Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সরস গল্প সমগ্র – তারাপদ রায়

    তারাপদ রায় এক পাতা গল্প1280 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পটললালের বিপদ

    পটললালের বিপদ

    পটললাল হলেন নৃত্যপটিয়সী প্রাক্তন ক্যাবারে সুন্দরী মিস জুলেখার স্বামী।

    পটললাল সম্পর্কে যাঁরা একেবারেই ওয়াকিবহাল নন, অর্থাৎ আমার দুর্ভাগ্যবশত ইতিপূর্বে পটললালকে নিয়ে লেখা আমার কোনও কাহিনি যাঁরা কখনও পড়েননি, তাদের অবগতির জন্য ওই পূর্বকথা।

    .

    ইংরেজিতে একটি কথা আছে, নো বিজিনেস লাইক শো-বিজিনেস (No business like show business)। পটললাল হলেন এই শো-বিজিনেসের লোক, যাত্রা-থিয়েটার-সিনেমার বিভিন্ন অলিন্দে তার দীর্ঘদিনের মসৃণ যাতায়াত।

    যদিও পটললাল এ লাইনের পুরনো লোক, তার স্ত্রী মিস জুলেখার সুবাদেই আজকাল তিনি করে কম্মে খাচ্ছেন। তাকে অনেকে মিস্টার পটললাল কিংবা পটলবাবু না বলে মি. জুলেখা বলে। থাকে।

    মিস জুলেখা, যাঁর অভিনয়পূর্ব-জীবনে নাম ছিল শ্রীমতী লেখা ভট্টাচার্য, যাত্রা-থিয়েটার ব্যাপারে বিশেষ আবেদনময়ী নাচিয়ে। কোনও কোনও নাটক বা পালা শুধুমাত্র মিস জুলেখার মোহময়ী নৃত্যের আকর্ষণেই অনেক দর্শক দেখতে আসতেন। সম্প্রতি বিশেষ স্পেশ্যাল শো ছাড়া জুলেখা। নাচেন না।

    মিস জুলেখা একটু স্থূলাঙ্গিনী হয়ে গিয়েছেন। তাঁর নাচের আর তেমন কদর নেই। তা ছাড়া কিছুক্ষণ নাচলেই তিনি হাঁফিয়ে পড়েন। কিছুদিন হল শ্রীযুক্ত পটললালকেই সংসার চালাতে হচ্ছে। মিস জুলেখার পরিচয়টা কাজে লাগছে।

    পটললাল পারেন না এমন কোনও কাজ নেই। সেই সঙ্গে তাঁর অল্পস্বল্প চুরিবিদ্যা আয়ত্তে আছে, কিঞ্চিৎ হাতটানও রয়েছে। সম্প্রতি তিনি টলিউডে একটি সিনেমার সহকারী পরিচালক।

    এই সহকারী পরিচালক হওয়ার জন্যে কী যোগ্যতা প্রয়োজন, বেতনাদি কী রকম এবং কী কাজ একজন সহপরিচালকের সেটা কেউ জানে না, পটললালও জানেন না।

    মাঝেমধ্যে দুয়েকশো টাকা প্রযোজকের তরফ থেকে তিনি পান, কিন্তু আয়টা ভাল নয়, নিয়মিতও নয়। তদুপরি কাজের প্রকৃতিটাও নির্দিষ্ট নয়। সহকারী পরিচালক হিসেবে তাকে চিত্রপরিচালনা ছাড়া আর সবই করতে হয়।

    আজকাল স্টুডিয়োতে, বিয়েবাড়ি কিংবা ধর্মস্থানের মতো খুব জুতোচোরের উপদ্রব হয়েছে। যেসব দিন নায়িকার শুটিং থাকে, পটললালকে নায়িকার জুতো পাহারা দিতে হয়। উঠতি নায়কের ট্যাক্সি ডেকে দিতে হয়। কোনও ট্যাক্সিই আসতে চায় না, কারণ ট্যাক্সিওলারা জানে মিটার ওঠবার আগেই নায়কেরা টালিগঞ্জের মোড়ে নেমে যান তারপর পাতাল রেল কিংবা মিনিবাসে চড়ে চলে যান।

    আরও অনেকরকম হাঙ্গামা আছে। প্রযোজকের শাশুড়ি ঠাকুরানি ডেন্টিস্টের কাছে দাঁত তুলতে যাবেন, পরিচালকের বান্ধবী পার্ক স্ট্রিটে চুল ববকাট করতে যাবেন,–পটললাল ছাড়া কে সঙ্গে যাবে?

    .

    মূল গল্পের মধ্যে প্রবেশের আগে অন্য একটি চরিত্রের কথা উল্লেখ করতে হয়।

    এই ব্যক্তিটি হলেন ডা. সহদেব শুক।

    ভদ্রলোক কবি এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক। সেই সঙ্গে শখের গোয়েন্দা। এই গল্পে তাঁর প্রবেশ গোয়েন্দা হিসেবেই।

    প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য, ডা. সহদেব শুক মশায়ের আসল নাম হল নকুল শুকুল। তিনি কেন নকুল শুকুল থেকে সহদেব শুক হলেন সেটা যাঁরা জানেন না তাদের অনুরোধ করি পটললালের পুরনো গল্পগুলি পড়ে দেখতে, এই ছোট গল্পে সেসব বিষয়ে পুরালোচনার সুযোগ বা অবকাশ নেই।

    শুধু একটা কথা বলার আছে, যদিও একদা নিতান্ত পেশাগত কারণেই তার সঙ্গে পটললালের পরিচয় হয়েছিল, ডা. শুক এই ছন্নছাড়া, কাণ্ডজ্ঞানহীন লোকটিকে বহুবার রক্ষা করেছেন। ডা. সহদেব শুক পটললালের একমাত্র সহায়।

    গল্পকথা

    নিউ আলিপুরের এই অঞ্চলটা আজ দুপুরেই ঘুরে গেছেন পটললাল। এখন শেষরাত।

    জীবনমুখী প্রোডাকশনসের ব্যানারে নতুন ছবি শরীর এক জ্বালা। শুটিং শুরু হয়ে গেছে।

    সপ্তাহ দুয়েক আগে পটললালের গৃহিণী জুলেখা জানতে চেয়েছিলেন, ওগো, তোমাদের নতুন পালাটার নাম কী?

    পটললাল সরলভাবে বলেছিলেন, দুর্দান্ত নাম হয়েছে, শরীর এক জ্বালা।

    জুলেখা স্থূলাঙ্গিনী হলেও তার হাত-পা খুব ভাল চলে, মুহূর্তের মধ্যে বাঁ হাতে পটললালের গালে একটা চপেটাঘাত করে কর্কশ কণ্ঠে বললেন, ফাজলামি করার জায়গা পাওনি।

    আসলে জুলেখা ভেবেছেন, তিনি মোটা হয়ে তার শরীর যে মাটির জালার মতো হয়ে গেছে, তার স্বামী তাই নিয়ে তাঁকে পরিহাস করছেন।

    সেদিন পটললালের মহা হয়রানি হয়েছিল এ কথা বোঝাতে যে এ জ্বালা সে জালা নয়, দুজনেরই ক-অক্ষর গোমাংস, তা না হলে এ জ্বালায় যে একটা ব-ফলা আছে সেটা বোঝাতে এবং বুঝতে পারলে ঝগড়া খুব একটা গড়াত না।

    সে যা হোক এই শরীর এক জ্বালা চলচ্চিত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যে আছে যে গল্পের নায়িকা পরমাণু বিজ্ঞানের বিখ্যাত গবেষিকা এবং কলকাতা হাইকোর্টের নামজাদা ব্যারিস্টারের স্ত্রী একদিন শেষরাতে ছবির নায়ক বাড়ির ড্রাইভারের সঙ্গে গৃহত্যাগ করবে। তখন ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক বাজবে,

    যেতে দাও গেল যারা,
    তুমি যেয়ো না,
    তুমি যেয়ো না..

    পটললালকে পরিচালক পাঠিয়েছেন এই দৃশ্যের লোকেশন যাচাই করতে।

    আজ দিনের বেলায় পাড়াটা ঘুরে দেখে গেছেন পটললাল। চিত্রনাট্যে যেমন বলা আছে তেমনই সব বড়লোকের বাড়ি। অবশ্য শুটিংয়ের সময় স্টুডিয়োর মধ্যে নানারকম জোড়াতালি দিয়ে, কারসাজি করে, বাড়ির ভেতরটা তৈরি করা যাবে। তবে রাস্তায় শেষরাতে একদিন আউটডোর শুটিং করতে হবে।

    সাজানো সংসার ফেলে সতীসাধ্বী পরমাণু গবেষিকার পালিয়ে যাওয়ার সময়ের দ্বিধা, সেই সঙ্গে এম. এ. পাশ (ট্রিপল এম. এ. গোল্ড মেডালিস্ট), কোনও কাজ না পেয়ে যে ড্রাইভার হয়েছে এমন নায়কের সবল বাহুবন্ধনে নিমজ্জিতা নায়িকার দ্বিধামুক্তি–এরই পটভূমিকা শেষরাতের উদাস নির্জন অভিজাত পল্লি, আন্দোলিত দেবদারুতরু, পিয়াল শাখার ফাঁকে আধফালি চাঁদ।

    এই সবের উপযুক্ত পরিবেশের অনুসন্ধানে আজ শেষরাতে পটললাল এখানে এসেছেন। সন্ধ্যাবেলায় পরিচালকের বাড়ির বাইরের ঘরে সোফার ওপরে শুয়েছিলেন, রাত তিনটের সময় পরিচালকের গাড়ি এসে তাকে পুরনো আলিপুর আর নিউ আলিপুরের মধ্যবর্তী এই অভিজাত এলাকায় নামিয়ে দিয়ে গেছে।

    তাকে নামিয়ে দিয়েই গাড়ি ফিরে গেছে। কারণ পরিচালকের বাবা বাবুঘাটে গঙ্গাস্নানে যাবেন।

    এর মানে হল পটললালকে এখন নিজের খরচায় বাড়ি ফিরতে হবে। তার বাড়ি তিলজলা পেরিয়ে। ট্যাক্সিভাড়া তার কাছে নেই, বাস-ট্রামেই যেতে হবে। তবে তার জন্য সকাল হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। অবশ্য এই সময়ে ট্যাক্সিও পাওয়া যেত না।

    উদোর পিণ্ডি

    এসব পাড়ার রাস্তায় হেঁটেও আরাম। ফুটপাত তেমন ভাঙাচোরা নয়, তিলজলার গলির মতো নোংরা, কাদাভরা নয়।

    যদিও সময়টা বর্ষার মাঝামাঝি, এখন আকাশে কোনও মেঘ নেই, শেষরাতের তারা ঝলমল, চন্দ্রনীল আকাশ। ঝিরঝির করে বাতাস বইছে।

    নিজের এলাকার পথঘাটের দুর্গতির কথা ভুলে অভিজাত পল্লির শূন্য রাস্তায় পটললাল। পদচারণা করতে লাগলেন।

    রাত ভোর হয়ে এসেছে। আশেপাশের দুয়েকটা বাড়িতে ঘরে আলো জ্বলে উঠল। লোকেরা ঘুম থেকে ওঠা আরম্ভ করেছে। এ অঞ্চলের ধনবান গৃহকর্তারা অনেকেই একটু পরে মর্নিং ওয়াকে বেরোবেন। তারই প্রস্তুতি চলছে। নানা লোকের নানারকম তদ্বির থাকে এই সব বৃহৎ ব্যক্তিদের কাছে, তাই এঁরা অন্ধকার থাকতে থাকতেই হাঁটতে বেরিয়ে যান, রোদ উঠবার আগেই বাড়ি ফিরে। আসেন, যাতে ভ্রমণের সময় কেউ বিরক্ত না করে।

    .

    এমন সময় ঘটাং করে একটা শব্দ হল। সামনের বাড়ির সদরের লোহার গেটটা একজন নেপালি দারোয়ান খুলে দিল।

    সব নেপালি দারোয়ানই ছোটবেলায় কাঞ্চা, বড় হলে সে বাহাদুর। এই দারোয়ানের বয়েস বেশি হয়নি। এখনও সে বাহাদুর হয়নি, কাঞ্চাই আছে। কাঞ্চা একটু ঘুমকাতুরে। সে সদর দরজাটা খুলে দিয়ে পাশেই আউট হাউসের ঘরের বারান্দায় চারপায়ার ওপর গিয়ে শুয়ে পড়ল।

    সুন্দর এই দোতলাবাড়ি শিল্পবিদ উদয় চৌধুরীর, যিনি কলকাতার শিল্পজগতে ইউ সি নামে বিখ্যাত। তিনি প্রত্যহ সকালে এই সময়ে হাঁটতে বেরোন। তাকে যাতে ঘুম থেকে ডেকে তুলতে না হয় সাহেবকে, সেইজন্যে সে একটু আগেই ঘুম থেকে উঠে দরজা খুলে রাখে।

    কাঞ্চা অবশ্য জানে না যে আজ ইউ সি বেড়াতে বেরোবেন না। কাল গভীর রাত পর্যন্ত ক্লাবে হই-হুঁল্লোড় হয়েছে। তারপরে আটটার সময়ে এয়ারপোর্টে পৌঁছতে হবে দিল্লি যাওয়ার জন্যে। আজ ইউ সি একেবারে সেই সাতটায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে সরাসরি এয়ারপোর্ট চলে যাবেন। আজ হাঁটা নেই।

    এদিকে পটললাল সামনে গেট খোলা পেয়ে এবং কোনও বাধা না পেয়ে ভেতরে ঢুকে পড়েছেন। বাড়িতে ঢোকার সময় গেটের পাশে নেমপ্লেটে দেখে নিয়েছেন লেখা আছে, ইংরেজিতে ও বাংলায়।

    U. C. Chaudhuri
    উদয়চাঁদ চৌধুরী

    আউটহাউসের বারান্দায় কাঞ্চা অকাতরে ঘুমোচ্ছে। পটললাল সন্তর্পণে বাড়ির ভেতরের দিকে এগিয়ে গেলেন।

    কলকাতা শহরের তুলনায় এমনকী নিউ আলিপুরের তুলনায়ও বাড়িটা বড়। সামনে একফালি ফুলের বাগান। বাড়ির পিছনদিকে একটা লন। সেখান দিয়ে ভিতরবাড়ির ছোট সিঁড়ি। সেই সিঁড়ির নীচেই একটা ঘরের দরজা খোলা, আলো জ্বলছে।

    আলোটা একটু আগে বাইরের গেট খোলার সময় কাঞ্চাই ঘরের দরজা খুলে জ্বালিয়ে দিয়ে গেছে।

    সিঁড়ির নীচে এই ছোট ঘরটা হল ইউ সি-র ড্রেসিং রুম। শেষরাতে বাড়ির কাউকে বিরক্ত না করে রাত-পোশাক এখানে ছেড়ে হাফ প্যান্ট, স্পোর্টস গেঞ্জি এবং পাওয়ার শু পায়ে দিয়ে প্রত্যহ ইউ সি হাঁটতে বেরিয়ে যান। আবার হেঁটে ফিরে এসে এখানেই জামাপ্যান্ট ছেড়ে ওপরে উঠে যান।

    আজ অবশ্য সেসব ঘটছে না। কিন্তু কোথাও কোনও বাধা না পেয়ে পটললাল সিঁড়ির নীচে এই ঘরে প্রবেশ করেছেন।

    প্রথমে পটললাল ভেবেছিলেন বাড়িটা একটু ঘুরেফিরে দেখে নেবেন, সিনেমার সেট তৈরির সময় সুবিধে হবে। কিন্তু পটললালের নীতিবোধ খুব প্রখর নয়, আর তা ছাড়া যারা পটললালের কোনও গল্প আগে পড়েছেন তারা জানেন, পটললালের একটু হাতটানের অভ্যেস আছে।

    আজ একতলার খালিঘরে ঢুকে মূল্যবান শর্ট, শার্ট এবং জুতো দেখে পটললাল লোভ সম্বরণ করতে পারলেন না। অগ্রপশ্চাৎ বিবেচনা না করে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ইউ সি-র প্রাতঃভ্রমণের পোশাক তিনি পরে নিলেন। এই হতদরিদ্র টাউট এবং সফল শিল্পপতির শরীরের গড়নে খুব ফারাক নেই। পোশাক-আশাক ভালই ফিট করেছে।

    ঘর থেকে বেরিয়ে নিজের পুরনো জামাকাপড় ছেঁড়া হাওয়াই চটি লনে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে পটললাল সদর গেট দিয়ে দ্রুত নিষ্ক্রান্ত হলেন।

    ঘুমঘোরে কাঞ্চা ভাবল সাহেব বুঝি বেরিয়ে গেলেন, সে উঠে গিয়ে সদর দরজায় আবার তালা দিয়ে দিল।

    পটললাল মনের আনন্দে তার নবযৌবনের হিন্দি সিনেমার গানের কলি হাম তুম এক কামরামে অস্ফুট স্বরে গাইতে গাইতে মোড়ের দিকে এগোতে লাগলেন। এরকম একজোড়া শর্ট-শার্ট, পাওয়ার জুতো তার বহুকালের স্বপ্ন।

    পটললাল মোড়ের কাছে পৌঁছে দেখলেন, একটি মারুতি ভ্যান খারাপ হয়ে গেছে, চারজন লোক বনেট তুলে গাড়িটা সারানোর চেষ্টা করছে।

    পটললাল গাড়ির কাছে পৌঁছতেই একটা কাণ্ড ঘটল। যারা গাড়ি সারাচ্ছিল তাদের মধ্যে তিনজন হঠাৎ লাফ দিয়ে এসে পটললালকে জাপটিয়ে ধরল।

    পটললাল ঘটনার আকস্মিকতায় খুবই হকচকিয়ে গিয়েছিলেন। চেঁচাতে যাচ্ছিলেন। বিপদে পড়লে চেঁচানোয় এবং সম্ভব হলে, দৌড়ে পালানোয় পটললালের অসীম দক্ষতা।

    কিন্তু আজ কোনওটাই কাজে লাগল না। দুজন তাঁকে জাপটে ধরেছে আর তৃতীয় জন তার মুখে এমনভাবে হাতচাপা দিয়েছে যে চেঁচানো অসম্ভব। আর নির্জন রাতের শূন্য রাস্তায় চেঁচিয়েই বা কী লাভ হত।

    ইতিমধ্যে চতুর্থ ব্যক্তি গাড়ির স্টিয়ারিংয়ে গিয়ে বসেছে। অন্য তিনজন পাঁজাকোলা করে পটললালকে মারুতি ভ্যানের সিটের পিছনের জায়গাটায় নিয়ে তুলেছে।

    ধস্তাধস্তি করার চেষ্টা নিষ্ফল জেনে পটললাল চুপচাপ থাকলেন। তিনি কীসে কী হল কিছুই বুঝতে পারছিলেন না। হঠাৎ একজন তার নাকের কাছে হাসপাতালগন্ধী কী একটা আরকসিক্ত তুলো চেপে ধরতে পটললাল জ্ঞান হারালেন।

    জ্ঞানোদয়

    পটললালের জ্ঞান হল আঠারো ঘণ্টা পরে সেদিন রাত দশটায়।

    একটা প্রায়ান্ধকার ঘরে একপাশে খুব টিমটিম করে একটা কেরোসিনের কুপি জ্বলছে, অন্যপাশে একটা ভাঙাচোরা অর্ধ-অসমতল খাটের একপাশে সমতল দিকটায় তিনি ভেঁড়া গদির ওপরে বালিশবিহীন শুয়ে আছেন।

    পটললাল প্রথমে ভেবেছিলেন এটা কোনও সিনেমার সেট। কিন্তু কিছু চিন্তা করার বা বুঝে ওঠার আগে তিনি আবার চেতনাহীন হয়ে গেলেন।

    পরদিন সকালে ঘুম ভাঙল। খিদেয় পেট চোঁ চোঁ করছে। এরই মধ্যে তার মনে পড়ছে কারা যেন দু গেলাস দুধ খাইয়েছিল কাল রাতে ঘুমের মধ্যে।

    এখনও ঝিমুনির ভাব আছে। তবু কোনও রকমে বিছানা থেকে নেমে উঠে দাঁড়ালেন পটললাল। দেয়াল ধরে ধরে এগিয়ে ঘরের বন্ধ দরজার দিকে এগোনোর চেষ্টা করলেন। দরজার ধারে পৌঁছানোর আগেই লাল লুঙ্গিপরা একজন ষণ্ডা মতন খালিগায়ে লোক বাইরে থেকে দরজা খুলে তাঁর সামনে এসে দাঁড়াল। লোকটি তাকে দেখে একটা নিমের দাঁতন আর গামছা তার হাতে দিয়ে, তাঁকে সঙ্গে করে উঠোনে নামল। উঠোনের একপাশে একটা বাথরুমের মতো ঘেরাও দিয়ে রাখা জায়গা। ইঙ্গিত বুঝতে পেরে পটললাল সেখানে ঢুকে গেলেন।

    স্নান ইত্যাদি সেরে আবার নজরদারের সঙ্গে তার ঘরে ফিরলেন। কয়েকটা ঠান্ডা পুরি আর হালুয়া, সেই সঙ্গে দেহাতি লাল জিলিপি বড় বড় আকারের একটা শালপাতার ঠোঙায় নজরদার এগিয়ে দিতে পটললাল গোগ্রাসে গিলতে লাগলেন।

    ইতিমধ্যে পটললাল পুরো ব্যাপারটা মনে মনে ভেবে দেখেছেন। যেকোনও কারণেই হোক এখানে তাকে ধরে আনা হয়েছে। জায়গাটা সম্ভবত কোনও বন্ধ কয়লাখনির পরিত্যক্ত কুলিব্যারাক।

    আসানসোল-ধানবাদ অঞ্চলের এরকম নানা জায়গায় যাত্রাপার্টির সঙ্গে মিস জুলেখার তলপিবাহক হিসেবে তাকে বহু ঘুরতে হয়েছে।

    সে যা হোক পটললাল ভাবতে লাগলেন, হঠাৎ তাকে এভাবে ধরে এনে এতদূরে আটকে রাখার মানে কী?

    অবশ্য বেশিক্ষণ ভাবতে হল না, একটু পরেই ক্রিম রংয়ের সাফারি সুট পরা সেলুলার ফোন হাতে এক ব্যক্তি এলেন, তাঁকে বললেন, গুড মর্নিং মি. চৌধুরী।

    পটললাল বললেন, আমি চৌধুরী নই। আমার নাম পটললাল পাল।

    সাফারি সুট বাঁকা হাসি হেসে বললেন, নিজের নাম অস্বীকার করে কোনও লাভ নেই মি. চৌধুরী। অনেক খোঁজখবর করেই আপনাকে ধরে আনা হয়েছে। এখন বেগড়বাই করবেন না, বিপদ হবে।

    চকিতে পটললালের মনে পড়ল, যে বাড়ি থেকে বেরিয়ে তিনি এদের হাতে বন্দি হয়েছেন সে বাড়ির গেটে লেখা ছিল, উদয় চৌধুরী। তার বুঝতে অসুবিধে হল না, উদয় চৌধুরী ভ্রমেই তাকে এখানে ধরে আনা হয়েছে।

    এই সময়ে সাফারি সুট তার হাতের ফোনটা পটললালকে এগিয়ে দিয়ে বললেন, আপনি বাসায় বলে দিন ভাল আছি। আর আজ বিকেলের মধ্যে নগদ পঁচিশ লক্ষ টাকা জোগাড় করে একটা সুটকেসের মধ্যে ভরে রাখতে বলে দিন। কোথা থেকে কীভাবে টাকাটা নেব সেটা পরে জানাচ্ছি।

    এরপর ধমকের সুরে সেই সাফারি সুট তাঁর দেহাতি বাংলায় বললেন, কোনও চালাকি করতে যাবেন না। বাসায় বলে দিন পুলিশে যেন খবর না পায়, তাহলে এখানে আপনাকে জ্যান্ত পুঁতে রেখে দেব। কোনওদিন কেউ খোঁজ পাবে না। চারদিকে পাহারা রাখা আছে, পালাতেও পারবেন না।

    সেলুলার ফোনটা হাতে নিতে নিতে পটললাল একবার ভাবলেন এদের বলি, আমি উদয় চৌধুরী নই। আমি পটললাল পাল। আমার স্ত্রীর পঁচিশ লাখ টাকা নেই, পঁচিশ টাকাও আছে কিনা সন্দেহ আর আমার নিজেরও পঁচিশ টাকা নেই। তা ছাড়া সবচেয়ে বড় কথা, আমার বাড়ির ফোন বিল দেওয়া হয়নি বলে গত মাসে কেটে দিয়েছে।

    এরকম দুরূহ অবস্থায় পটললাল কখনও পড়েননি। একেবারে জীবনমৃত্যুর মুখোমুখি। কিন্তু পেটের দায়ে তাকে সারাজীবন বিস্তর ঝুট-ঝামেলার সম্মুখীন হতে হয়েছে এবং সেসব কেটে বেরিয়ে এসেছেন।

    এবারেও বেরোতে হবে, তবে আমি উদয় চৌধুরী নই এ কথা এদের এখন বোঝানো যাবে না। পটললাল চিন্তা করতে লাগলেন, একটু খোঁজখবর করলেই এরা সেটা ধরতে পারবে। ততক্ষণ পর্যন্ত কোনওভাবে আত্মরক্ষা করতে হবে।

    ফোন হাতে ধরে পটললাল নিশ্ৰুপ বসে আছেন দেখে সাফারি সুট এবার খেঁকিয়ে উঠল, কী হল, জলদি করুন।

    পটললাল ধমক খেয়ে একটু থতমত হয়ে গেলেন, তারপর বললেন, দেখুন বাড়িতে ফোন করে লাভ নেই। আমার বাড়ি থেকে পঁচিশ লাখ টাকা জোগাড় করতে পারবে না।

    সাফরি সুট ভুরু কুঁচকিয়ে বললেন, তা হলে?

    পটললাল বললেন, যদি অনুমতি করেন, আমি একটু আলাদাভাবে চেষ্টা করি।

    সাফারি সুট একটু চিন্তা করলেন, তারপর বললেন, চেষ্টা করতে পারেন। এদিক ওদিক করতে যাবেন না। গোলমাল হলে বড়সাহেব আপনার-আমার দুজনারই হাইট ছয় ইঞ্চি ছোট করে দেবেন।

    পটললাল অবাক হয়ে বললেন, ছয় ইঞ্চি ব্যাপারটা কী?

    গলা কেটে ফেললে হাইট ছয় ইঞ্চি ছোট হয়ে যায়, জানেন না? সাফারি সুট অবাক হয়ে যায় পটললালের অজ্ঞতায়।

    ডাক্তার শুক

    আজ সকালে চেম্বারে রোগীর ভিড় একটু কম। ডাক্তার সহদেব শুক রোগী দেখার ফাঁকে ফাঁকে কবিতা লিখছিলেন, একটু হালকা ধরনের কবিতা।

    কনের পিসি বরের মাসি
    সারা বছর সর্দি কাসি
    বরের মাসি কনের পিসি
    ওষুধ খায় শিশি-শিশি ॥

    এমন সময় ফোনটা এল, ডাক্তারবাবু আমি পটললাল বলছি।

    সহদেব ডাক্তার বললেন, আরে পটলবাবু কোথা থেকে বলছেন?

    পটলবাবু বললেন, সেটাই জানি না।

    সহদেব বললেন, কী ব্যাপার বলুন?

    পটললাল বললেন, আমায় বন্দি করে রাখা হয়েছে, পঁচিশ লাখ টাকা মুক্তিপণ না দিলে এরা ছাড়বে না। তারপর একবার সাফারি সুটের দিকে তাকিয়ে বললেন, এরা অবশ্য এখনও পর্যন্ত আমার ওপর কোনও অত্যাচার করেনি।

    ডাক্তার সহদেব অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পটললালের কাছে পুরো বৃত্তান্ত শুনলেন। হঠাৎ পটললাল বললেন, এখন ছেড়ে দিচ্ছি। ফোনটা কেটে গেল। দুটো জিনিস ডা. শুককে স্ট্রাইক করেছে।

    প্রথমটি তার নিজের ব্যাপার। গোপনে তিনি একটা নতুন ওষুধ চালু করেছেন। হোমিওপ্যাথিক ক্লোরোফর্ম জাতীয় তরল ওষুধ। রুমালে ঢেলে একবার শুকলে ঘুম ঘুম ভাব আসবে, ঘুমের ট্যাবলেট খেলে কিংবা অল্প মদ খেলে যেমন হয়।

    কবিস্বভাব এবং স্বভাবকবি সহদেব ওষুধটার নাম দিয়েছেন, সম্মুখে শান্তি পারাবার।

    ওষুধের শিশির গায়ে লাল কালিতে ছাপার হরফে লেখা থাকে।

    দুবার চারবার নয় মাত্র একবার।
    তা না হলে একেবারে শান্তি পারাবার ॥

    দ্বিতীয় যে ঘটনা সহদেববাবুকে ভাবাচ্ছে সেটা হল আজকের সকালবেলায় খবরের কাগজের দুটি সংবাদ।

    প্রথম সংবাদটি: প্রথম পৃষ্ঠায় গুরুত্ব দিয়ে ছাপা হয়েছে

    অজ্ঞাতপরিচয় প্রাতঃভ্রমণকারী অপহৃত।
    সংবাদপত্রের ভাষায়
    গতকাল ভোররাতে চিত্রতারকা রমলাদেবী যখন তার দেহরক্ষকের সঙ্গে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলেন, তিনি দূর থেকে দেখেন যে মর্নিং ওয়াকের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তিকে জোর করে একটি মারুতি ভ্যানে তুলে নিচ্ছে। অপহৃত ব্যক্তিকে অত দূর থেকে তার কেমন চেনা চেনা মনে হয়, কিন্তু ঠিক চিনতে পারেননি।..

    সংবাদটি অবশ্য আরও বড় করে ফেনিয়ে-ফাঁপিয়ে লেখা। কিন্তু সংবাদের সারমর্মটি সহদেববাবুকে বেশ ভাবিত করল।

    এ ছাড়াও ষষ্ঠ পৃষ্ঠায় একেবারে নীচের দিকে একটি ক্ষুদ্র সংবাদ আছে।
    আলিপুরে ছিঁচকে চোরের উৎপাত।

    কে বা কাহারা বিখ্যাত শিল্পপতি উদয় চৌধুরীর বাসভবনে কাল রাতে প্রবেশ করে তার মূল্যবান স্পোর্ট শর্ট, ব্যাবিটো শার্ট এবং পাওয়ার জুতোজোড়া নিয়ে পালিয়েছে। চৌধুরী সাহেব এখন দিল্লিতে, তার বাড়িতে অন্য কারণে যোগাযোগ করা হলে তাঁর স্ত্রী এই খবরটি জানান।

    .

    পটললালের অপহরণের সঙ্গে এই ঘটনাগুলো জড়িয়ে দুয়ে দুয়ে চার মেলাতে লাগলেন তীক্ষ্ণধী সহদেব ডাক্তার।

    দুয়ে দুয়ে সব সময়ে যে চার হয় না, বহু সময়েই দুই হয়, শিবরাম চক্রবর্তীর এই উপপাদ্যটিও জানা আছে সহদেববাবুর।

    এর মধ্যে আরেকটা ব্যাপার দাঁড়িয়েছে ঠিক পরশুদিন, তার এক পুরনো রোগী ঝরিয়ার আতঙ্ক গর্জনপ্রসাদ রাতে ঘুম হচ্ছে না বলে তার কাছ থেকে এক শিশি সম্মুখে শান্তি পারাবার নিয়ে গেছে। গর্জনপ্রসাদ হেঁচকির রোগী, সদাসর্বদা তার হেঁচকি ওঠে, রাতে হেঁচকির জন্যে ঘুম হয় না।

    তিনটে ব্যাপার পটলবাবুর কাছ থেকে জানতে হবে, এইরকম ভাবছেন সহদেব ডাক্তার। এমন সময় আবার ফোন এল পটললালের।

    সাফারি সুটের বড়সাহেব এসেছে। বড়সাহেবের পরনে খাদির আলিগড়ি পাজামা, হাঁটুঝুল পাঞ্জাবি, সুগন্ধী পান চিবোচ্ছেন আর হেঁচকি তুলছেন।

    পটললালকে দেখে বড়সাহেবের একটু খটকা লাগল। এই ছিঁচকে চেহারার লোকটা বিখ্যাত শিল্পপতি উদয় চৌধুরী! এর হালচাল দেখে তো একে বিশাল শিল্পপতি বলে মনে হয় না।

    রুপোর কৌটো থেকে আরেকটা পান বের করে মুখে পুরে বড়সাহেব হাতজোড় করে পটললালকে নমস্কার করলেন। তারপর বললেন, সুপ্রভাত চৌধুরীজি, আপকো বহোত তকলিফ হল। আর একটা কাম বাকি, এবার ফোন করে বলে দিন একটা রেশন ব্যাগের মধ্যে টাকাটা ভরে আজ সন্ধ্যা ছটার সময় রেডি রাখতে। কোথায় কাকে কীভাবে দিতে হবে সেটা পরে বলছি।

    বাধ্য বালকের মতো পটললাল আবার ডাক্তার সহদেব শুককে ফোন করলেন, সঙ্গে সঙ্গেই সহদেববাবুকে পাওয়া গেল।

    পটললাল তাকে বললেন, পুরো পঁচিশ লাখ টাকা আজ সন্ধ্যা ছয়টার সময় দিতে হবে।

    সহদেব ডাক্তার বললেন, সে দেখা যাবে। তার আগে আপনি আমার তিনটি প্রশ্নের জবাব দিন। যদি তিনটি প্রশ্নের জবাবই হ্যাঁ হয়, তবে বেশি কথা না বলে শুধু একবার হ্যাঁ বলবেন।

    পটল বললেন, প্রশ্ন তিনটে বলুন।

    সহদেব ডাক্তার বললেন, এক নম্বর প্রশ্ন হল, এরা কি আপনাকে শেষরাতে আলিপুরের রাস্তা থেকে ধরেছে? প্রশ্ন নম্বর দুই হল, তখন কি আপনার পরনে শর্ট-শার্ট ইত্যাদি ভ্রমণকারীর পোশাক। ছিল এবং সে পোশাক কি আপনি আশেপাশের কোনও বাড়ি থেকে সংগ্রহ করেছিলেন? আমার তৃতীয় ও শেষ প্রশ্ন, আপনাকে গাড়িতে তুলে আপনার নাকে কি ঘিয়ের সঙ্গে ফিনাইল আর রসুনের। রস মেশালে যেরকম গন্ধ হতে পারে সেই রকম গন্ধ শুকিয়েছিল?

    পটললাল বিস্মিত হয়ে বললেন, হ্যাঁ, হ্যাঁ, হ্যাঁ।

    সহদেব ডাক্তার বললেন, তিনবার হা না বলে একবার বললেই হত। সে যা হোক, আপনার সামনে কি কোনও লিডার চেহারার লোক জাপান খাচ্ছে আর হেঁচকি তুলছে? যদি তাই হয়, তাকে ফোনটা দিয়ে বলুন কড়েয়ার ডাক্তার শুক কথা বলবেন।

    স্তম্ভিত পটললাল বড়সাহেবের হাতে ফোনটা তুলে দিয়ে বললেন, কড়েয়ার ডাক্তার সহদেব শুক কথা বলবেন।

    বড়সাহেব সঙ্গে সঙ্গে টেলিফোনটা নিয়ে রাম রাম ডাক্তারজি বলে বেশ কিছুক্ষণ কথাবার্তা বললেন।

    .

    পটললাল বহাল তবিয়তে ফিরে এসেছেন। বড়সাহেব লোক খারাপ নন। অকারণ হেনস্থা বাবদ তিনি পটললালকে পাঁচশো টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়েছেন। সেই টাকা দিয়ে হাওড়া স্টেশনে ট্রেন থেকে নামার পর, ব্রিজের পাশ থেকে তিনশো টাকা দিয়ে দেড় কেজি ইলিশ মাছ নিয়ে বাড়ি এসেছেন, মিস জুলেখা এতই খুশি হয়েছেন, পটললাল দুদিন কোথায় ছিলেন তাও জানতে চাইলেন না।

    পটললালকে যদি আপনারা কেউ চাক্ষুষ দেখতে চান, যেকোনও দিন সকালবেলা তিলজলা চলে যাবেন। তপসিয়ামুখী কর্দমাক্ত গলিপথে যে ব্যক্তিকে দামি শর্ট-শার্ট পরে পাওয়ার শু পায়ে মাতব্বরি চালে হাঁটতে দেখবেন, তিনিই পটললাল পাল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখাজুরাহ সুন্দরী
    Next Article কীর্তিহাটের কড়চা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    তারাপদ রায়

    রম্যরচনা ৩৬৫ – তারাপদ রায়

    August 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }