Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সহস্র এক আরব্য রজনী

    ক্ষিতিশ সরকার এক পাতা গল্প3728 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.১৮ একটি স্ত্রীলোকের খণ্ডিত দেহ, তিনটি আপেল ও নিগ্রো রাইহান

    একটি স্ত্রীলোকের খণ্ডিত দেহ, তিনটি আপেল ও নিগ্রো রাইহান

    একদিন রাতে খলিফা হারুন-অল-রসিদ উজির জাফর অল-বারমাকীকে বললেন, আজ রাতে শহরের ভিতরটা একটু ভালো করে ঘুরে দেখতে চাই। আমার কাছে কিছু নালিশ এসেছে। নগরপাল এবং ওয়ালিরা নাকি তাদের কাজে গাফিলতি করছে। যদি প্রমাণ পাই, তবে ওদের বরখাস্ত করবো আমি।

    জাফর সবিনয়ে বললো, হুজুরের যেমন মর্জি।

    খলিফা, জাফর এবং খলিফার দেহরক্ষী মসরুর শহরের পথে বেরিয়ে পড়ে। এক সরুগলি দিয়ে যাবার সময় খলিফা দেখলেন, এক বৃদ্ধ ধীবর তার মাছধরা জাল মাথায় নিয়ে চলেছে। আর স্বগতোভাবে মনের দুঃখ প্রকাশ করছে।-এতো বড় শহরে সারাদিন হাড়ভাঙা খাটুনি খেটেও দু’খানা রুটি দিতে পারি না বাছাদের। কি নসীব নিয়ে জন্মেছি, খোদা। এই কি তোমার বিচার।

    বৃদ্ধের কথা শুনে খলিফা এগিয়ে গেলেন। মনে হলো লোকটা অনেক দুঃখকষ্টে দিন কটায়। কাছে এসে জিজ্ঞেস করলেন, আচ্ছা বাবা, তোমার কীসের কারবার?

    -আমি মাছ ধরে খাই, মালিক। বুড়ো হয়ে গেছি। খাটার বল কমে গেছে। কিন্তু সংসারটা কম না, বেশ বড় সড়। সেই দুপুর থেকে এখন পর্যন্ত খেটে চলেছি। কিন্তু আল্লাহর কি বিচার, এখন পর্যন্ত বাল-বাচ্চাদের মুখে দু’খানা-পোড়া রুটি যোগাবার পয়সা রোজগার হলো না। রোজ এই একই হল। চোখের সামনে ছেলেমেয়েদের কষ্ট আর সহ্য হয় না। খোদার কাছে আর্জি জানাই আর কেন, এবার কোলে টেনে নাও।

    খলিফা বললেন, আমার একটা কথা শুনবে? নদীর ধারে চলো। টাইগ্রিস-এর পানিতে একবার মাত্র জাল ফেলবে তুমি! জালে যা উঠবে আমার। আর যদি কিছু নাও ওঠে। তবু তোমাকে একশো দিনার দেবো। তোমাকে দিয়ে আজ আমার ভাগ্য পরীক্ষণ করাতে চাই।

    বৃদ্ধ উল্লসিত হলো, এ আর এমন কি কথা, চলুন মালিক।

    টাইগ্রিসের তীরে এসে জাল ফেললো বৃদ্ধ। আস্তে আস্তে গুটিয়ে আনলো উপরে। মাছটাছ কিছু ওঠেনি। উঠে এসেছে একটা তালাবন্ধ বাক্স। পোল্লাই ভারি। খলিফার কাছ থেকে একশোটা দিনার নিয়ে খুশি হয়ে চলে গেলো বৃদ্ধ। জাফর আর মসরুর ধরাধরি করে বাক্সটা নিয়ে এলো প্রাসাদে! একটা চিরাগবাতি এনে আলো দেখালেন খলিফা। মসরুর ভেঙে ফেললো বাক্সের তালাটা। ডালোটা তুলতেই দেখলো, কতকগুলো তালের পাতা। পাতাগুলো সরাতেই চোখে পড়ে একখানা কর্পেট। তারপর একখানা সাদা বোেরখা। তারপর এক বীভৎস দৃশ্য—একটা মেয়েকে টুকরো টুকরো করে কেটে দেহাংশগুলো সাজানো আছে। শিউড়ে উঠলেন খলিফা। এ দৃশ্য চোখে দেখা যায় না। দু-হাতে চোখ ঢাকলেন তিনি চিৎকার করে জাফরকে বললেন, আমার সালতানিয়তে এই সব কাণ্ড ঘটছে, জাফর! তোমরা কেনো আছো আমার দরবারে। কি কর তোমরা, সব অপদাৰ্থ? এইরকম নিষ্ঠুরভাবে মানুষ মানুষকে খুন করছে। আর তোমরা আমাকে বোঝাচ্ছে, এমন ন্যায় বিচারের দেশ আর হয় না। যত্তে সব ধোঁকাবাজী। শোনো, জাফর, তোমাকে তিন দিনের সময় দিচ্ছি আমি। তার মধ্যে যদি এই খুনীকে ধরে না আনতে পারো তা হলে তোমার প্রাণ যাবে। ঐ যে দেখা দু দরবারের সিংদরজা-ওই দরজার পাল্লায় পেরেক দিয়ে গেঁথে মারা হবে তোমাকে। আর শুধু তোমাকে না, তোমার বংশের যত মেয়েপুরুষ আছে সবাইকে এনে কোতল করা হবে। তোমার বংশ আমি নির্বংশ করে দেবো। যাও, তিন দিনের সময় দিলাম। তার মধ্যে খুনীকে খুঁজে বার করো। এতো বড় একটা অপরাধ নিজের চোখে দেখে চুপচাপ সহ্য করতে পারি না আমি। এর বিহিত করতেই হবে আমাকে। তা না হলে আল্লাহর দরবারে শেষ বিচারের দিনে কী জবাবদিহি করবো আমি?

    বিষণ্ণ মনে ঘরে ফিরে আসে জাফর। এতো বড় একটা শহর। কে কোথায় কাকে খুন করেছে কী করে তার হদিশ মিলবে। যে খুন করেছে সে কি সোধে এসে বলবে, আমি খুন করেছি? আর যে খুন করে, সেকি কোন সাক্ষীসাবুদ রেখে করে? আর যদি কারো চোখেই পড়তো তা সে তো নিজে থেকেই দরবারে এজাহার দিয়ে যেতো। এখন শুধু-মুদু রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে কোন ফয়দা আছে? একি গরুছাগল হারিয়েছে—যে খুঁজতে খুঁজতে এক সময় পাওয়া যাবেই। আর বিনা কারণে যাকে তাকে সন্দেহ করে ধরে আনাও তো ঠিক না। কারণ এ বিচারের একমাত্র সাজা প্ৰাণদণ্ড। তা সন্দেহ করে কোন লোককে পাকড়াও করে নিয়ে যাওয়া তো উচিত হবে না। আবার খালি হাতে গেলেও নিস্তার নাই। খলিফার মুখ থেকে একবার যে কথা বেরিয়েছে তার নড়াচড় হবার জো নাই। উভয় সংকটে পড়লো জাফর। একদিকে তার নিজের এবং পরিবারের প্রাণ সমস্যা-অন্য দিকে কোন নিরীহ লোকের জীবননাশের আশঙ্কা। অনেক ভেবেচিন্তে জাফর ঠিক করলো, যায় যাক প্রাণ, তবু সেমিথ্যাচার করতে পারবে না। যাকে তাকে ধরে নিয়ে গিয়ে হাডি-কাঠে ঢুকিয়ে দেবার পাপ সে কিছুতেই করবে না।

    তিন দিন কেটে গেলো। জাফর চিন্তায় জর্জরিত। দেহটাকে কোনরকমে টেনে নিয়ে এলো দরবারে। মৃত্যু অবধারিত। সে জন্যেও সে ভীত নয়। তার শুধু চিন্তা তার পরিবারের চল্লিশজন নিরপরাধী ছেলেমেয়ে নারীপুরুষেরও প্ৰাণ যাবে আজ তারই কারণে। এই পাপই বা সে রাখবে। কোথায়। চিন্তায় চিন্তায় জাফরের শরীর আধখানা হয়ে গেছে এই তিন দিনে।

    চার দিনের দিন সকালবেলায় দরবারে এলো জাফর। খলিফা জিজ্ঞেস করলেন, খুনীর হদিশ পেয়েছো?

    জাফর বলে, কেউ কি সোধে এসে আমাকে ধরা দিয়ে বলবে, সে খুন করেছে। আর সারা শহরে কোথায় খুঁজবো? না আমি হাত গুণতে জানি? না, লোকের মুখের চেহারা দেখে বোঝা সম্ভব?

    জাফরের কথা শুনে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠলো খলিফা। তোমার কোন ওজর শুনতে চাই না। আমি তোমাকে শূলে দেবো।

    জল্লাদকে ডেকে হুকুম দিলো, জাফরকে দরবারের সদর দরজার পাল্লায় শূলে গেঁথে হত্যা করবে। তার আগে সারা শহরে ঢাড়া পিটিয়ে আমার এই ফরমান জারি করে দাও। যারা দেখতে চায় আসতে পারে।

    খলিফার এই হুকুমনামায় শঙ্কিত হয়ে উঠলো শহরবাসী। তার মতো জ্ঞানীগুণী সজ্জন মানুষকে হত্যা করার কী কারণ ঘটতে পারে, কিছুই বুঝতে পারলানা কেউ। প্রতি ঘরে প্রতি জনে নানারকম জল্পনা করতে লাগলো। কেউ বললো, আহা বড় ভালো লোক ছিলো। কেউ বলে, অমন ইমানদার লোক আজকালকার দিনে হয় না। কেউ অনুমান করার চেষ্টা করে, নিশ্চয়ই এমন কোন মারাত্মক গোস্তাকি করেছে-যার জন্যে খলিফা ক্ষেপে আগুন হয়ে বারম্যাকী বংশ নির্বাংশ করে দিচ্ছে।

    সারা শহর ভেঙে পড়লো প্রাসাদ প্রাঙ্গণে। এমন দৃশ্য দেখবে তারা স্বপ্নেও ভাবেনি। কান্নার রোল উঠলো। এমন একটা সাচ্চ আদমী আজ শূলে যাবে! যেন তাদের কোন আপনজন হারাতে বসেছে তারা। জাফর, আর তার পরিবারের সবাইকে সকলেই ভালবাসতো। তাদের আচার ব্যবহার, দয়াদাক্ষিণ্য সকলের মন কেড়ে নিয়েছিলো।

    শূলে বিদ্ধ করার সব আয়োজন শেষ। এখন শুধু অপেক্ষা-খলিফার হুকুমের। হঠাৎ একটা সোরগোল পড়ে গেলো। এক যুবক ভীড় ঠেলে খলিফার একেবারে সামনে এসে দাঁড়ালো। মাটিতে দু-হাত ছুঁইয়ে কুর্নিশ জানালো খলিফাকে। তারপর বললো, আপনি আল্লাহর পয়গম্বর দীনদুনিয়ার মালিক, আপনাকে আমার একটা কথা বলার আছে।

    –কী কথা?

    আপনি জাফর সাহেবকে বিনা দোষে হত্যা করবেন না। আমিই সেই আসামী। আমিই ঐ

    রেহাই দিয়ে আমাকে হত্যা করুন, জাঁহাপনা। ওঁর কোন দোষ নাই!

    যুবকের কথা শুনে জাফরের অন্তর ব্যথায় টনটন করে ওঠে। আহা, বেচারা। কিন্তু নিজের পক্ষে যে এটা কত বড় আনন্দের খবর তা সে ভুলেই গেলো। যুবকের কাছ থেকে বিস্তারিত বিবরণ শোনার জন্য প্রশ্ন করতে যাবে এমন সময় পিছন থেকে এক বৃদ্ধ এগিয়ে এলো সামনে।

    -ওর কথা বিশ্বাস করবেন না, হুজুর। ও সব বানিয়ে বলছে। আসলে খুন করেছি আমি। শাস্তি যা দেবার আমাকে দিন, হুজুর। যুবক তখন প্রতিবাদ করে বলে, উজির সাহেব, লোকটার বোধহয় মাথা খারাপ হয়েছে। আপনি ওর কথা শুনবেন না। যেমন আপনার ইচ্ছে সেইরকম শাস্তি আমাকে দিন; আমি মাথা পেতে নিচ্ছি।

    বৃদ্ধ তখন যুবকের দিকে এগিয়ে গিয়ে বললো, বাবা, তোমার বয়স কম; আমি বুড়ো হয়ে গেছি। আজ বাদে কাল মরে যাবো। কেন বাধা দিচ্ছে। আমার এই বরবাদ হয়ে যাওয়া জানটার বদলে তোমার, উজির-সাহেব। আর তার পরিবারের সকলের জান যদি বাঁচে তাতে আমার চেয়ে আর কেউ বেশী সুখী হবে না। তুমি বাধা দিও না, সরে যাও। জাঁহাপনা আমি আবার বলছি, আমিই সেই খুনী। আমাকে শাস্তি দিন।

    খলিফা হারুন-অল-রাসিদ মহা ফাঁপরে পড়লেন। এ আবার কি অদ্ভুত কথা। জাফরকে বললেন, ওদের দু’জনকেই শূলে চাপাও।

    জাফর বললেন, কিন্তু একজনের অপরাধে দু’জনের প্রাণদণ্ড-এ যে ঘোরতর অবিচার হবে, জাঁহাপনা।

    যুবক তখন চিৎকার করে বলতে থাকে, এই চন্দ্র সূৰ্য গ্বহতারা যার হুকুমে কাজ করে সেই পরম পিতা আল্লাহর নামে হলফ করে বলছি, খুন। আমি করেছি। এবং তার প্রকৃত প্রমাণ আমি খাড়া করতে পারি।

    এই বলে যুবক কী করে মেয়েটাকে খুন করেছিলো তার আদ্যোপোন্ত ঘটনা বিবৃত করলো। যুবকের বক্তব্য বিশ্বাসযোগ্য মনে হলো খলিফার। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কী করে খুন করেছিলে তাতো শুনলাম। কিন্তু কেন খুন করেছিলে, সে কথা বলতো! আর খুন করে সব প্রমাণপত্ব লোপাট করার জন্যে যদি লুকিয়ে ছুপিয়ে লাশটাকে নদীর পানিতেই ডুবিয়েই দিয়েছিলে, তবে আর নিজে থেকে এসে ধরাই বা দিলে কেন? কী ব্যাপার?

    যুবক তখন বলতে থাকে। তবে শুনুন জাঁহাপনা, এই মেয়েটি আমার শাদী করা বিবি। এই বৃদ্ধ তার বাবা-আমার শ্বশুর। অনেক দিন আগে আমাদের শাদী হয়েছে। একসঙ্গে ঘর করেছি। সুখে দুঃখে। আমার তিনটি সন্তানের মাসে। আদর্শ ঘরণী হিসাবে কোন খুঁত ছিলো না তার। আমি তার স্বামী-আমার ওপর তার গভীর ভালোবাসা ছিলো বরাবরই।

    এই মাসের গোড়ার দিকে সে অসুখে পড়ে। আমার সাধ্যের অতীত নামকরা হেকিমকে দিয়ে দেখলাম। দাওয়াই পত্র খাওয়াতে লাগলাম। আমার দোকান-পাট মাথায় উঠলো। বিবির বিমার আর সারতে চায় না। দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়তে লাগলো সে। কয়েকদিন বাদে জুরের প্রকোপটা একটু কমলো বটে, কিন্তু একেবারে ছেড়ে গেলো না। মুখে রুচি নাই। কিছুই খেতে পারে না। ঘুসঘুসে জ্বর প্রায় সারাদিন লেগেই থাকে।

    একদিন আমাকে বললো, কিছু খেতে রুচিছে না মুখে। যদি পারো ভালো দেখে আপেল পাও তো নিয়ে এসে।

    কিন্তু সারা বাজার টুড়েও কোন ভালো জাতের আপেল পেলাম না একটা। পাওয়া গেলো না, পাওয়া যাবে না একথা মুখ ফুটে বলতে পারলাম না তার কাছে। তখন আমার একমাত্র চেষ্টা, কী করে তাকে ভালো করা যায, কী করে তাকে খুশি রাখা যায়, কী করে তার মুখে একটু হাসি ফোটানো যায়।

    রাতে শুয়ে শুয়ে ভাবলাম, কাল সকালে আপেলের বাগানে যাবে। যদিও এটা আপেলের মরশুম না, তবু কোন কোন গাছে দু-চারটে আপেলও তো ধরতে পারে।

    ভোর না হতেই বেরিয়ে পড়লাম। অনেকগুলো বাগানে ঘুরলাম। কিন্তু না, কোন গাছেই আপেল নাই। শেষে এক বাগানের বৃদ্ধ মালিক আমাকে বললো, এ সময়ে আপেল পাওয়া খুবই মুসকিল বাছা। এ তল্লাটে কোথাও পাবে না। একমাত্র পাওয়া গেলেও যেতে পারে–যদি বসরোহর বড় বাজারে যাও। ওখানে কিছু ফল আসে। তবে শুনেছি, সে আপেল সাধারণ লোকের খাবার জন্যে বিক্ৰী হয় না। সবই চলে যায় খলিফার প্রাসাদে।

    বাড়ি ফিরে এসে বিবিকে বললাম সব কথা। শুনে সে নির্বিকারভাবে বললো, পাওয়া যখন যাবে না, -তুমি আর কি করবে।

    মনটা আমার খারাপ হয়ে গেলো। ঠিক করলাম, বসরোহর বাজারেই যাবো; পনেরো দিনের পথ। পথের শ্রান্তির কথা ভুলে গেলাম। আল্লাহর নাম নিয়ে বসরোহর পথে পা বাড়ালাম।

    বরাতের জোরে তিনটি আপেল জোগাড় হলো। ইনাম মোট তিন দিনার। তা হোক। বিবির যদি মুখে রুচি ফিরে আসে তা হলেই আমার এতো পরিশ্রম, এতো দাম দিয়ে কেনা সার্থক হবে।

    মনে বড়ো আশা নিয়েবাড়ি ফিরলাম। আপেল কটা দেখে নিশ্চয়ই সে খুশি হবে। কিন্তু না, আপেল তিনটে হাতে করে নিয়ে একপাশে রেখে দিলে সে। বোধ হয়। শরীরটা আবার বেশি। খারাপ হয়েছে। আমিও মুসড়ে পড়লাম। পরে শুনলাম, আমি যে দিন বসরোহর বাজারে আপেল সওদা করতে রওনা হয়ে গিয়েছিলাম। সেইদিনই আবার কাঁপিয়ে জ্বর এসেছিলো তার। গতকাল থেকে একটু কম।

    আমার আর দোকান-পাট খোলা হলো না। বিবির শয্যাপার্শ্বে বসে রইলাম এক হগুপ্ত। এই কদিনের দাওয়াইপত্র আর আমার অক্লান্ত সেবা শুশ্রুষায় একটু ভালোর দিকে মনে হলো।

    স্মরণ করে দোকানে গিয়ে বসলাম পরদিন। ঠিক দুপুর বলা যায় না। তখনও—দেখলাম একটা নিগ্রো ছোড়া একটা আপেল এক হাত দিয়ে শূন্যে ছুঁড়ে দিয়ে অন্য হাতে লুফতে লুফতে এগিয়ে চলেছে।

    —ও ভাই, শুনছো, নিগ্রো ছেলেটাকে ডাকলাম আমি। আচ্ছা বলতে পারো, এই অসময়ে এই আপেলটা কোথায় পেলে তুমি?

    -আমার পিয়ারীর কাছ থেকে পেয়েছি, কেন?

    –পিয়ারী, কে তোমার পিয়ারী? কোথায় থাকে সে?

    নিগ্রো যুবকটা বেশ গর্বের সঙ্গেই জবাব দেয়, ঐ যে তীতীপাড়ায় ঢুকতে একটা ছোট্ট তালাও আছে না? সেই তালাও-এর পশ্চিম পাড়ের যে জাফরানী রঙের বাড়িটা-সেই বাড়ির একটা মালিকের বিবি আমার ভালোবাসা। লোকটা এমন হাঁদা কিসসু বোঝে না। বিবি-অন্ত প্ৰাণ। ব্যাটা মেয়েমানুষের কথায় ওঠ বোস করে। ওর বিবিটার আজ মাস-খানেক বিমার। আহাম্মকটা পনেরো দিনের পথ হেঁটে বসরাহর বাজারে গিয়েছিলো আপেল আনতে। মনে আশা, যদি সে খুশি হয়। আমি আজ গিয়ে দেখি ওর বিছানার পাশে তিনটি আপেল। আমাকে এটা খেতে দিলো।

    আমার পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যেতে লাগলো। আপনি বিশ্বাস করুন জাঁহাপনা, সেই মুহূর্তে মনে হলো সারা দুনিয়াটা মিথ্যে মস্ত বড় একটা ধাপ্পা। মাথাটা তু, বোঁ বৌ করে ঘুরতে লাগলো। এই বিশ্বসংসার সব অন্ধকার হয়ে! গেলো আমার চোখের সামনে। ক্ৰোধে উন্মত্ত এক সিংহের মতো এ ছুটে এলাম বাড়িতে—আমার বিবির ঘরে। হাতে আমার শাণিত * ছোরা। কোন প্রশ্ন করলাম না, কোন কিছু জানতে চাইলাম না। শুধু একবার তাকিয়ে দেখলাম, আজ সাতদিন ধরে যেখানে তিনটি আপেল রাখা ছিলো। সেখানে আজ দুটি আছে—আর একটা নাই। কোথা দিয়ে কী হয়ে গেলো জানি না, দেখলাম আমার ছুরিটা আমূল বসে গেছে আমার বিবির বুকে। এক অসহায় আর্তনাদ করে থেমে গেছে তার বুকের সম্পন্দন—চিরদিনের মতো।

    যখন আমার জ্ঞান ফিরে এলো, ভয়ে প্ৰাণ শুকিয়ে গেলো। আমি খুন করে ফেলেছি। আমার ফাঁসী হবে। আতঙ্কে শিউড়ে উঠলাম। এখন কি করা যায়? হঠাৎ মাথায় বুদ্ধি এসে গেলো। ক্ষিপ্র হস্তে খাটের তলা থেকে একটা বাক্স টেনে বের করলাম। বিবির হাত, পা, ধড়, মুণ্ডু সবটুকরো করে কেটে বাক্সটায় ভরলাম। কাপেট আর ওর বোরিখটায় রক্ত লেগে গিয়েছিলো। ও দু’টোও বাক্সে ভরে তালের পাতা দিয়ে ঢেকে বন্ধ করে দিলাম। ডালাটা। একটা তালা এটে মাথায় করে নিয়ে গিয়ে ফেলে দিয়ে এলাম টাইগ্রিসের জলে।

    যুবক থামলো একটু। তারপর কাতর অনুনয় জানিয়ে বললো, আপনি ন্যায়বিচারক, আল্লার পয়গম্বর, আপনার কাছে আমার আর্জি, যতো তাড়াতাডি হয় আমার প্রাণদণ্ড মঞ্জর করুন। তা না হলে আল্লাহর দরবারে আমাকে আরও কঠোর সাজা পেতে হবে।

    আমি যখন টাইগ্রিসের জলের তলায় বাক্সটা ডুবিয়ে দিয়ে বাড়ি ফিরলাম দেখি, আমার বড় ছেলেটা সরজার সামনে বসে আকুল নয়নে কাঁদছে। জিজ্ঞেস করলাম, কী হয়েছে, কাঁদছিস কেন?

    কাঁদতে কাঁদতে ও বলতে থাকে, মায়ের বিছানার পাশ থেকে একটা আপেল নিয়ে গিয়েছিলাম খেলা করতে। মা টের পায়নি। ঘুমিয়েছিলো। ভেবেছিলাম খেলাটেলা শেষ করে আবার ওখানে রেখে আসবো। কিন্তু পথ দিয়ে যাচ্ছিলো একটা তাগড়াই নিগ্রো। আমার গালে দু’টো থাপ্পড় দিয়ে আপেলটা কেড়ে নিয়ে দু-হাতে নাচাতে নাচাতে চলে গেলো। লোকটা কী জাঁদরেল। বাবাঃ দেখলে পিলে চমকে যায়।

    ওর কথায় বুঝলাম, আপেলটার জন্যে সে বাড়ির ভিতরে ঢুকতে সাহস করেনি। সদর দরজার ওপর বসে কাঁদছিলো। আহা বেচারী, ওর মা যে আর এ জগতে নাই, সে খবরও জানে না।

    ছেলের কথায় বুঝলাম, যে ভুল আজ করলাম তার আর কোন চারা নাই। হারামজাদা নিগ্রোর বাচ্চা—একেবারে ডাহা মিথ্যা কথা বলে গেছে। বিবির কোনও দোষ ছিলো না। একটা নিষ্পাপ। মেয়েকে খুন করার পাপ বোধ। দংশন করতে লাগলো আমাকে। আমি আর আমার এই শ্বশুর সারা রাত ধরে কাঁদলাম।

    আজ পাঁচদিন হলো আমি খুন করেছি। আমার আদরের বিবিজানকে। পাঁচটা রাত ঘুমুতে পারিনি। মনের শোকতাপ প্রকাশ করতে পারিনি কারো কাছে। পারলেও বা কিছুটা হালকা হতো বুকের জ্বালা। অপরাধী আমি, আমার শাস্তি একমাত্র মৃত্যু। আপনি আমার ভাগসুবিধাতা, আল্লাহর পয়গম্বর। আপনার কাছে আমার একটাই আর্জি, আপনি আমাকে যত তাড়াতাডি হয় শূলে দিন। আমার পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে দিন আমাকে।

    খলিফা বিস্ময়ে হতবাক। কয়েকটা মুহুর্তমাত্র। তারপর চিৎকার দিয়ে উঠলেন, আমি ওই বদমাইশ নিগ্রোটাকে শূলে দেবো। এতো বড় একটা সর্বনাশ সে করেছে?

    এই সময় প্রভাত সমাগত দেখে গল্প থামিয়ে চুপ করলো শাহরাজাদ।

     

    তারপর শুনুন শাহজাদা, শাহরাজাদ আবার উনিশতম রজনীর দ্বিতীয়যামে গল্প শুরু করলো, খলিফা দেখলেন, যুবকের কোন দোষ নাই। যত নষ্টের মূল ঐ নিগ্রোটা। বললেন, আমি ঐ নিগ্রোটাকে শূলে চড়াবো, ধরে নিয়ে এসো তাকে। তাকে যদি ধরে আনতে না পারো জাফর, তাহলে তোমাকেই শূলে চাপবো আমি।

    জাফর কাঁদতেকাঁদতে  বাড়ি গেলো।—কোথায় পাবো তাকে। কোথায় থাকে সেই নিগ্ৰো—কে তার হদিশ দেবো? এ যাত্রায় যদি বা বাঁচলাম, কিন্তু এর পরে বোধহয় বাঁচার আর কোন আশা নাই। এখন আল্লাহ ছাড়া আর কেউ বাঁচাতে পারবে না আমাকে।

    তিন দিন আরবাড়ি থেকে কোথাও বের হলো না। মনে মনে ভাবে এই তিন দিনে যদি খলিফার রাগ পড়ে যায়। যদি তিনি তাকে অব্যাহতি দেন। কিন্তু লোক মারফৎ খবর পাওয়া গেলো খলিফা প্রতীক্ষা করে বসে আছেন। জাফর নিগ্রোটাকে ধরে নিয়ে যাবে। আর তিনি তাকে শূলে চাপাবেন! আর যদি ধরে না নিয়ে যেতে পারে তবে তার মরার ব্যবস্থা পাকা করে রেখেছেন sSf

    কাজীকে ডেকে পাঠালো জাফর। তার বিষয় সম্পত্তির উইল বানালো বাচ্চাদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে দরবারে যাবার জন্য তৈরি হতে লাগলো। একে একে সবাইকে আদর জানালো; সব শেষে সবচেয়ে ছোট মেয়েটাকে কোলে তুলে নিয়ে চুমু খেতে যাবে এমন সময় ওর কামিজের পকেটে কি একটা গোলাকৃতি বলের মতো বস্তু অনুভব করলে সে। অশ্রু রুদ্ধ কণ্ঠে জাফর

    —একটা আপেল আব্ববাজান, আপেলটা বের করে দেখালো সে।–দিন চারেক আগে আমাদের নিগ্রো নফর রেহান আমাকে কোথা থেকে এনে দিয়েছে।

    ‘নিগ্রো’ এবং ‘আপেল’ এই শব্দ দুটো শুনে কেমন যেনো ফ্যাকাশে হয়ে গেলো জাফরের মুখ। এক মুহূর্ত। তারপর এক অদ্ভুত আনন্দে নেচে উঠলো তার সারা দেহ মন। তক্ষুণি ডেকে পাঠালো তাকে। রেহান এলে জিজ্ঞেস করলো, এই আপেলটা কোথায় পেয়েছিলি রে?

    নিগ্রোটা বললো, আজ্ঞে মালিক, কদিন আগে পথ দিয়ে যেতে যেতে দেখি, কয়েকটা বাচ্চা খেলা করছে। একজনের হাতে ছিলো এই আপেলটা। আমি ওকে দু’টো থাপ্নড় দিয়ে কেড়ে এনেছিলাম। আমাদের খুকুমণির জন্যে। ছেলেটা কেঁদে উঠে ফেরৎ চেয়েছিলো আমার কাছে। ‘নিও না, ফেরৎ দিয়ে দাও। ওটা। আমার মা আমাকে খুব বকবে। তার ভীষণ অসুখ। বাবা সেই বাসরাহর বাজার থেকে তিনটি আপেল কিনে এনেছে মার জন্যে। মা একটাও খায়নি। আমি একটা চুরি করে এনেছি। ফেরৎ দিয়ে দাও আমাকে, তোমার দু’টো পায়ে পড়ি। না হলে মা আমাকে মারবে।’ আমি কিন্তু ওর কথায় কান না দিয়ে লুফতে লুফতে চলে এলাম। আমার তখন মনে ঘুরছে, খুকুমণি আপেলটা পেলে খুব খুশি হবে।

    জাফর বড় সমস্যায় পড়লো। তার নিজের গৃহভৃত্য এর সঙ্গে জডিত। ব্যাপারটা কেউ ভালো চোখে দেখবে না। কিন্তু হতভাগাটা একি কাণ্ড করে বসেছে। এই হ্যাপা এখন কী করে সামাল দেবে সে? খলিফার যা রাগ, তাতে তো রেহাই দেবে বলে মনে হয় না। যাক, ভেবে আর কী হবে? রেহানকে বন্দী করে দরবারে নিয়ে এলো সে।

    জাফর ভাবে, নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে দু-দুবার কীভাবে সে রক্ষণ পেলো। একেই বলে আল্লাহ যাকে বাঁচাবেন, মারবে কার সাধ্য?

    প্রাসাদে এসে সমস্ত বৃত্তান্ত খুলে বললো খলিফাকে। খলিফা শুনে তো অবাক।—এমন অদ্ভুত ব্যাপার তো জীবনে কখনও শুনিনি। সামান্য একটা তুচ্ছ ঘটনা একটা মানুষের জীবন নাশের কারণ; সে কথা কি ভাবতে পারে কেউ?

    জাফর বলে, তাই হয় জাঁহাপনা। কোন একটা তুচ্ছতিতুচ্ছ ঘটনাই অনেক বিরাট বড় একটা ঘটনার মূলসূত্র হতে পারে। সবই আল্লাহর খেলা। সবই নিয়তি। তা না হলে বেচারী যুবকটাই বা তার অতো পেয়ারের বিবিকে বিনা দোষে খুন করতে যাবে কেন? ওর হাতে ওর বিবির মৃত্যু নিয়তির লেখা ছিলো। ঐ আপেল আর নিগ্রোটার বোকামী সবই উপলক্ষ মাত্র। যাই হোক আপনাকে আমি এর চেয়েও অবাক করার মতো কাহিনী শোনাতে পারি জাঁহাপনা। উজির নূর-আল-দীন আর তার ভাই সামস-আল-দীন-এর কাহিনী—আপনি শুনেছেন?

    –না। কী সেই কাহিনী, শোনাও দেখি। জাফর বললো, বলবো নিশ্চয়ই। # কিন্তু আপনার কাছে আমার একটা আজি—ঐ বেচারী নিগ্রোটাকে আপনি রেহাই দিন ওটা একটা বোকা পাঠা। কিসে থেকে কি ঘটতে পারে সে চৈতন্য ওর নাই! ওর বোকামীর ফলে যা ঘটে গেছে তা আর ফেরানো যাবে না। কিন্তু এও ঠিক, খুন করার জন্যে খুন করা, আর তার অজ্ঞাতসারে বোকামীর জন্যে কেউ খুন হয়ে যাওয়া এক নয়। ও জানেও না। ওর একটা মিথ্যে কথা বলার জন্যে কী ঘটে গেছে। তাই আপনার কাছে আমার নিবেদন, আপনি ওর দোষ মাফ করে দিন। আমি আপনাকে আরো অদ্ভুত, অবাক করার মতো কাহিনী শোনাচ্ছি।

    খলিফা বললেন, ঠিক আছে আমি ওকে রেহাই দিয়ে দিলাম। সত্যিই তো, এই গুরুদণ্ড পাওয়ার মতো গোস্তাকি সে করেনি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138 139 140 141 142 143 144 145 146 147 148 149 150 151 152 153 154 155 156 157 158 159 160
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকবীর – ১ – ক্ষিতিমোহন সেন
    Next Article প্রাচীন পূর্ববঙ্গ গীতিকা – ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }