Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সমগ্র কিশোর সাহিত্য – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প712 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঘোড়ামামার কাটলেট

    ঘোড়ামামার কাটলেট

    ঘোড়ামামা বললেন, এই যে পেলারাম, কী বেপার?

    ঘোড়ামামা মোটেই ঘোড়া নন, কিংবা কারও মামাও নন। মুখে বড় বড় দাড়ি, মাথায় লম্বা-লম্বা চুল, একটা থলে কাঁধে নিয়ে পথে-পথে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অভ্যেস। হঠাৎ তাঁকে দেখে কাগজ কুড়ুনে বলে মনে হতে পারে, কিন্তু কাগজ তিনি কুড়োন না। ঘোড়ামামার ধারণা, লোকে না বুঝে রাস্তায় অনেক কাজের জিনিস ফেলে দেয়, সেগুলো কুড়িয়ে রাখলে তা দিয়ে কত কী যে হতে পারে তা বলে বোঝানো যায় না। এই ধরো, একদিন ঘোড়ামামা জুতোর একটা সুকতলা পেলেন; একমাস বাদে হয়তো খানিক চামড়া পাবেন; আরও ছমাস বাদে একটা সোল পেয়ে যেতে পারেন। এগুলো একসঙ্গে সেলাই করে নিলেই একপাটি জুতো বিনে পয়সায় তৈরি হয়ে গেল। এইভাবে আর-এক বছর খুঁজে বেড়ালে হয়তো আর-এক পাটিরও জোগাড় হয়ে যাবে। তখন একেবারে ফ্রিতে একজোড়া জুতো–আর আজকাল জুতোর যা দাম!

    এ থেকে যদি ভেবে থাকো যে ঘোড়ামামার অবস্থা খারাপ, তা হলে ভুল করেছ। ঘোড়ামামা মোটেই গরিব নন। তাঁর নিজের বাড়ি আছে, একতলা-দোতলায় ভাড়াটে আছে, তারকেশ্বরে নিজেদের দেশে অনেক জমিজমা আছে। আসলে স্বভাবই এই। তাঁর বাড়ির তেতলার ঘরে উঠলেই দেখবে–দেশলাইয়ের খাপ, খালি সিগারেটের বাক্স, ছেঁড়া রিবনের টুকরো, খালি কৌটো থেকে শুরু করে ফেলে-দেওয়া তোবড়ানো সাইন বোর্ড পর্যন্ত জমানো রয়েছে। একটা সাইন বোর্ডে লেখা আছে : এখানে উত্তম চিড়া পাওয়া যায়, আর-একটাতে লেখা আছে : পাগলের মহৌষধ। শেষটা ঘোড়ামামাকে খাওয়াতে পারলে ভালো হত–কিন্তু সেটা কোথায় পাওয়া যাবে, আমাদের জানা নেই।

    ঘোড়ামামার জিভে একটু দোষ আছে। প্যালারামকে বলেন পেলারাম, ব্যাপারকে বেপার, চ্যাঁচানোকে চিঁচানো–এইরকম। তাই আমাকে বললেন, এই যে পেলারাম, কী বেপার?

    দাড়ির ফাঁকে ঘোড়ামামার গোটা কুড়িক দাঁত বেরিয়ে এল। আর তাই দেখেই মেজাজ খারাপ হয়ে গেল আমার। ঘোড়ামামার পাল্লায় পড়ে দু-দুবার আমার হাঁড়ির হাল হয়েছে।

    বললুম, ব্যাপার আর কী ঘো–বলেই সামলে নিলুম, মানে মামা, আমি ক্যাবলার জন্যে ওয়েট করছি এখানে।

    কেবলা? ও মিত্তিরদের কেবলা? কেনো?

    ও আমাকে কাটলেট খাওয়াবে বলেছে।

    তা–কেটলেট!–ঘোড়ামামা আবার দাড়ির ফাঁকে দন্তশোভা বিকাশ করলেন : তা বেশ তো, চলো না আমার সঙ্গে। আমিই তোমায় কেটলেট খাওয়াব।

    আমি বললুম, সরি ঘো–মানে মামা, একবার আপনি আমাকে ক্ষীরমোহন, চমচম, ছানার জিলিপি এইসব খাওয়াবেন বলে পটলডাঙা থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত হাঁটিয়েছেন, তারপর ল্যাজে দড়ি বাঁধা একটা নেংটি ইঁদুর ধরিয়ে দিয়ে

    কেনো–কী অন্যায় হয়েছে? সেই ইঁদুর বাড়িতে নিয়ে গেলে তোমার বাবা বিড়েল আনতেন–ঘোড়ামামা বলে যেতে লাগলেন :সেই বিড়েলকে দুধ খাওয়াবার জন্যে তোমার বাবা গোর পুষতেন, সেই গোরুর দুধ থেকে ক্ষীরমোহন, ছেনার জিলিপি–

    আমি বাধা দিয়ে বললুম, খুব হয়েছে, আর আমার দরকার নেই। সেই নেংটি ইঁদুর নিয়ে বাড়ি গেলে বড়দা আমাকে একটা বিরাশি সিক্কার চড় বসাত, তারপর ইঁদুরটাকে টেনে একেবারে শ্রদ্ধানন্দ পার্কে ফেলে দিত। ক্ষীরমোহন, ছানার জিলিপি–হুঁ। যত সব বোগাস। মাঝখান থেকে রবিবারের সকালে আমাকে পাক্কা দেড় মাইল হাঁটালেন আপনি।

    আহা পেলারাম, তুমি বুঝতে পারছ না। সব কাজ প্লেন করে (মানে প্ল্যান করে) করতে হয়। চমচম, ক্ষীরমোহন ঝাঁ করে খেলেই হল? একটা এরেনজমেন্ট করতে হয় না? আজ তুমি চলো আমার সঙ্গে, নিশ্চয় তোমার কেটলেট খাওয়াব।

    আবার হয় হাওড়া ব্রিজ, নয় শ্যামবাজার পর্যন্ত হাঁটাবেন তো। আর আপনার সঙ্গে সঙ্গে জুতোর সুকতলা, রাংতা, ঘুড়ির কাগজ, রাস্তার পেরেক, এই সব কুড়োতে হবে? শেষে একতাল গোবর আমার হাতে তুলে দিয়ে বলবেন–এই গোবর থেকে ঘুঁটে হবে, ঘুঁটে দিয়ে উনুন ধরানো হবে, উনুন ধরালে কড়াই চাপবে, কড়াই চাপলে তোমার মা কাটলেট ভাজবেন–চালাকি। ঘো–সরি মামা, ও-সবের মধ্যে আমি আর নেই।

    তুমি মিথ্যে এফরেড হচ্ছ পেলারাম।–ঘোড়ামামা মনে ভীষণ ব্যথা পেলেন : আজ তোমার কোথাও যেতে হবে না, কিচ্ছু কুড়োতে হবে না। আমার বাড়িতে গেলেই তোমার কেটলেটের ব্যবস্থা হবে। তোমার কেবলা তো এল না–চিঁচামিচি না করে আমার সঙ্গে তুমি চলো।

    ক্যাবলা যে আসবে না, সে তো বুঝতেই পারছি। বর্ধমান থেকে ওর ছোটমামা এসেছে শুনেছি, আর যুদ্ধের ফিলিম দেখানো হচ্ছে–নিশ্চয় ক্যাবলা মামার সঙ্গে সেই ফিলিম দেখতে গেছে। টেনিদা কলকাতায় নেই, বেড়াতে গেছে গোবরডাঙায় পিসিমার বাড়িতে, হাবুল সেন সেই-যে পরশু থেকে বালিগঞ্জে বড়দির বাড়ি গিয়ে বসে রয়েছে–এখনও ফেরবার নাম করছে না। পুজোর ছুটির দিনগুলোতে ভারি একা পড়ে গেছি আমি।

    চলো হে পেলারাম, রাস্তায় দেঁড়িয়ে হাঁ করে থেকে আর কী করবে?–ঘোড়ামামা আবার ডাকলেন। ভাবলুম, এসপার-ওসপার যা হোক একটা হয়েই যাক। বলা তো যায় না–জুটেও যেতে পারে একটা কাটলেট–চানস নিয়ে দেখাই যাক না। আজ তো আর রাস্তায় রাস্তায় কুড়িয়ে বেড়াতে হবে না, ভয় কিসের?

    ঘোড়ামামার সঙ্গেই গেলুম।

    একতলা-দোতলায় ভাড়াটে, ঘোড়ামামা তেতলায় একটা ঘর আর একটুকরো বারান্দা নিয়ে থাকেন। সেই ঘরের দিকে তাকিয়েই আমার প্রায় দমবন্ধ হয়ে এল।

    কী নেই সেখানে?

    সারা কলকাতার যত ফেলে-দেওয়া! যত কাগজের বাক্স, কাঠের টুকরো, ক্ষয়ে-যাওয়া দাঁতের বুরুশ, ছেঁড়া জুতো, মরচে-পড়া পেরেক, এখানে উৎকৃষ্ট চিড়া পাওয়া যায়, পাগলের মহৌষধ–কিছুই আর বাকি নেই। আর স্তুপাকার কাগজের টুকরো তো আছেই, যত কাগজ কুড়নের অন্ন মেরে দিয়েছেন ঘোড়ামামা। তাকিয়েই সমস্ত মনটা আঁতকে উঠল–যেন সারা গায়ে একজিমা কুটকুট করছে, এইরকম বোধ হল আমার।

    বললুম, ঘোড়া—

    ঘোড়া? ঘোড়া কী?

    জিভ কেটে বললুম, সরি, মামা। আমি বলছিলুম কি মামা, আপনার ওই ঘরে বসে কাটলেট খাওয়া চলবে না। ঘরটা কী বলে ইয়ে, বিষম নোংরা।

    নোংরা!–ঘোড়ামামা ভীষণ আশ্চর্য হয়ে গেলেন : তুমি কী বলছ হে পেলারাম। ওই ঘরে যা জিনিস আছে তা দিয়ে আমি দেড় পাটি জুতো বানাতে পারি, ছটা ঘুড়ি তৈরি করতে পারি, টিনের কৌটোয় হাতল লাগিয়ে পাঁচটা মগ বানাতে পারি–

    আমি বললুম, থাক, থাক। জুতো, ঘুড়ি কিংবা টিনের মগে আমার দরকার নেই। আমি জানতে চাই-কাটলেট কোথায়! আর সেটা আপনার ওই ঘরেই আছে কি না–মানে রাস্তা থেকে পচা-টা একটা কুড়িয়ে এসেছেন কি না।

    পোচা? রাস্তার পোচা কাটলেট!–ঘোড়ামামা যেন ভীষণ ব্যথা পেলেন আবার– তুমি কি আমায় এতই ছোটলোক ভাবলে পেলারাম! তোমার জন্যে কাটলেট আসবে পাড়ার দি গ্রেট আবার খাবো রেস্টুরেন্ট থেকে–গরম-গরম–প্রাণকাড়া

    শুনতে-শুনতে আমার রোমাঞ্চ হল–চোখের সামনে ঝিলিক দিয়ে গেল দি গ্রেট আবার খাবো রেস্তোরাঁর একজোড়া গরম কাটলেট। এমন যে ঘোড়ামামা–যাঁর গাল ভর্তি ঝব্বু দাড়ি আর মুখভর্তি কাঁটাল-বিচির মত দাঁত, যিনি মাসে একবারও স্নান করেন কি না সন্দেহ, দশ হাত দূর থেকেও যাঁর গায়ের চিমসে গন্ধ পাওয়া যায়; ইচ্ছে করল, দুহাতে জাপটে ধরি তাঁকে।

    বললুম, ঘো–আই মিন মামা, আর দেরি কেন তা হলে? আপনাকে আর কষ্ট করতে হবে না–টাকা দিন, আমি এক্ষুনি, দুটো গরম কাটলেট খেয়ে আসব কথা দিচ্ছি আপনাকে। যাকে বলে, ওয়ার্ড অব অনার। ঘোড়ামামা হাসলেন।

    আহা-হা, ব্যস্ত কেন পেলারাম? এসবে-এসবে, কেটলেট এসবে। কিন্তু কেটলেট খাওয়ার জন্যে রেডি হতে হবে না? খেলেই হল?

    রেডি? রেডি আবার কী?–আমি উৎসাহিত হয়ে বললুম, রেডি তো আমি হয়েই রয়েছি। কাটলেট খেতে আমি ভীষণ ভালবাসি, ক্যাবলার জন্যে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দারুণ খিদেও পেয়েছে–পেলেই তক্ষুনি খেয়ে ফেলব–আপনি দেখে নেবেন।

    আহা, সে তো দেখবই–ঘোড়ামামা আবার একমুখ দাড়ি নিয়ে হাসলেন : তার আগে একটু হাত লাগাও।

    কিসে হাত লাগাব?

    কেটলেটের জন্যে।

    কাটলেট পেলে তক্ষুনি হাত লাগাব। এক সেকেন্ডের মধ্যেই।

    দেখো, পেলারাম, একটু কোষ্টো করতে হয়, নইলে কি আর কিষ্টো মিলে? কেটলেটের জন্যেও একটু পরিশ্রম করতে হবে বই কি।–বলতে বলতে ঘোড়ামামা ঘরের ভেতর থেকে ঘড়ঘড় করে একটা পুরনো ইজিচেয়ারের ফ্রেম টেনে আনলেন :এসো, আগে এটাকে মেনেজ করি।

    এ আবার কী? এটাকে কোথায় পেলেন?

    মুখুজ্যেদের বাড়ির পেছনে–আস্তাকুঁড়ে।

    আরে রাম রাম!–আমি নাক সিঁটকে বললুম, আপনি যে কী-একটা ঘো–আই মিন মামা–যেখান-সেখান থেকে যা-তা কুড়িয়ে আনেন।

    যা-তা? যা-তা হল এটা? পুরনো কাঠ, ভারি পোক্ত জিনিস। মুখুজ্যেদের আর কী–বড়লোক, যখন যা-খুশি ফেলে দিলেই হল। কিন্তু এ-দিয়ে যখন আমি একটা ফেসটো ক্লেস ইজিচেয়ার বানাব, তখন ওই কোট-পেন্টুল-পরা ছোট মুখুজ্যেও হাঁ করে থাকবে। বুঝবে, কী জিনিস তারা ফেলে দিয়েছে।

    আমি অধৈর্য হয়ে বললুম, কিন্তু কাটলেট?

    আঃ–কেটলেট কাটলেট করে তুমি যে খেপে গেলে পেলারাম–ঘোড়ামামা ঘর থেকে এবার কতগুলো ভাঙা ছাতার কালো কালো, কাপড়, রাস্তায় কুড়িয়ে-পাওয়া গিট-মারা কতটা টোয়াইন সুতো আর দুটো মরচে-পড়া চট-সেলাইয়ের ছুঁচ বের করে আনলেন এসো–আগে চেয়ারটাকে বেনিয়ে ফেলি। চেয়ার হয়ে গেলেই কেটলেট বুঝেছ?

    বুঝেছি গোঁজ হয়ে জবাব দিলুম আমি। অর্থাৎ আমাকে আদর করে কাটলেট খাওয়াবেন, খামকাই খাওয়াবেন–এমন পাত্তর ঘোড়ামামা নন। তার আগে, এই নড়বড়ে একটা বিচ্ছিরি ফ্রেমে এইসব ফুটোফাটা ছাতার কাপড় সেলাই করে, তাঁকে ইজিচেয়ার বানিয়ে দিতে হবে! কাটলেট হল তারই পারিশ্রমিক।

    ঘোড়ামামা বললেন, তোমায় বেশি কোষ্টো করতে হবে না। দুটো পেরেক ঠুকতে হবে, একটু সিলাই করতে হবে আমার সঙ্গে ব্যস

    সেলাই? বিরক্ত হয়ে বললুম, আমি কোনওদিন সেলাই করেছি নাকি? আমি কি দর্জি?

    আহা–চটো কেনো পেলারাম। তুমি দর্জি হবে কেনো? কিন্তু সব কাজ তো শিখতে হয়–যাকে বলে সেলেফ-হেলেপ!–এসো, লেগে যাও।

    কী আর করা–জোড়া কাটলেটের আশায় আমি লেগে গেলুম। ঠিক কথা–বিনা খাটনিতে কে আর কাকে খেতে দেয়। মনে-মনে বললুম, প্যালারাম–জাগো, রাগো এবং লাগো। তারপরে নিজের শ্রমের অন্ন–অর্থাৎ কিনা কাটলেট-খুশি হয়ে খাও।

    ছেঁড়া ছাতার কাপড় দুভাঁজ করে সেলাই করা–চারটিখানি কথা নাকি! তার ওপর আবার ঘোড়ামামার গজগজানি।

    আঁ–উঃ, কী হচ্ছে! অমনি করে সিলাই করে নাকি? ও তো এক্ষুনি খুলে যাবে।

    ঘোঁ-ঘোঁ করে বললুম, আমি তো আর দর্জি না।

    আরে দর্জি না হলে কী হয়–হেলেপ, সেলেফ-হেলেপ! এই এমনিভাবে পোটাপোট—

    পোটাপোট মানে পটাপট সেলাই করতে গিয়ে খুচ করে ছুঁচের ডগা বিধে গেল বুড়ো আঙুলে।

    উরেব্বাপ বলে আমি চেঁচিয়ে উঠলুম।

    দেখো একবার কেণ্ডো (মানে, কাণ্ড)! আমি কি তোমায় আঙুল সেলাই করতে বলেছি নাকি? বিরক্ত হয়ে ঘোড়ামামা জানতে চাইলেন।

    একত্কিউজ মি ঘোড়া–মানে মামা, আমি আর সেলাই করতে পারব না–বিদ্রোহ করে এবারে আমি বললুম, যথেষ্ট খেটেছি, এবার টাকা দিন, কাটলেট খেয়ে আসি।

    অ্যাঃ, কেটলেট-কেটলেট করে এ পাগল হয়ে যাবে দেখছি।–ঘোড়ামামা আমার পিঠে হাত বুলিয়ে দিয়ে বললেন, আর একটু–এই একটুখানি। তা হলেই কেটলেট রেডি হয়ে যাবে।

    আরও আধ ঘণ্টা ধস্তাধস্তি করে, আরও একবার আঙুলে ছুঁচ ফুটিয়ে, সেই অত্যাশ্চর্য ইজিচেয়ার সেলাই শেষ হল। তখন আমি বেদম হয়ে বসে পড়েছি। আঙুল টনটন করছে, ঘাড় ব্যথা করছে, সারা গা বেয়ে টপটপ করে ঘাম পড়ছে। সেই অবস্থায় আমি বললুম, কাটলেট?

    ঘোড়ামামা হেসে বললেন, হেঁ, কেটলেট। ইজিচেয়ারে বসে কেটলেট খেতে হয়। কিন্তু কেটলেট রাখার জন্যে তো একটা টিবিল চাই। সেই টিবিল বানাতে হবে। পেলারাম, কাল থেকে রাস্তায় আমরা টিবিলের কাঠ খুঁজব। তুমিও আমার সঙ্গে সঙ্গে খুঁজবে–কেমোন? ধরো, এক বছর, দেড় বছরের মধ্যে টিবিলের কাঠ হয়ে যাবে। তারপর টিবিল তৈরি হলে—

    আমি খেপে গিয়ে বললুম, থামুন–থামুন। তারপর ভাঙা প্লেটের টুকরো যোগাড় করে করে, পুটিং জুড়ে ছমাস পরে প্লেট তৈরি হবে, ভাঙা কাঁচ কুড়িয়ে আরও ছমাস পরে গ্লাস—

    হেঁ-হেঁ পেলারাম, মিথ্যে চেঁচাচ্ছ কেন? কেটলেট খাওয়া কি সোজা বেপার? ধৈর্য ধরতে হয়, কত এরেনজমেন্ট করতে হয় তার জন্যে। দু বছর, তিন বছর, চার বছর–যতদিন বাদেই হোক, কেটলেট তোমায় আমি খাওয়াবই। তবে কিনা, তুমিও একটু হেলেপ করবে বুঝেচ না? এই বছর দু-তিন আমার সঙ্গে রাস্তায় একটু কুড়বে ব্যস, তার পরেই গরমাগরম কেটলেট। হেঁঃ-হেঁঃ-হেঁঃ

    বলে, দিলখোলা হাসি হেসে ঘোড়ামামা সেই ইজিচেয়ারে বসে পড়লেন। এবং এবং সেই রদ্দিমাকা ছাতার কাপড়, পুরনো রাস্তায় ফ্রেম, আর আমার অনবদ্য সেলাই!!

    ফড়-ফড়-ফড়ড়াৎ! খটাং!

    ভাঙা ইজিচেয়ারের ফ্রেমের মধ্যে চার হাত-পা তুলে চেঁচাতে লাগলেন ঘোড়ামামা : বেজায় আটকে গিয়েছি পেলারাম-টেনে তোলো-টেনে তোলোনা

    এবার আমি স্পষ্ট গলায় বললুম, না ঘোড়ামামা, না। টেনে আমি তুলব না। আপনি ওর মধ্যে হাত-পা ছুঁড়তে থাকুন–ছুঁড়তেই থাকুন। ছুঁড়তে ছুঁড়তে এক মাস, দুমাস, তিনমাস পরে আস্তে-আস্তে আপনার হাত দুটো ডানা হয়ে যাবে। তারপর আপনি আকাশে ফ্রেমসুদ্ধ উড়তে থাকবেন, উড়তেই থাকবেন, তারপর আরও দু-তিন বছর রোদে-জলে বৃষ্টিতে পুড়ে–ফ্রেমটা খসে পড়ে যাবে, তখন আপনি ফ্রি। ইজিচেয়ারের ফ্রেম থেকে বেরুনো কি সোজা কথা ঘোড়ামামা? কত ধৈর্য ধরতে হয়, কত এরেনজমেন্ট করতে হয়–কোষ্টো না করলে কি আর কিষ্টো মিলে?

    এই বলে–একলাফে আমি রাস্তায় নেমে পড়লুম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছোটগল্প – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article কাঁটায়-কাঁটায় ৪ – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

    ছোটগল্প – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

    September 2, 2025
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

    টেনিদা সমগ্র – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

    September 2, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }