Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সঞ্জীবের সেরা ১০১ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1246 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ইয়েস স্যার

    ইয়েস স্যার

    আজ শনিবার।

    হেডস্যার আজ ছুটির পর মিটিং ডেকেছেন। মিটিং-এর পর ইটিং-এর ব্যবস্থা আছে। ক্লাস নাইন। আর টেনের ছেলেরাই শুধু থাকবে। আমারে স্কুলের বিশিষ্ট দারোয়ান রামাধর দা তাঁর ছোট্ট ঘরে ডাব্বা, ডাব্বা ঝালমুড়ি তৈরি করছেন। গুড়ো মশলার গন্ধে জিভে জল আসছে। হেডস্যার

    এলেন। আমরা সবাই উঠে দাঁড়ালুম। মধ্যবয়সি মানুষ। বেশ মোটাসোটা। ফরসা চেহারা। সাদা পাঞ্জাবি। বোধহয় খদ্দর। মোটা ধুতি। পায়ে বিদ্যাসাগরী চটি। চোখে মোটা কালো ফ্রেমের চশমা। কদমছাঁট চুল। আমাদের প্রায়ই বলেন—এদেশে একজন মানুষই জন্মেছিলেন, তাঁর নাম ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। আমরা তাঁর পায়ের নখের যোগ্য নই। আমরা সব স্বার্থপর শয়তানের দল। আমাদের ধরে ধরে পেটানো উচিত। আমরা দেশের কলঙ্ক। রবীন্দ্রনাথ লাখ কথার এক কথা বলে গেছেন, রেখেছ বাঙালি করে মানুষ করোনি।

    চেয়ারে বসতে বসতে স্যার বললেন বোসো, বোসো, আর সুব্রতটাকে কান ধরে টানতে টানতে নিয়ে এসো।

    সে কোথায় আছে স্যার?

    পেটুকরা যেখানে থাকে। রামাধরের ঘরের সামনে ছোঁক ছোঁক করছে। আমাদের যেতে হল না। সুব্রতই এল হুসহাস করতে করতে।

    হেডস্যার জিগ্যেস করলেন, আপনি কোথায় ছিলেন জানতে পারি? সুব্রতর চোখ দুটো ছানাবড়ার মতো হয়ে আছে। মুখে হুসহাস শব্দ। সুব্রত খুব সহজ, সরল। একটু বোকা বোকা। বাঁকা কথা। বোঝে না। কেরিয়ার-ফেরিয়ার ধার ধারে না। নিজের জীবনের মজার মজার ঘটনা বলে সারাক্ষণ আমাদের মাতিয়ে রাখে। স্যাররাও তাকে খুব ভালোবাসেন।

    সুব্রত বললে—অ্যায়সা ঝাল ছেড়েছে কেউ খেতে পারবে না। জিভের তলায় বাটি ধরতে হবে। আপনার স্যার আলসার আছে, তাই একটু টেস্ট করতে গিয়েছিলুম। ঝাল কমাও, ঝাল কমাও, মুড়ি ঢালো। আমার হেডস্যার মুখে দিতে পারবেন না। এ সেই সরস্বতী পুজোর আলুরদম-কেস। আমাদের কথা শুনলেন না। খেয়ে অসুস্থ হলেন।

    স্যার সুব্রতর মন জানেন। অবিশ্বাস করলেন না। বললেন—সামনে বোস, আমার চোখের সামনে। একটা কথা জেনে রাখ এখন সব বাঙালির পেটেই আলসার।

    আমরা সবাই কোরাসে বললুম-ইয়েস স্যার।

    হেডস্যার সভার কাজ শুরু করলেন। ছোট্ট একটা বক্তৃতা—বয়েজ! যে ভাবেই হোক আমাদের পরোপকার করতে হবে। নিঃস্বার্থ সেবা। ঘোর দুর্দিন আমাদের সামনে। ছেলেরা বাপ-মাকে। দেখে না। ভাই ভাইকে দেখে না। নেতারা দেশ দেখে না। ফি না দিলে ডাক্তার রোগী দেখে না। মাতালে দেশ ভরে গেছে। চতুর্দিকে সন্ত্রাসবাদী। এই অবস্থায় আমাদের জীবনের একমাত্র ব্রত হবে পরোপকার। পরের উপকার। তোমরা সব গ্রুপ করে উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিমে ছড়িয়ে পড়ো। সমাজের সর্বস্তরে ঢুকে যাও। আমাদের আদর্শ হবে উইপোকা। উইপোকা যেমন বইয়ের ভাঁজে ভাঁজে, খাঁজে খাঁজে ঢুকে যায়, আমাদেরও সেই সব ভাঁজে ভাঁজে সমাজের খাঁজে খাঁজে। ঢুকে যেতে হবে। উইপোকা ধ্বংস করে, আমরা গঠন করব। আমরা চটাপট, চটচট হাততালি দিয়ে উঠলুম। খুব ভালো লেগেছে আমাদের।

    হেডস্যার খুব অসন্তুষ্ট হয়ে বললেন—এটা কি নাট্যশালা। পায়রা ওড়াচ্ছিস! ঠিক এই সময় ঘরে প্রবেশ করলেন আমাদের বাংলার স্যার নিমাইবাবু। প্রায় ছ’ফুট লম্বা। স্বাস্থ্যবান। এমন চেহারা, কেন যে বাংলায় পড়ে আছেন আমরা বুঝতে পারি না। আবার কবিতা লেখেন। সেই সব কবিতা আমাদের ক্লাসে শোনা। মানে বুঝি না, তবে শব্দের খেলা, বেশ ভালো লাগে। মেঘলা দিনে সাংঘাতিক কবিতা আসে। কাল সেইরকম একটা দিন ছিল। ক্লাসে বসে বসেই স্যার লিখে ফেললেন,

    মেঘের ফানুস উড়ছে
    মানুষ কি আর দেখছে।
    কাজের কথাই বলছে
    ময়ূর কেবল নাচছে।

    আমরা টেবিল চাপড়ে চিৎকার করে উঠলুম, ফাটাফাটি, ফাটাফাটি। স্যার বললেন— আলুকাবলি, আলুকাবলি। তার মানে আমাদের আলুকাবলি খাওয়াবেন। তৈরি করবে রামাধর।

    আমাদের রামাধরের কোনও তুলনা নেই। রোজ ভোরবেলা গঙ্গায় চান করে। মহাবীরের পুজো করে। আগে কুস্তি করত, এখন আর করে না। যোগাসন করে। স্যার বললেন—আলুকাবলি নিয়ে কবিতা হবে, এক-একজন এক-একটা লাইন লিখবে। চলে এসো বোর্ডে।

    আমাদের মধ্যে স্বরাজ কবিতা লেখে। বোর্ডে গিয়ে লিখে এল, ফাটাফাটি আলুকালবি।

    মধুকর পরের লাইন লিখলে, সুদ চায় না এই কাবলি।

    সব লেখালিখির পর কবিতাটা যা দাঁড়াল, ফাটাফাটি আলুকাবলি,

    সুদ চায় না এই কাবলি,

    জিভে জল, টক, ঝাল, আর মিষ্টি,

    কাবুল ফেলে বাঙলায় এল এই কাবলি।

    নিমাই স্যার হেডস্যারের পাশের চেয়ারে বসে বললেন—পরোপকার খুব কঠিন কাজ। আমাদের এই জায়গাটা এত হতচ্ছাড়া, না হয় বিধ্বংসী বন্যা, না হয় দুর্ভিক্ষ। এই দুটো হলে পরোপকারের কাজটা সহজ হয়। হাণ্ডা হাণ্ডা খিচুড়ি বানাও, ঝপাঝপ দিয়ে যাও, কপাকপ খেয়ে যাও। হেডস্যার বললেন—সকলের ভাগ্য কি আর ভালো হয় নিমাইবাবু। আমাদের গভীরে ঢুকে কাজ করতে হবে। বেগুন গাছে ঝোলে। মারো টান। হাতে এসে গেল, আর আলু! মাটি খুঁড়ে তুলতে হয়। কারও বেগুনের বরাত কারও আলুর বরাত। আমাদের খুঁড়তে হবে। প্রথমে সারভে।

    সুব্রত বলল—স্যার! আমার একটা প্রশ্ন আছে।

    একটা কেন, তুমি হাজারটা প্রশ্ন করো।

    স্যার! পরোপকার জিনিসটা ঠিক কী?

    জিনিস বলছিস কী রে গাধা। বল কর্ম। পরের উপকার।

    উপকার কাকে বলে স্যার?

    অপকারের উলটোটাই হল উপকার। যেমন মানুষের উলটো হল অমানুষ। উদাহরণ শোন—

    একটা মানুষকে ঠেলে ফেলে দিলি। এটা হল অপকার। হাত ধরে টেনে তুললি এটা উপকার। একজন মানুষ খেতে পায় না, তাকে খাওয়ালি, এটা উপকার।

    নিমাইস্যার বললেন—এটা উপকার নয় সেবা।

    আপনি আবার নতুন কথা এনে ব্যাপারটাকে গুলিয়ে দেবেন না।

    ব্যাপার নয়, বলুন বিষয়।

    ব্যাপার আর বিষয় এক। এটা ভাষা শিক্ষার ক্লাস নয়। উপকার হল এমন কাজ করা যাতে সমস্যার সমাধান হয়। তোমরা ঘুরবে। ঘুরে ঘুরে দেখবে। নোট নেবে। প্রথমেই কিছু করবে না। আমাদের জায়গায় অর্থাৎ কমিটিতে এসে জানাবে, তারপর অ্যাকশান।

    ঝালমুড়ি এসে গেল। রামাধর বানায় বটে! দরজা দিয়ে ঢুকছে ঘরটা গন্ধে ভরে গেল। মার মার কাট কাট। ঠোঙায় ঠোঙায় ভাগ ভাগ করে এনেছে। সুব্রত টপাটপ সব দিয়ে দিল। একটা ভাগ বেশি হয়েছে।

    হেডস্যার বললেন—ওটা রামাধরের।

    সুব্রত বললে—আমি স্যার বাইরে গিয়ে খাব?

    কেন?

    গাছতলায় বসে খেতে ভালো লাগে।

    নিমাইস্যার বললেন—ঠিক বলেছিস। চল আমিও যাই।

    .

    ২.

    একটু দূরে বারুইপাড়া। ওই পাড়ায় বড় বড় কারিগরদের বাস। তাঁরা সেতার, সরোদ, তানপুরা, হারমোনিয়াম, তবলা এইসব তৈরি করেন। বড়-ছোট অনেক দোকান আছে। আমরা ওই দিকটায় যাই লোভে লোভে। একটা বড় কুলবাগান আছে।

    আমি আর সঞ্জয় গেছি। বিকেলবেলা। সরস্বতী পুজো আসছে। গাছে গাছে কেমন কুল ধরেছে দেখতে হবে তো। হঠাৎ দেখি একটা দোকানের সামনে এক বৃদ্ধ মইয়ের ওপর কোনওরকমে দাঁড়িয়ে বেশ বড় একটা সাইনবোর্ড লাগাবার চেষ্টা করছেন, পারছেন না। বয়েস হয়েছে। দুর্বল শরীর।

    সঞ্জয় বললে—এই দেখেছিস?

    কী দেখব?

    পরোপকার।

    কে করছে?

    কেউ করেনি। আমরা করতে পারি। ওই দেখ, দাদু সাইনবোর্ড ঝোলাচ্ছে। একা। পারছেন না। যে-কোনও মুহূর্তে মই নিয়ে পড়ে যেতে পারে। চল সাহায্য করি।

    সঞ্জয় বললে—অতবড় জিনিসটা একা পারবেন?

    আর একজন পাচ্ছি কোথায়?

    আপনার ছেলে নেই?

    ছিল। বিয়ে করে বউ নিয়ে পালিয়েছে। ছেলেরা যা করে থাকে!

    কই আমার দাদা তো তা করেনি।

    তোমার দাদা একটি গাধা।

    সঞ্জয় আমাকে বললে—দেখছিস, দাদাকে গাধা বলছে!

    এ গাধা ভালো গাধা। তোর দাদার প্রশংসা।

    সঞ্জয় বৃদ্ধকে বললেন—আমরা আপনাকে সাহায্য করব।

    বৃদ্ধ বললেন—মতলব?

    সঞ্জয় বললে—আমরা পরোপকার করে থাকি।

    আমি মরলে এসো। কাঁধ দিয়ো। বাঙালি তো একটা পরোপকারই জানে বলো হরি হরিবোল।

    কথা শেষ করেই বৃদ্ধ ভদ্রলোক মই, সাইনবোর্ড, সবসুদ্ধ নিয়ে দাম করে পড়ে গেলেন। সাইনবোর্ডের তলায় বৃদ্ধ। চিৎকার করছেন হিন্দিতে জানে মারা, জানে মারা। চারপাশ থেকে লোকজন ছুটে আসছে। আমি আর সঞ্জয় ছুটছি। পেছনে চিৎকার—পালাচ্ছে, পালাচ্ছে। পাকাড়া, পাকাড়ো।

    আমরা কুলবাগানের মধ্যে দিয়ে, পুকুর পাড় ধরে কোনওরকমে পালিয়ে এলুম। কুলকাঁটায় শরীর ক্ষতবিক্ষত। হাপরের মতো হাঁপাচ্ছি। হেডস্যার অনেক রাত পর্যন্ত স্কুলের অফিসে কাজ করেন।

    আমাদের দেখে বললেন—কী ব্যাপার? এ কী চেহারা?

    সব শুনে বললেন—আমি তোদের কী বলেছিলুম, আগে এসে রিপোর্ট করবি। কমিটি মিটিং-এ পাস হবে, তারপর অ্যাকশান। তোরা যেটা করতে গিয়েছিলিস, সেটা পরোপকার নয় সাহায্য। কালই আমি মিটিং ডাকছি!

    সঞ্জয় বললে—ঝালমুড়ি হবে স্যার?

    না, আলুকাবলি হবে।

    সঞ্জয় উল্লাসে চিৎকার করে উঠল, ইয়া হু!

    হেডস্যার ভুরু কুঁচকে বললেন—এটা কী হল?

    এটা স্যার আনন্দের চিৎকার।

    .

    ৩.

    সেই নিউহলে মিটিং। বাংলার স্যার আর আমাদের ফিজিক্যাল ইনস্ট্রাকটারও এসেছেন। আমাদের ব্যায়াম, আসন করান বটে, নিজের অম্বলের অসুখ। দশ মিনিটের মধ্যে তিনবার ভেঁকুর তুললেন ভেউ ভেউ করে। হেডস্যার বিরক্ত হয়ে বললেন—জোয়ানের আরক খেয়েছিলেন?

    করুণ মুখে বললেন—ইলিশ মাছ!

    এদিক নেই ওদিক আছে। যার জল সহ্য হয় না ইলিশ মাছ! ক’টা খেয়েছেন?

    খাব না, খাব না করে তিন পিস মেরে দিয়েছি।

    আপনি ইলিশ মেরেছেন এইবার ইলিশ আপনাকে মারবে। গঙ্গার ধারে গিয়ে এক ডেলা মাটি খেয়ে আসুন। মিনিটে, মিনিটে এইরকম সেঁকুর তুললে সভা তো সাসপেন্ড করে দিতে হবে।

    বাংলার স্যার বললেন—সভা সাসপেন্ড না করে এই ব্যায়ামবীরকে সাসপেন্ড করে দিন। বাড়ি গিয়ে বারান্দায় বসে ভেঁকুর তুলে বাড়ির লোককে মোহিত করুন।

    ব্যায়ামস্যার বললেন—আমাকে আলুকাবলিটা দিয়ে দিলে এখুনি চলে যেতে পারি।

    হেডস্যার অবাক হয়ে বললেন—এর ওপর আলুকাবলি চাপাবেন?

    ব্যায়ামস্যার বললেন, হাওড়া স্টেশনে ট্রেন ধরতে গিয়ে দেখেননি। পোর্টারকে ডেকেছেন, ভারী ভারী মাল মাথায় তুলেছে। দু-কাঁধে দুলছে দুটোব্যাগ। আপনার হাতের হাতব্যাগটা দেখিয়ে বলছে, ওটাও আমার কাঁধে ঝুলিয়ে দিন। এ আপনার সেই কেস। যাহা বাহান্ন তাহা তিপান্ন।

    আমাদের মধ্যে নিমাই খুব উশখুশ করছিল। উঠে দাঁড়িয়ে বললে—স্যার! আমাদের পাড়ায় একটা পরোপকার পাকছে।

    হেড স্যার বললেন—ভাষাটা একবার শুনুন। পরোপকার কি ফল, যে পাকবে?

    না স্যার, পরোপকারের একটা সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

    শুনি কীরকম সুযোগ!

    আমাদের বাড়ির পাশেই থাকেন পরেশ জেঠু। সকাল থেকেই খাবি খাচ্ছেন। একটু পরেই মারা যাবেন। খিটকেল টাইপের লোক। জ্যাঠাইমা কাঁদছেন আর বলছেন—কে কাঁধ দেবে।

    হেডস্যার বললেন—আমাদের ছেলেরা একেবারে উচ্ছন্নে গেছে। কী সব ভাষা, খিটকেল, খিচাইন, ক্যাচাল!

    ব্যায়ামস্যার বিশাল একটু ঢেঁকুর তুলে বললেন—সব ওই টিভি।

    হেডস্যার করুণ গলায় বললেন,কথা বলছেন কেন! কথা বললেই ঢেঁকুর লিক করছে।

    বাংলার স্যার বললেন—বড় বাজে দিকে আমাদের মন চলে যাচ্ছে। পরেশবাবুকে আমি চিনি। একটা মানুষ মারা গেলে তার যেমন প্রাণ থাকে না, সেইরকম গুণাগুণও থাকে না। আমাদের প্রত্যেকের একটা সামাজিক কর্তব্য আছে, সেই কর্তব্যবোধে ছেলেরা কাঁধ দেবে। একজন চলে যাও ওখানে। শেষ খাবিটা খাওয়া হয়ে গেলে খবর পাঠাও, আমাদের বিদ্যামন্দিরের টিম গিয়ে সল্কার করে আসবে।

    হেডস্যার জনমত চাইলেন। কর্তব্য আর পরোপকার কি এক হল?

    অবশ্যই হল। অত বড় একটা সমিতি তৈরি হয়ে গেল, হিন্দু সৎকার সমিতি। অসহায় মানুষ রাতবিরেতে মারা গেলে কী হবে? এ তো খালি প্যাকেট নয়, যে ডাস্টবিনে ফেলে দেবে। সেকালে কত হিতকারী সভা, সমিতি ছিল। জলে ডুবে গেলে, পাতকুয়ায় পড়ে গেলে, ঘুড়ি ওড়াতে গিয়ে ছাত থেকে গিরে গেলে, সঙ্গে সঙ্গে…।

    হেডস্যার বললেন—হঠাৎ হিন্দি শব্দ ব্যবহার করলেন কেন? গিরে!

    আমি যে বাতলা। সাহিত্য আমার বিষয়। তিনখানা উপন্যাস শেষ। চতুর্থটাও প্রায় শেষ। একবার পড়ে গেল বলেছি। একই ক্রিয়া আমি পর পর দুবার ব্যবহার করি না। আমার ছাত্ররা ব্যবহার করুক তাও আমি চাই না। হেডস্যার বললেন,—উপন্যাসগুলো যন্ত্রস্থ হবে কবে?

    সে কি এক কথায় হয় স্যার! মেয়ের বিয়ের মতো! প্রকাশকরা সব পাত্রপক্ষ। নতুন লেখকের লেখা ছাপবে কে?

    এ আবার কী? সব লেখকই তো একসময় নতুন ছিলেন। ছাপতে ছাপতে তবেই না পুরোনো হলেন।

    সে কথা কে শুনছে স্যার!

    যাক, আমাদের কথায় আসি। কতকগুলো জিনিস বোঝার আছে, যেমন পরোপকার, সেবা, সাহায্য কর্তব্য, পরহিত, কোনটা কী? আমাদের মধ্যে থেকে শ্যামল উঠে দাঁড়িয়ে বললে, স্যার! আমার ঠাকুমা একেবারে বুড়ি, কোমর ভাঙা। আমাকে ধরেছেন রোজ সকালে গঙ্গায় স্নান। করিয়ে আনতে হবে। এটা কি পরোপকারের মধ্যে পড়ে। যদি পড়ে, তা হলে আমাকে করতে। হবে। আর তাহলে সকালে আমার পড়া হবে না। আর পড়া না হলে আমি ফেল করব। আর ফেল করলে আমাকে বাড়ি থেকে দূর করে দেবে। আর দূর করে দিলে আমি কোথায় যাব, কী খাব!

    শ্যামল বসে পড়ল।

    হেডস্যার বললেন—ঠাকুমা পর নন, আপনজন। এ তোমার পরোপকারের মধ্যে পড়ছে না। আপনি কি বলেন?

    বাংলাস্যার বললেন—আমার আমি ছাড়া বাকি সবাই তো পর। শ্যামলের পেট খারাপ হলে শ্যামলকেই বাথরুমে যেতে হবে। শ্যামলের ঠাকুমা গেলে হবে না। অতএব?

    হেডস্যার বললেন—অতএব?

    বাংলা স্যার বললেন—শ্যামলের কেসটা সেবার মধ্যে পড়ছে। আর স্বামীজি পরোপকার, দয়া এইসব কথা সহ্য করতে পারতেন না। তিনি বলতেন শিবজ্ঞানে জীব সেবা। তা হলে?

    হেডস্যার বললেন—তা হলে!

    তা হলে ব্যাপারটা একটা কথায় এসে দাঁড়াল—সেবা। সেবার মধ্যেই আছে।

    ব্রজ উঠে দাঁড়িয়ে বললে—স্যার! আমার বোনের যখনই জ্বর হয় তখনই পা দুটো এগিয়ে দিয়ে বলে, পদসেবা কর।

    ব্যায়ামস্যার বললেন—করবি! সঙ্গে সঙ্গে ভেউ করে ভেঁকুর।

    নীলাঞ্জন উঠে দাঁড়িয়ে বললে—স্যার! আমার মনে হয় কামারপাড়ায় একটা প্রাইমারি স্কুল করা যেতে পারে। বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েরা সারাদিন মাঠেঘাটে ঘুরে বেড়ায়। খুব গরিব ওরা।

    হেডস্যার বললেন—গুড আইডিয়া!

    বাংলা স্যার বললেন—আইডিয়া গুড; কিন্তু করা যাবে না। রাজনীতি।

    হেডস্যার ভীষণ রেগে গিয়ে বললেন—আমরা তা হলে কী করব?

    কিচ্ছু করব না, মিটিং করব।

    বিষ্ণু হাঁপাতে হাঁপাতে ঘরে এসে ঢুকল।

    কী রে! বাঘে তাড়া করেছে?

    বিষ্ণু বললে—শিগগির, পরোপকারের মেশিন বের করুন।

    সে আবার কী?

    বাড়িওয়ালা গুন্ডা এনে আমাদের সব জিনিসপত্তর বাইরে ছুড়ে ছুড়ে ফেলে দিচ্ছে। বাবাও হাসপাতালে। মাকে মেরেছে। দিদির চশমা ভেঙে দিয়েছে।

    হেডস্যার বললেন—পুলিশ।

    ব্যায়ামস্যার বললেন—পুলিশ কী করবে? এসব পেটি কেস।

    তা হলে কে করবে?

    কেউ করবে না। দেশ এখন আইনের হাতের বাইরে।

    অপরেশ উঠে দাঁড়াল—চলুন না স্যার আমরা দল বেঁধে সবাই যাই।

    হেডস্যার উঠে দাঁড়ালেন—নিশ্চয় যাব।

    বাংলাস্যার সাবধান করলেন—আপনার বুকে পেসমেকার। আর আমি তো যেতে পারবই না, গলব্লাডার।

    ব্যায়ামস্যার বললেন—আর আমারও অম্বল! আজ এক বছর হয়ে গেল একটা শিঙাড়া খাইনি, কড়াইশুটির কচুরি খাইনি।

    আমাদের মধ্যে অপরেশ অন্য ধাতুতে তৈরি। যেমন চেহারা সেইরকম সাহস। ত্রিভুবনে। অপরেশের কেউ নেই। অনেক সময় মুটেগিরি করে পয়সা রোজগার করে। খুব ভোরে বাড়ি বাড়ি দুধ বিক্রি করে। লেখাপড়ায় ভীষণ ভালো। প্রাইভেট টিউটার রাখার ক্ষমতা নেই। রামকৃষ্ণ মিশনের এক সাধু অপরেশকে পড়ান। আমরা স্বামীজি স্বামীজি করি, অপরেশ স্বামীজিকে তার ভেতরে ঢুকিয়ে নিয়েছে। অপরেশ বলে, ঠাকুর আমার সব কেড়ে নিয়ে খুব ভালো করেছেন। ঠাকুর, মা, স্বামীজি ছাড়া আমার আর কেউ নেই এই পৃথিবীতে। আমরা এসব বুঝি না, তবে এটা বুঝি অপরেশ একেবারে অন্য রকমের। যেমন দেখতে সুন্দর, সেইরকম সুন্দর মন।

    অপরেশ আমাদের দিকে তাকিয়ে বললে—কেউ আসবে? সাহস আছে? আমরা চারজন এগিয়ে গেলুম। হেডস্যার আসছিলেন, অপরেশ বললে—আপনাকে চিনেছি স্যার। কথা আর কাজ এক করতে পেরেছেন। আপনি পরে আসবেন।

    .

    ৪.

    অপরেশ যেদিকে যাচ্ছে সেদিকে বিষ্ণুদের বাড়ি নয়।

    ভয়ে ভয়ে জিগ্যেস করলুম,—যাচ্ছিস কোথায়?

    ফোর্স আনতে। আর একটা কথাও বলবি না। শুধু দেখে যা। আমরা একটা অন্ধকার পাড়ায়। এলুম। খুব খারাপ জায়গা। মেয়েরা ঘুরছে। অপরেশ হনহন করে হেঁটে একটা সাবেক কালের বাড়িতে ঢুকল। গোটা বাড়িটা ঘুটঘুটে অন্ধকার। পেছন দিকের একটা ঘরে আলো জ্বলছে।

    ঘরে একটা ডিভান। ডিভানে বলিষ্ঠ চেহারার এক যুবক আড় হয়ে শুয়ে আছে। আর চারজন মেঝেতে বসে আছে বেশ আয়েস করে। পেছন দিকের দরজাটা খোলা। সেখানে একটা মাঠ। দরজার ধারেই পাঁচটা মোটর সাইকেল অন্ধকারে চকচক করছে। মাঠের ওপারে বড় রাস্তা। আলো জ্বলছে। রাস্তার ওপারে জমজমাট বাজার দোকানপাট, নতুন নতুন বাড়ি। সেটা পেরোলেই রেললাইন। আবার অন্ধকারের এলাকা। মেঝেতে যারা বসেছিল তাদের মধ্যে একজন খুব সুন্দর গলায় রবীন্দ্রনাথের গান গাইছে তোমার অসীমে।

    অপরেশ ঘরে ঢুকেই বললে—নিবারণদা, উঠে পড়ো, অ্যাকশান। আবার কী হল? আজ যে আমার অফ ডে। ঠাকুরের জন্মদিন বুধবারে আমিও কোনও কাজ করি না।

    ঠাকুরেরই কাজ। তপার দল আমাদের এক হেডমাস্টারের বাড়িতে ঢুকে অত্যাচার করছে। স্যার হাসপাতালে আই সি ইউতে পড়ে আছেন।

    কেসটা কী?

    মডার্ন ইলেকট্রনিকসের জগদা মণ্ডল বাড়িওয়ালা। ভাড়াটে উচ্ছেদ করে বাড়িটা প্রোমোটারকে দেবে। উৎপাত চলছে অনেক দিন ধরে। স্যার হাসপাতালে। এই সুযোগটা কাজে লাগাচ্ছে।

    তোর প্ল্যানটা বল? তোর মাথা আমার চেয়ে অনেক ভালো।

    আমরা পাঁচটা বাইকে চড়ে সোজা জগদার ঠেকে যাব। কোথায় এই সময়ে থাকে তুমি জানো। আমিও জানি। এখন সে খুব দুর্বল। সঙ্গে মেশিন রাখে চালাতে জানে না। যদি ট্যান্ডাই ম্যান্ডাই করে সোজা তুলে নিয়ে যাব ওর গুরুর বাড়িতে। সেখান থেকে মোবাইলে তপাকে বলবে। যদি না বলতে চায় বারুইপুরে তোমার ডেরায় ডামপ।

    মন্দ বলিসনি, তপা তো ওইটার কুত্তা। চল তাহলে।

    যে গান গাইছিল, সে এবার গাইতে লাগল—কোন খেলা যে খেলবে কখন।

    .

    ৫.

    পাঁচখানা মোটর সাইকেল একসঙ্গে পাড়ায় ঢুকল। বিকট শব্দে। আমরা অবাক। জগদার ফুর্তির ডেরার সামনে আমাদের বিদ্যায়তনের অন্তত দুশো ছেলে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

    ভেতরে ঢুকে আরও অবাক। জগদা কাঁদছে, আর তার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন আমাদের হেডস্যার, বাংলার স্যার, আর ব্যায়াম স্যার। বেশ একটা নাটক। ব্যায়াম স্যার ঘন ঘন ভেঁকুর তুলছেন।

    আমরা যখন ঢুকলুম তখন হেডস্যার বললেন—জগদা! তুমি আমাদের এক্স স্টুডেন্ট। তোমার বাবা ছিলেন অতি সম্মানিত, সাধক মানুষ। ভগবান তোমাকে কিছু কম দেননি, তোমার এই অধঃপতন! গুণ্ডারাজ একদিন শেষ হবে। তখন তুমি কী করবে? বাইরে তাকিয়ে দেখো আমার দুশো ছাত্র হাত মুঠো করে দাঁড়িয়ে আছে আদেশের অপেক্ষায়। আর এই তো আমাদের নিবারণ এসে গেছে। নিবারণকে তুমি চেনো নিশ্চয়।

    জগদা হাঁ-করে চেয়ে আছে। ফোলা ফোলা মুখ। কাতলা মাছের মতো চোখ। বাবু আবার মদ খাচ্ছিলেন। সামনের বার ইলেকশানে দাঁড়াবে। এইসব লোক সমাজের মাথা হবে!

    হেডস্যার বললেন যে বাপের পরিচয় দিতে গিয়ে ছেলে-মেয়ের মাথা হেঁটে হয়, তারা তো অরফ্যান। তুমি যখন তোমার পিতার পরিচয় দেবে লোকে বলবে আম গাছে আমড়া হয়েছে। শোনো জগদা, আমার শরীরে বিপ্লবীর রক্ত বইছে। এখুনি তোমার সাজানো-গোজানো দোকানটা আমার ছেলেরা চুরমার করে দিতে পারে।

    জগদা উঠে দাঁড়াল। টলছে। বললে—আর আমাকে কিছু বলবেন না স্যার। আমি নিজে যাচ্ছি ক্ষমা চাইতে।

    একটা মিছিল। পাঁচখানা মোটর সাইকেল আগে। তারপর আমাদের তিনজন স্যার। তারপর আমরা। বিষ্ণুদের বাড়ির সামনের রাস্তায় মালপত্তর ডাঁই। বিষ্ণুর মা আর দিদি সামনের বাড়ির রকে চুপ করে বসে আছেন। আর বাঙালি ভদ্দরলোকের যা রীতি, সবাই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মজা দেখছিল। আমাদের মিছিল দেখে সব পালাচ্ছে।

    নিবারণ একটার হাত চেপে ধরে বললে—পালাচ্ছিস কোথায়! বাকি মজাটা দেখে যা। এই এর ফুলপ্যান্টটা হাফপ্যান্ট করে দে। প্রতিবাদ না করে এই পাড়ার যারা মজা দেখেছে তাদের সঙ্গে ক’টার বাড়ি আজ ভাঙচুর হবে। একসঙ্গে দুশো ছেলে চিৎকার করে উঠল—হবে।

    পটাপট দরজা-জানালা বন্ধ হচ্ছে। রক-বারান্দা সব খালি।

    তপা বেরিয়ে এসেছে। হেডস্যার বললেন—তুমি আমাদের স্কুলের ছাত্র ছিলে। পরিচয় দিতে লজ্জা করে। তোমার বাবা ছিলেন সেক্রেটারি। লেখাপড়ায় তুমি ভালোই ছিলে। অধ্যাপক না হয়ে গুণ্ডা হয়েছ। খুব গর্বের কথা!

    তপা মাথা হেঁট করে দাঁড়িয়ে আছে।

    হেডস্যার বললেন তোমার কাছে তো রিভলভার আছে, যে রিভলভার দিয়ে স্বদেশিরা অত্যাচারী ইংরেজদের মারত, তুমি আমাকে মেরে ফেলল। এ লজ্জা আর সহ্য হচ্ছে না।

    একে একে সব মাল ভেতরে উঠে গেল। জগদা বললে—কালই আমি বাড়িটা আপনাদের নামে রেজিষ্ট্রি করে দোব।

    বিষ্ণুর মা ধীর শান্ত গলায় বললেন—দান আমরা নিই না। উনি অসুস্থ, বিপদে পড়েছি, সময় হলেই উঠে যাব।

    জগদা বললে বাড়িটা তা হলে আমি সুন্দর করে সারিয়ে দোব। যতদিন ইচ্ছে আপনারা থাকবেন। আমার অপরাধ মার্জনা করবেন।

    বাংলার স্যার—ইস করলেন।

    ব্যায়ামস্যার বললেন—কী হল গোবর মাড়ালেন?

    না, না, পরপর দুটো ক্রিয়া, আপনারা থাকবেন, মার্জনা করবেন।

    দুটো নম্বর কেটে নিন।

    সঞ্জয় আমার কানে কানে বললে—ইস আলুকাবলিটা।

    হেডস্যার উঁচু রকে দাঁড়িয়েছিলেন। আমরা সব রাস্তায়। রাস্তার আলো তাঁর মুখে এসে পড়েছে। সুন্দর, সুপুরুষ চেহারা। হাসছেন আর বলছেন—আমি আমার পেসমেকারটা খুলে ফেলে দিতে পারি। তোমাদের সকলের হৃদয়ের শক্তিতে আমি আজ শক্তিমান। তোমরা আমার গর্ব।

    আমরা সবাই চিৎকার করে বললুম—আপনাকে আমরা কোনওদিন ভুলব না স্যার। কোনওদিন। ভুলব না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআকাশ পাতাল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article হরি ঘোষের গোয়াল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }