Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে – অমর মিত্র

    লেখক এক পাতা গল্প273 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পৃথিবীর পাঠশালায়

    যে সময়ে আমি ১৭-১৮, সেই সময়ে পশ্চিমবঙ্গে নক্সালবাড়ির গণ অভ্যুত্থান হয়ে গেছে। আমার বন্ধুরা কেউ কেউ ঘর ছেড়েছে। সোভিয়েত রাশিয়াকে তখন সোভিয়েত সাম্রাজ্যবাদ নামে যথেচ্ছ গালাগালি দেওয়া হতো। দেওয়ালে দেওয়ালে লেখা হতো চিনের চেয়ারম্যান আমাদের চেয়ারম্যান। কত সব শ্লোগান লেখা হতো, উচ্চারিত হতো, একটি ছিল আমার খুব পছন্দের, “গ্রামে গ্রামে ডাক পাঠাও, জোট বাঁধো তৈরি হও।” সেই ১৭ থেকে ২২-২৩ বছর বয়স ছিল ভয়ের সময়। পুলিশী সন্ত্রাস নেমে এসেছিল সেই সব বিপ্লবীদের শেষ করে দিতে। দুই প্রতিভাবান কবি, বিপ্লবী কবি তিমিরবরণ সিংহ এবং দ্রোণাচার্য ঘোষের মৃত্যু হয়েছিল পুলিশের হাতেই। জেলখানায়। সরোজ দত্তের নিহত হওয়ার কথা নতুন করে বলার নয়।

    আমি রাজনীতি করিনি কোনোদিনই। রাজনীতির লোকদের থেকে দূরে থাকতে চেয়েছি বেশিরভাগ সময়। আমার মনে হয়েছে কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাঁরা যা বোঝেন, তা আর কেউ বোঝে না। মফস্বলের কেন শহরের রাজনীতিকের কাছে কত যে শুনতে হয়েছে, কী পড়ব, কী লিখব নিয়ে কত কথা। কিন্তু এর মানে যে এইটাই সব তা নয়। বহরমপুর থেকে প্রকাশিত হতো ‘অনীক’। ‘অনীক’ পুরোপুরিই বিপ্লবী সাহিত্যের পত্রিকা। সম্পাদক অধ্যাপক দীপঙ্কর চক্রবর্তী বিপ্লবী রাজনীতি করতেন। জেলও খেটেছিলেন অনেকদিন। তিনি ছিলেন আমার প্রিয় সম্পাদক। পরম শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব। কোনোদিন জোর খাটাতে চাননি। ৩০ বছরে একবারই আমার গল্প তাঁর পছন্দ হয়নি। আর তিনি আমার এমন গল্প ছেপেছেন যে তার জন্য তাঁকে জবাবদিহি করতে হয়েছে। নিন্দিত হয়েছেন। পরে প্রমাণিত হয়েছে তিনিই ঠিক। আমার একটি উপন্যাস “নিরুদ্দিষ্টের উপাখ্যান” তিনিই ছেপেছিলেন। চটকল শ্রমিক ভিখারি পাশোয়ানের অন্তর্ধান নিয়ে সেই আখ্যান। হ্যাঁ, পুলিশ তাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল। ১৯৯৭-৯৮ এর ঘটনা। দীপঙ্কর চক্রবর্তী, রতন খাসনবিশ বা অনুষ্টুপ সম্পাদক অনিল আচার্য ব্যতিক্রমী মানুষ। এই সব কথা বলা ১৯১৭-র রুশ বিপ্লবের শতবর্ষ নিয়ে কথা বলতে বসে। আমি রাজনীতির মানুষ নই। আমি প্রকৃতিগত ভাবে প্রশ্ন করতে ভালবাসি। রাজনীতি চায় প্রশ্নহীন আনুগত্য। রাজনীতি না করলে কী হবে, ছোটবেলা থেকে রুশ বিপ্লব, চৈনিক বিপ্লব নিয়ে বেড়ে তো উঠেছি। লেখা নিয়ে যাঁদের কাছে গিয়েছি, সেই দেবেশ রায় বা দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় তো রাজনীতিরই মানুষ। কিন্তু লেখক হিসেবে অনন্য। অসীম রায়ের গল্পে আমি সেই বয়সে মুগ্ধ। তাঁর গল্প বা উপন্যাস একটুও রাজনীতি বিবর্জিত নয়। অনি, ধোঁয়া ধুলো নক্ষত্র, শ্রেণী শত্রু, অসংলগ্ন কাব্য – আমার প্রিয়পাঠ হয়ে উঠেছিল সেই সময়। সেই সময়ে, ১৯৭৫ সালে আমি “পরিচয়” পত্রিকায় প্রথম গল্প লিখি, শকুন্তলার জন্ম। সম্পাদক দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯৭৬-এর পুজোয় “পরিচয়” পত্রিকার শারদীয়তে প্রথম গল্প লিখি “রাজকাহিনি”। সেই বছরই সমরেশ বসু বহুদিন বাদে শারদীয় পরিচয়-এ গল্প লেখেন। দীপেন্দ্রনাথের সম্পাদনায় পরিচয় খুব উচ্চমানে উঠেছিল। পরবর্তীকালে দেবেশ রায় বা অমিতাভ দাশগুপ্ত-র সম্পাদনায়ও। কম বয়স। সেই সময়ে এক অখ্যাত তরুণের পরিচয় পত্রিকায় লিখতে পারা ছিল খুবই গর্বের। ১৯৭৬ সালে পরিচয় পত্রিকা বের করে অসামান্য এক ফ্যাসিবিরোধী সংখ্যা। সেই সংখ্যার প্রুফ দেখতেন দীপেন্দ্রনাথ, আমি কপি ধরতাম। ৮৯ নং মহাত্মা গান্ধী রোডে। সারা দুপুর কেটে যেত। আমি তখন চাকরি সূত্রে থাকতাম মেদিনীপুরের পশ্চিমে গোপীবল্লভপুর থানার অন্তর্গত বংশীধরপুর নামে এক গ্রামে। জরিপের কানুনগো। ছুটি নিয়ে কিংবা লুকিয়ে কলকাতায় চলে এসে সাতদিন-দশদিন, তারপর ফিরে একমাস বাদে আবার দশদিন বাড়িতে। ক্যাম্প অফিসে আমিই তো হেড। যখন থাকতাম, রবিবারেও কাজ করে পালিয়ে আসা দিনগুলির কাজ উদ্ধার করে দিতাম। বহুদূর সেই অঞ্চল। বাসে ৭ ঘন্টার পর ১ ঘন্টা ৪৫ মিনিট পায়ে হেঁটে পৌঁছতে হতো। আদিবাসী অধ্যুষিত। আর নক্সালবাড়ি আন্দোলনে গোপীবল্লভপুর তখন সংবাদের শিরোনামে। সেই সময় সেই আন্দোলন শেষ করে দিয়েছে পুলিশ এবং সেন্ট্রাল রিজারভ পুলিশ। দীপেন্দ্রনাথ প্রুফ দেখতে দেখতে আমার কোনোদিন তলস্তয়, কোনোদিন দস্তয়েভস্কি, কোনোদিন আন্তন চেখভ নিয়ে আলাপ করতেন। কোনোদিন হয়তো গোপীবল্লভপুরে মানুষের বসতির ভাগ নিয়ে কথা জিজ্ঞেস করতেন। জমির মালিক আর ভাগ চাষীদের বাসস্থান যে আলাদা সেই কথা জিজ্ঞেস করে আমার জানাটিকে পরখ করে নিতেন। কোনোদিন বলতেন সোভিয়েত বিপ্লবের কথা। ১৯১৭-র মার্চ মাসে জার নিকোলাস-২ এর পতন এবং জনগণের সরকার গড়ে তোলা রুশ বিপ্লবের কথা। দুনিয়া কাঁপানো সেই দশদিনের কথা। ননী ভৌমিকের অনুবাদে বিখ্যাত সাংবাদিক জন রিডের লেখা দুনিয়া কাঁপানো দশ দিন-আমাদের উদ্দীপ্ত করেছিল। জারের পতনের কাহিনি নিয়ে সেই বই কী উদ্দীপনাই না জাগিয়েছিল আমাদের রক্তের ভিতরে। এরপর ১৯১৮-র অক্টোবর-নভেম্বরে বলশেভিক-কমিউনিস্টদের শাসন ক্ষমতা অধিকার, পৃথিবীর প্রথম সাম্যবাদের প্রতিষ্ঠা, আমাদের রক্তের ভিতরে স্পন্দিত হতো নিশ্চিত। রাজনীতি করি আর না করি, তবুও। নানা জাতি-উপজাতি, নানা প্রদেশ যুক্ত করে সোভিয়েত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা আমাদের কাছে ছিল গল্প কথার মতো। চারপাশের গ্রাম-নগর তখন দেখছি, বুঝতে পারছি সমাজে দুই দল মানুষ, কেউ খায় কেউ খায় না। তখন মানে সেই সত্তর দশকে সোভিয়েতকে চিহ্নিত করা হচ্ছিল সামাজিক সাম্রাজ্যবাদ হিশেবে। আমি তো রুশ সাহিত্যের অনুরাগী। আমি দেবেশ, দীপেন, অসীম রায়ের অনুরাগী। তিন বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা পড়ে, পরে শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় পড়ে প্রান্তিক মানুষ, নিম্নবর্গের মানুষ চিনেছি। চিনেছি নিজের গ্রাম বাসেও। ভূমি সংস্কার বিভাগে চাকরির সুবাদেও। ফলে নিজের তো ছিল অসম্ভব রুশ সাহিত্য প্রীতি। তা হয়েছিল সেই ছোটবেলা থেকে। আমাদের বাড়িতে সোভিয়েত দেশ এবং রুশ দেশে প্রকাশিত রুশ সাহিত্যের অনুবাদ আসতই। আমি জানি সোভিয়েত রাশিয়ায় বিপ্লব না হলে রুশ সাহিত্য আমার কাছে অনেকটাই থেকে যেত অধরা। আমি যেটুকু লিখতে শিখেছি তার অনেক শিক্ষাই যে রুশ সাহিত্য আমাকে দিয়েছে। দীপেন্দ্রনাথ রুশ সাহিত্যের কথা বলতেন। রাজনীতির একটি কথাও না। তাঁর মাথার উপর মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। নিস্তব্ধ দুপুর, আমি পৃথিবীর পাঠশালায় বসে আছি যেন। দীপেন্দ্রনাথ, দেবেশ রায় বা অমিতাভ দাশগুপ্ত এবং পরিচয় পত্রিকা চিরদিনই সোভিয়েতে মুগ্ধ। আমি চিন বা সোভিয়েত কে ভাল বা কে মন্দ, অত বুঝতাম না। বোঝার তেমন আগ্রহ ছিল কি? আমার যাবতীয় আগ্রহ সাহিত্যে। লু-সুন পড়ে মুগ্ধ। ম্যাড ম্যান’স ডায়েরি, আ কিউ এর সত্য কাহিনি আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছিল সাহিত্যের মহত্ব কোথায়। আ কিউ এর গল্প নিয়ে অরুণ মুখোপাধ্যায় ‘জগন্নাথ’ নামের যে নাটক করেছিলেন, তা বার কয়েক দেখেছি। সত্তর দশকের আরম্ভে রাজরক্ত, চাক ভাঙা মধু, কলকাতার হ্যামলেট, এই সব নাটকে সাম্যবাদ ছায়া ফেলেছে। সাম্যবাদী দর্শন, নক্সালবাড়ি আন্দোলন বাংলা নাটককে প্রভাবিত করেছিল গভীর ভাবে। প্রসঙ্গে ফিরে আসি, আমি আমার শৈশব থেকে রুশ বই, প্রগতি প্রকাশন, রাদুগা প্রকাশন-এর বই পড়ে বড় হয়েছি। সোভিয়েত দেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট সরকার একটা দেশের সাহিত্য, লোককথা, উপকথা সব অনুবাদ করে দেশে দেশে পাঠাচ্ছে। সেই সব বইয়ের দাম খুব কম। এই কাজের জন্যই সে দেশের সরকারের কাছে বিশ্ববাসীর চির-ঋণী থাকা উচিত। আমি প্রথম পড়ি বড় সাইজের উক্রেনীয় লোককথার একটি বই। আমার তখন পাঁচ-ছয় হবে। দাদুর দস্তানা। অসামান্য রঙ আর ছবিতে ভরা সেই বইই বোধ হয় এই অনুবাদ কার্যক্রমের প্রথম বই। খুব সম্ভবত ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। বাংলা ভাষায়। অনুবাদ করেছিলেন শঙ্কর রায়। ২০ পৃষ্টার বইয়ের পাতায় পাতায় আশ্চর্য ছবি এঁকেছিলেন, ই.রাচেভ, প্রকাশনা: বৈদেশিক ভাষায় সাহিত্য প্রকাশালয় (মস্কো)। এখন সেই বই হয়তো কারোর সংগ্রহে আছে। আমার কাছে নেই। তখন নিম্নবিত্ত পরিবারের শিশুদের জন্য এই বই ছিল আকাশ থেকে নেমে আসা মন্ডা মিঠাইয়ের মতো। কত বই ছিল এমন ২০-২২ পাতার। বই পেতে দিতাম শানের মেঝেতে। ভাই বোনেরা একসঙ্গে পড়তাম। আর অন্য সময় বই আমার। একই ছবি কতবার যে দেখেছি। কল্পনাকে উসকে দিত সেই বই, দাদুর দস্তানা। বনের ভিতরে পড়ে থাকা দাদুর দস্তানায় নেংটি ইঁদুর থেকে ঘোঁত ঘোঁত করা বুনো শুয়োর অবধি আশ্রয় নিল শীতের হাত থেকে বাঁচতে, শেষে সেই দস্তানা ফেটেই গেল। গল্পটি আবছা মনে আছে। আরো কত বই ছিল, “মোরগছানা”র কথা মনে পড়ে। সেই সব বই শৈশবকে মধুর করেছিল। এ ছাড়াও “প্রথম শিকার”, আজেরবাইজানের গল্প, কত বইয়ের কথা মনে পড়ে। আমাদের বাড়িতেই ছিল তলস্তয়ের ‘দুই হুজার’, নিকোলাই গোগোলের উপন্যাস ‘তারাস বুলবা’। বড় হচ্ছি রুশ সাহিত্য পড়তে পড়তে। আন্তন চেখভের গল্প পড়লাম কোন বয়সে তা আর মনে নেই। কিন্তু ছোটগল্পকে বুঝতে শিখেছি চেখভ পড়ে। হ্যাঁ, গল্পগুচ্ছ কিংবা তিন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রেমেন্দ্র মিত্রর গল্পও আমাকে ছোট গল্প লেখার পাঠ দিয়েছে। চেখভ আমাকে মোহিত করে রেখেছেন এত বছরেও। সেই কেরানির মৃত্যু, মুখোস, কুকুর সঙ্গী মহিলা, ছ’নম্বর ওয়ার্ড, কর্নেলের কুকুর, গুজবেরি…কত গল্প যে আজীবন মুগ্ধ করে রাখল। সাধারণ, অতি সাধারণ, বৈচিত্রহীন মানুষ নিয়ে কী আশ্চর্য সব গল্প। যখন ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি, নাটক নিয়ে মেতেছি। নিজে চেখভের মুখোস গল্পটি নাটকে রূপান্তরিত করলাম। সেই নাটক কতজনকে পড়ে শুনিয়েছি। প্রশংসা পেয়েছিলাম, কিন্তু মঞ্চস্থ করাতে পারিনি কোনো দল দিয়ে। এর পরে চেখভের নাটক দেখলাম অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মরণীয় অভিনয়ে। “মঞ্জরী আমের মঞ্জরী”। গোটা রুশদেশই যেন আন্তন চেখভ। কিন্তু তা যে নয়। এক সোভিয়েত রাশিয়ার ভিতরে নিকোলাই গোগোল, আলেকজান্ডার পুশকিন, লেভ তলস্তয়, ফিওদর দস্তয়েভস্কি, ম্যাক্সিম গোরকি, ইভান তুরগেনেভ, মিখাইল শলোখভ, এত সব মহৎ লেখক। মহৎ শিক্ষক, আমি যত পড়ি ততো ধন্য হয়ে যাই। গোগোলের ‘ওভারকোট’ গল্পেই তো আধুনিক ছোটগল্পের সূত্রপাত। ধীরে ধীরে পড়ছি রুশ সাহিত্য। আমার যেন সমগ্র বিশ্ব সাহিত্যই পড়া হয়ে যাচ্ছে। নিশ্চয় তা নয়, কিন্তু অনেকটা তো বটে। সোভিয়েত বইয়ের জন্যই আমি সোভিয়েত যুক্তরাষ্ট্র, রুশ বিপ্লবকে স্মরণ করছি। আসলে মানুষ তো শাদা কালো। ভালো মন্দতে মেশান। সে কমিউনিস্ট রাষ্ট্র হোক বা না হোক। ক্ষমতাই মানুষকে অন্ধকারে টেনে নিয়ে যায়। রাষ্ট্র শাসক তার ক্ষমতা ধরে রাখতে একনায়ক হয়ে ওঠে। সোভিয়েত ভেঙে যাওয়ার পরে এবং কিছু আগে এমন অনেক কথা শুনেছি যা আমাদের স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছিল। ইতিহাসের স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছিল। কিন্তু যে রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিল ১৯১৭-১৮য়, তা সমগ্র বিশ্বকে স্বপ্ন দেখিয়েছিল। সেই স্বপ্নের ভাষা আমরা পড়তে পেরেছিলাম সোভিয়েত বইয়ে। আমি স্মরণ করছি ম্যাক্সিম গোরকির দুই অসামান্য আত্মকথা, আমার ছেলেবেলা এবং পৃথিবীর পাঠশালা। পৃথিবীর প্রকৃত পাঠশালাই হয়ে উঠেছিল সোভিয়েত রাশিয়া। তলস্তয় অনুবাদে পড়লাম, ইভান ইলিচের মৃত্যু, ক্রয়েটজার সোনাটা। পরে রেজারেকশন, আনা কারেনিনা। কিছু গল্প। দস্তয়েভস্কির ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্ট পড়ি অবশ্য বাংলাদেশের অনুবাদে। অনুবাদ করেছিলেন আকবরউদ্দিন। সেই সোভিয়েত অনুবাদে গ্যাম্বলার পড়লাম। অপমানিত ও লাঞ্ছিত। ফাদার সিয়েরগি ও অন্যান্য গল্প। আমরা যে বিপ্লবের কথা অহরহ পড়েছি, কল্পনা করেছি, সেই বিপ্লবী সাহিত্য তো এসব নয়, কিন্তু মানুষের আত্মার কথা। গোর্কির মাদার অবশ্যই বিপ্লবের আখ্যান, কিন্তু তাও তো ছকের বাইরে। নিজের মায়ের সঙ্গে মিল খুঁজে পেতাম কী করে সেই কিশোরবেলায়। আর গল্পগুলির কথা স্মরণ করুন, চেলকাশ। সমুদ্রতীরের এক সন্ধ্যার সেই গল্প। শীত থেকে বাঁচতে মানুষ মানুষী পরস্পরকে আঁকড়ে শরীরের তাপে তাপিত হচ্ছে। এই রকম একটি গল্পই লিখেছিলেন সমরেশ বসু, খুব সম্ভবত তার নাম, ‘উত্তাপ’। রাশিয়ার লেখকরা আমাদের লেখকদের প্রভাবিত করেছিলেন সত্য। শরৎচন্দ্রের গৃহদাহ উপন্যাস আনা কারেনিনা প্রভাবিত যে তা আন্দাজ করা যায়। পুশকিনের কবিতা, গল্প, ছোট উপন্যাস আমাকে তাড়িত করেছে। স্টেশনের ডাক বাবুর মেয়ের গল্পটি মনে আছে। এমন স্পন্দিত জীবনের গল্প বলেছে রুশ সাহিত্য যে তার তুলনা মেলা ভার। উপজাতি সর্দার এবং অভিজাত পরিবারের সেই রাজপুরুষকে নিয়ে উপন্যাসটি, ‘ক্যাপ্টেনের মেয়ে’ কী অসামান্য! এই ঐতিহাসিক উপন্যাস উপজাতি সর্দারের নেতৃত্বে এক গণ বিদ্রোহের পটভূমিতে ১৮৩৬ সালে লেখা। অভিজাত রাজপুরুষদের নিয়ে জারের শাসন আর উপজাতি সর্দারের বিদ্রোহ, সর্দারের সঙ্গে রাজপুরুষের সাক্ষাৎ, আমি ভুলতে পারিনি। এমনিতে রুশদেশের শীতকাল, তুষারাচ্ছন্ন প্রকৃতির আমি মুগ্ধ পাঠক। প্রকৃতি পাঠই যেন হয় পুশকিন তলস্তয় পড়তে পড়তে। অভিজাত পরিবারের যুবকটি যাচ্ছিল সেনাবাহিনিতে যোগ দিতে। উচ্চপদে তার নিয়োগ হয়েছে। তুষারাচ্ছন্ন প্রান্তরে সে পথ হারায়। তার ফিটন গাড়ি সমেত সে কোথায় চলে যাচ্ছিল জানে না। মারাই পড়ত ঘুরে ঘুরে, কিন্তু এক উপজাতি যুবক এসে তাঁকে বাঁচায়, নিয়ে যায় সরাইখানায়। বিনিময়ে একটি ভদকার বোতল আর শীত বস্ত্রে সে খুশি। হাত মিলিয়ে চলে যায়। সেই যুবকই উপজাতি সর্দার, পরে তার নেতৃত্বে বিদ্রোহ। উপজাতি সর্দার কিন্তু ভোলেনি সেনাবাহিনির তরুণ অফিসারকে। …আশ্চর্য এক কাহিনি। মনে পড়ে যায় শেষ অবধি বিদ্রোহ দমন হলো। ফাঁসিতে যাচ্ছে উপজাতি সর্দার যে কি না রাজপুরুষের গায়ে হাত দেয়নি যখন কয়েকটি এলাকা দখল করে নিয়েছিল। অনেক রাজপুরুষকে কোতল করেছিল কিন্তু এক বোতল ভদকা আর শীত বস্ত্রটির কথা ভোলেনি। ফাঁসির মঞ্চে যাওয়ার সময় সে পুরোনো বন্ধুকে হাত নাড়ে। চিনতে পেরেছিল। এসব কিন্তু জারের আমলে লেখা সাহিত্য। কিন্তু তা ধরেছিল রাশিয়ার সমাজের অন্তরাত্মাকে। অভিজাত সম্প্রদায়ের কাহিনি কিন্তু বর্জন করা হয়নি। অনূদিত হয়ে আমাদের কাছে এসেছিল। আমরা বিপ্লবী সাহিত্য ব্যতীত অন্য কিছুকেই গ্রহণ করতে প্রস্তুত নই যদি সাম্যবাদে আস্থা থাকে। তাই মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হয়তো ইতিকথার পরের কথা লিখতে হয়। আর প্রাগৈতিহাসিক কিংবা দিবারাত্রির কাব্যকে বক্র দৃষ্টিতে দেখা হয়। বিভূতিভূষণ, তারাশঙ্কর নিন্দিত হন যথেষ্ট বিপ্লবী নন বলে। বিভূতিভূষণ ভাববাদী, তারাশঙ্কর সামন্ততন্ত্রের জন্য হাহাকার করেছেন। ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্ট উপন্যাসের রাসকলনিকভকে কী ভাবে তাহলে গ্রহণ করব আমরা? সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই। রাশিয়ান সাহিত্য তো সেই কথাই বলেছে। কমিউনিস্ট শাসকরা বুঝেছিলেন এই সব ঐশ্বর্যকে পৃথিবীর মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে দেশের গৌরব গাথা পাঠের সুযোগ করে দিতে হবে। ‘ইভান ইলিচের মৃত্যু’ নভেলা তো এক অভিজাত মানুষের পাপ স্বীকারের কাহিনি। খ্রিস্টীয় রীতিই যেন তলস্তয়ের লেখায় বারংবার উচ্চারিত। রেজারেকশনও তাই। কাউন্ট-বিচারক নিজের যৌবন কালের পাপ স্খালন করতে চলল সাইবেরিয়া। এই সব লেখা কমিউনিস্ট দেশ সমগ্র বিশ্বে পাঠিয়েছে অনুবাদ করে, এই দায়িত্ব কোনো রাষ্ট্র নেয় বলে জানা নেই। খুব সস্তায় বইগুলি হাতে পেতাম। অনুবাদ করতেন যাঁরা, তাঁরা অনেকেই বাংলাভাষার সৃষ্টিশীল লেখক। সমর সেন, মঙ্গলাচরণ চট্টোপাধ্যায়, ননী ভৌমিক, হায়াত মামুদ, অরুণ সোম যে অনুবাদ করেছেন মূল রুশ ভাষা থেকে, তা আমরা বাংলাভাষায় লেখা গ্রন্থের মতো করেই পড়েছি। সোভিয়েত দেশ থেকে প্রায় বিনামূল্যে বিতরণের জন্যই যেন বইগুলি আসত। প্রগতি প্রকাশন, রাদুগা প্রকাশন পরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল লোকসানের ভার সহ্য করতে না পারায়। সেই বিপ্লবী দেশটাই তো নেই। প্রকাশন থাকবে কী করে? পুঁজিবাদী সমাজের কাছে তলস্তয়, দস্তয়েভস্কি কে? বিপ্লবী পার্টির সরকার যে যে কাজ করেছিল, তার ভিতরে এই কাজটিও ছিল অগ্রাধিকার নিয়েই। এই কাজ ছিল বিপ্লবের অন্তর্গত। ভাবতেই পারি না এই নগদ মূল্যের বিশ্ব মনে রেখেছে কি না সেই ঝকঝকে বইগুলির কথা। বিশ্বের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যের প্রাধান প্রচারক ছিল কমিউনিস্ট সরকার। তাঁকে তুমি কত নিন্দা করবে? সব যে ধুয়ে যাবে পৃথিবীর সেই পাঠশালার কথা মনে করলে। গোগোলের ওভারকোট কিংবা চেখভের ছ’নম্বর ওয়ার্ড তো বাতিল করেননি তাঁরা যথেষ্ট বিপ্লবী সাহিত্য নয় বলে। কেরানির মৃত্যুকে ভীতু মধ্যবিত্ত, পাতি বুর্জোয়ার কাহিনি বলে ব্যঙ্গ করেননি তো। হ্যাঁ, সলঝেনিতসিনকে তাঁরা সমর্থন করেননি। সত্য। মায়কোভস্কি আত্মহত্যা করেছিলেন সত্য, কিন্তু দস্তয়েভস্কি পড়ে কেউ গোল্লায় যাবে না যে তা বুঝেছিলেন সোভিয়েত যুক্ত রাষ্ট্রের শাসকরা। বুঝেছিলেন, রাশিয়ার আসল ঐশ্বর্য এই সব চিরায়ত গল্প উপন্যাস। পুঁজিবাদি সমাজ ধনতন্তের কোনো দায় নেই ক্লাসিক পড়ানোর, বরং পাল্প লিটারেচর, যাবতীয় কুসাহিত্যের প্রচারক তারা। কিসে বাণিজ্য হবে তা ব্যতীত অন্য কোনো কিছুই ভাবতে পারেন না তাঁরা। সেই বইগুলির জন্য আমি শোকার্ত হই। সেই আশ্চর্য ছাপা আর ছবিতে ভরা দাদুর দস্তানা কিংবা মোরগ ছানা বই কি আর কি এই পৃথিবীর শিশুরা দেখতে পাবে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাতাসবাড়ি জ্যোৎস্নাবাড়ি – অমর মিত্র
    Next Article নরেন হরেন সাধু মানুষ – অমর মিত্র

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }