Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সমুদ্র-যাত্রা – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প230 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সমুদ্র-যাত্রা – ১২

    ১২

    এত বড় জঙ্গল, এত ঘন নিবিড় কিন্তু আমি আর দেখিনি। দেখেছি ঝাড়গ্রামের কাছে কোঁকড়াঝোড় কিন্তু এরকম গহিন নয়। লম্বা লম্বা গাছ। কী এগুলো? শাল না কি? কিন্তু অনেক ধরনের গাছ আছে। লম্বাই, কিন্তু একরকম নয়। গাঢ় সবুজ প্রায় কালচে পাতা, আবার কিছুটা হালকা সবুজ। হাঁটতে হাঁটতে পথের সামনে আড়াআড়ি পড়ে থাকে গাছের ভাঙা ডাল, পায়ের ধাক্কায় সরিয়ে ফেলি, ঝোপ ঝাড়ে নিশ্ছিদ্র হয়ে যায় পথ। একটু এদিক—ওদিক দেখে টপকে পেরিয়ে যাই ঝোপ। সড়সড় করে চলে যাচ্ছে ওটা কী সাপ? এ রকমের সাপের কথা আমি জানি না। ঘোর বাদামি রং, বেশ কাছির মতো মোটা। আলো পিছলোচ্ছে এমন মসৃণ গা। কোথা থেকেই বা এই আলো আসছে? তারপর বুঝি, সাপটা, সাপটার ভেতর থেকেই আসছে আলোটা। আলোর সাপ। বিজ্ঞানীরা তো বলেন সাপের মাথার মণি—টনি সব বাজে কথা। কিন্তু এটার কী ব্যাখ্যা দেবো? কোনও অভ্যন্তরীণ মণি থেকেই এ—আলো যদি বেরোয়। পৃথিবীতে কত আশ্চর্যই তো আছে! না হয় একটা বাড়লই। মনে মনে নোট করতে থাকি কী লিখব, এটা নিয়ে একটা অন্তত প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ লেখা উচিত। ইতিমধ্যে সাপটা আমার খুব কাছে চলে এসেছে, খেয়াল করিনি। ফণা তুলে দাঁড়িয়েছে। ফণাও আছে তা হলে? ফণার ওপর ধ্বধবে সাদা সব চিহ্ন, কী সুন্দর প্রাণী! আমার ভয় করছে না কেন। আমার কি ভয়ও নেই? সাপটা আমাকে জড়িয়ে জড়িয়ে উঠছে। কেমন ভয় না পাও দেখি! একেবারে গলার কাছে চলে এসেছে, আমি প্রাণপণে টেনে তাকে নামাবার চেষ্টা করছি। পারছি না। তারপর গলাটা বুজে আসতে লাগল, আমি একটা ঝটকা মারলুম। আইলের সিট আমার, পাশে এক ভদ্রলোক নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছিলেন, আমি বোধহয় ঝটকাটা সত্যি মেরেছি। ঘুমে লালা চোখ আড় নয়নে দেখছেন। ঝটকাটা আমি মেরেছি না উনি নিজেই নিজেকে মেরেছেন স্থির করতে পারছেন না।

    আমি বলি—স্যরি, ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে কী করেছি…

    খুব বিরক্ত চোখে উনি অন্যদিকে চাইলেন। আমাদের তিনটে সিট মাঝখানে দীপারটা ওদিকে, বাঁয়ের প্রথম। ও বেচারি এই সিটটা ভদ্রলোকের কাছ থেকে চেয়ে ছিল। উনি বলেছিলেন—স্যরি, আই কানট ওবলাইজ ইউ।

    আমার বেশ হাসি পেল। দীপার কথা শুনলে এই ঝটকাটা ওঁকে খেতে হত না। দীপাই খেত। খুব বেঁচে গেছে মেয়েটা, ভদ্রলোক এখনও গালে হাত বুলোচ্ছেন। ঝটকা খেলে দীপা আমার যা খোয়ার করত। আমিও সে হিসেবে বেঁচে গেছি।

    হোটেলে নিজের নিজের ঘরে গিয়ে স্যুটকেস রাখি, টয়লেট যাই, মুখ হাত ধুই, এ বার এখান থেকে সোজা কনফারেন্স—রুমে। এই হোটেলেরই দোতলায় কনফারেন্স—রুম। দেখি দীপা পাশের ঘর থেকে একইসঙ্গে বেরোলো কিন্তু পোশাক আমূল পাল্টে গেছে। এসেছিল সালোয়ার কামিজ পরে, এখন একটা একরঙা সিল্কের শাড়ি পরেছে। একটু বোধহয় প্রসাধনও করে নিয়েছে। খুব সুন্দর একটা গন্ধ বেরোচ্ছে। আমার দিকে তাকিয়ে বলল—ড্রেসটা ঠিকই আছে। কোনও ওডিকলোন কি আফটার—শেভ মাখো না?

     

     

    —নাঃ।

    —কেন? শেভ করে কী লাগাও তা হলে?

    —অ্যালাম। ফটকিরি।

    —এখানেও এনেছ? হেসে ফেলল দীপা।

    —নিশ্চয়ই, কখন কী ইনফেকশন লেগে যায়, রক্তটক্ত পড়লে বন্ধও তো করতে হবে।

    দীপা বলল—দাঁড়াও, আগে একবার গ্রাউন্ডে চলো তো।

    —কেন?

    —চলোই না।

     

     

    গ্রাউন্ড মানে বেসমেন্ট। প্রচুর আলো, ঝলমলে সব দোকান। দীপা চট করে একটা দোকান থেকে এক বোতল কিছু কিনল। বাইরে এসে স্প্রে করে দিল আমার গলায়। হাতের কবজিতে। বলল—শার্টটা একটু ফাঁক করো।

    যা ইচ্ছে করুক বাবা, আমি শার্টের ওপর বোতাম খুলি।

    ও গেঞ্জির ওপর স্প্রে করে দেয়,—কেমন গন্ধটা?

    —চমৎকার, থ্যাংকিউ। তোমাকেও তবে কিছু কিনে দিই একটা?

    —পরে। এখন দেরি হয়ে যাচ্ছে।

    ঠিক কনফারেন্স নয়। ওয়ার্কশপ ব্যাপারটা। অন্তত ছ—সাতটা রাজ্যের প্রতিনিধি এসেছে। দুটো বক্তৃতা—একটা তার মধ্যে বেশ ক্লান্তিকর। তারপর দলে দলে বিভক্ত হয়ে আমরা আলোচনায় বসলুম, লাঞ্চের পর, প্রত্যেক গ্রুপের আলোচনা সংক্ষিপ্তসার শোনা হবে।

     

     

    খানিকটা ওয়ার্কশপের সময়ে, খানিকটা লাঞ্চেও অন্তত সাত—আটজনের সঙ্গে রীতিমতো ভাব জমিয়ে ফেলল দীপা। ও ছাড়া আর একজনই মেয়ে। মহিলা। খুব সম্ভব দিল্লির হবেন, পাঞ্জাবি। ইনি পরের দিন বক্তৃতা দেবেন। একটু বয়স্ক। রাশভারী এই মহিলা তাঁর পরিচিতদের সঙ্গেই কথা বলছিলেন। দীপা তারই মধ্যে ফাঁক খুঁজে ওঁর সঙ্গে পরিচিত হয়ে এল। হাতে খাবারের প্লেট। অন্য হাতে ফর্ক, দেখি রাশি রাশি কথা বলছে। উনিও বলছেন। চোখে বেশ আগ্রহ। পারেও।

    সেদিনের কাজ শেষ হবার পর, দীপা প্রস্তাব দিল, বেড়াতে যেতে হবে। ঠিক আছে বাবা।

    একটা ট্যাক্সি নিয়ে আমরা যাই মেরিন ড্রাইভ। চৌপাটিতে খাই। তখন এলিফ্যান্টা থেকে টুরিস্টরা ফিরে আসছে। একটার পর একটা বোট। স্বল্প তরঙ্গ এই সাগর, ফিরতি বোটের ফুটকি, একটু সাদাটে আকাশ, এখনও যথেষ্ট আলো। পুরো দৃশ্যটাই আমায় একটা শান্ত, স্থির নীরবতায় নিয়ে যায়। মাথার মধ্যে একটা আলো জ্বলছে, স্নিগ্ধ প্রদীপের মতো, ক্রমশ সন্ধ্যা হয় আর তিন দিকে হিরে জহরতের জৌলুসে জোড়া বম্বে শহর জেগে ওঠে।

     

     

    —কী হল সমুদ্র, ধ্যানস্থ হয়ে গেলে না কি?

    সত্যিই উদ্ভট আমার এই নীরবতা। পাশে একটি মেয়ে, এত আগ্রহ করে আমাকে বেড়াতে নিয়ে এসেছে। আর আমি চুপ। জেগে জেগেই যেন ঘুমোই মাঝে মাঝে।

    —ভাল লাগছিল খুব। জাস্ট চুপ করে ভাল লাগাটা এনজয় করছিলুম। তুমি কিছু মনে করলে?

    —বেশ কিছুদিন ধরে তোমাকে স্টাডি না করলে মনে করতুম।

    —স্টাডি?

    —ইয়েস। আচ্ছা সমুদ্র তুমি কি মানে যোগটোগ করো?

    —যোগব্যায়াম আমি নিয়মিত করি। সকালে চা আর খবরের কাগজের মতো যোগব্যায়ামটাও আমার অভ্যাস।

     

     

    —সেইজন্যেই তোমার স্বাস্থ্য এত ভাল, টাচ উড, আর কী বলব—চেহারার একটা গ্লো আছে। কিন্তু আমি ব্যায়ামের কথা বলিনি। যোগ, মানে ধ্যান প্রাণায়াম, এ সবের কথা বলছি।

    —তুমি জানো না ধ্যান প্রাণায়ামও যোগাসনের একটা অঙ্গ। তাদের অবশ্য শাস্ত্রটাস্ত্রর ছোঁয়াচ বাঁচাতে বলা হয় মেডিটেশন, ব্রিদিং একসারসাইজ।

    দীপা হাসল—তুমি কি খুব শাস্ত্র মানো? দীক্ষা—টিক্ষা নিয়ে ফেলেছ না কি?

    —না তো? আমি অবাক হয়ে বলি। কেন না আমাদের বাড়ির ত্রিসীমায় কোনও দীক্ষা জাতীয় ব্যাপার নেই। দাদু অশীতিপর মারা গেলেন, ঘরে অবশ্যই কিছু মহাপুরুষের ফটো ঝুলত। শ্রীরামকৃষ্ণ, স্বামী বিবেকানন্দ, শ্রীঅরবিন্দ, সুভাষচন্দ্র এবং রবীন্দ্রনাথ। অর্থাৎ শুধু আধ্যাত্মিক নয়, অন্য ক্ষেত্রেরও মহামানবদের। কিন্তু দীক্ষা নিয়েছেন বলে কখনও শুনিনি। দিদারা বালগোপাল, লক্ষ্মী, কালী সব পুজো করতেন। তাঁরা কোনও গুরুর কথা কখনও বলেননি। কিন্তু জপ করতেন। দীক্ষা ছাড়া কি কেউ জপ করে? জানি না। বাবার তো কথাই নেই। মাকেও আমি কখনও ভাঁড়ার ঘরের তাকে রাধাকৃষ্ণর মূর্তিকে ফুল জল দেওয়া ছাড়া অন্য কিছু করতে দেখিনি। তবুও শপথ করে কিন্তু বলতে পারব না—এঁদের আধ্যাত্মিক মত কী। সত্যিই কারও বা কোনও পথের অনুসরণ করেন কি না। কী আশ্চর্য! নিজের পরিবার সম্পর্কে কত কম জানি আমি। আমার বোধহয় লজ্জা হওয়া উচিত।

     

     

    —কীসে তোমার মনে হল?

    —তোমাকে কী রকম আনরিয়্যাল বলে মনে হয় সমুদ্র।

    —আনরিয়্যাল? —কথাটা আমার মনের মধ্যে একটা টইটম্বুর জলাশয়ে যেন ঢিলের মতো পড়ল, চারদিক ঘিরে বৃত্ত রচনা হতে লাগল। বৃত্তে বৃত্তে আলোড়ন…আনরিয়্যাল… আনরিয়্যাল…ঠিক এই শব্দটাই আমাকে মাঝে মাঝে ছুঁয়ে যায়। চারদিকে যা দেখছি, যা শুনছি, যা শিখছি সবই যেন অবাস্তব। কখনও বাস্তব, কখনও অবাস্তব। বেশির ভাগ সময়েই একটা বায়বীয় শূন্য পেরিয়ে আমি এখানে পৌঁছই। এটা আমাকে কখনও কখনও মৃদু ভাবিয়েছে। কিন্তু আমি জলজ্যান্ত মানুষটা…আমি কী করে অবাস্তব বলে প্রতিভাত হতে পারি কারও চোখে?

    —আমাকে তোমার ভূত—টুত মনে হয় না কি?—হাসবার চেষ্টা করে বলি।

    —না, ঠিক তা নয়, দীপা এখন খুব গম্ভীর—কেমন যেন মনে হয় তুমি…তোমার সঙ্গে কিছুর কোনও যোগ নেই। যে—কোনও জায়গা থেকে তুমি হঠাৎ কর্পূরের মতো উবে যেতে পার। কংক্রিট নয় একেবারে। অথচ তুমি খুব র‌্যাশনাল, এফিশিয়েন্ট, ভদ্র…এনিওয়ে ছাড়ো, আজ প্লেনে ওই ভদ্রলোক আর তোমার মধ্যে ছোটখাটো একটা কী যেন হয়ে গেল? কী?

     

     

    —আরে আর বোলো না, আমি ফিরে আসি অন্য মেজাজে—ঘুমিয়ে পড়েছিলুম। উনিও। উনিও অঘোরে ঘুমোচ্ছিলেন। একটা দুঃস্বপ্ন দেখে ঝটকা দিয়েছি। সেটাতে ভদ্রলোকের খুব লেগেছে।

    —হঠাৎ দুঃস্বপ্ন? তোমাকে তো দুঃস্বপ্ন দেখার লোক বলে মনে হয় না।

    —দুঃস্বপ্ন দেখারও আবার লোক আছে না কি? হাসালে দীপা, দুঃস্বপ্ন সবাই কোনও না কোনও সময়ে দেখে। তুমি আমাকে কী ভাবো বলো তো? কোনদিন বলবে তোমাকে তো খিদে—টিদে পাওয়ার, ঘুম—টুম পাওয়ার লোক বলে মনে হয় না।

    দীপা হাসল। —খিদে তোমার শারীরিক নিয়মে পায় ঠিকই। কিন্তু আমার মনে হয় না কোনও বিশেষ চাহিদা তোমার আছে খাবার—দাবার বিষয়ে। তা ছাড়া দেখো স্বপ্ন লোকে দেখে, মনের ভেতরে কোনও অবদমিত ভয়, চিন্তা, আকাঙ্ক্ষা যদি থাকে। তুমি বিগতস্পৃহ টাইপ। তোমার ভয়, আকাঙ্ক্ষা কিছুই আছে বলে মনে হয় না। এনিওয়ে কী স্বপ্ন দেখলে?

     

     

    —সাপ। একটা বাদামি রঙের অদ্ভুত চকচকে সাপ আমাকে পেঁচিয়ে ধরছে। গলার কাছটায় আসতে দমবন্ধ লাগল। ঝটকাটা তখনই মারি।

    দীপা সমুদ্রের দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইল। মুখে কথা নেই। আমি বলি—সাপের স্বপ্ন দেখলে বংশবৃদ্ধি হয় শুনেছি, আমার দাদা দিল্লিতে, বিয়ে থা করেছে। নিশ্চয় আমাদের একটি বংশধরের শুভাগমন হচ্ছে এবার।

    দীপা আমার দিকে তাকাল—এই সব কুসংস্কারে তুমি বিশ্বাস করো?

    আমি ঠোঁট ওলটাই—বিশ্বাস—অবিশ্বাসের কথা কে বলছে? লোকে বলে, বিশ্বাসটা তাদের অনেক যুগের, আমার বিশ্বাস—অবিশ্বাসে কী আসে যায়? তা ছাড়া স্বপ্নের আর মানে কী?

    দীপা আমার দিকে তাকাল, বলল—স্বপ্নের কিন্তু মানে থাকে সমুদ্র। তোমার স্বপ্নেরও মানে আছে। সাপের স্বপ্ন আরও দেখেছ না কি? প্রায়ই দেখো।

     

     

    ভেবে দেখলুম—হ্যাঁ তা দেখি। দেখি বটে। বলি কথাটা ওকে।

    এ একটু লালচে মুখে চাইল—কিছু মনে করবে না তো?

    —কেন? মনে করব কেন?

    —ইউ নিড এ উওম্যান।

    —হঠাৎ? একটু চুপ করে থেকে, লাল হয়ে আমিও জিজ্ঞেস করি।

    —হঠাৎ নয়। ওই স্বপ্নটার ব্যাখ্যা দিলুম। সাপের মনস্তাত্ত্বিক একটা মানে আছে, প্রতীক, মেল সেক্স।

    অনেকক্ষণ দুজনে চুপ করে বসে থাকি। মনের ভেতরে বহু কথা ঘুরতে থাকে। এঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সেই দিনগুলো, যখন হঠাৎ বন্ধুদের সঙ্গে খারাপ পাড়ায় গিয়েছিলুম। দাদু বললেন—’তুমি বড় হয়ে গেছ।’

     

     

    —তুমি কিছু মনে করবে না দীপা, আমিও একটা কথা বলি?

    —না, না মনে করব কেন? আই লাইক ফ্র্যাংকনেস।

    —মেয়েরা কি কখনও সাপের স্বপ্ন দেখে না? আমার বোন ফিনকি একদিন বলছিল—ছোড়দা, একটা কী ভয়ানক সাপের স্বপ্ন দেখেছি রে! তো? তুমিও কি দেখ না?

    —দেখি তো! তখনও তার মানে একই থাকে। মেল সেক্স সিম্বল। বেসিক ইনস্টিংক্ট।

    সাগরের জল এখন কালো। চারপাশের জড়োয়া আলো তার মধ্যে বিম্বিত হয়ে আছে স্থির। দূরে দাঁড়িয়ে আছে একটা ছোট জাহাজ। তার মাস্তুলে একটা আলো। হাওয়ায় তারা উড়ছে, চাঁদ উড়ছে, সেই ওড়ার ভাঙা ভাঙা ছবিও সাগরে। এই বিম্বরা তো সব সাগরেই। হঠাৎ দেখলে তো মনে হতেই পারে সবই আছে সাগরের ভেতরে। জল ভেদ করে উঠে আসছে আলো। শিশু হলে নিশ্চয় হাত বাড়াবে, চাঁদ ধরতে যাবে, ‘আয় চাঁদ আয় চাঁদ’ ছোটবেলা থেকে শুনেছে যে! সেই চাঁদকে হাতের এত কাছে পেয়ে ধরতে ঝাঁপ দিতে চাইবে না? অথচ সবই বিম্ব, সমস্ত আলো, সমস্ত রূপের অবস্থান অন্য কোনওখানে। কোনটা সত্যি? যদি আমি, আমরা সবাই, স—ব বিম্ব হই?

     

     

    —তোমার সেক্স—এক্সপিরিয়েন্স আছে? —দীপা পরিষ্কার গলায় জিজ্ঞেস করল। —উত্তর দিতে আমি তোমায় জোর করছি না। বেশির ভাগ পুরুষেরই থাকে তাই জিজ্ঞেস করছি।

    —আছে আবার নেইও।

    —সেটা কী রকম?

    তখন আমি আমার থার্ড ইয়ারের সেই অভিশপ্ত শনি রবির কথা ওকে বলি। কীভাবে নেশা সত্ত্বেও মেয়েটির উলঙ্গ দশা আমার মধ্যে বিবমিষা জাগিয়েছিল। মুহূর্তে চলে গিয়েছিল সব ক্ষুধা। সে যে কী কুৎসিত, কী কুৎসিত। গলিত কুষ্ঠের মতো, জঘন্য যৌনরোগের ক্ষতর মতো, অকথ্য আস্তাকুঁড়ের মতো।

    এ সব কথা আমি কাউকে কখনও বলিনি। এমনকী পুলককেও না। শুধু পাপবোধে নয়, সত্যি—বন্ধু কেউ ছিল না বলে। সাক্ষী আছে মৃণাল। সাক্ষী আছে নৃপেশ। সেদিন নিষ্ঠুর ঠাট্টায় আমাকে ছিঁড়ে—খুঁড়ে দিয়েছিল। আমি ন্যাকা, আমি পুরুষত্বহীন, আমি সমকামী…আরও কী কী সব। সে সব কথা শুনলে পুলক খেপে যেত, পিটিয়ে ছাতু করে দিত ওদের। কিন্তু আমার তখন পেটের সমস্ত নাড়িভুঁড়ি বেরিয়ে আসার জোগাড়। আমি টলতে টলতে চলে আসি। পরে যখন ওরা সাহস দেয়, বলে প্রথমটা ও রকম লাগলেও পরে ঠিক হয়ে যাবে, আমি ওদের কীভাবে ঠান্ডা গলায় বলি—আমি নপুংসক, তোমরা আমাকে ফার্দার বিরক্ত করবে না।

    এই সমস্ত আমি বলি। দীপাকে।

    আর একটু রাত হলে বিচে হাঁটতে থাকি। দীপার সাদা—কলো সিল্ক শাড়ির সাদাগুলো ঝলকায়, কালোগুলো সাদার পটে ফুটে ওঠে। ওর ছোট ঢেউ খেলানো চুলের দোল দেখতে পাই। এগুলো আগে কখনও দেখিনি। অন্ধকারে ওর সাদা চৌকো গড়নের চোয়াল জেগে থাকে, চোখে মাঝে মাঝে আলো পড়ে, মাঝে মাঝে অন্ধকার। হাতের সোনার বালা সোনালি সরীসৃপের মতো ঘিরে থাকে মণিবন্ধ। আমার সাদা পাঞ্জাবি ওড়ে। রুমাল বার করে মুখ মুছি, হঠাৎ হাত থেকে রুমালটা উড়ে যায়। কোথায় কে জানে? চলতেই থাকি, চলতেই থাকি, কিছুক্ষণ পর পেছনে—সাব, সাব, মেমসাব, মেমসাব! ভেলপুরিওয়ালা আমার রুমাল দিয়ে যায়। তাতে ভিজে বালি আটকে আছে।

    ঘুম আসে না। যদি বা একটু আসে, মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যায়। নিশুত রাতেও বম্বের বহুতল হোটেলের সর্বোচ্চ তলায়ও রাস্তার আলো ঢুকে অন্ধকারকে পাতলা করে দেয়। রাত—আলো জ্বালবার দরকার হয় না। লাল কার্পেট এখন জমাট রক্তের মতো কালচে দেখায়। টেবিল—চেয়ার—কৌচ—সব আলোর উল্টোদিকে বস্তুপিণ্ডের শিলুয়েৎ। আমি টয়লেটে যাই, চান কি করব এই মাঝরাতে? সাদা মার্বেলের বাথ—টবটা আমার খুব লোভ দেখায়। ঠান্ডা জল, ঠান্ডা স্বচ্ছ, তলা অবধি দেখা যাবে। কোথাও কোনও রহস্য নেই। ডুবে থাকব, শীতল হয়ে যাবে কঠিন শরীর। যদি চান করতে করতে ডুবে থাকতে থাকতে ঘুমিয়ে পড়ি! যদি মাথাটা পিছলে জলের মধ্যে পড়ে যায়? জলের তলায় বিম্ব। অনেক আলো, অনেক শ্বেত—শুভ্র, অর্চিষ্মান, অনেক অবর্ণনীয় রূপ!

    স্টপার লাগিয়ে টবটা ভরতে দিই। অনেকটা সময়ে নেয়, কিন্তু ভরে যাওয়ার পরেও আমি তাতে পা ডোবাই না। খুব কৌতূহলের সঙ্গে দেখি। বিরাট টব। চমৎকার জল। তারপর হঠাৎ ফিরি। ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসি, চাবি দিই। একটা ঘর পরে দীপার ঘর। নক করি। সামান্য সময়, তার পরে দরজা খুলে যায়।

    রাত—পোশাক পরা কোনও মেয়ে আমি কখনও দেখিনি। অসাধারণ সুন্দর এই পোশাক। লেসে—লেসে ভরা, সেই এলিজাবেথীয় কিংবা ভিক্টোরীয় যুগের গাউন—টাউনের মতো। শুধু কোমরের কাছ থেকে ওই রকম কৃত্রিম ভাবে ছড়িয়ে যাওয়া নেই। কুঁচিতে কুঁচিতে কোমর ঘিরে বড় মোহন ভঙ্গিতে লুটিয়ে রয়েছে। দীপা আমার পেছনে দরজা বন্ধ করে দেয়।

    —দীপা আই নিড ইয়ু।

    —ইউ নিড আ উওম্যান সমুদ্র, আই টোল্ড ইউ। মনে হল ওর চোখে জল চকচক করছে।

    জল? না আলো! বুঝতে পারি না। জল ভেতর থেকে আসে, আলো বাইরে থেকে।

    জিজ্ঞেস করি—তফাতটা কী?

    —তফাত? তোমার কাছ থেকে এটা আশা করিনি।

    —আই মীন তুমি, তোমাকেই আমার বড্ড দরকার।

    —তুমি কি নিশ্চিত? না আজকের কথাবার্তার একটা ফল…

    —হতে পারে। কিন্তু ভেতরে তো ছিলই।

    —সমুদ্র, সাপ থাকে বাইরে…ভেতরে…ভেতরেরটাকে হয়তো বাইরেরটা উসকে দেয়। কথা…পরিবেশ…নির্জনতা এই সব সুযোগের অপেক্ষায় থাকে সে…। আমি হয়তো সেই সাপিনী, …এসব সময়ে মনে থাকে না,…শরীর শুধু শরীর থাকে।

    আমি অনভ্যস্ত আবেগে দৃঢ় থেকে বলি—আমি কখনও কোনও ভগবানকে ডাকিনি দীপা, কেন না কারও কাছে আমার কোনও প্রার্থনা ছিল না। আজ আজই একমাত্র আমার ভেতর থেকে প্রার্থনা উঠে আসছে, তোমার জন্য।

    দীপা দু’হাতে মুখ ঢাকল। আর আমার যে কী হয়ে গেল। আমি তার হাত সরিয়ে ঠোঁটে ঠোঁট রাখি। অসহ্য সুস্বাদ, তুলতুলে, আমার ভেতরটা যেন ক্রমে গলে যাচ্ছে। নিবিড়ভাবে জড়িয়ে ধরি তাকে বুকে। আমার স্ফীত পেশির ওপর তার তুলতুলে বুক এক দাহহীন জ্যোতির্ময় আগুন জ্বালায়। আমার ইস্পাত ক্রমাগত মহাসুখে মহাপ্রেমে ও মহা নিষ্ঠুরতায় আঘাত করতে থাকে তাকে যতক্ষণ না সে আমাকে পথ করে দেয়।

    আহ সমুদ্র আহ! আরও আরও ছিঁড়ে ফেলো আমাকে, ধ্বংস হয়ে যাই।

    ‘নক, নক নক’—ভোর—চায়ের জন্য ডাক এসেছে। জানে না এখানে দু’জন মানুষ খুন হয়ে গেছে। আমার বুকের ওপর শুয়ে ঘুমোচ্ছে সে। আস্তে জাগিয়ে দিই। জেগে সে ছেলেমানুষের চোখে চারদিকে তাকায়। তারপর লাফিয়ে নামে, কার্পেটে একটা বেড়াল লাফাবার হালকা শব্দ হয়। বড় বড় পা ফেলে দরজা খোলে সে, সামান্য—’চায় নহি চাইয়ে’, দরজা বন্ধ করে দেয়। তারপর ফিরে এসে ঝাঁপিয়ে পড়ে আমার বুকে, এবার আমি ভোরের আলোয় তার চোখ দেখি। নাক, কান, ঠোঁট, যাকে সমগ্রে পেয়েছিলুম তাকে খণ্ডে খণ্ডে পেতে চাই। নরম হাতে আদর করি, তার রাত পোশাকের ফাঁস খুলে দিই, তারপর ভোরের বিছানায় সেই বাদামি সর্পিণীকে দেখি। ভেতরের আলোয় ভাস্বর। ফণায় শুভ্র আলপনা। এক হাতে তার চিত্রিত ফণা আর এক হাতে তার উত্তেজক লেজ মুঠো করে ধরে আমি তার অমৃত ছোবল নিই, ফিরিয়ে দিই, বারবার, বারবার।

    রাতের ধরা ঠান্ডা জলে ডুব স্নান। মাথায় শ্যাম্পু। বাথসল্টের গভীর থেকে সুগন্ধ। কী সব ছোট ছোট বোতল। বডি লোশন। মেয়েরা মাখে, না কী? পুরুষ বোর্ডারের ঘরে মেয়েদের জিনিস রাখবে এমন দরের হোটেল তো এ নয়? ফাইভ—স্টার না হোক ফোর—স্টার। লোশনটা মেখে ফেলি। সুগন্ধ চারিয়ে যায়। খুব তাজা লাগে। গায়ে শার্ট চড়াই, ট্রাউজার্স। নাঃ টাই আমার আসে না। টাইটা বেশি পরে এগজিকিউটিভ ক্লাস। আমাদের কাজ করতে হয় ভাই। মোজা পরে জুতো গলাই, ফিতে বাঁধি। ঘরের দরজা বন্ধ করি। চাবিটা কাউন্টারে জমা দিই। সবটাই একটা ঘোরের মধ্যে। কনফারেন্স রুমে শেষ বক্তৃতা। তারপর এরাই হোটেল থেকে বন্দোবস্ত করে আমাদের কিছু সাইট—সিয়িং—এ নিয়ে যায়। সমুদ্রের মৃদু ঢেউয়ের মধ্যে দিয়ে পথ কেটে কেটে বোট এলিফ্যান্টা যায়। দাঁড়িয়ে থাকি ছ’ফুটের লম্বা সৃষ্টি—স্থিতি—প্রলয়ের দেবমূর্তির সামনে। সৃষ্টি হয়ে গেছে, স্থিতি চলছে, এবার প্রলয়ের অপেক্ষা।

    —সমুদ্র! —দীপা আস্তে করে ডাকল। এতক্ষণ ও দিল্লির সেই ভদ্রমহিলার সঙ্গে একটার পর একটা শিবমূর্তি দেখে বেড়াচ্ছিল। যেন ও প্রত্ন—গবেষক, শিবমূর্তির এক্সপার্ট।

    আমি মুখ ফিরিয়ে তাকাই—দেখো দীপা শিবমূর্তি! এত শিবমূর্তি। ইনি তো ধবংসের দেবতা, এঁকে লোকে শিবই বা বলে কেন, ভালই বা বাসে কেন? —আমি জিজ্ঞেস করি।

    দীপা আমার মুখের দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইল। তারপর বলল—স্যরি। আ অ্যাম স্যরি সমুদ্র।

    কেন এ কথা ও বলল আমার ভাল বোধগম্য হল না। ও কি মনে করছে ও আমাকে সিডিউস করেছে? আমার অনুতাপ হচ্ছে? উঁচু—নিচু পাহাড়ের গা টপকে টপকে নেমে আসতে থাকি। সব মূর্তি, পাহাড়, সমুদ্র, এতগুলো মানুষ, দূর থেকে ক্রমশ এগিয়ে আসা গেটওয়ে অব ইন্ডিয়া সমস্ত কেমন অবাস্তব লাগে। উজ্জ্বল হলুদ সালোয়ার কামিজ পরা ওই বিষণ্ণ কিন্তু তীব্র মেয়েটি কে? বোধহয় অলৌকিক।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৈত্রেয় জাতক – বাণী বসু – উপন্যাস
    Next Article রাধানগর – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }