Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সরস গল্প সমগ্র – তারাপদ রায়

    তারাপদ রায় এক পাতা গল্প1280 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একটি পুস্তক সমালোচনা

    একটি পুস্তক সমালোচনা

    ০১.

    শ্রীমতী সুকুমারী পালদত্ত প্রণীত যত দেখি, যত জানি, যত ভাবিবইটি সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। এই একটি বইই তাঁকে বিখ্যাত করে দিয়েছে। গত বইমেলায় এই বই নিয়ে হইচই পড়ে যায়।

    এ কালের যেকোনও হেঁদো সমালোচকের মতো ধরি মাছ না ছুঁই পানি গোছের, প্রকাশক ও লেখকের মুখরক্ষা করে অথচ বেশি প্রশংসা না করে, ছাপা বাঁধাই-প্রচ্ছদ ভাল গোছের আলোচনা করার পাত্র আমি নই।

    তা ছাড়া সুকুমারী দেবীকে আমি ভালই চিনি। এই বই রচনা সম্পর্কে তাঁর কাছে বিস্তর শুনেছি। এই বইয়ের প্রসঙ্গে তারই কিছু কিছু উল্লেখযোগ্য।

    সে প্রায় পঁচিশ বছর আগের কথা। সুকুমারী তখন অবিবাহিতা, সদ্য এম এ পাস করে একটি কনসালট্যান্ট কোম্পানিতে সাময়িক একটা সমীক্ষার কাজ করছেন। বোধহয় কোনও খবরের কাগজের ব্যাপার হবে। বাড়ি বাড়ি ঘুরে লোকের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে, তাঁরা কী কাগজ পড়েন, কেন পড়েন ইত্যাদি ইত্যাদি।

    প্রতিটি প্রশ্নোত্তর বাবদ তিন টাকা, দৈনিক কয়েক ঘণ্টায় দশ-পনেরো টাকা উপার্জন, মাসে তিন-চারশো টাকা, সে সময় সে টাকার অনেক দাম।

    এই কাজ করতে করতে একদিন সুকুমারী ঘোর বিপদে পড়লেন। অচেনা পাড়ায় একটা পুরনো বাড়িতে পাগলের পাল্লায় পড়লেন।

    কলিংবেল দিতে গৃহকর্তা স্বয়ং দরজা খুলে দিয়েছেন। তাঁর এক হাতে কাঁচি, অন্য হাতে সেদিনের প্রায় সবগুলো দৈনিক পত্রিকা। ভদ্রলোকের রক্তচক্ষু, তিনি দরজা খুলেই সুকুমারী দেবীকে দেখে জিজ্ঞেস করলেন, কী বেচতে এসেছ? ইঁদুর মারা ওষুধ? এই ধেড়ে ইঁদুরকে কোনও ওষুধ দিয়ে মারতে পারবে না।

    সুকুমারী বললেন, না স্যার, ওষুধ-টষুধ নয়, আমি জানতে এসেছি আপনি কী কী খবরের কাগজ পড়েন, কেন পড়েন?

    কী কী কাগজ পড়ি? কেন পড়ি? এই বলে সেই ভদ্রলোক বললেন, কোনও কাগজ পড়ি না। কাগজের নিকুচি করেছে। প্রত্যেকটা কাগজ সকালবেলা পাওয়ামাত্র কাঁচি দিয়ে কুচিকুচি করে কাটি,বলে হাতের কাগজগুলো কুচিকুচি করতে লাগলেন। এই সময় বাড়ির মধ্য থেকে অন্য এক ব্যক্তি বেরিয়ে এলেন, গৃহকর্তার চেয়ে কিঞ্চিৎ লম্বা, কিন্তু দেখেই বোঝা যায় বয়েস কিছুটা কম। বোধহয় ছোটভাই।

    এই দ্বিতীয় ব্যক্তি একটু একরোখা প্রকৃতির, এসেই গৃহকর্তাকে বললেন, দাদা, তুমি একাই সবগুলো কাগজ কুচিকুচি করলে, একবারও ভাবলে না যে কাঁচিটা আমিই তোমাকে দিয়েছিলাম। অত্যন্ত রাগত অবস্থায় এই কথা বলতে বলতে দ্বিতীয় ব্যক্তি সুকুমারী দেবীকে দেখতে পায়। সঙ্গে সঙ্গে দাদাকে জিজ্ঞাসা করে, দাদা, এই মহিলা কে? এর সঙ্গে কী নটঘট করছ? গৃহকর্তা বললেন, নটঘট নয়, জানতে এসেছে আমরা কী খবরের কাগজ পড়ি, কেন পড়ি?

    এই কথা শুনে দ্বিতীয় ব্যক্তি উত্তেজিত হয়ে দাদার হাত থেকে কাঁচিটা একটানে ছিনিয়ে নিয়ে সুকুমারীকে তাড়া করে আসেন, আমরা খবরের কাগজ পড়ি না, খবরের কাগজ কুচোই। আয়, আজ তোকে কুচোই। দ্বিতীয় উন্মাদ কুচোনোর সুযোগ পাওয়ার আগেই সুকুমারী দৌড়ে পালিয়ে প্রাণরক্ষা করেন।

    .

    সেদিন বিকেলেই সুকুমারী তাঁর নিয়োগকর্তার সঙ্গে দেখা করে চাকরি ছেড়ে দিলেন। অবশ্য সমীক্ষা তখন প্রায় শেষ হয়ে এসেছিল, দু-চার দিন পরেই কাজ শেষ হয়ে যেত।

    কিন্তু এই কাঁচি নিয়ে তাড়া করে আসার ঘটনাটা তাঁর মনের মধ্যে ঘুরপাক খেতে লাগল। তিনি অনেকরকম চিন্তাভাবনা করে খুব ভাল করে মুসাবিদা করে একটা বড় দৈনিক কাগজের দপ্তরে সম্পাদক সমীপেষু চিঠিপত্রের স্তম্ভে প্রকাশের জন্যে একটি দীর্ঘ পত্র প্রেরণ করলেন। এই পত্রে তিনি তাঁর ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা সবিস্তারে বর্ণনা করে প্রশ্ন তুলেছিলেন,

    পাগলদের কি খবরের কাগজ পড়া উচিত?

    পাগলদের কি খবরের কাগজ পড়তে দেওয়া উচিত?

    দুঃখের বিষয় আর দশটি চিঠির মতোই এ চিঠিও ছাপা হয়নি। মাস দুয়েক অপেক্ষা করার পর তিনি ওই খবরের কাগজের অফিসের চিঠিপত্র দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মহোদয়ের সঙ্গে দেখা করেন। বিচক্ষণ, বুদ্ধিমান তিরিশ-পেরোনো এক অনতি যুবক ভদ্রলোক চিঠিপত্র দেখেন। সমস্যা এই যে ভদ্রলোকের মাথায় তখন সদ্য টাক পড়া শুরু হয়েছে। ভদ্রলোকের পাঞ্জাবির পকেটে একটা ছোট গোল আয়না, প্রতিনিয়ত সেই ভদ্রলোক পকেট থেকে আয়নাটি বের করে তাঁর টাকের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং হতাশভাবে ধুৎ বলেন।

    এইরকম গোটা পঞ্চাশেক ধুৎ বলার ফাঁকে ফাঁকে সেই টাকোদ্বিগ্ন (টাক+উদ্বিগ্ন) সাংবাদিক সুকুমারীর বক্তব্য শুনে নিয়ে বললেন, দেখুন, আপনার চিঠি হয়তো আমরা ছাপব না, বা ছাপতে পারব না। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমি আপনাকে বলতে পারি, আপনি এই চিঠিতে যেরকম মৌলিক চিন্তার পরিচয় দিয়েছেন, সেটা খুব সাধারণ ব্যাপার নয়।

    সুকুমারী বললেন, তা হলে?

    সাংবাদিক বললেন, তা হলে আবার কী? একটা বাঁধানো মোটা খাতায় এইরকম যা যা, যেমন যেমন মাথায় থাকে লিখে যান। অনেকটা লেখা হয়ে গেলে বই করবেন।

    যেতে যেতে সুকুমারী জিজ্ঞেস করলেন, কী নাম দেব বইয়ের, চিন্তা-ভাবনা?

    দুঁদে সাংবাদিক বললেন, সর্বনাশ! ওরকম নামে কোনও বই এক কপিও বিক্রি হবে না। হালকা নাম ভাবুন।

    .

    সাংবাদিক ভদ্রলোকের কাছে আশকারা পেয়ে সুকুমারী বাড়ি ফেরার পথেই চার দিস্তে কাগজ কিনলেন, ভাঁজ করে মাঝবরাবর সেলাই করে চমৎকার একটা লম্বা খাতা হল, বেশ মোটা।

    খাতার ওপরে বাঁশ কাগজের মলাট লাগিয়ে লাল ডট পেনসিল দিয়ে সেখানে বড় করে লিখলেন-সুকুমারী পাল প্রণীত মজার বই (?) তৃতীয় পঙক্তিতে মজার বই নামের পর একটি প্রশ্নবোধক চিহ্ন, যার মানে হল এই নামকরণ চূড়ান্ত নয়, পরিবর্তিত হতে পারে।

    এরপর বহু বহু বছর চলে গেছে, মজার বই নামটা সহজে পালটানো যায়নি, অবশ্য ইতিমধ্যে মজার বই নামে অন্যদের অন্তত পাঁচ-সাতটা বই বাজারে বেরিয়ে গেছে। আসলে যেটা পরিবর্তিত হয়েছে, সেটা বইয়ের লেখিকার নাম। কুড়ি বছর হল সুকুমারী পাল বিয়ে করে সুকুমারী দত্ত হয়েছেন। অবশ্য তিনি শুধু দত্ত লেখেন না, আধুনিক কায়দায় লেখেন সুকুমারী পালদত্ত। বাপের বাড়ির আর শ্বশুর বাড়ির পদবি মিলিয়ে।

    মজার বই নামের খাতার মলাটে তিনি নতুন পদবি সংযোগ করে সুকুমারী পালদত্ত হয়ে গেলেন। যদিও বিয়ের পর অনিবার্য কারণে লেখা কমে গেল।

    সুকুমারী কিন্তু চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, পালদত্ত হওয়ার আগে অর্থাৎ বিয়ের আগে তিনি যথাসাধ্য মজার বই নামাঙ্কিত খাতা নিজের বুদ্ধি এবং প্রতিভা অনুযায়ী যতটা পেরেছেন, ভরিয়েছেন। দত্তবাড়িতে বিয়ে হবে নিশ্চিত জেনে তিনি দুই দত্তকুলোঙব কবি মধুসূদন এবং সুধীন্দ্রনাথের মিলিত অনুকরণে কাব্যচর্চা শুরু করেন। মজার বইয়ের প্রথম দিকেই তাঁর সেই প্রচেষ্টার ফসল রয়েছে :

    … অজয়ের স্পর্ধা দেখি, চক্ষু রক্তলাল, ফিরাও চপ্পল তব, গর্জিল উৎপল কিন্তু হায় ইতিমধ্যে উড়ন্ত চপ্পল গোপালে খোঁতা মুখ করি দিল লাল ॥…

    সুকুমারী এই প্রসঙ্গে, বিশেষত অজয় এবং উৎপলের পরস্পরের প্রতি আক্রোশ বিষয়ে কিঞ্চিৎ পর্যালোচনা করেছিলেন। সুকুমারীর এখনও মনে আছে অজয় এবং উৎপল উভয়েই একদা তাঁর প্রাণের বন্ধু ছিলেন, একদা তাঁকে নিয়েই চটি-চপ্পল ছোঁড়াছুড়ি হয়েছিল এই দুজনের মধ্যে, কিন্তু অজয় হেরে গিয়েছিল, তার হালকা হাওয়াই চটি নিয়ে সে যুঝে উঠতে পারেনি উৎপলের পায়ের ভারী কোলাপুরি চপ্পলের সঙ্গে।

    সুকুমারী ঠিকমতো রচনা করলে চপ্পল সংহিতা কাব্য অনায়াসেই মজার বইয়ের প্রথম অধ্যায় হতে পারত, কিন্তু কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালবাসে?

    সুকুমারীর বিয়ে হয়ে গেল, চমৎকার লম্বা-চওড়া, সরকারি চাকুরে মণিলাল দত্তের সঙ্গে। শুধু সরকারি চাকুরে নয়, সুকুমারীর বর মণিলাল পুলিশের চাকরি করেন।

    বিয়ের অব্যবহিত পরে অন্য দশটি দম্পতির মতো সুকুমারী পালদত্ত মধুচন্দ্রিমা যাপনের সুযোগ পাননি। বিয়ের অষ্টমঙ্গলার পরে বরের সঙ্গে তাঁর কর্মস্থলে বীরভূম জেলার রামপুরহাটে যেতে হয়।

    রামপুরহাট প্রথমে সুকুমারীর ভাল লেগেছিল, তা ছাড়া নববিবাহের মোহ, মণিলাল দত্তের আকর্ষণ। এখানেই মজার খাতার অনেকগুলি পৃষ্ঠা তিনি ভরিয়ে ফেলেছিলেন। কিন্তু রামপুরহাটে বেশিদিন থাকা হয়নি। তার অন্যতম কারণ তাঁর ওই খাতায় লেখা আছে:

    রামপুরহাটের দিনলিপি

    এখানকার মশা হিংস্র ও ধূর্ত, কুকুরের মতো।

    গতকাল সন্ধ্যাবেলায় একটি বলবান, হৃষ্টপুষ্ট পুং (পুরুষ) মশা আমাকে কামড়াইতে আসে। আমি বারান্দায় বসিয়াছিলাম। বারান্দা হইতে নামিয়া উঠান পার হইয়া রাস্তায় নামিলাম, মোড় পর্যন্ত চলিয়া গেলাম। কুকুরের মতো মশাটি আমার পিছু পিছু ধাওয়া করিল।

    যদি কেহ জানিতে চান ইহা যে পুং মশা তাহা কীভাবে বুঝিলাম, ইহা সোজা ব্যাপার, স্ত্রী মশা রক্তপানের পূর্বে গুনগুন করিয়া গান করে, পুরুষ মশারা করে না। এখানকার মুড়ি-গুড় যতই সুস্বাদু হউক মশার অত্যাচারে এই স্থান শীঘ্রই ছাড়িতে হইবে।

    ০৩.

    কিছুদিন পরে মণিলাল দত্ত রামপুরহাট থেকে কোচবিহারের দিনহাটায় বদলি হলেন। ইতিমধ্যে সুকুমারী রীতিমতো সংসারী হয়ে পড়েছেন, তাঁর কোল আলো করে একটি পুত্রসন্তান এসেছে।

    মজার বইয়ের কথা আজকাল সুকুমারীর মনে থাকে না। বইয়ের তাকের একপাশে সে খাতা অনাদরে পড়ে থাকে।

    বলা বাহুল্য, তাঁর স্বামী পুলিশ সাহেব মণিলাল দত্ত সুকুমারীর এই সাহিত্যচর্চার কথা জানেন এবং সম্প্রতি লক্ষ করেছেন যে তাঁর স্ত্রীর মজার বইয়ের বিষয়ে আসক্তি প্রায় বিলীয়মান।

    তিনিই সুকুমারীকে উদ্বুদ্ধ করলেন আবার মজার লেখা লিখতে।

    নিতান্ত বশংবদ স্বামীর অনুরোধ রক্ষা করার জন্যে বহুদিন পরে ধুলো ঝেড়ে খাতা খুলে সুকুমারী দেবী প্রথমে নিজের শিশুসন্তানকে নিয়ে লিখলেন, আমার খোকা বোকাসোকা। খোকার মা মোটাসোটা..

    এইটুকু লেখার পর সুকুমারীর খেয়াল হল আমি হলাম খোকার মা, কিন্তু আমি তো মোটাসোটা নই।

    এমন করে ভাবলে তো লেখা চলে না, লিখতে হয় চোখকান বুজে, অগ্র-পশ্চাৎ, ডাম-বাম বিবেচনা করে। সব কিছু মেলাতে গেলে বিপদ।

    এসব অবশ্য মণিলাল দত্তের কথা, তিনি সুকুমারীকে বলেছিলেন, থানায় ডায়েরি করার সময়ে ছাড়া মানুষ কখনও কিছু ভেবেচিন্তে লেখে না।

    না ভেবেচিন্তে কী লিখব আবার? সুকুমারীর প্রশ্নের উত্তরে পুলিশ সাহেব বলেছিলেন, যা দেখবে, তাই নিয়ে লিখবে। এ নিয়ে ভাবনা করলে লেখা কঠিন হবে।

    স্বামীর সুপরামর্শ শুনে সুকুমারী অনেকরকম ভাবলেন, চারদিকে চোখ খুলে তাকালেন, তারপর যেখানে যে জায়গায় যা কিছু আছে ভাল করে দেখতে লাগলেন। এই সময় তাঁর চোখে পড়ল, তাঁদের কোয়ার্টারের পাশে মহকুমা সদর থানার সাইনবোর্ড

    দিনহাটা থানা
    মহকুমা–দিনহাটা
    জেলা–কোচবিহার।

    মুহূর্তের মধ্যে সুকুমারীর মাথায় খেলে গেল, দিনহাটা নিয়ে একটা পদ্য লিখতে হবে।

    এবং অল্প একটু চেষ্টা করেই তিনি লিখে ফেললেন–

    …দিনে হাঁটা দিন হাটা।
    জমি চাই এক কাঠা ॥
    রাতে হাঁটা রাত হাটা ॥
    ডাকাতের গলা কাটা ॥
    ভোরে হাঁটা ভোর হাটা।
    টনটন করে পা-টা ৷ …

    দুঃখের বিষয়, এই শেষ পঙক্তিতে সুকুমারী দেবীর ব্যক্তিগত সমস্যা কিঞ্চিৎ প্রাধান্য পেয়েছিল। তিনি সম্প্রতি মুটিয়ে যাচ্ছিলেন। তাই মণিলালবাবুর পরামর্শমতো প্রতিদিন ভোরে বাড়ির সামনের রাস্তা ধরে হাটছিলেন।

    কিন্তু এই ভোরে হাঁটা তথা ভোর হাটা পাঠ করে দত্তসাহেব তাঁকে বলেন, ঠিক আছে, যথেষ্ট হয়েছে। এবার তুমি কল্পনার জগতে যাও।

    এবারেও স্বামীর নির্দেশ অমান্য করেননি সুকুমারী, দু-চারদিন ভেবেচিন্তে লিখলেন দীর্ঘ পঁচিশ পৃষ্ঠা, যার মধ্যে রয়েছে

    … লোহিত সাগরের তীরের সেই গ্রামের ঘাটে তখন উত্থানশক্তিরহিত রোহিত মাছটি খাবি খাইতেছিল।

    খাবি খাইবার জিনিস কিনা? খাইতে কীরকম? খাবি একবার খাইলে আরেকবার খাওয়া যায় নাকি?

    জানি এসব প্রশ্ন একদিন উঠিবে। তাই সদাপ্রস্তুত হইয়া আছি। পরশুরামের ভাষায় বলিতে পারি।

    দস্তুর মতো প্রস্তুত আমি।…

    এর পরেও পনেরো বছর কেটে গেছে। সময়ে-অসময়ে সংসার করতে করতে সুকুমারী প্রাণে যা চায় উলটোপালটা লিখে গেছেন। বলা বাহুল্য, পুলিশ সাহেব তাঁকে সুপরামর্শ দিয়ে অনুপ্রাণিত করেছেন, অবশেষে তিনিই যত দেখি, যত জানি, যত ভাবি এই নতুন নামকরণ করে বই ছাপিয়ে দিয়েছেন।

    এই বইটির পূর্ণাঙ্গ আলোচনা করতে গেলে বইটির প্রতি অন্যায় করা হবে। শুধু একটি কথা উল্লেখ না করলে অন্যায় হবে।

    এই বইটির প্রথম অধ্যায় যত দেখি অংশটি সুকুমারী দেবীর রচনা নয়। আসলে এ অংশ পুলিশ সাহেব মণিলাল দত্তের রচনা। ভদ্রলোক নিজের নাম কোথাও দেননি, স্ত্রীর লেখা জনপ্রিয় করার জন্যে প্রথম দিকের অংশটুকু লিখে দিয়েছেন। তাই মজার বই পাণ্ডুলিপিতে এই লেখাগুলি নেই।

    প্রথম অংশের কয়েকটি লেখা এইরকম, নোট জাল করিবার সহজ উপায় অথবা নিজের টাকা নিজে ছাপুন কিংবা পকেটমার বন্ধুদের জন্যে কিছু সাবধানী বাণী অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য কীভাবে দিতে হয়।

    উদাহরণ বাড়িয়ে লাভ নেই। মণিলাল এবং সুকুমারীর একেবারে মণিকাঞ্চন যোগ হয়েছে।

    যত জানি, যত দেখি, যত ভাবি গ্রন্থের চাহিদা এত বেড়ে গেছে যে প্রকাশকদের আগ্রহাতিশয্যে সুকুমারী একটি নতুন বইয়ে হাত দিয়েছেন। দ্বিতীয় বইয়ের নাম মণিকাঞ্চন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখাজুরাহ সুন্দরী
    Next Article কীর্তিহাটের কড়চা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    তারাপদ রায়

    রম্যরচনা ৩৬৫ – তারাপদ রায়

    August 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }