Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সন্ধিক্ষণ : প্রতিকূলতা জয়ের লক্ষ্যে যাত্রা – এ পি জে আবদুল কালাম

    এ পি জে আবদুল কালাম এক পাতা গল্প173 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৪. রাষ্ট্রপতি মেয়াদকালের পরে

    ১৪. রাষ্ট্রপতি মেয়াদকালের পরে

    ফুলকে দেখো, কী অকৃপণভাবে সুগন্ধ আর মধু দান করে,
    কিন্তু যখন তার কাজ শেষ হয়ে যায়, নিঃশব্দে ঝরে পড়ে যায়।

    —ভগবদ্‌গীতা।

    রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন আমার খুব ব্যস্ততার মধ্যে কেটেছে। আমাদের এই সুন্দর দেশ ঘুরে ঘুরে প্রতিটি রাজ্যে গিয়ে কীভাবে মানুষ সেখানে বেঁচে থাকে, তাদের পরিবেশ এবং সমস্যা স্বচক্ষে দেখা আর তারা জীবনে কতটা সুখী তা উপলব্ধি করা ছিল প্রথম বছরে আমার অন্যতম লক্ষ্য। কেরল উপকূলের নিকটবর্তী লাক্ষাদ্বীপপুঞ্জ একমাত্র স্থান যেখানে পরিদর্শনে যেতে পারিনি বলে আমি অনুতপ্ত। প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব আকর্ষণ থাকে। সরলতা আর উষ্ণতার যে অন্তঃসলিলা প্রবাহিত হয় তা কিন্তু সম্পূর্ণভাবে ভারতীয়।

    অন্যরা এই ধরনের সফর কী চোখে দেখে তা জানা বেশ কৌতূহলোদ্দীপক। ‘Outlook’ পত্রিকায় একটা প্রতিবেদন আমি উদ্ধৃত করছি-‘কালাম একজন সদা ভ্রাম্যমাণ রাষ্ট্রপতি, যিনি দফতরে ১০ মাসের মেয়াদে ২১টি রাজ্য ইতিমধ্যে পরিদর্শন করেছেন। যা সম্ভবত ৫ বছরের মেয়াদকালে কোনও রাষ্ট্রপতি যা করে থাকেন তার চাইতেও বেশি। তিনি এই ধরনের ঝড়ের মতো ভ্রমণে যথেষ্টসংখ্যক এমনকী সংখ্যায় ১৫টি পর্যন্ত কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করেন, ব্যস্ত কর্মসূচিতে যাতে যথাসম্ভব সুস্থ থাকতে পারেন তার জন্য আগের দিন রাত্রে পৌঁছন…।’

    রাষ্ট্রপতি মেয়াদকাল সমাপ্ত হলে পরে আমি দুটি ক্ষেত্রে সন্তুষ্টবোধ করেছিলাম। যখন আমি রাষ্ট্রপতির কার্যভার গ্রহণ করি তখন ছাত্রমহলে একটা বিষণ্ণতা ও নৈরাশ্যবোধ কাজ করছিল। আমি তাঁদের কাছে গিয়ে আত্মবিশ্বাসী হতে বলতাম। চেষ্টা করতাম তাঁদের উৎসাহিত করতে। বলতাম, যুবসমাজের কারও ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কা করার প্রয়োজন নেই, কারণ ভারত ভালভাবেই অগ্রসর হচ্ছে। ভারতবর্ষের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে আপনাদের উন্নতি ঘটছে, তাঁদের বলেছিলাম। অবশ্যই এই উন্নয়নের হার সাম্প্রতিককালে বর্ধিত হয়েছে। আমার মেয়াদকাল শেষে যুবসমাজের মনোভাবের পরিবর্তন হয়েছিল। তাঁরা উন্নত ভারতে বাস করতে চেয়েছিলেন এবং তার জন্য তাঁরা কাজ করতে প্রস্তুত ছিলেন।

    রাষ্ট্রপতির ব্যস্ততাপূর্ণ জীবনের বাইরে কীভাবে আমি মানিয়ে নেব ভেবে অনেকে আশ্চর্য হতেন। যদিও রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার আগে আমি সক্রিয়ভাবে লেখা, শিক্ষকতা, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের অনুপ্রেরণা দান করা এবং সেমিনার ও বৈঠকে যোগদানে নিযুক্ত ছিলাম। এই রোজনামচায় ফিরে যাওয়াই আমার ইচ্ছে ছিল। আমার কাছে চেন্নাইয়ের আন্না বিশ্ববিদ্যালয়, হায়দরাবাদের ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বা আইআইআইটি (Indian Institute of Information Technology), পন্থনগরের জি বি পন্থনগর কৃষি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, অহমদাবাদ ও ইন্দোরের আইআইএম, খড়গপুর আইআইটি, বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় বা বিএইচইউ এবং আরও অনেক স্থানে শিক্ষকতার প্রস্তাব এসেছিল।

    মনশ্চক্ষে দেখতে গেলে ২০০৭ সালের ২৬ জুলাই থেকে আজ পর্যন্ত আমার জীবনের লক্ষ্য আরও বর্ধিত হয়েছে। আমার শিক্ষকতা এবং গবেষণা এখন পন্থ বিশ্ববিদ্যালয়ে সুসংজ্ঞায়িত হয়েছে। আমার লক্ষ্য ছিল ছাত্ররা কীভাবে ভারতের দ্বিতীয় সবুজবিপ্লবে এক সঞ্চালক কেন্দ্র হয়ে দাঁড়াতে পারে। পন্থ বিশ্ববিদ্যালয় ভারতের প্রথম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় গবেষণামূলক কৃষি উৎপাদনের জন্য বিস্তৃত ক্ষেত্র আছে। ভারতের প্রথম আইআইটি খড়গপুরে আমি সাম্মানিক অধ্যাপক বা ডিসটিংগুইশড প্রফেসর হিসেবে সামাজিক রূপান্তর ও নেতৃত্ব বিষয়ে অধ্যাপনা করেছিলাম। হায়দরাবাদের আইআইআইটি-তে আমি তথ্যপ্রযুক্তি এবং জ্ঞান উৎপাদিত বিষয়ে শিক্ষাদান শুরু করেছিলাম যা ইন্ডিয়া ২০২০ লক্ষ্যে ভীষণভাবে প্রাসঙ্গিক। বিএইচইউ এবং আন্না বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি প্রযুক্তি এবং গ্রামীণ অর্থনীতি রূপান্তর ঘটানোয় তার বহুমাত্রিক দিক বিষয়ে অধ্যাপনা করেছি। অহমদাবাদের আইআইএম এবং লেক্সিংটনে Gatton College of Business and Economics, USA-এ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে চ্যালেঞ্জ বিষয়ক একটি ইন্টার-অ্যাকটিভ কোর্স ম্যানেজমেন্টে স্নাতক ছাত্রদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবার উদ্দেশ্যে পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ছাত্ররা ২০২০ সালের পূর্বে ভারতবর্ষের প্রতিযোগিতামূলক দশ দফা রেখাচিত্র উপলব্ধি করার ক্ষেত্রে নানা কৌশল এবং উন্নয়নের জন্য অভিনব ধারণাগুলি নিবেদন করেছিলেন। উদাহরণস্বরূপ একদল ছাত্র PURA-কে সরাসরি বেসরকারি যৌথ অংশীদারিত্বে প্রচেষ্টা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য কাজ করছে।

    বিদেশের অনেক আমন্ত্রণ পাই। এখনও, দফতর ত্যাগ করার পরেও আমি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে, রাজনৈতিক এবং শিল্পমহল থেকে, এ ছাড়া আমেরিকা যুক্তরাজ্য, ব্রিটেন, ইন্দোনেশিয়া, নেদারল্যান্ড, কোরিয়া, ইজরায়েল, কানাডা, ফিনল্যান্ড, নেপাল, আয়ারল্যান্ড, সংযুক্ত আরবশাহী, তাইওয়ান, রাশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে বিশেষ আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে সফর করেছি। সফরের সময়ে আমি বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহ পরিদর্শন করেছি, শিল্প এবং বিশ্ব যুব সম্মেলনে যোগদান করেছি, এক উন্নত ভারতের লক্ষ্য মানুষের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছি এবং মূল্যভিত্তিক শিক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অন্য রাষ্ট্রের অংশীদারিত্বের গুরুত্ব ব্যক্ত করেছি। এখনও পর্যন্ত আমি ১,২০০-এর বেশি কার্যক্রমে যোগদান করে ১৫ লাখ মানুষের সঙ্গে, বিশেষত তরুণদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। তাদের সঙ্গে তরুণ সমাজের স্বপ্ন আমি বণ্টন করে নিয়েছিলাম, তারা কীভাবে সমস্ত প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উন্নয়নের মহান লক্ষ্যের উদ্দেশ্যে তাদের উৎসাহ উদ্দীপনা সহযোগে অনন্যসাধারণ হয়ে উঠতে চায়। এই প্রচেষ্টা এখন ওয়ার্ল্ড ভিশন ২০৩০-তে উন্নীত হয়েছে।

    প্রতিটি ঘটনা আমার জীবনে নবদিগন্তের সূচনা করেছে। যখন আমি অতীতচারণ করি, তখন আত্মবিশ্লেষণ করে বোঝার চেষ্টা করি ঘটনাগুলির দরুন যে পালাবদল ঘটেছিল সেখান থেকে আমি কী শিক্ষা পেয়েছিলাম। প্রতিটি ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তগুলি যথেষ্ট জটিল ও ঘটনাগুলি কালানুক্রমিকভাবে একে অপরের থেকে একেবারে আলাদা। তা সত্ত্বেও, নতুন চ্যালেঞ্জের জন্য আমি যে আকাঙ্ক্ষা বোধ করি তা সমস্ত সিদ্ধান্তের ভিত্তি। এইভাবে জীবন সমৃদ্ধ হয়।

    একজন যা-কিছু করতে চায় তার সমস্ত কিছুর জন্য সময় বার করা খুব কঠিন। সত্যি কথা বলতে কী, আমার কার্যসূচিগুলো খুব জীবন্ত বলে মনে হয়। আগের তুলনায় আমার জীবন আরও কর্মব্যস্ত হয়ে উঠেছিল আর ভাবছিলাম নিজেকে কীভাবে আরও একটু জায়গা দেব। এই তো একদিন আগে আর কে প্রসাদ, যিনি আমার কর্মসূচি এবং কার্যক্রমসূচি দেখাশোনা করেন, তাঁকে ঠাট্টা করে বলছিলাম, কীভাবে শুক্রবার মহীশুর থেকে ফিরেই সোমবারের জন্য মোরাদাবাদ এবং রামপুরের কার্যক্রম নির্দিষ্ট করেছিল। গভীর রাত্রে গাড়িতে করে দিল্লি ফিরে আসার আগে ওখানে চারটে অনুষ্ঠানে যোগদানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। বুধবার প্যান আফ্রিকান ই-নেটওয়ার্কে একটা অভিভাষণ এবং তারপর বৃহস্পতিবার গুয়াহাটি, শুক্রবার রাতে দিল্লি ফিরে আবার শনিবার সকালে মন্ত্রণাসভার জন্য লখনউতে বিমানে গমন। সাম্প্রতিক মাস, যেমন মে মাসের তালিকাবদ্ধ অনুষ্ঠানসূচি নিম্নলিখিত। প্রতিদিনকার পূর্বনির্ধারিত সাক্ষাৎকার যার সংখ্যা খুব-একটা সামান্য নয়, বাদ দেওয়া হয়েছে।

    ২০১২ সালের মে মাসের তালিকা:

    ১ মে, মঙ্গলবার

    • বোকারো পরিদর্শন: বোকারো ইস্পাত কেন্দ্র পরিদর্শন, প্রযুক্তিবিদদের উদ্দেশে এবং চিন্ময় বিদ্যালয়ের উদ্দেশে অভিভাষণ প্রদান।

    • ‘আমি কী দিতে পারি’ কার্যক্রমের উদ্বোধনে অংশগ্রহণ করব, রাঁচিতে।

    ৫ এবং ৬ মে, শনিবার ও রবিবার

    • চেন্নাই, ত্রিচি এবং কারাইকুড়ি পরিদর্শন

    ৭ মে, সোমবার

    •ছত্তিশগড় সরকারি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৩০ জন ছাত্র এবং শিক্ষকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা।

    ৯ মে, বুধবার

    • মথুরায় ‘আমি কী দিতে পারি’ কার্যক্রম স্থাপন করার জন্য সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠানসমূহ পরিদর্শন।

    • বৃন্দাবনে বিধবাদের আশ্রম ‘পাগল বাবা আশ্রম’ পরিদর্শন।

    ১১ মে, শুক্রবার

    • বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি বিভাগের প্রযুক্তি দিবস উদ্‌যাপনের উদ্বোধন।

    ১২ মে, শনিবার

    • বেদান্ত হাসপাতালের উদ্বোধন এবং আজমগড়ের ছাত্রদের উদ্দেশে অভিভাষণ দেওয়ার জন্য উত্তরপ্রদেশের আজমগড় পরিদর্শন।

    ১৫ মে, মঙ্গলবার

    • জাতীয় সমবায় উন্নয়ন নিগমের সমবায়সমূহ ২০১২-এর আন্তর্জাতিক বর্ষের উদ্বোধন।

    ১৭-১৮ মে, বৃহস্পতিবার, শুক্রবার

    • সিএমআর ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির স্নাতক দিবস উদ্‌যাপনে প্রধান অতিথি।

    • মহীশূরের প্রতিরক্ষা খাদ্য গবেষণাগারে স্বর্ণজয়ন্তী বক্তৃতা।

    • অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ স্পিচ অ্যান্ড হিয়ারিং-এ পরিদর্শন।

    • জেএসএস বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন এবং ছাত্রদের উদ্দেশে অভিভাষণ প্রদান।

    ২১ মে, সোমবার

    • মোরাদাবাদের তীর্থঙ্কর মহাবীর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি।

    • রামপুর পরিদর্শন এবং রামপুর জেলার স্কুল ছাত্রদের অভিভাষণ প্রদান।

    • সি এল গুপ্ত আই ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করা এবং ডাক্তার/কর্মীদের উদ্দেশে অভিভাষণ দেওয়া।

    • মোরাদাবাদ ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি পরিদর্শন ও ছাত্রদের উদ্দেশে অভিভাষণ দেওয়া।

    ২৩ মে, বুধবার

    • আফ্রকীয় জাতির উদ্দেশে প্যান আফ্রিকীয় ই-নেটওয়ার্ক।

    ২৪ মে, বৃহস্পতিবার

    • গুয়াহাটি পরিদর্শন এবং আইআইটি গুয়াহাটির বার্ষিক সমাবর্তনে অভিভাষণ প্রদান।

    ২৬ মে, শনিবার

    লখনউ-এ হিন্দুস্তান টাইমস-এর হিন্দুস্থান উত্তরপ্রদেশ উন্নয়ন কনক্লেভে অভিভাষণ দান।

    কর্মসম্পাদনের বৈচিত্র্যে, এতে যে-কেউ লক্ষ করতে পারবেন, প্রতিটি অভিভাষণে ভিন্ন ভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা এবং বক্তৃতা তৈরি করাও একটা বিশেষ কাজ।

    ২৬ মে লখনউতে, উত্তরপ্রদেশের উন্নয়নের পরিকল্পনা উদ্ভাবনের জন্য মন্ত্রণাসভার আয়োজন করা হয়েছিল। যথারীতি বক্তব্য উপস্থাপনার প্রস্তুতির জন্য বেশ কিছু সময় নিয়েছিলাম। আমি যে-যে বিষয়গুলো তুলে ধরতে চেয়েছিলাম সেগুলো ওখানে উপস্থিত বিশেষজ্ঞ এবং নতুন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব দ্বারা স্বীকৃত হয়েছে দেখে খুশি হয়েছিলাম। আটত্রিশ বছর বয়সি অখিলেশ যাদব দেশের কনিষ্ঠতম মুখ্যমন্ত্রী।

    উত্তরপ্রদেশ দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি এবং প্রাকৃতিক ও মানবসম্পদে সহজাতভাবে সমৃদ্ধ। দেশের ১০০ মিলিয়ন তরুণদের মধ্যে, প্রতি পঞ্চম ব্যক্তি উত্তরপ্রদেশের অধিবাসী। আমার বিশেষজ্ঞ বন্ধুরা আমায় বলেছেন ২০১৬ সালের মধ্যে সারা বিশ্ব জুড়ে যে ১০০টা দক্ষতাভিত্তিক কর্মসংস্থানের সৃজন ঘটবে, তার মধ্যে শুধু এই রাজ্য থেকেই সরাসরি আটটি গড়ে উঠবে।

    উত্তরপ্রদেশের অর্থনৈতিক রূপরেখা বিষয়ে আমার পর্যবেক্ষণ অনুসারে এখানকার জনসংখ্যার ৭৩ শতাংশ কৃষি এবং কৃষিজাত কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত এবং রাজ্যের উপার্জনের ৪৬ শতাংশ কৃষি থেকে অর্জিত হয়। একাদশতম পরিকল্পনা পর্বকালীন সময়ে রাজ্যে ৭.৩ শতাংশ মোট রাজ্য অন্তর্দেশীয় উৎপাদন বা জিএসডিপি (গ্রস স্টেট ডোমেস্টিক প্রডাক্ট) নথিবদ্ধ করেছে, যা তার ৬.১ শতাংশ লক্ষ্যকে অতিক্রম করেছে। রাজ্যে ২.৩ লক্ষেরও বেশি ক্ষুদ্র শিল্প সংস্থা রয়েছে। বর্তমানে ওখানে ২.৫ লক্ষেরও বেশি বেকার যুবক-যুবতী রয়েছে যার মধ্যে ০.৭ লক্ষ সংখ্যক হল ৩৫ বছরের ঊর্ধ্বে।

    এ-সমস্ত কিছু মনে রেখে আমার প্রেজেন্টেশন মূল্যসংযোজিত কর্মসংস্থান উদ্ভাবনার মাধ্যমে মাথাপিছু উপার্জন বর্তমান ২৬,০৫১ টাকা থেকে ১০০,০০০ টাকারও বেশি বৃদ্ধি করার উপায়, ১০০ শতাংশ হারে সাক্ষরতা প্রসার, শিশু মৃত্যু হার বা আইএমআর (ইনফান্ট মর্টালিটি রেট) ১০-এর নীচে নামিয়ে আনা এবং কুষ্ঠরোগ, কালাজ্বর, ম্যালেরিয়া, চিকনগুনিয়া, ডেঙ্গু এবং যক্ষ্মার মতো ব্যাধি রাজ্য থেকে নির্মূলীকরণ করার কথা বিবেচনা করেছিল।

    ২০০ মিলিয়ন মানুষকে সক্ষম করার এই লক্ষ্যগুলো কীভাবে সম্পাদন করা সম্ভব আমি তার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছিলাম।

    আমি যে পরামর্শগুলি দিয়েছিলাম তার মধ্যে একটি ছিল উত্তরপ্রদেশের এক কর্মদক্ষতার মানচিত্র তৈরি করা। অর্থাৎ এমন মানচিত্র তৈরি করা যা রাজ্যের প্রতিটি জেলার শিল্প, সংগীত, হস্তশিল্প, কৃষিজাত দ্রব্য এবং বিশেষ ধরনের রন্ধনপ্রণালী প্রভৃতির দিকগুলো দক্ষতার পরিপ্রেক্ষিতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা চিহ্নিত করবে।

    প্রেজেন্টেশনে আরও অনেক নির্দিষ্ট চিন্তাভাবনা ছিল। আমার মনোবাসনা দ্রুত উন্নয়নের জন্য পরিবর্তনক্ষম পরিকল্পনাসমগ্র রাষ্ট্রে প্রযুক্ত হোক যাতে প্রক্রিয়া পারস্পরিক এবং ফলভিত্তিক হয়।

    আমেরিকা এবং ভারতের মধ্যে যে ১২৩ চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছিল তা ইন্দো-ইউ এস পারমাণবিক চুক্তি নামে পরিচিত। এই চুক্তি অনুযায়ী ভারত তার সামরিক ও অসামরিক পারমাণবিক ব্যবস্থা পৃথক করতে রাজি হয় এবং তার যাবতীয় অসামরিক পারমাণবিক ব্যবস্থাগুলিকে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি এজেন্সি বা IAEA (International Atomic Energy Agency)-র সুরক্ষা বন্দোবস্তের অধীনে নিয়ে আসে। এর পরিবর্তে আমেরিকা ভারতের সঙ্গে ‘সম্পূর্ণ’ অসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতার লক্ষ্যে কাজ করতে সম্মত হয়। দীর্ঘমেয়াদি আলাপ-আলোচনার পর IAEA-র সঙ্গে সুরক্ষা বন্দোবস্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার আগে ঐক্যবদ্ধ প্রগতিশীল জোট বা ইউপিএ (ইউনাইটেড প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স) সরকারকে ২০০৪ সালের ২২ জুলাই এক আস্থা ভোটের সম্মুখীন হতে হয়েছিল।

    এই আস্থা ভোটের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ছিল বাম দলগুলি যারা ইউপিএ সরকারকে বাইরে থেকে সমর্থন জানাচ্ছিল। এই চুক্তিপত্রে স্বাক্ষরতা বিষয়ে অংশীদার হতে তারা অসম্মত হয়। সমাজবাদী দলের সভাপতি মুলায়ম সিং যাদব এবং তাঁর পূর্বতন সহকারী অমর সিং পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে মানসিকভাবে দ্বিধাবিভক্ত ছিলেন এবং সরকারকে সমর্থন বজায় রাখবেন কি না সে-বিষয়ে দ্বিধান্বিত ছিলেন। এই চুক্তি ভারতের পক্ষে অনুকূল হবে নাকি পশ্চিমের বিশেষত যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক মুনাফা বিবেচনা করে করা হচ্ছে, সে-বিষয়ে তাঁদের মনে অনিশ্চয়তা ছিল। এই পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে মুলায়ম সিং যাদব এবং অমর সিং উভয়েই আমার সঙ্গে আমার ১০ রাজাজি মার্গ-এর বাড়িতে দেখা করতে এবং এই চুক্তি স্বাক্ষর করলে ভারতের পক্ষে ভাল ও খারাপ দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করতে চেয়েছিলেন। আমি তাঁদের বলেছিলাম, ভারতবর্ষকে থোরিয়ামভিত্তিক পারমাণবিক রি-অ্যাক্টরে স্বনির্ভর হতে হবে। এর অর্থ, আমাদের উন্নয়নমূলক কার্যের জন্য পরিচ্ছন্ন এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে শক্তির প্রয়োজন। এই চুক্তি ইউরেনিয়ামের পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের বর্তমান অভাব অনেকটা মিটিয়ে দিতে সাহায্য করবে।

    আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছিল ২০১১ সালের মার্চে, জাপানের ফুকোসিমায় সুনামি তাণ্ডবের পরে পারমাণবিক শক্তিকেন্দ্র, বিশেষত তামিলনাড়ুর কুড়ানকুলামে নির্মীয়মাণ পারমাণবিক শক্তিকেন্দ্রে ক্রমাগত বিক্ষোভ প্রদর্শন। বিক্ষোভকারীরা স্থানীয় গ্রামবাসী, তাঁরা চাইছিলেন কুড়ানকুলামের কাজ অবিলম্বে বন্ধ করে দেওয়া হোক এবং সেখানকার ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ করতে দেওয়া হচ্ছিল না। এঁদের সমর্থন করছিল জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংগঠনগুলি বা এনজিও। অবস্থার গুরুত্ব বুঝে ভারতের পারমাণবিক শক্তিকেন্দ্রের সুরক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে এবং এই নিয়ে অগ্রসর হওয়া কাঙ্ক্ষিত কি না সেই সম্পর্কে এক বিশদ বিস্তৃত পর্যালোচনা করেছিলাম। ইংরেজি ও আঞ্চলিক সংবাদপত্রে নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল, সেখানে বিশ্লেষিত হয়েছিল ভারতের প্রয়োজনীয় উন্নয়নের জন্য কেন এই প্রযুক্তি এত জরুরি।

    পাশাপাশি, আমি আমার টিম নিয়ে ২০০০ মেগাওয়াট থার্ড জেনারেশন প্লাস প্ল্যান্ট (third generation plus plant) পর্যবেক্ষণ করতে কুড়ানকুলাম গিয়েছিলাম। শক্তিকেন্দ্রের সুরক্ষা বৈশিষ্ট্যগুলো বুঝতে এবং কীভাবে মানুষের আশঙ্কা সম্বন্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে, বিশেষত আলোড়ন সৃষ্টিকারী ফুকোসিমা ঘটনার পর তা আমি উপলব্ধি করতে চেয়েছিলাম। আমি সারাদিন বিজ্ঞানী, বিশেষজ্ঞ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আলোচনা করেছিলাম এবং শক্তিকেন্দ্রের নানান ধরনের সুযোগসুবিধা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেছিলাম। সুরক্ষাব্যবস্থায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দেখে আমি উৎসাহিত হয়ে উঠলাম। পারমাণবিক শক্তিকেন্দ্রের সুরক্ষা ব্যবস্থার চারটে মূল দিক আছে— গঠনগত অখণ্ড সুরক্ষাব্যবস্থা (Structural integrity safety), তাপীয় জলপ্রবাহ সুরক্ষা ব্যবস্থা (Thermal hydraulic safety), বিকিরণ সুরক্ষা ব্যবস্থা (Radiation safety), নিউট্রনিক সুরক্ষা ব্যবস্থা (Neutronic safety) এবং এই চারটে প্রয়োজনীয়তা পূরণ করেছিল।

    পরে আমি পরামর্শ দিয়েছিলাম শক্তিকেন্দ্রের আশপাশের গ্রামগুলোর জন্য একটা লাগোয়া বিশেষ PURA কমপ্লেক্স গড়ে ওঠা প্রয়োজন যা শিক্ষা, প্রশিক্ষণ সুযোগ এবং মূল্যসংযোজিত কর্মসংস্থানে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তা করবে।

    এই বন্দোবস্তগুলি প্রয়োগ করা হয়েছে দেখে আমি আনন্দিত। সরকার ঘোষণা করেছেন যে, শক্তিকেন্দ্রের দ্বারা অর্জিত লভ্যাংশের ২ শতাংশ সমাজকল্যাণ, গ্রামীণ উত্তরণ এবং কুড়ানকুলাম অঞ্চলের বাসিন্দাদের আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধির জন্য ব্যয় করা হবে। শক্তিকেন্দ্রের সম্পাদনকার্য শক্তিক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা লক্ষ্য অর্জনের অংশ হয়ে উঠবে।

    .

    গত পাঁচ বছর আমার অসংখ্য বাচ্চাদের সঙ্গে দেখা করার, দেশ-বিদেশের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা এবং অধ্যয়নে নিত্যসঙ্গী হওয়া, সমাজের রূপান্তর সংক্রান্ত বিষয়ে ব্যাপকসংখ্যক ম্যানেজমেন্ট ছাত্রদের শিক্ষক হওয়া এবং তাৎপর্যপূর্ণ জাতীয় বিষয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি নিবেদন করার সৌভাগ্য হয়েছে। সর্বোপরি, আটটি রাজ্যে আপৎকালীন জরুরি ব্যবস্থাপন কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে জীবনরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে পরিচয় করানোর অনুঘটন সম্ভব করেছিলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউইংস অব ফায়ার – এ পি জে আবদুল কালাম
    Next Article উত্তরণ : শ্রেষ্ঠত্বের পথে সকলে – এ পি জে আবদুল কালাম

    Related Articles

    এ পি জে আবদুল কালাম

    উত্তরণ : শ্রেষ্ঠত্বের পথে সকলে – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    উইংস অব ফায়ার – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    ইগনাইটেড মাইন্ডস – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    লার্নিং হাউ টু ফ্লাই : লাইফ লেসন্‌স ফর দি ইয়ুথ – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    টার্নিং পয়েন্টস : এ জার্নি থ্র চ্যালেঞ্জেস – এ.পি.জে. আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    মাই জার্নি : স্বপ্নকে বাস্তবতা প্রদান – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }