Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও বাংলা ভাষা – সম্পাদনা : নিরুপম আচার্য

    নিরুপম আচার্য এক পাতা গল্প195 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাংস্কৃতিক আগ্রাসন: বাংলা ভাষা ও কাজী নজরুল – অমিতাভ বন্দ্যোপাধ্যায়

    ‘আগ্রাসন’ শব্দটির জন্ম নির্লজ্জ নির্দয় আধিপত্যবাদের প্রকোষ্ঠেই। হানাদারি মানসিকতারই দোসর এই আগ্রাসন। সাধারণ ভাবে যুদ্ধ-হত্যা-রক্তপাতের মধ্য দিয়ে বিজিত পক্ষের ভূ সম্পত্তি দখলকে আগ্রাসন বলে মনে করাটাই দস্তুর। কিন্তু এর বাইরেও আগ্রাসী চিন্তা-ভাবনার পরিধি আরও বহুদূর বিস্তৃত। জাতি-ধর্ম-বর্ণ ইত্যাকার নানা স্তরেই আগ্রাসনের নানা রূপ! সবক্ষেত্রেই প্রভাবশালী প্রতিপত্তিবান-ক্ষমতাধরই এই বিশেষ দর্প প্রতিষ্ঠার অপকৌশলের মূল চক্রী। অন্যদিকে নিঃস্ব-হৃতগৌরব-হতশ্রী মানুষের দল যুগে-কালে-প্রতিক্ষণে সেই আগ্রাসনের নির্মম শিকার। বলা বাহুল্য, প্রকৃতিগত ভাবে নির্মম প্রভুত্ববাদী যে মানসিকতা মানুষের মগ্নচৈতন্যে সুপ্ত থাকে— আগ্রাসনের ভয়ানক রূপেই ঘটে তার জাগরণ—উদ্ধত প্রকাশ। তখন বলের বন্যা ধর্মকে ভাসাতে চায়, কর্ম হারায় মূল্য, দ্যুতচ্ছলে দানবের উৎকট দাপাদাপিতে রক্তস্নান করে পৃথিবী। স্বাধীনতার পরিবর্তে স্বেচ্ছাচার, দমন, পীড়ন, মুক্ত উদার চিন্তার বদলে সংকীর্ণ-একদেশদর্শী ভাবনার আস্ফালন, নিলাজ স্তাবকতা-তোষণ এসবই লেখে জনজীবনের ইতিহাস। মানুষ নিত্য নতুন ভাবনা উদ্ভাবনের কারিগর। আগ্রাসন সেই ভাবনার মূলেই মোক্ষম আঘাতটি করে। পরিণামে প্রগতির পথে মানুষের যাত্রা বাধা পায়। দিকভ্রান্ত মানুষ বিপথেও বাঁক নেয় অনেকসময় কিংবা আগ্রাসী শক্তিকেই প্রভু মেনে তার পায়েই সর্ব অস্তিত্ব জলাঞ্জলি দেয়। তবে আগ্রাসনের এই নানা রূপের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ‘সাংস্কৃতিক আগ্রাসন’। কারণ যে মনন আর মস্তিষ্কে মানুষ সতত উজ্জীবিত, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ঠিক ওই দুই ক্ষেত্রেই সরাসরি আক্রমণ সানায়। ফলত মানব চৈতন্যের ভিতটাই টলে যায়। নিদারুণ বিপন্ন হয় মানুষের ভাষা। সংস্কৃতিও দুর্বিপাকে পড়ে। পৃথিবীর ভাষা সংস্কৃতির ইতিহাসে এই আগ্রাসনের ভয়াল চিত্রের সংখ্যা বিপুল। বাংলার প্রজ্ঞাপ্রাঙ্গণেও এই সাংস্কৃতিক আগ্রাসন উপর্যুপরি হানা দিয়েছে। বিভিন্ন সময়ে সে আগ্রাসনের ছক সাজিয়েছে বিদেশি থেকে দেশীয় শাসক কিংবা একেবারেই ক্ষুদ্র গোষ্ঠীস্বার্থ। লেখক-কবি-নাট্যকার-ঔপন্যাসিক-প্রাবন্ধিক কেউই বাদ যাননি সেই আগ্রাসনের অত্যাচার থেকে। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথও রয়েছেন সেই তালিকায়। এমনকি স্বদেশীয় শাসনে ‘জরুরী অবস্থার’ অজুহাতে কোপেও পড়েছেন তিনি। কোনও গোষ্ঠী আবার একেবারেই সীমাহীন আগ্রাসী ঔদ্ধত্বে কবির গায়ে ‘বুর্জোয়া’ তকমা সেঁটে আত্মপ্রসাদ অনুভব করেছে। এবংবিধ কর্মকান্ডের সমর্থনে শত যুক্তির ফর্দ ফাঁদা হয়, কিন্তু সব ছাপিয়ে প্রকট হয় সেই আগ্রাসী অহং:

    “চুপ করে থাক, তর্ক করার বদভ্যাসটি ভালো না,

    এক্কেবারেই হয় না ওতে বুদ্ধিশক্তির চালনা

    …

    এরই মধ্যে হাই তুলিস যে? পুঁতে ফেলব এখনি,

    ঘুঘু দেখেই নাচতে শুরু, ফাঁদ তো বাবা দেখনি!

    …

    আমার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সাধ্যি নেইকো পেরোবার,…”(১)

    বাংলায় এই ‘সাংস্কৃতিক আগ্রাসন’-এর ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ার পাঠালোচনায় অনিবার্যভাবেই উঠে আসে কাজী নজরুল ইসলামের কথা; ব্যক্তিজীবন শত প্রতিবন্ধকতায় কন্টকিত হলেও চির উন্নত শির এই মানুষটি কোনোদিন কোথাও মানেননি আগ্রাসনের কর্তৃত্বকে। ‘যুগবানী’তে স্পষ্ট বলেছেন: ‘অধীনতা মানুষের জীবনীশক্তিকে কাঁচা বাঁশে ঘুন ধরার মতো ভুয়া করিয়া দেয়। ইহার আবার বিশেষ বিশেষত্ব আছে, ইহা আমাদিগকে একদমে হত্যা করিয়া ফেলে না, তিল তিল করিয়া আমাদের জীবনী,… মনুষ্যত্ব, বিবেক সমস্ত কিছু জোঁকের মতো শোষন করিতে থাকে।’(২) বাংলা ভাষার বৈচিত্রের সাধক কবি নজরুলকে বারে বারে ঘিরেছে আগ্রাসনের পীড়ন। ‘যুগবানী’র মতো প্রবন্ধ সংকলন থেকে শুরু করে ‘বিষের বাঁশী’, ‘ভাঙার গান’, ‘প্রলয় শিখা’, ‘চন্দ্রবিন্দু’র মতো কাব্যগ্রন্থ সরাসরি নিষিদ্ধ করেছিল তদানীন্তন শাসক ব্রিটিশ। জানা যায় ‘অগ্নিবীনা’, ‘সঞ্চিতা’, ‘ফণীমনসা’, ‘সর্বহারা’, ‘রুদ্রমঙ্গল’-ও তাদের বিষনজরে ছিল। ‘যুগবানী’তে নজরুল লিখেছিলেন: ‘রাজ্যতন্ত্র, স্বেচ্ছাতন্ত্র বা আমলাতন্ত্রের মজাই হইতেছে এই যে, কর্তারা কেবল নিজের দিকটাই দেখেন। নিজেদের সুখ-সুবিধাটাই তাঁহাদের লক্ষ্য, বাকি সব চুলোয় যাক, তাঁহাদের সেদিকে ভ্রুক্ষেপও নাই!’(৩) —এমন কথায় শাসকের গাত্রদাহ হবেই; এরকম হাজারো স্পষ্টবাক্যে সমুজ্জ্বল নজরুলের ‘যুগবানী’ তাই তো পছন্দ হল না ব্রিটিশের। গ্রন্থটি প্রকাশিত হলো ১৯২২ এর অক্টোবরে আর সেই বছরের নভেম্বর মাসেই ৯৯ ক’ ধারায় সেটি বাজেয়াপ্ত করা হলো। আগ্রাসন যে করে সে তো আসলে ভয় পায় বিরোধী কন্ঠস্বরকে, স্পষ্ট – অপ্রিয় কথা তার কানে সয় না, সন্ত্রস্ত আগ্রাসী তাই কোনভাবেই মুষ্টি আলগা করতে চায় না, পাছে কর্তৃত্বটাই হারাতে হয়। সেই কারণেই তো দেখি, কাজীসাহেবের ‘যুগবানী’কে নিষিদ্ধ ঘোষনার আঠারো বছর পরেও সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কথা উঠলে ব্রিটিশ সরকারের আধিকারিক সরাসরি তা নস্যাৎ করে জানাচ্ছেন: “I don’t think it would be advisable to remove the ban on this book in the present crisis. On the whole it is a dangerous book forceful and vindictive.”(৪)। ১৯২৪ সালের আগস্ট মাসে প্রকাশিত হয় নজরুলের ‘বিষের বাঁশী’। প্রচ্ছদ এঁকেছিলেন দীনেশ দাশ। কবির বিদ্রোহী বাণী সেখানে সত্যিই শিহরণ তুললো:

    “আমরা জানি সোজা কথা, পূর্ণ স্বাধীন করব দেশ!

    এই দুলালুম বিজয়-নিশান, মরতে আছি—মরব শেষ!”(৫)

    —কবির এ গ্রন্থও রাজরোষে পড়লো; ১৯২৪ এর ২২ অক্টোবর বাজেয়াপ্ত হলো ‘বিষের বাঁশী’। কি অদ্ভুত ব্যাপার— গ্রন্থটির ভূয়সী প্রশংসায় পঞ্চমুখ ‘প্রবাসী’ যেখানে লিখলো “কবিতাগুলি যেন আগ্নেয়গিরি, প্লাবন ও ঝড়ে প্রচন্ড রুদ্ররূপ ধরিয়া বিদ্রোহী কবির মর্মজ্বালা প্রকটিত করিয়াছে। জাতির এই দুর্দিনে মুমূর্ষু নিপীড়িত দেশবাসীকে মৃত্যুঞ্জয়ী নবীন চেতনায় উদ্বুদ্ধ করিবে।”(৬) সেখানে ১৯২৪ এর ২১ আগস্ট এই ‘বিষের বাঁশী’ বেঙ্গল লাইব্রেরীতে নথিভুক্ত হবার পর পরই তদানীন্তন গ্রন্থাগারিক অক্ষয়কুমার দত্তগুপ্ত নিজে বাঙালি হয়েও একজন বাঙালি কবির গ্রন্থ সম্পর্কে ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে লিখলেন: “…that the publication is of a most objectionable nature, the writer revelling in revolutionary sentiments and inciting young men to rebellion and to law breaking. The ideas, though often extremely vague, have clearly a dangerous intent…”(৭) সন্দেহ নেই, এই স্বজাতীয়ের শত্রুতায় আর ব্রিটিশের প্রতি মোসায়েবিতে শাসক ব্রিটিশের আগ্রাসী মনোভাব অনেকটাই অক্সিজেন পেয়েছিল। তার ফলশ্রুতিতেই ১৯২৪-এর আগস্টে প্রকাশিত ‘ভাঙার গান’ ওই বছরেই নভেম্বর মাসে নিষিদ্ধ হলো। সেখানে কাজী নজরুল লিখেছিলেন:

    “ভীম কারার ওই ভিত্তি নাড়ি

    লাথি মার
    ভাঙ রে তালা!

    যত সব
    বন্দিশালায়

    আগুন জ্বালা

    আগুন জ্বালা, ফেল উপাড়ি।”(৮)

    আর এই গ্রন্থের বিরুদ্ধে সরকারি তরফে বলা হলো “…said book contains words which bring or attempt to bring into hatred or contempt, and excite or attempt to excite disaffection towards the government established by law in British India, the publication of which is punishable under section 124A Indian Penal Code.”(৯)। নজরুল ইসলামের ‘প্রলয় শিখা’ (১৯৩০) ১২৪ক ও ১৫৩ক ধারায় ফৌজদারি অপরাধে ১৯৩১-এ বাজেয়াপ্ত হয়। এ’জন্য কবিকে ছ’মাস কারাদন্ড ভোগ করতে হয়। ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ ছিল। ১৯৩১ এর সেপ্টেম্বরে প্রকাশ পায় নজরুলের ‘চন্দ্রবিন্দু’ কাব্যগ্রন্থ। একমাসের মধ্যে (১৪ অক্টোবর) তাও রাজরোষে বাজেয়াপ্ত হয়।

    বুঝতে অসুবিধে হয় না, কাজী নজরুল ব্রিটিশ সরকারের কতখানি আতঙ্কের কারণ ছিলেন। তাই কেবল বই বাজেয়াপ্ত করাতেই তারা থামলো না, ‘প্রলয় শিখার’ জন্য ছ’মাসের জেলেও মন উঠলো না, সুযোগ খুঁজতে লাগলো আরও কড়া দাওয়াই এর। অন্যদিকে জাত বোহেমিয়ান নজরুলও নাছোড়। ‘ধূমকেতু’ তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা। সেখানে প্রকাশ পেল তাঁর ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ (১৯২২, ২৬ সেপ্টেম্বর)। দেশের পরাধীন পরিবেশে অস্থির কবি লিখলেনঃ

    “পুরুষগুলোর ঝুঁটি ধরে বুরুশ করায় দানব-জুতো

    মুখে ভজে আল্লা-হরি, পূজে কিন্তু ডাণ্ডা গুঁতো।

    দাড়ি নাড়ে, ফতোয়া ঝাড়ে, মসজিদে যায় নামাজ পড়ে

    নাইক খেয়াল গোলামগুলোর হারাম এ সব বন্দী গড়ে।

    ‘লানত’ গলায় গোলাম ওরা সালাম করে জুলুমবাজে

    ধর্ম-ধ্বজা উড়ায় দাড়ি ‘গলিজ’ মুখে কোরাণ ভাঁজে।”(১০)

    কিন্তু আগ্রাসী শাসক তো গোলামিকেই পছন্দ করে। সে পছন্দ করে তাঁবেদারি। নজরুল সে পথে হাঁটেননি। সুতরাং এবার সরাসরি গ্রেপ্তার। ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ লেখবার জন্য ১৯২২ এর ২৩ নভেম্বর কুমিল্লা থেকে আটক করা হলো কবিকে। ১৯২৩ এর ১৯ জানুয়ারি এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ হল। কবি কৃষ্ণ ধর লিখেছেন: “প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট মিঃ সুইন হোর আদালতে বিচারে নজরুল ইসলামের এক বৎসর সশ্রম কারাবাসের রায় দেওয়া হয়। বিচারক ব্যক্তিটি নাকি কবি ছিলেন। কিন্তু সাম্রাজ্যের স্বার্থ রক্ষার জন্য নিযুক্ত বিচারক তাঁর কবিসত্তাকে সেদিন মূল্য দেননি।”(১১) কারারুদ্ধ কবির ওপর নিপীড়ন চলল যারপরনাই। শরীর ভাঙল। হুগলী জেলে অনশনে বসলেন নজরুল। উদ্বিগ্ন শরৎচন্দ্র দেখা করতে চাইলেন কবির সঙ্গে। কর্তৃপক্ষ অনুমতি দিলেন না। গোলদিঘি ময়দানে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জনের সভাপতিত্বে ১৯২৩ এর ২১ মে প্রতিবাদ সভা হলো। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ নজরুলকে অনশন ভাঙতে চিঠি লিখলেন, কিন্তু ব্রিটিশ সরকার সে চিঠিও নজরুলের হাতে পড়তে দিলো না। ক্ষুব্ধ ব্যথিত শঙ্কিত কবি পুত্র রথীন্দ্রনাথকে এইমর্মেই লিখলেন: “… নজরুল ইসলামকে Presidency Jail-এর ঠিকানায় টেলিগ্রাম পাঠিয়েছিলুম লিখেছিলুম “Give up hunger strike, our literature claims you.”— জেল থেকে memo এসেছে The addressee not found। অর্থাৎ ওরা আমার message ওকে দিতে চায় না— কেননা নজরুল প্রেসিডেন্সি জেলে না থাকলেও ওরা নিশ্চয় জানে সে কোথায় আছে-তবে নজরুল ইসলামের আত্মহত্যায় ওরা বাধা দিতে চায় না।”(১২)

    এখন আমরা যদি ভাবি, কেবলই বিদেশী ব্রিটিশের আগ্রাসন আর অত্যাচারই কাজী নজরুলকে জর্জরিত করেছে তবে সেটা হবে অর্ধ সত্য। কেননা ইতিহাসই সাক্ষ্য দেয়, স্বদেশীয়ের ঈর্ষা- শত্রুতা তথা আগ্রাসনের মুখেও কাজী নজরুলকে বারবার পড়তে হয়েছে। অমার্জিত চটুল ব্যঙ্গ করা হয়েছে বেশভূষা-লেখালিখি নিয়ে; বলা হয়েছে ‘রাখে লম্বা চুল, যা লেখে সব ভুল’, ‘এক ঝাঁক ভীমরুল— কাজী নজরুল’। নজরুল লিখেছিলেন ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’-ব্যঙ্গ করে বলা হলো ‘ভান্ডারী হুঁশিয়ার’, কবির লেখা ‘মাধবী প্রলাপ’ কবিতাকে ব্যঙ্গ করে লেখা হলো ‘কবির প্রলাপ’। কবি নজরুল গান লিখলেন ‘কে বিদেশী বন উদাসী’, তাকে ব্যঙ্গ করে গান হলো ‘কেউ দাসী বনগাঁ বাসী’। এ বিষয়ে সবচেয়ে এগিয়েছিলো ‘শনিবারের চিঠি’। সম্পাদক ছিলেন সজনীকান্ত দাসমশাই। রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে নজরুলের সম্পর্কেও বিষ ঢালতে মূলত এনার নেতৃত্বে বিশেষ চেষ্টা হয়েছিল। নজরুল কবিকে ‘গুরু’র স্থানেই বসিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথও অসম্ভব স্নেহ করতেন নজরুলকে। নজরুলের সম্পাদিত ‘ধূমকেতু’র যাত্রারম্ভে আশীর্বাণী পাঠিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ। লাঙল পত্রিকাকেও আশীর্বাদ করেছেন। ‘বসন্ত’ নাটিকা উৎসর্গ করেছেন নজরুলকেই। জীবনের ষাট বছর পূর্তিতে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত রবীন্দ্র অভিনন্দন সভায় কবি নিজে দর্শকাসন থেকে ডেকে নজরুলকে পাশে বসিয়েছিলেন (১৯২১, ৪ সেপ্টেম্বর)। ১৯২২ সালের ২৫ জুন কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত প্রয়াত হলেন। ১১ জুলাই রামমোহন লাইব্রেরিতে সত্যেন্দ্রনাথের স্মরণ সভা হলো, রবীন্দ্রনাথ তার সভাপতি। কাজী নজরুলও সেই সভায় উপস্থিত। রয়েছেন আরও গণ্যমান্য কবি সাহিত্যিক। কবিগুরু ইঙ্গিত করে নজরুলকে তাঁর পাশে এসে বসতে বললেন, যেন প্রলয় ঘটে গেল আবার! নজরুলের পারিবারিক বন্ধু শান্তিপদ সিংহ সেই প্রেক্ষিতেই জানিয়েছেন: “নজরুলের আসন নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমার প্রথম ও দ্বিতীয় সারির কবি ও সাহিত্যিকবৃন্দ গুনগুনিয়ে উঠলেন। তাঁদের মতে এবং কথায় রবীন্দ্রনাথের পাশে বসবার যোগ্যতা নজরুল ইসলামের নেই। একজন বিশিষ্ট কবি যেমনি বলেছেন, রবীন্দ্রনাথের পর নজরুলেরই আসন হবে—এই আর যায় কোথা। ভদ্রলোকটিকে সকলে মিলে যেন চিবিয়ে খাবার মত করলেন…।”(১৩) ‘রক্ত’ শব্দটির পরিবর্তে ‘খুন’ শব্দের ব্যবহার নিয়েও কবি রবীন্দ্রনাথ ও কাজী নজরুলকে লড়িয়ে দেবার সুকৌশল ফন্দী আঁটা হয়েছিল। ১৯২৭ এর ১৩ ডিসেম্বর প্রেসিডেন্সি কলেজের রবীন্দ্র পরিষদ কবি রবীন্দ্রনাথকে সংবর্ধনা দিলে তার প্রত্যুত্তরে রবীন্দ্রনাথ যা বলেন তা মাস দুয়েক পরে (ফাল্গুন, ১৩৩৪) ‘প্রবাসী’তে ‘কবির স্বকৃত লিখিতানুবৃত্তি’র বিবরণী রূপে প্রকাশিত হয়। সেখানে কবি প্রসঙ্গত বলেন: “সেদিন কোন একজন বাঙালি হিন্দু কবির কাব্যে দেখলুম, তিনি রক্ত শব্দের জায়গায় ব্যবহার করেছেন খুন।”(১৪) ‘শনিবারের চিঠি’র সম্পাদক সজনীকান্ত এই মোক্ষম সুযোগ হাতছাড়া করলেন না; তিনি কবির কথাকে বিকৃত করে দিলেন; ‘শনিবারের চিঠি’র বিবরণে দেখা যায়: রবীন্দ্রনাথ বলেছেন: “—সেদিন কোন একজন বাঙালি কবির কাব্যে দেখলুম, তিনি রক্ত শব্দের জায়গায় ব্যবহার করেছেন ‘খুন’”।(১৫) —এইসুত্রে খুব সহজেই ‘বাঙালি কবি’ বলতে রবীন্দ্রনাথ নজরুলকেই বুঝিয়েছেন এটা সাব্যস্ত করা গেল; উপযুক্ত দোসর হল ‘বাঙ্গলার কথা’ পত্রিকাও। সেখানেও রবীন্দ্রনাথের এমন কথার লক্ষ্য নজরুলই— এমনটাই দেগে দেওয়া হল। সজনীকান্তের এই উদ্যোগ কোনসময়েই বিশেষ কলকে না পেলেও এটা কিন্তু স্পষ্ট যে, নজরুলকে প্রচারের আলোয় আসতে দিতে বিশেষ কুণ্ঠা ছিল অনেক বাঙালিরই! সমসাময়িক পত্র পত্রিকাও এর ব্যতিক্রম ছিল না; বিশেষ করে সেকাল থেকে একাল— বহুল প্রচারিত দৈনিক ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’, তারা নজরুলের ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ ছাপতে রাজি হয়নি; তারপর নজরুল সেটি ‘ধুমকেতু’তে ছাপেন। আগেই উল্লেখিত যে, সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের স্মরণসভায় নজরুল উপস্থিত ছিলেন। সেখানে স্বরচিত ‘সত্যকবি’ কবিতাটি নজরুল পাঠ করেন রবীন্দ্রনাথের ইঙ্গিত-অনুমোদনক্রমে। অথচ পরের দিনের (১২ জুলাই, ১৯২২) আনন্দবাজারে নজরুলের কবিতার নামটি আগাগোড়া ভুল ছাপা হলো। বলা বাহুল্য, এখনও এই পত্রিকা এমনকি কাজী সাহেবের জন্ম বা প্রয়ান দিবসে ক’টি শব্দ খরচ করে অনুসন্ধিৎসু পাঠক মাত্রেরই তা জানা!

    হিন্দু মুসলমানের সম্পর্ক-মৈত্রী-সহাবস্থান-ঐক্য-সম্প্রীতি— কাজী নজরুলের জীবনের অভীষ্ট। উভয়ের ‘গালাগালির সম্পর্ক’কে গলাগলিতে পরিণত করতে, হাতাহাতির দ্বৈরথকে হ্যাণ্ডসেকে পরিবর্তিত করতে কবির আন্তরিক প্রয়াসের অন্ত ছিল না। কিন্তু উভয় সম্প্রদায় থেকেই কবিকে উদ্দেশ্য করে উড়ে এসেছে অজস্র কু-বাক্য; নজরুল বাংলা কাব্যসাহিত্যে অনর্গল ব্যবহার করেছেন আরবী, ফার্সি শব্দ। প্রজ্ঞার গভীরতা না থাকলে— ভাষায় দখল না থাকলে এই দক্ষতা অসম্ভব; কিন্তু এক শ্রেনির বাঙালি বিদ্বজ্জন নজরুলের দক্ষতাকে কুর্ণিশের বদলে দুরমুস করতে চেয়েছেন; তাচ্ছিল্যের সুরে নজরুলকে বলেছেনঃ “এই তব বিদ্যে ছি!”(১৬) সঙ্কীর্ণ হিন্দুর দল ভেবেছে “ফার্সি শব্দে কবিতা লেখে, ও পাত নেড়ে!”(১৭) আর মৌলবাদী মুসলিম ফতোয়া দিয়েছে “দেবদেবী নাম মুখে আনে, সবে দাও পাজিটার জাত মেরে!”(১৮) শুধু তাই নয়, সমন্বয়ের শাশ্বত মন্ত্রে প্রাণিত নজরুলকে একসময় পাকিস্তানের সমর্থকও বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আবুল মনসুর আহমদ নামক জনৈক পাকিস্তানপন্থী ‘বুদ্ধিজীবী’ সরাসরি বলে দেন “পাকিস্তান হাসিল একটা গণ বিপ্লব। … রুশ বিপ্লবের ক্ষেত্রে টলস্টয় যা, ফরাসী বিপ্লবের ক্ষেত্রে রুশো ও ভল্টেয়ার যা, বাংলায় পাকিস্তান বিপ্লবের ক্ষেত্রে নজরুল ইসলামও ঠিক তাই।”(১৯) এহো বাহ্য, যখন দেশ ভাগ হয়ে পাকিস্তান তৈরি হলো, তখন নজরুলের কাব্যের সর্বজনীন আবেদন ক্ষুণ্ণ করে তার ইসলামী রূপ দেবার অপচেষ্টাও হয় নবগঠিত পাক সরকারের তরফে। প্রস্তাব দেওয়া হয়, কবির ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যের বারোটি কবিতার মধ্যে ‘প্রলয়োল্লাস’, ‘বিদ্রোহী’, ‘রক্তাম্বরধারিণী মা’, ‘আগমনী’, ‘ধূমকেতু’— এই পাঁচটি কবিতা ইসলাম ও পাকিস্তান রীতিনীতি আদর্শ বিরোধী তাই ওইগুলি বাতিল হবে; ‘বিষের বাঁশী’র পঁচিশটি কবিতার মধ্যে একমাত্র ‘ফাতেহা-ই-দোয়াজ-দহম’ পাকিস্তানি টেকনিকে লেখা, বাকি কবিতাগুলি নাকি পড়তে গেলে মনেই হয় না সেগুলি কোনও মুসলমানের লেখা!(২০) —এইরকম নানা বিভেদ-বিভাজন-একদেশদর্শী আগ্রাসি ভাবনা নজরুলকে বারে বারে ক্ষতবিক্ষত করেছে। স্পষ্ট কথা অনেকসময়েই তেতো লাগে; তবু তো বলতেই হয়— একালেও নজরুলকে নিয়ে এক অদ্ভুত একপেশে মনোভাব অন্তত এ’পার বঙ্গে জারি আছে। নজরুল মানেই ‘বিদ্রোহী’, আর কিছু নয়। পাঠ্যসূচীর চৌহদ্দিতে স্রেফ দু’দশটা কবিতার মধ্যেই নজরুলকে সীমায়িত করবার প্রয়াস কবিকৃতির প্রতি ক্ষমাহীন অবিচার, সন্দেহ নেই। নজরুলের প্রবন্ধ, অভিভাষণ, চিঠিপত্র যেন নিতান্তই অপাংক্তেয়! এমনকি কাজী সাহেবের অমন শ্যামাসঙ্গীত-কৃষ্ণভজন আজও যথাযোগ্য মর্যাদা পেলোনা। উল্টে আজ তথাকথিত প্রাজ্ঞের মুখে “নজরুলে আর কিছু নেই” বা প্রতিষ্ঠিত প্রশাসনিক ব্যক্তির মুখে “নজরুল তৃতীয় শ্রেনির কবি” —এমন মন্তব্যে নজরুল চর্চা মারাত্মক আহতই হয়। এটা কিন্তু নজরুলের বৈগুণ্য নয়, এসবই আসলে চূড়ান্ত একপেশে-কায়েমি চিন্তাপ্রসূত সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের নামান্তর বা বিষময় ফলশ্রুতি।

    ইতিহাস অবশ্য আমাদের সবসময়েই আশ্বস্ত করে এই বলে যে, আগ্রাসন কোনোদিনই শেষ হাসি হাসে না! কারণ একের স্পর্ধাকে এই পৃথিবী কোনও সময় স্বীকৃতি দেয় না। বিশ্ব নিখিলের এটাই বিরাট বিধান। বিপুলায়ত সংস্কৃতির পরিসর আর ভাষার বহুধা বিস্তৃত ক্ষেত্র-মনুষ্যত্ব-মানবতা-মূল্যবোধ আর সঠিক সহাবস্থানের নিত্য পৌরহিত্যই যেখানে একমাত্র অভীষ্ট— সেখানে একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার আগ্রাসী পরিকল্পনাও অচিরে ব্যর্থ হয়। তাই সংস্কৃতি— ভাষাসহ সর্ব ক্ষেত্রে আগ্রাসনের অস্তিত্বকে নস্যাৎ করেই পরিশেষে আমরা কন্ঠ মেলাই বাংলা ভাষা- সংস্কৃতির স্পর্ধিত চিত্ত— কবি কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গেই:

    “… তোমার মুখ বন্ধ, তুমি কোনো কথাই বলিতে পাইবে না। যাহার মনের জোর নাই— সত্যের জোর নাই, সে-ই এমন করিয়া গায়ের জোরে দুর্বলকে থামাইতে চেষ্টা। … জোর করিয়া একজনকে চুপ করাইয়া দিলে তাহার ওই না কওয়াটাই বেশি কথা কয়। কারণ, তখন তাহার একার মুখ বন্ধ হয় বটে, কিন্তু তাহার হইয়া— সত্যকে, ন্যায়কে রক্ষা করিবার জন্য— আরও লক্ষ লোকের জবান খুলিয়া যায়। বালির বাঁধ দিয়া কি দামোদরের স্রোত আটকানো যায়?”(২১)

    তথ্যসূত্র:

    ১. সুকুমার রায়; ‘খাই খাই’; সিগনেট প্রেস, কলকাতা; জানুয়ারি ২০১৪; পৃঃ ১৫।

    ২. কাজী নজরুল ইসলাম; ‘কাজী নজরুল ইসলাম রচনাসমগ্র’, প্রথম খন্ড; পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি, কলকাতা, মার্চ ২০০৫; পৃঃ ৪৪৩।

    ৩. ঐ; পৃঃ ৪৪৯।

    ৪. ঐ; পৃঃ ৫২৯।

    ৫. ঐ; পৃঃ ১৩০।

    ৬. কল্পতরু সেনগুপ্ত; ‘জনগণের কবি কাজী নজরুল ইসলাম’; পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্ষদ, কলিকাতা; জানুয়ারি ১৯৯২; পৃঃ ১১৮ দ্রঃ।

    ৭. অরুণ কুমার বসু; ‘নজরুল জীবনী’; আনন্দ, কলকাতা; জুন ২০১৭; পৃঃ ১৬৩ দ্রঃ।

    ৮. কাজী নজরুল ইসলাম; ‘কাজী নজরুল ইসলাম রচনাসমগ্র’, প্রথম খন্ড; পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি, কলকাতা; মার্চ ২০০৫; পৃঃ ১৪৪।

    ৯. কল্পতরু সেনগুপ্ত; ‘জনগণের কবি কাজী নজরুল ইসলাম’; পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্ষদ, কলিকাতা; জানুয়ারি ১৯৯২; পৃঃ ১২২ দ্রঃ।

    ১০. কাজী নজরুল ইসলাম; ‘সুনির্বাচিত কবিতা’; সাহিত্যম, কলিকাতা; নভেম্বর ১৯৭০, পৃঃ ২৪০।

    ১১. কৃষ্ণ ধর; ‘নজরুল বন্দী জীবন’; ‘পশ্চিমবঙ্গ’, কাজী নজরুল ইসলাম জন্মশতবর্ষ স্মরণ সংখ্যা; তথ্য সংস্কৃতি বিভাগ, পশ্চিমবঙ্গ সরকার; ১৪০৬; পৃঃ ৩৮।

    ১২. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর; ‘চিঠিপত্র’, দ্বিতীয় খন্ড; বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা; শ্রাবণ, ১৪১৯; পৃঃ ৯৯।

    ১৩. শান্তিপদ সিংহ; ‘নজরুল-কথা’, নবজাতক প্রকাশনী, কলিকাতা; ১৯৯৮; পৃঃ ২১।

    ১৪. রফিকুল ইসলাম; ‘নজরুল জীবনী’; ওরিয়েন্টাল মিডিয়া ফোরাম, কলকাতা; জুন ২০১৬; পৃঃ ২৭৮ দ্রঃ।

    ১৫. ঐ।

    ১৬. কাজী নজরুল ইসলাম; ‘সঞ্চিতা’; মল্লিক ব্রাদার্স, ঢাকা; সেপ্টেম্বর ২০০৪; পৃঃ ৮৯।

    ১৭. ঐ; পৃঃ ৮৮।

    ১৮. ঐ।

    ১৯. অজয় রঞ্জন বিশ্বাস; ‘নজরুল ইসলাম: অন্য চোখে’; কোরক নজরুল সংখ্যা; সম্পাদক তাপস ভৌমিক; বইমেলা ১৪০৫; পৃঃ ১৯৪ দ্রঃ।

    ২০. ‘কাজী নজরুল ইসলাম রচনাসমগ্র’, প্রথম খন্ড; পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি, কলকাতা; মার্চ ২০০৫; পৃঃ ৫০২ ও ৫০৩ দ্রঃ।

    ২১. কাজী নজরুল ইসলাম; কাজী নজরুল ইসলাম-রচনাসমগ্র, প্রথম খন্ড; পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি, কলকাতা; মার্চ ২০০৫; পৃঃ ৪৩৬।

    লেখক পরিচিতি: অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, রামসদয় কলেজ, আমতা, হাওড়া।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশী – হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড
    Next Article আমার জবানবন্দি – নির্মল সেন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }