Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও বাংলা ভাষা – সম্পাদনা : নিরুপম আচার্য

    নিরুপম আচার্য এক পাতা গল্প195 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সত্যজিতের মনমোহনের দৃষ্টিভঙ্গিতে ভাষা ও সংস্কৃতির আগ্রাসন – কৌশিক চট্টোপাধ্যায়, অয়ন বন্দ্যোপাধ্যায়

    ভূমিকা

    একটা ভাষা বেঁচে থাকে তার ব্যবহারকারী ব্যক্তিসমষ্টির আলাপচারিতায়, সেখানে সময়ের সাথে সাথে তার পরিবর্তন আসে, আসবেই। সেখানে যদি কোনো ভাষা তার নিজেকে যুগের হওয়ার তালে তাল মিলিয়ে নিতে না পারে তবে সে ভাষার গতিপথ রুদ্ধ হয়ে যাবে;আর ভাষার সাথে তার আচার-আচরণ, বাচনভঙ্গী সবই অঞ্চলভেদে সংস্কৃতির ধারক বাহক হয়ে থাকে। এখানে দেখা যায় বাংলা ভাষার ক্ষেত্রে বাঙালি সংস্কৃতি আঞ্চলিকতা ভেদে একটা বড় বৈচিত্রের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। বাংলা ভাষার ক্ষেত্রে মান্য ভাষা যা অনেকটাই কলকাতা শহরকেন্দ্রিকতা দোষে দুষ্ট। আরেকটি অংশে আঞ্চলিকতাপুষ্ট বাংলা ভাষাকে কিছুটা দুয়োরানী ভাব লক্ষ্যণীয়।

    সুকুমার পুত্র সত্যজিৎ রবীন্দ্র স্নেহছায়ায় ‘ঘর হতে শুধু দু পা ফেলিয়া একটি ধানের শিসের উপর একটি শিশির বিন্দু’ দেখবার যে দর্শন লাভ করেছিলেন তার বহিঃপ্রকাশ আগন্তুকেও সমান ভাবে বর্তমান। এ চলচ্চিত্র দর্শককে যেন সংস্কৃতি অপসংস্কৃতির ধারণা ও সংস্কৃতির আগ্ৰাসনের স্বরূপকে দেখিয়ে দেয়।

    আগন্তুকে সত্যজিতের মনমোহন চরিত্র কেবলমাত্র চলচ্চিত্রের প্রয়োজনের একটা চরিত্র তাই নয়— সে একটা নিজের ভাষা-সংস্কৃতির সচতেন রক্ষক; যিনি সারা পৃথিবী চষে বেড়াবার পরেও নিজের ভাষা, সংস্কৃতির কোনো কিছুই ভুলতে চাননি বলেই ভোলেননি— বরং কোথায় যেন— সারা পৃথিবীকে জানবার নেশায় জেনেছেন আর তাই বলে নিজের ভাষা-সংস্কৃতি কে খাটো করে অবহেলা করেননি।

    প্রেক্ষাপট

    সত্যজিৎ তার এই চলচ্চিত্রের মধ্যে দিয়ে বাঙালি সমাজের সেই দিকটাকে বার বার করে দেখালেন— যে একদিকে শহুরে জীবনে পাশ্চাত্য ভাবনায় খাপ খাওয়া, যা প্রবল ভাবে তৈরী করা বাঙালি সংস্কৃতি— ক্রমাগত পাশ্চাত্য সংস্কৃতি ভাবনা গ্রাস করছে তথাকথিত আধুনিক হবার তাগিদে— আর একটা চিরন্তন বাঙালি সংস্কৃতি যা ফল্গু ধারার মত ভিতরে প্রবাহিত হচ্ছে। চলচ্চিত্রটিতে মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন উৎপল দত্ত। ছবিতে ছিলেন দীপঙ্কর দে, মমতা শঙ্কর, ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়, রবি ঘোষ। চলচ্চিত্রটি সত্যজিৎ রায় নির্মাণ করেন তার ছোটগল্প ‘অতিথি’ থেকে। ইন্দো-ফ্রেঞ্চ যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ছবিটি ১৯৯২ সালে ভারতের সেরা ছবি ও সেরা পরিচালনার জাতীয় পুরস্কার লাভ করে।

    উদ্দেশ্য

    ১) একজন ব্যক্তির মধ্যে দিয়ে ভাষার— সংস্কৃতির আগ্রাসনমূলক ভাবনাকে আন্দোলিত করানো।

    ২) চলচ্চিত্র যেহেতু মানব মনের প্রভাব বিস্তার করতে পারে তাই তাকে নিয়ে সংস্কৃতির পরিবর্তন যা বদলের নামান্তর তাকে দেখান।

    ৩) সমাজ-সংস্কৃতির দর্পন হিসাবে কিভাবে একটা চলচ্চিত্রর শিক্ষামূলক প্রভাব।

    গবেষেণার পদ্ধতি

    এই গবেষণাপত্রটি মূলত শিক্ষাবিজ্ঞান গবেষণামূলক পদ্ধতিকে অনুসরণ করে তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে রচনা করা হল।

    গবেষেণা মূলক প্ৰশ্ন

    ১) সংস্কৃতির আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে চলচ্চিত্র উদহারণ হতে পারে কিনা সে বিষয়ে পর্যালোচনা?

    ২) একটি চলচ্চিত্রর চরিত্র কি ভাবে সংস্কৃতি রক্ষার প্রতীক হয়ে উঠতে পারে (মনমোহন মিত্র )?

    ৩) সমাজ-সংস্কৃতির দর্পন হিসাবে কিভাবে একটা চলচ্চিত্রর শিক্ষামূলক প্রভাব কতটা বিস্তারিত?

    চলচ্চিত্রের দৃষ্টিভঙ্গিতে ভাষা ও সংস্কৃতির আগ্রাসন – চরিত্র বিশ্লেষণে

    মনমোহন মিত্র (উৎপল দত্ত)

    সত্যজিৎ বার বার করে দেখিয়েছেন একটা বিষয়— যে ভাষাই হোক বা সংস্কৃতিই হোক— তাকে যত্ন করে লালন পালন করাটাই মূল কথা— তবে তা ঠিক না ভুল সে যাচাইয়ে যেতে হলেও তাকে বার বার কে বিচার করতে হবে। সবাইকে একটা পরশপাথরে যাচাই করে নিচ্ছেন যেন কেন্দ্রীয় চরিত্র মনমোহন।

    তার জীবনের ৩৫ বছরের একটা বড় অংশ মনমোহন মিত্র কাটিয়েছেন বিভিন্ন আদিবাসীদের সাথে। সাঁওতাল, কোল,ভীল, নাগা, মুণ্ডা, মুরিয়া, নারিয়া, ওরাও, টোরা সহ নানা ভারতীয় উপজাতিদের ও ৪৩টি রেড ইন্ডিয়ান উপজাতিদের সঙ্গে কাটিয়েছেন মনোমোহন।

    প্রসঙ্গ সূত্রে মনমোহন বলেছে— ‘আদিবাসীরা এখনো পর্যন্ত অনেক সভ্য, কারণ তাদের অন্তত কাউকে এতটা অবিশ্বাস করা লাগে না, জ্ঞানের বহর দেখিয়ে মানুষকে ছোট করা লাগে না! সত্যি বলতে, সভ্যতার এই ধারণা সত্যজিৎ রায়ের নিজের নয়, তিনি এটা পেয়েছিলেন ফরাসী নৃবিজ্ঞানী ক্লদ লেভি স্ট্রাউসের কাছ থেকে। অবশ্য এর দায় স্বীকার করতে তিনি ভোলেননি।’

    একটা নাগরিক সভ্যতা এবং তথাকথিত জংলী সভ্যতার পার্থক্যর বিভেদ ও আগ্রাসী মনোভাব বোঝান, এই প্রসঙ্গান্তরের সংলাপে মনমোহনের মুখে— ‘ঘর ছাড়ার অনেক আগে আমার মজ্জার মধ্যে ঢুকে গেছে সেক্সপীয়ার বঙ্কিম মাইকেল মার্ক্স ফ্রয়েড রবীন্দ্রনাথ সে জন্যই তো আমার ফিল্ড নোটস এর দরকার হয়’। আবার বললেন “সভ্য কে জানেন? সভ্য হচ্ছে সেই মানুষ, যে আঙুলের একটি চাপে, একটি বোতাম টিপে, একটি বোম নিক্ষেপ করে সমস্ত অধিবাসীসমেত একটা গোটা শহরকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারে। সভ্য কারা জানেন? যারা এই অস্ত্র প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।” একইভাবে যখন ব্যঙ্গের সাথে তীব্রে ক্ষোভে বলেন— নাসা আর তার পাশেই নেশা, হাইপোডার্মিক সিরিঞ্জ দিয়ে নিজের দেহে ভয়ঙ্কর মাদকরস চালান দিয়ে সমনকে সমন জারি করছে বিশ্বের লক্ষ্য তরুণ, বোতামে টিপ দিয়ে হাজার হাজার মানুষ মারা হচ্ছে, নিশ্চিহ্ন হচ্ছে শহর, এগুলোকে সভ্যতা বলে মানেন না তিনি। আর এভাবেই সভ্যতা সংস্কৃতির আগ্রাসন হয়ে চলেছে সারা পৃথিবী জুড়ে।

    কথা প্রসঙ্গে বলেন স্ট্রাগল— যেটা বাঙালির খুব প্রিয় শব্দ সে সম্পর্কে বলেন যদিও শব্দটিতে বিদেশি ভাষা আপনত্বের সূক্ষ্ম মনোভাব লুকিয়ে থাকে মনমোহন বলেছে ‘স্ট্রাগল বলি না, বলি মগজের পুষ্টি, মাংসপেশীর পুষ্টি আর মানুষ চেনার পথে প্রথম পদক্ষেপ।’

    বিশ্বের নানা লোক-অধিবাসীদের সঙ্গে সময় কাটানো মনমোহন দেখেছে— যে তারা তাদের সংস্কৃতি ও ভাষায় বহিরাগত ছোঁয়া/আগ্রাসন থেকে দূরে থাকবার চেষ্টা করে গেছে অনবরত, তাঁরা নিজেদেরকে অন্যের ভাষার আগ্রাসন থেকে বেশ কিছুটা বাঁচিয়ে আলাদা করে রেখেছে। তবে ভাষা বিজ্ঞানের দৃষ্টিভঙ্গিতে কোনো ভাষার শব্দ ভান্ডার তখনই সমৃদ্ধ হয় যখন অন্য কোন ভাষার আদানপ্রদান ঘটে থাকে— সে দিক থেকে দেখলে লোকভাষার সেই প্রবণতা বেশ কম যা কখনও সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাঁকে ফিরিয়ে আনতে অনিলা আর তার স্বামী সুধীন্দ্রকে শান্তিনিকেতনে পৌঁছে সেখানকার সাঁওতালদের গ্রামে যেতে হয়। তাদের কথা বলতে-বলতে মনোমোহনের চোখদুটো উজ্জ্বল হয়ে উঠে আমাদের দেশের জনজাতির ঐতিহ্যের গর্বে, তাদের ব্রিটিশ-বিরোধী ঐতিহ্যের গর্বে, প্রসঙ্গ সূত্রে মনমোহন বলেছে— ‘ভারতবর্ষের প্রাচীনতম অধীবাসী হচ্ছে কোল উপজাতী, সাঁওতালরা ওদেরই সমগোত্রীয়, আজ থেকে ১৫০বছর আগে ওরা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিল’। এ পর্বে সত্যজিৎ দেখালেন সংস্কৃতিকে হারিয়ে যেতে না দিয়ে ধরে রাখার তাৎপর্য।

    পৃথ্বীশ সেনগুপ্তের (ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়)

    একটা সবজান্তা সবটাই নিজের ছাঁচে ফেলে দেখে নেওয়ার মানুষ উকিল— পৃথ্বীশ সেনগুপ্ত, আগন্তুকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ পৃথ্বীশের সাথে মনমোহনের কথোপকথন। এই আলাপচারিতার শেষ পর্যায়ে দেখা যায়, পৃথ্বীশ চরম আক্রোশে বলছে, “আপনি নো বডি না সামবডি, তা এদের বলে দিচ্ছেন না কেন?” সে মনোমোহনকে প্রশ্ন করেছিল ‘‘ক্যানিবালিজম-কে আপনি সভ্যতার কোন স্তরে ফেলবেন?’’ এই পুরো জেরা পর্বের প্রশ্ন কিন্তু এটাই। আর এখানেই “অতিথি নারায়ন” —এই বাঙ্গালী সংস্কৃতির পরিপন্থী হয়ে অচেনা আগন্তুকের পরিচয় পেঁয়াজের খোসা ছাড়িয়ে আসল মানুষের নাগাল পাওয়ার উদগ্র বাসনা ফুটে ওঠে।

    শীতল সরকার (অজিত বন্দ্যোপাধায়)

    আবার কোথাও আন্তরিক বাঙালি মনোভাবসম্পন্ন মানুষ (শীতল বাবু)— ‘এসো মা এসো এসো’, ‘দাদু ভালো আছতো’, ‘ভালো কথা ওর মাথার কোনো ব্যামোটামো…’ সংলাপে ফুটে উঠেছে।

    রঞ্জন রক্ষিত (রবি ঘোষ)

    আবার মজা দেখবার মানসিকতা সম্পন্ন বাঙালি (রঞ্জন রক্ষিত)— ‘আমার পেটে বোমা মারলেও এ কথা বেরোবে না’ বাঙালির পেটপাতলা সংস্কৃতি, প্রসঙ্গ সূত্রে মনমোহনের পাল্টা প্রশ্নে ‘একটা প্রশ্ন করতে পারি, আপনারা আমাকে কেমন দেখলেন?’ আর স্বস্ত্রীক রঞ্জন রক্ষিতের ছলনায় অপ্রস্তুত মনোভাব।

    অনীলা বোস (মমতা শঙ্কর)

    দোটানার দ্বন্দ্বে ভোগা এক বাঙালি চরিত্র (মমতা শঙ্কর), বাঙালির (ভারতবর্ষের) চিরপরিচিত আতিথেয়তার ভরসায় সে পা রাখছে ভাগ্নীর বাড়িতে, অগ্নিমূল্যের বাজারে একজন অনাহুতের পেছনে এতগুলো টাকা খরচ করা যা দোটানায় ভোগা বাঙালি সংস্কৃতিকে দেখায়; আবার পরিপাটি করে বাঙালি আপ্যায়নের ব্যবস্থা একটা বৈপরীত্য সংস্কৃতির— গয়নাবড়ি প্রসঙ্গে ‘মেদিনীপুরের বৌ-ঝিয়েরা নিজেরা বাড়ীতে তৈরী করে‘ বাঙালির গ্রামের সংস্কৃতি যা শহরের লালিত্যে শোভা পাচ্ছে, এভাবেই শহুরে ও গ্রামীণ সংস্কৃতির প্রভেদ তুলে ধরেছেন সত্যজিৎ। (প্রসঙ্গত— স্থানীয় লোকাচার, গাথা, ছড়ায় বড়ির উল্লেখ চোখে পড়ে। যেমন— “খুকুমণি কেন ভারি/ পাতে নেই যে গয়না বড়ি।”) আবার প্রসঙ্গ সূত্রে মনমোহন মিত্র বলেছে ‘আহারের এত বাহার এ শুধু বাংলা দেশেই সম্ভব’— বাংলার লুপ্তপ্রায় খাদ্য শিল্প বিশ্বের কাছে তুলে ধরেছেন পরম নিপুণতায় তুলে ধরেছেন সত্যজিৎ। বা ঘরের পুরুষদের খাইয়ে তবেই মহিলারা খেতে বসেন এ রীতিও তুলে ধরেছেন।

    সুধীন্দ্র বোস (দীপঙ্কর দে)

    আবার সুধীন্দ্র বোসের চরিত্রে অভিনয় করা বাঙালি যে কিনা ব্যালেন্সড ব্যক্তি হিসাবে নিজেকে রেখে দেন ও কোন পথে তিনি নেবেন নিজেকে তার পরিমাপ করেন, তবে কোথাও যেন একটু আধুনিকতার যুগের হাওয়ায় তাল মিলিয়ে চলার চেষ্টায় থাকেন তিনি। অনীলার স্বামী সুধীনের দিকে পাসপোর্ট ছুড়ে দিয়ে বলেন প্রসঙ্গ সূত্রে মনমোহন মিত্র বলে— “পাসপোর্ট দিয়ে কিচ্ছু প্রমাণ হয় না”। অনীলার ছোটমামা আসল কি না তা জানতে সুধীনের আগ্রহ ছিল তার পাসপোর্টের দিকে। কিন্তু মনমোহন তাকে সাবধান করে দিয়ে বলে, আজকাল জাল পাসপোর্ট বানানো তেমন কিছু খাটুনির কাজ নয়! —এইটাই গ্রাম্য সংস্কৃতির থেকে শহুরে সংস্কৃতির আগ্রাসন। সুধীন্দ্র বোসের কথায় ‘আমার যদি কোনো ক্রনিক ব্যারাম থেকে থাকে সেটা হচ্ছে চক্ষুলজ্জা’ বা ‘আপনি তো আছেন কুলো, বাতাস’ —সেই বিচিত্র শহুরে জীবনের লোকাচার।

    সাত্যকি বোস (শিশু চরিত্র )

    চলচ্চিত্রের শিশু চরিত্র সাত্যকি— যার শিশু মন নিয়ে সে নিজের মতন কে বিচার করে নেয়— পুরোটাই একটা সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত করা। তার কিছু বক্তব্য— ‘আররিবাস -জাল দাদু’ বা ‘দাদু হতেও পারে নাও হতে পারে’। সূর্যের পূর্ণগ্রহণ, চাঁদের পূর্ণগ্রহণের বিষয় শেখাতে শিশু মনে দাদু নাতির সম্পর্কের সংস্কৃতিকে তুলে ধরেছেন প্রসঙ্গ সূত্রে মনমোহন মিত্র বলেছে— ‘এবারে একটা ম্যাজিক’/ ‘বলতো চাদ বড়ো না সূর্য বড়ো’/ ‘আকাশে তো দুটোকে দেখে একই সাইজ মনে হয়’/ চাঁদ যখন সূর্যের উপর এসে পড়ে ‘একদম চাকতি চাকতি মিলে যায়’; মনমোহনের মুখে “হাসির চেয়ে ভালো থ্যাঙ্কইউ আর হয় না”। দাদু হলেন তার ‘ছোটদাদু’, যিনি কিনা যখন তখন ছুট লাগাবেন! দাদু সাত্যকিকে বলে দেন, আর যা-ই হোক, কখনো কূপমন্ডূক না হতে!— বাঙালির কূপমণ্ডুক বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরেছেন, এর পাশাপাশি শৈশবের সারল্যকেও দেখিয়েছেন সত্যজিৎ।

    গবেষণা সন্ধান সূত্রে প্রাপ্ত ফলাফল

    ১) চলচ্চিত্র যেহেতু সমাজ-সংস্কৃতির ছবির প্রতিফলন ঘটায় অনেকটা আয়নার মত, সেক্ষেত্রে এর একটা বড়ো ভূমিকা আপামর সাধারণ ব্যক্তিবর্গের অংশ শিক্ষার্থীর মনোভাব পরিবর্তনে কাজে লাগানো যেতেই পারে— আগন্তুকও সেইরকম একটি উদাহরণ।

    ২) আগন্তুকে সত্যজিৎ দেখিয়েছেন দেশ কাল ভেদে তথাকথিত সভ্য সমাজ ও মাটির কাছাকাছি থাকা মানুষের সংস্কৃতি কিভাবে মনের অভিব্যাক্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটায়, শিক্ষাক্ষেত্রে এটা শিক্ষার্থীর কাছে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরাই যায়।

    ৩) ‘ভাষা – সাহিত্য – সংস্কৃতি’ যদি কেউ নিজের থেকে ভুলে যেতে চায় তবে সে ভুলতেই পারে আর যদি কেউ তা না চায় তবে সে তাকে নিজে ভিতর বাঁচিয়ে রাখে স্বযত্নে— এ সবের বড়ো উদহারণ সত্যজিতের মনমোহন মিত্র— এ শিক্ষার্থীর কাছে ‘ভাষা – সাহিত্য – সংস্কৃতির’ আগ্রাসন ঠেকাবার বড়ো উপায়।

    উপসংহার

    চলচ্চিত্র যেহেতু সমাজের ভাবনার দর্পন তাই তাতে সমাজে পরিবর্তনের বিষয়ও এনেছেন, তা শুধু সিনেমা বানাবার জন্য তা কিন্তু নয় একটা বার্তা তিনি দিচ্ছেন— নিজের ভাষা-সংস্কৃতিকে লালন পালন করতে হবে কিন্তু তার সব খারাপ বলে তাকে ছুড়ে ফেলে দিয়ে অন্যের স্রোতে গা ভাসানো যেমন যাবে না তেমনই রক্ষণশীলতার দোহাই দিয়ে কুসংস্কার কে আঁকড়ে ধরে বাঁচাও যাবে না, তবে মধ্যে পন্থা নয় এতে অবশ্যই খোলা মনে বিচার বোধ দিয়ে বিচার করে নেওয়াই বাঞ্ছনীয়। মৃণাল সেন ‘আগন্তুক’-এর সংলাপ নিয়ে নির্দিষ্ট ভাবে মন্তব্যই করেছিলেন ‘‘দ্য ওয়ার্কিং আউট অব দ্য ওয়ার্ডস অ্যান্ড লাইনস মে বি লাইকেন্ড টু আ মাস্টার পেন্টার প্লেইং উইথ ব্রাশ অ্যান্ড কালার।’’

    শঙ্খ ঘোষ তাঁর একটি গদ্যে আমাদের খেয়াল করিয়ে দেন ‘‘ও-ছবির শেষ দিকে সাঁওতালি নাচটার কথা ভাবুন। মনোমোহনের পাশে দাঁড়িয়ে সুধীন্দ্র আর অনিলা দেখছে সেই নাচ, মুগ্ধ ট্যুরিস্টরা যেভাবে দেখে। কিন্তু দেখতে দেখতে, অনিলার শরীরে অল্প অল্প দোলা লাগে, বোঝা যায় তার ভিতরে আসছে নাচ। সুধীন্দ্র তাকে ইশারা করছে সাঁওতালদের সঙ্গে যোগ দেবার জন্য। উদ্ভাসিত অনিলা জিজ্ঞেস করছে ‘যাই?’ আর চলেও যাচ্ছে খুশি মনে, দলের সঙ্গে জুড়ে গিয়ে তৈরি হচ্ছে চমৎকার তার নাচ, তাদের নাচ। সুধীন্দ্রকে ডেকে কানে কানে মনোমোহন বলছেন: এতক্ষণে বিশ্বাস হচ্ছে ও আমার ভাগ্‌নি।’’ (ইশারা অবিরত)। পাশাপাশি সত্যজিৎ সম্পর্কে আর-একটি জরুরি কথাও মনে করিয়ে দেন: ‘‘যুক্তিবাদী সভ্যতার বাইরে গিয়ে দাঁড়াবার একটা আগ্রহ খুব স্পষ্ট তাঁর একেবারে শেষ ছবি ‘আগন্তুক’-এর মধ্যে।’’

    ঋণ স্বীকার:

    ১. অরণী আফরীন সুমিয়া – আগন্তুক: সত্যজিৎ রায়ের শেষ চলচ্চিত্র, ২০ আগস্ট ২০১৭।

    ২. শিশিরের ডালপালা, তানভীর মোহাম্মদের চোখে সত্যজিৎ রায়ের ‘আগন্তুক’, ২০ মার্চ ২০১৮।

    ৩. ভোরের কাগজ, ক্লাসিক সিনেমা রিভিউ : সত্যজিতের ‘আগন্তুক’ শনিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮।

    ৪. সেন শিলাদিত্য, নতুন করে বোঝার দরজা খুলে যায়, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, আনন্দবাজার ই-পত্রিকা।

    লেখক পরিচিতি: অয়ন বন্দ্যোপাধ্যায়: গবেষক, সত্যপ্রিয় রায় কলেজ অফ এডুকেশন, কলিকাতা এবং কৌশিক চট্টোপাধ্যায়: অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর, সত্যপ্রিয় রায় কলেজ অফ এডুকেশন, কলিকাতা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশী – হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড
    Next Article আমার জবানবন্দি – নির্মল সেন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }