার কথা আমি কোনওদিন ভুলব না। একদিন গ্র্যান্ড হোটেলের তলা দিয়ে লিন্ডসের দিকে হেঁটে চলেছি। আমার সামনে হাঁটছেন লম্বা চওড়া-সুটেড-বুটেড এক ভদ্রলোক। তাঁর ঠোঁটে বাঁকা করে ধরা একটি পাইপ। পাইপ থেকে ফিকে ধোঁয়া উঠছে। তিনি চলেছেন, আমি চলেছি। তিনি গ্যাট-ম্যাট করে, আমি খুড়স-খুডুস—যেন ঘোড়ার পেছনে গাধা। লিন্ডসেতে পড়ে তিনি বাঁয়ে বেঁকলেন। আমিও। তারপর আবিষ্কার করলাম দুজনেরই গন্তব্যস্থল এক। একই দোকানে। দোকানের কাচের দরজার সামনে দাঁড়াতেই দ্বাররক্ষক টুল থেকে তড়াক করে উঠল, সেলাম বাজাল, দরজা টেনে ধরল, পাইপ ঢুকে গেলেন। আর আমি যেই ঢুকতে গেলুম, দরজাটা সে ছেড়ে দিল, খাঁই করে আমার নাকের ওপরে। আমার শরীরের একমাত্র শোভা আমার পিচবোর্ডকাট নাকটি। আমার লম্বাটে মুখের ওপর খাড়া হয়ে আছে। যেন ওটা আমার নাক নয়, প্রক্ষিপ্ত। মহাভারতে গীতা যেমন প্রক্ষিপ্ত। ও নাক এ মুখের নয়। অন্য কোনও মুখের। অনেকটা নাকুমামার মতো। আমার স্ত্রী যখন আমাকে ন্যাকা বলে, তখন মনে হয় এই নাক দেখেই বলে। আমারও কিছু কিছু শুভার্থী বন্ধু আছেন, সবাই আমার শত্রু নন। সেইরকম এক বন্ধু বলেছিলেন, তোমার গাল দুটো দেবে যাওয়ায় নাকের স্ট্রাকচারটা অত ঠেলে উঠেছে। গাল দুটো সামহাউ একটু ভরাট করার চেষ্টা করো, তাহলে তোমার ওইমুখ যা দাঁড়াবে না! জেম অফ এ পিস। ফরাসি প্রেসিডেন্ট দ্য গলের মতো হয়ে যাবে।

    তারপরে আবিষ্কার করলাম, গাল ভরাট করা পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজ। অনেকটা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার মতো। পুকুর ভরাট করা যায়, চোয়াড়ে গাল ভরাট করা যায় না। ধার করে, দেনা করে ফ্যাট খাও, প্রোটিন খাও, খুঁড়িটাই বেড়ে গেল, খাবলা গাল, খাবলা গাল-ই থেকে গেল।

    দোকানের দরজাটা ধাঁই করে নাকে লাগতেই সর্দি হয়ে গেল। আমি তো আর মুষ্টিযোদ্ধা নই। নাকে ঘুষি হজম করার শক্তি কোথায়? দ্বারপালকের ওপর রাগ হল। তার বয়েই গেল। আমার। মতো ফেকলুকে সে পাত্তা দেবে? ঠান্ডা, সুন্দর দোকানের ভেতর সেই সবাদৃত পাইপ। ঘুরে ঘুরে শাড়ি দেখছেন, কার্পেট দেখছেন, বিছানার চাদর দেখছেন। কী আগ্রহ নিয়ে দোকান-বালিকারা। তাঁকে দেখাচ্ছেন। তিনি মাঝে মাঝে পাইপচ্যুত হয়ে অল্প-স্বল্প মন্তব্য করছেন। আমাকে কেউ পাত্তাই দিচ্ছে না। বলছি, চাদর, বলছে ওই তো চাদর, দেখুন না। বলছি শাড়ি, বলছে এখানে। শাড়ির অনেক দাম। পাইপ সারা দোকান ওলটপালট করে দিয়ে শুধু হাতে প্রস্থান করলেন। মাঝে মাঝেই তাঁকে বলতে শুনলুম, দ্যাট মাই চয়েস, দ্যাটিস নট ফাইন, বেটার সামথিং। ভেবেছিলুম বড় খদ্দের যাবার পর ছোটটার দিকে নজর পড়বে। কোথায় কী! সুন্দরীরা নিজেদের মধ্যে গল্প শুরু করলেন। আমি তাঁদের সামনে কাউন্টারের উলটোদিকে গালে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে শুনতে লাগলুম। মোটা সুন্দরী, ছিপছিপে সুন্দরী, রোগা সুন্দরী, ভুরুওলা সুন্দরী, ভুরু আঁকা সুন্দরী, খোঁপা সুন্দরী, এলো সুন্দরী। কত কী যে তাঁদের বলার আছে। মাধুরীদি স্বপ্নাকে কী বলেছে? সান্যালদাটা ভীষণ অসভ্য! ওরই মধ্যে একজন বলে ফেললে,…লাগে, একদিন ঝাড় খাবে। আমার রুচিশীল কান বললে, পালাও। পালাব মানে! সোজা ম্যানেজার। তিনি ছুটে এলেন…’তোমরা ভদ্রলোককে শাড়ি দেখাচ্ছ না কেন?’ স্লিম সুন্দরী আমার দিকে তাকিয়ে চোখ মটকে বললে, ‘আহা, বোবা না কি? না বললে দেখাব কী?’

    আমার প্রায় প্রেমে পড়ে যাবার মতো অবস্থা। ভবা পাগলার নাম শুনেছ? আমি এক প্রেম পাগলা, এই করেই আমার বউয়ের প্রেমে পড়ে জীবনটা নষ্ট করেছি। মৃগাঙ্ক হতে হতেও হওয়া হল না। সংসারের ম্যাঁও সামলাতে সামলাতেই ঘাটে যাবার সময় হয়ে গেল। প্রবীণা এক মহিলা বললেন, ‘সীমা, ভদ্রলোককে ওই ওপরের থাকের শাড়িগুলো দেখাও।’ চালাকিটা পরে বুঝলুম। আমাকে অপদস্থকরার জন্যে সবচেয়ে দামি শাড়ি একের পর এক নেমে এল। সাড়ে চারশো, সাতশো, সাড়েনশো।

    আমি বললুম, ‘আর একটু কম দাম?’

    ‘এ দোকানে কম দামের শাড়ি রাখা হয় না।’

    আমি সেই ক্ষয়া চাঁদের চোখের বাণে কাবু হলে কী হবে, তিনি আমার খাড়া নাকের আভিজাত্যকে মোটেই সমীহ করলেন না। আমি প্রায় মরিয়া হয়েই, সাড়ে চারশো দামের একটা শাড়ি কিনে ফেললুম। তখনও আর একজনের ওপর বদলা নেওয়া বাকি ছিল। ওই সেই দ্বারপাল। শাড়ির প্যাকেট বগলে নিয়ে আমি তার সামনে গিয়ে দাঁড়ালুম। আমি আগেই দেখে রেখেছিলুম, সে পাইপকে উঠে দাঁড়িয়ে, দরজা খুলে সেলাম করেছিল।

    বললুম, ‘গেট আপ।’

    লোকটি ভ্যাবাচাকা খেয়ে গেল। ধমকের সুরে বললুম, ‘গেট আপ।’

    তখন আমার সংহার মূর্তি। উর্দি উঠে দাঁড়াল।

    ‘দরওয়াজা খোলো।’

    দরজা খুলে ধরল। তখনও তার আর একটা কাজ বাকি।

    ‘স্যালুট। সেলাম বাজাও।’

    সেলাম করল। আমি সেই পাইপ দাদার মতো গ্যাটম্যাট করে বেরিয়ে এলুম। লোকটা মহা শয়তান। আমার শরীরটা পুরো বেরোবার আগে, দরজাটা ছেড়ে দিল। কড়া প্রিং। দুম করে দরজাটা আমার পায়ের গোড়ালিতে ধাক্কা মারল। মারুক। আমি আমার পাওনা আদায় করে নিয়েছি।

    এত এত বড় একটা ভণিতার কারণ, আমার দুঃখ। লোকটাকে কেউ সামান্যতম পাত্তা দেয় না। না বাড়ির লোক, না বাইরের লোক। কেন? কারণটা কী? এক জ্যোতিষীকে বলেছিলুম, ‘একবার দেখুন তো মশাই, হরোস্কোপটা। কোথায় কোন গ্রহ এঁকে-বেঁকে আছে।’

    অনেক অঙ্কটঙ্ক কষে তিনি বললেন, ‘আপনার রবিটা খুব ড্যামেজ হয়ে আছে, যে কারণে চামচিকিতেও আপনাকে লাথি মারবে। মটরদানার মতো একটা হিরে পরুন।’ হিরে পরব আমি! আমি কি মৃগাঙ্ক? দশ, বারো, চোদ্দো, কত হাজার পড়বে কে জানে! মারুক চামচিকিতে লাথি। যাক, যে কথা বলছিলুম, মিনি থেকে নেমে আমাকে এ-দোকান, সে-দোকান ঘুরে ঘুরে জিনিস কিনতে হবে। কেরোসিন কুকারের পলতে, চিড়ে, ছোলা, বাতাসা, বাদাম, মাথাধরার ওষুধ, সেজের চিমনি, মুরগির ডিম, পুজোর ফুল। কেনাকাটার কোনও মাথামুণ্ডু নেই। নিতান্তই। মধ্যবিত্তের জিনিস। মৃগাঙ্কর প্যাটিস-পেস্ট্রি নয়। আর সবই বিপরীতধর্মী জিনিস। ফুলের সঙ্গে ডিম ঠেকবে না। বাসায় চাপ পড়বে না। চিমনি চাপ সইবে না। এ সবই আমার প্রেমের। বউয়ের কারসাজি। রোজই এমন সব জিনিস আনতে বলবে, মানুষের দু-হাতে ম্যানেজ করা অসম্ভব। দশটা হাত, দশটা মুণ্ডু হলে যদি কিছু করা যায়। এ সংসারে রাম হলে কপালে বনবাস। রাবণ হতে হবে। রাজ্যপাট, লোভনীয় পরস্ত্রী সবই তখন সম্ভব। রাম হলে ভোগান্তি। রাবণ হলে ভোগের চূড়ান্ত। দু-হাতে বুকের কাছে সব পাকড়ে ধরে বাড়িমুখো হাঁটতে হাঁটতে বলি, ‘আই অ্যাম এ ডিগনিফায়েড ডঙ্কি।’ ফাইনাল খেলা শুরু হয় বাড়ির সামনে এসে। রবি নীচস্থ হলেও মঙ্গল আজ মনে হয় তুঙ্গী। বরাতে বাড়ি মোটামুটি ভালোই জুটেছে। সামনে একটু বাগান মতো আছে। গেট। গেট থেকে সিমেন্ট বাঁধানো রাস্তা সোজা সদরে। আমার বউয়ের এদিক নেই ওদিক আছে। নিজে পায় না খেতে, শঙ্করাকে ডাকে। লোমলা ফুটফুটে কুকুর কিনে এনেছে। তিনি যেন গৃহদেবতা। তাঁর সেবার শেষ নেই। তিনি সকালে চুকচুক করে আধবাটি দুধ খাবেন। নিজে খাই, না খাই ডেলি একশো গ্রাম ক্রিম ক্রাকারবাঁধা। ঝড় হোক, জল হোক, রাষ্ট্রবিপ্লব হোক, এমনকী অ্যাটম বোমা পড়লেও ডেলি দুশোগ্রাম কিমা। মাসে ডাক্তার, বদ্যি, ওষুধ-বিষুধের পেছনে অ্যাভারেজ—পঞ্চাশ টাকা। নিজে অসুস্থ হলে পড়ে থাকা যায়। কেউ গ্রাহ্যই করবে না। তুমি ব্যাটা মরে ভূত হয়ে যাও, কিছু যায়-আসে না। ঘটা করে শ্রাদ্ধ করে, পাসবই নিয়ে ব্যাংকে ছুটবে। আকাউন্ট ট্রান্সফার করবার জন্যে। তুমি তো আমার লোমওয়ালা বিলিতি কুকুর নও। হিন্দি ছায়াছবিতে যেমন গেস্ট আর্টিস্ট থাকে, আমাদের সেইরকম গেস্ট কুকুর আছে। সে আবার আর এক ইতিহাস। কে বলে ইতিহাসে ইতিহাসে কেবল রাজারাজড়া? সাধারণ মানুষের জীবনে কম ইতিহাস? বছর দশেক আগে এক বর্ষার রাতে রাস্তার লালু এসেছিল বারান্দায় আশ্রয় নিতে। সেই লালু হয়ে গেল গেস্ট। লালুর চারটে বাচ্চা হল। কান্নু আর গুগলু বড় হল। তাদের হল চারটে চারটে আটটা। তিনটে গেল, রইল পাঁচটা। সে এক জটিল হিসেব। তবে এখন যা অবস্থা, পিলপিল করছে কুকুরে। রাতে কানে তুলো খুঁজে দরজা-জানলা বন্ধ করে শুতে হয়। মিনিটে মিনিটে ডাক। প্রথমে একটা ডাক, তারপর আর ক’টা কোরাসে। শুরু হলে আর থামতে চায় না, সভাপতির ভাষণের মতো। আমার বউ বলবে, ‘কী আশ্চর্য! কুকুর ডাকবে না? ডাকবে বলেই তো দেড় কেজি চালের ভাত খাওয়াই।’

    ‘বাঙালির বাত, কুকুরের ডাক।’ বেশ বাবা। তাই তোক। তা কিন্তু হল না। মালকিন নিজেই এবার কুকুরের ওপর খাপ্পা। কুকুরেরা খেলা পায়। খেলার আনন্দে তারে ঝোলা শাড়ি ছিঁড়ে ফালা-ফালা করেছে। দরজার পাপোশ আঁচড়ের-মেটেরিলাল করে দিয়েছে। এই সব অপকর্ম যদিও বা সহ্য। হল, হল না সেই মারাত্মক অপরাধ। গেস্ট আর্টিস্টরা একদিন বাড়ির লোমওয়ালা হিরোকে বাগে পেয়ে খাবলে দিল। এখন নিয়ম হয়েছে, যে-ই আসুক আর যে-ই যাক গেট বন্ধ করতে হবে। সে ও আবার এক ইতিহাস। লোয়েস্ট কোটেশানের লোহার গেট। লোহা নামে সরু কতকগুলো সিক সরু পার্টির ফ্রেমে ঢালাই করা। বাতাসে ম্যালেরিয়া রুগির মতো কাঁপে।

    ফুঁ দিলে খুলে যায়। ফলে ব্যবস্থা যা হয়েছে, তা অভিনব। অষ্টগন্ডা গাঁটওয়ালা, একটা দড়ি দিয়ে গেটটা বাঁধা হয়। বাঁধা সহজ। যে বাঁধে, সে বাঁধে। শ্যামল মিত্রের সেই গান, ‘ফুলের বনে মধু। নিতে অনেক কাঁটার মালা, যে জানে সে জানে, ভ্রমরা যাস নে সেখানে।’ খুলতে পিতার নাম ভুলিয়ে দেয়। গেঁটে বাতের মতো।

    মৃগাঙ্ক যখন ফেরে তাকে রিসিভ করার জন্যে একটা ব্যাটেলিয়ান খাড়া থাকে গার্ড অফ অনার দেবার জন্যে। আমি তো আর মৃগাঙ্ক নই।

    ছেলেবেলায় একটা ছবি দেখেছিলুম কোনও এক বইয়ে—দ্রোপদীর বস্ত্রহরণ। বুকের কাছে দু হাত দিয়ে দলা পাকানো কাপড় ধরে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি, আর রাজার পোশাক পরা গুঁপো একটা গুন্ডা, হয় দুঃশাসন না হয় দুর্যোধন আঁচল ধরে টানছে। আমাদের বাড়ির গেটের সামনে আমারও সেই অবস্থা। বুকের কাছে দু-হাতে জাপটে ধরা প্যাকেট-ম্যাকেট। কাঁধে সাইড ব্যাগ, সামনে গেঁটে বাত। গেটে দড়ি বাঁধা ম্যালেরিয়া গেট। আবার একটা গানের কলি, কেউ দেয়নি তো উলু, কেউ বাজায়নি শাঁখ। দু-হাতে যে বাঁধন খোলা যায় না, সেই বাঁধন খুলবে এক হাতে? আলিবাবা, চিচিংফাঁক মন্ত্র দাও। বলে না, ভাগ্যবানের বোঝা ভগবানে বয়। কে বলে বাঙালির ফেলো ফিলিংস নেই! খুব আছে। রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে কেউ না কেউ আমার সাহায্যে এগিয়ে আসে। আমি ভাবি কত ভাবেই না মানুষ রোজগার করতে পারে! আমার ফেরার সময় খোকন জেগে আছে। সেও এক ইতিহাস। খোকন খাঁড়ার বাবার ছিল সাবেক কালের বিশাল গোলদারী দোকান। প্রভূত পয়সার মালিক। পয়সা হল ভূত। ভূতে ধরলে মানুষের মতিভ্রম হয়। বড় খাঁড়া পর পর তিনটে বিয়ে করে ফেললেন। লোকে একটা বউয়ের হ্যাপা সামলাতেই হিমসিম খেয়ে যায়। সব হ্যাপিনেস, গাং গঙ্গায়ৈ নমঃ। বড় খাঁড়ার চুল উঠে গেল। মুখ ফুলে গেল। উঁড়ি বেড়ে গেল। আমরা ভাবতুম সুখে বড় খাঁড়া মোটা হচ্ছে। তা নয়, খাঁড়ার উদুরি হয়ে গেল। খাঁড়া মরে গেল। লোকে মরলে একটা বউ বিধবা হয়। খাঁড়া তিন-তিনটেকে বিধবা করে পগার পার। তারপর যা হয়, বিষয় বিষ। মামলা, মকদ্দমা, মারদাঙ্গা। গোলদারী ভুস। বড়পক্ষের ছেলে খোকন খাঁড়া। খাঁড়া হলে কী হবে, ধার নেই। পথে পড়ে গেল। কল্কে ধরলে। অন্যের কল্কে। ধরলে লোকের আখের ফেরে। নিজে কল্কে ধরলে সর্বনাশ হয়। খোকন এখন আধপাগলা। শুধু ধান্দা, কীভাবে গাঁজার পয়সা জোগাড় করা যায়। ভাগ্যবানের বোঝা ভগবানে বয়।

    সে আবার কী কথা! বলি সে কথা। ভগবান আমার জন্ম দিলেন। বয়েসকালে বাবরি চুল রেখে প্রেম করলুম। হ্যা হ্যা করে বিয়ে করলুম। ধারদেনা করে বাড়ি করলুম। পয়সার অভাবে লগবগে গেট করলুম। বিজ্ঞান হাতে তুলে দিল টিভি। প্রবাদ—যত হাসি তত কান্না, বলে গেছে রাম শর্মা। যত প্রেম তত ঘণা। আমার বউ টিভি দেখবে। আমি গরু খেটে ফিরব। দু-হাতে ফলটা মুলোটা। খোকন খাঁড়া সামনের বাড়ির রকে। সে নেমে আসবে মেসোমশাইকে সাহায্য করতে। বিনিময়ে পঁচিশ পয়সা। এক পুরিয়া গঞ্জিকার দাম।

    একেই বলে কুকুর। আমার বউ আমার এই বেড়া টপকানোর খবর কিছুই জানতে পারবে না। পারবে লোমওয়ালা কুকুর। সে ঘেউ ঘেউ করবে। তাতেও আমার বউ উঠবে না। ভাগ্যিস ছেলেবেলায় ব্যাকে ফুটবল খেলেছিলুম। ডানপায়ে সদর দরজায় দমাদম লাথি। তখন দরজা খুলে যাবে। কুকুর ছুটে আসবে। দু-হাত তুলে নাচবে। চাটার চেষ্টা করবে। আর আমার বউ। হাসিমুখে অভ্যর্থনার বদলে, কি জিনিসপত্তর ধরে আমাকে খালাস করার বদলে একটি কথাই রুক্ষ গলায় বলবে, ‘গেটে দড়ি বেঁধেছ? যাও বেঁধে এসো।

    মালপত্তর কোনওরকমে নামিয়ে, আমি গান গাইব। মনে মনে। বাঁধ না তরীখানি আমার এই নদীকূলে। একা দাঁড়িয়ে আছি লহনা কোলে তুলে। তারপর ছুটব। তলতা গেটে দড়ি বাঁধতে। ওই কাজটি করার কালে আমি দার্শনিক হয়ে যাব। মাথার ওপর মরুর আকাশ। মিটিমিটি তারা। আমার বাগানের কৃষ্ণচূড়ার ঝিরিঝিরি পাতা। অসংখ্য গাঁটওয়ালা একটা দড়ি, যেন হাতে ধরা। জপের মালা। এক-একটা গাঁট এক-একটা রুদ্রাক্ষ। আমি তখন সত্যি-সত্যিই তিন গাঁটে ওংকার জপ করব। পা বাড়ালেই পথ। আমি তখন গাইব প্রশ্নের মতো করে, ‘কেন রে এই দুয়ারটুকু পার হতে সংশয়?’ আমি কোনও উত্তর খুঁজে পাব না। মাথা নীচু করে ফিরে আসব। আমার কুকুর গাল চাটবে। মৃগাঙ্কর বিলিতি আফটার-শেভ লোশান আছে। সেটা থাকে শিশিতে। আমারও রয়েছে, একটু অন্যভাবে। বিলিতি কুকুরের জিভে। ভাবামাত্রই আমার মন মসৃণ। মধ্যবিত্ত মলিন বাথরুমে ঢুকে কল ছাড়ব, আর ছাড়ব আমার গলা—হারে রে রে রে তোরা দেরে আমায় ছেড়ে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআকাশ পাতাল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article হরি ঘোষের গোয়াল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }