Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সন্ধিক্ষণ : প্রতিকূলতা জয়ের লক্ষ্যে যাত্রা – এ পি জে আবদুল কালাম

    ব্রততী সেন দাস এক পাতা গল্প189 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩. বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলি

    ১৩. বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলি

    বিবেক হল আত্মার আলোক

    রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমার যে ভাবনাচিন্তা বা কার্যকলাপ ছিল তা রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে বা পরের ভাবনাচিন্তার সঙ্গে কোনও পার্থক্য ছিল না। যতই হোক, মানুষটি তো একই, এবং একজন ব্যক্তির অভিজ্ঞতার এক ধারাবাহিক রূপ। যদিও যুক্তি এবং কারণের ওপর ভিত্তি করে কাজ করা হয়েছিল এমন তিনটি পরিস্থিতির কথা আমি বলতে পারি যা আমার ব্যক্তিগত অনুভবকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। প্রথমটি হল বিহার বিধানসভা ভেঙে দেওয়া। আমি এই বিষয়টি নিয়ে বহুবার আলোচনা করেছি, আবার আর-একবার করব।

    আমার কার্যকালে তথ্যপ্রযুক্তির প্রভূত অগ্রগতি হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি ভবন সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিনভাবে সংযুক্ত ছিল। যেখানেই আমি থাকতাম, পৃথিবীর যে প্রান্তেই হোক আমি ফাইল থেকে সঠিক সময়ে তথ্য সংগ্রহ করতে এবং আলোচনায় তা প্রয়োগ করতে পারতাম। ই-মেল তৎক্ষণাৎ যোগাযোগ করিয়ে দিত। এইভাবে মনমোহন সিং যখন আমায় বললেন বিধানমণ্ডলের স্বতঃপরিবর্তনশীলতায় রাজ্যপালের পরামর্শের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিহার বিধানসভা ভেঙে ফেলার পরামর্শ দেবে, তখন যা আমায় আশ্চর্য করল তা হল বিধানসভা ছয়মাসের বেশি সময় ধরে বরখাস্ত অবস্থায় রয়েছে। সেখান থেকে আমি প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করলাম, কীভাবে এই হঠাৎ পরিবর্তন সম্ভব হল? তিনি বললেন যে, তিনি আমার সঙ্গে পরে যোগাযোগ করবেন। দ্বিতীয় ফোনটি মস্কোর সময় অনুযায়ী রাত একটার সময় এল। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে তার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমি আলোচনা করেছিলাম। আমার বিশ্বাস হয়েছিল যদি আমি মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুমোদন নাও করি তাতে কিছু যাবে-আসবে না, কারণ যেভাবেই হোক এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, ফলে আমি ঠিক করেছিলাম বিধানমণ্ডল ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করব।

    আদালত আরও প্রায়োগিক পরিভাষা ব্যবহার করেছিল, ‘বিহারের রাজ্যপাল ভারতের রাষ্ট্রপতির উদ্দেশে দুটো প্রতিবেদন তৈরি করেছিল-২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল এবং ২০০৫ সালের ২১ মে তারিখে। ২০০৫ সালের ২৩ মে সংবিধানের ১৭৪ অনুচ্ছেদের ২ ধারার (বি) উপপ্রকরণ দ্বারা ক্ষমতার অধিকার অর্পণ করার অনুশীলনীতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছিল। সংবিধানের ৩৫৬ অনুচ্ছেদের অন্তর্গত ২০০৫ সালে ৭ মার্চ-এ প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি জি এস আর ১৬২ (ই)-এর ধারা (এ)-সহ পঠিত হবে এবং বিহার রাজ্যের বিধানমণ্ডল তৎক্ষণাৎ ভেঙে দেওয়া হল…’ এখন উচ্চতম ন্যায়ালয় এই বিষয়ে বিতর্ক শুরু করেছে এবং আলোচনায় নানা দৃষ্টিভঙ্গির উদ্ভব ঘটেছে।

    উচ্চতম ন্যায়ালয় তার রায়ে বলেছে যে, ২০০৫ সালের ২৩ মে-র বিজ্ঞপ্তি একটি অভিনব বিষয়। ‘আগেকার মামলাগুলোয় আদালতে উপস্থিত বিষয়গুলির ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলগুলির বিধানসভার প্রতি অনাস্থা পোষণ করার কারণে বিধানসভা ভঙ্গ করার আদেশ জারি করা হয়েছিল। বর্তমান ক্ষেত্রে বিষয়টি সেই ধরনের, যেখানে জোড়াতালি দিয়ে সংখ্যালঘু দলকে সংখ্যাগুরু দেখানোর প্রচেষ্টা এবং রাজ্যে সরকার গঠনের দাবি করা হয় এবং যদি এই প্রচেষ্টা বজায় থাকে তবে তা সাংবিধানিক বিধানের সঙ্গে কারচুপি করা হবে, এই পরিপ্রেক্ষিতে বিধানমণ্ডলের প্রথম বৈঠক হওয়ার আগে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।’

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    ই-বই পড়ুন
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    অনলাইনে বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    Books

     

    বিচারালয় চারটি প্রশ্ন উত্থাপিত করেছিল—

    ১. প্রথম বৈঠক অধিষ্ঠিত হওয়ার পূর্বেই কি সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৭৪ (২) (বি) অনুযায়ী বিধানসভা ভেঙে দেওয়া অনুমোদনযোগ্য?

    ২. বিহার বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার ২০০৫ সালের ২৩ মে-র ঘোষণা কি অবৈধ এবং অসাংবিধানিক?

    ৩. যদি পূর্বোক্ত প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ-বাচক হয় তবে ৭ মার্চ, ২০০৫ অথবা ১৪ মার্চের ২০০৫ এর আগে যে অবস্থা ছিল তা বজায় রাখার জন্য নির্দেশের কোনও প্রয়োজনীয়তা আছে কি?

    ৪. রাজ্যপালকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে অনুচ্ছেদ ৩৬১-এ কী সুযোগ আছে?

    যখন উচ্চতম ন্যায়ালয় এ-বিষয়ে বিতর্ক শুরু করে তখন বিভিন্নরকম দৃষ্টিভঙ্গির উদ্ভব ঘটে। আমি যে প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলাম তা ঠিকভাবে যে আদালতে পরিবেশন করা হয়নি সে-কথা প্রধানমন্ত্রীকে আমি জানিয়েছিলাম। প্রথমবার টেলিফোনে, পরে সামনাসামনি তাঁকে বলি। তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে, মস্কোর ঘটনাপরম্পরা এবং প্রকৃত সত্য দ্বারা সমর্থিত রাষ্ট্রপতির ক্রিয়া পরিবেশন করার জন্য আইনজীবীদের সংক্ষিপ্তাকারে বলে দেবেন এবং এও বলবেন যে চূড়ান্তভাবে ভেঙে দেবার অনুমোদন করার আগে কতবার আমরা আলোচনা করেছি। শেষাবধি আমি নিশ্চিত হলাম যে, প্রত্যাশা অনুযায়ী আইনজীবীরা আমার কাজের দিকটা গোচরে আনেননি। সুপ্রিমকোর্ট এর বিরুদ্ধ মতে রায় দেয়। অবশ্যই বিচারকরা সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী এবং তাঁরা রাজ্যপাল এবং কিছুদূর অবধি সরকারের ওপর দায়ভার প্রদান করেছিলেন। যতই হোক, ক্যাবিনেট হল আমার অধীনে এবং আমাকে এই দায়িত্ব নিতে হবে।

     

    আরও দেখুন
    রেসিপি বই
    ডিজিটাল বই
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    অনলাইনে বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা অডিওবুক
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বই
    লাইব্রেরি

     

    যে মুহূর্তে রায় জানা গেল, আমি ইস্তফাপত্র লিখে স্বাক্ষর করে উপরাষ্ট্রপতি ভৈঁরো সিং শেখাওয়াতকে পাঠাবার জন্য তৈরি করে রাখলাম। ভৈঁরো সিং অত্যন্ত ঝানু রাজনীতিক ছিলেন। আমি চেয়েছিলাম ওঁর সঙ্গে কথা বলে হাতে হাতে ইস্তফাপত্র দিতে। তিনি তখন বাইরে ছিলেন। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী আমার সঙ্গে অন্য কোনও আলোচনার জন্য দেখা করতে চেয়েছিলেন। বেলার দিকে আমার দপ্তরে ওঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল। আলোচনা শেষে আমি জানালাম যে, রাষ্ট্রপতি পদ থেকে আমি ইস্তফা দিতে চাই এবং তাঁকে সেই পদত্যাগপত্র দেখালাম। উপরাষ্ট্রপতির ফিরে আসার জন্য আমি প্রতীক্ষা করছিলাম। প্রধানমন্ত্রী চমকে গেলেন।

    খুব মর্মস্পর্শী দৃশ্যর অবতারণা হল এবং আমি তা বর্ণনা করতে চাই না। প্রধানমন্ত্রী কাতর অনুরোধ জানালেন যেন এই জটিল পরিস্থিতিতে আমি ওই পদক্ষেপ না নিই। এর পরিণতিতে যে অস্থিরতার জন্ম হবে তাতে সরকারের পতনও ঘটতে পারে। আমার তখন বিবেক ছাড়া আর কারও সঙ্গে পরামর্শ করার ছিল না। বিবেক হল আত্মার আলো যা আমাদের হৃদয়ের কোটরে জ্বলে। সেই রাত্রে আমি ঘুমোতে পারিনি। নিজেকে প্রশ্ন করছিলাম আমার বিবেক না দেশ, কে বেশি গুরুত্বপূর্ণ? পরদিন খুব সকালে রোজকার মতো আমি নমাজ পড়লাম। তারপর সিদ্ধান্ত নিলাম আমি ইস্তফা প্রস্তাব ফিরিয়ে নেব এবং সরকারকে বিচলিত করব না। কোনও ক্ষমতাসীন দল নির্বিশেষে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হত।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    নতুন বই
    বাংলা বই
    গ্রন্থাগার
    ডিকশনারি
    PDF
    PDF বই
    বইয়ের
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    স্বাস্থ্য টিপস

     

    দেশের খুব অল্পসংখ্যক মানুষই ই-গভর্ন্যান্স ব্যবস্থা ব্যবহার করেন। আমার বিবেচনায় এ এক সীমাহীন বিশ্বকে আয়ত্ত করার মাধ্যম। দেশে বা বিদেশে যেখানেই থাকি-না কেন আমি ব্যাপকভাবে এর ব্যবহার করি। যাঁরা আক্ষরিক অর্থে কাগজেকলমে কাজ করে অভ্যস্ত তাঁদের পক্ষে ই-গভর্ন্যান্সের ক্ষমতা উপলব্ধি করা কঠিন। বিহার বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার ক্ষেত্রে আমার অবস্থানকে অগ্রাহ্য করে (যা তখন সাময়িক বরখাস্ত অবস্থায় ছিল) আমার বিবেকের কাছে ঠিক মনে হয়েছে তাই করেছি।

    মনু প্রত্যেক ব্যক্তিকে দানগ্রহণ করার ক্ষেত্রে সতর্ক করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন এর ফলে গ্রহীতা একটা বাধ্যবাধকতার মধ্যে পড়ে এবং ভ্রান্তপথে চালিত হয়।

    বিস্তারিতভাবে বলা যায়, সংসদের অযোগ্যতার নিবারণ আইন ১৯৫৯ শর্ত দেয় সরকারের কিছু কিছু লাভজনক দফতর তার নির্বাচিত পদাধিকারী ভোক্তা বা সাংসদ হওয়ার দরুন অযোগ্য বিবেচনা করে না।

    ২০০৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে আমি কয়েক জন সাংসদদের কাছ থেকে তাঁদের সহকর্মী সদস্যদের সম্বন্ধে অভিযোগ শুনলাম যে তাঁরা লাভজনক পদের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। আমাকে এই অভিযোগগুলো নিয়ে মোকাবিলা করতে হয়েছিল। আমি অভিযোগ মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে পর্যবেক্ষণের জন্য এবং যেখানে প্রয়োজন সেখানে অনুসন্ধান চালনার জন্য পাঠিয়েছিলাম। দু’জন সদস্য শ্রীমতী জয়া বচ্চন এবং শ্রীমতী সনিয়া গাঁধীর নামে যখন অভিযোগ এসেছিল তখন অনেক সদস্য আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন কেন রাষ্ট্রপতি এ ধরনের অনুসন্ধান শুরু করলেন? ইতিমধ্যে আমি সংসদ থেকে লাভজনক পদসংক্রান্ত বিল অনুমোদনের জন্য পেয়েছিলাম।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    গ্রন্থাগার
    লেখকের বই
    বাংলা কৌতুক বই
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    গল্প, কবিতা
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বই পড়ুন

     

    আমি বিল বিশ্লেষণ করে নানা অসংগতি খুঁজে পেয়েছিলাম। প্রস্তাবিত লাভজনক পদ বিলে, লাভজনক পদ বলতে কী বোঝায় এই প্রশ্নের মীমাংসার প্রতি আমি কোনও বিধিবদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গি খুঁজে পাইনি। পরিবর্তে সাংসদ দ্বারা অধিকৃত পদের ক্ষেত্রে বর্তমান পদগুলোকে শুধু অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আমি উচ্চতম ন্যায়ালয়ের পূর্বতন তিনজন প্রধান বিচারপতির সঙ্গে অসংগতিসমূহ ও আমার উদ্বেগ নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। আমার সহকারীবৃন্দ এবং তিনজন প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শ করে একটা চিঠি তৈরি করেছিলাম। তাতে আমি পরামর্শ দিয়েছিলাম বিলে অবশ্যই সুস্পষ্টভাবে শর্তগুলি উল্লেখ করা উচিত, কেন কোনও বিশেষ পদকে লাভজনক পদের বিলের আওতা থেকে অব্যাহতি দেবে তার কারণগুলো যেন ‘সঠিক এবং যুক্তিপূর্ণ’ হয় এবং সমস্ত রাজ্যগুলি এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে তার প্রয়োগ যেন ‘স্পষ্ট এবং স্বচ্ছ’ভাবে হয়। আরও একটা বিষয় আমি উত্থাপন করেছিলাম যে, পদের সঙ্গে সম্পর্ক খুঁজে নতুন আইন দ্বারা তাকে অব্যাহতি দিতে হবে। তাঁরা বলেছিলেন আমার উদ্বেগ অকৃত্রিম এবং কোনও বিশেষ পদ লাভজনক পদ বিলের এক্তিয়ারের মধ্যে আসছে কি না তা নির্ধারণ করার জন্য যথার্থ নিয়মনীতির প্রয়োজন আছে।

    এবার প্রশ্ন হল আমার লাভজনক বিল সম্পর্কিত পত্র কি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভায় যাবে না সংসদে? সংবিধান ভাল করে পাঠ করে দেখলাম আর্টিকল III অনুযায়ী এটি আবার সংসদে পুনর্বিবেচনার জন্য পুনরায় উল্লিখিত হওয়া উচিত। অনুমোদনের জন্য লাভজনক পদ সংক্রান্ত বিল আমার কাছে মন্ত্রিসভা পাঠায়নি, পাঠিয়েছে সংসদ। তাই আমি বিলটি সংসদের উভয়কক্ষের পুনর্বিবেচনার জন্য লোকসভা ও রাজ্যসভার মহাসচিবের কাছে পাঠিয়ে দিলাম। সংসদ বা রাষ্ট্রপতি ভবনের ইতিহাসে প্রথমবার এই ঘটনা ঘটল যে, একজন রাষ্ট্রপতি বিল পুনর্বিবেচনার জন্য ফেরত পাঠালেন। অবশ্যই পরের দিন, সংসদে বিল ফেরত পাঠানোর জন্য আমার চিঠিটি বৈদ্যুতিন আর সংবাদমাধ্যমে প্রধান আলোচ্য নিবন্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এটা জোরদার আলোচনার বিষয় হয়ে উঠল। বিলে স্বাক্ষর করার জন্য সমস্ত রাজনৈতিক দল থেকে আমার ওপর খুব চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল।

     

    আরও দেখুন
    বই পড়ুন
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বই ডাউনলোড
    ডিজিটাল বই
    Library
    বাংলা অডিওবুক
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ

     

    ‘মনুস্মৃতি’তে লাভ বা দান বলতে কী বোঝায় তার অর্থ আমি তখনই কেবলমাত্র বুঝতে পেরেছিলাম: ‘দান গ্রহণের মাধ্যমে ব্যক্তির মধ্যেকার ঐশ্বরিক রশ্মি নির্বাপিত হয়ে যায়।’ একজন হাদিস বলেছেন, ‘পরমেশ্বর যখন কাউকে কোনও পদে নিযুক্ত করেন তখন তিনি তাঁর প্রয়োজনের প্রতি খেয়াল রাখেন। যদি কোনও ব্যক্তি এর বাইরে কোনও কিছু গ্রহণ করেন তবে তা হয় অবৈধপ্রাপ্তি।’

    এই ছিল লাভজনক পদ বিল ফেরত পাঠানোয় আমার উদ্বেগ এবং যুক্তি। বিল পুনর্বিবেচিত হয়ে আমার অনুমোদনের জন্য ফেরত পাঠানো হয়েছিল। সাধারণত আমি বিল-সংক্রান্ত অনুমতি পরের দিনই পাঠিয়ে দিই, কিন্তু সপ্তাহের পর সপ্তাহ চলে যাওয়ার পরেও যখন কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হল না তখন প্রধানমন্ত্রী চিন্তিত এবং আশ্চর্যান্বিত হয়ে আমার সঙ্গে দেখা করেছিলেন। আমি বলেছিলাম, সংসদের পক্ষ থেকে কিছু করা প্রয়োজন এবং সে-বিষয়ে আমি কিছু শুনিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, সংসদ আমার পরামর্শমতো লাভজনক পদ বিলের সমস্ত দিকগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবেচনা করার জন্য ইতিমধ্যে যুগ্মসংসদীয় সমিতি বা জেপিসি (জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটি) গঠন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ইত্যবসরে, বিলম্বের কারণে সমালোচনার ঝড় তুঙ্গে উঠে গিয়েছিল। অবশ্যই, আমি পরিষ্কার ছিলাম যে, বিল অনুমোদন করার আগে ন্যূনতম প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগুলো যেন নেওয়া হয়।

     

    আরও দেখুন
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা কৌতুক বই
    গ্রন্থাগার
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    রেসিপি বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    ডিজিটাল বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন

     

    বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে বহু প্রতিনিধি আমার সঙ্গে দেখা করে এ-বিষয়ে কথা বলতে চেয়েছিলেন। আমি সেসময় উত্তর-পূর্বাঞ্চল পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। দিল্লি আসার পথে আমি যখন কোহিমা থেকে গুয়াহাটি যাচ্ছি তখন বার্তা পেলাম যে সংসদ লাভজনক পদ বিল বিবেচনার জন্য একটা জেপিসি গঠন করার অনুমোদন দিয়েছে। যে মুহূর্তে আমি সংসদের কাছ থেকে আমার কাজের অনুমোদন পেলাম তৎক্ষণাৎ লাভজনক পদ বিলে স্বাক্ষর করলাম।

    বেশ কয়েক মাস পরে, সংসদ জেপিসি-র যে রিপোর্ট মঞ্জুর করল সেটা অসম্পূর্ণ ছিল এবং আমি যে সমস্যাগুলো তুলে ধরেছিলাম সেগুলোর সম্বন্ধে কিছুই বলা হয়নি। সংসদের উচিত এই ধরনের বিষয়গুলি খুব গুরুত্ব সহকারে চর্চা করা, নয়তো জনগণের কাছে এই বার্তা পৌঁছয় যে, রাষ্ট্রের উচ্চতম দায়িত্বাধিকারী সংগঠন ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থার প্রচার করছিলেন এবং সরকারের বিশেষ স্তরের ব্যক্তিদের কাছে এ একজাতীয় প্রবণতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।

    এই মত লাভজনক পদ বিলের ফেরত পাঠানো সুস্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠা করে, যে-সমস্ত প্রথা জনগণের সততার স্তরে পৌঁছতে পারে না তা সংসদীয় স্তরে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব সহকারে বিচার-বিবেচনা ও পর্যালোচনা করা দরকার। ত্রুটিপূর্ণ প্রথা গ্রহণের ক্ষেত্রে সূচনা হিসেবে একে গণ্য করা যায় যা জাতীয় মান গঠন এবং প্রথার ক্ষেত্রে সমঝোতার দিকে নিয়ে যাবে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বই
    ই-বই পড়ুন
    বই ডাউনলোড
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    রেসিপি বই
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    PDF বই

     

    সাম্প্রতিককালে আমরা দেখি দুর্নীতির বিরুদ্ধে দুটো অনশন আন্দোলন সংঘটিত হয়েছে এবং এতে অনেকে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। আমি নিজেকে প্রশ্ন করেছিলাম— আমাদের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কেন এই আন্দোলন হচ্ছে। বস্তুত, এর পেছনে কারণ হল, সংসদ নিজেই নিজের মানের অবনমন ঘটাচ্ছে। এই অবস্থা থেকে আমি পরামর্শ দিই, সংসদ অন্ততপক্ষে দু’সপ্তাহ সময় নিয়ে, দুর্নীতি নিয়ে প্রতিবাদে কক্ষ ত্যাগ না করে আলাপ-আলোচনা করুক এবং জনজীবন থেকে এ পাপ মুক্ত করার জন্য একটা নির্দিষ্ট সময়সীমা স্থির করুক। এর অংশ হিসেবে সংসদীয় সদস্যদের জন্য একটা আচরণবিধির প্রয়োজনীয়তা আছে। যদি জনপ্রতিনিধিরা তাঁদের লক্ষ্যপূরণে অসমর্থ হন তবে তাঁদের যাঁরা নির্বাচন করেছেন তাঁরা নানা উপায়ে নিজেদের হতাশা এবং অসম্মতি প্রকাশ করতে পারেন। প্রতিটা রাজনৈতিক দলকে সংসদের মাধ্যমে দুর্নীতি রোধ করতে বা দুর্নীতি মুক্ত করতে নিজস্ব কী ব্যবস্থা নিয়েছে তা খতিয়ে দেখতে হবে। সময় এসে গেছে, সংসদের উভয় কক্ষের উচিত দুর্নীতির বিষয় নিয়ে সতর্কভাবে চিন্তা করার এবং একটা সময়সীমানির্দিষ্ট সাংবিধানিক সমাধান খুঁজে বার করা, যা এই বিপজ্জনক প্রবণতা অপসারিত করবে, যার মধ্যে বিদেশে সঞ্চিত অর্থ পুনরুদ্ধার অন্তর্ভুক্ত। যথাসময়ে সংসদের এই ধরনের সক্রিয়তা নাগরিকদের মধ্যে বিশ্বাস ফিরিয়ে আনবে এবং সমাজের শান্তি ও সামঞ্জস্যতার প্রচার করবে যা রাষ্ট্রের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে জরুরি।

     

    আরও দেখুন
    স্বাস্থ্য টিপস
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    ডিকশনারি
    বই পড়ুন
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা বই

     

    রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমার পক্ষে অন্যতম কঠিন কাজ ছিল, আবেদনের সমস্ত বিকল্প প্রক্রিয়াসমূহ রুদ্ধ হওয়ার পর বিচারবিভাগ দ্বারা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া। রাষ্ট্রপতি ভবনে এরকম প্রচুর আবেদন অমীমাংসিতভাবে রয়েছে। এ পূর্বসূরিদের থেকে প্রাপ্ত এমন একটি কাজ, যে কোনও রাষ্ট্রপতি এতে আনন্দিত হবেন না। আমি ভেবেছিলাম মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির অপরাধ, অপরাধের গুরুত্ব এবং ব্যক্তিটির সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে একজন সাধারণ নাগরিকের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়গুলি পরীক্ষা করব। এই পর্যালোচনার ফলে আমি আশ্চর্য হয়ে আবিষ্কার করলাম— যে-সমস্ত অমীমাংসিত মামলাগুলো রয়েছে সেগুলো বেশিরভাগ সামাজিক এবং অর্থনৈতিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট। এর ফলে আমার মনে এই ধারণার জন্মাল যে, আমরা এমন মানুষকে শাস্তি দিচ্ছি, যার সঙ্গে শত্রুতার খুব সামান্যই সম্পর্ক এবং কোনও উদ্দেশ্যমূলক অপরাধ করেনি। অবশ্যই, এমন একটি মামলা আছে যেখানে দেখা গেছে লিফটম্যান একটি কিশোরীকে ধর্ষণ এবং হত্যা করার মতো অপরাধ ইচ্ছাকৃতভাবে করেছে। সে মামলার ক্ষেত্রে আমি মৃত্যুদণ্ড জারি রেখেছিলাম।

    আমার দৃষ্টিভঙ্গিতে, যখন বিচারালয় মৃত্যুদণ্ড মামলায় শুনানি করছে তখন তাদের উচিত আইন বলবৎকারী সংস্থাকে সতর্ক করে দেওয়া যাতে তারা বুদ্ধিপ্রয়োগ করে শাস্তিপ্রাপ্ত অপরাধী এবং তার পরিবারের জীবিকানির্বাহের সূত্রটি খুঁজে বার করে। এই ধরনের বিশ্লেষণ হয়তো আসল মানুষটি এবং তার অপরাধের কারণ খুঁজে বার করবে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    লেখকের বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্য
    ডিজিটাল বই
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    রেসিপি বই

     

    আমরা সবাই ঈশ্বরের সৃষ্টি। মানুষের তৈরি বিধি-নিয়ম বা একজন ব্যক্তির কৃত্রিম এবং গড়ে তোলা সাক্ষ্যের ভিত্তিতে কারও জীবনকে শেষ করে দিতে কতটা উপযুক্ত সে-বিষয়ে আমার সন্দেহ আছে।

    প্রতিটি সাধারণ নির্বাচন হওয়ার পর অথবা পরিবর্তনের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করা রাষ্ট্রপতির অন্যতম কর্তব্য। এসব ক্ষেত্রে স্থিতিশীল সরকার গঠন করার জন্য যেন দল বা জোট সরকারের যথেষ্টসংখ্যক সদস্য থাকে সে-বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে নিশ্চিত হতে হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়া আরও জটিল হয়ে যায় যখন একাধিক দল সরকার গঠনের দাবি করে, যেখানে কক্ষে কোনও দলেরই সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। এই পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৪ সালের নির্বাচন বেশ কৌতূহলোদ্দীপক। নির্বাচন সমাপ্ত হওয়ার পর, ফলাফল ঘোষিত হয়ে গিয়েছিল এবং কোনও একটি দলের সরকার গঠনের সামর্থ্য ছিল না।

    কংগ্রেস দলের সর্বাধিক নির্বাচিত সদস্য ছিল। তা সত্ত্বেও তিনদিন চলে গেল অথচ কোনও দল বা জোটদল সরকার গঠন করতে এগিয়ে এল না। ঘটনাটি আমায় উদ্বিগ্ন করে এবং আমি আমার সচিবের সঙ্গে আলোচনা করে বৃহত্তম দলের, এখানে কংগ্রেস দলের নেতাকে একটা পত্র পাঠিয়েছিলাম যাতে সরকার গঠনের দাবির স্বার্থে তারা অগ্রসর হয়।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    কৌতুক সংগ্রহ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বইয়ের
    বই পড়ুন
    ডিকশনারি
    Books

     

    আমাকে বলা হয়েছিল সনিয়া গাঁধী আমার সঙ্গে ১৮ মে দুপুর ১২.১৫-তে দেখা করতে চান। কিন্তু দেখা গেল, একা আসার পরিবর্তে তিনি মনমোহন সিং-এর সঙ্গে এসেছিলেন আমার সঙ্গে আলোচনা করতে। শ্রীমতী গাঁধী বলেছিলেন, তাঁর আবশ্যিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে কিন্তু তিনি দলের সদস্যদের স্বাক্ষরিত প্রয়োজনীয় সমর্থনপত্র সঙ্গে আনেননি। পরদিন অর্থাৎ ১৯ তারিখ তিনি সেই সমর্থনপত্র নিয়ে আসবেন। আমি ওঁকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, কেন আপনি পিছিয়ে দিচ্ছেন। আমরা আজ দুপুরের মধ্যে কার্যসম্পাদন করতে পারতাম। তিনি চলে গেলেন। পরে একটি বার্তা পেলাম যে, তিনি আমার সঙ্গে সন্ধে ৮.১৫টায় সাক্ষাৎ করতে চান।

    যখন এই বার্তা আদান-প্রদান চলছিল, আমি কোনও কোনও ব্যক্তি, সংগঠনগুলি এবং দলসমূহ থেকে অসংখ্য ই-মেল, চিঠিপত্র পেয়েছিলাম যে আমি যেন শ্রীমতী সনিয়া গাঁধীকে আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অনুমতি না দিই। আমি কোনওরকম মন্তব্য না করেই সেগুলো বিভিন্ন সরকারি দফতরকে তাদের তথ্যসমূহের জন্য প্রেরণ করেছিলাম। এই সময়ে অনেক রাজনৈতিক নেতা আমার সঙ্গে দেখা করে অনুরোধ জানিয়েছিলেন, কোনও চাপের কাছে নতিস্বীকার করে যেন শ্রীমতী গাঁধীকে প্রধানমন্ত্রী না করি। তাঁরা যে অনুরোধ জানিয়েছিলেন তা সাংবিধানিকভাবে গ্রহণীয় নয়। যদি শ্রীমতী গাঁধী দাবি করতেন আমায় তাঁকে নিয়োগ করা ছাড়া আর অন্য কোনও উপায় থাকত না।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বইয়ের
    স্বাস্থ্য টিপস
    ই-বই পড়ুন
    পিডিএফ
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    গ্রন্থাগার

     

    পূর্বনির্ধারিত সময়, সন্ধে ৮.১৫-এ শ্রীমতী গাঁধী ড. মনমোহন সিং-এর সঙ্গে রাষ্ট্রপতি ভবনে এসেছিলেন। কুশল বিনিময় করার পর ওই বৈঠকে শ্রীমতী গাঁধী বিভিন্ন দলের সমর্থনপত্র দেখালেন। তৎক্ষণাৎ আমি তাঁকে স্বাগত জানিয়ে বললাম, রাষ্ট্রপতি ভবন আপনার সুবিধামতো সময়ে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুত। ঠিক তখনই তিনি বললেন, তিনি ড. মনমোহন সিং-এর নাম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রস্তাব করতে চান, যিনি ১৯৯১-এ অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের স্থপতি ছিলেন এবং নিষ্কলঙ্ক চরিত্র-সহ কংগ্রেস দলের একজন বিশ্বাসী সহযোদ্ধা। এ ঘটনা অবশ্যই আমায় আশ্চর্য করেছিল এবং রাষ্ট্রপতি ভবনের সচিবালয় ড. মনমোহন সিংকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করার জন্য নতুনভাবে নথিপত্র তৈরি করেছিল এবং তাঁকে যত শীঘ্র সম্ভব সরকার গঠন করার জন্য আহ্বান করেছিল।

    অবশেষে, ২২ মে জাঁকজমকপূর্ণ অশোক হলে ড. মনমোহন সিং এবং ৬৭ জন মন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

    অবশেষে এই গুরুত্বপূর্ণ কাজ সমাপন করার স্বস্তিতে আমি নিশ্বাস ফেলে বাঁচলাম। যদিও, আমি আশ্চর্য হয়েছিলাম কেন তিনদিনের জন্য কোনও দল সরকার গঠনের দাবিদার হয়নি।

    .

    রাষ্ট্রপতি মেয়াদকালে আমাকে অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। আইনি এবং সাংবিধানিক বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে মতামত উদ্রিক্ত করে আমি আমার মনকে সম্পূর্ণ পক্ষপাতহীনভাবে প্রয়োগ করেছিলাম। এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল আমাদের সংবিধানের পবিত্রতা এবং কাঠিন্যকে সুরক্ষিত করা এবং লালন করা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভৌতিক অলৌকিক ১ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার
    Next Article দ্য প্লেগ – আলবেয়ার কামু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }