Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে – অমর মিত্র

    লেখক এক পাতা গল্প273 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নিরাপত্তাহীনতার জীবানু এবং নিরাপত্তার আনন্দধ্বনি

    জাতি সঙ্ঘে একটি নিরাপত্তা পরিষদ আছে। যার স্থায়ী সদস্য চিন, ফ্রান্স, রাশিয়া, ইংল্যান্ড ও আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র। অস্থায়ী সদস্য দশ। এই পরিষদের কাজ বিশ্বে শান্তি রক্ষা করা। যুযুধান দুই পক্ষকে থামানো। অন্যায় যুদ্ধে বিপর্যস্ত দেশের হয়ে লড়াই করতে জাতি সঙ্ঘের সামরিক বাহিনী পাঠানো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর নিরাপত্তা পরিষদ গঠন হয়। এর আগে আগেই জাপানে পরমানু বোমা পড়েছে ৬-ই আগস্ট এবং ৯-ই আগস্ট। বলছি নিরাপত্তা পরিষদ থাকতেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কি যুদ্ধ বন্ধ হয়েছে? দুর্বলের উপর সবলের সামরিক অভিযান? গত শতাব্দীতেই তো হয়েছিল ভিয়েতনাম যুদ্ধ। নিরাপত্তা পরিষদ কোনো রাষ্ট্র আর তার জনগণকে নিরাপত্তা দিতে পারে? ভিয়েতনামকে নিরাপত্তা দিতে পেরেছিল, তার জনগণকে? কোনো জনজাতিকে নিরাপত্তা দিতে পারে জাতিসঙ্ঘ? আদিবাসী জনজাতিকে মেরে তাদের অরণ্য পাহাড় দখল বন্ধ করতে পেরেছে নিরাপত্তা পরিষদ? আমেরিকার আদিম উপজাতিরা জাতি সঙ্ঘের কাছে আবেদন করেছিল, তাদের যা যা হরণ করা হয়েছে, বন-পাহাড়, নদী, সমুদ্রতট, প্রান্তর, আলো-বাতাস, শ্বেতাঙ্গদের কাছ থেকে সব ফিরিয়ে দিতে। নিরাপত্তা পরিষদ কি পেরেছে? নিরাপত্তা পরিষদ পারেনি ইরাকে হাসপাতালের উপর, বিদ্যালয়ের উপর বোমা বর্ষণ বন্ধ করতে? ইরাক যুদ্ধে নিরীহ ইরাকি বন্দীদের উপর মার্কিন সেনা বাহিনীর নৃশংসতা বন্ধ করতে, আবু গ্রাইব কারাগারের ভয়ঙ্কর নির্যাতনের বিপক্ষে কোনো প্রস্তাব নিতে? আফগানিস্তানে ক্রমাগত সামরিক আগ্রাসন রুদ্ধ করতে? একটা দেশ তো তার মানুষকে নিয়েই হয়। জনগণ একটা দেশের সম্পদ। শুধু মরুভূমি কিংবা সমুদ্র, মহাসমুদ্র নিয়ে তো দেশ হয় না। রাষ্ট্র হয় না। মানুষ না থাকলে কী নিয়ে রাষ্ট্র হবে? পাহাড় আর বনভূমি আর বন্যজন্তু কিংবা সামুদ্রিক প্রাণী নিয়ে, মরুপ্রান্তরের শকুন আর হাড়-কঙ্কাল নিয়ে? মানুষই রাষ্ট্র গড়ে। রাষ্ট্রকে সম্পদশালিনী করে তোলে। দেশ প্রেমিক হয়। দেশদ্রোহী শিরোপা পায় ক্ষমতার হাতে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে ক্ষমতার বিরুদ্ধে কথা বললে। রাষ্ট্রেই তার নাগরিক মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়। মানুষ নানা আতঙ্কে কুঁকড়ে থাকে। থাকে। কী করে থাকে?

    খোঁজ নিয়ে দেখুন নিরাপত্তা পরিষদ যেমন জাতি সঙ্ঘে আছে, অন্য নামে নিরাপত্তা পরিষদ আপনার পাড়ায় আছে, পাড়া থেকে শহরে আছে, শহর থেকে রাজ্যে আছে, রাজ্য থেকে দেশে আছে। নাগরিক সমাজে আছে। সমাজ তো দেশের অংশ। আপনি ছা-পোষা গেরস্ত। আপনার কাছে অমুক সঙ্ঘ (জাতি সঙ্ঘ নয় নিশ্চয়) এসে দাবী করল গণেশ পুজায় হাজার টাকা, দুহাজার টাকা। আপনার বাড়ির সামনে ১০০ ডেসিবেল মাত্রায় লাউড স্পিকার, বাড়িতে অসুস্থ প্রবীণ, আপনি সঙ্ঘের কাছে অনুনয় করে বিচার না পাওয়ায় গেলেন নিরাপত্তা পরিষদে। তিনিই সব দেখেন। বাড়িতে স্বামী স্ত্রী, শাশুড়ি বউয়ের কলহ হলেও তিনি দেখেন, কলেজে ছাত্র ভর্তি হতে না পারলেও তিনি দেখেন। তিনি যদি সদয় হন তবে সমস্যার সুরাহা হতে পারে, না হলে আপনার জীবন হানি হতে পারে। লাউড স্পিকার বাজানো আর পটকা ফাটানোর প্রতিবাদ করতে গিয়ে হত হয়েছেন এমন দৃষ্টান্তের অভাব নেই। অভাব নেই অ্যাসিড ছুঁড়ে আপনার কন্যা সন্তানের উপর শোধ নেওয়ার দৃষ্টান্তেরও। কন্যার অপরাধ, পাড়ার ছেনো কিংবা ধেনো, ইত্যাদি আপনজনের প্রস্তাবে সে ‘না’ করেছিল। তারাই নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য।

    সেনা বাহিনী, আমার দেশের নিরাপত্তা রক্ষা করে। সীমান্তে প্রহর জাগে। আবার বন্যা, ভূমি কম্প, পাহাড়ে ধ্বস নামলে সেনা বাহিনী ভরসা। বিপন্ন মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়ার ক্ষমতা এবং শৌর্য সেনা বাহিনীরই আছে। সব দেশেই তা হয়। আবার এই বাহিনীই তো বিদ্যালয়, হাসপাতালে বোমা ফেলে। অপরাধী সন্দেহে মানুষকে গাড়ির পিছনে বেঁধে গাড়ি চালিয়ে দেয়। সেনা জওয়ানের চেয়ে রাষ্ট্র পরিচালকের ভূমিকা এখানে প্রধান। কর্তার ইচ্ছায় মানুষ বিপন্ন হয়। কর্তাই ঠিক করেন কে নিরাপত্তা পাবে, কে পাবে না।

    রাষ্ট্র গড়েছে মানুষ। আবার সেই মানুষের নিরাপত্তা রাষ্ট্রের হাতেও সব সময় মজবুত নয়। নয়। আমার বন আমার পাহাড় তুমি কেড়ে নেবে। নির্বিচারে গাছ কেটে মরুভূমি করে দেবে অপরূপ প্রকৃতি, আমি তার প্রতিরোধ করলে বিপদ। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় আরণ্যক উপন্যাসের শুরুতে যে বনভূমির কথা বলেছিলেন, নায়েব সব জমি বন্দোবস্ত দিয়ে ফেরার সময় অনুধাবন করেছিল, কাজটা ভালো হয়নি। বনভূমি ধ্বংসের সূত্রপাত ঘটেছিল জমি বন্দোবস্তে। আরণ্যকের সেই আদিবাসী গ্রাম, আদিবাসী রাজা, রাজকন্যা ভানুমতীর ধনঝরি পাহাড় ধ্বংসের প্রতিবাদে জোতদার রাসবিহারী সিঙেরা এখন গ্রাম পুড়িয়ে দেবে, জেলখানায় ভরে দেবে। রাসবিহারী সিং’এর হাতে যে ক্ষমতা, তাই-ই রাষ্ট্রের ক্ষমতা।

    ক্ষমতার বিরুদ্ধে গেলে আপনি বিপন্ন। সেখানে গণেশ পুজো করা অমুক সঙ্ঘও রাষ্ট্র। হ্যাঁ তাই। তার সঙ্ঘের মাথায় রয়েছে এলাকার নিরাপত্তা পরিষদের হাত। তাই সে বিরূপ হয়ে বোমা পিস্তল নিয়ে আপনার হাড় হিম করে দিতে পারে। এই ভাবেই সেই কাষ্ঠ ব্যবসায়ী, যে জঙ্গল সাফ করে মুনাফা তোলে, সেও রাষ্ট্র, কারণ তার পিছনেও রাজ্যের কিংবা মহকুমার, কিংবা জেলার অথবা পঞ্চায়েতের কর্তার হাত আছে। কেন না তার মুনাফায় কারোর কারোর ভাগ আছে। একের ক্ষমতা অন্যের নিরাপত্তা ধ্বংস করে, যেমন হিরোসিমা বা নাগাসাকিতে করেছিল আমেরিকা, যেমন সন্দেহ করা হয়, সেই আমেরিকার রাষ্ট্রপতি জন.এফ.কেনেডির জীবন নিয়েছিল অস্ত্র ব্যবসায়ীরা। কেনেডি অস্ত্র সংবরণ করতে চেয়েছিলেন ভিয়েতনামে। কিউবার প্রতি ছিলেন সহানুভূতিশীল। অস্ত্রই তো ক্ষমতা। জে.এফ.কে নামের একটি সিনেমায় এমন অনেক সন্দেহ স্পষ্ট করে তোলা হয়েছে। অস্ত্রই ক্ষমতা, এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হিরোসিমা, নাগাসাকি। আমি কত বড়, আমি কতটা শক্তি ধরি তা দেখাতেই তোমার নিরাপত্তা শেষ করতেই হবে। ধ্বংস করতে হবে নাগরিক থেকে কীট-পতঙ্গ সমূহকে।

    পৃথিবীর বয়স হলো ঢের। মানুষের জ্ঞানের সীমা পরিসীমাও কম নয়। প্রযুক্তি মানুষের কাছে এনে দিয়েছে জ্ঞানের অনন্য ভাণ্ডার। তা যেমন আশীর্বাদ হয়েছে, তেমনি অভিশাপ হয়ে মানুষের বিপন্নতা বাড়িয়েছে ক্রমাগত। গণতন্ত্র এলে, রাজা-রানির শাসন গেলে, রাষ্ট্র হয়েছিল জনকল্যাণের। তা সম্ভব হয়েছিল উনিশ শতকের সংগ্রামে। তার ফলে বিশ শতকে ছিল নিরাপত্তা অর্জন। কী অর্জন? না, নিরাপত্তার অধিকার। কত অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছিল মানুষ। ৮ ঘন্টা শ্রম, কাজের নিরাপত্তা, কর্মীর সমস্ত জীবনের নিরাপত্তা, সব। কিন্তু একুশ শতকে এসে সেই সব অধিকার হরণ করে নেওয়া হতে লাগল ক্রমশ। এর পিছনে সোভিয়েতের পতন একটা কারণ হতে পারে, কেউ কেউ তা বলেন, আমিও অনেকটা তা ভাবি, কিন্তু সেই দেশে সাইবেরিয়ার নির্বাসন, ক্ষমতার বিরোধীদের বিপন্ন করে তোলাও তো সত্য ছিল। ক্ষমতাই আসলে রাষ্ট্রের নির্মাতা। তাই ক্ষমতা অথবা রাষ্ট্র বলল, অত নিরাপত্তা দেব কেন? মানুষ নিজে তা খুঁজে নিক। রাষ্ট্র শাসন করবে। নিরাপত্তা দেবে না যা চায় জনগণ। তখন জনগণ বিশ্বাস হারাতে থাকে রাষ্ট্রের প্রতি। আর রাষ্ট্রও তার জনগণের প্রতি বিশ্বাস হারায়। তখন কত রকম সন্দেহ তার ভিতরে জন্ম নেয়। অমল বিমল কমল এবং ইন্দ্রজিত এদের জীবনের গোপনীয়তা না জানলে রাষ্ট্র ক্ষমতা কি অটুট থাকবে? বিদ্রোহ তো ক্ষমতার বিপক্ষে সব সময় জাগরূক। অমল কী ভাবে, বিমলই বা কী চিন্তা করে? তাদের একটা পরিচয় পত্র হলো। কিছু তথ্য রাষ্ট্রের হাতে গেল। তারপর হলো কম্পিউটারে হাতের ছাপ, মুখের টাটকা ছবি নেওয়া পরিচয় পত্র। তার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হলো দূরাভাষ নং। আপনাকে বেঁধে ফেলা হলো। বলা হলো, এই পরিচয় পত্র না থাকলে, আপনার নাগরিকতাই সন্দেহমুক্ত হবে না। ব্যাঙ্কে লাগবে, রেল ভ্রমণে লাগবে, পাসপোর্টে লাগবে, যে কোনো সময়ে আপনার পরিচয় জিজ্ঞেস করা হতে পারে, তখন এই কার্ড নম্বর লাগবে। না থাকলে আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ, রেলের টিকিটের সংরক্ষণ বন্ধ, অনেক সুযোগ-সুবিধা রহিত হয়ে যাবে। মনে করুন এগুলি হারিয়ে গেছে, বন্যার জলে ভেসে গেছে (যা হয়েছে কেরলে) তখন? নতুন কোনো নিবন্ধন হবে না। সরকারি ঋণও নয়, ব্যাঙ্কের ঋণও নয়। ভয় হয়, এরপর না চাল চিনি কিনতে কার্ড প্রয়োজন হয়। না থাকলে নতুন কিছুই হবে না। এসব হলো রাষ্ট্রের খেয়াল। মানে ক্ষমতার খেয়াল। খেয়ালও নয়, সুচিন্তিত কৌশল। ক্ষমতা চায় মানুষ উদ্বিগ্ন হয়ে থাকুক, উদ্বেগ ভয়ের জন্ম দেয়। মানুষ ভয়ে থাকুক। তাহলে শাসনে সুবিধে অনেক। ফলে আমার আধার কার্ড, ভোটার কার্ড বার বার ভিন্ন স্থানে চলে যায় অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করা হয় বলে। সব ঠিক ঠাক আছে তো? এ হলো এক উদ্বেগ। ব্যাঙ্কের পাশ বই এক উদ্বেগ। এ টি এম কার্ড এক উদ্বেগ। অতি কষ্টে উপার্জন করা অর্থ লোপাট না হয়ে যায়। লোপাট হচ্ছে। ব্যাঙ্ক কি দায় নিচ্ছে? তাই আমাকে অদ্ভুত সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। জানি না কী করলে আমার অর্থের নিরাপত্তা শতকরা ১০০ ভাগ সুনিশ্চিত হবে। কিন্তু এ টি এম কার্ডে টাকা তুলতে পাঁচবার ভাবি। সরকার দায় নিচ্ছে না। মানুষ নিজেরটা নিজে বুঝে নিক।

    আবার এক নতুন উদ্বেগ এসেছে আমার বন্ধু আর প্রতিবেশীর জন্য। আসামের কথা বলছি। সেখানে জাতীয় নাগরিক পঞ্জী তৈরি করছেন দায়বদ্ধতা শূন্য সরকারি কর্মচারী। ফলে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি ফকরুদ্দিন আলী আহমেদের পরিবার অনাগরিক বলে ঘোষিত হন। ৪০ লক্ষ মানুষের ঘুম গেছে। এবং সামাজিক নিরাপত্তা। ১৯৭১-সালের ২৬শে মার্চের আগে এই দেশে আপনি যে ছিলেন তার একটা প্রমাণ দিন। জমির দলিল, জন্মের শংসাপত্র, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশের সার্টিফিকেট…ইত্যাদি ইত্যাদি। যিনি ইস্কুলের শেষ ধাপ অবধি যাননি, সেই কৃষক, ক্ষেত মজুর, শ্রমিক কী দেখাবেন? জমি কেনার দলিল। জমি না থাকলে? জমি আছে, কাগজ মানে পর্চা, দলিল নেই, তাঁর কী হবে? এমন তো হয় বেশি। জমি দখল করে তিন পুরুষের ভিটে। কিন্তু জমি হয় সরকারি খাস কিংবা অন্যের। কাগজ যা আছে, ভুল কাগজ। কেউ জানে না রেকর্ডে কার নাম। ফলে তিনি হয়ে গেলেন অনুপ্রবেশকারী। তাঁর জন্য অপেক্ষা শিবির হয়েছে। হায়, কী ভয়ানক আতঙ্ক। আতঙ্ক হয়তো কাটবে, হয়তো কাটবে না। ৯৮ বছরের বৃদ্ধ যিনি ১৯৪৭-এ উদ্বাস্তু হয়ে সীমান্ত পার হয়েছিলেন, তাঁর বৈধ কাগজপত্র থাকতেও নাম নেই নাগরিক পঞ্জীতে। হয় এই খাতায় না হয় চিত্রগুপ্তের খাতায়। সরকারের বেতনভূক কর্মচারী, ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা শাসক, নিরাপত্তার বলয়ে যাঁদের জীবন যাপন, তাঁরা তাঁর নিরাপত্তা হরণ করেছেন। দরিদ্র অতি সাধারণ যে নাগরিক, তাঁকে বিপন্ন করতে পারলে আর সকলে ভয়ে থাকবে। মাথা তুলে কথা বলবে না। মানুষের যে হয়রানি হলো, তার ক্ষতিপূরণ কে দেবে?

    মানুষের নিরাপত্তা সুরক্ষিত করাই শাসকের প্রধান কাজ। দিল্লিতে শাসক যিনি, হটুগঞ্জে নিশ্চয় তিনি নন। কিন্তু আসলে তিনিই। ক্ষমতার শীর্ষ কোথায় জানা নেই, কিন্তু তা ভাগ হয়েছে সর্বত্র। তাতেই দেশ এগিয়ে চলে। এগিয়ে যে চলে, তা আমাদের দেশে ক্রমাগত স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এখন দেখার কথা এই এগোন আসলে পিছোন কি না। এখন ধর্মাধর্ম জুড়েছে নিরাপত্তা পরিষদের ক্ষমতার সঙ্গে। ভেবে দেখুন আপনি নাস্তিক হতে পারবেন না। হলে আপনার জীবনের ভার রাষ্ট্র নেবে না। প্রতিবেশী দেশে হয়েছে এমন। আমার দেশেও। ধর্মের বিরুদ্ধে কথা বললে আপনার নিরাপত্তা সরকার দেবে না। এদেশে ওদেশে, দুই দেশেই। আপনি স্রোতে গা ভাসিয়ে চলুন, ভালো থাকবেন। আপনি জঞ্জাল, শ্যাওলার মতো স্রোতের অনুকূলে ভেসে চলুন, আপনার নিরাপত্তা সংরক্ষিত। আপনি মাছের মতো স্রোতের বিপক্ষে ভেসে যান, আপনি অনিরাপদ। আলব্যের কামুর ‘আউটসাইডার’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্রটি, যার জবানীতে উপন্যাসের কাহিনি বর্ণনা করা হয়েছে, সেই প্রটাগনিস্টের অপরাধ কী ছিল? মায়ের মৃত্যুতে সে যথার্থ শোকার্ত হয়নি। মা থাকতেন বৃদ্ধাশ্রমে। সেখানে মা ভালো ছিলেন। বয়সজনিত কারণে মারা গেছেন। কিন্তু তুমি সন্তান হয়ে মৃত্যুর পরের দিন প্রেমিকার সঙ্গে জলক্রীড়া করেছ, হাসির ছবি দেখেছ, ইত্যাদি ইত্যাদি…। আরবদের হত্যা করেছিল সে, সেই অপরাধ প্রমাণ করতে মায়ের মৃত্যুর পর তার আচরণ কেমন ছিল তা বিবেচ্য হয়। তুমি স্রোতের বিপক্ষে গেলে নিরাপত্তা পাবে না পরিষদের কাছ থেকে। প্লেগ উপন্যাসে প্লেগে অবরুদ্ধ শহর রোগমুক্ত হয়েছে, জনগণ উৎসবে মেতেছে, দূর থেকে সেই উল্লাস শুনতে শুনতে ডাঃ রিও ভাবছে, মানুষের এই উল্লাস, আনন্দধ্বনি যে কোনোদিনই হয়তো আবার থেমে যাবে। নিয়ম তাই। প্লেগের জীবানু কখনোই সম্পূর্ণ নিঃশেষ হয় না। থাকে। বছরের পর বছর ঘুমিয়ে থাকে আসবাবপত্র, জামা-কাপড়ের বাক্সের ভিতর, শোবার ঘরে, ভাঁড়ারে লুকিয়ে থাকে। তারপর আচমকা বেরিয়ে আসে মানুষের সর্বনাশ করতে। ইঁদুরের ভিতর ঢুকে পড়ে শহর রোগে প্লাবিত করে দেয়। নিরাপদ জীবন অবরুদ্ধ হয়, বিপন্ন হয়। মৃত্যুর সঙ্গে দেখা হয় অনবরত। মানুষের নিরাপত্তার ধরণ অমনিই। কাস্টমসের উচ্চপদস্থ অফিসার অভিজিৎ সিনহা ছিলেন শান্ত নির্বিরোধ মানুষ। তাঁর ফ্ল্যাটে ঢুকে পড়ল নিরাপত্তারক্ষীরা। সন্দেহ তিনি বিপজ্জনক ব্যক্তি। তাঁর ফোন নম্বর পেয়েছে তারা কোথায় কোন দেশদ্রোহীর ডায়েরিতে। জেরায় জেরায় ভীত মানুষটি আত্মহত্যা করেছিলেন। আমি নিরাপদ কতক্ষণ, যতক্ষণ নিরাপদ আছি। নিরাপত্তাহীনতার জীবানু, সেই প্লেগের জীবানু, কোথায় ঘুমিয়ে আছে আমি জানি না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাতাসবাড়ি জ্যোৎস্নাবাড়ি – অমর মিত্র
    Next Article নরেন হরেন সাধু মানুষ – অমর মিত্র

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }