Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সহস্র এক আরব্য রজনী

    ক্ষিতিশ সরকার এক পাতা গল্প3728 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪.৩৬ গোহা ও তার ইয়ার-বন্ধুরা

    এক সময়ে কাইরো শহরে গোহা নামে এক মজার লোক বাস করতো। কাজ-কাম বলতে সে

    কিছুই করতো না। সারাদিন রাত পড়ে পড়ে শুধু সে ঘুমাতো। একদিন তার ইয়ার-বন্ধুরা এসে বললো, ওহে গোহা, সারাটা জীবন এই অলসভাবে শুয়ে শুয়ে কাটাবে নাকি?

    গোহা বললো, কেন কাজ তো আমি করি মাঝে মাঝে। এই তো সেদিন বিরাট একটা বককে ধরেছিলাম আমি। বেচারা ডানা মেলে নীল আকাশে মনের আনন্দে উড়ে বেড়াতো। তার ডানা দু’খানা কেটে দিয়ে আমি ওকে শূন্যে ছুঁড়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু পাখীটা ধপাস করে মাটিতে পড়ে গেল! গোহা দাঁত বের করে খিক খিক করে হাসতে লাগলো।

    বন্ধুরা বললো, আল্লা তোমার গুনাহ মাফ করবেন না। তোমার এই নিষ্ঠুরতার হেতু কী?

    গোহা বললো, বকটা দেখে আমি ভীষণ ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। মনে হয়েছিলো ও আমার চোখ উপড়ে নিয়ে পালাবে।

    আর একদিন গোহা তার বন্ধুদের বললো, জান ভাই, আল্লাহ কেন উট আর হাতিদের পাখা দেননি?

    বন্ধুরা বললো, না, জানি না তো! কেন, বলো দেখি।

    গোহা বললো, ঐ রকম ভারী জন্তুদের যদি পাখা থাকতো তবে তারা উড়ে গিয়ে অন্যের বাগানের গাছপালা ভেঙ্গেচুরে তছনছ করে দিত।

    একদিন এক বন্ধু এসে গোহাকে বললো, তোমার গাধাটা একবার ক’দিনের জন্য দেবে ভাই, আমি একটা শহরে যাবোয়

    গোহা তৎক্ষণাৎ জবাব দিলো, নিশ্চয়ই দিতাম ভাই। কিন্তু ক’দিন আগে তো গাধাটাকে আমি বেচে দিয়েছি।

    ঠিক তখুনি পাশের আস্তাবল থেকে গাধাটার মধুর কণ্ঠ-সঙ্গীত ভেসে এলো। বন্ধু বললো, কিন্তু ভাই, গাধা তো দেখছি তোমার আস্তাবলেই আছে।

    গোহা বললো, তুমি যদি একটা গাধার কথা শুনেই বিশ্বাস করে বসলে, তাহলে আমার কিছু করার নাই।

    একদিন এক সন্ধ্যায় গোহা গিয়েছিলো এক প্রতিবেশীর বাড়িতে নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে। একটা গোটা মুরগীর তন্দুরী তাকে খেয়ে দেওয়া হয়েছিলো। কিন্তু মুরগীটা এতই বুড়ো যে, মাংস আর টেনে ছিঁড়তে পারলো না সে। তখন সে মুরগীটাকে উদরস্থকরার বায়না ত্যাগ করে তাকে মাথায় ঠেকিয়ে প্রণাম জানাতে থাকলো।

    গৃহস্বামী অতিথির এই আচরণে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো কী হলো, এতো বস্তু থাকতে একটা রান্না করা মুরগীকে মাথায় ঠেকিয়ে প্রার্থনা করছো কেন বাবা?

    গোহা বললো, না চাচা, আপনি ভুল করছেন। এই মুরগীটাকে একটা সাধারণ মুরগী ভেবে আপনি জবাই করেছিলেন। আসলে সে খোদার পেয়ারের পুণ্যাত্মা ভক্ত জীব। তাই আপনি তাকে কেটে মসলাপাতি মেখে ঠিকমতো গনগনে আগুনে পুড়িয়েও এতটুকু দগ্ধ করতে পারেন নি। এর দেহের মাংস রান্না করার আগে যেমনটি ছিলো পরেও ঠিক তেমনি অবিকৃত রয়ে গেছে। পাপীরা দগ্ধ হয়, কিন্তু আগুনের উত্তাপ পুণ্যাত্মা ভক্তদের অঙ্গ স্পর্শ করতে পারে না।

    গোহা একবার এক কাফেলার সহযাত্রী হয়েছিলো। কিন্তু পথের মধ্যে তাদের দানাপানি প্রায় ফুরিয়ে গেলো! গোহা স্বভাবত একটু পেটুক মানুষ। কিন্তু খাবার সময় সে তার ভাগের একটা পুলি আর একটিমাত্র সিদ্ধ ডিম পেলো। গোহা তা ফিরিয়ে দিয়ে বললো, খোদা কসম, এ আমি খেতে পারবো না বরং আপনারা কেউ পেটপুরে খান।

    গোহা একদিন কসাইয়ের দোকানে গিয়ে বললো, আজ আমাদের বাড়িতে কিছু লোকজন খাবে, খুব ভালো দেখে কিছু মাংস দাও তো, ভাইসাব। কসাই তাকে বেশ খানিকটা মাংস ওজন করে বেঁধে দিলো।

    মাংসের মোড়কটা বাড়িতে এনে বিবির হাতে দিয়ে বললো খুব ভালো করে কাবাব বানাও তো। আমি একটু বেরুচ্ছি, ঘুরে এসে খাব।

    সন্ধ্যা হতে না হতে গোহা ঘরে ফিরে এলো কাবাবের টানে। কিন্তু খেতে বসে রুটি সবজি আর কিছু পনির ছাড়া কিছুই সে দেখতে না পেয়ে বিবিকে জিজ্ঞেস করলো, কী ব্যাপার কাবাব কোথায়?

    বৌটা বললো, আর বললো না, কাবাবগুলো বানিয়ে আমি গোসল করতে গেছি। ফিরে এসে দেখি মুখপোড়া বেড়ালটা সব সাফ করে দিয়েছে।

    রাগে ফেটে পড়লো গোহা। কোথায় সে বেড়াল। এঘর ওঘর খুঁজে একটা বেড়ালকে ধরে নিয়ে এসে সে বললো, এতটুকু বেড়াল অতগুলো মাংসের কাবাব খেয়েছে? মাংসের তত বেশ ওজন ছিলো, কিন্তু বেড়ালটা তো দেখছি পলকা পাখীর মতো হাল্কা। তা হলে মাংসগুলো গেলো। কোথায়?

    একদিন গোহা-বিবি তার তিন মাসের বাচ্চাটাকে গোহার কোলে তুলে দিতে দিতে বললো, ছেলেটাকে একটু ধরতো, গো। আমি খানাটা পাকিয়ে নিয়েই নিচ্ছি।

    এই সব মেয়েলী কাজ গোহার একদম পছন্দ নয়। কিন্তু উপায় কী? ছেলেটাকে নিয়ে সে নাচাতে লাগলো, একটু পরে বাচ্চাটা বমি করে তার সদ্য কাচানো কাতানটা ভাসিয়ে দিলো। সঙ্গে সঙ্গে সে ক্রোধে ফেটে পড়ে বাচ্চাটাকে ধপাস করে মাটিতে বসিয়ে দিয়ে তার মাথায় থুথু ছিটাতে লাগলো।

    মা ছুটে এসে ছেলেকে কোলে তুলে স্বামীকে ভৎসনা করতে লাগলো, একি তোমার ব্যবহার, কত আদরের ধন আমাদের এই বাছা, তার গায়ে তুমি থুথু দিলে!

    গোহা তখনও রাগে গরগর করছে, আদরের ধন না হাতি! ও সব ছেলেই নয়। দেখগে অন্য কারো হয়তো হবে।

    এই বলে আর সে দাঁড়ালো না, হনহন করে বেরিয়ে গেলো।

    একদিন গোহার এক বন্ধু জিজ্ঞেস করলো, আচ্ছা ভাই বলতে পার, দ্বিতীয়ার চাঁদ অমন ক্ষীণ হয় কেন?

    গোহা খুব বিজ্ঞের মতো বললো, মাদ্রাসায় দেখছি কিছুই তোমাকে লেখা পড়া শেখায়নি। আরে বোকা এও জান না, যে ক’দিন চাঁদ সরু থাকে সে কদিন আল্লাহ চাঁদের দেহ দিয়ে আসমানের তারা গড়েন!

    গোহা একদিন তার এক প্রতিবেশীর বাড়িতে গিয়ে ভেড়ার কাল্লা সিদ্ধ করার জন্য একটা পাতিল ধার চাইলো। প্রতিবেশী শেখ তাকে হাঁড়িটা দিয়ে বললো, মনে করে কাল সকালে দিয়ে যেও ভাই।

    পরদিন সকালে কথামতো হাঁড়িটা ফেরত দিতে এলো। গৃহস্বামী অবাক হয়ে দেখলো তার হাঁড়ির মধ্যে অন্য একটা ছোট্ট হাঁড়ি বসানো আছে।

    -কী ব্যাপার, এটা কার?

    গোহা বললো আমি তো ভাই বলতে পারবো না। নির্ঘাৎ তোমার হাঁড়িটাই কাল রাতে বাচ্চা পেড়েছে।

    গৃহস্বামী মাথা নেড়ে সায় দিলো গোহার কথায়,, তা অবশ্যই হতে পারে। এই বলে সে পাত্র দুটি তাকে সাজিয়ে রেখে দিলো।

    পরদিন গোহা আবার এলো পাত্রটি ধার করতে! প্রতিবেশি ভাবলো একটা দিলে দুটো পাওয়া যায়, দুটো দিলে নিশ্চয়ই চারটে ফেরত পাওয়া যাবে। সে দু’টো হাঁড়ি এনে গোহার হাতে দিয়ে বললো, একটাতে নাও হতে পারে, ব্যাপারের বাড়ি, দুটোই নিয়ে যাও ভাই।

    গোহা নির্বিবাদে দুটো হাঁড়ি বগলদাবা করে চলে এলো।

    এক এক করে অনেকদিন পার হয়ে গেছে। গোহা আর হাঁড়ি দু’টো ফেরত দিতে আসে না। কিন্তু প্রতিবেশি ভাবে গোহার মতো সাচ্চা মানুষ হয় না, সে নিশ্চয় অন্য কাজে কর্মে ব্যস্ত আছে। সময় পেলেই দিয়ে যাবে।

    প্রতিবেশি ও নিয়ে বিশেষ চিন্তা করে না। কিন্তু দেখতে দেখতে অনেক মাস কেটে গেলো দেখে একদিন শেখসাহেব গোহার বাড়িতে এসে একথা সেকথার পর হাঁড়ি দু’টোর কথা তুললো, আমার হাঁড়ি দুটো ফেরত দাও ভাই।

    গোহা যেন আকাশ থেকে পড়লো, হাঁড়ি? কোন্ হাঁড়ি বলো তো ভাইসব।

    প্রতিবেশি বলে কেন, মাস কয়েক আগে আমার বাড়ি থেকে দুটো হাঁড়ি ধার নিয়ে এলে, মনে নাই?

    –ও হো হো, সে কথা বুঝি তোমাকে বলিনি। এই দ্যাখো একেবারে ভুলো মন আমার, কিছুই মনে থাকে না আজকাল। তোমার হাঁড়ি দুটোর বদহজম হয়েছিলো ভাইসাব। পরদিন ভোর রাতেই কলেরায় মারা গিয়েছিলো।

    শেখসাহেব অবাকহয়ে বললেন, বলো কী, হাড়ি পাতিলের কলেরা—তারা আবার মারা যায় কি?

    -বারে! আল্লাহর পয়দা-করা বস্তু চিরকাল দুনিয়ায় থাকবার জন্যে আসে মাকি। মেয়াদ ফুরালেই তাকে মারা যেতে হবে না। জন্মিলেই মরিতে হবে, অমর কে কোথা রবে, ভাই?

    একদিন এক খামারের মালিক গোহাকে একটা মোটা-সোটা মুরগী উপহার দিলো। গোহা খুশি হয়ে তাকে তার সঙ্গে খানা-পিনা করতে আমন্ত্রণ জানালো। খামার-মালিক সানন্দে তার আমন্ত্রণ গ্রহণ করলো। এবং সেইদিন রাতে তারা দুজনে বসে খুব তৃপ্তি করে মুরগীকে উদরস্থ করলো।

    এর কয়েকদিন পরে গোহার দরজায় করাঘাত হলো। দরজা খুলে এক অপরিচিত মেহেমানকে দেখে গোহা স্বাগত জানালো, আসুন আসুন, আমার কী সৌভাগ্য! তা আপনার পরিচয়টা জানতে পারি ভাইসাব!

    লোকটি বললো, আমি হচ্ছি ঐ খামার-মালিকের দোস্ত। আপনার আতিথেয়তার তিনি খুব প্রশংসা করছিলেন, তাই চলে এলুম, ভাবলাম আমার বন্ধুর ভাগ্যে যখন জুটেছে, আমার ভাগ্যেও কি কিছু জুটবে না!

    গোহা হেসে বলে, তা বেশ করেছেন, বসুন।

    গোহা সেদিন অচেনা অতিথিকে যথেষ্ট আদর আপ্যায়ন করে খানাপিনা দিলো। খেয়েদেয়ে পরিতৃপ্ত হয়ে পঞ্চমুখে প্রশংসা করতে করতে সে চলে গেলো।

    এর কয়েকদিন পরে আবার কড়া নাড়ার শব্দ পেয়ে দরজা খুলে দিলো গোহা।

    -আপনি কে ভাইসাব?

    আগন্তুক বললো, আমি—আমি হচ্ছি আপনার খামার চাষী-বন্ধুর বন্ধু। শুনলাম আপনি খুব অতিথিপরায়ণ মানুষ, তাই চলে এলাম—

    -ওঃ, তা আসুন আসুন ভিতরে এসে বসুন। লোকটিকে বাইরের ঘরে বসিয়ে গোহা অন্দরে চলে গেলো। একটু পরে এক বাটি ধোঁয়া ওঠা গরম জল এনে বসিয়ে দিলো তার সামনে। জলের ওপরে কয়েক ফোঁটা তেল ভেসে বেড়াচ্ছিল শুধু। লোকটি হাঁ করে তাকিয়ে রইলো ােেহার মুখের দিকে।

    —এ বস্তুটি কী ভাইসাহেব?

    গোহা বললো, ও, বুঝতে পারছেন না? এ হচ্ছে সেই পানি, যে পানিতে ঐ মুরগীটাকে সিদ্ধ করা হয়েছিলো তার খুড়তুতো বোনের মাসতুতো বোন।

    একবার গোহার বন্ধুরা গোহাকে নিয়ে একটু মজা করতে উদ্যোগী হয়েছিলো। সকলে একটা একটা ডিম সঙ্গে নিয়ে গোহার বাড়িতে উপস্থিত হয়ে প্রস্তাব করলো, চলো দোস্ত আজ সবাই মিলে একসঙ্গে গোসল করে আসা যাক।

    গোহা বললো, বেশ চলল।

    দল বেঁধে একটা হামামে ঢুকলো ওরা। সাজ-পোশাক খুলে রেখে উলঙ্গ হয়ে সবাই একসঙ্গে স্নানের ঘরে প্রবেশ করলো। একজন প্রস্তাব করলো, আচ্ছা বলো, আমাদের মধ্যে কে কে ডিম পাড়তে পারে এখানে। এক গোহা ছাড়া সবাই বললো, তারা ডিম বের করতে পারবে। গোহা বললো, অসম্ভব। গুল ঝাড়ার আর জায়গা পেলে না।

    অবশেষে সাব্যস্ত হলো যে, যে ডিম দিতে পারবে তাকে হামাম খরচা দিতে হবেনা। যে দিতে পারবে না, তাকে সে ভার বহন করতে হবে। গোহা বললো, আমি রাজি।

    এরপর গোহা ছাড়া আর সবাই একটা একটা করে ডিম বের করে দিলো যথাস্থান থেকে।

    এই সব কাণ্ডকারখানা দেখে গোহা প্রথমে ভ্যাবাচাকা খেয়ে গেলো খানিকটা। কিন্তু পরক্ষণেই নিজেকে সামলে নিয়ে কঁক কঁক কঁক করতে করতে এক একজনকে তাড়া করে করে নাস্তানাবুদ করতে থাকলো।

    একজন বললো, কী ব্যাপার দোস্ত, অমন ক্ষেপে গেলে কেন, হলো কী তোমার?

    গোহা বললো, একা আমি মোরগ, তোমরা সবাই মুরগী। এতগুলো মুরগীকে এক জায়গায় পেয়ে কি আর মেজাজ ঠিক রাখা সম্ভব, বলো?

    প্রতিদিন অতি প্রত্যুষে গোহা ঘুম থেকে উঠে হাত মুখ রুজু করে নামাজে বসে। নামাজান্তে আল্লাহর কাছে প্রতিদিনই সে একটিমাত্র প্রার্থনা জানায়, খোদা আমাকে তুমি একশোটি দিনার পাইয়ে দাও। গোনাগুনতি একশোটি—একটা বেশিও চাই না, একটা কম হলেও চলবে না আমার। ও আমি নেব না।

    এক ইহুদী পড়শি প্রতিদিন গোহার ঐ রকম বায়না শুনে শুনে একদিন মনে মনে ঠিক করলো, লোকটাকে একবার পরীক্ষা করে দেখা দরকার।

    পরদিন সকালে গোহা যখন মুদিত-নয়নে প্রার্থনায় বসেছে, সেই সময় ইহুদীটা একটা তোড়ায় নিরানব্বইটা দিনার ভরে ঘরের জানলা গলিয়ে তার সামনে ছুঁড়ে দিয়ে গা-ঢাকা দিয়ে রইলো।

    চোখ খুলে গোহা তোড়াটা দেখে আনন্দে নেচে উঠলো। কিন্তু এক এক করে দিনারগুলো গোনার পর মুখ কালো করে ওপরের দিকে তাকিয়ে বললো, তুমি যে আমার প্রার্থনা শুনেছ আল্লাহ, এ জন্য আমি ধন্য। কিন্তু তোড়াতে তো একশো দিনার নাই। একটা কম আছে। এতে তো আমার কাজ হবে না। সুতরাং তোমার এ দান আমি গ্রহণ করতে পারছি না, খোদা। আমাদের পাশের বাড়িতে এক গরীব ইহুদী বাস করে। বেচারার বড় কষ্টের সংসার। অনেকগুলো বালবাচ্চা, সবাইকে ভালো করে খাওয়াতে পারে না। আমি ভাবছি তোমার এই নিরানব্বইটা দিনারের তোড়াটা ওকেই দিয়ে দেব! লোকটা বড় সৎ, বড় ভালো।

    এই বলে সে তোড়াটা ইহুদীর বাড়ির জানলা গলিয়ে ঘরের মধ্যে ছুঁড়ে দিয়ে হনহন করে হাওয়া হয়ে গেলো।

    ইহুদী তাজ্জব হয়ে গেলো মুসলমানটার সত্যনিষ্ঠায়।

    পরদিন সকালে আবার সে গোহাকে পরীক্ষার করার জন্য আর একটা দিনার ভর্তি তোড়া ছুঁড়ে দিলো তার ঘরে। এবার সে একশো একটা দিনার ভরেছিলো। গোহা দিনারগুলো গুনে-টুনে সকৃতজ্ঞভাবে আল্লাকে প্রণিপাত জানালো, তোমার দান আমি খুশিমনে গ্রহণ করে ধন্য হলাম, আল্লাহ।

    এই বলে সে তোড়াটা কোমরে বেঁধে পথে বেরুলো। ইহুদী ছুটে গিয়ে গোহার পথ আগলে দাঁড়ালো, আমার তোড়া ফেরত দাও।

    গোহা বললো, তোমার তোড়া? কীসের তোড়া?

    -দিনারের তোড়া, দাও ফেরত, একশো একটা দিনার আছে ওতে।

    গোহা বললো, দেখ ইহুদী-সন্তান, ভালো চাও তো পথ ছাড়। তুমি কি ভেবেছ আল্লাহর কাছ থেকে রোজ যা পাবো সবই তোমাকে দেব? এই নাও, একটা দিনার বেশি আছে, এটা তুমি পেতে পার!

    একটা চকচকে স্বর্ণমুদ্রা ইহুদীর নাকের ডগায় ছুঁড়ে দিয়ে হনহন করে নিজের কাজে চলে গেলো।

    একদিন গোহা মসজিদে বসে ইমামের উপদেশ শুনছিলো : প্রত্যেক প্রকৃত ইসলামী স্বামীর প্রতিরাতে যথাকর্তব্য পালন করা উচিত। তাতে খোদার কাছে ভেড়া কোরবানীর পুণ্য লাভ হয়। দিবসকালে ধর্মপত্নীর সঙ্গে সহবাসের ফলে বান্দা মুক্তিদানের পুণ্য সঞ্চয় হয়। আর যে ব্যক্তি মধ্য রাত্রে বিবির সঙ্গে সহবাস করে একটি উট কোরবানীর সুফল পায় সে।

    ঘরে ফিরে এসে বিবিকে ইমামের উপদেশের বাণী শোনায়। সেইদিন রাতে যথারীতি গোহা বিবিকে পাশে নিয়ে শুয়েছে। একটু পরে বৌটা দেখলো গোহা রতি-সঙ্গ করতে এগিয়ে আসছে না। তখন সে নিজে গোহাকে দু’হাতে কাছে টানতে টানতে বলে, কী নেতিয়ে পড়লে কেন, এসো, ওপরে এসো। ভেড়া কোরবানীর পুণ্য লাভ কর।

    গোহা বিবির ডাকে সাড়া দিয়ে যথাকর্তব্য সম্পাদন করে আবার শুয়ে পড়লো পাশে। মাঝ রাতে বৌটা আবার গোহাকে টেনে তুললো, এসো ওপরে এসো। উট কোরবানীর পুণ্য করবে না?

    ঘুমে জড়িয়ে আসছিলো গোহার চোখ। কিন্তু নাছোড়বান্দা বিবি। অগত্যা ঐ অবস্থাতেই কাজকাম সেরে বিছানায় ঢলে পড়লো সে।

    রাত্রি প্রভাত হয়ে এলো। শাহরাজাদ গল্প থামিয়ে চুপ করে বসে রইলো।

     

    নয়শো চব্বিশতম রজনী :

    আবার সে বলতে থাকে–

    সকাল হতে না হতে বৌটা গোহাকে জাগিয়ে দেয়, দেখ দেখ, কত বেলা হয়ে গেছে। এখন তো রোদভরা সকাল। এসো, এসো ওপরে এসো, একটা বান্দা মুক্ত করার পুণ্য কি কম? এসো, পুণ্য সঞ্চয় করে নিই আমরা!

    গোহা বললো, হ্যাঁ, হ্যাঁ, নিশ্চয়ই।

    মুখে সম্মতি জানালো, কিন্তু কাজে ব্রতী হলো না। যেমনটি পড়েছিলো তেমনি পড়ে রইলো বিছানায়,

    বৌটা ততক্ষণে কামার্ত হয়ে চড়া সুরে হুকুম করছে, কই, কাপ মেরে পড়ে রইলে কেন, এসো? বান্দা মুক্ত করার পুণ্য লাভ কর?

    গোহা হাই তুলে বললো, আজকের মতো পুণ্যটা তুমি একাই সঞ্চয় কর সোনা! এ বান্দাকে মুক্তি দাও।

    একদিন জগৎ বিখ্যাত তৈমুরলঙ তার সৈন্যসামন্ত সমভিব্যাহারে শহর উপান্তে এসে তাঁবু গাড়লো। শহরবাসীরা তটস্থ হয়ে উঠলো। তখন গোহা বললো, হতে পারে সে প্রবল পরাক্রমশালী, কিন্তু তা বলে আমি ডরাই না। তার কাছে যাবো আমি।

    সাজ-পোশাক সেরে মাথায় মসলিনের পাগড়ী বাঁধলো একটা ইয়া মস্ত বড়। বাজারের সমস্ত দোকানে যত মসলিন ছিলো একত্র করে পাগড়ী জড়ালো সে মাথায়।

    তাতার-সম্রাট অবাক হয়ে প্রশ্ন করলো, কীসের এই পাগড়ী, এতো বিরাট।

    গোহা বিনয়ের অবতার হয়ে বললো, জী, এটা আমার রাতের সাজের ছোট টুপী, দুনিয়া মালিক। আসল টুপিটা তাড়াহুড়ায় পরে আসতে পারলাম না। ওটা ঠেলাগাড়িতে করে নিয়ে আসা হচ্ছে।

    প্রবল প্রতাপ তৈমুরলঙ ভাবলো, এ তো সাধারণ মানুষ নয়। এতো বড় পেল্লায় টুপিটা যার রাতের সংক্ষিপ্ত সাজ, না জানি আসল জাঁকজমক তার কেমন!

    আর ক্ষণকাল সেখানে অবস্থান করা সঙ্গত মনে করলো না তৈমুর। তবু খুলে লোকলস্কর সঙ্গে করে সেইদিনই সে সেদেশ ছেড়ে অন্যত্র চলে গেলো।

    একদা গোহা সস্ত্রীক নদীর ধারে বেড়াচ্ছিল। এমন সময় পা পিছলে বৌটা স্রোতের মধ্যে তলিয়ে গেলো। গোহা আর কালবিলম্ব না করে তৎক্ষণাৎ জলে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণপণে উজানে যাবার চেষ্টা চালাতে থাকলো। পথচারীরা এই দৃশ্য দেখে অবাক হয়ে প্রশ্ন করলো, ও সাহেব, উজান-সাঁতার দিয়ে ওদিকে যাচ্ছ কেন, তোমার বিবিজান তো স্রোতের টানে উল্টোদিকে চলে গেছে।

    গোহা বললো, সাধারণতঃ কোন মানুষ ডুবে গেলে অতি স্বাভাবিক কারণেই স্রোতের টানে ভাটার দিকে চলে যায়, কিন্তু আমার বিবিকে তো আমি হাড়ে হাড়ে জানি; সব সময় সে উল্টোদিকে ছাড়া চলতে পারে না।

    গোহার চুটকীগুলো শোনাবার পর শাহরাজাদ একটু থেমে সুলতান শারিয়ারের দিকে তাকিয়ে সপ্রশ্ন চোখে জিজ্ঞেস করলো, কেমন লাগলো জাঁহাপনা?

    —চমৎকার—চমৎকার তোমার বলার কায়দা শাহরাজাদ। ভারি আনন্দ পেলাম শুনে। এরপর শাহরাজাদ আবার নতুন কাহিনী বলতে শুরু করলো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138 139 140 141 142 143 144 145 146 147 148 149 150 151 152 153 154 155 156 157 158 159 160
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকবীর – ১ – ক্ষিতিমোহন সেন
    Next Article প্রাচীন পূর্ববঙ্গ গীতিকা – ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }