Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সরস গল্প সমগ্র – তারাপদ রায়

    তারাপদ রায় এক পাতা গল্প1280 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লালমোহনের বিপদ

    লালমোহনের বিপদ

    লালমোহন পাল

    লালমোহনের কোনওদিন কিছু হবে, এমন কেউই আশা করেনি।

    সবাই ধরে নিয়েছিল, লালমোহনের ভবিষ্যৎ অন্ধকার, বিশেষ করে সে যখন মাধ্যমিক পরীক্ষায় অঙ্কে ব্যাক পেল।

    অবশ্য লালমোহনের ভবিষ্যৎ যে অন্ধকার সেটা ভাববার কারণ ওই শুধু ব্যাক পাওয়া নয়। মাধ্যমিক পরীক্ষার আগেই আঠারো-উনিশ বছর বয়েসের মধ্যে তার নানাবিধ গুণ দেখা গিয়েছিল। মারামারি, ভীতি প্রদর্শন, ইভটিজিং, ছিনতাই ইত্যাদি ছোটখাটো গোলমালে পড়ে থানার রাফলিস্টে তার নাম উঠে গিয়েছিল। মাধ্যমিক পরীক্ষার পর সে স্থানীয় সাট্টা পেনসিলার রূপে জীবিকা অর্জন শুরু করে।

    .

    ছোটখাটো অপরাধ করে লালমোহন অনায়াসেই পার পেয়ে যেত। তার প্রধান সহায় ছিলেন তার বাবা ভুবনমোহন পাল।

    ভুবনবাবু ফৌজদারি আদালতের মুহুরি ছিলেন। স্থানীয় থানার টাউট এবং খুজিলদার হিসেবেও পার্টটাইম কাজ করতেন। পুলিশ ও দুষ্কৃতীরা এদের যথাক্রমে সোর্স এবং খেচর বলে।

    সুতরাং সাট্টা পেনসিলার তথা স্থানীয় মাস্তান রূপে জীবিকা অর্জন করতে লালমোহনের কোনও অসুবিধে হয়নি। সদর কলকাতা থেকে অল্প কিছুটা দূরত্বে আধা মফসসল শহরতলিতে তার কারবার, বাপের দৌলতে ভালই চলছিল।

    কিন্তু কলকাতায় বউবাজারে প্রাতঃস্মরণীয় রশিদ খানের বোমা-বিপর্যয়ের পরে যখন চারদিকে খানাতল্লাসি, গ্রেফতারি ইত্যাদি হল সেই সময় ভুবনমোহনের পুত্র লালমোহনকেও আত্মগোপন করতে হয়।

    তবে বেশি দূরে যেতে হয়নি। ভুবনবাবুর বাড়ি রথতলায়, পাশের এলাকাই থানা পাড়া। থানার ছোটবাবুর বাড়িতে লালমোহন আশ্রয় গ্রহণ করে। ভালই চলে সেখানে কিন্তু অসতর্কতাবশত ছোটবাবুর শ্যালিকা গর্ভবতী হয়ে পড়ায় লালমোহনকে সেখান থেকে চলে আসতে হয়।

    ভুবনবাবু পাকা লোক। তিনি এরকম যোগ্য পুত্রের জন্য সুব্যবস্থা করেছিলেন। দুটি কাজ তিনি করেছিলেন, অঙ্কের সেই পরীক্ষা এবং পুলিশের চাকরি। দুটোতেই পার পেয়েছিল লালমোহন, তবে তাকে উপস্থিত হতে হয়নি। সব ব্যবস্থা নির্ভুল করেছিলেন, কোনও পরীক্ষাই তাকে দিতে হয়নি, এমনকী তার উচ্চতা যে পুলিশের চাকরির প্রয়োজনীয় উচ্চতার চেয়ে এক ইঞ্চি কম, সেটাও কোনও বাধা হয়নি, তার হয়ে অন্য এক যুবক শারীরিক পরীক্ষা দিয়েছিল। বলাবাহুল্য, উক্ত যুবকটি ছিল ভুবনবাবুর মক্কেল। ডাকাতি মামলার জামিন প্রাপ্ত আসামি।

    আমাদের এই গল্প আরম্ভ হচ্ছে এসবের চার বছর পরে। তখন লালমোহন একজন অভিজ্ঞ পুলিশ কনস্টেবল। পোস্টিং মেদিনীপুর অঞ্চলের উড়িষ্যা এবং বিহার সন্নিহিত একটি থানায়।

    হারাধন সারকেল

    সেদিন সকালবেলা খাঁটি সরষের তেল দিয়ে বড়বাবুকে ম্যাসাজ করছিল লালমোহন, এটাই তার প্রাত্যহিক মর্নিং ডিউটি। ঘণ্টাখানেক দলাই-মলাই না করলে বড়বাবু উঠে দাঁড়াতে পারেন না।

    বড়বাবুর নাম হারাধন সারকেল। বড়বাবুর বয়েস পঞ্চান্ন হয়েছে। কৃষ্ণবর্ণ, নাদুসনুদুস, মাথায় টাক, চমৎকার নেয়াপাঁতি ভুড়ি। হারাধনবাবু একদম বাংলা সিনেমার দারোগাবাবুর মতো দেখতে। হারাধন নিজেও সে কথা জানেন। মধ্যে মধ্যে কথায় কথায় অহংকার করেন, লোকে দারোগা দেখে চিনতে না পারলে হবে? তার জন্যে সবসময় উর্দি পরে থাকতে হবে নাকি। এই বলে হুম বলে একটা শব্দ করেন, যেমন করতেন সুন্দরবাবু পুরাকালের হেমেন রায়ের সেইসব গোয়েন্দা কাহিনিগুলোর দারোগা চরিত্রে।

    হয়তো হারাধন কিশোর বয়েসে অন্যান্যদের মতো হেমেন্দ্রকুমারের ভক্ত ছিলেন, পরে দারোগাজীবনে হুম শব্দটা রপ্ত করে নিয়েছেন।

    এবং, এ কথা অনস্বীকার্য যে হুম শব্দটি বহুবার্থক (বহু + অর্থক) এবং একজন উঁদরেল। দারোগা অর্ধেক কথা না বলে শুধু হুম করেই বাক্যালাপ সারতে পারেন।

    ইংরেজিতে হোম সিক (Home Sick) বলে একটা কথা আছে, যার মানে হল বাড়ির জন্যে মন। খারাপ। শীতের দিনে ঝিরঝিরে বৃষ্টি পড়লে কলকাতার সেকালের ইংরেজরা বলতেন হোম ওয়েদার, তারা হোম সিক হয়ে পড়তেন।

    হারাধন সারকে বর্তমান থানায় বড়বাবু হয়ে যোগদান করার পরে অল্প কিছুদিনের মধ্যে স্থানীয় ফৌজদারি আদালতে একটা কথা চালু হয়েছে, লোকটা হুম সিক হয়েছে।

    আদতে ব্যাপারটা হল, আরও বিস্তর সহকর্মীর মতো হারাধন আসামিদের পেটাতে ভালবাসেন। এদিকে ইতিমধ্যে তাঁর হুম কুখ্যাত হয়ে গেছে। আদালতে হারাধন প্রহৃত আসামিদের সেই জন্যে হুম সিক নামকরণ হয়েছে।

    সে যা হোক, বহুকাল আগে, স্বাধীনতার দ্বিতীয় দশকে হারাধন পুলিশের কাজে ঢুকেছিলেন। কাজটা ছিল লিটারেট কনেস্টেবলের। তখন বলা হত এল.সি.। অর্থাৎ শিক্ষিত সেপাই। সেখান থেকে তিনি ধীরে সুস্থে ছোট দারোগা, বড় দারোগা হয়েছেন।

    .

    হারাধনবাবুর বিশ্বাস রিটায়ার করার আগে তিনি সার্কেল ইন্সপেক্টর হবেন। সেই কবে প্রথম যখন চাকরিতে ঢুকেছিলেন এক বাটপাড়ির মামলায় নামজাদা এক জ্যোতিষীকে জেরা করেছিলেন। সেই সময়ে জ্যোতিষী তার হাত ও কপাল দেখে স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বলেছিলেন, আপনার সারকেল উপাধি বৃথা যাবে না। ভবিষ্যৎবাণী করছি, আপনি একদিন অবশ্যই সার্কেল ইন্সপেক্টরও হবেন।

    সেই আজ থেকে তিরিশ-পঁয়ত্রিশ বছর আগে সার্কেল ইন্সপেক্টর সোজা ব্যাপার ছিল না। তখনও দেশে এত আই জি, ডি আই জি গিজগিজ করত না। ডিজি-টিজি বলে কিছু ছিল না।

    হারাধনবাবু যেমন নিশ্চিত যে রিটায়ার করার আগে তিনি সার্কেল ইন্সপেক্টর হবেনই, তেমনিই মনের মধ্যে একটা চিন্তা আছে যে দারোগার ওপরে উঠে গেলে এখন যেমন আসামিদের, সন্দেহভাজনদের পিটিয়ে লাথিয়ে হাতের সুখ পায়ের সুখ করেন তখন তা করা যাবে না।

    যা তোক ভবিষ্যতের জন্যে ভেবে লাভ নেই। এখন হারাধন সারকেল ভালই আছেন। এই রতনপুর থানায় তার তিন বছর হতে চলল।

    রতনপুর থানাটি ন্যাশনাল হাইওয়ের একপাশে। হাইওয়ে দিয়ে রাতদিন বাস-ট্রাক, প্রাইভেট গাড়ি, ট্রেকার, অটো যাতায়াত করে, করিৎকর্মা পুলিশের পক্ষে একেবারে যাকে বলে চলন্ত সোনার খনি. অথবা জীবন্ত টাকশাল।

    বাংলা-বিহার-উড়িষ্যা এ তিন রাজ্যের মধ্যে বেআইনি অস্ত্র, দাগি আসামি, নিষিদ্ধ মাদক এই সব নিয়ে হাইওয়ে পথে গাড়ির যাতায়াত। প্রত্যেকের নির্দিষ্ট ভোলা আছে। যথাসময়ে থানা থেকে ডাকবাবু যথাস্থানে গিয়ে এটা সংগ্রহ করে আনেন।

    আদায়পত্র ভালই হয়। কিন্তু নীচে-উপরে অন্য অনেকের সঙ্গে ভাগেজোকে টাকাটা খেতে হয়, সেটাই নিরাপদ।

    .

    হারাধনবাবুর খাঁই বড় বেশি। এতে তাঁর পোষায় না। তার তারকেশ্বরে একটা আলুর কোল্ড স্টোরেজ আছে, জি টি রোডে একটা সিনেমা হল আছে। বিশ্বস্ত শালারা সেসব দেখাশোনা করে। এতদূরে মেদিনীপুর জেলার শেষ সীমা থেকে তিনি নিজে খুব বেশি খোঁজখবর রাখতে পারেন না।

    তবে ওই হাইওয়ের তোলা আদায় ছাড়াও তিনি স্থানীয়ভাবে একটু উপরি-আয়ের বন্দোবস্ত করেছেন।

    থানা থেকে পঞ্চাশ গজ এগিয়েই পুরনো বটতলা। হাইওয়ের দূরপাল্লার বাসও ওখানে দাঁড়ায়। দুয়েকটা হোটেল, চায়ের দোকান, মুদির দোকান, একটা হোমিওপ্যাথি ডাক্তারখানা। সকাল সন্ধ্যায় কিছু লোক রাস্তার ওপরে ছোটখাটো কুচো মাছ, তরি-তরকারি, ঋতু বিশেষে মহুয়ার ফুল নিয়ে বসে। একটা হাড়িয়া মানে ধেনোপানীয়ের দোকানও কাছেই আছে।

    সেই হাড়িয়ার আড্ডার অনতিদূরে হাইওয়ে থেকে একটু নাবালে কয়েকটা একচালা ঘর। তার সামনে সকাল-সন্ধ্যা কয়েকজন পথবণিতা সস্তার পাউডার আর ফুলেল তেল মেখে দয়িতের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকে।

    এটা সম্পূর্ণ হারাধন সারকেলের কীর্তি। আড়ালে-আবডালে হয়তো চলত, কিন্তু প্রকাশ্যে মেয়েদের এই ব্যবসাটা এখানে চালু ছিল না। হারাধনই চালু করেছেন। মেদিনীপুর সদর থেকে এক বৃদ্ধা কুটনিকে এনে তারই মাধ্যমে ব্যবসা চালাচ্ছেন তিনি। বৃদ্ধা দিন দিন হারাধনের ভাগের টাকা মিটিয়ে দেন।

    হারাধনবাবু এই একচালা ঘরের মেয়েদের প্রায় নিজের হারেমের রমণীর মতো ব্যবহার করেন। প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে ওপরওলা বা ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে ভেট দেন। নিজেকেও বঞ্চিত করেন না।

    হারাধন ও লালমোহন

    সন্ধ্যার পর হারাধন ঘণ্টা দুয়েক নিভৃতে দুয়েকজন অন্তরঙ্গ বন্ধু বা সাকরেদদের সঙ্গে বেশ কিছু পরিমাণ ভারতে উৎপন্ন বিলাতি মদ্য (I.M.F.L.) পান করেন তারপর স্নান-খাওয়া। অবশেষে মধ্যরাত নাগাদ রোঁদে বেরোন।

    দু-চারজন লোককে ভাল করে না পেটালে তার রাতে ঘুম হয় না। লাঠি বা চাবুক নয়, স্রেফ খালি হাতে ঘুষি, চড়; কখনও বুটসুদ্ধ পায়ে সজোরে লাথি; শারীরিক ব্যায়াম ভালই হয়। এ বয়েসে এটুকু ব্যায়াম স্বাস্থ্যরক্ষার জন্যে প্রয়োজন।

    .

    এর পরে যেদিন শরীর চায়, প্রমীলাসঙ্গ করতে যান। প্রমীলাসঙ্গ মানে সেটাকে তিনি সরকারি ডিউটির মধ্যে ফেলেন। রীতিমতো ধড়াচূড়া পড়ে, হুইসিল নিয়ে সঙ্গে একজন বিশ্বস্ত অনুচর নিয়ে তার নিজেরই একচালা হারেম রেইড করতে যান। দু-চারটে এ পাড়া ও পাড়ার ভদ্রলোক, আধা ভদ্রলোক ধরা পড়ে। তবে তিনি তাদের কিছু বলেন না, ছেড়ে দেন। না হলে, ব্যবসা নষ্ট হয়ে যাবে।

    এরপরে তিনি পড়েন মেয়েদের নিয়ে। যে মেয়ে যত নতুন আমদানি, তার তত বেশি ঝামেলা। তারা কী আর করবে, ভালবাসার অত্যাচার মুখ বুজে সহ্য করে।

    তা সহ্য করলে কী হবে গতকাল রাতের ধকল হারাধনবাবুর পক্ষে একটু বেশি হয়েছে। দুদিনের। বাজারে একাধিক আনকোরা মেয়ে এসে গেছে তাই এই বিপত্তি।

    এদিকে দুদিন আগে একটা অন্য গোলমাল হয়েছে। একটা ট্রাকের ক্লিনার, অল্পবয়েসি যুবক, সে নাকি বি.এ. পাশ ছিল, অন্য কোনও কাজ জোগাড় করতে না পেরে ট্রাকে কাজ নিয়েছিল। সে ভয়ংকর তাঁদড়, কিছুতেই তোলা দেবে না, বলে কিনা, শুধু শুধু পুলিশকে ঘুষ দেব কেন?

    সেই যুবকটি ধর্মদাস চক্রবর্তী তাকে ট্রাক থেকে লালমোহন থানায় নিয়ে এসেছিল। থানায় এসেও ধর্মদাসের তড়পানি কমেনি। তার ওপরে সে বারবার বহুস্বীকৃত এবং ন্যায়সঙ্গত তোলা আদায়কে ঘুষ বলায় হারাধনের মাথায় রক্ত উঠে যায়। হারাধন দৌড়ে এসে প্রায় হঠাৎ ধর্মদাসের বুকে সজোরে লাথি মারেন।

    .

    দুঃখের বিষয় ধর্মদাস যুবকটি বড়ই কমজোরি ছিল। হতদরিদ্র টুলোপণ্ডিতের বাড়ির ছেলে, টিউশনি করে গ্র্যাজুয়েট, তারপরে চার বছর বেকার, গায়ে গতরে অতীব দুর্বল।

    লাথি খাওয়ার পরে সেই যে একবার ক করে চোখ উলটিয়ে থানার মেঝেতে পড়ে গেল ধর্মদাস আর উঠল না। লালমোহন চেঁচিয়ে উঠল সর্বনাশ! কী করলেন স্যার?

    ব্যাপারটা এর পরে বেশি দূর গড়ানোর কথা নয়। ঘটনা ঘটেছিল সন্ধ্যার মুখে। আর ঘণ্টাখানেক পরে ডেডবডিটা তুলে নিয়ে বুনোপাড়ার ভাগাড়ে ফেলে দিলেই রাতের মধ্যে শেয়ালেরা আপাদমস্তক সাবাড় করে দিত। এদিকে শেয়ালের সাইজ একেকটা অ্যালসেসিয়ান কুকুরের মতো।

    হারাধনবাবুর হাতে বা পায়ে মৃত্যু হয়েছে এমন লোকের সংখ্যা কম নয়। কিন্তু এবারে একটু গোলমাল হয়ে গেল।

    ধর্মদাসের ট্রাকের বোকা ড্রাইভারটা ঘটনার সময় থানায়, বারান্দায় দাঁড়িয়েছিল। সে এই দৃশ্য দেখে দৌড়ে ট্রাকে উঠে দ্রুত চালিয়ে সদরে পৌঁছে যায়। তবে সেই ড্রাইভারও বুঝতে পারেনি যে ধর্মদাস মরে গেছে।

    তার পরের দিন, মানে গতকাল সকাল থেকে ট্রাক চালক এবং ক্লিনার সমিতি থানায় এসে হল্লা করেছে, ধর্মদাস কোথায়? লেখাপড়া জানা, নম্র ধর্মদাসকে অনেকেই ভালবাসত।

    কিন্তু হারাধন বোকা লোক নন। তিনি ড্রাইভার সদরে চলে যাওয়ার খবর পেতেই ধর্মদাসের লাশ স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চালান করেছিলেন। বিশ্বাস ছিল, একটা হার্টফেলের ডেথ সার্টিফিকেট জোগাড় করতে পারবেন। প্রথমে লালমোহন এবং তারপরে হারাধন যথেষ্ট চেষ্টা করলেন। কিন্তু সম্ভব হল না। হেলথ সেন্টারের দায়িত্বে রয়েছেন নতুন ডাক্তার দিদিমণি স্বর্ণকুন্তলা। অনুরোধ, উপরোধ, প্রলোভন, ভয় কিছুতেই কিছু হল না দিদিমণি বললেন, অস্বাভাবিক মৃত্যু। পোস্টমর্টেম করাতে হবে।

    এদিকে ব্যাপারটা অনেকদূর পর্যন্ত গড়িয়ে গেছে। কাল ট্রাক ধর্মঘট হয়ে গেছে। ধর্মদাসের মৃত্যুর ঘটনাটা সদরে পার্টিওয়ালারা জেনে গেছে। তিনটে রাজনৈতিক দলের লোক দাবি করছে ধর্মদাস তাদের দলের লোক।

    মানবাধিকারের নেতারাও খবর পেয়েছেন। আজ সকালেই হয়তো তারা থানায় আসবেন।

    হারাধনের বুদ্ধি

    কিন্তু হারাধন ঠান্ডা মাথার লোক।

    আজ সকালে বিশ্বস্ত অনুচর লালমোহনের দলাই-মালাই উপভোগ করতে করতে নানারকম ফন্দিফিকির করতে লাগলেন।

    এরকম অবস্থায় মানুষ প্রথমে প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার কথা ভাবে। ঠিক তাই হল, দাঁত কিড়মিড় করতে করতে বললেন, ওই ডাক্তারনি মেয়েছেলেটাকে আমি একচালা ঘরে ঢোকাব। লালমোহন চুপ করে রইল, হারাধন দারোগার যতই ক্ষমতা থাক, এ কাজটা মোটেই সহজ হবে না। কিন্তু হারাধন দারোগার আত্মবিশ্বাস খুব। খঙ্গাপুরে ছোট দারোগা থাকার সময়ে এক উকিলের বউকে তিনি লাইনের বস্তিতে তুলেছিলেন, সে অহংকার আজও করেন।

    সে যা হোক, কিছুটা দাঁত কিড়মিড় করার পর আসল কথাটা পাড়লেন, লালমোহন তোকে আজ সাসপেন্ড হতে হবে।

    লালমোহন আর্তকণ্ঠে বলল, কেন স্যার?

    হারাধন বললেন, ধর্মদাসের মৃত্যুর জন্যে।

    দলাই-মালাই থামিয়ে দিয়ে লালমোহন বলল, কিন্তু আমি তো কিছু করিনি স্যার। রোগাভোগা লোকটার বুকে হঠাৎ দুম করে লাথিটাতো আপনিই মারলেন স্যার। আমি তো।…।

    লালমোহনকে থামিয়ে দিয়ে হারাধন বললেন, সে তো তুইও জানিস, আমিও জানি কিন্তু একজনকে অন্তত সাসপেন্ড হতে হবে।

    লালমোহন বিস্মিত হয়ে দারোগাবাবুর দিকে তাকিয়ে রইল, তার মুখ দিয়ে বাক্যস্ফুরণ হচ্ছে না।

    লালমোহনকে ব্যাপারটা হজম করার সময় দিয়ে হারাধন বললেন, আমি সাসপেন্ড হতে পারি। কিন্তু তাতে তোরা সবাই যে ধনেপ্রাণে মারা পড়বি। তোদের কে দেখবে?

    এতক্ষণে লালমোহন বলল, কিন্তু স্যার সাসপেন্ড হলে খাব কী?

    .

    এই দুঃখের মধ্যেও হো হো করে হেসে উঠলেন হারাধন সারকেল। লালমোহনকে বললেন, এই বিদ্যা নিয়ে পুলিশের চাকরি করিস। সাসপেন্ড হওয়াই তো সরকারি চাকরির মজা। কোনও কাজ করতে হবে না। মাসে কোনও কাটছাট না করে পুরো মাইনের অর্ধেক হাতে পাবি। তা ছাড়া তুই সাসপেন্ড হলে আমি তোকে দেখতে পারব, আমি সাসপেন্ড হলে সবাই মিলে ভরাডুবি হবে।

    তবু লালমোহনের সংশয় যায় না।

    হারাধন তাকে বোঝান। সাসপেন্ড হওয়া পুলিশের চাকরিতে ছেলেখেলা। নিজের অতীত জীবনের কথা উল্লেখ করেন তিনি। গোহাটায় গোলমাল হচ্ছিল, এদিকে তোলাও ভাল উঠছিল না। সে বছর সদর থানায় থাকার সময় দলবলসহ এক গোরুর পাইকারকে বেধড়ক পিটিয়েছিলেন। তখন কি জানতেন যে ওই লোকটি বিহারের এক এম পি। প্রচুর বেকায়দা হয়েছিল সেবার।

    এরকম তিন-চারটে ঘটনা হারাধন লালমোহনকে বললেন। তারপর বললেন, সাসপেন্ড হলেও তোর ব্যবস্থা সব ঠিকই থাকছে। তবে থানার মধ্যে বা কাছাকাছি থাকলে বিপদ হবে, একটু দূরে দূরে থেকে কাজ চালাতে হবে।

    কাজটা কী সেটাও হারাধন লালমোহনকে বুঝিয়ে দিলেন। হাইওয়ের পাশে বদরপুরের বিশাল মাঠ। থানা থেকে জায়গাটা পাঁচ-সাত কিলোমিটার দূরে। কাছাকাছি জনবসতি নেই। একপাশে জঙ্গল। মাঠের ওপাশেও ঘন জঙ্গল।

    এখানে লালমোহনকে বিশেষ কেউ চিনবে না। চিনলেও সে যে সাসপেন্ড হয়েছে সেটা জানার কথা নয়। সাসপেন্ড হওয়ার পরে এই বদরপুর লালমোহনকে দেওয়া হবে। বাস-ট্রাক-গাড়ি থেকে তোলা যা উঠবে সব তার, কোনও ভাগ দিতে হবে না। সাদা পোশাকে হাতে একটা বেতের লাঠি নিয়ে লালমোহন এখান থেকে টাকা আদায় করবে।

    হারাধন সারকেল বললেন, বছর দুয়েকের মাথায় সাসপেনশন উঠে যাবে। তখন দেখবি মনে হবে যে সাসপেন্ড হয়েই তো ভাল ছিলাম।

    লালমোহন রাজি হতে সেদিন বিকেলেই সাসপেন্ড হয়ে গেল।

    লালমোহনের বিপদ

    এবার শীত খুব জমজমাট পড়েছে।

    যথারীতি লালমোহন বদরপুরের মাঠে ডিউটিরত। এই এলাকাটা এমনিতেই চরম আবহাওয়ার। যেমন গরম, তেমন ঝড়-বৃষ্টি, তার চেয়েও বেশি শীত।

    বিকেলের দিকে জঙ্গলের মধ্যে থেকে একটা উত্তুরে হাওয়া এসে হাড় কাঁপিয়ে দেয়। তা ছাড়া আজ এই মাঘের বিকেলে ঘন মেঘ জমেছে। আকাশের চেহারা সুবিধের নয়।

    সেই ঘটনার পর দেড় বছর চলে গেছে।

    লালমোহনের সেই সাসপেনশনের কেসের এসপার-ওসপার কিছু হয়নি। ফাইল সদরে কোথায় কোনও ওপরওলার দেরাজে ফিতে বন্দি হয়ে পড়ে আছে। গ্র্যাজুয়েট ক্লিনার ধর্মদাস চক্রবর্তীর পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু নিয়ে কিছুদিন হইচই হয়েছিল। তারপর সবাই ভুলে গেছে, এরকম কত হয়।

    জ্যোতিষীর বাণী সফল করে হারাধন সারকেল কিন্তু প্রমোশন পেয়ে সার্কেল অফিসার হয়ে গেছেন, সেও প্রায় এক বছর হতে চলল।

    হারাধন অকৃতজ্ঞ লোক নন। তিনি লালমোহনকে ভোলেননি। তবে এখন আর নিয়মিত খোঁজখবর নিতে পারেন না। সার্কেল অফিসার হওয়ার পর সদরে পোস্টিং হয়েছে তার।

    আজ বিকেলে হারাধনবাবু এই জেলায় নবনিযুক্ত এস পি সাহেবকে নিয়ে সফরে বেরিয়েছেন। জেলার বিভিন্ন এলাকার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার জন্যে এই সফর। যেহেতু হারাধনবাবু এই অঞ্চলে আগে দারোগা ছিলেন তাই এস পি সাহেব তাকে সঙ্গে নিয়েছেন।

    বিকেলের দিকে তখনও বৃষ্টি নামেনি, হারাধনবাবু লালমোহনকে বদরপুরের মাঠের ধারে লাঠি হাতে ডিউটি করতে অর্থাৎ তোলা আদায় করতে দেখে গেছেন।

    পুলিশের গাড়ি দেখে লালমোহন তাঁদের গাড়িটা এড়িয়ে গিয়ে রাস্তার ওপাশে চলে গেছে, অবলা লালমোহন এটা বুঝতে পারেনি যে এ গাড়িতে হারাধন সারকেলও রয়েছে।

    সন্ধে হতে না হতে প্রচণ্ড বৃষ্টি নামল। সেই সঙ্গে হাড় কাঁপানো ঠান্ডা হাওয়া।

    কাছাকাছি মাথা গোঁজার একটা জায়গা নেই। গাছতলায় একটু সাময়িক আচ্ছাদন পাওয়া গেল। কিছু পরে জলের তোড়ে গাছের পাতা ছুঁড়ে বৃষ্টি পড়তে লাগল, যে সে বৃষ্টি নয়, বরফ জলের ধারাস্রোত।

    .

    গাছের নীচে থেকে ফঁকা রাস্তার ধারে এসে দাঁড়াল লালমোহন, অতিরিক্ত ঠান্ডায় ঠকঠক করে কাঁপছে, দাঁতকপাটি লেগে যাচ্ছে।

    সামনে যে গাড়ি আসছে ট্রাক হোক, বাস হোক, প্রাইভেট বা অটো বারবার ছুটে গিয়ে হাত বাড়িয়ে দাঁড় করানোর চেষ্টা করতে লাগল লালমোহন, কোনওরকমে একটু উঠে আস্তানায় ফিরে যাওয়া।

    কিন্তু বৃথা চেষ্টা। একটি গাড়িও দাঁড়াল না। যথারীতি তারা লালমোহনের প্রসারিত হাতে একটি করে পাঁচ টাকার নোট গুঁজে দিয়ে দ্রুত চলে গেছে। বৃষ্টির ঝমঝম শব্দে, ঝোড়ো হাওয়ায় তার কাতর অনুরোধ কোনও গাড়িচালকের কানে পৌঁছয়নি।

    উদ্ধার করলেন হারাধন সারকেল। সাহেবকে এলাকা দেখিয়ে ফেরার পথে হারাধন দেখেন যে বদরপুরের মাঠের পাশে লালমোহন তখনও দাঁড়িয়ে।

    লালমোহন তখন হাল ছেড়ে দিয়েছে। হাইওয়ের ওপর খোলা আকাশের নীচে অঝোর বৃষ্টিতে অসহায়ের মতো ভিজছে।

    স্যার, আমাদের একটি ছেলে এই দুর্যোগে এখানে ডিউটি করছে, ওকে তুলে নিয়ে যাই। বড়সাহেবকে এ কথা বলে হারাধন ড্রাইভারকে নির্দেশ দিলেন লালমোহনের পাশে গাড়ি দাঁড় করাতে।

    দরজা খুলে ডাকতে লালমোহন আচ্ছন্নের মতো গাড়িতে উঠে এল, সামনের সিটে ড্রাইভারের পাশে বসল। তার শরীরের আর জামাকাপড়ের জলে গাড়ির সামনের সিটটা ভিজে গেল।

    .

    পেছনের সিটে বড়সাহেবকে সে লক্ষ করেনি। নতুন বড়সাহেবকে চেনেও না। গাড়ি চলতে শুরু করলে হারাধনবাবু কিঞ্চিৎ স্নেহময় গঞ্জনার সুরে লালমোহনকে বললেন, ডবল নিমুনিয়া হয়ে যাবে। তোমার উচিত ছিল বৃষ্টি আসামাত্র একটা গাড়ি ধরে বাড়ি ফিরে যাওয়া।

    বড়সাহেব বললেন, এই দুর্যোগেও লোকটি ডিউটি করছিল, এরকম কর্তব্যপরায়ণতা আজকাল বিরল।তারপর একটু থেমে হারাধনকে বললেন, সি আই সাহেব, কাল অফিসে এর নামটা আমাকে একটু মনে করিয়ে দেবেন।

    কিন্তু তখনই হারাধন কোনও রকম বাধা দেওয়ার আগেই লালমোহন বললেন, আমি কি বাড়ি ফেরার কম চেষ্টা করেছি। কিন্তু যেই গাড়ি থামাতে হাত বাড়াই, হাতের মধ্যে একটা পাঁচ টাকার নোট গুঁজে দিয়ে গাড়ি ভেগে যায়। দেখুন না অবস্থা, প্যান্ট ও শার্টের পকেট থেকে বের করে ভেঁড়া, ময়লা পাঁচ টাকার শতশত ভেজা নোট লালমোহন গাড়ির সামনের সিটে রাখতে লাগল।

    বড়সাহেব বললেন, এ তো দেখছি সৎও খুব, ঘুষের টাকা নিজে থেকে বের করে দিচ্ছে।

    সুযোগ বুঝে হারাধন বললেন, স্যার, এর একটা কেস আপনার টেবিলে আছে।

    বড়সাহেব বললেন, কাল অফিসে মনে করিয়ে দেবেন।

    সামনের সিটে বসে লালমোহন তখনও শীতে-ঠান্ডায় ঠকঠক করে কাঁপছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখাজুরাহ সুন্দরী
    Next Article কীর্তিহাটের কড়চা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    তারাপদ রায়

    রম্যরচনা ৩৬৫ – তারাপদ রায়

    August 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }