Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে – অমর মিত্র

    লেখক এক পাতা গল্প273 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গড়ের মাঠ

    গড় তো ফোর্ট উইলিয়ম। প্রাচ্যদেশে ব্রিটিশ রাজের সামরিক শক্তির সবচেয়ে বড় নিদর্শন। তার মাঠ আমাদের গড়ের মাঠ। গড় ফোর্ট উইলিয়ম ১৭৮০ নাগাদ আত্মপ্রকাশ করে গড়ের মাঠের পশ্চিমে গঙ্গার পূর্বকূলে। কিন্তু সেনাবাহিনীর সেই গড় তো আম আদমির কাছে অনেক দূরের, তার মাঠ আমাদের অনেক কাছের! শুনেছি একটি গড় আগে ছিল বিবাদী বাগের জিপিও যেখানে, সেখানে। ১৭৫৬ সালে সেই দুর্গ সিরাজের সেনাবাহিনী অধিকার করলে বোঝা গিয়েছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে যথেষ্ট নিরাপদ নয় তা। ১৭৫৭-য় পলাশীর যুদ্ধে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি জিতে গেলে বণিক হয়ে যেতে থাকে শাসক। শাসকের নিরাপত্তার জন্য এই নতুন গড়ের, এই নতুন দুর্গের পরিকল্পনা। গড় হলো, তার মাঠ হলো। এমনি এক মাঠ নয় তেপান্তর। তার এ মুড়ো থেকে ও মুড়ো দেখা যায় না। যদি সমুখ সমর হয়, এই মাঠেই তা হবে। মাঠ ছিল সেনাবাহিনীর অধিকারে। স্বাধীনতার পরও মাঠ সেনা বাহিনীর। কিন্তু তার অধিকার আমাদের। নগর কলকাতাবাসীর। কলকাতা কেন কলকাতায় আসা মফস্বলবাসীরও। ভবঘুরে, আশ্রয়হীন, নিঃসঙ্গ মানুষের আশ্রয় এই গড়ের মাঠেই। হ্যাঁ, এমনই গড় করেছিল ইংরেজ, যে গড় থেকে যুদ্ধের গোলাগুলি বারুদের ধোঁয়া বের হয়নি কোনোদিন। কোনো যুদ্ধ করেনি কোনো সেনাবাহিনী। এই গড় কোনো যুদ্ধের মুখোমুখি হয়নি কোনোদিন। হুঁ, লড়াই হয়েছে তার মাঠে, ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, মহামেডান স্পোর্টিং, থেকে ইস্টার্ন রেল, উয়াড়ি, এরিয়ান্স কিংবা বালি প্রতিভার ভিতরে। গড়ের মাঠ আসলে খেলার মাঠ। যুদ্ধের মাঠ নয়। বছরে দুই দিন, ২৬শে জানুয়ারি আর পনেরই আগস্ট গড়ের সমুখের রাজপথে যুদ্ধের ভেরি বাজে, কামান নিয়ে ট্যাঙ্ক সেই পথে এগোয়, মহাযুদ্ধের ঘোড়ার টগবগ শোনা যায়, রাইফেল উঁচিয়ে সেনাবাহিনী প্যারেড করে বটে, সবই লোক দেখানো। যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই গড়ের মাঠের বাতাস তাই বলে। গড়ের মাঠে যুদ্ধ ছিল না, যুদ্ধ নেইও। গড়ের মাঠে বসে ভিন প্রদেশ থেকে ভাগ্যান্বেষণে আসা সরল মানুষ কাউয়া গুণতি করে। অক্টারলোনি মনুমেন্ট (শহীদ মিনারের পুরনো নাম) কত উঁচু তা আন্দাজ করে। যুদ্ধ নেই। শান্তি আছে। ছেলেবেলা থেকে জানি কুরুক্ষেত্রর মতো করে গড়ে তোলা গড়ের মাঠ রক্তারক্তির যুদ্ধ দ্যাখেনি। ইলিশ আর চিংড়ির লড়াই দেখেছে। এরিয়ান্স থেকে মোহনবাগানে খেলতে আসা অসীম মৌলিকের গোল দেখেছে। ছেলেবেলায়, কিশোর বেলায় টিকি উঁচানো ট্রামে চেপে গড়ের মাঠে যাওয়া ছিল সবচেয়ে আনন্দের। হুঁ, ডিপো থেকে ফার্স্ট ট্রাম ছাড়ত ভোর সাড়ে চারটেয়। আলো ফোটেনি তখনও, ঘুমন্ত উত্তর কলকাতা ভেদ করে ফুটবল নিয়ে গড়ের মাঠ যাত্রা করলাম আমরা একদল, স্বপ্ন দেখি চুনী, পিকে বলরাম হবোই হবো। অবারিত সবুজে ফুটবল পিটিয়ে ফেরা রোদ উঠে গেলে। গত শতকের ষাটের দশকের কথা বলছি। প্রাতের কলকাতা তখন আড়মোড়া ভাঙছে। গড়ের মাঠে ঘুরে ট্রামও ফিরত বেলগাছিয়া, আমরাও ফিরতাম। গড়ের মাঠে ঘেরা ফুটবলের মাঠ। ক্লাবের তাঁবু, ইডেন গার্ডেন, বড় লাটের বাড়ি (রাজ্যপালের কুঠী) থেকে শহীদ মিনার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, ঘোড়দৌড়ের মাঠ… এত বিস্তীর্ণ প্রান্তর আমি আদিগন্ত বিস্তৃত শস্য ক্ষেত্র ছাড়া আর কোথাও দেখিনি। আমি কেন কেউ দেখেছে বলে জানি না। ছেলেবেলার গড়ের মাঠেই সেইসব ক্লাব, যেখানে চুনী, পিকে, বলরাম, অরুময় নৈগম থেকে মঙ্গল পুরকায়স্তকে ঢুকতে দেখা যায়। ওই যে ছফুটের বেশি লম্বা থঙ্গরাজের মাথা দেখা যায়। ক্লাব তাঁবুর বাইরে দাঁড়িয়ে হাফ প্যান্ট রোগা টিঙটিঙে কিশোর উঁকি মারছে, যদি দেখা যায়। গড়ের মাঠের খেলা তো টিকিট কেটে দেখতে হয়, টিকিটের টাকা কে দেবে? ট্রাম ভাড়াই বা পাব কোথায়, ট্রামের টিকিট ফাঁকি মেরে যদি বা গেলাম, খেলা দেখার উপায় কী? ঘোড়ায় চাপা পুলিশ ঘুরছে ব্যাটন উঁচিয়ে। ভয় তরাশে ছুটছে হাবুলদা, কাবুলদা। লাঠির ঘা পড়ল বুঝি পিঠে। ধুতি তুলে ছুটছে দর্জিপাড়ার নিমাইকাকু। খেলা আরম্ভ হয়ে যায় প্রায়। র‍্যামপার্টে দাঁড়িয়ে দেখছি তারকাঁটার ওপারে ফুটবল নিয়ে ছুটছে অরুময়। দেখতে পাচ্ছি না, লোকে অরুময় অরুময় বলে চিৎকার করছে তাতেই বুঝছি সেই দক্ষিণ ভারতীয়র বুটের ডগায় আঠার মতো লেগে আছে ফুটবল। হু, গড়ের মাঠে প্রথম খেলা দেখা আমার এই ভাবে। বিনি পয়সায়। কিছু দেখা হলো, কিছু দেখা হলো না। গ্যালারির চিৎকারে গলা মেলাচ্ছি গোওওল। কে দিল কে দিল, মঙ্গল না দীপু দাস? র‍্যামপার্টে শুধু গোলকিপারের পিঠ দেখা যায়। জার্সি চেনা যায়। তাই দিয়েই সব বুঝে নিতে হয়। তখন ফুটবল হতো গরমে আর বর্ষায়। আই.এফ.এ লিগ গেলে শিল্ড। ক্রিকেট শীতে। কলকাতায় তখন হকিও ছিল। ভি.পেজ, অশোককুমার, গুরুবক্স সিং, ইনামুর আর আনিসুর রহমান, দুই ভাই… গড়ের মাঠে এঁদের দেখা যেত। ফার্স্ট ডিভিশন ঘেরা মাঠে, সেকেন্ড বা থার্ড ডিভিশন খোলা মাঠে। কী অমোঘ আকর্ষণ ওই মাঠের। খেলা আরম্ভ হবে ঘেরা মাঠে, দলে দলে লোক যাচ্ছে দেখতে। ঠাণ্ডা লেবু জল দেদার বিকোচ্ছে। চানাওয়ালা ঘন্টা বাজিয়ে লোক ডাকছে। ফুচকাওয়ালাকে ঘিরে হেরো আর জেতা দলের সমর্থক উবু হয়ে বসে পড়েছে। হুইসিল মারছে পাগলা ফকির। সে ঘেরা মাঠের বাইরে রেফারিগিরি করে। ফাউল অফ-সাইড ধরে ফেলে। গড়ের মাঠের গড়ের ওপারে সূযার্স্ত হচ্ছে। ট্রামের জন্য হাঁটছি। খুব ভীড়। যে ট্রাম ধর্মতলায় ঢুকছে তার সেকেন্ড ক্লাসে উঠে গুনগুন করছে হাবুলদা, সুরের আকাশে তুমি যে গো শুকতারা…। তখন কলকাতা অন্যরকম ছিল। হাবুল মল্লিক ইস্কুল পাশ করতে পারেনি। খেলা ছাড়া আর কিছু জানত না। কোথায় হারিয়ে গেল জানি না। হয়তো গড়ের মাঠেই। তার তো আরম্ভ নেই শেষ নেই। মাঠে প্রবেশ করে আর বের হতে পারছে না।

    হাবুল মল্লিকই গড়ের মাঠ চিনিয়েছিল। সে-ই বলেছিল একদিন খিদিরপুর যেতে হবে। যে ট্রাম যায়, সেই ট্রামেই ফিরব। কেন যেতে হবে? না সেই ট্রাম গড়ের মাঠ ভেদ করে বেহালা, খিদিরপুর যায়। ট্রামেই বসে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালকে কী সুন্দর না দেখায়। হাবুলদা দেখেছে কিন্তু আমাদেরও দেখাতে চায়। ঘোড়দৌড়ের মাঠের পাশ দিয়ে যাবে সেই ট্রাম। কপালে থাকলে রেসও দেখা যাবে বাইরে থেকে। পুজোর সময় কবিতীর্থর ঠাকুর দেখতে গড়ের মাঠের এক প্রান্ত থেকে ট্রামে চেপে সেই অবারিত প্রান্তর ভেদ করে খিদিরপুর গিয়েছিলাম। সন্ধ্যার শহর। ভিক্টোরিয়ার মাথার উপরে অর্ধেক চাঁদ দেখেছিলাম ফেরার সময়। তখন ভিক্টোরিয়া এত আলোয় সাজেনি। কিন্তু অন্ধকারে তার গায়ের শ্বেত পাথর থেকে ঠিকরে আলো বেরিয়ে আসছিল। আশ্বিনের রাত। গড়ের মাঠ নির্জন। ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক শোনা যাচ্ছে। কত বড় মাঠ। অন্ধকারে নেমে গেলে দিকহারা হয়ে যাব। অবাক হয়ে অন্ধকার দেখেছিলাম। মনে আছে এখনো। কত বড় বড় গাছ। ভুষন্ডীর মাঠ হয়ে যায় রাত্রিকালে গড়ের মাঠ। আন্নাকালি তার আগের জন্মের স্বামীকে খুঁজে পেয়ে মুড়ো ঝ্যাঁটা নিয়ে তাড়া করে।

    গড়ের মাঠ নামে সেই আমলে ট্যাবলয়েড সাইজের একটা খেলার পত্রিকা বের হতো। মনে হয় কলকাতার সবচেয়ে পুরোন খেলার পত্রিকা। তার ছবির গায়ে হাত পড়লে কালি উঠে ছবি ধ্যাবড়া হয়ে যেত। কিন্তু কী ডিম্যান্ড! পকেটে দু-চার আনা থাকলে তা দিয়ে গড়ের মাঠ কিনে ধর্মতলা থেকে হন্টন। ট্রাম লাইন ধরে বেলগেছে। রাস্তা ভুল হওয়ার চান্স নেই। খেলার মাঠ নামে আর এক পত্রিকাও পাওয়া যেত এই ময়দানে। পরে বের হয়েছিল অলিম্পিক। খেলার দিন দেদার বিকোত।

    গড়ের মাঠে খেলার সেই আকর্ষণ এখন নেই। ইস্টবেঙ্গল মোহনবাগান, মহামেডান… ভাল খেলা হয় যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে। গড়ের মাঠ, ঘোড়সওয়ার পুলিশ, মানুষের দৌড়, র‍্যামপার্ট বাতাসে ভেসে আছে। মনে হয় গড়ের মাঠ নিঃসঙ্গ হয়েছে। কিন্তু গড় আছে আর তার মাঠ তো আছেই। ফি বছর এই মাঠে বই মেলা বসত। কিছু মানুষ পণ করে তা তুলেই দিল কোর্ট কাছারিতে গিয়ে। তবু গড়ের মাঠ আছে। সন্ধ্যায় নিঃসঙ্গ মানুষটি বসবে কোথায় চটি খুলে তার উপরে পাছা রেখে পা লম্বা করে গড়ের মাঠে। সমস্ত দিনের শেষে বিশ্রাম। সন্ধ্যায় ঘরে না ফিরে গড়ের মাঠে। বাড়িতে দুঃখ জমা আছে হে। দুঃখ বোঝো? ঘরে বাতাস নেই, দমচাপা। এখেনে গঙ্গার হাওয়া দেয়। দখিনা বাতাস। গা জুড়োয়। মাঝে মাঝে পাহারাওয়ালা লাঠি ঘুরিয়ে দেখে যায় কারা আছে। মেয়েমানুষ নিয়ে পুরুষমানুষ বসেছে কিনা। বসলে তাদের বয়স কত, দূরত্ব কত পরস্পরের। গিয়ে দেখুন অন্ধকারে কিংবা অল্প চাঁদের আলোয় এক মধ্যবয়সী মোবাইল ফোনে কথা বলেই যাচ্ছে। হয়ত পুরাতন প্রেম কিংবা নতুন সম্পর্ক। হয় তো বউ ছেড়ে গেছে তাকে। বউয়ের সঙ্গেই কথা হয়ে যাচ্ছে। ফিরে এস কুসুম। শহীদ মিনারের আশেপাশে কত মানুষ সন্ধ্যায়। চাওয়ালা চানাওয়ালা আইসক্রিমওয়ালা ঘুরছে। ঘুরছে পুলিশের খোচড়। মেয়েমানুষের দালাল। কানের কাছে এসে ফিসফিস, একদম ফিরেশ। এইট্টিন। ফ্যামিলি গার্ল। ফ্যামিলি থেকে আসা বউ। হুঁ, গড়ের মাঠ তো ভিক্টোরিয়া অবধি প্রসারিত। অনন্ত অন্ধাকার নিয়ে আধা ঘুমে পড়ে থাকে সন্ধ্যা থেকে। ঘুরছে কিশোরী কন্যারা। এতবড় ময়দান। রাস্তা থেকে অন্ধকারে নেমে গেলেই হলো। পাহারাওয়ালা নেবে কিছু। ভয় নেই স্যার আসুন। তখন ঘোড়ায় টানা ফিটন গাড়ির ভিতর থেকে নেমে আসা প্রেমিকার গলার মালা গড়ের কাছে পথের উপর লুটোয়। অশ্বমেধের ঘোড়া (দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়) গল্পের সেই ফিটন গাড়ি নিয়ে ভিক্টোরিয়া স্মৃতি সৌধের পাশ দিয়ে ঘুরে গড়ের পাশ দিয়ে এগিয়ে রেড রোড ধরে গঙ্গার কাছে চলে যেতে পারেন আপনি। বাঁদিকের সবটাই গড়ের মাঠ। ডানদিকে ইডেন গার্ডেন। একবার আগুন লাগতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের কনরাড হান্ট দুই দেশের পতাকা বাঁচাতে আগুনের দিকেই ছুটেছিলেন। চার্লি গ্রিফিথ মাঠের ভিতর দিয়ে ছুটে ছিলেন হেল্প হেল্প করতে করতে। গড়ের মাঠ জানে তা। তবে কিনা অনেক বছর তো হলো। স্মৃতি বিভ্রম ঘটতে পারে। পারেই। আরো আছে দুঃখের স্মৃতি। ঘেরা মাঠের গ্যালারি ভেঙে অনেক সমর্থকের মৃত্যু। গড়ের মাঠ দেখেছে তা।

    গড়ের মাঠ দখল করে নিয়েছে নানা কিসিমের মানুষ। বাস টারমিনাস থেকে দীঘা শিলিগুড়ি বালুরঘাট কোচবিহারের বাস ছেড়েই যাচ্ছে সমস্তদিন ধরে। দুপুরে কাউয়া গোণার অপরাধে বিহারী ভোলেভালে লোকটিকে ফাইন করেছে মৌচ পাকানো লাঠি ঘুরানো পাহারাওয়ালা। অবারিত প্রান্তরে ঘুমিয়ে পড়েছে কতজন। এতখানি রোদ শীতকালে আর কোথায় পাবে? পারলে শীতের দেশে রপ্তানি করা যেত। গরমের দিনেও গাছতলায় ঘুমিয়ে আছে নিশ্চিন্ত মানুষ। ওই দূরে প্যাটন ট্যাঙ্ক। বাংলাদেশ যুদ্ধের সময় তাকে রণাঙ্গন থেকে নিয়ে এসে রেখে দিয়েছে সেনাবাহিনী। যুদ্ধের স্মৃতি।

    এইই তো কলকাতা শহরের ফুসফুস। প্রোমোটার আর রিয়েল এস্টেটের কারবারিরা যেতে যেতে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে, ইস, কত ফ্ল্যাট হতো। কলকাতার এই জায়গাটিই পড়ে আছে। ফেলে রাখার মানে কী? বসন্তদিনে গড়ের মাঠ ভেদ করে ছুটে যাওয়া রাজপথ কুসুম কুসুমে রঞ্জিত হয়ে থাকে। গাছে গাছে কৃষ্ণচূড়া রাধাচূড়া… লাল হলুদ। কী যে রূপ হয় তখন এই প্রান্তরের। আহা এ যেন সেই ধুলাউড়ির মাঠরে ভাই, ধুলাউড়ির মাঠ। লাল শাড়ি আঁচল উড়িয়ে কে পার হয়ে যাচ্ছে সেই মাঠ। ভোল কন্যা নয় তো? ভুলিয়ে ভুলিয়ে ঘুরিয়ে মারবে মাঠের ভিতর।

    তাজা বাতাস নিতে এই মাঠে ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতে গাড়ি নিয়ে প্রাতঃ ভ্রমণে আসেন বরিষ্ঠজন। সবুজ ঘাসের উপর পা ফেলে ফেলে আয়ু বাড়ান। লাইফের এক্সটেনশন চান ভগবান স্যারের কাছে। হুঁ। এমনই এক উষাকালে হয়তো হয়েছিল গড়ের মাঠে প্রথম রক্তপাত। মৃত্যু। যে প্রান্তরে যুদ্ধ হয়নি, রক্ত ঝরেনি এমন একটা সেনাবাহিনি সমেত গড় থাকতে, সেই প্রান্তরে ভয়ানক রক্তপাত, নিষ্ঠুর হত্যা দেখে ভয়ে আমাদের প্রিয় নায়ক অভিনেতা পালিয়ে গিয়েছিলেন মুম্বই। গুলির শব্দ। আর্তনাদ। আপনি কিছু দ্যাখেননি। কে লোকটা? লেখক বিপ্লবী সরোজ দত্ত। সেই ঘটনা রক্তাক্ত করেছিল গড়ের মাঠের বুক। সেই রক্তের দাগ এখনো শুকোয়নি। আমরা মুছে দিতে পারিনি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাতাসবাড়ি জ্যোৎস্নাবাড়ি – অমর মিত্র
    Next Article নরেন হরেন সাধু মানুষ – অমর মিত্র

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }