Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সরস গল্পসমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    অসম্পূর্ণ বই এক পাতা গল্প20 Mins Read0
    ⤷

    সাজ ধরার সাজা – অজেয় রায়

    হার চোর – চঞ্চলকুমার ঘোষ

    কথায় বলে, বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা। হরিপুর থানার বড়বাবুর ছেলের বউয়ের চার ভরির হার চুরি হয়েছে। বড়বাবু রাগে খ্যাপা ষাঁড়ের মতো পায়চারি করছেন। থানার মেজবাবু আর ছোটবাবু যেখানে যত চোর, ছ্যাঁচোড়, সিঁধেল, ছিচকে, গাঁটকাটা, রোগা, ঢ্যাঙা, মোটা, পাতলা সকলকে থানায় এনে পুরেছেন।

    বড়বাবু চার মাস হল হরিপুর থানায় বদলি হয়ে এসেছেন। ছেলে, ছেলের বউ কলকাতায় থাকে। আগের দিনই তারা হরিপুরে এসেছে। সকালে জানলার পাশে টেবিলের উপর হার খুলে স্নান করতে গিয়েছিল রমা, বড়বাবুর ছেলের বউ। চার ভরির পাথর বসানো সোনার হার। বিয়ের সময় ওই হার দিয়ে রমাকে আশীর্বাদ করেছিলেন বড়বাবু। ইচ্ছে করলে ওই রকম আর-একটা হার কিনে দেওয়া কোনও ব্যাপার নয়। কিন্তু ঘর থেকে চোর এভাবে হার চুরি করে নিয়ে যাবে, কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলেন না বড়বাবু। তা ছাড়া, এর পর লোকের কাছে মুখ দেখাবেন কী করে। সকলে বলবে, লোকটা নির্ঘাত থানায় বসে নাকে তেল দিয়ে ঘুমোয়। নয়তো নিজের ঘর থেকে চুরি হল আর চোর ধরা পড়ল। না। নতুন থানায় এসে প্রেস্টিজ পাংচার হয়ে যাবে। এস পি সাহেবের কানে গেলে লজ্জায় মাথা কাটা যাওয়ার উপক্রম হবে।

    সকাল থেকে ঘন ঘন সিগারেট টানছেন আর মাঝে মাঝে টেবিল চাপড়াচ্ছেন তিনি। গোটা থানা তটস্থ। লকআপে জায়গা নেই। মুরগির খাঁচার মতো অবস্থা। থিকথিক করছে চোর। মেজবাবু রীতিমতো ধমকধামক দিতে শুরু করেছেন, “কে চুরি করেছিস, বল। না হলে সব ক’টার পিঠের চামড়া গুটিয়ে ডুগডুগি বাজাব।”

    সকলের মুখ আমসি। একটা বুড়ো চোর বলে, “বিশ্বাস করুন স্যার। চোর কখনও পুলিশের বাড়িতে চুরি করে না। আমাদেরও করে খেতে হয়। জেনেশুনে নিজের পায়ে কুড়ুল মারব?”

    একটা ফচকে চোর পিছন থেকে বলে ওঠে, “গুরুর নিষেধ আছে, কখনও সেমসাইড করবে না। পুলিশ আর চোর মাসতুতো, পিসতুতো ভাই-ভাই। দু’জনে দু’দিক থেকে হাত সাফাই করে।”

    মেজবাবু হাতের মোটা লাঠিটা তুলে চেঁচিয়ে উঠলেন, “ওসব বাজে কথা অন্য সময় বলবি। চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে বড়বাবুর হার চাই।”

    “বড়বাবুর হার।” একজন ফিকফিক করে হেসে উঠল, “বড়বাবু কবে থেকে হার পরা শুরু করলেন স্যার?”

    “বড়বাবুর হার নয়। বড়বাবুর ছেলের বউয়ের হার। পুরো চার ভরি, মাঝখানে মুক্তো বসানো।”

    “ইস, কত দাম নিয়েছিল স্যার? যে ঝেড়েছে, ছ’মাস পায়ের উপর পা দিয়ে বসে খাবে।”

    “খাওয়াচ্ছি,” পিছন থেকে বড়বাবুর ডাক পেয়ে এগিয়ে গেলেন মেজবাবু।

    মুখ গম্ভীর করে বসে আছেন বড়বাবু। মুখ তুলে জিজ্ঞেস করলেন, “কিছু সন্ধান পেলেন?”

    “পেয়ে যাব স্যার, আপনি কিছু চিন্তা করবেন। না। বাড়ি গিয়ে স্নান-খাওয়া সেরে বিশ্রাম করুন। হার পেলেই পৌঁছে দিয়ে আসব।”

    “ততক্ষণ বউমার কাছে মুখ দেখাই কী করে বলুন তো? তারপর মনোরমা রয়েছে। তাকেই বা কী জবাব দেব?”

    ছোট দারোগা গণেশ হাজরা নতুন চাকরি পেয়েছেন। সব ব্যাপারেই তাঁর উৎসাহ একটু বেশি। গুটিগুটি পায়ে এগিয়ে এসে বললেন, “আমি একবার আপনার বাড়ি ঘুরে আসব স্যার?”

    মেজবাবু আড়চোখে একবার গণেশের দিকে তাকালেন, ভাবখানা, হাতি ঘোড়া গেল তল, মশা বলে কত জল।

    বড়বাবু বললেন, “দ্যাখো চেষ্টা করে।”

    থানার গেট থেকে মিনিট চার-পাঁচ গিয়েই বড়বাবুর বাড়ি। বাগান-ঘেরা দোতলা বাড়ি। বাড়ির মালিক, বুড়োবুড়ি হাঁটুর ব্যথায় কাত। তাঁরা একতলায় থাকেন। দোতলায় বড়বাবু।

    গণেশ হাজরা গেট খুলে বড়বাবুর বাড়ি ঢুকলেন। দোতলায় সিঁড়ির দরজা বন্ধ। বারকয়েক কড়া নাড়তেই বেজার মুখে দরজা খুলে দিলেন বড়বাবুর বউ মনোরমা।

    “কী দরকার?” একেবারে বাঁশচেরা গলার। আওয়াজ।

    “আজ্ঞে, স্যার পাঠালেন হার চুরির ইনকোয়ারি করতে।”

    মুখ বেঁকিয়ে বড়বাবুর বউ বলে ওঠেন, “নিজের মুরোদে কুলেল না, তাই চেলা-চামুণ্ডাদের পাঠাল। শুধু মুখে হম্বিতম্বি।”।

    গণেশ হাজরার পুলিশি সাহস উবে যাওয়ার অবস্থা। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে মনোরমা। দু’বার ঢোক গিলে বললেন, “কার হার হারিয়েছে?”

    মনোরমার পাশে এসে দাড়াল অল্পবয়সি একটি বউ। মনোরমা এক পলক তার দিকে তাকিয়ে জবাব দিলেন, “এই আমার ছেলের বউ রমা। ওর হার চুরি হয়েছে।”

    “বুঝেছি, হারটা ঠিক কোথায় ছিল?”

    রমা বলে, “আমার শোওয়ার ঘরে।”

    “একবার যাওয়া যাবে?”

    “আসুন।”

    মনোরমার পিছন পিছন ঘরে ঢুকলেন গণেশ। গোটা ঘরটাই লন্ডভন্ড।

    “ঘরের এ অবস্থা করল কে?”

    “কে আবার করবে? আমরা শাশুড়ি-বউ করেছি। যার সোনা হারায়, সে বোঝে।”

    চাপা গলায় গণেশ বললেন, “সে আমরা ভাল বুঝি। স্বামী হারালেও এমন করে খোঁজে না। তা হারটা কীসের উপর ছিল।”

    জানলার পাশে ছোট একটা টেবিল। রমা বলল, “এই টেবিলের উপর ছিল।”

    গণেশ হাজরা তাকালেন। জানলার গায়ে লাগানো টেবিল। বাইরে থেকে হাত বাড়ালেই তুলে নেওয়া যাবে। দোতলার জানলা। বাইরে দাঁড়াবার কিছু নেই। ঘরে ঢোকার সময়ই লক্ষ করেছিলেন। “তা হলে ব্যাপারটা দাঁড়াচ্ছে, জানলা দিয়ে কেউ হাত বাড়িয়ে গয়না নেবে না। একমাত্র যদি কেউ মই লাগিয়ে ওঠে।”।

    কথাটা বলতেই মনোরমা রেগে ওঠেন, “এতদিন জানতাম, আমার কর্তাটির মাথায় গোবর পোরা। এখন দেখছি, যারাই পুলিশে চাকরি করে সকলের মাথায় গোবর পোরা। দিনের বেলায় চোর একটা বড় মই নিয়ে আসবে, জানলায় উঠবে, তারপর গয়না নেবে, মই ঘাড়ে করে নিয়ে আবার চলে যাবে। চোর কী করে জানবে, আমার বউমা ওই সময় গয়না খুলে বাথরুমে চান করতে যাবে? চোর কি জ্যোতিষী না গনতকার?”

    “আমি চান করে এসেই দেখি হার নেই।”

    “সেই সময় বাইরের কেউ ঢোকেনি তো?”

    “সিঁড়ির দরজা বন্ধ। লোক ঢুকবে কী করে?”

    “আপনার কি কাউকে সন্দেহ হয়?”

    “পুলিশের বউ বলে কি আমিও পুলিশ যে, দুনিয়াসুদ্ধ লোককে সন্দেহ করব?” ভেটকি মাছের মতো ঝটকে উঠলেন মনোরমা।

    গণেশ হাজরা বোকার মতো তাকিয়ে থাকেন, “আচ্ছা, এ বাড়িতে আর কে থাকেন?”

    “আমরা কর্তা, গিন্নি আর বউমা। ছেলে কাল বউমাকে পৌঁছে দিয়ে চলে গিয়েছে।”

    “কাজের লোক?”

    “একটা ঠিকে কাজের মেয়ে আছে, সে সকালে কাজ করে দিয়ে চলে যায়।”

    “সে হার নেয়নি তো?”

    রমা তাড়াতাড়ি বলে, “কী করে নেবে? হার তখন আমার গলায়।”

    পুরো ব্যাপারটাই কেমন জটিল হয়ে আসছিল গণেশ হাজরার কাছে।

    “তা হলে হারটা চুরি করল কে?”

    মনোরমা বিরক্ত মুখে বলেন, “সেটা যদি আমরাই খুঁজে বের করতে পারব, তবে সরকার বাহাদুর গুচ্ছের টাকা দিয়ে আপনাদের পুষছেন কেন?”

    গণেশ হাজরা বুঝতে পারছিলেন, এখানে আর সুবিধে হবে না। তাড়াতাড়ি বললেন, “আমি আসি বউদি। যা দেখার, দেখে নিয়েছি।” আর কিছু শোনার আগেই তরতর করে সিঁড়ি দিয়ে নীচে নেমে এলেন। বুকের মধ্যে তখনও ধড়াস ধড়াস করছে। এই মহিলাকে নিয়ে কী করে বড়বাবু এত বছর সংসার করছেন, ভাবা যায় না। সাক্ষাৎ মা কালী। একেবারে খড়গহস্ত। দরজা ভেজিয়ে বাইরে এসে দাঁড়ালেন। গণেশ হাজরা। গোটা বাড়িটা একবার চক্কর দিয়ে নিলেন। চারদিকে পাঁচিল, সামনে বড় রাস্তা। মই দিয়ে উঠবে, সে উপায় নেই। কেউ মই লাগালে লোকের চোখে পড়বেই। জানলার ধারে পাশাপাশি দুটো ঝাউ গাছ রয়েছে। এক সরু কাঠবিড়ালি ছাড়া কেউ সেখানে উঠতে পারবে না। সব যেন গোলকধাঁধার মতো মনে হচ্ছে। এখন থানায় গিয়ে বড়বাবুকে কী বলবেন! মেজবাবু সেঁতো হেসে জিজ্ঞেস করবেন, “তদন্তের কাজ কত দূর এগোল?”

    বেলা দুপুর। মাথার উপর রোদ ঝাঁঝাঁ করছে। ঘেমেনেয়ে গলদঘর্ম অবস্থা। থানায় না গিয়ে বাড়ি ঢুকে পড়লেন গণেশ হাজরা। স্নান-খাওয়া সেরে একেবারে থানায় যাবেন। ঘরের সামনে আসতেই শ্যালকবাবুর গলার আওয়াজ পেলেন। মাসের শেষ। এই সময় পকেট প্রায় গড়ের মাঠ। এর আগেও গণেশ দেখেছেন, বেছে বেছে এই সময়টাতেই শ্বশুরবাড়ির লোকেরা আসে। কিছু বলার উপায় নেই। বউয়ের ভাই বলে কথা। একেবারে মুখ হাঁড়ি হয়ে যাবে বউয়ের। দরজা খোলা। ঘরে ঢুকতেই শ্যালকবাবুর মুখে হাসি।

    “আসুন জামাইবাবু, আপনার জন্যই বসে আছি।”

    রাগে গা জ্বলতে থাকে। আমার বাড়িতে আমাকেই অভ্যর্থনা করা হচ্ছে! সে-কথা বলার উপায় নেই। কষ্ট করে হাসি ফুটিয়ে বললেন, “কখন এলে!”

    শ্যালকবাবু কিছু জবাব দেওয়ার আগেই গণেশের বউ সুলতা বলল, “সকালেই রন্তু এসেছে।”

    রন্তুর ভাল নাম রন্তিস রায়। বি এসসি পাশ করে ব্যোমকেশের মতো এখন শখের গোয়েন্দা। দু-চারটে রহস্য ভেদ করে অল্পস্বল্প নামও করেছে। যদিও শ্যালকের গোয়েন্দাগিরিতে এতটুকু বিশ্বাস নেই গণেশের।

    রন্তু একপলক গণেশের দিকে তাকিয়ে বলল, “জামাইবাবুর মুখ দেখে মনে হচ্ছে, ছোটখাটো কোনও গাড্ডায় পড়েছেন।”

    “ছোটখাটো নয়। একেবারে বড় গাড়ায় পড়েছি।”

    “ব্যাপারটা কী? খুলে বলুন তো দেখি, আপনাকে কোনও সাহায্য করা যায় কি না।”

    অন্য সময় হলে শ্যালকবাবুকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিতেন। আজ আর সাহস হল না। ফ্যানের তলায় ধপ করে বসে পড়লেন। সামনে রাখা বোতল থেকে ঢকঢক করে খানিক জল খেয়ে বললেন, “বড়বাবুর ছেলের বউয়ের সোনার হার চুরি গিয়েছে।”

    হাততালি দিয়ে ওঠে রন্তু, “ব্ৰেভো। চোরের এলেম আছে বলতে হবে। দেখা হলে পায়ের ধুলো নিতাম।”

    “তুমি ঠাট্টা করছ। এদিকে বড়বাবু একেবারে ফায়ার হয়ে গিয়েছেন।”

    “ব্যাপারটা খুলে বলুন তো।”

    একটু চুপ করে থেকে আগাগোড়া গোটা বৃত্তান্তটা বলে গেলেন গণেশ। কিছুক্ষণ গুম মেরে থাকে রন্তু।।

    “কেসটা একটু জটিল বলেই মনে হচ্ছে। বাইরের কেউ নিশ্চয়ই ঘরে ঢুকেছিল। না হলে হারটা আপনাআপনি ভ্যানিশ হতে পারে না।”

    “বাইরের লোক ঢুকবে কেমন করে? দরজা বন্ধ। জানলা দিয়ে হাত বাড়িয়ে নেওয়ার উপায় নেই।”

    “আমি একবার বড়বাবুর বাড়ি যেতে পারি?”

    আঁতকে উঠলেন গণেশ, “বাঘের খাঁচায় যেতে রাজি আছি। ওখানে আর না।”

    পাশ থেকে সুলতা বলল, “যত সব ভিতুর ডিম। আমি তোকে নিয়ে যাব।”

    গণেশ বউয়ের দিকে তাকিয়ে বললেন, “সেই ভাল হবে। দুঃখের সময় একটু সমবেদনা জানাতে পারবে।”

    দুপুরবেলায় শুয়ে ছিলেন মনোরমা। পাশের ঘরে রমা শুয়ে শুয়ে ভাবছিল, কী করে শ্বশুরের কাছ থেকে ওই রকম আর-একটা হার বাগানো যায়।

    সুলতা আগেও কয়েকবার এসেছে বড়বাবুর বাড়ি। দরজা খুলে দিয়েই বিরক্ত মুখে তাকালেন মনোরমা। কিছু বলার আগেই সুলতা বলল, “খবরটা শুনেই মনটা এমন খারাপ হয়ে গেল দিদি।”

    বিড়বিড় করেন মনোরমা। যত সব আদিখ্যেতা। জিনিস হারাল আমার, মন খারাপ হল ওর। মনের রাগ মনে চেপেই বললেন, “এসো ভাই, কপাল খারাপ, না হলে ঘর থেকে পাখা মেলে হার উধাও হয়ে গেল! তোমার সঙ্গে এই ছেলেটি কে?”

    “আমার ছোট ভাই রন্তু।”

    ঝপ করে প্রণামটা সেরে ফেলল রন্তু। জানে, প্রণাম করলে সবাই সন্তুষ্ট।

    “দিদির কাছে আপনার কথা অনেক শুনেছি। মনে হল, এই দুঃসময়ে পাশে এসে দাড়ানোটা আমাদের কর্তব্য। চুরিটা ঠিক কোন জায়গায় হয়েছিল?”

    “কেন, তুমিও কি তোমার জামাইবাবুর মতো ইনকোয়ারি করবে?”

    “না, সেরকম কিছু নয়, তবে একটা সন্দেহ হচ্ছে, দেখা যাক সেটা সত্যি কি না। যখন হারটা খুলে রেখে বউদি চান করতে গেলেন, তখন আপনারা ছাড়া ঘরে আর কেউ কি ছিল?”

    “না।”

    “ঘরে ঢোকার সদর দরজা ছাড়া আর কোনও দরজা আছে?”

    “ছাদের একটা দরজা আছে। তবে সেটা বন্ধ থাকে।”

    ভিতর থেকে রমা বের হয়ে এসেছিল। পরিচয় করিয়ে দিতেই রন্তু জিজ্ঞেস করল, “বউদি, আপনি যখন চান করে এসে দেখলেন হার নেই, তখন অস্বাভাবিক কিছু কি আপনার চোখে পড়েছিল?”

    “খেয়াল করিনি।”

    “ভালভাবে মনে করার চেষ্টা করুন। জানলা থেকে কিছু দেখেছিলেন?”

    রমা তাড়াতাড়ি বলল, “মনে পড়েছে। হারটা না পেয়ে সামনে গেলাম। কাউকে দেখতে পেলাম না। তবে ঝাউগাছটা খুব দুলছিল।”

    “আর কিছু?”

    “মনে হল, কেউ একটা জানলার কারনিসের উপর লাফ দিল।”

    রন্তু এগিয়ে গিয়ে জানলার উপর নাক রেখে কিছু শোকার চেষ্টা করল। পিছনে তিনজন হাঁ করে চেয়ে থাকল। শুধু সুলতা জিজ্ঞেস করল, “হার কি পাওয়া যাবে?”

    কোনও জবাব দিল না রন্তু। জানলার উপর ঝুঁকে পড়ে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছিল। তারপর দু’আঙুল দিয়ে সন্তর্পণে কিছু একটা তুলে ধরল। সবাই বড় বড় চোখে তাকাল, একটা আঙুল খানিক লম্বা চুল।

    “এই চুলটা কার?”

    মনোরমা বলেন, “আমাদের কারও হবে।”

    মাথা নাড়ে রন্তু, “আমার মনে হচ্ছে না। এ চুলের রং বাদামি।”

    সুলতা গম্ভীর গলায় বলল, “হার খুঁজতে এসে তুই চুল খুঁজে বের করলি!”

    রন্তু চুলটা দেখতে দেখতে বলল, “আসল গোয়েন্দারা এই সব ছোটখাটো জিনিস থেকেই রহস্য ভেদ করে।”

    “তার মানে ওই চুল থেকেই তুই রহস্য ভেদ করবি?”

    দিদির কথার কোনও জবাব দিল না রন্তু। জানলা দিয়ে এক পলক বাইরে চারদিকে তাকিয়ে বলল, “চোর এই জানলা দিয়ে হার নিয়েছে।”

    “নিল কেমন করে?”

    “ধীরে ধীরে সব জানতে পারবি। এখন একটা বড় মই দরকার। বাইরে থেকে এই জানলায় উঠতে হবে।”

    মনোরমা আর রমার কৌতুহল বাড়ছিল। মনোরমা বললেন, “থানায় বড় মই আছে। দাঁড়াও, আমি ফোন করে দিচ্ছি।”

    রমা মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, “হার পাওয়া যাবে তো?”

    রন্তু মুচকি হেসে জবাব দিল, “হার না পাওয়া গেলেও চোরের সন্ধান পাওয়া যাবে।”

    রমা ঠোঁট উলটে বলল, “তাতে আমার কী লাভ হবে?”

    মনোরমা সঙ্গে সঙ্গে বললেন, “তখন বড়বাবু, মেজবাবু, ছোটবাবু ছুটবেন চোর ধরতে।”

    সুলতা বলল, “আর, চোরকে পাওয়া গেলেই হার পাওয়া যাবে।”

    রন্তু মাথা নাড়ে, “হুঁ-হুঁ, এ চোরকে ধরা থানার কর্তাদের কম্মো নয়। দিদি, এখন তাড়াতাড়ি মইটা আনতে বলুন।”

    খানিক পরেই একসঙ্গে বড়বাবু, মেজবাবু,। ছোটবাবু এসে হাজির। পিছনে লম্বা মই নিয়ে চারজন পেটমোটা পুলিশ। তার পিছনে বন্দুক নিয়ে আরও চারজন। ঘরে ঢুকেই বড়বাবু চেঁচিয়ে উঠলেন, “চোর কোথায়? চোর কোথায়?”

    মনোরমা মুখ ভেঙান। “চোর যেন আমার আঁচলের তলায় বসে আছে। উনি আসবেন আর সঙ্গে সঙ্গে বের করে দেব। এই বুদ্ধি নিয়ে থানার বড়বাবু হয়েছেন!”

    বউয়ের সামনে এলেই বড়বাবু যেন কেমন কুঁকড়ে যান। আমতা আমতা করে বললেন, “তবে মই কী হবে?”

    “এর দরকার।”

    রন্তুর দিকে চোখ পড়তেই বড়বাবু বললেন, “তুমি কে হে ছোকরা?”

    তাড়াতাড়ি গণেশ জবাব দিলেন, “স্যার, আমার শ্যালক।”

    “মই দিয়ে কী করবে?”

    “তোমার অত খোঁজে কী দরকার?” ধমকে উঠলেন মনোরমা।

    রন্তু জানলার সামনে এসে বলল, “এইখানটায় মই লাগান। আমি উপরে উঠছি।”

    দেওয়ালের গায়ে মই। চারজন পুলিশ মই ধরে আছে। চারজন পুলিশ অ্যাটেনশন হয়ে বন্দুক উঁচিয়ে আছে। বড়বাবু, মেজবাবু, ছোটবাবু উর্ধ্বমুখী হয়ে চেয়ে আছেন। মেয়েরাও বেরিয়ে পড়েছেন, রাস্তায় লোক জমতে শুরু করেছে।

    মই বেয়ে উপরে উঠতে শুরু করল রন্তু। কারও চোখের পলক পড়ে না। মইয়ের মাথায় উঠে একবার চারদিকটা দেখে নিল। মাথার উপরে কারনিস। সোজা কারনিসের উপরে হাত বাড়িয়ে দিল। নীচে সকলে উত্তেজনায় টানটান। কী হয়, কী হয় ভাব!

    দু’-চারবার হাতটা এদিক-ওদিক করেই চেঁচিয়ে উঠল রন্তু, “পেয়েছি পেয়েছি।”

    তারপরই হাতটা সামনে আনতেই বড়বাবু চেঁচিয়ে উঠলেন, “ওই তো বউমার হার।”

    রন্তু হার নিয়ে নীচে নামতেই বড়বাবু বললেন, “পুলিশে ঢুকলে তোমার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল।”

    “ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল নয়। বলো, একেবারে ঝাঁঝরা, ঠিক তোমার মতো।”

    বউয়ের দিকে একবার কটমট করে তাকিয়ে মুখ ফিরিয়ে নিলেন বড়বাবু।

    সুলতা ভাইয়ের হাত ধরে বলে ওঠে, “তুই কী করে জানলি, ওখানে হার আছে?”

    রন্তু মুখটা গম্ভীর করে বলল, “যখন জানলাম চোর জানলা দিয়ে ঢুকেছে, তখনই সন্দেহ হল। এটা মানুষের কাজ নয়, একমাত্র বাঁদরই পারে ওই রকম সরু গাছ বেয়ে উঠে আসতে। আর গাছটা জানলার গায়ে। গাছ দোলার কথা শুনে আর লোমটা দেখে একেবারে নিশ্চিন্ত হয়ে গেলাম। মনে হল, হারটা যখন খাওয়ার জিনিস নয়, বাঁদরটা ওটাকে কাছাকাছি কোথাও ফেলে দেবে। অনুমান করে কারনিসে উঠলাম।”

    মনোরমা বললেন, “ক’দিন ধরে দেখছিলাম, একটা বাঁদর এ পাড়ায় ঘুরছে। এ তা হলে ওই বাঁদরব্যাটার বাঁদরামি৷”

    বড়বাবুর মুখে মুচকি হাসি। পাশে দাঁড়িয়ে মেজবাবু। বড়বাবুর দিকে চেয়ে বললেন, “তা হলে স্যার যাদের লকআপে রেখেছি?”

    “চা-বিস্কুট খাইয়ে ছেড়ে দিন।”

    “আর বাঁদরটাকে?” কেউ একজন জিজ্ঞেস করল।

    “তাকেও চা-বিস্কুট খাইয়ে দিক,” মুখ বেঁকিয়ে বলে ওঠেন মনোরমা, “ভাগ্যিস ছেলেটা এসেছিল! হলে হারটা পাওয়া যেত না। বিনা দোষে লোকগুলো সারাদিন আটকা পড়ে থাকত। যত সব অপদার্থের দল।”।

    ৫ জুন ২০১১

    অলংকরণ : অনুপ রায়

    ⤷
    1 2
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅলৌকিক ও রোমাঞ্চ সমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)
    Next Article জালালগীতিকা সমগ্ৰ – যতীন সরকার সম্পাদিত

    Related Articles

    অসম্পূর্ণ বই

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    জালালগীতিকা সমগ্ৰ – যতীন সরকার সম্পাদিত

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    অলৌকিক ও রোমাঞ্চ সমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    January 8, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }