Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সহস্র এক আরব্য রজনী

    ক্ষিতিশ সরকার এক পাতা গল্প3728 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২.০৩ সিন্দাবাদের তৃতীয় সমুদ্র-যাত্রা

    সিন্দাবাদের তৃতীয় সমুদ্র-যাত্রা

    দু’শো আটানব্বইতম রজনীতে আবার সে শুরু করে :

    সিন্দবাদ নাবিক গল্প থামিয়ে চুপ করে। টেবিলে খানাপিনা সাজানো ছিলো। বান্দারা উপস্থিত অভ্যাগতদের সকলকে খানাপিনা দিলো। খাওয়াদাওয়া শেষ হলে বৃদ্ধ সিন্দবাদকুলি সিন্দবাদকে একশোটা সোনার মোহর দিয়ে বলে, এটা রাখে। আমি খুশি হয়ে দিলাম।

    কুলি সিন্দবাদ কৃতজ্ঞ চিত্তে গ্রহণ করে তার দান। মহা আনন্দে বাসায় ফিরে আসে। পরদিন খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে রুজু নামাজাদি সেরে আবার সে বৃদ্ধ সিন্দাবাদের প্রাসাদের দিকে রওনা হয়।

    সিন্দবাদ নাবিক তারই প্রতীক্ষায় বসেছিলো। আদর করে কাছে বসায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই এক এক করে আবার সব অতিথি অভ্যাগতরা এসে হাজির হয়। যথারীতি টেবিলে সাজানো ছিলো। সকালবেলার নাস্তা। খানাপিনা শেষ হলে সিন্দবাদ কাহিনী শুরু করে :

    বন্ধুগণ, আল্লা যে সর্বশক্তিমান সে তো আমরা সবাই জানি। কিন্তু তার অসাধারণ জ্ঞান বুদ্ধি বিচক্ষণতাও মানুষের চাইতে অনেক অনেক বেশী। তা না হলে যে বিপদে পড়ে একদিন আমার প্রাণসংশয় ঘটেছিলো, এইরকম বিত্ত বৈভবের মধ্যে মহা আনন্দে দিন কাটাতে কাটাতে, আবার সেই প্রাণঘাতী বিপদের মধ্যে পা বাড়াবো কেন? যথা সময়ে তিনি আমার মন থেকে সেই সব আতঙ্ক ভয় মুছে নিয়েছিলেন। তাই আবার আমার সমুদ্রযাত্রার বাসনা হলো। বাগদাদে বসে বসে একঘেয়ে আনন্দের জীবন আর আমার ভালো লাগলো না। কোনও বৈচিত্ৰ্য নাই। কুঁড়ের মতো ঘরে বসে বসে বিলাস ব্যসনের মধ্যে দিন কাটাবো। আমার রক্তের ধারা সেরকম নয়। তাই আবার একদিন ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়ি।

    এবার আমি আর ভারি ভারি মোটা সওদা সঙ্গে নিলাম না। বিদেশের বাজারে আরবের মূল্যবান আতর নির্যাসের কদর খুব বেশি। এছাড়া বাগদাদের সূক্ষ্ম শিল্পকর্মও অন্য দেশে চড়া দামে বিক্রি হয়। পয়সার তো আমার অভাব নাই তখন, অনেক অর্থ ব্যয়ে এই সব বিলাসের সামগ্ৰী সংগ্রহ করে বসরা হয় এসে পৌঁছলাম। এখান থেকে দুনিয়ার প্রায় সব জায়গারই জাহাজ ছাড়ে। বসরা হয় গিয়ে একদল সাচ্চা মুসলমান, সদাশয় সওদাগরের সঙ্গে আমার দোস্তি হয়ে গেলো। তারাও বাণিজ্যে যাবে। ভালো সঙ্গীদল পেয়ে আমিও ভিড়ে গেলাম তাদের দলে।

    দিনক্ষণ দেখে, আল্লাহর নাম নিয়ে একদিন জাহাজে চেপে বসলাম আমরা।

    পালে হাওয়া লাগলো। জাহাজ চলতে থাকলো।

    এক এক করে অনেক বন্দর আসে। শহরে শহরে আমরা সওদা ফিরি করি। আমি যে-ধরনের মূল্যবান বিলাস সামগ্ৰী সঙ্গে নিয়েছি সে-ধরণেও সওদা বড় একটা কেউই সঙ্গে নিতে পারে না। তাই যেখানেই দেখাই সবাই লুফে নিতে থাকে। প্রতিটি সওদায় মোটা লাভ হতে থাকে আমার। খুশিতে মন নেচে ওঠে।

    এইভাবে চলতে চলতে একদিন আমরা মুসলমান সুলতানদের সলতানিয়াৎ এলাকা ছাড়িয়ে মোঝ-সমুদ্র ধরে পাডি জমিয়েছি। হঠাৎ কপ্তেন চিৎকার করে ওঠে। সর্বনাশ!

    আমরা ছুটে গেলাম তার কাছে।–কী? কী হয়েছে?

    সে কোনও কথার জবাব দেয় না। ডুকরে ডুকরে কাঁদতে থাকে, আর কপাল চাপড়ায়।

    আমরা অধৈর্য হয়ে জিজ্ঞেস করি, কী হয়েছে, বলবে তো?

    কাপ্তেন তখন পাগলের মতো প্ৰায়। মাথার চুল, আর জামাকাপড় ছিড়ছে। চোখে মুখে তার সে-এক অবর্ণনীয় নিদারুণ আতঙ্ক। কোনওরকমে সে বলতে পারে, পালের হাওয়া ঘুরে গেছে। আমরা পথ হারিয়ে ফেলেছি। এখন যে পথে জাহাজ চলেছে, সে পথে চলতে থাকলে আমরা বাঁদর দ্বীপে পৌঁছব। সেখানে একবার গেলে আর কেউ ফিরে আসতে পারে না।

    আমরা চিৎকার করে উঠি, যেভাবেই হোক, জাহাজের গতি ফেরাও। কাপ্তেন বললো, অসম্ভব। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই জাহাজ বাঁদর দ্বীপে পৌঁছে যাবে। এখন চেষ্টা করে কোনও লাভ নাই। জোর করে ঘোরাতে গেলে জাহাজ ভেঙ্গে খানখান হয়ে যাবে।

    আমরা উদ্রান্তের মতো জাহাজের ডেকে ছুটাছুটি করতে লািগলাম। সামনে মৃত্যু অবধারিত জেনে কে আর চুপচাপ বসে থাকতে পারে?

    কিছুক্ষণের মধ্যে জাহাজ বাঁদর দ্বীপের কাছাকাছি এসে পড়লো। জাহাজটা ঘিরে প্রবলো বান্দরের পঙ্গপাল। সংখ্যায় কত—তার হিসাব বলতে পারবো না। দশ বিশ-এমন কি? ধ্বগ্নশ হাজারও হতে পারে। এক বিশাল সেনাবাহিনী বলা যায়!

    আমরা জাহাজের মধ্যে ভয়ে গুটিসুটি মেরে বসে আছি। নিয়ে নামবো-সাধ্য কী?–; কিন্তু দীতমুখ খিচিয়ে সহজাত অসভ্যতায় ‘স্বাগত জানাতে থাকে। মুখের ও স্বা দুর্বোধ্য, কিন্তু তু সখানা এই—নিচে নেমে এসো বাছাধনরা, আমরা তোমাদের বুক চিরে রক্ত ৮ ন করবো।

    ওদের আক্রমণ করার দুঃসাহস আমাদের নাই। অথবা ওদের অ’ক্বমণ প্রতিরোধ কর, ‘। শক্তিও আমরা ধরি না। এই অবস্থায় আশু কর্তব্য কী, কিছুই ঠিক করতে পারছি না। এমন সময় হুড়পাড় করে তারা আমাদের জাহাজের ডেকে উঠে এলো। আমরা অনড় অচল হয়ে বসে রইলাম। ওরা আমাদের সওদাপত্র তছনছ করতে লাগলো। ওদের বীভৎ’ চেহারা দেখে আর বিকট চিৎকার শুনে হৃৎপিণ্ড শুকিয়ে যায়। বিচিত্র ধরনের অঙ্গভঙ্গী আর অদ্ভুল ধরনের মুখ বাদন করে তারা যে কত কি বলতে লাগালো তার একবৰ্ণও বুঝলাম না। আমোদর সামনেই তারা মাস্তুলের মাথায় উঠে পালের কাছি খুলে দিলো। তারপর হাল আর দ ডু অধিকার করে জাহাজটাকে সমুদ্রসৈকতে নিয়ে গিয়ে ভেড়ালো।

    এক এক করে আমাদের সবাইকে টানতে টানতে তীরে নামালো ওরা কামরা তখন কোরবানীর খাসী; মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও রুখে দাঁড়াবার দুঃসাহস নাই।

    আমাদের সকলকে নামিয়ে দিলো, কিন্তু ওরা কেউই জাহাজ থেকে নামবে না। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই আমাদের যথাসর্বস্ব সওদাপত্ব ঠাসা জাহাজখানা নিয়ে ওরা মাঝদরিয়ায় অদৃশ্য হয়ে গেলো।

    আমার মতো অনেকেই বুক ভাঙ্গা কান্নায় ভেঙ্গে পড়লো। কিন্তু কান্নাকাটি করেই বা লাভ কী? বিদেশে বিপৰ্যয় ঘটতেই পারে। তার জন্য আগে থেকে যেমন সতর্ক হওয়াও সম্ভব না, তেমনি বিপদ এসে গেলে ভেঙ্গে পড়াও সঙ্গত না। অবস্থা ও সময়ের সঙ্গে মানিয়ে চলাই বিচক্ষণতা।

    যাই হোক, আমাদের সর্বস্ব চলে গেছে। এখন বাঁচার পথ বের করতে হবে। আমরা সকলে সেই সমুদ্রসৈকতে বালির উপরে বসে এক সভা করলাম। ঠিক হলো আগে আমরা দ্বীপের অভ্যন্তরে ঢুকে কিছু খানাপিনার সন্ধান করবো। প্রথমে ফলমূল এবং জলের সন্ধান করে তারপর অন্য ফিকির খুঁজতে হবে।

    সমুদ্রতীর থেকে খানিকটা ভিতরে ঢুকতেই নানারকম পাকা মিষ্টি ফল আর ঝর্ণার জলের খোঁজ পাওয়া গেলো। ধরে প্রাণ এলো। যাই হোক, অনাহারে শুকিয়ে মরতে হবে না।

    এদিক ওদিক ঘুরে ঘুরে পাকা মিষ্টি ফলের সন্ধান করতে করতে আমরা আরও অনেকটা ভিতরে ঢুকে পড়েছি। হঠাৎ নজরে পড়লো, গাছের ফাঁক দিয়ে দেখা যায়, অদূরে এক প্রাসাদোপম অট্টালিকা। আপাতভাবে মনে হয় জনমানব শূন্য।

    খানাপিনা শেষ করে আমরা ঐ ইমারতের দিকে এগিয়ে গেলাম। প্রকাণ্ড উঁচু, প্রস্থে দৈর্ঘে সমান-চতুষ্কোণাকৃতি পোল্লাই এক প্রাসাদ। চারদিক পাথরের প্রাচীরে ঘেরা। দু-দুটো সিংহ দরজা পেরিয়ে তবে প্রাসাদের চত্বরে প্রবেশ করা যায়।

    শুধু সিংহ দ্বারই হাট হয়ে পড়ে আছে। সিংহ সদৃশ প্রহরী আজ আর নাই সেখানে। আমরা ভিতরে ঢুকে গেলাম। বিরাট প্রশস্ত প্রাঙ্গণসদৃশ এক কক্ষ। সারা ঘরময় থরে থরে সাজানো রানাবান্নার সাজ-সরঞ্জাম। বড় বড় কড়াই ডেকচি হাতা বেডি প্রভৃতি। ঘরের মেজেয় স্তুপীকৃত হাড়। কতকগুলো একেবারে শুকনো সাদা। আবার কতকগুলো এখনও মাংসের ঝোলকাল লেগে রয়েছে। একটা পচাদুৰ্গন্ধ নাকে এলো। সঙ্গে সঙ্গে মাথা ঝিমঝিম করতে লাগলো। পলকের মধ্যেই আমরা সংজ্ঞা হারিয়ে মেজেয় লুটিয়ে পড়লাম।

    সূর্য সবে পাটে বসেছে; এমন সময় বাজ পড়ার মতো। হুঙ্কারে আমাদের তন্দ্রাভাব কেটে গেলো। ধড়মড় করে উঠে বসতেই দেখলাম বিশাল দৈত্যের মতো একটা কালো কুৎসিত কদাকার একটা মানুষ সিডি দিয়ে নিচে নেমে আসছে। লম্বায় সে তাল গাছের সমান, হতকুৎসিৎ বাঁদরের চেয়েও দেখতে বীভৎস। তার চোখ দুটো গোলাকৃতি আগুনের ভঁটা। গাইতির কাটার মতো তার দাঁত আর মুখের গহ্বর ঠিক একটা ইদারার মতো। নিচের ঠোঁটটা ঝুলে পড়েছে বুক অবধি। কুলোর মতে কান দু’খানা কাঁধ ঢেকে ফেলেছে। হাতের নখগুলো ইয়া বড় বড়, আর থাবা-ঠিক সিংহের মতো।

    দেখা মাত্র আমরা ভয়ে শিউরে উঠেছিলাম। পরে পাথরের মত নিশ্চল হয়ে বসে রইলাম। দেওয়ালের পাশে একটা বেঞ্চির উপরে সে বসলো। এক এক করে আমাদের সকলের ওপর চোখ ঘুরিয়ে দেখে নিলো। তারপর উঠে এসে সিংহের মতো থাবা দিয়ে আমার ঘাড়টা চেপে ধরলো। তারপর ছোট্ট একটা ইঁদুর ছানার মতো আমার দেহটাকে শূন্যে তুলে এদিক ওদিক ঘোরাতে থাকলো। তারপর কি খেয়াল হলো, আমাকে মেজের ওপর ছুঁড়ে দিয়ে আর একজনের ঘাড়ে থাবা বসালো। হয়তো আমার কৃশকায় দেহটা তার পছন্দসই হলো না। কিন্তু আমাকে ছেড়ে যাকে ধরলো তাকেও দু-একবার দুলিয়ে ছুঁড়ে দিলো। এইভাবে এক এক করে সে সকলের দেহের ওজন পরীক্ষণ করে দেখতে থাকলো। সব শেষে সে এলো কাপ্তেনের কাছে।

    কাপ্তেনের শরীরটা বেশ মোটাসোটা তাগড়াই। যেমন লম্বা তেমনি চওড়া। তাকে দেখে দৈত্যাটার মুখে হাসি আর ধরে না। অর্থাৎ খুব পছন্দ হয়েছে তার।

    এক হাত দিয়ে ওর কোমরটা আর এক হাত দিয়ে ঘাড়টা ধরে একটা মোচড় দিয়ে মুণ্ডুটা ছিঁড়ে ফেললো সে। তারপর একটা বিরাট কড়াই-এর মধ্যে ফেলে উনুনে আগুন জেলে দিলো। কিছুক্ষণ পরে কাপ্তেনের দেহের আধ সেদ্ধ মাংসপিণ্ডটা তুলে গোগ্রাসে খেতে থাকলো সে। খুব তৃপ্তি করে খেয়ে মোটা মোটা হাড়গুলো মেজের ওপর ছুঁড়ে ছুঁড়ে ফেলতে লাগলো।

    খাওয়া-দাওয়া শেষ হওয়া মাত্র সে বেঞ্চিটার ওপরে টান টান হয়ে শুয়ে পড়ে মোষের মতো নাক ডাকাতে লাগলো। এইভাবে পরদিন সকাল অবধি সে ঘুমিয়ে কাটালো। ঘুম ভাঙ্গামাত্র কোন দিকে ভ্বদক্ষেপ না করে যে পথে নেমে এসেছিলো। সেই সিডি দিয়েই আবার ওপরে উঠে চলে গেলো। আমাদের অবস্থা তখন অবৰ্ণনীয়। বেঁচে আছি কি নাই, সে বোধশক্তিও নাই কারো।

    যখন বুঝলাম সে সত্যিই চলে গেছে, আমরা হাঁউমাউ করে কেঁদে ফেললাম।-এর চেয়ে গহিন সমুদ্রে ডুবে মরাও ঢের ভালো ছিলো, আল্লাহ। অথবা বাঁদরগুলো যদি আমাদের কলিজা ছিঁড়ে রক্ত পান করতো সেও বরং সহ্য হতো, কিন্তু কড়াই-এর ফুটন্ত তেলে ফেলে ভাজা হওয়া-উফঃ!

    কিন্তু ভেবে আর লাভ কী? নসীবে যা লেখা আছে তা হবেই। আল্লাহই একমাত্র ভরসা। তিনি না বাঁচালে কেউ বাঁচাতে পারবে না এখন।

    প্রাসাদের বাইরে বেরিয়ে এলাম আমরা। সারাদিন দ্বীপের এদিক ওদিক ঘুরলাম। লুকিয়ে থাকার মতো কোনও একটা গুহা বা ডেরা যদি কোথাও পাওয়া যায়। কিন্তু আতি পাতি করে খুঁজেও কোথাও কিছু পাওয়া গেলো না। সারা দ্বীপটািয়। আর কোনও বাড়িঘর নাই। না আছে কোনও পাহাড় পর্বত, না আছে কোনও গভীর জঙ্গল। সর্বত্রই ফাঁকা ফাঁকা গাছপালা বা উন্মুক্ত প্রান্তর।

    সন্ধ্যা নেমে এলো। আমরা নিরুপায় হয়ে আবার সেই রাক্ষস পুরীতেই ফিরে এলাম। এছাড়া উপায়ই বা কী? রাক্ষসটার একটা গুণ-সে। আমাদের একজনকে ছাড়া দুজনকে এক সঙ্গে খাবে না। কিন্তু এই অরক্ষিত গাছতলায় রাত কাটোনর কী ভরসা। হয়তো এক রাতেই সদলে সকলে প্ৰাণ খোয়াবো আমরা। তার চাইতে যার নসীবে যা আছে, তাই হবে। রাক্ষস পুরীতেই যাওয়া যাক। যার বরাত খারাপ আজ রাতে তার প্রাণ যাবে

    আমাদের বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হলো না। কিছুক্ষণের মধ্যেই দৈত্যটা হুংকার ছাড়তে ছাড়তে নেমে এলো। আবার সে গত রাতের মতো এক এক করে সকলের দেহ পরীক্ষা করে। দেখতে থাকলো। কোনটা ওজনে বেশি ভারি। শেষ পর্যন্ত একজনকে বেছে নিয়ে একই কায়দায় আধাসিদ্ধ করে খেয়ে আবার বেঞ্চে শুয়ে পড়ে মোষের মতো নাক ডাকাতে লাগলো। যথারীতি পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে কোনদিকে ভ্রূক্ষেপ না করে আবার সে উপরে উঠে গেলো!

    আমরা ঠিক করলাম, না, এই নারকীয় বীভৎস ব্যাপার। আর সহ্য করা যায় না। এর চেয়ে সমুদ্রে বাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করা ঢের ভালো। মরীয়া হয়ে উঠেছি সকলে, আজ যা হয় একটা এসপার-ওসপার করতেই যে হবে। আমাদের একজন উঠে দাঁড়িয়ে বললো, শুনুন ভাইসব, নিজেরা নিহত হওয়া অথবা আত্মহত্যা করার চেয়ে এই শয়তানটাকে হত্যা করার ফিকির খোঁজা কি ভালো না? মরতে তো হবেই, তা বলে এইভাবে মরা? আসুন আমরা আমাদের শক্রকে নিধন করি। তার জন্যে যদি মৃত্যু আসে। আসুক-সে। অনেক গৌরবের হবে। কিন্তু এতো কাপুরুষের মতো নিজের গলাটা হাডিকাঠে বাড়িয়ে দেওয়া–

    এরপর আমি উঠে আমার বক্তব্য পেশ করলাম। —শুনুন শেখ সাহেবরা, দৈত্যটাকে যদি মারতে পারি তো খুব ভালো, কিন্তু না যদি পারি সে ক্ষেত্ৰেও তো একটা উপায় ভাবতে হবে। আমি বলি কি—আমরা একটা কাঠের ভেলা বানাই। আমি দেখেছি সমুদ্রের ধারে অনেক কাঠের গুডি পালা দেওয়া আছে। ভোলাটায় চড়ে আমরা ভাসতে ভাসতে চলি। তারপর আল্লাহ। যদি মুখ তুলে চান, নিশ্চয়ই কোনও জাহাজের নাবিক আমাদের তুলে নেবে। নতুবা হয়তো কোনও নতুন দ্বীপে গিয়ে ভিড়বো! আর যদি পথের মধ্যে ডুবেই মরি, সে-ও তো এর চেয়ে অনেক ভালো হবে। এই অবধারিত আপ-মৃত্যুর জন্য প্রতিটি মুহূর্ত অপেক্ষা করার চেয়ে অনেক ভালো হবে। অনেক গৌরবের হবে।

    সকলে আমার কথায় সায় দিলো।–বহুৎ আচ্ছা, চমৎকার!

    রাত্রির অন্ধকার কাটতে থাকে। শাহরাজাদ গল্প থামিয়ে চুপ করে বসে রইলো।

     

    তিনশোতম রজনী :

    বৃদ্ধ সিন্দবাদ তার কাহিনী বলছেঃ আমরা সকলে সমুদ্র-সৈকতে গিয়ে কাঠের গুডি দিয়ে একটা ভেলা বানালাম। নানারকম কাঁচা পাকা ফলমূলে বোঝাই করলাম। বেশ কিছুদিনের খাবার সঙ্গে থাকা দরকার। না জানি কতদিনে নতুন দ্বীপের বা কোনও জাহাজের সন্ধান পাওয়া যাবে। এরপর আমরা আবার দৈত্যপুরীতে ফিরে আসি। যথা সময়ে রাক্ষসটা হুঙ্কার ১\ ছাড়তে ছাড়তে নামে। তারপর এক এক করে বাছাই করে একজনকে কড়াই-এ চাপায়। আমাদের এই বীভৎসতা অনেকটা গা-সওয়া হয়ে গিয়েছিলো। তবু চোখ বন্ধ করে পড়ে রইলাম।

    একটু পরে রাক্ষসটার খাওয়া-দাওয়া শেষ হলে নাক ডাকিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। আমরা দু’খানা ইয়া মোটা মোটা লোহার সিক এনে উনুনের মধ্যে রাখলাম। গানগনে আগুনে টকটকে লাল হয়ে উঠলো সিক দুটো। তারপর দুজনে দু’খানা তুলে এনে এক সঙ্গে ঢুকিয়ে দিলামদৈত্যটার দুই চোখে। যন্ত্রণায় আকাশ-ফাটা আর্তনাদ করে ওঠে সে। কিন্তু ততক্ষণে আমাদের কাজ হাঁসিল হয়ে গেছে। বিকটভাবে দাঁত-মুখ খিচিয়ে সে আমাদের দিকে তেড়ে আসে। কিন্তু এলে কি হবে, চোখ তো গেছে, আন্দাজে কি করে ধরবে। আমাদের? আমরা ওর সঙ্গে লুকোচুরি খেলা করতে করতে পাশ কাটিয়ে যেতে থাকি। নিরুপায় হয়ে দৈত্যটা তখন গোঙাতে গোঙাতে সিডি বেয়ে ওপরে উঠে যায়।

    এবার আমরা নিশ্চিন্ত হয়ে সমুদ্রের ধারে এসে ভেলায় উঠে পড়লাম।

    ভাবলাম পথের কাঁটা দূর হয়েছে। কিন্তু না, ভোলাটা তখনও তীর ছেড়ে খুব বেশিদূর যায়নি, দেখলাম, একটা কালো কদাকার মেয়েছেলে দৈত্যটার হাত ধরে ছুটতে ছুটতে তীরের দিকে আসছে। মেয়েটা একখণ্ড পাথরের চাই এনে দিলো ওর হাতে। আর প্রচণ্ড বেগে সে ছুঁড়ে মারলো আমাদের ভেলা বরাবর। চোখে দেখতে না পেলে কি হবে, নিশানা একেবারে ব্যর্থ হয়নি। আর একটু হলেই ভেলার মাঝখানে পড়তে চাইটা। নেহাৎ বরাতের জোর, এক দিকের কানায় লেগে কাত হয়ে গেলো খানিকটা। আমাদের দুটি লোক প্রাণ হারালো। তবুও, অল্পের ওপর দিয়ে ফাঁড়া কেটে গেলো। এর পরেও অবশ্য আরও কয়েকটা পাথরের চাই সে ছুঁড়েছিলো, কিন্তু ততক্ষণে আমাদের ভেলা তার নাগালের বাইরে চলে গেছে।

    আল্লাহর দোয়ায় হাওয়া অনুকুল হলো। একটানা দুদিন-দুরাত্রি চলার পর আমরা একটা নতুন দ্বীপে এসে ভিড়লাম। নতুন জায়গা, কিছুই জানি না, সুতরাং খানাপিনা সেরে আমরা একটা বড় গাছের ডালে উঠে সো-রাতটা কাটালাম।

    সকাল বেলা, অন্ধকার কেটে যেতেই, নজরে পড়লো, বিরাট বিরাট সাপ সেই গাছের অন্য ডালে লেজ-জড়িয়ে ঝুলছে। ভয়ে প্রাণ শুকিয়ে গেলো। তাদের চোখগুলো যেন জ্বলন্ত ভাটা। লেলিহান জিহ্বা বের করে আমাদের দিকে জ্বল জুল করে তাকাচ্ছে। হঠাৎ একজনের আর্ত চিৎকারে তাকিয়ে দেখি, আমাদের একজনকে প্যাচে জড়িয়ে ফেলছে একটা সাপ। তারপর বিকট বিশাল হা করে তার গোটা দেহটা নিমেষের মধ্যে গিলে ফেললো সে।

    হায় আল্লাহ, একি হলো, দৈত্যের খল্পর থেকে যদি বা রেহাই পাওয়া গেলো। কিন্তু এখন ভয়াল সাপের হাত থেকে বাঁচবো কি করে? আল্লাহ ছাড়া আর কেউ রক্ষা করতে পারবে না।

    হাত-পা অসাড় হয়ে গেছে। জ্ঞান চৈতন্যপ্রায় নাই বললেই চলে। কোনও রকমে গাছের ডাল থেকে নামতে পারলাম আমরা। একটা ঝর্ণার ধারে এসে মুখ হাত ধুয়ে কিছু ফলমূল খেয়ে নিলাম। তারপর শুরু হলো আমাদের অন্বেষণ যাত্রা। কোথায় একটা নির্ভরযোগ্য আস্তানা পাওয়া যাবে তারই অনুসন্ধান করতে লাগলাম। অবশেষে অনেক দূরে একটা গাছ নির্বাচন করা হলো। তন্ন তন্ন করে খুঁজে পেতে দেখলাম। না, কোথাও কোনও সাপখোপ কিছু নাই। তাছাড়া গাছটা অনেক উঁচু। সে-রাতটা আমরা সেই গাছের ডালেই অনেকটা নিশ্চিন্তে কাটাতে পারবো। মনে আশা হলো এতদিন পরে বোধহয় এই প্রথম আমাদের নির্ভয় রাত্ৰিবাস হবে। কিন্তু হায় কপাল, রাত, যত গম্ভীর হতে থাকে চারদিকে ভয়াল সাপের নিশ্বাসের শব্দ শুনে কেঁপে উঠি। দিনের বেলায় তারা গাছে থাকে না। কিন্তু রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসে হাজির হয়।

    আমার নিচের ডালের সঙ্গী চিৎকার করে উঠে। বুঝলাম, যদিও অন্ধকারে চোখে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না, সাপের মুখে চলে গেছে সে।

    তখন, সেই অন্ধকারে, গাছ থেকে নেমে পালাই তার সাধ্য কি? মারি বাঁচি এই গাছের ডাল আঁকড়েই রাতটা কাটাতে হবে। প্রাণের আশা ছেড়ে দিয়ে শুধু আল্লাহর নাম জপ করতে থাকলাম।

    সকাল হলো। দেখলাম সাপটা খেয়ে-দোয়ে কেটে পড়েছে। আমি গাছ থেকে নেমে পড়ি। তখন আমার মাথায় শুধু একমাত্র চিন্তা এই সাপপুরী থেকে পালাতে হবে। আবার সমুদ্রেই পাডি জমাবো। তাতে যদি ডুবেও মরি, কোন দুঃখ নাই।

    সমুদ্রের দিকে চললাম। কিছুদূর যেতেই আমার বিবেক বাধা দিতে লাগলো। সামান্য সাপ-খোপের ভয়ে যদি পোলাতে হয় তবে, দেশের সুখ-বিলাস ছেড়ে পরবাসের দুর্ভোগ পোয়াতে বেরুবার কি দরকার ছিলো? ভাবলাম, না, পলায়ন নয়, সাপের হাত থেকে নিজেকে রক্ষণ করে চলতে হবে। সেই উপায় খুঁজে বের করতেই হবে।

    সুতরাং আবার আমি ফিরে এলাম। কতকগুলো টুকরো টুকরো কাঠ যোগাড় করলাম। দুপায়ে বঁধিলাম দু’খানা। কোমর থেকে গলা অবধি বুক পিঠ ঢেকে বাঁধলাম কয়েকখানা কঠে। দু’হাতে বঁধলাম দু’খানা। এইভাবে অনেকগুলো কাঠের টুকরো দিয়ে সারা শরীরটা মুড়ে ফেললাম। এবার যদি সাপ আমাকে আক্রমণও করে, গিলে ফেলতে পারবে না।

    আমার এই কায়দায় সে রাতটা আমি সাপের হাত থেকে বাঁচাতে পেরেছিলাম নিজেকে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একটা ময়াল সাপ এসে আমাকে গ্রাস করার চেষ্টা করলো। কিন্তু দুস্তর কাঠের বাধা—সে কিছুতেই মুখে পুরতে পারলো না। কিছুতেই কায়দা করতে না পেরে শেষে সাপটা আমাকে জড়িয়ে ফেললো। কিন্তু তাতেও আমার কিছু অসুবিধে হলো না। তার প্যাচের বাঁধন কাঠের গায়েই আটকে থাকলো। আমার দেহে কোনও আঘাত করতে পারলো না।

    এইভাবে সাপটা সারাটা রাত আমার সঙ্গে লড়াই করে ক্লাস্ত হয়ে ভোরবেলা কেটে পড়লো। ই এই সময় রাত্রি শেষ হয়ে আসছে দেখে শাহরাজাদ গল্প থামিয়ে চুপ করে বসে থাকে।

     

    তিনশো একতম রজনীতে আবার সে শুরু করে :

    যখন আমি নিশ্চিতভাবে বুঝলাম, সাপটা চলে গেছে, কাঠের টুকরোগুলো এক এক করে। খুলে ফেললাম সব। সারাটা রাত এই কাঠের বন্ধনে কাটিয়ে শরীরটা অবশ অসাড় হয়ে গেছে। ঝর্ণার পাশে গিয়ে হাত মুখ ধুয়ে কিছু ফলাহার করে উন্মুক্ত সূর্যালোকে ঘাসের বিছানায় শুয়ে পড়লাম।

    এইভাবে অনেকক্ষণ আয়েস করার পর, ধীরে ধীরে সমুদ্রের দিকে চলতে থাকি। হঠাৎ একটা মাস্তুল চোখে পড়লো। ছুটে আরো কাছে যেতেই পরিষ্কার দেখতে পেলাম, একখানা জাহাজ চলে যাচ্ছে। আমি দু হাত নেড়ে তারস্বরে চিৎকার করে ডাকতে লাগলাম। কিন্তু মনে হলো, কেউ শুনতে পেলনা। তখন আমার মাথার পাগড়ী খুলে জোরে জোরে দোলাতে থাকলাম। এবার কাজ হলো। বুঝলাম, ওরা আমার পাগড়ী নাড়া দেখতে পেয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই কপ্তেন জাহাজের গতি ঘুরিয়ে দ্বীপে এসে ভিড়লো। আমাকে ওরা তুলে নিলো জাহাজে।

    ওরা আমাকে নতুন সাজ পোশাক দিলো, খানাপিনা দিলো। আমি আবার নতুন জীবন ফিরে পেলাম। জাহাজের কাপ্তেন, খালাসীদের বললাম। আমার বিচিত্র অভিজ্ঞতার কাহিনী। তারা শুনতে শুনতে আমার দুঃসাহসিকতার তারিফ করলো। বললো, আল্লাহ তোমার সহায় আছেন, তাই এই বিপদেও প্রাণ রক্ষা করতে পেরেছ।

    এর পর আমরা বেশ সুখেই দিন কাটাতে থাকলাম। জাহাজ চলতে চলতে একদিন সালাহিতা দ্বীপে এসে নোঙর করলো। সওদাগররা নেমে শহরের দিকে চললো—কোেনাবেচা করতে।

    জাহাজের কাপ্তেন আমকে ডেকে বললো, দেখো, তুমি তো ভাগ্যের বিপর্যয়ে আজ নিঃসম্বল। গরীব। এক কাজ কর, আমার এই জাহাজে বাগদাদের এক সওদাগরের কিছু সওদাপত্ব আছে। পথের মাঝখানে তাকে আমরা হারিয়ে ফেলেছি। তুমি সেই জিনিসপত্রগুলো এখানকার শহরে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করার চেষ্টা করো। যা লাভ হবে, সবই তোমার। আমাকে শুধু আসল দামটা ফেরৎ দিও। দেশে ফিরে তার আপনজনদের হাতে টাকাটা ফেরৎ দিয়ে দেব।

    আমি কাপ্তেনের এই বদন্যতায় খুশি হয়ে বললাম, আপনি আমার জন্যে এতটা করছেন, এ ঋণ আমি শোধ করতে পারবো না।

    কাপ্তেন বলে, তার দরকার নাই! যাও, আমি খালাসীদের বলে দিচ্ছি। তোমাকে গাটরিগুলো বের করে দেবে।

    কাপ্তেনের হুকুমে খালসীরা গাঁটরীগুলো বাইরে আনলো। আমি দেখে অবাক হলাম— গাটরীগুলোর ওপরে আমার নাম ‘সিন্দবাদ নাবিক’ লেখা রয়েছে।

    আনন্দে আমি লাফিয়ে উঠলাম। এসব তো আমারই জিনিস। গতবারের সমুদ্রযাত্রার সময় এক দ্বীপে নেমে যথা সময়ে জাহাজে ফিরতে পারিনি আমি। জাহাজ, ছেড়ে চলে গিয়েছিলো।

    কাপ্তেন সব শুনে আমাকে ভালো করে লক্ষ্য করলো, তাই তো, তুমিই তো সেই সওদাগর বটে। তা হলে তো ভালেই হলো। তোমার জিনিস তুমি ফিরে পেলে। আর আমিও একটা দায় থেকে রেহাই পেলাম। যাও, এবার শহরে গিয়ে বেসাতি করে এসো।

    সেই সব জিনিসপত্র বেশ চড়া দামে বিক্রি করে অনেক নাফা করলাম আমি।

    এর পর আমরা দেশে ফিরে আসি। এই হচ্ছে আমার তৃতীয় সমুদ্রযাত্রা। এর পর তোমাদের শোনাবো। আমার চতুর্থ যাত্রার কাহিনী।

    বৃদ্ধ সিন্দবাদ একশোটা সোনার মোহর কুলি সিন্দবাদের হাতে গুঁজে দিয়ে বললো, কাল সকালে ঠিক সময়ে আসবে কিন্তু।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138 139 140 141 142 143 144 145 146 147 148 149 150 151 152 153 154 155 156 157 158 159 160
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকবীর – ১ – ক্ষিতিমোহন সেন
    Next Article প্রাচীন পূর্ববঙ্গ গীতিকা – ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }