Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সন্ধিক্ষণ : প্রতিকূলতা জয়ের লক্ষ্যে যাত্রা – এ পি জে আবদুল কালাম

    ব্রততী সেন দাস এক পাতা গল্প189 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩. আমার জীবনের সাতটি সন্ধিক্ষণের মুহূর্ত

    ৩. আমার জীবনের সাতটি সন্ধিক্ষণের মুহূর্ত

    “তুমি সমস্যার অধিনায়ক হও, সমস্যাকে পরাজিত করো এবং সফল হও।”

    আমি শিক্ষকতা আর গবেষণা ভালবাসি কারণ আমি কখনওই পুনরাবৃত্তিতে ক্লান্ত হই না। আমার ভাবনার, উদ্ভাবনের কেন্দ্রে অধ্যয়নজীবন অবস্থান করে। যুবসমাজ এবং তাঁদের শিক্ষকদের সঙ্গে ভাবের আদানপ্রদান আমার অন্তরাত্মার খোরাক। অধ্যয়ন বিষয়ক জীবন এবং গবেষণাক্ষেত্রে প্রত্যাবর্তন করার একটা সিদ্ধান্ত আমি সচেতনভাবে নিয়েছিলাম।

    কিছু আগেই বলেছি, ঘটনার আকস্মিক মোড় কীভাবে আমায় দেশের রাষ্ট্রপতি পদ গ্রহণ করতে প্রণোদিত করেছিল, যদিও আমি নিজেকে অভিজ্ঞ অধ্যয়ন বিষয়ক কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করেছিলাম। আমার মনে ছয়টি ঘটনার স্মৃতি বারবার ফিরে আসে যা আমার জীবনপ্রবাহকে বদলে দিয়েছিল। কেউ হয়তো যোগ করতে পারেন, রাষ্ট্রপতি পদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে দেশে-বিদেশের অধ্যয়ন বিষয়ক জীবনে নবীন উত্তরণ হিসেবে আমার পুনরাগমন।

    আমার জীবনের প্রথম সন্ধিক্ষণ আসে ১৯৬১ সালে। আমার আজও মনে আছে এডিই-র (Aeronautical Development Establishment) বরিষ্ঠ বৈজ্ঞানিক সহায়ক হিসেবে আমি একটা হোভারক্রাফ্ট-এর মূল পরিকল্পক ছিলাম। ‘নন্দী’ নামক হোভারক্রাফট্‌টি সম্পূর্ণ প্রস্তুত ছিল এবং আমরা বহু দর্শনার্থীর সামনে তার উড়ান প্রদর্শন করেছিলাম। এটা খুব জনপ্রিয় হয়েছিল। একদিন এডিই-র অধিকর্তা ড. গোপীনাথ মেদিরাত্তা একজন অতিথিকে সঙ্গে করে নিয়ে এলেন— লম্বা সুদর্শন এবং শ্মশ্রুশোভিত ভদ্রলোক। তিনি যন্ত্রটি সম্পর্কে বেশ কিছু প্রশ্ন করলেন। তাঁর চিন্তার স্বচ্ছতা দেখে আমি তাজ্জব হয়ে গেলাম। তিনি আমায় জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনি আমায় হোভারক্রাফ্‌টে করে একবার ঘুরিয়ে আনতে পারবেন?’

    আমরা ক্রাফ্‌টে দশ মিনিটের একটা উড়ান দিলাম। হোভারক্রাফ্‌ট নামের সার্থকতা বজায় রেখে ভূমির ঠিক কয়েক সেন্টিমিটার ওপরে শূন্যে সেটি ভাসমান থাকল। আমি যানটির চালক ছিলাম যা অতিথিকে আশ্চর্য করেছিল। তিনি আমাকে আমার সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন করেছিলেন, তারপর ধন্যবাদ জানিয়ে প্রস্থান করলেন। যাওয়ার আগে অবশ্য নিজের পরিচয় জানিয়ে গিয়েছিলেন— তিনি ছিলেন অধ্যাপক এম জি কে মেনন, টাটা ইন্সটিটিউট অফ ফান্ডামেন্টাল রিসার্চের অধিকর্তা। এর এক সপ্তাহ পরে আমি ICSR (Indian Committee for Space Research যা পরে Indian Space Research Organization বা ISRO হয়েছিল) থেকে একটা ডাক পেলাম রকেট ইঞ্জিনিয়ার পদের ইন্টারভিউ-এর জন্য।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    ডিজিটাল বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    অনলাইনে বই
    বাংলা বই
    গ্রন্থাগার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    লেখকের বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি

     

    ইন্টারভিউ-এর জন্য বম্বে গিয়ে আমি অধ্যাপক বিক্রম সারাভাই-কে দেখতে পেয়ে অবাক হয়েছিলাম, তিনি ICSR-এর সভাপতি ছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন এইসি অ্যাটমিক এনার্জি কমিশন (Atomic Energy Commission)-র উপসচিব অধ্যাপক শরাফ এবং অধ্যাপক মেনন। আমি অধ্যাপক সারাভাই-এর উষ্ণ ব্যবহারে মোহিত হয়েছিলাম। তিনি আমার জ্ঞান এবং দক্ষতা নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা না করে বরং নানা প্রশ্নের মাধ্যমে আমার মধ্যেকার পরিপূর্ণ সম্ভাবনার উন্মোচন ঘটিয়েছিলেন। তিনি যেন বিশাল কোনও পূর্ণতার পরিপ্রেক্ষিতে আমার দিকে তাকিয়ে ছিলেন। এই সম্পূর্ণ সাক্ষাৎকারটি আমার কাছে এক মুহূর্তের সত্য, যাতে আমার স্বপ্ন এক মহান ব্যক্তির মহৎ স্বপ্নের দ্বারা আলিঙ্গনাবদ্ধ ছিল।

    পরের দিন, সন্ধেবেলা জানানো হল আমাকে নির্বাচন করা হয়েছে। ১৯৬২ সালে নবগঠিত ইসরো-তে আমাকে রকেট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নিযুক্ত করা হল। যেখানে আমার জীবনে মহত্তর ঘটনা সংঘটিত হল, যখন অধ্যাপক সতীশ ধাওয়ান ভারতের প্রথম উপগ্রহ উৎক্ষেপণযান প্রোগ্রামের প্রোজেক্ট অধিকর্তা হিসেবে নেতৃত্বদানে আমাকে আহ্বান করলেন।

     

    আরও দেখুন
    বই পড়ুন
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    লেখকের বই
    Books

     

    ১৯৮২ সালে, মুসউরিতে DIWS-র (Defence Institute of Work Study যা এখন Institute of Technology Management-এ পরিণত হয়েছে) ড. রাজা রামান্নার সঙ্গে আলাপ-আলোচনার পর ভারতের মিসাইল প্রোগ্রামে প্রবেশ আমার জীবনের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। DIWS হল একটা প্রতিষ্ঠান, যেখানে প্রতিরক্ষাবাহিনীর আধিকারিকদের প্রতিরক্ষা প্রক্রিয়া পরিচালনে প্রশিক্ষিত করা হয়ে থাকে— এক বিশাল ক্ষেত্র যেখানে বিশেষজ্ঞের প্রয়োজন আছে। যেহেতু আমি SLV-3 প্রোগ্রামের প্রজেক্ট অধিকর্তা ছিলাম তাই আমার ডাক পড়ল DIWS-এ, একগুচ্ছ বক্তৃতার জন্য। কীভাবে প্রথম ভারতীয় উপগ্রহ উৎক্ষেপণযান রোহিণীকে কক্ষপথে স্থাপন করেছিল সেটার একটা প্রেজেন্টেশন তৈরি করলাম। ড. রামান্না বক্তৃতা দিয়েছিলেন, ১৯৭৪ সালে কীভাবে তিনি ভারতের প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষায় সফল হয়েছিলেন।

    বক্তৃতা শেষে আমরা দু’জনেই দেরাদুন বেড়াতে বেরিয়েছিলাম। ওখানে একদল বিজ্ঞানীর সঙ্গে বসে চা পান করেছিলাম। যখন আমরা দেরাদুনে, ড. রামান্না আমাকে হায়দরাবাদের প্রতিরক্ষা গবেষণা এবং উন্নয়ন গবেষণাগার বা DRDL (Defence Research and Development Laboratory)-র অধিকর্তার পদে গ্রহণ করতে চাইলেন। DRDL মিসাইল সিস্টেম উন্নয়নের মূল গবেষণাগার এবং সেটা প্রতিরক্ষা গবেষণা এবং উন্নয়ন সংগঠনের (Defence Research and Development Organization বা DRDO)-র অন্তর্ভুক্ত। আমি সঙ্গে সঙ্গে প্রস্তাবটা গ্রহণ করলাম কেননা বরাবরই আমি মহাকাশযান প্রযুক্তিকে মিসাইল প্রযুক্তিতে প্রয়োগ করতে চাইতাম। কিন্তু আমার পরবর্তী লক্ষ্য হল আমার অধ্যক্ষ ইসরো-র সভাপতি অধ্যাপক ধাওয়ানের মনে প্রত্যয় জাগানো।

     

    আরও দেখুন
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    পিডিএফ
    বাংলা কৌতুক বই
    বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    ডিজিটাল বই
    রেসিপি বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

     

    অনেকগুলো মাস চলে গেছিল। ইসরো এবং ডিআরডিও-র মধ্যে চিঠির আদানপ্রদান হয়েছিল। প্রতিরক্ষা সংগঠনের সচিবালয় (Secretarial of Defence Organizations) এবং মহাকাশ বিভাগে (Department of Space) পারস্পরিক সুবিধাজনক ক্রিয়ার পাঠক্রম শুরু করার জন্য অনেক আলাপ-আলোচনা হয়েছিল। সেসময় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আর ভেঙ্কটরামনের বিজ্ঞান বিষয়ক উপদেষ্টা ড. ভি এস অরুণাচলম মন্ত্রী এবং অধ্যাপক ধাওয়ান-এর মধ্যে আলোচনায় মধ্যস্থতা করেছিলেন। এই আলাপ-আলোচনার ওপর ভিত্তি করে ১৯৮২-র ফেব্রুয়ারি মাসে আমাকে DRDL-এর অধিকর্তা হিসেবে নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হল।

    ১৯৯২ সালের জুলাই মাসে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং সচিবের প্রতিরক্ষা গবেষণা এবং উন্নয়ন বিভাগের (Department of Defence Research and Development) বিজ্ঞান বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে আমি ড. অরুণাচলমের হাত থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করলাম। আমার জীবনের এটা তৃতীয় সন্ধিক্ষণ। ১৯৯৩ সালে আমাকে তামিলনাড়ুর তৎকালীন রাজ্যপাল ড. চেন্না রেড্ডি মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য হওয়ার আমন্ত্রণ জানালেন। আমি সরকারকে অনুরোধ করলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার নিয়োগের অনুমোদন দিতে, যা আমি পরে বাষট্টি বছর বয়সে গ্রহণ করতে পারি। যাই হোক, প্রধানমন্ত্রী পি ভি নরসিংহ রাও যিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রীও ছিলেন, বলেছিলেন আমার পক্ষে বিজ্ঞান বিষয়ক উপদেষ্টারূপে কাজ চালিয়ে যাওয়া উচিত, কারণ আমি অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় কার্যক্রমের সঙ্গে সংযুক্ত ছিলাম। এখানে যোগ করতে চাই যে, আমি বহু বছর নরসিংহ রাও-এর সঙ্গে কাজ করেছি এবং দেখেছি, রাও প্রতিরক্ষা বিষয়ে ভীষণ সজাগ। বিশেষত দেশীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে। প্রতিরক্ষা প্রয়োগের জন্য শক্তপোক্ত প্রক্রিয়া গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর এক সুদূরমেয়াদি লক্ষ্য ছিল। সুতরাং প্রায় সত্তর বছর বয়স অবধি আমি প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বিজ্ঞান বিষয়ক উপদেষ্টারূপে কাজ করে গেছি।

     

    আরও দেখুন
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বইয়ের তালিকা
    লেখকের বই
    বুক শেল্ফ
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ

     

    আমার জীবনের চতুর্থ সন্ধিক্ষণ হল ১৯৯৮ সালের পারমাণবিক পরীক্ষা। এর পেছনে একটা কৌতূহলোদ্দীপক কাহিনি আছে। আমরা ১৯৯৬-এর মে মাসে ফিরে যাই, ওই বছর নির্বাচন হয়েছিল— ফল ঘোষিত হওয়ার মাত্র কিছুদিন আগে আমার সঙ্গে নরসিংহ রাও-এর পরিচয় হয়েছে। তিনি আমায় বলেছিলেন, ‘কালাম, তুমি তোমার টিম নিয়ে পারমাণবিক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হও। আমি এখন তিরুপতি যাচ্ছি। পারমাণবিক পরীক্ষায় অগ্রসর হওয়ার জন্য আমার অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করো। ডিআরডিও-ডিএই টিমগুলো কর্মপ্রক্রিয়ার জন্য যেন নিশ্চয় তৈরি থাকে। তিরুপতিতে তাঁর যাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল সুফলের আশায় ঈশ্বরের আশীর্বাদ কামনা। যাই হোক, তিনি যা অনুমান করেছিলেন নির্বাচনের ফলাফল তার চাইতে অন্যরকম হয়েছিল। কংগ্রেসের আসনসংখ্যা সরাসরি ১৩৬-এ নেমে এল। বিজেপি এবং তার জোট দল বাজপেয়ীর নেতৃত্বে ক্ষমতায় এল কিন্তু মাত্র দু’সপ্তাহের জন্য। তৃতীয় ফ্রন্টের এইচ ডি দেবেগৌড়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন। যাই হোক, যে দু’সপ্তাহ বাজপেয়ী সরকার ক্ষমতায় ছিল তারমধ্যে পারমাণবিক পরীক্ষার আপ্রাণ চেষ্টা করেছিল।

    তখন রাত ন’টা। ৭ নং রেসকোর্স রোড থেকে একটা টেলিফোনে আমাকে অনুরোধ করা হল যেন অবিলম্বে নতুন প্রধানমন্ত্রী এবং বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী রাও-এর সঙ্গে দেখা করি। রাও আমায় বললেন, পারমাণবিক কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণের সংক্ষিপ্ত রূপরেখা বাজপেয়ীজিকে জানাতে, যাতে নতুন সরকারের কাছে এই গুরুত্বপূর্ণ কার্যকলাপের মসৃণ হাতবদল ঘটে।

    এর বছর দুয়েক পরে বাজপেয়ীজি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রত্যাবর্তন করেছিলেন। ১৯৯৮ সালের ১৫ মার্চের মাঝরাতে আমি ওঁর কাছ থেকে একটা টেলিফোন পেলাম। জানালেন তিনি মন্ত্রীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করছিলেন এবং আমাকে তিনি তাঁর ক্যাবিনেটে অন্তর্ভুক্ত করতে চান। আমি জবাব দিয়েছিলাম যে, চিন্তা করার জন্য আমার কিছু সময়ের প্রয়োজন। তিনি পরদিন সকাল ন’টায় ওঁর সঙ্গে আমায় দেখা করতে বললেন। ফলে, ওই মাঝরাতে আমি আমার কিছু বন্ধু জড়ো করে ফেললাম এবং আমার ক্যাবিনেটে যোগ দেওয়া উচিত হবে কি না এ নিয়ে প্রায় ভোর ৩-টে অবধি আমাদের তর্কবিতর্ক চলল। সাধারণ মত হল, যেহেতু আমি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দুটো মিশনে সম্পূর্ণভাবে জড়িত এবং দুটোই অন্তিম পর্যায়ে ও সার্থকতার সম্মুখীন সুতরাং এই অবস্থায় ওগুলো ছেড়ে রাজনীতির প্রাঙ্গণে প্রবেশ করা আমার উচিত হবে না।

     

    আরও দেখুন
    রেসিপি বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    লেখকের বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    অনলাইন বুকস্টোর
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার

     

    পরদিন, ৭ সফদরজং রোডে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে আমি পৌঁছেছিলাম। তিনি বসার ঘরে আমায় অভ্যর্থনা জানিয়ে প্রথমে ঘরে তৈরি মিষ্টি খেতে দিলেন। তারপর আমি তাঁকে বললাম, ‘আমি এবং আমার টিম দুটো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে খুব ব্যস্ত। একটা হল অগ্নি মিসাইল প্রক্রিয়া প্রস্তুত করা। দ্বিতীয়টি হল ডিএই ডিপার্টমেন্ট অফ অ্যাটমিক এনার্জি (Department of Atomic Energy)-র অংশীদারিত্বে একগুচ্ছ পরীক্ষার মাধ্যমে পারমাণবিক প্রক্রিয়া শেষ করা। আমি মনে করি এই দুটি কার্যক্রমে সম্পূর্ণভাবে আবিষ্ট থেকে আমি আমার দেশকে আরও বেশি কিছু নিবেদন করতে পারব। অনুগ্রহ করে আমায় কাজ চালানোর অনুমতি দিন।’

    প্রত্যুত্তরে বাজপেয়ীজি বললেন, ‘আমি আপনার মনোভাবের প্রশংসা করি, আপনি এগিয়ে যান, ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুন।’ এরপর অনেক ঘটনা ঘটেছিল। ‘অগ্নি’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রক্রিয়ার অভিষেকের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, পাঁচটি পারমাণবিক পরীক্ষা পরপর নির্বাচিত হয়েছিল এবং ভারতবর্ষ পারমাণবিক শক্তিধর দেশে পরিণত হয়েছিল। আমার ক্যাবিনেটে অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার দরুন দুটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় কার্যক্রমে নিজেকে নিবেদন করতে সক্ষম হয়েছিলাম যা দেশকে অভূতপূর্ব ফলদান করেছিল।

    আমার জীবনের পঞ্চম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এল ১৯৯৯ সালের শেষ দিকে। আমাকে ভারত সরকারের মুখ্য বিজ্ঞান বিষয়ক উপদেষ্টা বা পিএসএ (প্রিন্সিপাল সায়েন্টিফিক অ্যাডভাইসার) হিসেবে নিযুক্ত করা হল, যা ক্যাবিনেট মন্ত্রী পদের সমকক্ষ। আমার টিমে ছিলেন ড. ওয়াই এস রাজন, বৈদ্যুতিন তথ্য বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ ড. এম এস বিজয়রাঘবন যিনি আমার সঙ্গে TIFAC-এ কাজ করেছিলেন এবং আমার ব্যক্তিগত সচিব এইচ শেরিডন— আমি বিজ্ঞান বিষয়ক উপদেষ্টা থাকাকালীন যিনি আমার দপ্তরের আধিকারিক ছিলেন। যখন কর্মভার হাতে নিলাম তখন আমাদের কোনও দপ্তর ছিল না, কিন্তু আমরা পরে বানিয়ে নিয়েছিলাম। এরজন্য ডিআরডিও-কে ধন্যবাদ জানাই, বিশেষত ডিআরডিও-র অসামরিক কার্য এবং আবাসন বিভাগের মুখ্য নির্বাহিক কে এন রাই, ডিআরডিও-র আর অ্যান্ড ডি-র মুখ্য নিয়ন্ত্রক মেজর জেনারেল আর স্বামীনাথনের অক্লান্ত প্রচেষ্টার কথা বলতে হবে। ইন্ডিয়া ২০২০ ভিশন সরকার দ্বারা গৃহীত হয়েছে যদিও এই লেখার কর্মপ্রক্রিয়াকেন্দ্রিক পরিকল্পনার এগিয়ে দেবার ক্ষেত্রে প্রধান বিজ্ঞান বিষয়ক উপদেষ্টা দপ্তর যোগ্য মঞ্চ হয়ে উঠেছিল বলে আমি মনে করি। এই ভিশন বা স্বপ্ন প্রথম দেবগৌড়া সরকার থাকাকালীন পরিবেশিত হয়েছিল। এরপর আই কে গুজরাল প্রধানমন্ত্রী হলেন এবং ১৯৯৮ সালে আবার বাজপেয়ী ফিরে এলেন। তিন সরকারই এই সুপারিশ বাস্তবায়িত করায় জোর দিয়েছিলেন। বিজ্ঞানভবন অ্যানেক্সে আমাদের দপ্তর ছিল। সেটা একটা বিশাল বিল্ডিং যেখানে অসংখ্য তথ্যানুসন্ধান সংস্থা এবং কিছু সরকারি বিভাগও ছিল। শান্ত, নিরিবিলি পরিবেশ। সংলগ্ন বিজ্ঞানভবন অবশ্যই বিশালাকারের জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য বিখ্যাত স্থল। অ্যানেক্সটি উপরাষ্ট্রপতির বাসভবনের ঠিক পাশেই ছিল, নর্থ ও সাউথ ব্লকের হইহট্টগোল ওখানে না থাকায় কাজ করার সুষ্ঠু পরিবেশ ছিল।

     

    আরও দেখুন
    নতুন বই
    ডিকশনারি
    গ্রন্থাগার
    অনলাইন বুকস্টোর
    বইয়ের
    বাংলা অডিওবুক
    অনলাইনে বই
    বাইশে শ্রাবণ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা হস্তলিপি কুইল

     

    যথারীতি ভ্রমণ আমার কার্যসূচির মধ্যে একটা বড় অংশ দখল করে ছিল। ২০০১ সালে ৩০ সেপ্টেম্বর অল্পের জন্য হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে ফিরেছিলাম। ঝাড়খণ্ডের বোকারো স্টিল প্ল্যান্টে হেলিকপ্টার অবতরণ করার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। আমরা অলৌকিকভাবে রক্ষা পেয়েছিলাম। লাফিয়ে নেমেই আমি বিমানচালক ও সহচালকের কাছে দৌড়ে গেছিলাম ও তাঁদের বলেছিলাম, ‘আমায় রক্ষা করার জন্য ধন্যবাদ, ঈশ্বর আপনাদের মঙ্গল করুন।’ দু’জনের চোখে তখন জল। কিন্তু আমি তাঁদের বললাম, এরকম কখনও কখনও হয় তবে আমরা যা করতে পারি তা হল সমস্যা খুঁজে বার করা ও তার সমাধান করা। সেদিন সন্ধ্যায় আমার পাঁচটা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। আমায় সেখানে অভিভাষণ দিতে হয়েছিল। শ্রোতাদের মধ্যে ছিলেন বোকারো স্টিল প্ল্যান্টের বিশেষ দায়িত্বশীল পদাধিকারী, ইঞ্জিনিয়ার এবং কর্মীবৃন্দ এবং বোকারোর কিছু স্কুলের ছাত্রছাত্রী। বিমান দুর্ঘটনার সংবাদ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল— জাতীয় চ্যানেলগুলো খবরটা লুফে নিয়েছিল। যখন বাচ্চাদের সঙ্গে দেখা হল, দেখলাম ঘটনাটি ওদেরকেও যেন নাড়িয়ে দিয়েছে। আমি ওদের সঙ্গে করমর্দন করলাম এবং নির্ভীকতার মন্ত্র উচ্চারণ করলাম, যা ওদের উৎফুল্ল করেছিল। সেটা ছিল নিতান্ত এক উদ্বুদ্ধ করার উপদেশ:

    নীর্ভিকতা

    অন্য কিছু ভাবার নির্ভীকতা,

    উদ্ভাবন করার নির্ভীকতা,

    অনাবিষ্কৃত পথে চলার নির্ভীকতা,

    অসম্ভাব্য আবিষ্কারের নির্ভীকতা,

    সমস্যা আর সাফল্যের দ্বন্দ্বে নির্ভীকতা,

    এ সবই হল যৌবনের অনন্য নৈপুণ্য।

    দেশের যুবসমাজ হিসেবে,

    আমি কাজ করব এবং

    লক্ষ্যে সফলতা পাবার জন্য সাহসের সঙ্গে কাজ করব।

    ওই একই দিনে আর একটা মর্মন্তুদ উড়ান দুর্ঘটনা ঘটেছিল। তাতে মাধবরাও সিন্ধিয়া, সাংবাদিক, ওঁর কর্মী এবং বিমানকর্মী-সহ ছয়জন ব্যক্তি নিহত হয়েছিলেন। দুটো খবরই রামেশ্বরমে আমার পরিবার এবং দেশে-বিদেশে ছড়ানো বন্ধুদের কাছে পৌঁছে গেছিল। আমি কেমন আছি জানার জন্য তাঁরা প্রত্যেকে ভীষণ উৎকণ্ঠিত ছিলেন। আমি সুস্থ আছি, সংবাদপত্রের মাধ্যমে এ খবর পেয়েও দাদার বিশ্বাস হচ্ছিল না। তাই ওঁর সঙ্গে কথা বলে ওঁকে এবং পরিবারের সবাইকে আশ্বস্ত করতে হয়েছিল।

    সেই সন্ধ্যায় আমি যখন দিল্লি পৌঁছলাম, বাজপেয়ীজির সঙ্গে দেখা করার অনুরোধ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে একটা জরুরি বার্তা এসে পৌঁছল— আমি যেতেই তিনি অভ্যর্থনা জানিয়ে দুর্ঘটনা সংক্রান্ত বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলেন। আমায় সুস্থ দেখে তিনি আনন্দিত হয়েছিলেন। তারপর তিনি বললেন ইন্ডিয়া ২০২০ ভিশনের কাগজপত্র নিয়ে নেতৃস্থানীয় শিল্পপতি ও ক্যাবিনেটের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেছেন এবং এর ওপর আরও কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য সংসদে ঘোষণা করেছেন। কিন্তু আমি তাঁকে বললাম, এই কাজে অনেকগুলো বাধা আছে। কিছু ব্যাপার ছিল যা নিয়ে আমি ভাবনাচিন্তা করছিলাম।

     

    আরও দেখুন
    বই
    বাংলা বই
    PDF বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    PDF
    পিডিএফ
    Books
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বই পড়ুন

     

    ওই দুর্ঘটনার পরিণামে দুটো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটল। একটা হল আমার বই ‘Ignited Minds’ এর বীজরোপণ ও তার জন্ম— যার উদ্দেশ্য ছিল ‘আমি পারি’ এই আকাঙ্ক্ষা যুবসমাজে জাগিয়ে তোলা। এবং দ্বিতীয়টি হল নিজেকে আত্মিকভাবে পুনরুদ্বুদ্ধ করার উদ্দেশ্যে আম্মা-মাতা অমৃতানন্দময়ীর সঙ্গে দর্শন করার জন্য রাঁচি থেকে কুইলন যাত্রা করা। ঘটনাক্রমে আমি রাষ্ট্রপতি পদে অভিষিক্ত হওয়ার ঠিক আগেই ‘Ignited Minds’ প্রকাশিত হয়েছিল। গ্রন্থটির শিরোনাম প্রচার মাধ্যমের খুব পছন্দসই বাক্যবন্ধ হিসেবে বারংবার আমার রাষ্ট্রপতি পদে অভিষেককালীন সংবাদে প্রচার করা হচ্ছিল। গ্রন্থটি অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছিল এবং এখনও সারা বছর ধরে বিক্রি হয়। আম্মা এক দেবতুল্য আত্মা, যিনি সামাজিক উন্নয়ন, বিশেষত শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য আর অনাথ ও পতিতদের সহায়তায় নিজেকে নিমজ্জিত করেছেন। যে দুই বন্ধুর সঙ্গে আম্মার দর্শনে যাত্রা করেছিলাম, তাঁদেরকে আমি বলেছিলাম যে পিএসএ পদ থেকে পদত্যাগ করছি এবং প্রধানমন্ত্রীকে একটা পত্র পাঠিয়ে দিয়েছি। অতএব আমি নিরুদ্বিগ্ন চিত্তে আম্মার সঙ্গে দেখা করলাম। ওঁর সঙ্গে আমি আমার ইন্ডিয়া ২০২০ ভিশনের কথা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার কথা আলোচনা করেছিলাম।

    সময়টা ছিল ২০০১ সালের নভেম্বর মাস, পিএসএ বা মুখ্য বিজ্ঞান বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে আমার ততদিনে দু’বছর অতিবাহিত হয়ে গেছে। চিঠিতে লিখেছিলাম আমি আবার আমার শিক্ষা বিষয়ক ক্ষেত্রে ফিরে আসতে চাই। অবশ্যই এর গভীরতর কারণ ছিল। আমার মনে হয়েছিল, আমি যে গ্রামীণ ক্ষেত্রে নাগরিক স্বাচ্ছন্দ্য প্রদান বা PURA (Providing Urban Amenities in Rural Areas) এবং ইন্ডিয়া ২০২০-র ব্যবস্থাপন পরিচালনা করছিলাম তা প্রয়োজনীয় গুরুত্ব পাচ্ছিল না। কোথায় সমস্যার উদ্ভব হচ্ছিল? সু-সংহায়িত সময়োপযোগিতা, তহবিল এবং দায়িত্বভার সহযোগে যতদূর সম্ভব আমি প্রতিটা লক্ষ্য বা কার্যক্রমকে রূপায়ণ করতে পছন্দ করি। সামগ্রিকভাবে, সরকারি নিয়মতন্ত্রে এই ধরনের পরিবেশ পাওয়া বেশ কঠিন। কেননা অজস্র মন্ত্রী এবং সরকারি বিভাগ এবং তাদের নিজস্ব লক্ষ্য ও কার্যক্রমের দ্বারা মিশনের উদ্দেশ্য সম্পাদিত হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, কৃষিক্ষেত্রে যদি কেউ প্রতি বছরে ৪% উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণ করে, সেজন্য তাকে জলসম্পদ, শক্তি, সার, রসায়ন, গ্রামীণ বিকাশ, পঞ্চায়েত রাজ, রেল (সার পরিবহণের জন্য) মন্ত্রক ইত্যাদি আরও অনেক কিছুর সাহায্য নিতে হবে। এখানে সহায়ক সংগঠনগুলির কোনও স্বচ্ছ সাধারণ লক্ষ্য নেই। দ্বিতীয়ত পিএসএ-র সমন্বয়সাধনার, উপদেষ্টার ব্যাপক প্রসারিত ভূমিকা ছিল কিন্তু কোনও প্রত্যক্ষ কর্তৃত্ব ছিল না। এটা যে-কোনও মিশন সম্পাদনের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার কারণ।

    রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমার মেয়াদ কালের শেষ তিনমাসে দ্বিতীয়বার আমার প্রার্থীপদ নিয়ে বারবার প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছিল। আমি ততদিনে মনস্থির করে নিয়েছিলাম যে, শিক্ষকতায় আর ইন্ডিয়া ২০২০ ভিশনকে সার্থক রূপদান করতে প্রচার করব। হঠাৎ করে, জুলাই মাস এসে পড়তেই কংগ্রেসের শাসক দল পছন্দসই প্রার্থীর নাম প্রস্তাব করল। বিরোধী দলের মনোভাব অন্যরকম ছিল। রাজনৈতিক কার্যকলাপে সারা দেশ জুড়ে গুঞ্জন শুরু হয়ে গেছিল। নদীর স্রোতের মতো বিভিন্ন দলের নেতারা আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আবার একবার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশগ্রহণের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। জনসাধারণ, প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব এবং দেশের যুবসমাজের কাছ থেকে ব্যক্তিগতভাবে এবং ই-মেলের মাধ্যমে দ্বিতীয়বার রাষ্ট্রপতি পদগ্রহণের জন্য অজস্র অনুরোধ এসেছিল। মনোনয়ন গ্রহণ শেষ হওয়ার ঠিক আগে একদল রাজনৈতিক নেতা আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বললেন, যদি আমি নির্বাচনে প্রার্থী হতে রাজি হই তাঁরা সমস্ত দল থেকে এমনকী শাসকদল থেকে সমর্থন পাবেন।

     

    আরও দেখুন
    ডিকশনারি
    Library
    অনলাইনে বই
    PDF
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা বই
    বই
    বইয়ের তালিকা
    লাইব্রেরি
    ডিজিটাল বই

     

    আমি তাঁদের জানিয়েছিলাম, যদি অধিকাংশ দল রাজি থাকে তবে আমি প্রস্তাবের সম্ভাব্যতা বিবেচনা করে দেখতে পারি। নেতারা ফিরে এসে জানালেন শাসক দল আমার প্রার্থীপদে রাজি নয়। কিন্তু তাঁরা আমার সাফল্য সম্পর্কে এতটা নিশ্চিত ছিলেন যে, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য আমায় পীড়াপীড়ি শুরু করে দিলেন। সমস্ত দ্বিধা সরিয়ে দিয়ে আমি তাঁদের বলেছিলাম, যদি তাই হয় আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবই না কারণ আমি বিশ্বাস করি রাষ্ট্রপতি ভবনকে কোনও দলীয় রাজনীতির মধ্যে নিয়ে আসা উচিত নয়। অনিচ্ছাসত্ত্বেও নেতারা রাজি হলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি বেরিয়েছিল যে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আমি প্রার্থী হচ্ছি না। শিক্ষা বিষয়ক এবং গবেষণা বিষয়ক কর্মজীবনে ফেরার জন্য এবং ভারতবর্ষকে ২০২০ সালের মধ্যে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী দেশে রূপান্তর করার তীব্র আবেগ-সহ কাজ চালানোর ইচ্ছে থেকে আমি সচেতনভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।

    .

    আমি সব সময় বিশ্বাস করি কাপুরুষ কখনও ইতিহাস রচনা করতে পারে না, ইতিহাস সৃষ্টি করে মানুষ, যাদের মধ্যে সাহস এবং প্রাজ্ঞতা আছে। সাহসিকতা একক, প্রাজ্ঞতা আসে অভিজ্ঞতা থেকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভৌতিক অলৌকিক ১ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার
    Next Article দ্য প্লেগ – আলবেয়ার কামু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }