Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সরস গল্প সমগ্র – তারাপদ রায়

    তারাপদ রায় এক পাতা গল্প1280 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নীল আলো

    নীল আলো

    নিলামে একটা রঙিন টিভি কিনেছিলেন প্রেমতোষ। নতুনের দামের প্রায় অর্ধেক দামে। অনেকদিনই একটা রঙিন সেটের শখ ছিল প্রেমতোষের। খোঁজ নিয়ে দেখেছিলেন পাঁচ অঙ্কের টাকা একটা নতুন সেটের দাম।

    টাকার পরিমাণ দেখে দমে গিয়েছিলেন প্রেমতোষ। প্রেমতোষের আর্থিক অবস্থা খুব খারাপ তা বলা যাবে না। ফল সংরক্ষণের একটি কেন্দ্রীয় সরকারি আন্ডারটেকিংয়ে ফিনান্স অফিসারের চাকরি করেন তিনি। তার কোম্পানি এখনও কোনও রকম ফল সংরক্ষণের কাজে হাত দেয়নি। কিন্তু ভবিষ্যতে কী করা হবে তারই ছক কষার জন্য শ তিনেক লোক কাজ করে।

    প্রেমতোষ মাইনে যা পান তাতে এক মাসের আয়ে একটা নতুন সেট টিভি কেনা চলে। কিন্তু প্রেমতোষ মিতব্যয়ী লোক। সব কিছুতে একটু সাশ্রয় করার চেষ্টা করেন। বাজারে ছোট আলু, ছোট পটল কেনেন। কেজি প্রতি পঞ্চাশ পয়সা কম লাগে বলে।

    এরকম তো অনেকেই করে। কিন্তু প্রেমতোষের সাশ্রয় করার ধরনটা একটু অন্যরকম। একটা ছোট উদাহরণ দিই।

    সকালবেলায় অফিস যাওয়ার আগে স্নান করার সময় তিনি দাড়ি কামান। দাড়ি কামানোর পরে সাবানের বুরুশ কিন্তু ধুয়ে ফেলেন না। বুরুশটা ধুয়ে ফেলেন ভাত খেয়ে উঠে আঁচানোর সময়। এতে হাত ধোয়ার জন্যে আর আলাদা করে সাবান লাগে না, বুরুশের সাবানেই কাজটা হয়ে যায়, বুরুশটাও ধোয়া হয়ে যায়। তা ছাড়া দাড়ি কামানোর সাবানের একটা সৌরভ আছে, তাতে হাতে একটা সুগন্ধ লেগে থাকে।

    রঙিন টিভি কেনার ব্যাপারে একটা মওকা পেয়ে গিয়েছিলেন প্রেমতোষ। হঠাৎ রবিবারের ইংরেজি কাগজে একটা বিজ্ঞাপন চোখে পড়েছিল, একটি গুজরাতি পরিবার বিদেশে চলে যাচ্ছে। তাদের বাড়ির জিনিসপত্র ফার্নিচার, টিভি, ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনার ইত্যাদি তারা সেই রবিবার সকালেই নিলামে বেচে দেবে।

    সাহেব পাড়ায় মিডলটন স্ট্রিটের ঠিকানা। পার্ক স্ট্রিটের মোড়ে বাস থেকে নেমে খুঁজতে খুঁজতে ঠিকানাটায় পৌঁছে ছিলেন প্রেমতোষ চৌধুরি।

    টিভিটা চালু অবস্থাতেই ছিল। হাঁকাহাঁকি করে যে দাম উঠল সেটাও আয়ত্তের মধ্যে। নগদ দাম চুকিয়ে টিভিটা একটা ট্যাকসি করে বাড়ি নিয়ে এলেন তিনি।

    বাড়িতে প্রেমতোষবাবু তাঁর এক গোলমেলে দাদার সঙ্গে থাকেন। দুই ব্যাচেলার সংসার দেখাশোনা করে একটি বোবা কাজের মেয়ে। ঠিক মেয়ে বলা চলে না, মধ্যবয়সিনী। প্রেমতোষবাবুর সুবিধে সে বোবা বলে কম মাইনে দিলেও কিছু বলতে পারে না। বোবা মেয়েটির নাম দামিনী। কিন্তু যে কানে শুনতে পায় না, তার নাম দিয়ে আর কী হবে।

    দামিনী কিন্তু সেয়ানা আছে। সে ভালই জানে তার কত মাইনে হওয়া উচিত। কিন্তু সে কম মাইনে নেয় এই আশায় যে ওই দুই ভাইয়ের মধ্যে যেকোনও একজন তাকে কখনও বিয়ে করবে। দামিনী সব সময়ে লজ্জানা, ব্ৰীড়ানতা ভঙ্গিতে থাকে। মাঝে মাঝেই জিব কাটে।

    দামিনীর আগে একবার বিয়ে হয়েছিল। তার সঙ্গে ঝগড়া করে না পেরে আগের স্বামী পালিয়ে যায়। প্রেমতোষ এ খবর শোনার পর মাথা ঘামিয়ে ছিলেন কী করে বোবা বউয়ের সঙ্গে ঝগড়া করত লোকটা, আর সেই ঝগড়ায় হেরে যেত। কিন্তু পাশের বাড়ির যে বুড়ি দাসী দামিনীকে দেয়, সে প্রথমেই সাবধান করে দিয়েছিল, দামিনী এমনিতে খুব ভাল, কিন্তু বড় ঝগড়াটে।

    প্রেমতোষবাবুর দাদা মহীতোষবাবু চিরকাল অপ্রকৃতিস্থ ছিলেন না। তিনি একটি পাঁচতারা হোটেলের হেলথ ক্লাবের ব্যায়াম নির্দেশক। সেখানে বিভিন্ন বয়সি স্থূলদেহী পুরুষ এবং মহিলার পরিচর্যা করে করে এখন সব কিছুই বড় বড়, মোটা মোটা দেখেন। দানাদার দেখলে ভাবেন রাজভোগ, পাতে ছোট এক টুকরো মাছ দিলে বলেন এত বড় মাছ। অবশ্য প্রেমতোষবাবুর ধারণা অতিরিক্ত শীর্ষাসন করে তার দাদার এই অবস্থা। উলটো দিক থেকে দেখে দেখে দৃষ্টিভঙ্গিটাই পালটিয়ে গেছে।

    সে যা হোক, প্রেমতোষ তো পুরনো টিভি সেটটা কিনে বাড়ি নিয়ে এলেন। মহীতোষ জিনিসটা দেখে খুব বিরক্ত বোধ করলেন, মুখে শুধু বললেন, আস্ত একটা সিনেমা বাসায় নিয়ে এলি।

    মহীতোষ টিভির ঘরে একদম এলেন না। দামিনী মাঝে মধ্যে উঁকি দিয়ে দেখে। উদ্দাম নাচের কিংবা ঘনিষ্ঠ প্রেমের দৃশ্যে জিব কেটে পালিয়ে যায়।

    দু-চারদিন টিভিটা মোটামুটি চলেছিল। কিন্তু হঠাৎ একদিন চলতে চলতে ফুস করে নিবে গেল।

    ইতিমধ্যে প্রেমতোষবাবু বুঝে ফেলেছিলেন, ওই গুজরাতি পরিবারের বিদেশ যাত্রার ব্যাপারটা পুরো ভুয়ো। ওটা একটা কায়দার বিজ্ঞাপন। প্রত্যেক সপ্তাহেই ইংরেজি কাগজের নির্দিষ্ট কলমে ওই একই মিডলটন স্ট্রিটের ঠিকানা দিয়ে একইরকম জিনিসের বিজ্ঞাপন বেরোয়। কখনও লেখা থাকে গুজরাতি পরিবার আমেরিকা যাচ্ছে, কখনও থাকে অ্যাংলো ইন্ডিয়ান দম্পতি অস্ট্রেলিয়া চলে যাচ্ছে।

    নিতান্ত কৌতূহলবশত পরের এক রবিবার প্রেমতোষবাবু ওই নিলামের ওখানে আরেকবার গিয়েছিলেন। গিয়ে দেখেছিলেন, আগের বার যারা ডাকাডাকি করে নিলাম হাঁকছিল এবারেও প্রায় তারাই তিন হাজার-সাড়ে তিন-পৌনে চার হাজার-চার এই রকম ডেকে ডেকে জিনিসের দাম তুলে দিচ্ছে। তার মানে, এরাও সাজানো মাইনে করা লোক। বিজ্ঞাপন দেখে অনভিজ্ঞ দু-চারজন উটকো। খদ্দের আসে, তাদের ঠকানোর কারবার।

    টিভি খারাপ হয়ে যেতে প্রেমতোষ গড়িয়াহাট মোড়ের এক টিভি মিস্ত্রির খোঁজ করলেন। দোকানদার অবশ্য মিস্ত্রি কথাটা পছন্দ করলেন না, তিনি বললেন, মেকানিক ডাকতে গেলে একশো টাকা জমা দিয়ে নাম বুক করতে হবে। ঠিকানা দেখে মেকানিক সময় মতো চলে যাবেন। তারপর তিনি দেখে এসে রিপোর্ট করবেন।

    প্রেমতোষ বললেন, উনি কখন যাবেন জানতে পারলে সুবিধে হয়। বাড়িতে বিশেষ কেউ নেই, তা হলে আমি তখন বাসায় থাকব। দোকানদার প্রেমতোষবাবুর ঠিকানা জানতে চাইলেন, খাতাপত্র দেখে বললেন, আপনার দিকে মিস্টার পাল রাউন্ডে যান বৃহস্পতিবার, তার মানে পরশুদিন। দোকানদার আবার খাতা দেখে কী একটা সূক্ষ্ম হিসেব করে বললেন, পরশুদিন তিনটে, সাড়ে তিনটে নাগাদ পৌঁছে যাবে।

    প্রেমতোষবাবু অনুনয় করলেন, শনি-রবিবার সম্ভব হবে না? ওই দুদিন আমার ছুটি থাকে।

    দোকানদার বললেন, অসম্ভব। শনিবার বন্ডেল, রবিবার গোলপার্ক।

    অগত্যা প্রেমতোষবাবু বহুদিন পরে বৃহস্পতিবার একটা হাফ ক্যাজুয়াল লিভ নিয়ে দুপুরে বাসায় ফিরে এসে বসে রইলেন।

    তিনটে বা সাড়ে তিনটে নয়। মিঃ পাল এলেন পাঁচটা পার হয়ে। চোখে সানগ্লাস, গায়ে স্পোর্টস গেঞ্জি, হাতে ভি আই পি সুটকেস।

    মি. পাল কলিংবেল বাজিয়ে পরপর চারটে সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন করলেন। প্রথমেই জানতে চাইলেন, আপনিই প্রেমতোষ চৌধুরি?

    প্রেমতোষবাবু দরজা খুলে দিয়ে বললেন, হ্যাঁ।

    টিভি খারাপ হয়েছে?

    প্রেমতোষবাবু আবার বললেন, হ্যাঁ।

    বাড়িতে কুকুর নেই তো?

    প্রেমতোষবাবু জানালেন, না।

    জুতো খুলতে হবে নাকি?

    প্রেমতোষবাবু বললেন, দরকার নেই।

    মি. পাল জুতো মশমশ করে বাড়ির মধ্যে ঢুকে টিভির সামনে একটি সোফায় বসে একটা কিং সাইজ সিগারেট ধরিয়ে প্যাকেটটা প্রেমতোষবাবুর দিকে এগিয়ে বললেন, চলবে নাকি?

    প্রেমতোষবাবু করজোড়ে সিগারেট প্রত্যাখ্যান করলেন।

    সিগারেট টানতে টানতে গভীর অভিনিবেশ সহকারে মি. পাল টিভি সেটটাকে পর্যবেক্ষণ করতে লাগলেন। অনেকক্ষণ দেখার পরে জিজ্ঞাসা করলেন, এ মডেলের মাল কোথায় পেলেন মশায়? এ যে মিলিটারি ডিসপোজালের পুরনো চোরাই মাল।

    প্রেমতোষবাবু সংবাদটা শুনে একটু বিচলিত হলেন। তবে বুঝতে দিলেন না, বললেন, নিলামে কিনেছি।

    দেখা গেল মি. পাল বহুদর্শী লোক। অনেক কিছু খোঁজখবর রাখেন। নিলামের কথা শুনে তিনি বললেন, মিডলটন স্ট্রিটের নিলাম তো? গুজরাতি হাজব্যান্ড অ্যান্ড ওয়াইফ, মি. অ্যান্ড মিসেস দেশাই, সব বেচে দিয়ে বড় মেয়ে কানাডায় ডাক্তার, তার কাছে চলে যাচ্ছেন, তাই তো৷ ছিঃ ছিঃ! কালীঘাটের ভোলা হালদার হয়েছে মি. দেশাই, আর রিপন স্ট্রিটের রেহানা হয়েছে মিসেস দেশাই। ছিঃ! ছিঃ! জাত ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে চিটিং করছে!

    প্রেমতোষবাবু হতভম্ব হয়ে গেলেন।

    মি. পাল সোফা থেকে উঠে ভি আই পি সুটকেস খুলে যন্ত্রপাতি বার করে টিভির বাক্সটা অবলীলাক্রমে খুলে ফেললেন। পিছনের ঢাকনাটা উপুড় করে দিয়ে তার মধ্যে ভিতরের ছোট বড় নানারকম জটিল যন্ত্রাংশ খুলে খুলে রাখতে লাগলেন। তারপর হাত-পা হঠাৎ ছেড়ে গেলে লোকে যেভাবে কী পরিমাণ ক্ষত হয়েছে সেটা অনুধাবন করার চেষ্টা করে সেটের ভেতরটা একটু ঘাড় নামিয়ে দেখলেন, অবশেষে নিদান হাঁকলেন, একেবারে শেষ অবস্থা, টিউবটা একেবারে গেছে।

    এবার মি. পাল উঠলেন। নিজের সুটকেসটা একটু গুছিয়ে নিলেন। সন্ধ্যা হয়ে এসেছে, চোখের কালো চশমাটা যেটা বাড়ির মধ্যে ঢুকে জামার ওপর পকেটে রেখেছিলেন সেটাকে সুটকেসের মধ্যে ভরে নিলেন। ধীরে সুস্থে একটা সিগারেট ধরিয়ে প্রেমতোষকে বললেন, সোমবার একবার যাবেন, এস্টিমেট পেয়ে যাবেন। টিভিটা যন্ত্রপাতি খোলা অবস্থায় সেই রকম পড়ে রইল।

    তবে এস্টিমেটটা সোমবার পাওয়া গেল। হাজার চারেক টাকা লাগবে। পিকচার টিউব থেকে নাট বলটু সবই মেরামত করতে হবে কিংবা পুরোপুরি বদলাতে হবে।

    এত সহজে চার হাজার টাকা খরচ করবার লোক প্রেমতোষ নন। দোকান থেকে বেরিয়ে ফুটপাথে এসে দামি এস্টিমেটটা ছিঁড়ে ফেলে ছিলেন। ফুটপাথের পাশের একটা কাঠের বেঞ্চিতে লুঙ্গি ও হাতকাটা কালো গেঞ্জি পরে মি. পাল বিড়ি সহযোগে ভাড়ে চা খাচ্ছিলেন, এস্টিমেটটা ছিঁড়ে ফেলতে দেখে তিনি কটমট করে তাকালেন প্রেমতোষের দিকে।

    টিভির শোক সামলে উঠতে পারছিলেন না প্রেমতোষ। বাড়ি ঢুকলেই বসার ঘরে নাড়িভুড়ি বার করা সেটটা চোখে পড়ে। এদিকে এত খরচ করাও বিশেষ করে জোচ্চোরের গছানো রদ্দি টিভির জন্যে, প্রেমতোষবাবুর মনঃপূত নয়।

    কিন্তু হঠাৎই সমস্যাটার আংশিক সুরাহা হয়ে গেল। প্রেমতোষের অফিসের একটা কারখানা বানানো হচ্ছে, কলকাতার কাছেই শহরতলিতে। ফলের রস তৈরি করার কারখানা। প্রেমতোষ গিয়েছিলেন কারখানা নির্মাণের ব্যয়ের সরেজমিন তত্ত্বাবধান করতে।

    কারখানা তৈরির টেন্ডার পেয়েছিলেন রামকিষেণ সিং নামে এক পাঞ্জাবি কন্ট্রাক্টর। একটু রোগা, একটু বেঁটে, সর্দারজি হিসেবে একটু বেমানান, কিন্তু দাড়ি আর জবরদস্ত পাগড়ি মাথায় ভদ্রলোক। একেবারে চোস্ত শিখ।

    দু-চারদিন কাজের পর সর্দারজির সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠল প্রেমতোষবাবুর। সেই সময়ে। একটা চমকপ্রদ তথ্য অবগত হলেন তিনি।

    সর্দারজি মোটেই পাঞ্জাবি নন। তিনি ষোলো আনা বাঙালি। তার নাম রামকিষেণ সিং নয়, রামকৃষ্ণ সিংহ। হুগলি জেলার লোক। গুরুমুখী ভাষা মোটেই জানেন না, খুচখাচ হিন্দি আর ইংরেজি ও বাংলা দিয়ে কাজ চালিয়ে নেন।

    রামকৃষ্ণবাবুর কাছেই প্রেমতোষবাবু জানতে পারলেন এসব ব্যবসায় বাঙালিদের কদর খুব কম, এমনকী বাঙালিরাও কদর করে না, বরং পারলে শত্রুতা করে, শিখ কন্ট্রাক্টরের সঙ্গে সেটা সাহস পায় না। তা ছাড়া বাংলা জানা অবাঙালিদের এখন খুব রমরমা। সেই সুযোগটাই রামকৃষ্ণবাবু সদ্ব্যবহার করেছেন।

    কাজের জায়গা থেকে বাড়ি ফেরার সময় কোনও কোনও দিন রামকৃষ্ণ প্রেমতোষকে বাড়িতে নামিয়ে দেন। ভদ্রতার খাতিরে একদিন প্রেমতোষ রামকৃষ্ণকে বললেন, একটু বসে এক কাপ চা খেয়ে যান।

    সদর দরজায় প্রেমতোষ বেল টিপলেন। কোনও বেল বাজার শব্দ হল না, কিন্তু দামিনী এসে দরজা খুলে দিল। জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে প্রেমতোষের দিকে রামকৃষ্ণ তাকালে তিনি বললেন, আমাদের কাজের মেয়ে। কানে শুনতে পায় না। তাই সুইচ টিপলে বেল বাজে না, আলো জ্বলে ওঠে, সেটা দেখে ও এসে দরজা খুলে দেয়।

    বাইরের ঘরের টেবিলের সঙ্গেও একটা সুইচ লাগানো আছে। সোফায় বসে প্রেমতোষ পরপর তিনবার সুইচ টিপলেন, তার মানে হল চা।

    রামকৃষ্ণবাবু অবাক হয়ে ব্যাপারটা লক্ষ করছিলেন, এমন সময় তার চোখে পড়ল অসংবৃত টিভি সেটটির ওপর, সেদিকে তাকিয়ে তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, কী ব্যাপার? প্রেমতোষ যথাসাধ্য সংক্ষিপ্ত করে টিভি-দুর্বিপাক আনুপূর্বিক ব্যক্ত করলেন।

    বেশ মনোযোগ দিয়ে সব শুনে রামকৃষ্ণ বললেন, আমি আপনার সেটটা একটু চেষ্টা করে দেখব নাকি?

    প্রেমতোষ বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, সে কী? আপনি টিভি সারাতে পারেন নাকি?

    রামকৃষ্ণ বললেন, হুগলি কলেজ থেকে বি. এসসি ফেল করে প্রথমে টিভি সারানোর লাইনে গিয়েছিলাম। তখন তো সদ্য সাদা-কালো টিভির জমানা শুরু হয়েছে। বড় ফোর টোয়েনটি লাইন, লোক ঠকানোর ব্যবসা। ঘেন্নায় ছেড়ে দিলাম।

    প্রেমতোষবাবু জিজ্ঞাসা করলেন, তারপর?

    রামকৃষ্ণ সিংহ বললেন, তারপর থেকে সাত ঘাটের জল খেয়ে বেড়াচ্ছি। অবশেষে আপনাদের ঘাটে এসে ভিড়েছি।

    ইতিমধ্যে দামিনী চা নিয়ে এসেছে। আজ সে অধিকতরা লজ্জাশীলা, কপালে ঘোমটা টেনে দিয়েছে।

    চা খেয়ে রামকৃষ্ণবাবু টিভিটা দেখতে উঠলেন। একটু দেখে বললেন, পুরনো জিনিস। তবে খুব একটা খারাপ হয়েছে বলে মনে হচ্ছে না। তারপর বললেন, এটা তো রঙিন টিভি, আমি শিখেছিলাম সাদা কালো টিভির কাজ। তবু দেখি একটু চেষ্টা করে।

    প্রেমতোষবাবুর ব্যবহৃত একটা পুরনো ব্লেড, একটা তরকারি কাটা ছুরি, আর রান্নাঘরের সাঁড়াশি দিয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই রামকৃষ্ণ সিংহ টিভি সেটটা প্রাণবন্ত করে তুললেন। শুধু একটা গোলমাল হল শব্দ-টব্দ সবই ঠিক আছে, ছবিও ঠিক আছে, কিন্তু রংটা এল না। তবে সাদা কালো নয়, ঝলমলে নীল রঙের ছবি এল।

    দূরদর্শনে তখন হুহুক্কা হুহুয়া, হুহু, হুয়া এইরকম একটা মার-মার, কাট-কাট হিন্দি গান হচ্ছিল, কোনও এক বস্ত্র-কোম্পানি প্রণোদিত। ইতিপূর্বে প্রেমতোষবাবু তার হিসেবি মনোভাব নিয়ে ভেবেছেন এত কম জামাকাপড় পরা পাত্র-পাত্রীদের যদি বস্ত্র ব্যবসায়ীরা উপস্থাপন করেন, তা হলে তাঁদের ব্যবসা লাটে উঠবে, এ তো নিজের পায়ে নিজের কুড়ুল মারা।

    আজ প্রেমতোষবাবু সংকোচবশত এ জাতীয় মন্তব্যের ধারে কাছে গেলেন না, বরং পুরুষ নর্তকেরা যখন গাছের আড়াল থেকে গলা বাড়িয়ে, হু-হুঁ হুয়াহু, হুয়াহু হুয়া-হুঁয়া করছিল, তিনি রামকৃষ্ণবাবুর দিকে তাকিয়ে খুবই অন্তরঙ্গভাবে বললেন, নীলবর্ণ শৃগাল কথা।

    রামকৃষ্ণ সিংহ হাসলেন। কিন্তু তিনি সুরসিক লোক। ঘর থেকে বেরোতে বেরোতে বললেন, টিভিটা এখন চলুক। এইভাবেই চলুক। আমি দু-চারদিনের মধ্যে একটা মিস্ত্রি পাঠিয়ে দেব। সে এসে সব ঠিকঠাক করে দেবে। ততদিন মনের আনন্দে যতক্ষণ ইচ্ছে ব্লু ফিল্ম দেখুন।

    ঠিক এই সময়ে দোতলার সিঁড়ি দিয়ে আজন্ম ব্রহ্মচারী মহীতোষবাবু নেমে আসছিলেন। বিকেলের এই সময়টায় তিনি ছাদে উঠে শীর্ষাসন করেন, অস্তগামী সূর্যকে নিজের পদদ্বয় দেখান।

    আজ সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় ছোট ভাইয়ের সঙ্গে এক অচেনা ভদ্রলোক দেখে এবং ব্লু ফিল্ম কথাটি শুনে তিনি বাইরের ঘরে উঁকি দিলেন। তখন আগের গান শেষ হয়ে নতুন জিনিস শুরু হয়েছে। এক দঙ্গল প্রায় উলঙ্গ তরুণী তাদের অঙ্গের গোলাকার প্রত্যঙ্গ সমূহের বহুরকম আবর্তন করে দুধ বনে যাবে, মালাই বনে যাবে, মাছ বনে যাবে, কাবাব বনে যাবে, ইত্যাদি নানা গোপন অভিপ্রায়ের কথা গানের সুরে জানাচ্ছে।

    এই রোমাঞ্চকর দৃশ্য দেখে মহীতোষবাবু আঁতকিয়ে উঠে স্বগতোক্তি করলেন, ছিঃ! ছিঃ! এতবড় অনাচার। আমার বাড়িতে ব্লু ফিল্ম। গজগজ করতে করতে মহীতোষবাবু বেরিয়ে গেলেন, যদিও পৈতৃক বাড়ি, তার ধারণা তিনিই বড় ভাই বলে বাড়িটা তারই।

    মহীতোষবাবু বেরিয়ে যাওয়ার মুখে রামকৃষ্ণবাবুর দিকে একবার অগ্নিদৃষ্টি নিক্ষেপ করে তাকে লোপট বলে অভিহিত করে গেলেন।

    রামকৃষ্ণ বিস্মিত হয়ে প্রেমতোষের দিকে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকালে, প্রেমতোষ বললেন, আমার দাদা। তারপর নিজের মাথার দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করে বোঝালেন যে মাথা খারাপ।

    রামকৃষ্ণ আর দাঁড়ালেন না। তিনি পোড় খাওয়া লোক। বোবা, লজ্জাবতী পরিচারিকা, অপ্রকৃতিস্থ অগ্রজ–প্রেমতোষবাবুর বাড়িতে আর কী কী আছে সেটা জানার তার আর মোটেই আগ্রহ নেই।

    এরপর সারা সন্ধ্যা চুটিয়ে দূরদর্শন উপভোগ করলেন প্রেমতোষবাবু। সংবাদ শুনলেন, মানে বার দশেক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বার দুয়েক মুখ্যমন্ত্রীর দেখা পাওয়া গেল। অন্যান্য ভাগ্যবান মন্ত্রীদেরও দেখতে পেলেন। শুনতে পেলেন ধরি মাছ না ছুঁই পানি গোছের কিছু এলোমেলো সংবাদ। তারপর লংজাম্প, হাইজাম্প সহকারে জীবনমুখী সংগীত। বিশেষ বর্ণনা করে লাভ নেই, ভুক্তভোগী মাত্রেই এসব জানেন।

    এদিকে রাত নটা বেজে গেছে। মহীতোষ এখনও বাড়ি ফেরেননি। প্রতিদিন রাত নটায় দুইভাই এক সঙ্গে বসে খান। আজ বাড়িতে অনাচার দেখে ব্যায়ামাচার্য ব্রহ্মচারী মহীতোষ পার্কে গিয়ে বসে আছেন।

    প্রেমতোষ হাত দিয়ে নানারকম ইঙ্গিত করে দামিনীকে বুঝিয়ে তাকে পার্কে পাঠালেন দাদাকে ডেকে আনতে।

    দামিনীকে দেখে উত্তেজিত হয়ে মহীতোষ তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ব্লু ফিল্ম, ওই নীল ছবি বন্ধ করেছে প্রেম? দামিনী জিব কেটে, ঘোমটা টেনে ঠিক কী জবাব দিল সেটা বোঝা গেল না।

    পার্কে মহীতোষবাবুর পাশেই কয়েকটি সমাজ সচেতন যুবক বসেছিল। তারা ব্লু ফিল্ম শুনে চঞ্চল হয়ে উঠল। তারা মহীতোষবাবুদের বাড়ি চেনে। পার্ক থেকে বেরিয়ে তারা সরাসরি সেখানে এসে বাইরের ঘরের জানলা দিয়ে উঁকি দিল।

    সেই অতর্কিত মুহূর্তে প্রেমতোষবাবুর টিভির ঘন নীল আলোয় দিল্লি দূরদর্শনের কেন্দ্রীয় সম্প্রচারে একটি অতি রোমান্টিক দক্ষিণী সিরিয়ালের প্রগাঢ় প্রেমের দৃশ্য প্রতিভাত হচ্ছিল। উদ্ভিন্ন যৌবনা নায়িকাকে সুনীল সাগরের সবুজ কিনারে শালপ্রাংশু মহাভুজ নায়ক সবলে আকর্ষণ করেছেন। নায়িকার সেকী ছটফটানি; লুঙ্গি পরিহিত, খালি গা নায়কের গোঁফের প্রান্তে বিজয়ীর হাসি।

    সমাজসেবী যুবকেরা পলক মাত্র নীল দৃশ্যটি দেখে নিজেদের কর্তব্য স্থির করে ফেলল। তারা গলির পিছন দিকে ছুটল।

    সেখানে গলির মোড়েই হাজরা ফাঁড়ি। সেই ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত দারোগা হাজারি হাজরা সাহেব। একটু সাবেকি জমিদারি চালে চলেন। দোতলায় তার কোয়ার্টার, সারাদিন সেখানেই থাকেন। খুব গোলমেলে ব্যাপার হলে ফোন ধরেন, সেও কদাচিৎ, বাসায় মাদ্রাজি সিল্কের লুঙ্গি পরে থাকেন আর রঙিন গেঞ্জি। সন্ধ্যা সাড়ে আটটার পরে স্নান-টান করে, পাউডার মেখে চিকনের কাজ করা পাঞ্জাবি আর আলিগড়ি পাজামা পরে থানার অফিস ঘরে দর্শন দেন।

    হাজারি হাজরার পূর্বাশ্রমে নাম ছিল ক্ষেত সরকার। হাজরা ফাঁড়িতে এক নাগাড়ে বহু বছর আছেন তাই পাবলিক তাকে মিঃ হাজরা বলে সম্বোধন করে এবং সেই সঙ্গে উনি হাজার টাকার কম ছেন না বলে নাম হয়েছে হাজারি, দুইয়ে মিলে হাজারি হাজরা।

    হাজারি হাজরা নবযৌবনে নকশাল হয়েছিলেন। তারপর উনিশশো পঁচাত্তর-ছিয়াত্তর সালে জরুরি অবস্থার গলিঘুজি দিয়ে দারোগাগিরিতে ঢুকে পড়েন। তদবধি বহাল তবিয়তে আছেন, যখন যে গাছে নৌকো বাঁধা উচিত, সেখানেই নৌকো বাঁধেন।

    আজ সন্ধ্যাবেলা একটু আগেই একটা গোলমেলে খবর এসেছিল। থানার অদূরে অনিল ঘোষাল লেনে অনেকদিন ধরে একটা বাড়িওয়ালা-ভাড়াটে গোলমাল চলছিল। বাড়িওয়ালা সপ্তাহ তিনেক আগে মারা গেছেন। গতকালই ভাড়াটে গজু শ্রীমানী এক গামলা লিচু আর আম, সেই সঙ্গে নগদ হাজার টাকা দিয়ে গেছে।

    একটু আগে খবর এসেছে বাড়িওয়ালার বিধবা স্ত্রী ও বোনকে প্রায় উলঙ্গ করে গজু রাস্তায় প্যারেড করাচ্ছে। এইরকম সময়ে গা ঢাকা দেওয়াই রীতি।

    সমাজসেবী যুবকেরা দারোগাবাবুকে উদ্ধার করল। তাদের মুখে নীল ছবির বার্তা পেয়েই, থানার ভার এক সদা অর্ধনিদ্রিত জমাদারের ওপর ছেড়ে দিয়ে, তিনি অকুস্থলে রওনা হলেন।

    তখনও দামিনী মহীতোষকে নিয়ে পার্ক থেকে ফেরেনি। প্রেমতোষবাবু টিভির বিচিত্র লীলা উপভোগ করছেন, এমন সময় সদলবলে হাজারি হাজরার প্রবেশ।

    স্বভাবতই প্রেমতোষবাবু একটু হকচকিয়ে গেলেন। টিভিতে এখন তার রঙের খেলা ছাড়া বিশেষ কিছু দেখা যাচ্ছিল না। নীলরংটা গাঢ়, আরও গাঢ় হতে হতে হঠাৎ ফিকে, হালকা হয়ে গিয়ে চুপসে যাচ্ছিল, আবার গাঢ় হচ্ছিল।

    হাজারি হাজরা নিজের হাতের রুলটা নাচিয়ে একটা ধমক দিলেন প্রেমতোষের দিকে তাকিয়ে, কী, এসব কী, হচ্ছেটা কী?

    প্রেমতোষ চৌধুরীও হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন, একটা সামান্য টিভি সেটের মধ্যে এতটা বর্ণবৈচিত্র্য তিনি আশা করেননি।

    দারোগাবাবু এবার তার ডানদিকে দাঁড়ানো বিহারি জমাদারকে বললেন, তেওয়ারি, হাত লাগাও, আর প্রেমতোষকে বললেন, আপনাকে একবার আমার সঙ্গে থানায় যেতে হবে।

    কিন্তু প্রেমতোষবাবুকে থানায় যেতে হল না। জমাদারসাহেব টিভির নবে তার লাঠির খোঁচা দিয়ে সেটা বন্ধ করতে গিয়েছিলেন। পরিণাম যা হল অতি ভয়াবহ। পুরো টিভির বাক্সটা থরথর করে কেঁপে শূন্যে ছয় ইঞ্চি লাফিয়ে উঠল। তার ভেতর থেকে তীব্র নীল জ্যোতি এবং শতশত শঙ্খ গর্জনের শব্দ বেরতে লাগল। সপারিষদ হাজারিবাবু ঠকঠক করে কাঁপতে লাগলেন।

    এই সময় মহীতোষবাবু দামিনীর সঙ্গে বাসায় ফিরে এসেছেন। দামিনীর উপস্থিত বুদ্ধি অতি প্রখর। সে ছুটে সিঁড়ির নীচে গিয়ে মেইন সুইচটা অফ করে দিল।

    টিভির গর্জন ও শূন্য পরিক্রমা বন্ধ হল। কিন্তু নীল আলোটা রয়ে গেল। গতিক সুবিধের নয় দেখে হাজারি হাজরা পশ্চাদপসরণ করলেন।

    পরদিন সকালে টিভি সেটটাকে তুলে নিয়ে মহীতোষবাবু পাড়ার মোড়ের ডাস্টবিনে ফেলে দিয়ে এসেছেন। কিন্তু কোনও অজ্ঞাত, অবৈজ্ঞানিক কারণে একটা অতি ক্ষীণ নীল আলোর রেশ

    এখনও রয়ে গেছে; প্রেমতোষবাবু ঘরে ঢুকলেই সেটা টের পান।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখাজুরাহ সুন্দরী
    Next Article কীর্তিহাটের কড়চা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    তারাপদ রায়

    রম্যরচনা ৩৬৫ – তারাপদ রায়

    August 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }