Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সমুদ্র-যাত্রা – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প230 Mins Read0
    ⤶

    সমুদ্র-যাত্রা – ১৯

    ১৯

    ওঁদের বাড়িটাও আমার পিছু নেয়। বিরাট বাড়ি, আগেকার, একশ বছর তো হবেই। শক্ত ভিত, মোটা দেওয়াল, বড় বড় ঘর, আসবাব, যাদের বয়স সত্তর—আশি পেরিয়ে গেছে। অব্যবহারে মলিন, কিন্তু কাঠামোটা ঠিক আছে। একজন অশক্ত বৃদ্ধা আরেকজন এখনও পর্যন্ত সক্ষম বৃদ্ধ। অথচ, এই বাড়িটাকে উনি নতুন করে সারাচ্ছেন। কী উৎসাহ! বাইরেটা পুরো আস্তরণ ছাড়িয়ে নতুন করা হচ্ছে। ভেতরের কাজ সে ভাবে দেখিনি, কিন্তু হচ্ছে, হবে। ওইসব আসবাবপত্র নতুন করে পালিশ হবে, গদি কুশন পাল্টানো হবে। নতুন নতুন ওয়াড়। আলোর ব্যবস্থায় কিছু নতুন, কিছু পুরনো তো থাকবেই। বৈঠকখানার ক্রিস্ট্যালের ঝাড়বাতিটা কি ওঁরা পাল্টাবেন? কখনওই না। বাড়ি সারানোর রকম দেখেই মনে হচ্ছে এটাকে ওঁরা রক্ষা করবেন—হেরিটেজ বিল্ডিং—কিন্তু সেইসঙ্গে নতুন করে বাসযোগ্য। নতুন জীবন, নতুন আশা, নতুন উৎসাহ। অথচ দু’জনেই ষাট পেরিয়েছেন। একজন এখন জড়পিণ্ড প্রায়, উদ্ধারের আশা আছে কিনা জানি না। ডাক্তার তো নই! তারপরে বাড়িটা তো একটা ঐতিহাসিক বাড়িও বটে। সামান্য অর্থে কত জন্ম মৃত্যু বিবাহ কত জেনারেশন ধরে এ বাড়িতে ঘটে গেছে। আর অসামান্য অর্থে এক কালে এক ব্রিলিয়ান্ট ছেলের সমাধিভূমি, প্রেতভূমি এই বাড়ি। এখানেই কে জানে কী অসম্বন্ধ কারণে সে তার প্রেমিকাকে আক্রমণ করে। এবং সেই চোখ লাল মুখে—ফেনা—ওঠা পশ্চাৎপট জেনেও এই শক্ত বনেদের মহলে সানাই বেজে ওঠে।

    ফাইলপত্তর সামনে নিয়ে আবছা ভাবে এ সবই ভাবছিলুম। একশ বছরের পুরনো বাড়িও লোকে শেষ জীবনে সারাই—ঝালাই করে বসবাস করবার কথা ভাবে? ভাবছিলুম একজন দুর্ধর্ষ মেধাবী মানুষ শুধু বুদ্ধিচর্চা করছিল বলে উন্মাদ হয়ে গেল? মানসিক আঘাত বা দুর্ঘটনার প্রশ্ন যতক্ষণ ছিল, একটা ব্যাখ্যা ছিল। এখন যে দেবকুমারের সবটাই অর্থহীন হয়ে গেল! প্রকৃতি কি তবে চায় না মানুষ বুদ্ধিচর্চা করুক! নিজের সীমাকে ছাড়িয়ে যাবার চেষ্টা করুক! প্রকৃতি কি শুধু গতানুগতিকতাই পছন্দ করে! কতকাল ধরে, পৃথিবীর কত পরিবর্তন হয়ে গেল, পিঁপড়ে একভাবে সার বেঁধে চলেছে, খাদ্য—সংগ্রহ ও বণ্টন করছে, গরমে গর্ত থেকে বেরিয়ে আসছে। খাবারের টুকরো কিছু পড়ে থাকলে, যেন মাটি থেকে হাওয়া থেকে আবির্ভূত হচ্ছে। পিঁপড়েদের মধ্যে কোনও ফেইনম্যান, কি এনরিকো ফার্মি হবে না, দেবকুমার হবে না। আরশোলাদের মধ্যে আরশোলাদেরই মানদণ্ডে কোনও রবীন্দ্রনাথ হবে না। পরিবর্তন নেই। উদ্বর্তন নেই। টিকে আছে। কোনও মানে নেই কিন্তু যুগযুগান্ত ধরে টিকে আছে। অথচ যাদের টিকে থাকার মানে ছিল সেই রামানুজ শেষ। সেই দেবকুমার শেষ। দেবকুমার সাবান ঘষে ঘষে গেঞ্জি কাচছেন। নিজের বিছানা নিজেই ঝেড়ে নিতে শিখেছেন, এগুলো নিশ্চয়ই অ্যাসাইলামে তাঁকে অভ্যেস করিয়েছিল। আর হাইস্কুলের পাশকোর্স সায়েন্সের টেক্সট বই, অঙ্ক অনার্সের টেক্সট বই ঘাঁটছেন। এতদিন অনভ্যাসের পরেও যা তাঁর কাছে জলের মতো সোজা। নাকি সঞ্জীব সাহারায়ই একটা উপকথা বলে গেলেন? একজন কখন কী ভেবে অন্যের দিকে চলে যায় সে রহস্যই বা কে বুঝবে? স্থাবর বস্তু তো নয়!

     

    আরও দেখুন
    মুদিখানা
    জলে
    জল
    জলের
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    PDF বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা কৌতুক বই

     

    —সমুদ্র!

    মুখ তুলে তাকাই। সামনে মুকুলিকা, যাকে এখন আমরা সবাই—ই মুকুল বলে ডাকি।

    —কী ব্যাপার? কিছু অসুবিধে হয়েছে? বসো না!

    জয়ন্তী বা মুকুলের কোনও অসুবিধে হলে ওরা আমার কাছে আসে। ওদের অসুবিধে দূর করবার জায়গায় এখন আমি পৌঁছেছি।

    মুকুল বসল। ও যেমন পরে একটা হালকা হলুদ শাড়ি। মুখ দেখলে মনে হয় না এ মেয়েটি এঞ্জিনিয়ার। যেমন কোনও জড়তা বা আড়ষ্টতা নেই, তেমন বিশেষ লক্ষণীয় কোনও স্মার্টনেসও নেই, যা দীপার ছিল, জয়ন্তীর আছে।

    ফাইলটা ঠেলে সরিয়ে দিই।

    —বলো, ব্যাঙ্গালোরে এবার যেতে অসুবিধে আছে?

     

    আরও দেখুন
    জলের
    জলে
    মুদিখানা
    জল
    ডিকশনারি
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    স্বাস্থ্য টিপস
    বইয়ের
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল

     

    কোনও জবাব দিল না মুকুল। একটু পরে দেখি ওর চোখ দিয়ে জল পড়ছে, পড়েই যাচ্ছে, পড়েই যাচ্ছে, ও দু’একবার মোছবার চেষ্টা করল, তা—ও পড়তেই লাগল। মুখটা নিচু। আর জল মোছবার চেষ্টা ও করছে না, কালি শাড়ির ওপরাংশ ভিজে যাচ্ছে লোনা জলে।

    নির্বাক দু’জনে বসে আছি। আমি বুঝতে পেরেছি। কী যেন একটা উথলে উঠছে আমার বুকের মধ্যে। কী নিরুপায় ও! কত দীর্ঘদিন দুঃখ নিয়ে কাটিয়েছে, কতদিনের খরার পর এই বৃষ্টিপাত! কোনওদিন এ রকম অনুভূতি হয়নি আমার…এমন করুণা, যেন আমার শেকড় ধরে টান দিচ্ছে!

    —মুকুল। তুমি কি আমায় বিয়ে করতে রাজি আছ?

    অসহায় কান্নার মুখোমুখি এই কথাগুলোই আমার মুখ দিয়ে বেরিয়ে এল।

    কিছু ভাবিওনি।

     

    আরও দেখুন
    জলে
    মুদিখানা
    জলের
    জল
    বাইশে শ্রাবণ
    রেসিপি বই
    বইয়ের তালিকা
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা হস্তলিপি কুইল

     

    ও চুপ।

    —বলো কিছু বলো! এখনই কেউ এসে পড়তে পারে।

    তাড়াতাড়ি রুমাল ঠেকাল চোখে।

    —আমি আজই বাড়ি গিয়ে বলব। ধরো মাস দুই তিন! ঠিক আছে?

    টেবিলে পড়ে থাকা মুকুলের হাতদুটো তুলে নিয়ে ওর মুখের দিকে গভীর ভাবে চাই। চোখে চোখ মেলে না। ওর নিচু মুখটা লালে লাল হয়ে আছে।

    —তোমাকেও বাড়িতে বলতে হবে। আমি যাব। ঠিকানা, ফোন নম্বরটা কি দেবে?

    একটা কার্ড বার করে দেয় মুকুল। তারপর বলে—এগোবার আগে একটু কথা বলতে হবে। একটা সন্ধে দাও আমাকে। দেবে?

     

    আরও দেখুন
    মুদিখানা
    জল
    জলের
    জলে
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা বই
    বই
    বুক শেল্ফ

     

    মনে মনে বলি…জীবনের সব সন্ধ্যা তোমাকে দেবার আয়োজনই তো করছি! আবার কেন সন্ধ্যা চাও মুকুল? তুমি কি দীপার কথা কিছু জিজ্ঞেস করবে? ও কথা জানলে তুমি বড় কষ্ট পাবে, আর যদি জেনে ফেলে থাকো…

    —আমি জানি না কীভাবে…মুখে বললুম—ঠিক আছে। বলো কবে?

    —যদি শনিবার হয়? এই শনিবার? কোথায় গিয়ে একটু কথা বলা যায়?

    —আমি তো জানি না। যেখানেই যাই, বড় ভিড়। তুমি বলো। আমি চলে যাব।

    আজ এসেছি। লিন্ডসে স্ট্রিটের ও প্রান্তে ছোট লম্বা রেস্তরাঁ। সত্যিই খুব শুনশান। দু’একজন পান করছে, খাচ্ছে, নিচু গলায় কথা বলছে। উঠে চলে যাচ্ছে।

    আমি পৌঁছবার দশ মিনিট পরে মুকুল পৌঁছলো।

    আমার একটু সঙ্কোচ হচ্ছিল, কিন্তু ওকে ভাল করে দেখলুম। সাদার ওপর ছোট্ট ছোট্ট নীল নকশা, সাদা ব্লাউজ, সাদায় শ্যামবর্ণ কোনও যুবতীকে যে এত ভাল দেখাতে পারে আমার ধারণা ছিল না।

     

    আরও দেখুন
    জলের
    মুদিখানা
    জলে
    জল
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    লাইব্রেরি
    বইয়ের
    অনলাইন বুকস্টোর
    বইয়ের তালিকা
    ই-বই পড়ুন

     

    এতক্ষণ একটা নরম পানীয় নিয়ে বসেছিলুম। ও কী খাবে জিজ্ঞেস করি।

    —যা হোক কিছু।

    —যা হোক? কোনও বিশেষ পছন্দ নেই?

    —এখন ও সব ভাবতে পারছি না। ও মুখ নিচু করেই রয়েছে।

    —সমুদ্র!

    —বলো!

    —তুমি কোনও ভূমিকা ছাড়া হঠাৎ ও কথা বললে কেন?

    ও কি শুনতে চায় আমি বহুদিন থেকে ওকে ভালবেসে এসেছি! কথাটা তো সত্যি নয়। যার সঙ্গে জীবন বাঁধতে যাচ্ছি তাকে এমন মন—ভোলানো কথা বলব! না বললেও তো ও কষ্ট পাবে! একটু ভেবে বলি—

     

    আরও দেখুন
    জলে
    জল
    জলের
    মুদিখানা
    গল্প, কবিতা
    বুক শেল্ফ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য
    বই

     

    —মুকুল আমি নিজের সম্পর্কে খুব নিশ্চিত নই। প্র্যাকটিক্যাল কাজগুলো আমার আসে, সহজে করে যাই। যাকে তোমরা এফিশিয়েন্সি বলো। কিন্তু হৃদয় বা আবেগের ব্যাপারে আমার ভেতর থেকে একটা বাধা আছে। জানি না কেন। তোমাকে বরাবরই আমার খুব ভাল লাগে। কিন্তু তুমি সেদিন ওইভাবে ভেঙে পড়তেই আমি বুঝতে পারি আমাদের দু’জনের দু’জনকে দরকার।

    —সমুদ্র, তুমি জানো না এই রেস্তরাঁয় বসে আমরা মানে আমি, দীপা, জয়ন্তী তোমাকে নিয়ে কত আলোচনা করতাম। আমরা…তিনজনেই কিন্তু তোমাকে…। দীপার বিয়েটা স্থির ছিল। তাই হয়তো…জয়ন্তী এখনও…ও খুব দুঃখ পাবে।

    —মুকুল কেউ দুঃখ পাবে বলে তো আমি নিজেকে সবাইকার মধ্যে ভাগ করে দিতে পারি না। পারি?

    কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। তারপর বলল—জয়ন্তী তোমাকে আগে অ্যাপ্রোচ করলে কী করতে?

    —ব্যাপারটা হঠাৎ ঘটত নিশ্চয়। তখন জয়ন্তীর কাছে আমি ভাববার সময় চাইতুম। আর একটু সময়, আর একটু…। তাতেই জয়ন্তী বুঝে যেত। তা ছাড়া ওর সেন্স অব হিউমার আছে বেশ। তোমার মতো কান্নাকাটি করার পাত্র নয়।

     

    আরও দেখুন
    জলে
    জল
    মুদিখানা
    জলের
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    ডিজিটাল বই
    নতুন বই
    পিডিএফ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ

     

    একটু হাসল—তা হলে আমি ছিঁচকাঁদুনে বলেই…।

    আমি হেসে ওর হাতটা ধরে বলি—অত বিশ্লেষণ করতে নেই। আবেগ হল আবেগ। অনুভূতি হল অনুভূতি। কী হতে পারত আর কী হবে এ সবে আমাদের দরকার কী?

    ফিনকিকে দেখতে হয়। কী হাসি! কী লম্ফঝম্প।

    —একটা কাজের মতো কাজ এতদিনে করলি ছোড়দা। এর পরে আমারও একটা ভাল দেখে বিয়ে দিবি তো?

    —শিওর, আমি বলি, ওর গালে ঠোনা মারি। যদিও এসব আমার আসে না। বাবা খুশি। —ডেকে বললেন—তোমার সিদ্ধান্তে আমি নিশ্চিন্ত হলুম সমু। এটা আমাদের কর্তব্য ছিল, কিন্তু কখনও তোমাকে বলতে পারিনি। এমন একটা ডিসট্যান্ট ধরন তোমার! মেয়েটি সগোত্র নয় বলে আমাদের কোনও আপত্তি নেই। তোমাকে সংসারী দেখতে চাই। তারপরে ফিনির একটা…।

     

    আরও দেখুন
    জল
    জলে
    জলের
    মুদিখানা
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    নতুন বই
    ই-বই পড়ুন
    বই পড়ুন
    পিডিএফ
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার

     

    মা কিছু বললেন না। কিন্তু কয়েকদিন মায়ের ঘোরাফেরার একটা ছন্দ একটা প্রাণ এসেছে বুঝতে পারি।

    আষাঢ় মাসে দিন ঠিক হল। প্রায় প্রায়ই দেখি ফিনকি মুকুলের সঙ্গে ফোনে কথা বলছে। দু’জনে সময় ঠিক করে কেনাকাটা করতে বেরিয়ে যাচ্ছে। জেঠুও জানতে পারলেন। রাতে গুডনাইট করতে যাই প্রতিদিন। সেদিন বললেন—’সমু একটু বসো।’ একটু বসে ওঁর মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়া আমার অভ্যেস। একটু পরে বললেন—’সমু বড় ভাল ছেলে, বড় ভাল। ভাল হোক, সমুর ভাল হোক…’ ঘুম—জড়ানো গলায় বলতে বলতে কথাগুলো মিলিয়ে এল। আরও কিছুক্ষণ বসলুম। তারপর ওই কথাগুলোর রণন নিয়ে নিজের ঘরে আসি। একজন অসহায়, পরনির্ভরশীল, প্রায় আত্মবিস্মৃত মানুষ বলছেন, সমু বড় ভাল ছেলে। সাদা শাড়ি পরা প্রসাধনহীন একটি শ্যামা কেঁদে চলেছে। কেঁদে চলেছে, একটি প্রাণোচ্ছল মেয়ে বলছে, এবার আমার একটা ভাল দেখে বিয়ে দিবি তো? মায়ের মুখে হাসি—হাসি ভাব, বাবা আপাতত হম্বিতম্বি ভুলে গেছেন। আর জয়ন্তী একমুখ হেসে বলেছে—ব্যাড লাক।

    —কার?

     

    আরও দেখুন
    জলে
    জল
    জলের
    মুদিখানা
    বইয়ের
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা ই-বুক রিডার
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল

     

    —আমার। আর কার?

    দুজনেই হাসি।

    আর দাদা এবার জরুরি ফোন করেছে—সমু। তোমাকে ভীষণ দরকার। খুব সঙ্কটে পড়েছি। আমার আপন লোক দরকার, পরামর্শ দেবার।

    প্লেনের টিকিট কাটি। দাদাকে জানিয়ে দিই। দাদাই থাকবার ব্যবস্থা করতে চাইছিল। টেলিফোনেই সব স্থির হয়ে যায়। কিন্তু আমার একটা সুবিধে হবে। গুরগাঁওয়ে কিছু অফিস—সংক্রান্ত কাজ আছে। কাকে পাঠাব ভাবছিলুম। নিজেই মিটিয়ে আসতে পারব। মা বিয়ের চিঠিটা দিয়ে দিলেন,—এই প্রথম দাদার সম্পর্কে কোনও মন্তব্য শুনলুম মা’র কাছে। —ওর বিয়ের সঙ্গে তো আমাদের কোনও সম্পর্ক রাখতে দেয়নি। বোলো বউ নিয়ে যেন আসে।

    একটু হাসি পেল আমার। দিল্লির চটি। দিল্লির চটি নিয়ে ছুটিতে আসার কথা দাদার। এখনও ফিনকি চটি পরছে।

     

     

    প্লেন ছুটেছে আর আমি ভেবে চলেছি। কী এমন পরামর্শ দরকার হতে পারে দাদার? সে তো বাইরে চলে যাবে ঠিকই করে নিয়েছে। অরোরাদের আওতা থেকে বেরোবার আর কোনও রাস্তাও তো নেই! যেটা বুঝেছে সেটাই করুক। আমার পরামর্শ ছাড়াই তো এতখানি ভেবে ফেলতে, ব্যবস্থা করে ফেলতে পেরেছে। তা হলে? আমি কোন জাদু জানি যে আমার উপস্থিতিতে কিংবা পরামর্শে দাদার সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে? হঠাৎ মনে হয়, ও সব আসল কথা নয়। দাদা বাড়ির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে খুব সুখে নেই। অন্যদের মুখোমুখি হবার সাহস ওর নেই। খালি আমাকে, একমাত্র আমাকেই ও সেইরকম আপন মনে করে যাকে নিজের ভুলচুক, সঙ্কট সব বলা যায়।

    যাবার সময়ে প্লেন—এ। আসার টিকিট ট্রেনের। হেড অফিস থেকে ওরাই এয়ারপোর্টে রিসিভ করতে আসে। ওরাই গেস্ট—হাউজে পৌঁছে দেয়। গুরগাঁওয়ের কাজ সারি। সরেজমিনে মার্কেট—কমপ্লেকসের সাইট দেখা, প্রারম্ভিক হিসেবপত্র করা। আমার মূল্যায়নের ওপর নির্ভর করে কোটেশন দেওয়া হবে। তিন—চারদিন চলে যায়। তারপর দাদাকে ফোন করি। সাদা মারুতি চড়ে গেস্ট হাউজে চলে আসে দাদা।

    এ কী চেহারা হয়েছে দাদার? এত থসথসে মোটা? বয়স কত। মাঝ—তিরিশ? ফ্যাটটা তো ভাল লাগছে না! ও কি ড্রিংকস ধরেছে নাকি?

     

     

    কে রোগা হল, কে মোটা হল, এসব কথা আমি কখনওই কাউকে বলি না। কিন্তু আমার দৃষ্টিটা যে মুহূর্তে দাদার মুখের ওপর স্থির হয় ও বুঝতে পারে। মনের ভেতর একটা দংশন নিশ্চয়ই আছে ওর।

    কৈফিয়ত দেবার ঢঙে বলে—কী জানিস, বসে বসে মাথার কাজ তো! গুচ্ছের খানেক আবার রিসার্চ করছে আমার কাছে। আমার তো মনে হয় যে কোনওদিন রক্তে চিনি কি হার্টব্লক ধরা পড়বে। নাও ইনসুলিন, করো অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি… যাক গে যাক গে। তোর চেহারাটা বলতে নেই চাবুকের মতো। ফর্মটা ধরে রেখেছিস। অনেকদিন বাঁচবি। আরাম সে।

    আমি হাসি—একটু যোগ—ব্যায়াম কি ফ্রি হ্যান্ড—ট্যান্ড করলেও তো পারো। কিছু না হোক হাঁটাহাঁটি? মাথার কাজ—টাজ অজুহাত।

    —কী জানিস, তেমন উৎসাহ পাই না, কিছুতেই না।

    কেন কী বৃত্তান্ত আমি কিছুই জিজ্ঞেস করি না। ওর যদি বলার তাড়া থাকে ও—ই বলুক।

    —চল তোকে পরোটা গলিতে খাইয়ে আনি। আগের বার খেতে চেয়েছিলি, মনে আছে?

    পরোটা গলিটা যে একটা অছিলা ছিল, কোনও সত্যিকারের আকাঙ্ক্ষা ছিল না এসব কথা ওকে না বলাই ভাল। কেমন উদভ্রান্ত হয়ে আছে।

    আমাদের বড়বাজারের মতো বিশৃঙ্খল ঘিঞ্জি জায়গাটা। একটা বিরাট গুরুদোয়ারা পেরোলুম। গাড়ি অনেক দূরে রেখে হেঁটে যাই। শীতকাল। কিন্তু দাদার একটু হাঁফ ধরছে। দু’চারটে দোকানে একটু জিজ্ঞাসাবাদ করল।

    —আমি কখনও আসিনি বুঝলি? দাদা একটু বোকার মতো হাসল,—সেই আজীবন কলকাতায় থেকেও লোকে ‘পরেশনাথ’ দেখে না, না? সেই রকম।

    —এ হে—হে—হে, এ যে সবই ভেজ রে?

    —তাতে কী হয়েছে? আমি বলি—আমার কোনও অসুবিধে নেই। তুমি কি একেবারেই..।

    —আরে না না। ভেজ আমার ভালই লাগে, সেই মায়ের হাতের লাউ—মটরশুঁটি? অবশ্য যেদিন নুন—মিষ্টিটা ঠিক হত—দাদার সঙ্গে আমিও হাসি।

    কাঠের বেঞ্চি, স্কুলের মতো হাইবেঞ্চ, লো বেঞ্চ। মাটির গর্তয় গনগনে উনুন তার ওপর পেল্লাই চাটু চাপানো। একজন ফর্সা লোক তাল তাল ময়দা ঠাসছে। কাঠের বারকোশের ওপর নানারকম পুর ভাগ করা রয়েছে। দাদা বলল—মেথি পরোটাটা আগে টেস্ট কর বুঝলি সমু? আলু পরোটা তো ওখানেও পাওয়া যায়।

    আমার কোনও বক্তব্য নেই। ডাল, আলুর তরকারি, আর চাটনি আসে। মেথি পরোটা, গোবি পরোটা…মটর পরোটা। এরা বলে পড়েঠা।

    —বুঝলি সমু, আমার স্ত্রী যেতে চাইছে না।

    —যেতে চাইছে না? —আমি অবাক—বস্টন কেমব্রিজ…যেতে চাইছে না?

    —বলছে এখানে ওর অনেক দিনের চাকরি। ওখানে গিয়ে কী করবে?

    —ওখানে গিয়ে ওয়র্ক পারমিট—টিট পেয়ে গেলে তো কাজ করতেই পারে?

    —সে কথা ওকে কে বোঝায়? তারপর ছেলের এখন যে স্টেজ! ওখানে যাওয়া সম্ভব নয়। সেটাই…

    —তাই বলে তোমার এত উন্নতি—সেটা ভাববে না? ছেলে তো স্কুল লেভেল শেষ করে ওখানেই চলে যেতে পারে? বাবা—মা থাকলে তো ওর আরও সুবিধে হয়ে গেল! কত ছাত্র যাচ্ছে!

    —তবে! দাদা হতাশ গলায় বলল—বলবীর আসলে ওর দাদু—দিদার চোখের মণি, ওঁরা ওকে ইন এনি কেস ছাড়বেন না।

    —বড় হয়ে ও যদি নিজেই সে ডিসিশন নেয়?

    —ওই তো বলে কে!

    আমি দাদার দিকে তাকাই—এমন চান্স কিন্তু জীবনে বারবার আসবে না দাদা।

    —তুই বলছিস? মিস করা ঠিক নয়, না? —দাদা খুব চনমন করে উঠল।

    —নিশ্চয়ই।

    —তা হলে আমি যে যাচ্ছিই সে কথা জানিয়ে দিই, না কী?

    —ভেবে দ্যাখো।

    —আবার ভেবে দ্যাখা—ট্যাখা কেন? সিদ্ধান্তটা যাতে নিতে পারি তাই তো তোর সাপোর্ট চাইছি!

    —হ্যাঁ পরে বউদি নিশ্চয় বুঝবেন, মত পরিবর্তন হবে।

    —সে গুড়ে বোধহয় বালি—দাদা খুব বিমর্ষ মুখে বলল—ও আদৌ যাবে কিনা আমার সন্দেহ আছে। হয়তো…হয়তো বা ডিভোর্সই চাইবে।

    —সে কী? আমি আপাদমস্তক অবাক হয়ে যাই।

    দাদা করুণ মুখে মাথা চুলকোতে থাকে।

    —এমনই কি সম্পর্ক তোমাদের যে যখন—তখন ডিভোর্স চাওয়া যায়।

    —কী জানিস, যার একটা নিজের সন্তান হওয়ারই অধিকার নেই, তার সঙ্গে আর কী রকম সম্পর্ক হবে! তারপর ছেলেটাও তো বাবা বলে অ্যাকসেপ্ট করল না। অ্যাকসেপ্ট না করলে আমি কী করতে পারি, বল! চেষ্টার তো কসুর করিনি। উদ্ধত, বেয়াড়া ছেলে একটা, লাইফটা হেল করে দিলে।

    বুঝতে পারি দাদার পরিস্থিতি খুবই খারাপ।

    —তুমি তোমার সিদ্ধান্তে স্থির থাকো, আপাতত তোমার কি খুব অসুবিধে হবে বউদি না গেলে? অত সহজে ডিভোর্স চাইতে পারে সে কেমন মানুষ?

    অন্যের সম্পর্কে মতামত প্রকাশ আমি কখনও করি না। প্রত্যেককে তার ভাবনার স্বাধীনতা দিই। কোনও ভাবে নিজের ছায়া পড়তে দিই না। আজ কেন দিলুম? মনে হচ্ছিল—দাদা একেবারে কূল হারিয়েছে। তাই কী?

    —ঠিক বলেছিস। আমি কী জানিস, একটা আইডেনটিটি কার্ড, একটা মলাট। সোনুর স্বামী, বলবীরের বাবা। এ ছাড়া আর কোনও দরকার ওদের আমাকে দিয়ে নেই।

    —বউদিও কি এভাবেই ভাবে?

    —কী জানি। বোধহয়! এদের মনের গড়নটা একটু অদ্ভুত। সেন্টিমেন্ট—টেন্ট ধার ধারে না।

    —তা ছেলের জন্যে তো খুবই আছে। কত লোকে চান্স পেলে বাবা—মা’র কাছে ছোট বাচ্চা রেখে চলে যায়। পরে প্রতিষ্ঠিত হয়ে নিয়ে যায়। আর এ তো একটা বড় ছেলে?

    —ঠিক বলেছিস। সেন্টিমেন্ট আছে, আমার জন্যেই নেই।

    —সে ক্ষেত্রে দাদা তোমার চলে যাওয়াই উচিত। ডিভোর্স—টিভোর্স এখুনি দিয়ো না। পরে তো পরিস্থিতি বদলাতেও পারে।

    —ফাদার ইন—ল’টা প্রবলেম করতে পারে। কিছুদিন হল রিটায়ার করেছে অবশ্য।

    —পুরো জিনিসটা তুমি সিক্রেটলি হ্যান্ডল করো। যাবার আগে ক’দিন অন্য কোথাও গিয়ে থাকো, চলে যাও, তারপর খবর দিয়ো।

    —জানি না পারব কি না। তুই একটু হেল্প কর। আমি যদি ক’দিনের জন্যে কলকাতায় চলে যাই! …তোর কমপিউটার আছে? ফ্যাক্স?

    —সবই আছে, অফিসে।

    —কলকাতার বাড়ির ঠিকানা দেব বুঝলি। পাসপোর্ট, ভিসাও ওই আড্রেস। ইতিমধ্যে যা কিছু খুচরো খবর তোর ফ্যাক্স নম্বর—এ কি ই—মেলে করবে।

    —রিলিজ?

    —আরে ওদিকটা সম্পর্কে শিওর হয়ে গেলেই আমি রেজিগনেশন দিয়ে দেবো।

    —নোটিস দিতে হয় তো?

    —ধুর, কনট্রাক্ট সারভিস তো আর নয়। ফর্ম্যালিটি…জাস্ট ফর্ম্যালিটি…। আর পি.এফ—এর টাকা আমি বেশির ভাগটাই তুলে নিয়েছি। এই লোন, সেই লোন। সোনুকে একটা চিঠি লিখে রেখে যাব—তোমার জেদের জন্যে তো আর আমি আমার কেরিয়ার নষ্ট করতে পারি না! সুতরাং আমি চললুম। তুমি যখন ইচ্ছে চলে আসবে। ড্রাফটটা করে ফেলি বল!

    আমি হেসে ফেলি—ড্রাফট করাটা আর এমন শক্ত কাজ কী! ও সব কারও চোখে—টোখে পড়ে গেলে…।

    —ঠিক বলেছিস। কাগজপত্র কি আর তেমন সেফ? ড্রয়ারের একটা ডুপ্লিকেট চাবি করানোর এমন কী হাঙ্গামা?

    বেশ জটিল অবস্থা দাদার। যা ভেবেছিলুম তার চেয়েও ঘোরালো।

    যে আশ্রয়কে অনিরাপদ ভেবে দূরে সরে গিয়েছিল, সে আশ্রয়েই ফিরে আসতে চাইছে নিরাপত্তার জন্য। কী পরিহাস! দাদা কি কখনও নিরাপদ হতে পারবে?

    ট্রেনটা প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে ধীর গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এক্ষুনি স্পিড নেবে। দাদার ফুলো—ফুলো বিধ্বস্ত চেহারাটা কেমন ঢেউ ওঠা জলের তলার ছবির মতো বেঁকেচুরে যায়। কাচের লেভেলে কিছু দোষ থাকলে এ রকম হয়। দাদার চলে যাওয়ার শব্দ শুনতে পাই। আরও আরও দূরে চলে যাচ্ছে দাদা। কে জানে হয়তো আর দেখা হবে না। দাদা কি সিদ্ধান্তটা শেষপর্যন্ত নিতে পারবে? দাদা কি কোনওদিন নিরাপদ হবে? আমি কেন মতামত দিলুম? কখনও তো দিই না! দাদার জীবনের সঙ্গে আমার মতামতের কী সম্পর্ক? তবে কি আমার কোনও জল—বসন্তের রাত এলো, যখন আমি ছাড়া দাদার কোনও শুশ্রূষা নেই!

    আমার বার্থ নম্বর তেইশ। গুছিয়ে বসি, ওভারনাইট ব্যাগ একটা তলায় চালান করে দিই। চব্বিশ নম্বর অর্থাৎ ওপরের বাঙ্কের মালিক একটি মারোয়াড়ি ছেলে। নাম ভিনিত। অর্থাৎ আমাদের ‘বিনীত’। প্রচুর মোটা, তেমনি ফর্সা, সবই যেন ওর ফেটে পড়ছে। খুব হাসিখুশি মিশুক ছেলে। ‘দাদা দাদা’ করে কিছুক্ষণের মধ্যেই বেশ ভাব জমিয়ে নিলে। আমাকে কিছু বলতে হয় না, ও—ই একনাগাড়ে বকে যায়। দিল্লিতে মৌসির কাছে থেকে চার্টার্ড পড়ে। বাবার বিজনেস কলকাতায়। কিন্তু ও কলকাতায় যোগ দেবে না। কলকাতার, কিছু মনে করবেন না দাদা, কোনও ভবিষ্যৎ নেই। সুবিধে পেলেই ও অন্য কোথাও বিজনেস উঠিয়ে আনবে। দিল্লি ইউ.পি—র বর্ডার নয়ডা খুব ডেভেলপ করছে…ওইখানেই।

    নিজেই নিজের ভুঁড়িতে টুসকি মেরে হাসতে থাকে—আমাকে আর কী মোটা দেখছেন দাদা, আমার মা ঔর ভি, পাপ্পার প্যান্ট বানাতে পুরা ছ’মিটার কাপড় লাগে। মোটা—মোটি কি ফ্যামিলি, দুবলি—দুবলা কোই নহি।

    —খুব ঘি খাও তো?

    —আরে কী বলেন দাদা, ঘিউসেই তো খানা পকতা হ্যায়, হোনাই তো চাহিয়ে। আপনি কী করে এমন চেহারাটি বানিয়েছেন দাদা?

    আমি হেসে বলি—এ আর এমন সিক্রেট কী? আমি তোমাকে বলতেই পারি। কিন্তু তুমি পারবে না।

    —বোলিয়ে না দাদা! ওয়েট—লিফটিং, ইয়োগা? বোলিয়ে না, লড়কিলোগ পসন্দ করতি নহি।

    —তবে তো বলতেই হয়, আমি মজা পেয়ে বলি, ওসব ইয়োগা টিয়োগা পরের কথা। আগে ঘি খাওয়া বন্ধ করতে হবে।

    —ও হি তো! উও মুঝসে নহি হোগা দাদা।

    উল্টো দিকে হেঁটো ধুতি পরা এক ভদ্রলোক মনের সুখে খইনি ডলছেন, বলে উঠলেন—দুধ পিও ভাই, লোটাভর দুধ পিও। ভঁইস কা দুধ। লড়কিলোগ আপসে আ যায়েঙ্গি। ইৎনা গ্ল্যামার হোতা, ইৎনা গ্ল্যামার! তাকত! হিম্মৎ!

    অন্য দুজন ভদ্রলোক ব্যবসায়ী মনে হল। নিজেদের মধ্যে নিজেদের ভাষায় জোর গলায় আলোচনা করে চলেছেন। ফ্লাই অ্যাশ অ্যান্টি পলিউশন মেজার, গ্যাসকেট, সেরামিক ব্রিক…এ রকম নানা টুকরো টুকরো কথা কানে আসছে। এঁরা বোধহয় অন্ধ্রের লোক। তেলুগুতে কথা বলছেন। খুব ভরাট গলা দুজনেরই। নিজেদের জগতে একেবারে মগ্ন, ডাইনে বাঁয়ে দৃষ্টি নেই।

    সাইডের সিটে ওঁরা নিশ্চয়ই স্বামী—স্ত্রী, দুজনে মুখোমুখি পা ছড়িয়ে বসে আছেন, কখনও বাইরে চোখ রাখছেন, কখনও নিজেদের মধ্যে কথা বলছেন। কিন্তু শোনা যায় না। শব্দ নেই শব্দ নেই করেও ট্রেনের একটা কেমন অন্তর্নিহিত ধ্বনি থাকে যা সব কথাবার্তা, সব আওয়াজ দূরে পাঠিয়ে দেয়। একবার চকিতের জন্য মনে হল, অদূর ভবিষ্যতে এরকম একটা দৃশ্যে থাকতে পারে মুকুলিকা পালিত এবং এই মানুষটা যাকে ‘আমি’ বলে চিনি। কেমন অবাক লাগল কথাটা ভেবে। এতদিন এক ভাবে বেঁচে এসেছি, এখন এরপর কি অন্য ভাবে বাঁচব? সেই বাঁচাটা কেমন আমি আন্দাজ করতে পারছি না। আমি কি এই আমিই থাকব না অন্য কোনও আমি হয়ে যাব? টুপ করে একটা দুটো পেয়ারা পাতা খসে পড়ে, হাওয়া বয়, জলের মধ্যে ছবি ভেঙে ভেঙে যায়!

    বাইরেটা যতক্ষণ দেখা যায় দেখি। তারপর কাচে শুধু এই কামরারই বিম্ব। এই আমি, ওই ভিনিত, খইনি, ব্যবসায়ীযুগল, দম্পতি। একটা সিনেমার দৃশ্য দেখছি, আমার একটা নগণ্য ভূমিকা আছে ছবিটাতে, কিন্তু আমি সম্পূর্ণ তার বাইরে দাঁড়িয়ে আছি।

    মাঝখানের পর্দাটা টেনে দম্পতিদের আড়াল করে ব্যবসায়ীযুগল আবার একটু পানও করে নিলেন। ‘হোপ য়ু ডোন্ট মাইন্ড’ জাতীয় একটা নাম কা ওয়াস্তে অনুমতি নিয়ে। ভিনিত বলল—দাদা চলে? আমি প্রশ্নটা একে ফিরিয়ে দিই। মৌসি—মৌসা নাকি ওকে বাড়ি থেকে বার করে দেবে ড্রিংক করলে। খৈনি দেখি হঠাৎ একটা কুঁড়োজালি মতো নিয়ে জপ করছেন। এতক্ষণে খেয়াল করি ওঁর গলায় কণ্ঠি। বিহারি বৈষ্ণব আমি এই প্রথম দেখলুম। উনি গ্ল্যামারেও আছেন, কুঁড়োজালিতেও আছেন।

    আটটা পেরোতে না পেরোতে ওরা খাবার দিয়ে দেয়। কিছুক্ষণ সেটা রেখে দিই, ঠায় বসে থাকা আর খাওয়া ছাড়া এ সব সুপার ফাস্টে তো আর কিছু করার থাকে না! কাজেই একটু পরে অ্যালুমিনিয়ম ফয়েলের খোসা ছাড়াই। সেই এক আধা—হলুদ পোলাও, আধা—কালো চিকেন, ডাল, একটা অখাদ্য তরকারি যাকে এরা ‘সবজি’। একটু স্যালাড। মায়ের বা রাঁধুনির রান্না নুন—খরো মিষ্টি—বেশি আলুনি আতেলা সবই তো খেয়ে নিই। এই ট্রেন প্লেনের তথাকথিত সুখাদ্য কেন কে জানে গলা দিয়ে নামে না! এর পরে বোধহয় দই বা আইসক্রিম দেবে, সেটাই ভরসা।

    ভিনিত তো খাবারটা নিলই না। স্বাভাবিক। সে যেখানেই যাক না কেন তার ঘিও সঙ্গে যাবেই। একটা ডিব্বা খুলল, ঘিয়ের গন্ধে ভরে গেল আমাদের কুঠুরি, মোটা মোটা পরোটাগুলো আচার দিয়ে খেয়ে নিল চটপট। খইনি দেখি জুলজুল করে দেখছেন।

    একটু বকবক শুনি ভিনিতের, চুপচাপ চিন্তাহীন বসে থাকি কিছুক্ষণ। সাড়ে নটা বাজতে না বাজতেই ভিনিত ওপরে উঠে যায়, ঝাড়ছে সশব্দে বাঙ্কটা, বিস্তঁরা বানাবে। ব্যবসায়ী দুজন না উঠলে আমি বা খইনি কেউই শুতে পারছি না। শেষকালে খইনি এক আকাশ পাতাল জোড়া হাই তুললেন শব্দ করে।

    —’ওই সরি, আপকো সোনা হ্যায়’…একজন সেরামিক ব্রিক খইনির ওপরের বাঙ্কে উঠে গেলেন, আরেকজন অন্য খুপরিতে চলে যান। নিভাঁজ বিছানা করি অতঃপর। বাড়তি চাদর মাথার দিকে ভাঁজ করে দিই। কম্বলের কুটকুটোনির থেকে সুরক্ষা—চাদরটা গায়ে দিয়ে শুয়ে পাড়ি একটা চটি বই নিয়ে। ‘নিদ্রাযোগ’ বা ‘নিদ্রাইয়োগো’, নামটা এভাবেই লেখা। কিন্তু বইটা ইংরেজিতে। নিদ্রা ছাড়া কী—ই বা করবার আছে ট্রেনে? লেখক নিদ্রাকে নিদ্রাতেই আটকে রাখতে চাইছেন না। তাকে যোগ পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাইছেন, একটা সচেতন মানসিক ব্যায়াম। এভাবে যদি নিদ্রাকে ব্যবহার করা যায়, তা হলে নিদ্রা যে আরও কতগুণ বিশ্রাম ও এনার্জি দিতে পারে তার হিসেব অঙ্ক কষে দেওয়া আছে। মজা লাগে, আশ্চর্যও লাগে সেই সমীকরণ পড়তে। নিদ্রাযোগ, মোহনিদ্রা যোগনিদ্রা ও মহানিদ্রা—এই রকম শ্রেণিবিভাগ করেছেন ভদ্রলোক। নিদ্রাযোগ থেকে যোগনিদ্রায় পৌঁছলে প্রাণশক্তিকে পর্যন্ত মুলতুবি রাখা যায়। আমরা যেসব সাধু—সন্ন্যাসীর কথা শুনি ক্বচিৎ কদাচিৎ যাঁরা মাটির তলায় দীর্ঘক্ষণ জীবন্ত সমাধির পরও বেঁচে থাকেন, তাঁরা এই যোগনিদ্রা ব্যবহার করেন। কিছুই না, খালি চর্চা। যোগনিদ্রার অভ্যাস পাকা হলে মহানিদ্রা অর্থাৎ চিরনিদ্রার ক্রান্তি খুব সহজ সুন্দর হয়। ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি। একটু কৌতুক বোধ করি। নিদ্রা মানেই তো চেতনাকে মুলতুবি রাখা, তার আবার সচেতন ব্যবহার কী জিনিস? শবাসনের মতো কী? ঘটনাহীন ট্রেন—যাত্রায় করার মতো কিছু পেয়ে আমি একটু হাঁফ ছাড়ি। মাথার কাছের সুইচটা অফ করে দিই। তারপর হাত পা সব শিথিল করে দিতে শুরু করি। পা থেকে ওপর দিকে উঠতে হয়। রিল্যাক্স, রিল্যাক্স…।

    একদম গোড়ার দিকে কোথাও কারও নাসিকাগর্জন শোনা যাচ্ছিল। তারপর কামরায় খালি ঘুমের শান্তি, যার ভেতরে আমি তলিয়ে যেতে থাকি। চেতনার অতলেও কিন্তু ট্রেনের ঝড়ো গতি শরীরে জেগে থাকে, কামরা মৃদু মৃদু দোল দেয়, শিশুকে দোল দেওয়ার মতো। কত গ্রহ, উপগ্রহ, ধূমকেতু, অ্যাস্টারয়েড, কত তারা, মহাজাগতিক বর্জ্য অকল্পনীয় গতিতে ঘুরছে মহাকাশে। আমরা পৃথিবীপৃষ্ঠে তার কিছুই তো বুঝি না। শুধু দিনরাত, শুধু ঋতুবদল দেখে বুঝতে শিখেছি আমরা চলেছি। হোক একই কক্ষপথে, তবু চলেছি। এখন ঘুমের মধ্যে হিমোগ্লোবিনে হিমোগ্লোবিনে, নিউরোনে নিউরোনে গতি বয়। সেই গতির সঙ্গে শরীরের ভেতরের সমস্ত উপাদান প্রতি মুহূর্তে সমঝোতা করে নিতে নিতে চলেছে। এই ক্ষীণ বোধ চেতনার অবতলে জেগে থাকে। হে আপাত ঘুমন্ত মানুষ তুমি থেমে নেই। বাহিত হয়ে যাচ্ছ স্থান থেকে স্থানান্তরে, গতি থেকে স্বস্তিতে, স্বস্তি থেকে শান্তি, শান্তি থেকে উপশম।

    তবু, এখানেও নিদ্রা আমাকে পুরোপুরি অধিকার করতে পারে না, কেন না আমার সব পথ গ্রাস করে দাঁড়ায় এক বিশাল প্রত্ন অট্টালিকা। উঁচু উঁচু মোটা মোটা… ডরিক থাম, গুপ্তযুগীয় খিলান, পল্লেস্তারা খসে গেছে। যেখানে কোনওকালে দেয়াল চিত্র ছিল, এখন সে দেয়াল আঁকড়ে রয়েছে দানব—বিছের মতো বট—পাকুড়ের শেকড়ের মানচিত্র। ঘরের পরে ঘর পার হয়ে যাই। শূন্য। উঠোন, বারান্দা, দালান শূন্য। অথচ কোথা থেকে প্রতিধ্বনি আসে, কত রকম ডেসিবেল—এর, পায়ের আওয়াজ, ছুটে যাওয়া, হঠাৎ চেঁচিয়ে ওঠা, কলকল করে রুদ্ধ হাসি বয়ে যায়। বাচ্চা গলা ঘ্যানঘ্যানায়, বুড়ো মানুষের শ্লেষ্মাজড়িত কাশি, কথা কাটাকাটি, প্রেমিকের ফিসফিস, প্রেমিকার শীৎকার…পেছন ফিরে দেখি, পায়ের শব্দ থেমে যায়, হাসিতে হাসি মেলাতে যাই, হাসি থেমে যায়, কে কাঁদছ? বারান্দায় ধুলোর আস্তরণ, তার তলায় চাপা পড়ে গেছে কান্না, ঝুঁকে দেখি বাইরের একদা বাগানে স্তূপীকৃত পড়ে রয়েছে ভাঙা দেয়াল—ছাতের ইট কাঠ পলেস্তারার জঞ্জাল, ইঁদুর বেরিয়ে আসে, হুলো বেড়াল চাপা রাগে গজরায়। আর হঠাৎ সেই সমস্ত শূন্যতা, প্রতিধ্বনি, পতিত জমি, পরিত্যক্ত প্রাসাদ বেড়ে তার কুণ্ডলীকৃত শরীর পাকে পাকে খুলতে খুলতে উঠে দাঁড়াতে থাকে এক মহাসর্প। অদৃষ্টপূর্ব সৌন্দর্যে, গরিমায়। তার রং গাঢ় বাদামি, চিকন, উজ্জ্বল, ভেতরের আলোয় জ্যোতিষ্মান, ফণায় ধ্বধবে সাদা নকশা। যেন কোনও মহানর্তক ধীরে ধীরে অপাবৃত করছেন তাঁর করছেন তাঁর মুদ্রা মহিমা।

    ধুন্ধুমার গর্জনে সেই প্রাসাদ ভেঙে পড়ে। ভেতরে ভেতরে এত জীর্ণ এ যেন হওয়ারই ছিল। এই রহস্য কুঠির সব কোণ—কুলুঙ্গি দেখা হল না। খেদ নেই তেমন, কিন্তু ভেঙে পড়ার প্রতিঘাতে সমস্ত শরীর থরথর করে কাঁপতে থাকে। ভূকম্পের আওতা থেকে প্রাণপণে বেরিয়ে আসতে চাইছি, পারছি না। আমার নিদ্রাযোগ বা যোগনিদ্রা আমাকে পক্ষাঘাতগ্রস্ত করে দিয়েছে। আপার বাঙ্ক থেকে বিরাট আর্তনাদ করে ছিটকে পড়ে ভিনিত। ওদিক থেকে অন্ধ্র—ব্যবসায়ী তাঁর বাঙ্কসুদ্ধু ভেঙে পড়েন ভিনিতের ওপর। উল্টো দিকের বার্থ থেকে খৈনিখাদক ছিটকে আসেন আমার বার্থের কিনারায়। আবার ছিটকে যান ওদিকে। এদিকে ওদিকে, এদিকে ওদিকে যতক্ষণ না তাঁর ওপর পর্দার ওপার থেকে ভীষণ শব্দে ভেঙে ছিটকে আসে তাদের বার্থসুদ্ধ দম্পতি এবং সবাই মিলে তালগোল পাকিয়ে যায়। জানলার শাটার কাচ ভেঙে পড়ছে চতুর্দিকে। আমার ওপরও, কিন্তু আমার অসাড় শরীর কিছুই অনুভব করছে না। গায়ে রক্ত, কিন্তু সে যেন সদ্যোজাত শিশুর গায়ে মায়ের রক্ত। গোঙানি চলতে থাকে, হাহাকার, আর্তনাদ। তারপর চুপ। খালি ভাঙা জানালাপথে তুমুল চিৎকার শুনতে পাই। ক্রেন…ক্রেন, গ্যাসকাটার গ্যাসকাটার, দমকলের আওয়াজে রাত কাঁপতে থাকে। আমি শুধু শুয়ে থাকি তীক্ষ্ন কাচের ফলা বুকে নিয়ে, তৃষ্ণার্ত, কখন কে মাটি ফুঁড়ে জল দেবে তার প্রতীক্ষায়।

    চারদিকে অন্ধ দেয়াল। হাতড়াই। পেছল বেয়ে বেয়ে এগোতে চাই, অথচ কুয়োর ঢাকনি খোলা, দেখা যায় বর্তুল মুক্তি। কুয়োর কিনারা থেকে ঝুঁকে থাকে ছায়ামুখ, চিনি, চিনি, চিনতে পারি না। চারিদিকে জল খেলতে থাকে, মুখগুলো আপসাতে থাকে, ঝাপসা হয়ে যায়। কীরকম অন্তহীন জ্যোৎস্না ওপরে। পৌঁছতে চাই। পৌঁছতে চাই। কী করে? কীভাবে? মাথা খুঁড়ি। তারপর মনে পড়ে যায় আমার সেই একান্ত নিজস্ব গুপ্ত ক্ষমতার কথা।

    নিরেট শূন্যে পায়ের একটু ধাক্কা, উড়ে যাই গিয়ার বদলে বদলে ওপরের আলোকিত অন্ধকারে। নির্বাধ উড়ে যাই। নীচে অজস্র বুদবুদের বর্ণালি রঙের হলকা ছুটিয়ে ফেটে যায়।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৈত্রেয় জাতক – বাণী বসু – উপন্যাস
    Next Article রাধানগর – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }