Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে – অমর মিত্র

    লেখক এক পাতা গল্প273 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আড্ডাবাজের জীবন

    আড্ডাবাজের জীবনে কিছু হয় না এই বাক্য জ্ঞান হওয়া ইস্তক শুনে আসছি। কিন্তু আড্ডা ব্যতীত জীবন চলতেই চায় না। কিছু না হলে না হবে। চাই না কিছু। আড্ডা চাই। গল্পের আড্ডা। সাহিত্যের আড্ডা। তাস পাশার আড্ডা নয়। তাস আমি পছন্দ করি না।

    আমার ছেলেবেলার কিছুটা দিন কেটেছে বসিরহাটের অদূরে দণ্ডীরহাট গ্রামে। আর সেই গ্রাম ছিল যেন আড্ডার পীঠস্থান। ছোট একটি বাজার ছিল হাই ইস্কুলের কাছেই। সেই বাজারে ছিল গোড়া বাঁধানো এক বকুল গাছ। সেই বকুলতলায় আমার আড্ডাজীবন শুরু। তখন ইস্কুল বালক। তবু আড্ডা দিয়েছি খেলার পর। ইস্কুল ছুটির পর। বাজারে ধনাদার চায়ের দোকানের ধরাটে ছিল বড়দের আড্ডা। ধরাট হলো বাঁশের চটা জুড়ে জুড়ে বেঞ্চির মতো করা। ওই ধরাটে বসলে তার জীবনে আর কিছু হয় না। এই কথা নীতিবাগীশ মেজদাদের মুখে শুনতাম। সেই ধরাটের আড্ডা আর কলকাতার রকের আড্ডা একই রকম বলা যায়। আমাদের কিশোর বেলায় কিংবা সদ্য যৌবন বেলায় রকের আড্ডায় যে রং ছিল বন্ধুতার, তা এখন নেই। কলকাতা শহর থেকে রকই উঠে গেছে। তবে উত্তর কলকাতায় এখনো আছে। শ্যামপুকুর স্ট্রিটে খুব ভালো আড্ডা দিয়েছি আজ থেকে প্রায় ৪০ বছর আগে। রকে। থাকতেন এখন খ্যাতিমান ভাস্কর বিমল মণ্ডল। থাকতেন প্রখ্যাত লেখক সমরেশ মজুমদার। থাকতেন প্রদ্যোত ভদ্র, কল্যাণ সর্বাধিকারী। এই আড্ডা ছিল সাহিত্য আর শিল্পের। সদ্য প্রকাশিত গল্প নিয়ে কথা হতো এখানে। বিমলের বাড়ি শ্যামপুকুর স্ট্রিটেই। তার কাজ দেখতে তার বাড়িতেও যাওয়া হতো। এখনো রবিবারে পুরনো পাড়ায় দেখা যায় পুরনো আড্ডা। রক না পেলে চায়ের দোকান। তাও না পেলে রাস্তার ধারে,ফুটপাথে দাঁড়িয়ে। আড্ডায় বন্ধুতা বাড়ে। আড্ডায় মত বিনিময় হয়। আড্ডা অতি মধুর। নিউ ইয়র্কের কুইনস সিটিতে ফুটপাথে দাঁড়িয়ে বাঙালি বাংলাদেশিরা চায়ের কাপ হাতে আড্ডা দিচ্ছে, দেখেছি। আমিও যোগ দিয়েছিলাম।

    আমি আড্ডা দিতে ভালবাসি। আড্ডা দিতে দিতে বড় হয়েছি। অভ্যাসটা রাখব কোথায়? জানি আড্ডা সময় খেয়ে নেয়, নিক, আড্ডা না দিলে যে ভাত হজম হয় না। আড্ডা কেরিয়ার নষ্ট করে, করুক, কিন্তু আড্ডা না হলে মন প্রসারিত হয় না। অনেক কিছু পাওয়া হয় না। যেহেতু বহুদিন নিবার্ন্ধব প্রায় থেকেছি বাইরে, দুর্গম গ্রামে, আমি তৃষ্ণার্ত হয়ে থাকতাম কলকাতার আড্ডার জন্য। আড্ডার বন্ধুদের সঙ্গে মানসিকতার মিল না থাকলে সেই আড্ডা ভেঙে যায়। নাটকের লোকজন একসঙ্গে, সিনেমার লোক একসঙ্গে আড্ডা দেন। আমি দেখেছি নাটকের আড্ডা। ন’টায় বসে সেই আড্ডা বেলা দুপুর পযন্ত গড়াত আমাদের ফ্ল্যাটে। বিভাস চক্রবর্তী, অশোক মুখোপাধ্যায়, মাণিক রায়চৌধুরীরা আসতেন।

    শ্রদ্ধেয় কবি শঙ্খ ঘোষের বাড়ির আড্ডায় ছুটির দিনে কোনো বিরাম থাকে না। সকাল থেকে চলতে থাকে। বেলা তিনটে অবধি তা গড়াতে দেখেছি আমি। সেই আড্ডা কলকাতা শহরের সেরা আড্ডা। সেখানে তরুণ কবি থেকে প্রবীন কবি, গল্পকার, সিনেমা নির্মাতা, চিত্রকর, গায়ক থেকে অভিনেতা, নির্দেশক, কে না যান? ঘুরে এসে আনন্দ। আড্ডা শুধু শঙ্খবাবুর সঙ্গে নয়, সকলের সঙ্গে সকলের। আমার সৌভাগ্য হয়েছে সেই আড্ডায় কয়েকবার যাওয়ার। অপূর্ব অভিজ্ঞতা।

    লিখতে আরম্ভ করলে বন্ধু বদলে যায় আমার। পাড়ার আড্ডা আর হয় না। পুরনো আড্ডা ভেঙে যায়, নতুন আড্ডা শুরু হয়। সেই আড্ডা অবশ্যই সাহিত্যের। পাড়ায় আড্ডা হত বাল্যকালের বন্ধুদের সঙ্গে। তারপর ‘একাল’ নামের একটি লিটল ম্যাগাজিন ঘিরে। ম্যাগাজিনটি পাড়া থেকেই বেরোত। সম্পাদক নকুল মৈত্রের বাড়ি। তাঁর সঙ্গে কফি হাউস। চায়ের দোকান। গল্প পড়া হত। সে এক দিন গেছে। ১৯৭৩-এর শেষ থেকে আমি কলকাতার বাইরে। ১৯৭৫-এর প্রথমে কবিপত্রের বন্ধুদের সঙ্গে আলাপ। এক পক্ষ অন্তর কলকাতা ফিরে ২২/বি প্রতাপাদিত্য রোডে কবিপত্রের আড্ডায় গিয়ে পড়েছি। সেখানে কত নতুন প্রতিভাবান বন্ধু হয়েছিল। কবি তুষার চৌধুরী, অনন্য রায় (দু’জনেই এখন নেই), সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়, সমীর চট্টোপাধ্যায়, বৌধায়ন মুখোপাধ্যায়, দীপঙ্কর দাস, শচীন দাস, অসীম চক্রবর্তী (শেষ তিনজনই এখন নেই) ঝড়েশ্বর চট্টোপাধ্যায়। ছিলেন পবিত্র মুখোপাধ্যায়, প্রভাত চৌধুরী। একদিন এক আড্ডার সন্ধ্যায় বটুকদা (জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্র), একদিন শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়…, কতজন। বটুকদা নিজ কন্ঠে, নবজীবনের গান শুনিয়েছিলেন। এস মুক্ত কর, মুক্ত কর…। কবিপত্রের আড্ডা সেই পঁচাত্তর থেকে। সেখানেই শৈবাল মিত্র, চণ্ডী মণ্ডলের সঙ্গে পরিচয়। আমার সেই সব বন্ধু অগ্রজরা অনেকেই তো নেই। শ্যামলদা, চণ্ডীদা, শৈবালদা, দীপঙ্কর, শচীন, অসীম, তুষার অনন্য। বৌধায়ন এখন ইংরেজি ভাষার মান্য কবি। আমি প্রায়ই নতুন গল্প বের করতাম ব্যাগ থেকে। মেদিনীপুরের নিঃসঙ্গবাস আমাকে দিয়ে লিখিয়ে নিত। একটা অভ্যাস হয়ে গিয়েছিল সকালে উঠে লিখতে বসা। সেই অভ্যাস রয়ে গেছে। আমাকে নিয়ে তুষার বলত, সুলেখা কোম্পানির পাইপ লাইন অমরের কলমে ঢুকে গেছে। হা হা হা। কী হাসি। নির্মল বন্ধুতা। কী লিখব সেই সব দিন আর আড্ডার কথা। বারদুয়ারি, খালাসিটোলা… আড্ডা চলত। ১৯৮৩ নাগাদ আমার জন্ডিস হয়। তুষার বলেছিল, মদ খেয়েছি আমি, জন্ডিস হয়েছে তোর।

    কত আড্ডার কথা মনে পড়ে। কলেজ স্ট্রিটে পুস্তক প্রকাশনী নামে একটি প্রকাশন সংস্থা সেই ১৯৭৫-৭৬ নাগাদ ষাট দশকের শ্রেষ্ঠ কবিতা প্রকাশ করেছিলেন। আর করেছিলেন পবিত্র মুখোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ কবিতা। সেই প্রকাশন সংস্থার কর্ণধার ছিলেন কনকবরণ মিত্র। বেলেঘাটা সুভাষ সরোবরের কাছে থাকতেন। কলেজ স্ট্রিটে তাঁর ঘরে এসে বসতেন জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী। প্রথম তাঁকে সেখানে দেখে আমি অভিভূত। সঙ্গে সমীর চট্টোপাধ্যায়, বৌধায়ন মুখোপাধ্যায়, শচীন দাস, কখনো তুষার থাকতেন। পবিত্রদা আর প্রভাত চৌধুরী তো ছিলেনই। সেখানে কতদিন আড্ডা দিয়েছি সেই পিতৃপ্রতিম লেখকের সঙ্গে। তিনি বলতেন সাহিত্যের নানা কথা। আমার গ্রাম জীবনের অভিজ্ঞতা শুনতেন নিবিষ্ট হয়ে। শেষে বলতেন, এ সব আমি দেখি নি, তুমি দেখেছ, তুমি লিখতে চেষ্টা করো। আমি একটি গল্প লিখেছিলাম ১৯৮৮ নাগাদ, ‘বাদশা ও মধুমতী’। যে ঘটনা সেই গল্পের সূত্র, সেই ঘটনা তাঁকে আমি বলেছিলাম ১৯৭৬ নাগাদ। তিনি অবাক হয়ে শুনেছিলেন। বলেছিলেন লিখতে। সেই লেখা এল বারো বছর বাদে সাপ্তাহিক বর্তমান পত্রিকায় তাঁকে স্মরণ করে একটি লেখা লিখতে গিয়ে। যা দেখিনি তাও মনে পড়ে গিয়েছিল যেন। তিনি ছিলেন লেখকের লেখক। এখনো তাঁকে পড়ি। এক জীবনে এত পাওয়া হয় না সাধারণত। মনে পড়ে এক এক সন্ধ্যায় আমরা বন্ধুরা, সমীর আমি গিয়ে হাজির হতাম পরিচয়ের আড্ডায়। দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন পরিচয় সম্পাদক। তিনি কথা বলতেন সাহিত্যের নানা বিষয় নিয়ে। জানি না কবে শ্রোতা থেকে সেই আড্ডার অংশীদার হয়ে গেলাম আমরা। পুজোর পর বড় আড্ডা হত পরিচয়ে। পুজো সংখ্যার লেখা নিয়ে সকলে তাঁদের প্রতিক্রিয়া জানাতেন। আমি পরিচয়ের ফ্যাসিবাদ বিরোধী সংখ্যায় দীপেনদার সঙ্গে বসে সমস্ত দুপুর প্রুফ দেখায় সাহায্য করেছি। কপি মেলাতাম। দীপেনদা কাজের সঙ্গে সঙ্গে কত বিষয়ে না কৌতূহলী সেই তরুণের কৌতূহল মেটাতেন। তাঁর কাছে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা শুনেছি, প্রগতি লেখক শিবিরের কথা, শম্ভু মিত্রের কথা…কত কথা। নরেন্দ্রনাথ মিত্রের গল্প, মানিক – তারাশঙ্করের উপন্যাস নিয়ে কথা শুনেছি। কোন লেখা পড়তে হবে, তিনি জানাতেন। পরিচয় পত্রিকায় গল্প লিখি ১৯৭৫ সালে। শকুন্তলার জন্ম। সেই গল্প হারিয়ে গেছে। শারদীয়তে লিখি ১৯৭৬ সালে। গল্পের নাম রাজকাহিনি। দীপেন্দ্রনাথের সঙ্গে সারা দুপুর কথাবার্তা আমার জীবনে অনেক কিছু দিয়েছিল।

    তখন কিন্তু ২২/বি প্রতাপাদিত্য রোডে আমাদের আড্ডা চলছিল। কবিপত্রের আড্ডা। এই সময়ে পবিত্রদা একদিন বললেন, শ্যামলদা, শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় এসেছেন প্রতাপাদিত্য রোডে, আর কয়েকটা বাড়ি পরে ৫১/১ নম্বরে, চলো আলাপ করে দিই তোমাদের সঙ্গে। কুবেরের বিষয় আশয়ের শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়! সেই আমাদের আড্ডা কবিপত্র থেকে শ্যামলদার বাড়ি আড্ডা স্থানান্তরিত হয়ে যেতে লাগল কখনো কখনো। আর শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে আড্ডা ছিল আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ আর মনোরম দিন। তখন নিজেকে গড়ে তোলার সময়। ওই সময়ে অমন এক মহৎ লেখকের সঙ্গ পাওয়া জীবনের দুর্লভ অর্জন। শ্যামলদার সঙ্গে আড্ডায় আমি জীবনকে যেটুকু শিখেছি, জেনেছি, তাই নিয়ে এতটা বছর কেটে গেল। সেই আড্ডায় তুষার সমীর প্রভাতদা, শৈবালদা, কতজন যে বিভিন্ন সময়ে একসঙ্গে। এমনই আড্ডা আর গল্পের মানুষ ছিলেন তিনি, কলেজ স্ট্রিট থেকে টেনে নিয়ে গেছেন তাঁর বাড়ি। আমার হাতে ব্যাগ। আমি মেদিনীপুর থেকে এক পক্ষ পর বাড়ি ফিরছি। শ্যামলদা বাড়ি ফিরতেই দিলেন না। পরের দিন সকালে ফিরলাম।

    একদিন সন্ধ্যায় তিনি বললেন, নদীর বয়স হয়, জানো? আমি চুপ করে আছি। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, সেই কুলটিকরিতে চালের দর কত? হাটে যাও? তিনি বললেন, বিভূতিভূষণের ইছামতী পড়েছ? অনুবর্তন, দৃষ্টি প্রদীপ? মেঘমল্লার গল্পটি? জীবনটাকে দেখে নাও। জরিপের এক চেনে কত লিংক থাকে? চাষা তার হেলে বলদের সঙ্গে কথা বলে, শুনেছ?

    তিনি আমার আরম্ভে আমাকে পেলেই এই সব জিজ্ঞেস করতেন। এক সন্ধ্যায় সিদ্ধান্ত, তুই ধারাবাহিক উপন্যাস লিখবি। আমি যে লিখিনি কখনো? বন্ধুরা, তুষার সমীর বলল, চ্যালেঞ্জ নে। লেখ। তিনি বলেছিলেন, সম্পাদক বললে, না করতে নেই। আমার উপন্যাস লেখার শুরু তাঁর প্ররোচনায়। “পাহাড়ের মতো মানুষ” লিখেছিলাম, তখন আমি ২৭। কোন সূত্রই ছিল না, লিখতে আরম্ভ করলাম ডুলং নদীর তীরে রাজবাড়িতে ফিরে। উপন্যাস লিখতে শিখেছি লিখতে লিখতে। তিনি বলতেন, কচু গাছ কাটতে কাটতে তলোয়ার চালাতে শেখে সৈনিক, লিখতে লিখতে লেখক হয়। এখন সেই সব দিনের কথা মনে পড়ে।

    মহাশ্বেতাদির বাড়িতেও সেই সময়ে, তার পরেও কম আড্ডা হয়নি। অসীম চক্রবর্তী, জয়ন্ত জোয়ারদার, নির্মল ঘোষ, কলকাতায় এলে দীপঙ্কর চক্রবর্তী(অনীক সম্পাদক) আরও কত মানুষ। তাঁর সঙ্গে আড্ডাও ছিল এই জীবনের বড় পাওনা। তাঁর বাড়িতেই আমি তৃপ্তি মিত্রকে দেখি একদিন। দুপুরে গিয়ে দেখি তাঁরা তাঁদের কম বয়সের কথা বলছেন। সেই তেতাল্লিশের মন্বন্তরের কথা। মায়ের কোলে ক্ষুধার্ত শিশুর মৃত্যু, লঙ্গরখানা, পথে মৃতদেহ পড়ে। আমি এখনো সেই কথা স্মরণ করে শিহরিত হই। আমাদের সেই আড্ডায় গীতা ঘটকের গানও শুনেছি মহাশ্বেতাদির বাড়িতে।

    আনন্দবাজার পত্রিকা অফিসে রমাপদ চৌধুরীর ঘরে ছিল শনিবারের আড্ডা। আমি বহুদিন সেই আড্ডায় থেকেছি। সাহিত্য, শিল্পই ছিল সেই আড্ডার বিষয়। শনিবারের শেষবেলায় শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ, বুদ্ধদেব গুহ কোনো কোনদিন আসতেন। বুদ্ধদেব গুহ, সিরাজদা আর শীর্ষেন্দুদার খুনসুটি ছিল অসামান্য। আসতেন হিমানীশ গোস্বামী, প্রখ্যাত চিত্রকর সুধীর মৈত্র, লেখক রমানাথ রায়, সুব্রত সেনগুপ্ত, শেখর বসু… কে নয়? আমাদের সমসাময়িক বন্ধুরা, রাধানাথ মণ্ডল, শিবতোষ ঘোষ, তপন বন্দ্যোপাধ্যায়, কানাই কুন্ডু, দীপঙ্কর দাস, সুচিত্রা ভট্টাচার্য, নবকুমার বসু, মালবী গুপ্ত…থাকতেন। রাধানাথ এখন বেঁচে নেই। লন্ডন থেকে এলে নবকুমারের সঙ্গে দেখা হয়। সে এক মহাআড্ডাবাজ। খুব বন্ধুবৎসল। রমাপদবাবুর ঘরের আড্ডায় তিনি শুনতেন বেশি, বলতেন কম। আবার তাঁর মুখেই শুনেছি সেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার কলকাতার কথা। মার্কিন সোলজারদের কথা। খড়গপুরে তাঁর শৈশবের কথা। একবার রবীন্দ্রনাথকে দেখেছিলেন রেলের কামরায়। তাঁরা কবিকে দেখতে অচেনা ফুল হাতে করে দাঁড়িয়ে ছিলেন। জানালা দিয়ে তাঁর হাতে সেই ফুল তুলে দিতে, তিনি চিনতে পেরেছিলেন, বললেন, মুচকুন্দ! রবীন্দ্রনাথের রূপ বর্ণনা করেছিলেন রমাপদবাবু। রমাপদ চৌধুরীর ঘরে সেই আড্ডায় এমনি কত কথা শুনেছি। তিনি তরুণ লেখকদের সাহচর্য পছন্দ করতেন। তাঁর সঙ্গও অনেক দিয়েছে আমাকে।

    আড্ডায় তো পাওয়া যায়। দেওয়া নেওয়া হয়। আমি এখন বুঝতে পারছি পেয়েছি বেশি। অনেক অনেক। সমকালের লেখকরা এক সঙ্গে বসে নতুন লেখা পাঠ হতো। রাধানাথের ছিল গল্পচক্র। আমরা ছিলাম তার অংশীদার। সেখানে কত গল্প পড়েছি পাণ্ডুলিপি থেকে। শুনেছি কত গল্প। এমনি এক অনতি সন্ধ্যায় এসেছিলেন সমরেশ বসু ও তাঁর দ্বিতীয়া স্ত্রী। বহুরাত অবধি তাঁর কাছে শুনেছিলাম ‘দেখি নাই ফিরে’ রচনার প্রস্তুতি কাহিনি। তখন তিনি লেখার জন্য তৈরি হচ্ছেন। উপাদান সংগ্রহ করছেন।

    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী, দীপেন্দ্রনাথ, শ্যামলদা, মহাশ্বেতা, রমাপদ চৌধুরীর পরে আমার কাছে যে আড্ডা যে সংসর্গ মূল্যবান হয়ে উঠেছিল তা ছিল প্রতিক্ষণ পত্রিকা ঘিরে। প্রতিক্ষণ আমাদের সাহিত্যে বড় একটা ছায়া ফেলে গেছে। এখানে শিল্প নির্দেশক ছিলেন পূর্ণেন্দু পত্রী। তিনি পত্রিকার অলঙ্করণে এনেছিলেন অভিনব সৌন্দর্য। কবিতার পাতায় অলঙ্করণ প্রথম প্রতিক্ষণেই দেখি। প্রতিক্ষণ সম্পাদনা করতেন স্বপ্না দেব। প্রকাশক প্রিয়ব্রত দেব। প্রতিক্ষণের মতো রুচিমান সাময়িক পত্র আমি আর দেখিনি। এই পত্রিকার পুজো সংখ্যার অলঙ্করণ করতেন বিখ্যাত চিত্রকররা। আমার উপন্যাস হাঁসপাহাড়ির ছবি এঁকেছিলেন যোগেন চৌধুরী। পাতা জুড়ে সব রঙিন ছবি। প্রতিক্ষণের আড্ডা বসত মঙ্গল আর বৃহস্পতিতে। সেই আড্ডার মধ্যমণি ছিলেন দেবেশ রায়, সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়। আমরা বন্ধুরা, নলিনী বেরা, রামকুমার মুখোপাধ্যায়, আফসার আমেদ, অশোককুমার সেনগুপ্ত, তরুণ লেখক জয়ন্ত দে, শিল্পী যুধাজিৎ সেনগুপ্ত, কবি সিদ্ধেশ্বর সেন, তরুণ শিলাদিত্য সেন… কতজন যে আড্ডা দিতাম। মাঝে মাঝে আসতেন দিব্যেন্দু পালিত, স্বপ্নময়, বালুরঘাট থেকে কলকাতায় আসা অভিজিৎ সেন, ভগীরথ মিশ্র। সেই আমাদের নানা রঙের দিন ফুরিয়ে গেল প্রতিক্ষণ পত্রিকা বন্ধ হয়ে যেতে। প্রকাশন সংস্থাটি রয়েছে। কী অপূর্ব তাঁদের বইয়ের ডিজাইন, ছাপা। বইমেলায় প্রতিক্ষণের স্টলে একটি আড্ডা ঘর হতো। সেই আড্ডা ঘর ছিল বইমেলায় আমাদের অফুরন্ত আড্ডার জায়গা। সেখানে একদিন দেখি কবি শামসুর রাহমানকে। বাংলাদেশের লেখকদের একটা ভাল ঠিকানা ছিল প্রতিক্ষণ। একদিন বাংলাদেশের আবুবকর সিদ্দিকি, একদিন তরুণ লেখক প্রশান্ত মৃধা। কতজন যে এসেছেন। সব নাম মনে নেই।

    আড্ডা ছাড়া আমি পারি না। সেই কলেজ জীবনে যে কফি হাউসে প্রবেশ করেছিলাম, আর বের হতে পারিনি। এখনো শনি মঙ্গলে যাই। থাকে তরুণ বন্ধুরা। সমকালের নলিনী বেরা, সৈকত রক্ষিত, আমাদের পরবর্তী কালের জয়ন্ত দে, প্রবুদ্ধ মিত্র, অলোক গোস্বামী, সমীরণ দাস, মৈত্রেয়ী সরকার – এক সঙ্গে আড্ডা মারি। রমানাথ রায়, শেখর বসুরাও আসেন। আসে নবীন প্রজন্ম। কবিতার টেবিল সুইনহো স্ট্রিট পত্রিকার। সকলেই কবি। আমি তাপস রায়ের ডাকে তাদের টেবিলে বসি। আমি আড্ডায় নিজেকে সমৃদ্ধ করি। সত্তর থেকে সতেরর সঙ্গে মিশতে পারি। দে’জ পাবলিশিং-এ শুভঙ্কর দে, অপুর ঘরে যেদিনই যাই আড্ডা হয়। পুলক চন্দ থাকেন। তিমিরকান্তি কাজ করতে করতে যোগ দেয় আড্ডায়। আর নলিনী বেরা ও সমীর চট্টোপাধ্যায় এলে তো জমে যায় আড্ডা।

    এখন টেকনোলজি দিয়েছে নতুন আড্ডার জায়গা। ফেসবুক, হোয়াট’স অ্যাপ। সেখানে বসে বাংলাদেশের স্বকৃত নোমান, অঞ্জন আচার্য, তাপস রায়, বিধান রিবেরু, অদিতি ফাল্গুনীর সঙ্গে আড্ডা হয়, প্রশান্ত মৃধার সঙ্গে কথা হয়। কথা হয় আমেরিকা বাসী বাংলাদেশের লেখক কুলদা রায়ের সঙ্গে। দীপেন ভট্টাচার্য, অনামিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। মত বিনিময় হয় অতি তরুণ বন্ধুদের সঙ্গে। ইন্টারনেট, ফেসবুকের আড্ডায় কত বন্ধু পেয়েছি। কত রকম কথা জেনেছি। পরস্পরের এই মত বিনিময় খুব জরুরি এই জীবনের জন্য। আমি কুলদা, স্বকৃত, অদিতির লেখা ইন্টারনেটে পড়ি। খবর পাই সে দেশের। অভিজিৎ রায়ের হত্যার পর বাংলাদেশে কী হয়েছিল, সেই খবর। ওঁরাও খবর পান এই দেশের। আমি বন্ধুদের ছাড়া থাকতে পারি না। কয়েক বন্ধু চলে গেছে। মন খারাপ হয়। যাওয়ার বয়স হয়নি কারোর। আড্ডাটা ভেঙে গেল যে। কফিহাউসে আমাদের আড্ডা আছে। থাকবে। চল্লিশ বছর ধরে কফি হাউস যাওয়া। মনে পড়ে রামুদার কথা। কফিহাউসের পরিবেশক। মনে পড়ে একা টেবিলে নিমগ্ন নির্মাল্য আচার্য। মনে পড়ে অনেকের কথা। কফি হাউসে ঢুকলে মনে হয় তাঁরা আছেন ভীড়ের ভিতরে। কলরোলে যে মিশে আছে তাঁদের কথা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাতাসবাড়ি জ্যোৎস্নাবাড়ি – অমর মিত্র
    Next Article নরেন হরেন সাধু মানুষ – অমর মিত্র

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }