Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সরস গল্প সমগ্র – তারাপদ রায়

    তারাপদ রায় এক পাতা গল্প1280 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কে মারা যাচ্ছে?

    কে মারা যাচ্ছে?

    আজ চব্বিশ এপ্রিল।

    আর হাতে তিন দিন রয়েছে, মাত্র তিন দিন। এই বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যে যদি জগৎহরি মারা না যান তবে কেলেঙ্কারি হবে।

    এই গল্পের নায়ক জগহরি, শ্রীযুক্ত জগৎহরি মুখোপাধ্যায় এই কয়েকদিন আগেও মৃত্যুমুখী ছিলেন। চৈত্রমাসের প্রথমে সেই এক শনিবার বিকেলে বাড়ির কাছে পার্কে বেড়াতে যাওয়ার পথে হঠাৎ অকাল বর্ষণে প্রচণ্ড ভিজে গিয়েছিলেন জগৎহরি।

    সেই ঠান্ডা লেগে বুকে জল জমা, শ্বাস কষ্ট। বুড়ো বয়েসে এসব অসুখ মারাত্মক।

    তা ছাড়া জগৎহরিবাবুর বয়েস তো আর কিছু কম হয়নি। তিরাশি পূর্ণ হয়ে চুরাশিতে পা দিয়েছেন গত বৌষ মাসে। সে তুলনায় শরীর-স্বাস্থ্য ভালই ছিল, কিন্তু এ বয়েসে আচমকা অসুখ খুব বিপজ্জনক।

    জগৎহরিবাবু মৃত্যুর মুখে চলে গিয়েছিলেন। ডাক্তাররা জবাব দিয়ে দিয়েছিল। গত সোমবার তো মনে হয়েছিল আজকের রাত্রিটা কাটে কি না কাটে।

    সুখের কথা শুধু সেই সোমবারের রাত্রি নয় তারও পরে আরও পাঁচ-পাঁচটা রাত্রি বহাল তবিয়তে কাটিয়ে দিয়েছেন শ্রীযুক্ত জগৎহরি, নামের পূর্বে শ্রীর বদলে চন্দ্রবিন্দু বসানোয়, স্বর্গীয় জগৎহরি হওয়ায়, তার তেমন বিশেষ কোনও উৎসাহ দেখা যায়নি।

    ওইখানেই হয়েছে বিপদ।

    শ্রীযুক্ত জগৎহরি মুখোপাধ্যায় কোনও সামান্য লোক নন। দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার প্রবাদসিদ্ধ এক মুখুজ্যে বংশের তিনি মুখোজ্জ্বলকারী উত্তরপুরুষ। পিতৃপুরুষদের বিশাল পারিবারিক ব্যবসা ছিল চেতলা হাটে। মশারি আর মাছ মারার জালের পাইকারি কারবার। সেই ব্যবসা ধীরেসুস্থে অনেকটা গুটিয়ে নিয়ে তিনি চলচ্চিত্রে প্রযোজনায় মনোনিবেশ করেন।

    জগৎহরি বিশ-পঁচিশ বছর আগে চিত্রজগতে রীতিমতো প্রতিষ্ঠিত নোক ছিলেন। নীতিশ মুখার্জির ভাইপোর বিয়েতে তিনি বরযাত্রী হয়েছিলেন, মলিনা দেবী তাঁকে ভাইফোঁটা দিতেন, এমনকী স্বয়ং উত্তমকুমার তাকে জগদা বলতেন। বাড়িতে কড়া করে ইলিশ মাছ ভেজে, বিমানযাত্রী পেলে, জগৎবাবু গীতা দত্তকে বোম্বাইতে পাঠাতেন। কলকাতায় কালেভদ্রে রাজকাপুর এলে তিনি ঘি-গরমমশলা দেওয়া পেঁয়াজ-রসুন ছাড়া পাঁঠার মাংসের ঝোল রাজকাপুরকে হোটেলে পাঠাতেন। রাজকাপুর যাওয়ার সময়ে তাঁর কলকাতার এজেন্টকে বলে যেতেন। তাঁর হোটেলের ঘরে কয়েক বোতল স্কচ হুইস্কির বোতলে সব সময়েই যথেষ্ট অবশিষ্টাংশ পড়ে থাকত, কারণ তিনি নতুন বোতল না খুলে খেতেন না এবং প্রচুরই খেতেন, সেই বোতলগুলো জগত্তরিকে এজেন্ট সাহেব পাঠিয়ে দিতেন। এবং সেই প্রসাদ পেয়ে জগৎহরিবাবু ধন্য বোধ করতেন। লোকজনকে ডেকে ডেকে খাওয়াতেন, বলতেন, এটা রাজকাপুরের স্কচ।

    জগৎহরি অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে ব্যবসা শুরু করেছিলেন শরৎচন্দ্রের গল্পের সিনেমা করে। গল্পটা শরৎচন্দ্রের। কিন্তু একটু ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে রচনা করে, কপিরাইট না কিনে অন্য নামে চলচ্চিত্রায়ণ করতেন, যেমন গৃহদাহ তার সুবাদে হয়েছিল মনের আগুন, চরিত্রহীন হয়েছিল পথে বিপথে। চিত্রনাট্যকারের নাম থাকত না, তাকে এজন্যে কিছু বেশি পয়সা দেয়া হত। বইয়ের টাইটেলে লেখা থাকত কাহিনি ও চিত্রনাট্য ছদ্মবেশী।

    এসব বই দুর্বল অশ্রুগ্রন্থি বাঙালি মধ্যবিত্ত দর্শক লুফে নিয়েছিল। তারাই তখনকার সিনেমার প্রধান পৃষ্ঠপোষক। কান্নাহাসির দোল-দোলানো পৌষফাল্গুনের পালা চিরদিনই বাঙালি দর্শকের অতি প্রিয়।

    যথেষ্ট পয়সা করেছিলেন জগহরিবাবু, মশারির ব্যবসায় এর চেয়ে বেশি উপার্জন হওয়া সম্ভব ছিল না। তা ছাড়া চেতলার মশারির দোকানটা ছোট করে ভালই চলছিল, দোকানটা থেকে সংসার খরচা মোটামুটি চলে যেত। সিনেমার লাইনে যেমন হয় জগৎহরিবাবুর কিন্তু চরিত্রদোষ ছিল না, সে বড় খরচার ব্যাপার।

    ফলে সিনেমা করে যেটুকু লাভ হয়েছিল প্রায় পুরো টাকাটাই জগৎহরি নানাভাবে বিনিয়োগ করেছিলেন। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া পারিবারিক বিষয়বুদ্ধি এ ব্যাপারে তাকে সাহায্য করেছিল।

    যোধপুর পার্কে পাঁচ কাঠা জমি কিনেছিলেন, ক্যামাক স্ট্রিটে একটা বড়সড় ফ্ল্যাট। শান্তিনিকেতনে বাড়ি করলেন এক বিঘে জমির ওপরে। এ ছাড়া পোস্টাফিসে ক্যাশ সার্টিফিকেট কিনলেন প্রায় দু লাখ টাকার মতো, যা ডবল হয়ে হয়ে এখন আটলাখে দাঁড়িয়েছে।

    তবে জগৎহরি ব্যবসায়ের পথ সবটাই যে কুসুমাস্তীর্ণ ছিল তা নয়। একবার খ্যাতির লোভে আর্ট ফিল্ম করে বেশ কয়েক লাখ টাকা গচ্চা দিয়েছিলেন, তবে এই সুযোগে একবার লাক্সেমবার্গে ঘুরে এসেছিলেন। সেখানে তার প্রযোজিত বই ঘাম ও রক্ততৃতীয় বিশ্বের চিত্রমেলায় প্রদর্শিত হয়েছিল। ব্যস ওই পর্যন্তই, তার পরে আর এ ব্যাপারে কোনও খবর পাওয়া যায়নি। প্রদর্শনের সময় আন্ডারগ্রাউন্ড ঘুপচি হলে দেড়শো সিটের মধ্যে মাত্র বারোটি সিট পূর্ণ ছিল, তার মধ্যে তিনটেতে ছিলেন তিনি, তার পরিচালক কাবুল মল্লিক এবং শ্রীমতী কাবুল।

    শ্ৰীমতী ও শ্রীমান কাবুল মল্লিক অত্যন্ত তুখোড় দম্পতি। ঘাম ও রক্ত ছিল জোতদার বর্গাদার সম্পর্ক নিয়ে একটি আর্থ-সামাজিক প্রতিবেদন। বইটি এক পয়সাও ফেরত দেয়নি, কলকাতায় একদিনও চলেনি। তবে বড় বড় কাগজে, বৈদ্যুতিক প্রচার মাধ্যমে প্রচুর বাহবা পেয়েছিল। তবে সেসবের পিছনেও ছিল পাঁচতারা হোটেলে পার্টি, অবশ্য জগৎহরির পয়সায়।

    সেই জগৎহরি এখন মরতে বসেছেন। কিংবা সঠিক করে বলা উচিত আগে মরতে বসেছিলেন, এখন বাঁচতে বসেছেন।

    কিন্তু তার বোধহয় বাঁচা হবে না। তার বোধহয় আর বাঁচা হবে না, অন্ততপক্ষে বাঁচা উচিত হবে না।

    এভাবে বলা ঠিক হচ্ছে না। কিন্তু কী ভাবেই বা বলা যায়? ব্যাপারটা গোলমেলে।

    জগৎহরিবাবুর কোনও মেয়ে নেই, পর পর চার ছেলে। ছেলেরা এখন লায়েক হয়েছে, সিনেমা প্রযোজকের ছেলেদের যতটা বখে যাওয়া সম্ভব, তার চেয়ে কিছু কম বখে যায়নি তারা।

    তাই বলে তারা যে কেউ পিতৃভক্ত নয়, তা নয়। জগৎহরির মৃত্যু নিশ্চিত জেনে তারা একেকজন নিজের মতো সিদ্ধান্ত নেয়।

    বড় ছেলেটি প্রশান্ত, বাবার টাকায় যাত্রাদল করেছে, যাত্রা-উর্বশী আইভরি দাশের সঙ্গে আগামী দুসপ্তাহ তার উত্তরবঙ্গ সফরের প্রোগ্রাম ছিল। বাবার জন্যে সেটা ক্যানসেল করেছে।

    দ্বিতীয়টি অশান্ত। চিটফান্ড কোম্পানি করেছে। এক বছরে টাকা ডবল করে দেয়। তার বাবা, জগহরি, তাকে বিশ্বাস করতেন না। তিনি বাড়িতেই বছর বছর টাকা ডবল হওয়ার সুবিধে আছে জেনেও পোস্টাপিসে টাকা জমিয়েছিলেন ছয় বছরের মেয়াদে।

    তৃতীয়টি সুশান্ত। সে পারিবারিক ব্যবসা চেতলার হাটে মশারির ব্যবসাটা দেখে। সে বেশ সব্যবস্থ। দোকানের আয় থেকে সংসার খরচের জন্য দৈনিকই দুশো-আড়াইশো টাকা তার মা নিরুপমার হাতে দেয়। লোক-লৌকিকতা, পুজো, নববর্ষ ইত্যাদির মোটা টাকার দায়ও সে বহন করে।

    এই তিনজনই বিবাহিত। স্ত্রী, ছেলেমেয়ে, শ্বশুরবাড়ি ইত্যাদি আছে। চতুর্থটির বিয়ে হয়নি, সে বোবা। সঙ্গত কারণেই তার নাম শান্ত। তার বিশেষ কোনও দোষ বা গুণ নেই। শুধু সন্ধ্যাবেলা কালীঘাট বাজারে গিয়ে দু পাইট দুনম্বর বাংলা মদ না খেলে তার রাতে ঘুম আসে না।

    ভালই চলছিল সব। গোল বাধিয়েছেন জগৎহরিবাবু নিজে। তিনি কিছুতেই মারা যাচ্ছেন না।

    সব রকম বিধি বন্দোবস্ত করা আছে। গঙ্গাজল, তামা, তুলসী। দৈনিক চেতলা বাজার থেকে এক টাকায় আস্ত তুলসীগাছ কিনে আনা হচ্ছে। বড়বাজার থেকে এক কেজি খাঁটি তিল এনে পুজোর ঘরে রাখা হয়েছে। এক বালতি খুচরো পয়সা জমানো হয়েছে, সেইসঙ্গে এক টিন খই। শবযাত্রার সময়ে ছিটোতে হবে।

    ডাক্তাররা তো দিনক্ষণ বলেই দিয়েছিলেন। কিন্তু জগহরি ডাক্তারি নির্দেশ অমান্য করে বেঁচে রয়েছেন।

    সবচেয়ে সমস্যা দাঁড়িয়েছে হরিমোহিনী দেবীকে নিয়ে। আগাম ১০ হাজার টাকা দিয়ে তাঁকে শ্রাদ্ধবাসরে কীর্তন গাওয়ার জন্যে বুক করা হয়েছে। জগৎহরিবাবুর মতো কৃতবিদ্য ব্যক্তির শ্রাদ্ধবাসরে যেখানে চিত্রজগতের দিকপালেরা, নট-নটিরা অবশ্যই আসবেন সেখানে হরিমোহিনী দেবী ছাড়া আর কাউকে দিয়ে কীর্তন গাওয়ানো একেবারেই ঠিক হবে না। মোটেই সম্মানজনক হবে না জগৎহরিবাবুর পুত্রদের পক্ষে।

    এদিকে, হরিমোহিনী দেবী স্টেটসে চলে যাচ্ছেন সাতই মে। নিউ জার্সিতে, বস্টনে, লস এঞ্জেলসে তাঁর কীর্তন গানের চুক্তি। টিকিট, প্রোগ্রাম সব ফাঁইনাল। শ্রাদ্ধ হবে মৃত্যুর পরে এগারো দিনে, বড় জোর সাতই মে সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করা সম্ভব।

    অবশেষে সমস্ত সমস্যা হৃদয়ঙ্গম করে এক শুভানুধ্যায়ী একটি সুপরামর্শ দিলেন। জগৎহরিবাবুকে উইল করতে বলুন। অনেক সময় দেখা যায় মুমুর্ষ ব্যক্তি উইল করার পরেই মারা যান। উইল করার সঙ্গে সঙ্গে বাঁচবার ইচ্ছে সম্পূর্ণ দূরীভূত হয়। সম্পত্তির ভাগবাটোয়ারা মনোমতো ভাবে করে তিনি শান্তিতে দ্রুত পরলোকে গমন করেন। পরামর্শটা পেয়েছিল বড় ভাই প্রশান্ত। সে এসে অশান্ত এবং সুশান্তকে বলে। হাবেভাবে শান্তকেও ব্যাপারটা যথাসাধ্য বোঝানো হয়। তার পরে চার ভাই দল বেঁধে মা নিরুপমাকে বোঝাতে গিয়ে দেখল তারও কোনও আপত্তি নেই। তিনি আগে থেকে মন শক্ত করে বসে আছেন। তা ছাড়া তিনি হরিমোহিনী দেবীর কীর্তনের অত্যন্ত ভক্ত। হরিমোহিনী দেবীর কীর্তনই যদি না হল তা হলে তাঁর বিধবা হয়ে লাভ কী?

    যথাসময়ে আলিপুর আদালতে পারিবারিক উকিল রামতনু ঘোষকে খবর দেওয়া হয়েছিল। আজ ২৪ এপ্রিল রবিবার সকালে তিনি উইল করতে এসেছেন।

    জগহরিবাবু আগে থেকে কিছু জানেন না। তিনি রামতনুবাবুকে দেখে ভেবেছেন, পুরনো পরিচিত লোক, হয়তো তার শারীরিক অবস্থার কথা শুনে দেখতে এসেছেন।

    সুতরাং যখন রামতনুবাবু বললেন যে, তিনি তাঁর উইল করতে এসেছেন। জগৎহরিবাবু একেবারে আকাশ থেকে পড়লেন। উইল? আমি কেন উইল করতে যাব? জগৎহরিবাবু আইন কিছু কম জানেন না, তিনি বললেন, আমি মারা গেলে আমার সমস্ত স্থাবর-অস্থাবর বিষয়সম্পত্তি আমার স্ত্রী আর চার ছেলে সমান ভাগে পাবে। এর জন্যে আবার উইল করতে যাব কেন? রামতনুবাবু পুরনো, ঝানু উকিল। তিনি বললেন, উইল করা ভাল। তা হলে পরে আর উত্তরাধিকারীদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা নিয়ে গোলমাল হয় না। কিছুটা কথাবার্তার পর জগহরিবাবু উইল করতে নিমরাজি হলেন। ততক্ষণে চার ছেলে এবং বিরাট ঘোমটা টেনে নিরুপমাদেবীও জগৎহরিবাবুর শয্যার পাশে এসে গেছেন।

    জগৎহরিবাবুর খাটের সামনে একটা নিচু তক্তাপোশ রয়েছে, সেটায় বাড়ির সবাই বসলেন। পাশে একটা কাঠের চেয়ারে রামতনুবাবু। রামতনুবাবুর মুহুরিও সঙ্গে এসেছে, সে মেঝেতে কাগজ কলম নিয়ে বসল। তার নাম সহদেব।

    সজ্ঞানে, সুস্থ শরীরে ইত্যাদি প্রথা ও আইন মাফিক বয়ান শেষ হওয়ার পরে জগহরিবাবু বললেন, যোধপুর পার্কে আমার পাঁচ কাঠা জমি রয়েছে, সেই জমি আমি আমার সতীসাধ্বী স্ত্রী। শ্রীযুক্তা নিরুপমা দেবীকে দিলাম।

    সঙ্গে সঙ্গে নিরুপমা দেবী ঘোমটার আড়াল থেকে কাংস্য কণ্ঠে প্রতিবাদ করলেন, দ্যাখো কাণ্ড! আমি বুড়ি মানুষ, বিধবা হতে যাচ্ছি, খালি জমি দিয়ে আমি কী করব?

    নিরুপমা দেবীর প্রতিবাদ শুনে একটু থমকিয়ে গেলেন জগৎহরি। মুখে বললেন, ঠিক আছে ওটা পরে দেখছি। সহদেব মুহুরিও চতুর লোক, যোধপুর পার্কের জমির লাইনটা যেটা সে এইমাত্র লিখেছিল সেটার গায়ে একটা প্রশ্নবোধক চিহ্ন লাগিয়ে দিল।

    এবার জগহরিবাবু বললেন, আমার ক্যামাক স্ট্রিটের ফ্ল্যাটটা আমার বড় ছেলে প্রশান্তকে দেব।

    সঙ্গে সঙ্গে বাধা দিলেন নিরুপমা দেবী, না। না। ও ফ্ল্যাটটা অশান্তকে দাও। ও একটু সাহেবি মেজাজের। তা ছাড়া ওর যা কাজ করবার সেটা বাঙালিপাড়ায় নিরাপদ নয়।

    ঢোক গিললেন জগৎহরিবাবু, রামতনুবাবু। মেঝেতে সহদেব মুহুরিও সদ্য সমাপ্ত পংক্তিটির পাশে আবার একটি প্রশ্নবোধক চিহ্ন দিল।

    কিছুক্ষণ গুম হয়ে থেকে জগৎহরি বললেন, আমার চেতলা বাজারে মশারির ব্যবসাটা তৃতীয় ছেলে সুশান্ত দেখাশোনা করে ওটা তাকেই দিয়ে যাব।

    বাক্য শেষ হওয়ার আগেই আবার নিরুপমার আপত্তি, এই তোমার বুদ্ধি? তুমি মরে গেলে মশারির ব্যবসা করবে নাকি কেউও? ওটা প্রশান্তকে দাও। চেতলা বাজারে অত ভাল জায়গা, ওখানে প্রশান্ত যাত্রা কোম্পানির অফিস করবে।

    আবার কিঞ্চিৎ নীরবতা এবং সহদেব মুহুরির প্রশ্নবোধক চিহ্ন।

    ভিতরে ভিতরে উত্তেজিত হচ্ছিলেন জগৎহরি, তিনি এবারে অনেকদিন পরে খাটের ওপরে উঠে বসলেন, বললেন, আমি যদি শান্তিনিকেতনের নিরিবিলি বাড়িটা এই বোবা কালা ছেলে শান্তকে দিই, ওর মতো ও শান্তিতে থাকতে পারবে, তাতে নিশ্চয় তোমাদের কোনও আপত্তির কারণ নেই।

    নিরুপমা বললেন, নিশ্চয় আপত্তি করব। তোমার বুদ্ধিসুদ্ধি সব লোপ পেয়েছে। শান্তিনিকেতনে শান্তকে দেখবে কে। সেটা হল গানবাজনার জায়গা। কালাবোবার সেখানে কোনও ঠাই নেই।

    আর সহ্য করতে পারলেন না জগৎহরি। যাঁর চিত হয়ে খাটে শুয়ে শ্মশানে যাওয়ার কথা, তিনি তড়াক করে খাট থেকে মেঝের ওপর নেমে সোজা হয়ে দাঁড়ালেন। সহদেব মুহুরি আর একটা প্রশ্নবোধক চিহ্ন দিতে যাচ্ছিল, জগৎহরিবাবুর ডান পাটা তার ডান হাতের ওপর পড়ায় সে একটু কোঁক করে উঠল।

    ঘোমটা টানা নিরুপমার মুখপানে তাকিয়ে জগহরি গর্জে উঠলেন, বলি উইলটা কার? আমার, না তোমার? বলি মারা যাচ্ছে কে? আমি, না তুমি?

    বলা বাহুল্য এ গল্প এখানেই শেষ। পুরনো দিনের পাঠকেরা যারা গল্পের শেষে একটা পরিণতি প্রত্যাশা করেন, তাঁদের অবগতির জন্যে তিনটি ঘটনা জানাচ্ছি। এক, জগহরিবাবু উইল করেননি। দুই, জগৎহরিবাবু এখনও মারা যাননি। তিন, জগৎহরিবাবু একটা নতুন সিনেমা প্রযোজনায় হাত দিয়েছেন, কাহিনির নাম, যতক্ষণ শ্বাস।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখাজুরাহ সুন্দরী
    Next Article কীর্তিহাটের কড়চা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    তারাপদ রায়

    রম্যরচনা ৩৬৫ – তারাপদ রায়

    August 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }