Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সন্ধিক্ষণ : প্রতিকূলতা জয়ের লক্ষ্যে যাত্রা – এ পি জে আবদুল কালাম

    ব্রততী সেন দাস এক পাতা গল্প189 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৭. এক প্রতিযোগিতামূলক রাষ্ট্রের উদ্দেশে

    ৭. এক প্রতিযোগিতামূলক রাষ্ট্রের উদ্দেশে

    জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন, প্রতিযোগিতার দ্বারা শক্তিশালী।
    প্রতিযোগিতা জ্ঞান দ্বারা শক্তিশালী।
    জ্ঞান প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

    ভারতের জনসংখ্যার বৃহদাংশ গ্রামে বাস করে এবং এটাই হল বিজ্ঞানীমহলের প্রকৃত চ্যালেঞ্জ; যেখানে ৭৫০ কোটি বাস করে তাদের জীবন প্রযুক্তির ফল ব্যবহার করে সমৃদ্ধ করা।

    বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ৫০ বছরের কর্মজীবনে আমি সবসময় বিশ্বাস করে এসেছি— এই দুই ক্ষেত্র সামনে রেখে অগ্রসর হওয়া এক উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার একমাত্র পথ। তিনটি যে মূল ক্ষেত্রে আমাদের লক্ষ্য স্থির করা উচিত তা হল, ন্যানো টেকনোলজি, ই-গভর্ন্যান্স এবং জৈব-ডিজেল। উদ্ভাবনের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির পরিপ্রেক্ষিতে আমার মনে হল রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে শুরু করি না কেন?

    জটিল এবং নতুন সূচনায় অসংখ্য বিশেষজ্ঞের মিলিত ভাবনার প্রয়োজন। লক্ষ্য এবং কর্ম সম্পাদন করার জন্য বিভিন্ন মতামত এবং সংকলিত প্রচেষ্টা বিবেচনা করতে হয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতি ভবন এবং সেকেন্দ্রাবাদে রাষ্ট্রপতির বিশ্রামস্থল রাষ্ট্রপতি নিলয়ম-এ তিনটি নজিরবিহীন ঘটনা ঘটেছিল। ঘটনা তিনটি হল— ন্যানো টেকনোলজির অধিবেশন, ই-গভর্ন্যান্স অধিবেশন এবং জৈব-ডিজেল অধিবেশন। রাষ্ট্রের কর্মক্ষমতার পরিপ্রেক্ষিতে এই ঘটনাগুলি খুব তাত্পর্যপূর্ণ ছিল।

    বেঙ্গালুরুর জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চ-এর সাম্মানিক সভামুখ্য অধ্যাপক সি এন আর রাও-এর সঙ্গে আমার দীর্ঘ আলোচনা হয়েছিল। ন্যানো-বিজ্ঞান প্রযুক্তির গবেষণা এবং উন্নয়নের ভবিষ্যৎ দিশা এবং কৃষি, ঔষধ, মহাকাশ এবং শক্তিক্ষেত্রে এর প্রভাব সম্বন্ধে ভারতবর্ষ এবং বিদেশের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আমার আলোচনা হয়েছিল। এই আলোচনা আমায় রাষ্ট্রপতি ভবনে একদিনব্যাপী অধিবেশনের ব্যবস্থা করতে প্রণোদিত করেছিল। শেষপর্যন্ত আলোচনা এবং সুপারিশের দ্বারা ১,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ সমন্বিত কার্যক্রম ফল দেয়। এই কার্যক্রম বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এবং উদ্ভাবনের পথের দিশা দেখায়। উদাহরণস্বরূপ, আমি খুব আনন্দিত হয়েছিলাম যখন বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা জলের অণু থেকে ন্যানো স্কেল দূষণ এবং পেট্রোলিয়াম থেকে ভারী হাইড্রোকার্বন দক্ষভাবে দূরীভূত করার জন্য কার্বন ন্যানো-টিউব শোধক তৈরি করার সরল পদ্ধতি কৌশল উদ্ভাবন করেন। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী এবং প্রযুক্তিবিদ ‘ডাবর’ নামক এক বেসরকারি সংস্থার অংশীদারিত্বে সাফল্যজনকভাবে টিউমার কোষের লক্ষ্যে সরাসরি ওষুধ প্রদান ব্যবস্থা গড়ে তোলে।

    এক উন্নত ভারত এবং আমাদের জ্ঞানসমাজের অগ্রগতির জন্য দক্ষ, ফলভিত্তিক এবং স্বচ্ছ সরকার প্রথমেই প্রয়োজন। এরজন্য রাজ্য, জেলা এবং গ্রাম পর্যায়ে বিকেন্দ্রীভূত অখণ্ড ব্যবস্থা গড়ে তোলা আবশ্যক। এর পরিকল্পনা এবং প্রয়োগের জন্য কেন্দ্র সরকার এবং রাজ্য সরকার এমনকী সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সমন্বিত পরিকল্পিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন। এ কথা স্মরণে রেখে, সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলোর অংশগ্রহণের দ্বারা ই-গভর্ন্যান্স অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি ভবনে আমরা ই-গভর্ন্যান্স ব্যবস্থার প্রচলন করেছিলাম। এ-বিষয়ে আমি বিচার বিভাগ, নিরীক্ষা এজেন্সি এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে বক্তৃতা দিয়েছিলাম। কমনওয়েলথ-এর সমাবেশে একটা প্রেজেন্টেশন করা হয়েছিল, যা উচ্চ প্রশংসিত হয়েছিল। আমার আশা যে, ভারতের প্রত্যেক নাগরিকের স্মার্ট বা শনাক্তকরণপত্রী-সহ ই-গভর্ন্যান্স কার্যকরী পরিষেবা তৈরি করবে এবং চরমপন্থা ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রামে অবদান রাখবে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    অনলাইনে বই
    লাইব্রেরি
    বাংলা অডিওবুক
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা বই
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    Books

     

    আমার বিশ্বাস জলসম্পদ এবং শক্তিসম্পদ এই দুই মূল ক্ষেত্র ভবিষ্যতে দ্বন্দ্বের মূল উৎস হয়ে উঠবে। রাজ্যপালদের এক অধিবেশনে বক্তৃতার বিষয় ছিল জলসম্পদ, জলাশয়ের রক্ষণাবেক্ষণ, জলসম্পদের সংরক্ষণ এবং রাজ্য ও জাতীয় পরস্পর সংযুক্ত নদীর জটিল সমন্বয়ের পরিপ্রেক্ষিতে। শক্তিক্ষেত্রে স্বনির্ভরতার জন্য বর্তমানে জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্পের প্রয়োজনীয়তার প্রচার আমি করে এসেছি। এক্ষেত্রে এক মূল প্রাথমিক পদক্ষেপ হল জৈব-জ্বালানির উন্নয়ন। এই বিষয়ের ওপর আলোকপাত করতে এবং প্রাথমিক পদক্ষেপের সকল দিকগুলোকে সম্পূরিতভাবে বিবেচনা করার জন্য আমরা রাষ্ট্রপতি নিলয়মে এক অধিবেশন আহ্বান করেছিলাম। অন্যান্যদের মধ্যে এই অধিবেশনে কৃষকরা অংশগ্রহণ করেছিলেন, যাঁদের এই ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা আছে এবং সম্ভাব্য ব্যবহারকারী হিসেবেও। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে গবেষণা ব্যাখ্যা করেছিলেন, যেমন বীজের বিশেষ গুণ বা বৈশিষ্ট্য চিহ্নিতকরণ এবং জৈব-জ্বালানির উৎস হিসেবে ব্যবহারযোগ্য উদ্ভিদ-চাষে সেচব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা। সরকারি আধিকারিকরা পতিত জমি বণ্টন সম্পর্কিত বিষয় উত্থাপন করেছিলেন। মোটরচালিত যানের নকশাকাররা জৈব-জ্বালানি এবং ডিজেলের সংমিশ্রণের কথা বলেছিলেন যা ইঞ্জিনের নকশা অবিকল রেখে ব্যবহার করা সম্ভব। মিশ্রণে যদি জৈব-জ্বালানির শতকরা মাত্রা বৃদ্ধি পায় তা হলে ইঞ্জিনের নকশার পরিবর্তন প্রয়োজন হবে। বণিক প্রতিনিধিরা বিনিয়োগ এবং না লাভ-না ক্ষতিজনক বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। আমি জৈব-জ্বালানির ব্যবহার সম্পর্কে আমার ধারণার পরিচয় দিয়েছিলাম। অধিবেশনের শেষে সুপারিশগুলো তৈরি করে সংশ্লিষ্ট সংস্থার মধ্যে বিতরণ করে দেওয়া হয়েছিল। জৈব-জ্বালানি প্রকল্প বিকশিত হয়েছে বলে আমি খুশি।

    এই তিনটি অধিবেশনের অতিরিক্ত, আরও একটা প্রযুক্তিগত ঘটনার উন্মেষ রাষ্ট্রপতি ভবনে হয়েছিল।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা বই
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    গ্রন্থাগার
    অনলাইনে বই
    PDF বই
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    গল্প, কবিতা
    ডিজিটাল বই

     

    ২০০৬ সালে ইসরো-র তৎকালীন সভাপতি ভবিষ্যৎ মহাকাশ পরিকল্পনা সংক্ষিপ্তাকারে আমায় বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, এর মধ্যে চন্দ্র অভিযানের চন্দ্রায়ন মিশনও ছিল। আমি নিশ্চিত যে ওটা ছিল আরও বিস্তৃত মহাকাশ অভিযান এবং মানবাভিযানের প্রথম পদক্ষেপ। প্রস্তাবিত চন্দ্রাভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি আমায় বলেছিলেন মহাকাশযান চাঁদকে প্রদক্ষিণ করবে এবং মহাকাশীয় বস্তুর রাসায়নিক, খনিজ এবং ভূ-বিজ্ঞান সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক তথ্য সরবরাহ করবে। তিনি আরও বলেছিলেন, এই মিশন যে বিভিন্ন ধরনের বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি বহন করবে ইসরো তার চূড়ান্ত ব্যবস্থাপনা করছে। আমি পরামর্শ দিয়েছিলাম এই মিশন চাঁদে প্রবেশপথে অন্ততপক্ষে এক দূরমাপন চ্যানেল ও ঘনত্ব বা চাপ পরিমাপ-সহ এক যুগ্ম কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে। এই যন্ত্রগুলি চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে সরাসরি আমাদের কাছে তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম হবে। ইসরো-র সভাপতি কথা দিয়েছিলেন এই কার্যাবলি অন্তর্ভুক্ত করবেন। এইভাবেই চন্দ্রায়ন মিশনের অংশ হিসেবে মুন ইমপ্যাক্ট প্রোব-এর জন্ম ঘটল। আমি খুব খুশি হয়েছিলাম যে মহাকাশে অনুসন্ধান ও পরীক্ষার জন্য প্রেরিত যানটি চাঁদের ভূমি স্পর্শ করল ২০০৪ সালের ১৪ নভেম্বর—একেবারে পূর্ব নির্ধারিত স্থানে। আমি ইসরো টিমকে তাদের সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানালাম।

    রাষ্ট্রপতি ভবনের পরামর্শে এই দুই উচ্চ পর্যায়ের প্রযুক্তিগত পদক্ষেপের প্রারম্ভিক সূচনা হয়েছিল। আমি এই দুই সম্ভাবনাময় উদ্যোগের অংশীদার হতে পেরে ভীষণ আনন্দিত হয়েছিলাম।

     

    আরও দেখুন
    নতুন বই
    বাংলা বই
    লাইব্রেরি
    গল্প, কবিতা
    বইয়ের
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা কৌতুক বই
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই

     

    ২০১১ সালের বিশ্ব উদ্ভাবন প্রতিবেদন আমি যখন পড়ছিলাম, তখন দেখলাম বিশ্ব উদ্ভাবন সূচক অনুযায়ী সুইজারল্যান্ডের স্থান ১, সুইডেন ২, সিঙ্গাপুর ৩, হংকং ৪ এবং ভারতবর্ষ ৬২-তম স্থানে। উদ্ভাবন সূচক এবং প্রতিযোগিতামূলকতার মধ্যে একটা সম্পর্ক আছে। ২০১০-১১ সালে যেখানে ভারত বিশ্ব উদ্ভাবন সূচকে ৬২, সেখানে বিশ্ব প্রতিযোগিতামূলকতা সূচকে ৫৬, যদি ভারতবর্ষকে ৫৬ থেকে উন্নীত হতে হয় এবং উন্নত রাষ্ট্রের (প্রথম ১০টি রাষ্ট্রের) সমকক্ষ হতে চায় সেক্ষেত্রে দেশীয় নকশা প্রযুক্তিতে সক্ষমতা গড়ে তোলা আবশ্যিক। বর্তমান বিকাশ বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের ভিত্তিতে অন্যত্র আবশ্যিকভাবে গড়ে ওঠা প্রযুক্তির ব্যবহার দ্বারা অর্জিত হয়েছে এবং দশ থেকে পনেরো বছর আগে মালিকানা স্বত্ব শুরু হয়েছিল। বিজ্ঞানের অগ্রগতির থেকে যে সাম্প্রতিকতম প্রযুক্তি গড়ে উঠেছিল তা উন্নত দেশগুলি থেকে অন্তত এক দশক ভারতের হাতে অধরা ছিল। এখান থেকে, ভারতবর্ষকে বিশ্ব প্রতিযোগিতামূলকতার অভীপ্সিত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য গবেষণা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, বিশেষত মৌলিক বিজ্ঞানে। আমি এর পরে এক উদ্যমের পরিণতির কথা বলব যেখানে ভারত প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি গড়ে তুলেছিল।

    আমরা খুব সম্প্রতি এক কীর্তিস্তম্ভ পার করে এসেছি। ২০১২ সালের ১৯ এপ্রিল, ওড়িশা উপকূলে, হুইলার দ্বীপের উৎক্ষেপণকেন্দ্রে উদ্বেগ চরম সীমায় পৌঁছেছিল কারণ ওখানে বিশালাকার ৫০ টন ওজনের ১৭.৫ মি. উঁচু অগ্নি ৫ উৎক্ষেপণ অস্ত্র উল্লম্ব অবস্থানে উত্তোলন করা হয়েছিল এবং উৎক্ষেপণপূর্ব ব্যবস্থাপনা পরীক্ষা করা শুরু হয়ে গিয়েছিল। সকাল ৮.০৭-এ প্রতিগণনা শুরু হয়েছিল এবং উৎক্ষেপণ অস্ত্রের প্রথম পর্বের অগ্নি সংযোগে একটা বিশাল অগ্নিগোলক ভেতর থেকে বেরিয়ে এল। অগ্নি ৫ মসৃণভাবে উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে ঊর্ধ্বে উঠতে বৈজ্ঞানিকরা তার সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়া জনতার উদ্দেশে মাইক্রোফোনে ঘোষণা করেছিলেন। তাঁদের কণ্ঠস্বর ছিল শান্ত বরং দর্শকরা অনেক বেশি উৎকণ্ঠিত ছিলেন। ৯০ সেকেন্ডের পর প্রথম পর্যায় জ্বলে ভস্মীভূত হয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। যে গতিবেগের মাত্রা স্থির করে দেওয়া হয়েছিল উৎক্ষেপণ অস্ত্রটি ঠিক সেই মাত্রায় ছুটছিল। তারপর নির্ঘণ্ট অনুযায়ী সম্পূর্ণ নব-সমন্বিত দ্বিতীয় পর্যায় জ্বলে ভস্মীভূত হয়ে গিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

     

    আরও দেখুন
    গল্প, কবিতা
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    Books
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    লেখকের বই

     

    কয়েক মিনিটের মধ্যে উৎক্ষেপণ অস্ত্রটি মহাকাশে ভেসে যায়। বিদ্যুৎগতিতে ২০০০ কিমি দক্ষিণে বিষুবরেখা পার করে। তারপর আরও ৩০০০ কিমি সবেগে ধাবিত হওয়ার পরে মকরক্রান্তি রেখার ওপরে বায়ুমণ্ডলে পুনঃপ্রবেশ করে আফ্রিকার দক্ষিণতম বিন্দুপ্রান্ত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যবর্তী স্থানে ঝাঁপিয়ে সমুদ্রে অবতরণ করেছিল। উৎক্ষেপিত হওয়ার পর থেকে সমুদ্রে অবতরণ করতে ঠিক ২০ মিনিট লেগেছিল। ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ উৎক্ষেপণ অস্ত্রের গতিপথের প্রথম থেকে শেষ অবধি অনুসরণ নথিবদ্ধ করেছে। উৎক্ষেপণ অস্ত্রটি লক্ষ্যকে তার পূর্ব-নির্ধারিত অভ্রান্ততায় বিদ্ধ করে।

    IGMDP ১৯৮৩ সালে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা অনুমোদন করে। এই কার্যক্রম চারটি উৎক্ষেপণ অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন এবং নিয়োজনের সম্ভাব্যতা নিরূপণ করেছিল। সেগুলোর নাম— ভূমি থেকে ভূমি উৎক্ষেপণ অস্ত্র (পৃথ্বী); মধ্যম পরিসর ভূমি থেকে বায়ু উৎক্ষেপণ অস্ত্র (আকাশ); স্বল্প পরিসর শীঘ্র প্রতিক্রিয়া ভূমি থেকে বায়ু উৎক্ষেপণ অস্ত্র (ত্রিশূল); এবং একটা কামানবাহী যান প্রতিরোধ উৎক্ষেপণ অস্ত্র (নাগ)। এর অতিরিক্ত প্রযুক্তি প্রতিপাদন উৎক্ষেপণ অস্ত্র (অগ্নি) এই কার্যক্রমের অংশ ছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল দূর পরিসর উৎক্ষেপণ অস্ত্রের পুনঃপ্রবেশের বৈশিষ্ট্যগুলির প্রদর্শন করা। এই প্রযুক্তি প্রথম প্রদর্শিত হয়েছিল ১৯৮৯-এর মে মাসে ওড়িশার উপকূলে। পরবর্তীকালে, শেষ দুই দশকে দীর্ঘতর পরিসরের বর্ধিতক্রমে পরিসর সক্ষমতা-সহ অগ্নি ১, ২, ৩, এবং ৪ প্রদর্শিত হয়েছে। এবং শেষ অবধি ডিআরডিও-র বিজ্ঞানী এবং ইঞ্জিনিয়াররা ৫০০০কিমি পরিসর উৎক্ষেপণ অস্ত্র অগ্নি ৫-র উড়ান পরীক্ষা সহজসাধ্য করেছিলেন। এইসমস্ত উৎক্ষেপণ অস্ত্রগুলি MTCR (Missile Technology Control Regime) এবং অন্যান্য অনুমোদনের অধীনস্থ হয়েছিল। অতএব পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে এই উৎক্ষেপণ প্রক্রিয়া বা এই প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি কোনওটাই অর্থের বিনিময়ে ক্রয় করা সম্ভব নয়। এই প্রক্রিয়াকে শ্রমসাধ্য পথে প্রণালীবদ্ধ গবেষণা এবং উন্নয়নের মাধ্যমে উপলব্ধি করা সম্ভব।

    অতএব জটিল প্রযুক্তিতে আত্মবিশ্বাসী হওয়া ও স্বাধীন বৈদেশিক নীতি অনুসরণে রাষ্ট্রকে সক্ষম করার ক্ষেত্রে উৎক্ষেপণ অস্ত্রের সাফল্যজনক পরীক্ষা একটা গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্য রাখে।

    আমার বন্ধু ড. ভি কে সারস্বত এবং তাঁর দল অগ্নি ৫-র উৎক্ষেপণের সময় আমায় সংক্ষেপে তথ্য শুনিয়েছিলেন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    Library
    বই ডাউনলোড
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    লেখকের বই
    অনলাইন বুকস্টোর

     

    আমায় ইতিহাসের এক ক্ষুদ্র অংশ বলতে অনুমতি দেওয়া হোক— দুটো কথোপকথনের উল্লেখ করব, যার একটা ১৯৮৪ এবং অন্যটি ১৯৯১ সালে হয়েছিল। আমি সেসময় DRDL-এর অধিকর্তা হিসেবে হায়দরাবাদে ছিলাম। প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গাঁধী তাঁর মন্ত্রিসভার মাধ্যমে IGMDP-র অনুমোদন দেবার পরে, ১৯৮৩ সালে পরের বছরের কার্যক্রম পর্যালোচনা করার জন্য DRDL এসেছিলেন। আমরা যখন কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করছিলাম অধিবেশন কক্ষে একটা বিশ্বমানচিত্র শ্রীমতী গাঁধীর নজরে পড়ে। তিনি প্রেজেন্টেশন স্থগিত রেখে আমাদের মনোযোগ মানচিত্রের দিকে আকর্ষণ করলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘কালাম, মানচিত্রটি দেখুন, এখানে যে দূরত্বগুলি দেখানো আছে দেখুন। কখন এই গবেষণাগার কোনও উৎক্ষেপণ অস্ত্র উৎক্ষেপণ করবে যা যে-কোনও সম্ভাব্যতার মুখোমুখি হতে অনেক দূর পৌঁছনোর সক্ষমতা রাখবে।’ (তিনি ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে ৫০০০ কিমি. দূরে একটা জায়গা নির্দেশ করলেন।) আমাদের ডিআরডিও বৈজ্ঞানিকগণ অবশ্যই এই মহান দেশনেত্রী দ্বারা দৃষ্ট মনচ্ছবি তাঁদের লক্ষ্য হিসেবে অর্জন করেছেন।

    পরবর্তীকালে যখন পৃথ্বী উল্লেখযোগ্য কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখল তখন সেনাবাহিনী আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনীয়তার কথা জানাল। সেনাবাহিনী CEP (Circular Error Probability)-কে বলবৎ করতে ভূমি পরিসরে প্রমাণ সহায়ক পরীক্ষা চেয়েছিল। সুরক্ষা এবং ভূ-রাজনৈতিক সমস্যার কারণে আমাদের পরীক্ষা পরিচালনার প্রচেষ্টা মরুভূমি অঞ্চলে সম্ভব হয়নি। এই সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য আমরা পূর্ব উপকূল অঞ্চলে জনমানবহীন দ্বীপ খুঁজছিলাম। নৌবাহিনী যে জলচিত্রণ (হাইড্রোগ্রাফিক) মানচিত্র দিয়েছিল তাতে আমরা ধামরা থেকে (ওড়িশা উপকূলে) দূরবর্তী বঙ্গোপসাগরের মধ্যে কিছু দ্বীপ দেখেছিলাম যা সেখানে কিছু ভূ-খণ্ডের অবস্থানের ইঙ্গিত দেয়। আমাদের টিমের ড. এস কে সালোয়ান এবং ড. ভি কে সারস্বত ধামরা থেকে একটা নৌকো ভাড়া করে দ্বীপের খোঁজে গিয়েছিলেন। মানচিত্রে এই দ্বীপগুলোকে লং হুইলার, কোকোনাট হুইলার এবং স্মল হুইলার নামে চিহ্নিত করা হয়েছিল। টিম একটা দিকনির্দেশক কম্পাস নিয়ে যাত্রাপথে এগিয়েছিল। তাঁরা তাঁদের রাস্তা হারিয়ে ফেলেছিলেন এবং হুইলার দ্বীপ খুঁজে পাচ্ছিলেন না। সৌভাগ্যক্রমে কয়েকটা জেলে ডিঙির সঙ্গে তাঁদের দেখা হল। রাস্তার খোঁজ করাতে তারা বলেছিল, হুইলার দ্বীপ নামে তারা কিছু জানে না, তবে একটা দ্বীপ আছে যার নাম ‘চন্দ্রচূড়’, তাঁরা যে দ্বীপ খুঁজছেন হয়তো সেটাই সে দ্বীপ। জেলেদের পথনির্দেশ অনুসরণ করে টিমটি চন্দ্রচূড় দ্বীপে পৌঁছল, পরে জানা গেল ওই দ্বীপটি আসলে স্মল হুইলার আইল্যান্ড, রেঞ্জ অপারেশনের জন্য যার দৈর্ঘ্যে এবং প্রস্থে পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে।

    ওই দ্বীপকে কাজে লাগাতে আমাদের ওড়িশার আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল। ১৯৯৩ সালে মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগ্রহণ জরুরি হয়ে ওঠে। সেসময় ক্ষমতাশালী জাতীয় নেতা বিজু পট্টনায়েক মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর দপ্তর থেকে নির্দেশ এল নানা কারণে দ্বীপাঞ্চলটি হাতে পাওয়া সম্ভব নয়। অতএব, আমাদের অনুরোধে একটা বৈঠকের ব্যবস্থা নেওয়া হল। আমরা মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে পৌঁছলে সমস্ত নথিপত্র তাঁর সামনে রাখলাম। মুখ্যমন্ত্রী বললেন, ‘কালাম আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি পাঁচটি দ্বীপই বিনা ব্যয়ে আমি আপনাকেই (ডিআরডিও)-কে দেব, অনুমোদনপত্রে স্বাক্ষর করার আগে আপনাকে কিন্তু একটা প্রতিজ্ঞা করতে হবে।’ তিনি আমার দুটি হাত ধরে বলেছিলেন, ‘আপনি অবশ্যই এমন এক উৎক্ষেপণ অস্ত্র তৈরি করুন যা আমাদের বিদেশি রাষ্ট্রের চোখরাঙানি থেকে রক্ষা করতে পারবে।’ আমি বলেছিলাম, ‘স্যার,অবশ্যই আমরা এ নিয়ে কাজ করব।’ তৎক্ষণাৎ আমি রক্ষামন্ত্রীকে জানিয়ে দিলাম। মুখ্যমন্ত্রী ফাইলে স্বাক্ষর করলেন এবং আমরা স্মল হুইলার দ্বীপ পেয়েছিলাম।

     

    আরও দেখুন
    কৌতুক সংগ্রহ
    PDF
    গ্রন্থাগার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বইয়ের
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    গল্প, কবিতা
    পিডিএফ
    লেখকের বই

     

    পাঠকগণ আপনারা হয়তো জানেন, ২০১২ সালের এপ্রিল মাসের ২৬ এপ্রিল ইসরো সাফল্যজনকভাবে ভারতের প্রথম RISAT-1 বা Radar Imaging Satellite উৎক্ষেপিত করে। উপগ্রহটি PSLV=C19 (Polar Satellite Launch Vehicle) চড়ে শ্রীহরিকোটা সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে উৎক্ষিপ্ত হয়। উপগ্রহটি কক্ষপথে প্রবিষ্ট করানোর পরে রিস্যাট-১র সি-ব্যান্ড কৃত্রিম র‍্যাডার যন্ত্রের সৌর প্যানেল এবং অ্যান্টেনা প্যানেল সাফল্যজনকভাবে নিয়োজিত হয়েছিল। আরও, চার কক্ষপথ উত্তোলনকারী কৌশল সরণির মধ্য দিয়ে মেরুপ্রদেশীয় সূর্য সমলয়িত কক্ষপথে উপগ্রহকে সফলভাবে বসানো হয়েছিল। গঙ্গোত্রী, ভূপালের মধ্য দিয়ে অতিক্রমকালে এবং উত্তর কর্নাটকের উচ্চমানের কিছু ছবি গ্রহণ করা সম্ভব হয়েছিল, ২০১২ সালের ১ মে সেগুলোর বিশ্লেষণ করা হয়েছিল।

    এই মিশন কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তির বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছিল। আমি এর দিকগুলো নিয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে বলব—

    ORSS (optical remote sensing satellites)-এর মতো নয়, ভূপৃষ্ঠের ছবি তোলার জন্য রিস্যাট-১ এর SAR (Synthetic Aperture Radar) নিজে থেকেই নিজের বিকিরণ করে। এই প্রক্রিয়া বিনা সূর্যালোকে মেঘের স্তর ভেদ করে ছবি তুলতে সক্ষম। তাই এ যে-কোনও আবহাওয়া ও সূর্যালোকেই ছবি তোলে। রিস্যাট-১ বহুমুখী প্রক্রিয়া ও মেরুকরণ দ্বারা ছবির স্ফীতি এক থেকে পঞ্চাশ মিটার এবং প্রসার ব্যাপ্তি দশ থেকে ২২৩ কিমি পর্যন্ত সক্ষমতা-সহ ছবি তুলতে পারে। চিহ্নিতকরণ, শ্রেণিবিশ্লেষণ এবং জমির একর পরিমাপ নির্ধারণ দ্বারা খরিফ মরশুমে কৃষিক্ষেত্রে ধান চাষের মানচিত্র তৈরি করা রিস্যাট-১ এর এক গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এ ছাড়া প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বন্যা ও সাইক্লোন প্লাবিত এলাকার মানচিত্র তৈরি করে দুর্যোগ মোকাবিলা করা ও অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ করা হয়।

     

    আরও দেখুন
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    রেসিপি বই
    Library
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

     

    এ কেবলমাত্র আমাদের আত্মবিশ্বাস ও মহাকাশ ক্রিয়াকলাপের একটা সংক্ষিপ্ত চিত্র দেয়। এ ছাড়া আরও অনেক কৃতিত্বের বিস্তারিত বিবরণ আমি দিতে পারি। যেমন এক আংশিক মেঘলা দিনে বেঙ্গালুরুতে নৌবাহিনীর বিকল্প এক জলযান এলসিএ (Light Combat Aircraft)-র পরীক্ষামূলক উড়ানের কথা। সাফল্যমণ্ডিত নৌবাহিনীর বিকল্প এই LCA উড়ান-এর মধ্যে দিয়ে ভারত বাছাই করা শ্রেষ্ঠ কতগুলি দেশের দলে প্রবেশ করল। যারা চতুর্থ প্রজন্মের জাহাজ বাহিত ফ্লাই বাই ওয়্যার ‘স্কি টেক অফ বাট অ্যারেস্টেড রিকভারি’ (Stobar) যুদ্ধ বিমানের নকশা, বিকাশ, নির্মাণ ও পরীক্ষা করতে সক্ষম। নৌবাহিনীর শক্তি বৃদ্ধি করতে এই নৌবিকল্প যান প্রথম পদক্ষেপ। এটা একবিংশ শতকের ভারতীয় নৌবাহিনীর নৌ-উড়ান শাখাকে এক অসাধারণ যুদ্ধ ক্ষমতা দেবে। এর অর্জিত গুণরাজি একাধিক নকশা তৈরির প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে সাফল্যের প্রতিনিধিত্ব করে।

    তথ্যপ্রযুক্তি ও সম্প্রচার প্রযুক্তি মিলিত হয়ে তৈরি হয়েছে তথ্যসম্প্রচার প্রযুক্তি। তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে জৈবপ্রযুক্তিবিদ্যা যুক্ত হয়ে জৈব-তথ্যপ্রযুক্তি গড়ে উঠেছে। একইভাবে পরীক্ষাগারের বাইরে ফোটনবিদ্যা চিরন্তন বৈদ্যুতিন এবং অণুবৈদ্যুতিন বিদ্যার সঙ্গে মিশে উচ্চগতিসম্পন্ন ভোগ্যপণ্য বাজারে এসেছে। স্বচ্ছ পলিমারের ওপর ফিল্মের একটা পাতলা আস্তরণ ব্যবহার করে নমনীয় ও অভঙ্গুর প্রদর্শিত দ্রব্য বিনোদন ও প্রচার মাধ্যম জগতে একটা নতুন সংকেত হয়ে প্রকাশ পেয়েছে। এখন ন্যানোপ্রযুক্তি এসে গেছে। এটা ভবিষ্যতের চিকিৎসা, বৈদ্যুতিন এবং বস্তুবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে সাংঘাতিক প্রয়োগক্ষমতা দ্বারা অণুবৈদ্যুতিন এবং আরও অনেক ক্ষেত্রকে অপসারিত করবে।

    যখন অণুপ্রযুক্তি ও তথ্যসম্প্রচার প্রযুক্তি মিলিত হয়, সিলিকন ও বৈদ্যুতিন পরস্পরকে আলিঙ্গন করে, তখনই ফোটোনিক্‌স-এর জন্ম। বলা যায় যে বস্তুর অভিসরণ ঘটবে। অভিসৃত বস্তু ও জীবপ্রযুক্তি মিলে বুদ্ধিসম্পন্ন জীববিজ্ঞান নামে এক নতুন বিজ্ঞানের জন্ম হবে যা দীর্ঘজীবন ও সক্ষমতার সঙ্গে এক রোগমুক্ত সমাজের পথ দেখাবে।

     

    আরও দেখুন
    ডিকশনারি
    বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বই
    বাংলা বই
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ই-বুক রিডার

     

    বিজ্ঞানের এই অভিসরণ অভিযান বিনিময়যোগ্য। একটা উদাহরণ দেওয়া যাক: সম্প্রতি আমি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে গেছিলাম। সেখানে হার্ভার্ড স্কুল অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অ্যাপ্লায়েড সায়েন্স বিভাগের অনেক প্রখ্যাত অধ্যাপকের পরীক্ষাগার দেখেছি। আমার মনে পড়ছে কীভাবে প্রফেসর হংবুন পার্ক আমাকে তাঁর আবিষ্কৃত ন্যানোছুঁচ দেখিয়েছিলেন যা কোনও নির্দিষ্ট কোষকে বিদ্ধ করে তার ভেতরে সামগ্রী চালান করতে পারে। এভাবেই ন্যানো কণাবিজ্ঞান জীববিজ্ঞানের রূপ দিচ্ছে। এরপর আমি প্রফেসর বিনোদ মনোহরণের সঙ্গে দেখা করি। তিনি আমাকে বোঝান কীভাবে জীববিজ্ঞান ন্যানো বস্তুবিজ্ঞানকে রূপ দিচ্ছে। স্ব-সংযুক্তি কণার নকশা করার জন্য তিনি ডিএনএ ব্যবহার করেছেন। যখন একটা নির্দিষ্ট ধরনের ডিএনএ আণবিক স্তরে কোনও একটা কণার ওপর প্রয়োগ করা হয়, তখন সেটা একটা পূর্বনির্ধারিত ধারায় এবং স্বয়ংক্রিয় সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়ায় তৈরি হতে সক্ষম হয়। মানবহস্তক্ষেপ ছাড়া মহাকাশে স্বয়ং-সংযুক্তি প্রক্রিয়াকরণ ও সংঘবদ্ধ হওয়ার লক্ষ্যে এটা আমাদের জবাব হতে পারে যেমনটি স্বপ্ন দেখেছিলেন ড. কে এরিক ড্রেক্সলার। এভাবে একটা গবেষণা গড়ে ওঠার মধ্যে, আমি দেখেছি কীভাবে দুটো পৃথক বিজ্ঞান একে অপরকে গড়ে উঠতে সাহায্য করছে। বিজ্ঞানের এই একে অপরকে পারস্পরিক সহযোগিতা আমাদের ভবিষ্যৎ গঠনে এগিয়ে আসছে এবং আমাদের শিল্পকে এরজন্য প্রস্তুত থাকা প্রয়োজন। বিভিন্ন প্রযুক্তি সংগঠনে যে বাধা রয়েছে তা দূর হবে এই ধরনের গবেষণার ফলে।

     

    আরও দেখুন
    গল্প, কবিতা
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাইশে শ্রাবণ
    বইয়ের
    বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    গ্রন্থাগার
    ডিজিটাল বই
    স্বাস্থ্য টিপস

     

    পরিশেষে, সারা বিশ্বে, প্রযুক্তিগতভাবে উৎকৃষ্ট, মজবুত ব্যবস্থার উন্নয়নের দিকে চাহিদার অপসরণ হচ্ছে। এটা হল একবিংশ শতকের জ্ঞানসমৃদ্ধ সমাজের নতুন মাত্রা, যেখানে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং পরিবেশকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এভাবে নতুন যুগের আদর্শ হবে এক চতুর্মাত্রিক জৈব-ন্যানো-তথ্য-পরিবেশভিত্তিক, যার মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ সম্ভাবনা থাকবে।

    .

    আমি আপনাকে প্রশ্ন করতে চাই, কীজন্য আপনাকে মনে রাখলে আপনি খুশি হবেন? সেটা আপনার লিখে ফেলা উচিত। হতে পারে উদ্ভাবন বা পরিবর্তনের মতো কোনও গুরুত্বপূর্ণ নিবেদনের দ্বারা আপনি সমাজে এমন কোনও পরিবর্তন আনলেন যার দরুন সমগ্র জাতি আপনাকে স্মরণ করবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভৌতিক অলৌকিক ১ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার
    Next Article দ্য প্লেগ – আলবেয়ার কামু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }