Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সন্ধিক্ষণ : প্রতিকূলতা জয়ের লক্ষ্যে যাত্রা – এ পি জে আবদুল কালাম

    ব্রততী সেন দাস এক পাতা গল্প189 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫. জাতিকে আমি কী দিতে পারি?

    ৫. জাতিকে আমি কী দিতে পারি?

    স্বপ্নই জাতিকে উন্নীত করে

    দেশকে আমি কী দিতে পারি? অন্যান্য দেশের মধ্যে আমার দেশকে সম্মান এবং শ্রদ্ধা দিতে পারি। আমার একলক্ষ কোটি দেশবাসী ভাই-বোনের মুখে হাসি ফোটাতে পারি। শুধুমাত্র অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং শিক্ষার মাধ্যমে তা সম্ভব। আত্মসম্মান অর্জনের ক্ষেত্রে শিক্ষা হল সর্বপ্রধান। নিবেদনের অভ্যাসের বদ্ধমূল সংস্কার উন্নয়নের মূলস্রোতে আমাদের দেশবাসীকে নিয়ে আসবে।

    স্বাধীনতা দিবস এবং প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে ভারতের রাষ্ট্রপতি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবার সম্মান লাভ করেন। এই দুই উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্দিষ্ট পর্বে দেশের উন্নয়ন এবং উন্নয়নকালীন পর্বে যেসব চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয় তা জ্ঞাপন করেন।

    অভিভাষণ প্রথমে ইংরেজিতে দেওয়া হয়, তারপর হিন্দিতে। ব্যতিক্রম হিসেবে আমি অভিভাষণের শুরুতে শুভেচ্ছা জানাতাম এবং বক্তৃতার একটা সংক্ষিপ্তসার হিন্দিতে বলতাম।

    আমি যখন রাষ্ট্রপতি হলাম তখন হিন্দি ভাষায় আমার জ্ঞান খুব সামান্য ছিল। যদিও আমি উপলব্ধি করতাম হিন্দি ভাষায় প্রারম্ভিক জ্ঞানের সাহায্যে বৃহদাংশ শ্রোতার কাছে অন্ততপক্ষে ভাষণের সৌরভ তো পৌঁছনো সম্ভব।

    প্রজাতন্ত্র দিবসের ভাষণের একটা নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু থাকে। সাধারণত এর প্রস্তুতি বেশ কিছুদিন আগে থেকে নেওয়া হয়। প্রথমে আমরা বিষয় নির্বাচন করি তারপর বিভিন্ন বিভাগ থেকে তথ্যসংগ্রহ এবং ওই বিষয়ে আন্তর্জাতিক চিত্রটা বোঝার চেষ্টা করি। আমরা বিশেষজ্ঞদের কাজে এক-একটা প্রশ্নাবলি পাঠিয়ে তারপর তথ্যগুলো একত্রিত করতাম। ভাষণের অসংখ্য খসড়া তৈরি হত, দশটা বা তার বেশি খসড়া কোনও অসম্ভব ঘটনা ছিল না। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ২০০৪ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের বিষয় ছিল-‘একশো কোটি মানুষের মুখে হাসি’-এর প্রায় দশটা খসড়া হয়েছিল। মূল্যবোধ ছিল এর উদ্দেশ্য। ২০০৫-এর ১৪ অগস্টের বিষয়বস্তু ছিল শক্তিক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা। পনেরোটি খসড়ার মধ্যে দিয়ে ভাষণটি তৈরি হয়েছিল। সর্বাধিকসংখ্যক খসড়া তৈরি হয়েছিল ২০০৭ সালের ২৫ এপ্রিল ইউরোপীয় পার্লামেন্টে আমার ভাষণ তৈরি করতে গিয়ে। ৩১টি খসড়ার মধ্য দিয়ে এ ভাষণ তৈরি হয়েছিল।

    রাষ্ট্রপতি মেয়াদকালীন আমি দশটা ভাষণ দিয়েছি। প্রতিটি ভাষণের বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেগুলো ছিল স্বপ্নকে লক্ষ্যে রূপান্তর করার বক্তৃতা। আরও অনেক বিষয়বস্তু ছিল যার জন্য আমাদের মনে রাখা উচিত: মানবজীবনে আত্মসম্মানের জন্য শিক্ষা; কর্মনিয়োগ সংঘটনে এক কর্মপ্রক্রিয়া পরিকল্পনা; একশো কোটি দেশবাসী: এক দর্শন; জাতীয় জাগরণ এবং আমি আমার দেশকে কী দিতে পারি। সমস্ত বিষয়গুলি ভারতবর্ষকে এক উন্নত দেশে রূপান্তরিত করার সাধারণ ভাবনা থেকে উদ্ভূত হয়েছে। এই বার্তা দেশের নাগরিক ও পেশাদারদের কাছে ছড়িয়ে গিয়ে নিজেদের ক্ষেত্রে বিতর্ক তুলেছে এবং সক্রিয় করেছে। উদাহরণস্বরূপ বলা চলে, কর্মনিয়োগ সৃষ্টি করতে যখন জাত্রোফা কার্কাস-এর বাগিচাশিল্পের কথা আমি বলেছিলাম, বহুসংখ্যক রাজ্য একে লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছিল। এবং আজকের দিনে লক্ষ লক্ষ হেক্টর জমি এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়। উপরন্তু, জাত্রোফা চাষ সম্বন্ধে বিশেষজ্ঞরা আফ্রিকার রাষ্ট্রগুলিতে আমাদের কৃষকদের সহযোগিতায় এই বাগিচাশিল্পের উন্নয়ন ঘটান, যাতে জৈব-জ্বালানি উৎপাদনে তারা এই গাছের ব্যবহার করতে পারে। জাত্রোফা পতিত জমিতে উৎপাদিত হতে পারে। একবার গাছ রোপণ করলে পঞ্চাশ বছর অবধি বাঁচে এবং প্রতি বছর ফল দেয়, যার বীজ থেকে তেল নিঃসৃত হয় এবং ডিজেলের সঙ্গে মেশানো যায়।

     

    আরও দেখুন
    বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা বই
    কৌতুক সংগ্রহ
    ই-বই পড়ুন
    লেখকের বই
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল

     

    শিক্ষা প্রাঙ্গণে, বাৎসরিক পরীক্ষার ভীতিপ্রদ পরিবেশ ব্যতিরেকে নানা ধরনের ছাত্র মূল্যায়ন সংক্রান্ত ভাবনা জেগে উঠেছিল। CBSE বা সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন নম্বর প্রথার পরিবর্তে গ্রেড প্রথার প্রচলন ঘটাল। তার ফলে নম্বর নিয়ে ছাত্রদের মনে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতাপূর্ণ মনোভাব গড়ে উঠল।

    দেশকে ২০৩০-র মধ্যে তার লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার জন্য শক্তি স্বনির্ভরতার বিষয়ে, আমি সৌরশক্তির মাধ্যমে ৫৫,০০০ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষম বিদ্যুৎ নির্মাণকেন্দ্র স্থাপনের পরামর্শ দিয়েছিলাম। ভারতবর্ষের শক্তির রূপরেখার প্রতি এক পূর্ণাঙ্গ দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন। ভারতের কয়লার চাহিদার মাত্র ৪০ শতাংশ পূর্ণ করা সম্ভব, যেখানে শক্তির চাহিদা ৫ শতাংশের বেশি হারে প্রতিবছর বাড়ছে, কয়লা উৎপাদন বাড়ছে খুব বেশি হলে ১ শতাংশ। আমাদের দেশের অনেক রাজ্যে দিনে আট ঘণ্টারও বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি থাকে। ফলে বিকল্প শক্তি সম্পদ উন্নয়ন অত্যাবশ্যকীয় হয়ে উঠেছে।

    পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য আমাদের কয়লা, প্রাকৃতিক তেল ও গ্যাস নির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে হবে। জোর দিতে হবে দূষণমুক্ত শক্তি উৎপাদনের ওপর-যা সৌর, বায়ু, পারমাণবিক এবং জল থেকে উৎপাদিত হতে পারে। সরকার ২০২০ সালের মধ্যে ২০,০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরশক্তি উৎপাদন নয়া মাত্রা ঘোষণা করেছে। সৌরশক্তির উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে অন্যান্য অনেক বিষয় সম্পৃক্ত। যেমন, উপযুক্ত মাধ্যমের বাছাইয়ের দ্বারা ফোটোভোলটেয়িক সেল এফিশিয়েন্সি বর্তমান ১৫ শতাংশ থেকে অন্ততপক্ষে ৫০ শতাংশ বৃদ্ধির জন্য ব্যাপক আকারে গবেষণা প্রয়োজন। দিনের বেলা সৌরশক্তির ব্যবহার এবং রাতের বেলা জৈব-জ্বালানি ব্যবহার করে যাতে বিদ্যুৎশক্তি ধারাবাহিকভাবে পাওয়া যায় সেজন্য উন্নয়নমূলক গবেষণার প্রয়োজন। গুজরাতে এক বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতায় ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরশক্তি উৎপাদনকেন্দ্র গড়ে উঠেছে। প্রতিদিন ৩০ লক্ষ ইউনিট উৎপন্ন করা হয় এবং রাজ্য সরকার প্রতি ইউনিট পিছু পনেরো টাকা হারে কেনেন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বই
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা সাহিত্য
    অনলাইনে বই
    ডিজিটাল বই
    বাংলা কৌতুক বই
    গ্রন্থাগার
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স

     

    আজ ভারতবর্ষকে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করার জন্য রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকার উভয়েরই লক্ষ্য একই, যা দেশের উত্তর-দক্ষিণ-পূর্ব— পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত নাগরিকদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে।

    এইসমস্ত উদাহরণের মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে দেশের নাগরিকের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যোগাযোগ রক্ষা এবং দেশের পক্ষে লাভজনক প্রভাব বিস্তার করায় রাষ্ট্রপতি সম্পূর্ণভাবে সক্ষম।

    জাতির উদ্দেশে আমার অভিভাষণ ছাড়াও সাংসদদের উদ্দেশে আমার ভাষণও সমানভাবে চলত। ১৯৯৯, ২০০০, ২০০১ এবং ২০০২ সালের অসাধারণ কৃতিত্বের অধিকারী সাংসদদের সম্মান প্রদান উপলক্ষে ২০০৫ সালের ২১ মার্চ আমার অভিভাষণে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।

    আমি বলেছিলাম, স্বাধীনতা এবং গণতন্ত্র বরাবরই ভারতীয় সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। প্রকৃতপক্ষে এর ইতিহাস আমরা প্রাচীনকালেও খুঁজে পাই। আজকের জনপ্রিয় প্রতিনিধিত্বমূলক সংগঠনগুলোর সম্পাদিত একই ধরনের কার্যকলাপ প্রাচীনকালে ‘সভা’ এবং ‘সমিতি’ নামক সম্মানীয় গ্রামীণ প্রজাতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো সম্পাদিত করত। স্বাধীনতা অর্জনে আমাদের নির্বাচিত গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা ফলত: ভাবসত্তার স্বতঃচলমান ধারাবাহিকতা যা সর্বদা ভারতীয় সংস্কৃতিতে বিদ্যমান। বহু ধর্ম, বহু ভাষা, বহু সংস্কৃতি সমন্বিত পৃথিবীর বৃহত্তম সংসদীয় গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে ভারতবর্ষের অতুলনীয় বৈশিষ্ট্যের জন্য আমরা গর্বিত। ভারতীয় ভোটদাতাদের বিচক্ষণতা এবং পরিণত মানসিকতা বিশ্বকে হয়তো বিস্মিত করেছে। ভারতবাসী সবসময় সচেতনভাবে মতদান করার চেষ্টা করে এবং আমাদের সংবিধানের দ্রষ্টা অনুযায়ী নিজেকে প্রমাণিত করে তারা সার্বভৌম এবং তাদের মধ্যে ক্ষমতার উৎস নিহিত আছে। মানুষের এক উন্নত ভারতে বাস করার অধিকার আছে, তাই উন্নয়নমূলক রাজনীতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

     

    আরও দেখুন
    রেসিপি বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    PDF
    বাংলা সাহিত্য
    বই ডাউনলোড
    বুক শেল্ফ
    বই পড়ুন
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি

     

    রাজনীতির দুটো মাত্রা আছে। এক হল রাজনৈতিক দলগুলির পরিচিত জগৎ যা স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। অতএব, আজকের ভারতবর্ষের কী চাই? যেখানে দারিদ্র্যসীমার নীচে ২৬০ মিলিয়ন বা ২৬ কোটি মানুষ বাস করে এবং অশিক্ষার হার ৩৪ শতাংশ, আর ৩৬ মিলিয়ন বা ৩ কোটি ৬০ লক্ষেরও বেশি মানুষ কর্মপ্রার্থী। আমাদের লক্ষ্য হল দারিদ্র্য, অশিক্ষা ও কর্মহীনতার অন্ধকার থেকে মুক্ত এক উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে ভারতবর্ষকে গড়ে তোলা। এই পরিস্থিতি উন্নয়নমূলক রাজনীতিকে অপরিহার্য করে তোলে।

    আমাদের দেশের উন্নয়নমূলক রাজনৈতিক পরিবেশে আমি রাজনৈতিক দলকে এমন এক পরিস্থিতিতে দেখতে আগ্রহী যেখানে তারা একে অপরকে ছাপিয়ে উন্নতির লক্ষ্যে নিজের নিজের ইস্তাহারের মাধ্যমে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি জ্ঞাপন করবে। কয়েকটা দৃষ্টান্তমূলক রূপরেখার দ্বারা বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করা যাক—

    ১. ধরে নেওয়া যাক ক পার্টি বলল পনেরো বছরের মধ্যে আমরা ভারতবর্ষকে এক উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার পথে নিয়ে যাব এবং প্রতি ৫ বছরের জন্য উন্নয়মুখী বিকাশ পরিকল্পনা করব এবং তাকে বাস্তবে রূপদান করব।

     

    আরও দেখুন
    রেসিপি বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    PDF বই
    গল্প, কবিতা
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বইয়ের
    কৌতুক সংগ্রহ
    গ্রন্থাগার
    বাংলা হস্তলিপি কুইল

     

    খ পার্টি বলে, আমরা এক স্বচ্ছ কর্ম প্রক্রিয়ার দ্বারা ১২ বছরের মধ্যে ভারতবর্ষকে এক উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করব।

    গ পার্টি হয়তো ভিন্ন নির্দেশক-সহ জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের উন্মোচন করতে পারে এবং বিশ্ব রঙ্গমঞ্চে আমাদের ভূমিকা সম্পর্কিত ধারণায় অসাধারণ বুত্পত্তি দেখাল। এটা হয়তো ভারতবর্ষের নির্দিষ্ট সময়ের (X) মধ্যে ইউনাইটেড নেশনের সিকিউরিটি কাউন্সিলের আজীবন সদস্য হওয়া আশ্বাসদানের পথনির্দেশ হতে পারে।

    ২. আমার রূপরেখার দ্বিতীয় দৃশ্যে-ক পার্টি বলল যে তারা এমন এক রাষ্ট্র স্থাপন করবে যেখানে কোনও বেকারত্ব নেই। এ কারণে তারা এমন এক সুসংগঠিত কর্মপ্রক্রিয়া প্রচলন করতে চায় যেখানে কর্মপ্রার্থীর তুলনায় নিয়োগকর্তার সংখ্যা অধিক হবে।

    খ পার্টি বলবে তারা এমন এক পরিবেশ এবং সুসংগঠিত কর্মপ্রক্রিয়া দান করবে যেখানে আদালতে কোনও মামলা অমীমাংসিত থাকবে না এবং আইনশৃঙ্খলা সমস্যা ভীষণভাবে কমে যাবে ও দেশের নাগরিক এক সুখশান্তিপূর্ণ জীবনযাপন করবে।

     

    আরও দেখুন
    বই ডাউনলোড
    বই
    ডিকশনারি
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বইয়ের তালিকা
    লেখকের বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি

     

    গ পার্টি বলে যে, কোনও ভারতীয়কে ক্ষুধা নিয়ে রাত্রিযাপন করতে হবে না। এদের একটা লক্ষ্য আছে যা নিশ্চিত করবে যে, বিশ্বকে বাস করার পক্ষে শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল এবং সুন্দর করার জন্য ভারতবর্ষের প্রাজ্ঞ নেতৃত্বের দিকে সমগ্র বিশ্ব তাকিয়ে আছে। ভারতের লক্ষ্য হবে বিশ্বশান্তি।

    ৩. তৃতীয় রূপরেখা—ক পার্টি বলবে, তারা আশ্বাসদান করছে যে প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহের সঙ্গে সীমান্তবর্তী সংঘর্ষ দশ বছরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে।

    খ পার্টি বলবে তারা পাঁচ বছরের মধ্যে সমস্তরকম সীমান্তবর্তী সংঘর্ষর সমাধান করবে এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহের সঙ্গে এক সুসমন্বিত সম্পর্ক গড়ে তুলবে।

    গ পার্টি বলবে তাদের উদ্যোগে সীমান্তবর্তী বাণিজ্য কোনওরকম সীমান্ত অনুশাসন মানবে না। বাণিজ্যে সমৃদ্ধি আসবে, সমৃদ্ধি আনবে শান্তি।

    যখন বিশেষ কোনও দলকে জনগণ উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা প্রয়োগের সুযোগ দেয় এবং অন্যান্য সদস্যদের সমর্থনে সেটা বাস্তবায়িত হলে রাষ্ট্র ও জনগণ সংসদীয় সদস্যর মহৎ ক্রিয়ার দ্বারা আশীর্বাদধন্য হয়। গণতন্ত্র প্রত্যেককে একটা সুযোগ দেয় যাতে সে কর্মের দ্বারা প্রমাণ করতে পারে রাষ্ট্রের লক্ষ্যকে সে কতটা ভালভাবে উপলব্ধি করেছে।

     

    আরও দেখুন
    Books
    বই পড়ুন
    লেখকের বই
    অনলাইন বুকস্টোর
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    ডিজিটাল বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    PDF

     

    দারিদ্র্য সম্পূর্ণ দূরীভূত করার প্রয়োজনীয়তা, তীব্র প্রতিযোগিতামূলক এবং জ্ঞানভিত্তিক বিশ্বে সকলকে সুযোগ দান করার প্রয়োজনীয়তা ও আজকের জটিল দুনিয়ায় দেশ এবং জাতিকে সুরক্ষা দান করার প্রয়োজনীয়তা-এই বহুবিধ প্রয়োজনীয়তাগুলো দেশকে ‘রাজনীতির স্বার্থে রাজনীতি’ থেকে আমাদের জানা উন্নয়নমূলক রাজনীতির দিকে ধীরে ধীরে উন্নীত করার প্রয়োজনীয়তা মেটাবে।

    সংসদের অনুসরণীয় এমন অনেক জাতীয় বিষয় আছে যা দলগত আদর্শের ঊর্ধ্বে। এইসব বিষয়ের অন্তর্ভুক্তি দেশকে এক উন্নত রাষ্ট্রের দিকে নিয়ে চলে, যেমন— বিশুদ্ধ জলের সংস্থান, অবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎসংযোগ, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং দেশের প্রতিটি নাগরিকের আশ্রয়ের সংস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং কম্পিউটার ব্যবহার পরিকল্পনা ও জাতীয় সুরক্ষা। সংসদীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে লক্ষ্যের দিকে তাকিয়ে আলোচনা ও তর্কালোচনা দ্বারা ঐকমত্য স্থাপিত হয় যা ভারতবর্ষকে উন্নত অবস্থায় দ্রুতগতিতে পৌঁছনোর রাস্তায় নিয়ে যাবে। অতএব দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য সংসদ তার ক্ষমতাকে স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতামূলক মনোভাবে ব্যবহার করা উচিত।

    সুতরাং বলা যেতে পারে সাংসদদের ভূমিকা তাই ভীষণ তাৎপর্যময় হয়ে ওঠে এবং এটা খুবই প্রয়োজনীয় যে প্রতিটি সদস্যর আকাঙ্ক্ষা এবং আদর্শ এমন একটা উন্নীত স্তরে আনবেন যার জন্য তাকে নির্বাচিত করা হয়েছে।

     

    আরও দেখুন
    বাইশে শ্রাবণ
    PDF বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    অনলাইন বুকস্টোর
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    ডিকশনারি
    বই
    Library
    নতুন বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড

     

    এ সত্ত্বেও আমি যেমন সংসদ সদস্যদের বলেছিলাম এমন কিছু উলঙ্গ সত্য আছে যা আমরা স্বীকার করতে চাই না। সেগুলো নিয়ে আপনাদের সঙ্গে কথা বলতে আমার কোনও দ্বিধা নেই, আমি বলেছিলাম, কারণ আমি আপনাদেরই একজন। আপনারা যেমন সংসদের সদস্য, আমিও তেমনি। আপনাদের মতো আমিও সংসদীয় ব্যবস্থার সাফল্য সম্পর্কে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন। আমাদের ভোট পদ্ধতি পরবর্তীকালে অত্যন্ত চাপযুক্ত হয়েছে। আসুন, আমরা নিজেদের প্রতি সৎ হই। আসনসংখ্যা বৃদ্ধির বাধ্যবাধকতা এবং নির্দিষ্ট কিছু বিধানমণ্ডলের আসনের তথাকথিত বাণিজ্যিকতা, যা হয়তো সন্দেহপূর্ণ এবং অগণতান্ত্রিক উপায়ে অধিকৃত হয়েছে তা জনগণের মনে আমাদের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার প্রতি সন্দেহ তৈরি করেছে। যখন রাজনীতি নিজেই রাজনৈতিক হঠকারী হয় তখন রাষ্ট্র বিধ্বংসী পথে অবশ্যম্ভাবী আকস্মিক দুর্ঘটনা এবং ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যায়। এই ঝুঁকি নেওয়া উচিত নয়। ভারতবর্ষ যাতে পরিণত, স্বাস্থ্যোজ্জ্বল, প্রাণোচ্ছল, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে নিরবচ্ছিন্নভাবে টিকে থাকে এবং আমাদের সংবিধানের রচয়িতাদের দ্বারা যে আশা-আকাঙ্ক্ষা অভিনিবেশ সহকারে এবং কার্যকরভাবে সংরক্ষিত— সেই আশা পূরণে নিজেদের উন্নীত করার এবং আমাদের আত্মপরীক্ষার সময় এসেছে।

     

    আরও দেখুন
    Library
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্য
    নতুন বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    অনলাইনে বই
    লাইব্রেরি
    বইয়ের তালিকা
    PDF

     

    ভারতীয় সংস্কৃতির ভাবসত্তা, মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষিত করে যে জীবনযাপন পদ্ধতি মানুষ তা ব্যাকুলভাবে কামনা করে। সঠিক নীতি প্রয়োগ, আইন এবং সমাজ সংক্রান্ত রূপান্তরের মাধ্যমে সংসদ তাদের মুখে হাসি ফিরিয়ে আনতে পারে। আমরা এমন কিছু নীতি এবং পদ্ধতি নিয়ে কাজ করে থাকি যার বেশিরভাগ অবিশ্বাসের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। যার ফলে প্রণোদনা এবং সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত ও অবদমিত হয়, অথচ ভারতের নাগরিক নির্ভরযোগ্য এবং কর্ম-অনুকূল পরিবেশে অতুলনীয় সাফল্য প্রদর্শন করেছে।

    উন্নয়নকেন্দ্রিক অর্থনীতির বিকাশের পথে যে-যে জটিল পুরনো আইন ও শাসনব্যবস্থামূলক কার্যপ্রণালী আছে সেগুলো শনাক্ত করা ও অপ্রয়োজনীয় বলে বাতিল করার লক্ষ্যে সংসদের পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। এর দরুন সমাজের এক বৃহদাংশ যারা সৎ তাদের মনে কুসুমিত ও বিকশিত হওয়ার সুযোগ ও আশা জাগায়। আমি তাঁদের প্রণোদিত করেছিলাম যে ভারতবর্ষ অবশ্যই বিশ্বাসনির্ভর সুষ্ঠু প্রণালীর দিকে এগোবে এবং ওই মহান সংসদের সদস্যরাই একমাত্র সেই পরিবর্তন আনতে পারেন।

    আমাদের লক্ষ্যে সাফল্য পেতে গেলে একত্রীভূত কাজের জন্য ভারতবর্ষের পাঁচটি মূল ক্ষেত্রে কেন্দ্রীভূত সামর্থ্য আছে— ১. কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, ২. শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা, ৩. পরিকাঠামো: বিশ্বাসযোগ্য এবং গুণগত বিদ্যুৎশক্তি, ভাল সড়ক ব্যবস্থা এবং দেশের সমস্ত প্রান্তের জন্য অন্যান্য পরিকাঠামো, ৪. তথ্য এবং যোগাযোগ প্রযুক্তি, ৫. জটিল প্রযুক্তিতে স্বনির্ভরতা।

     

    আরও দেখুন
    PDF বই
    কৌতুক সংগ্রহ
    নতুন বই
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    লাইব্রেরি
    Library
    ডিকশনারি
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    পিডিএফ

     

    এই পাঁচটি ক্ষেত্র ঘনিষ্ঠভাবে আন্তঃসম্পর্কিত, এবং সমন্বয় সাধনের দ্বারা যদি এদের উন্নত করা যায় তা হলে খাদ্য, আর্থিক এবং জাতীয় সুরক্ষার দিকে পথনির্দেশ করবে।

    এই পাঁচটি ক্ষেত্রের মধ্যেকার মূল লক্ষ্যগুলির অন্যতম হল PURA-দ্বারা নাগরিক স্বাচ্ছন্দ্য আনার জন্য পরিকাঠামোর উন্নয়ন ঘটানো। এই উন্নয়নের জন্য প্রাকৃতিক, বৈদ্যুতিন এবং জ্ঞান এই তিনের সংযোগসাধন প্রয়োজন, যা অর্থনৈতিক সংযোগসাধনের পথ প্রদর্শন করে, হিসাবমতো সমগ্র রাষ্ট্রে এই PURA গুচ্ছ সংখ্যায় প্রায় ১০০০।

    যখন আমাদের অর্থনীতি ক্রমবর্ধমান অবস্থায় রয়েছে এবং আমাদের জিডিপি (গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট) বা মোট অন্তর্দেশীয় উৎপাদন বাৎসরিক ৯ শতাংশ হারে বাড়ছে, তখন এটা সত্য যে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি সংখ্যাধিক্য মানুষের জীবনযাপনের মানে সামগ্রিকভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে না। বিশেষত গ্রামীণ অঞ্চলে তো অবশ্যই এমনকী শহরাঞ্চলেও। ফলে, আমরা NPI বা জাতীয় সমৃদ্ধি সূচকের উদ্ভব ঘটিয়েছি, যা প্রকৃতপক্ষে যোগফল ক. জিডিপি-র বাৎসরিক বৃদ্ধি হার খ. মানুষের জীবনযাত্রায় গুণগত মানের উন্নতি, বিশেষত যারা দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাস করে এবং গ. জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আমাদের সভ্যতাজনিত ঐতিহ্য থেকে আমরা যে মূল্যবোধ ব্যবস্থা আত্মীকরণ করি, যা এককভাবে ভারতের বৈশিষ্ট্য। অতএব ক + খ + গ বিশেষত ‘খ’ হল গৃহ, শুদ্ধজল, পুষ্টি, সুষ্ঠু নির্মলীকরণ, উৎকৃষ্ট শিক্ষা, উৎকৃষ্ট স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং সম্ভাব্য কর্মসংস্থান এবং ‘গ’ হল যৌথ পরিবার ব্যবস্থা, একত্রে কাজ করার মানসিকতা স্থাপন, জীবনের সঠিক দিশায় পথপ্রদর্শন, সামাজিক অসাম্য মোচন এবং সর্বোপরি দ্বন্দ্ববিহীন সুসামঞ্জস্যপূর্ণ সমাজের গঠনক্রিয়া। এসমস্ত কিছু সূচিত হয় সম্প্রদায় এবং পরিবারের মধ্যে শান্তি, দুর্নীতি সূচকের নিম্নগমন, আদালতে মামলার সংখ্যার হ্রাসপ্রাপ্ত রূপ, শিশু এবং নারীর প্রতি হিংস্রতার দূরীকরণ এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা নিশ্চিহ্ন করা দ্বারা। দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে ২০২০ সালের মধ্যে শূন্যে পরিণত হওয়া উচিত। সবসময় জাতীয় অর্থনৈতিক ক্রিয়ার উন্নতির জন্য আমাদের প্রচেষ্টা রাষ্ট্রের জাতীয় সমৃদ্ধিসূচক বা NPI দ্বারা পথ প্রদর্শিত হওয়া উচিত।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বই ডাউনলোড
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    নতুন বই
    বইয়ের
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ

     

    আমরা কীভাবে এই লক্ষ্য উপলব্ধি করব? লক্ষ্যকে উপলব্ধি করার জন্য তাত্ক্ষণিক কী কী পদক্ষেপ আমাদের গ্রহণ করা উচিত?

    আপনাদের অনেকের সঙ্গে আমার আলাপচারিতা, নানা ধরনের কেন্দ্র এবং রাজ্যের কার্যক্রম, সরকারি এবং বেসরকারি সংগঠনের প্রাথমিক পদক্ষেপ ছাড়াও জাতীয় উন্নয়নে দেশের নাগরিকদের অংশগ্রহণের অপ্রতিরোধ্য আকাঙ্ক্ষা আমার মনে এই বিশ্বাস জাগায় যে, সমাজ এই লক্ষ্যের জন্য কাজ করতে প্রস্তুত। দুটো প্রধান কর্মসূচি প্রস্তুত করার জন্য আপনাদের একত্রে কাজ করতে আমি দুটো পরামর্শ দিতে পারি:

    ১. শক্তি স্বনির্ভর বিল: শক্তি সম্পদের প্রতি নির্মল পরিবেশ সহায়ক ত্রিমাত্রিক অগ্রগমন।

    ২. ভিশন ২০২০: ২০২০ সালের পূর্বে জাতীয় সমৃদ্ধিসূচক NPI মাপকাঠি ধরে নিয়ে সুরক্ষিত, সমৃদ্ধ, সুখী এবং অর্থনৈতিক উন্নত রাষ্ট্রে ভারতবর্ষকে রূপান্তরিত করার অঙ্গীকার গ্রহণ।

    নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে এই বিলকে বাস্তবে রূপায়িত করার গুরুত্ব সম্বন্ধে আপনারা নিশ্চয় সহমত হবেন।

     

    আরও দেখুন
    Books
    বাংলা কৌতুক বই
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    অনলাইনে বই
    বুক শেল্ফ
    PDF
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাইশে শ্রাবণ

     

    এই বিষয়গুলো আমি এতই গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করি যে আমার বইয়ের পরের দিকে এগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

    রাষ্ট্রপতি ভবনে আমার এক অভিনব অভিজ্ঞতা হয়েছিল। যখনই কোনও বিশেষ রাজ্য বা সরকারি বিভাগ বা মন্ত্রকের কোনও বিশেষ প্রতিষ্ঠান, পরিকল্পনা কমিশন বা রাজ্য সরকার থেকে কোনও নির্ভুল সর্বশেষ তথ্য প্রয়োজন হত সংশ্লিষ্ট এজেন্সি রাষ্ট্রপতির সচিবালয় থেকে কোনও তাগিদ ছাড়াই পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রেরণ করত। জাতি, সংসদ এবং বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা, সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে অভিভাষণ রচনায় এই তথ্যসমূহ আমার পক্ষে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিল। এই প্রক্রিয়াগত সুবিধা পূর্বে কখনও এইভাবে কাজে লাগানো হয়নি।

    আমরা রাষ্ট্রপতি ভবনে আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ কর্মদক্ষতা তৈরি করতে পেরেছিলাম। কার্যত অধিবেশন এবং বৈঠকের সুবিধা ব্যবস্থা করার ফলে দূরতম অঞ্চলের বিভিন্ন সংগঠনের খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আমরা চিন্তাউদ্রেককারী আদানপ্রদান করতে সক্ষম হতাম। রাষ্ট্রপতি মেয়াদকালে রাষ্ট্রপতি ভবনে আমি বারোটা রাজ্য বিধানসভার উদ্দেশে অভিভাষণ দিয়েছিলাম এবং রাজ্যের সমৃদ্ধির লক্ষ্যের কথা বলেছিলাম—তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ, সংশ্লেষ, তথ্য নিবেশ, চিন্তাদায়ী আলোচনা দ্বারা সমৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিতে পনেরো দিন থেকে একমাস লেগে যেত। এই প্রস্তুতির জন্য ভিডিও অধিবেশন রাষ্ট্রপতি ভবনের মাল্টিমিডিয়া বন্দোবস্ত থেকে সাধারণত রাত আটটা থেকে মাঝরাত অবধি চলত যখন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শদানের জন্য সাধারণভাবে পাওয়ার আশা করা যেত। এই ব্যবস্থায় যেসমস্ত রাজ্য অন্তর্ভুক্ত ছিল তা হল: জম্মু ও কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ, বিহার, মধ্যপ্রদেশ, গোয়া, কর্নাটক, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ, মিজোরাম, মেঘালয়, সিকিম এবং পুদুচেরি।

    সমৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজ্য নির্বাচনের জন্য কিছু মাপকাঠি তার সামাজিক-অর্থনৈতিক রূপরেখা অধ্যয়ন করে স্থির করা হয়েছিল। যেমন, মাথাপিছু রোজগার, শিক্ষাহার, দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা, বেকারত্বের হার, শিশুমৃত্যু হার, প্রসূতি-মৃত্যু হার এবং সে রাজ্যের কৃষি, শিল্প এবং সেবামূলক পরিষেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে যোগ্যতার ওপর নির্ভর করে। উদাহরণ হিসেবে বলা চলে, বিহারের ক্ষেত্রে মিশন বা লক্ষ্য চিহ্নিত করেছিল— ১. কৃষি এবং পশুপালন উৎপাদনে মূল্য সংযোজন, ২. শিক্ষা ও শিল্পোদ্যোগ, ৩. মানবসম্পদ, ৪. নালন্দা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়, ৫. স্বাস্থ্য পরিষেবা লক্ষ্য, ৬. বন্যা ব্যবস্থাপন, ৭. পর্যটন, ৮. পরিকাঠামো, ৯. বিশেষ অর্থনৈতিক ক্ষেত্র, ১০. ই-গভর্ন্যান্স।

    ২০১০ সালের মধ্যে বিহারের মাথাপিছু উপার্জন ৬৩০০.০০ টাকা (২০০৫-০৬) থেকে বাড়িয়ে ৩৫,০০০.০০ করার জন্য এবং এছাড়াও, ২০০৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ১ কোটি বা ১০ মিলিয়ন বেকার-আধা বেকারের বৃহদাকারে রোজগারের উপায়ের পথপ্রদর্শনে বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য দশটি লক্ষ্যের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে। ২০১৫-র মধ্যে ১০০ শতাংশ শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের লক্ষ্যকে বাস্তবায়িত করার জন্য বিহারকে নির্দিষ্ট অভিমুখে এগোতে হবে। সরকার অনেক প্রকল্প গ্রহণ করেছে এবং আমি সন্তুষ্ট যে বিহার আজকের দিনে দেশের দ্রুততম উন্নয়নশীল রাজ্য। উপরন্তু, উপার্জনের জন্য বহির্রাজ্য অভিমুখী মানুষের সংখ্যা অনেক কমে এসেছে। এর দ্বারা সুস্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে বিহারে বৃহদায়তন মূল্যযুক্ত কর্মসংস্থান সৃজন শুরু হয়েছে।

    বিধায়কবৃন্দের কাছ থেকে সু-সহযোগিতা ছিল। প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে রাজ্যে অনেক ক্রিয়া-কেন্দ্রিক কার্যসূচির প্রাথমিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিল। বিধানসভায় অভিভাষণ দেওয়ার পর আমি রাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের উদ্দেশে এবং একই বিষয়ে বণিকসভার উদ্দেশে অভিভাষণ দিয়েছি।

    কেরলে ‘মালয়লা মনোরমা’ পত্রিকা কেরলের সমৃদ্ধি লক্ষ্য মালয়লাম ভাষায় অনুবাদ করেছিল। জেলাভিত্তিক কর্মশালার আয়োজন করেছিল এবং কোন পদ্ধতিতে মিশন বা লক্ষ্য সাফল্যের সঙ্গে প্রয়োগ করা সম্ভব সে ব্যাপারে বিশেষজ্ঞের মতামত চাওয়া হয়েছিল এবং সে সুপারিশগুলো বিধানমণ্ডলে প্রেরণ করা হয়েছিল। অন্যান্য রাজ্যেও প্রচারমাধ্যম এই বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল এবং আমি বিভিন্ন রাজ্য সংগঠন থেকে অজস্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছিলাম।

    .

    আমার স্বপ্ন লক্ষ কোটি মানুষ সংস্কৃতি এবং মূল্যবোধের সাধারণ সূত্রে গ্রন্থিত হোক। আমাদের মহান মহাকাব্যগুলো আমাদের গৌরবময় অতীতের কথা স্মরণ করায় এবং সুন্দর ভবিষ্যতের আশা পোষণ করে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভৌতিক অলৌকিক ১ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার
    Next Article দ্য প্লেগ – আলবেয়ার কামু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }