Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও বাংলা ভাষা – সম্পাদনা : নিরুপম আচার্য

    নিরুপম আচার্য এক পাতা গল্প195 Mins Read0
    ⤶

    দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তের ওড়িয়া প্রভাবিত বাংলা ভাষার সংকট: প্রেক্ষিত ও নানান মাত্রা – শুভাশিস আচার্য

    সচল সমাজভাষাবিজ্ঞান থেকে আমরা জেনেছি আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক (socio-political aspects) প্রেক্ষিত কীভাবে ভাষার স্বরূপকে পরিবর্তিত করে। ভিন্ন ভাষা সংস্কৃতির সংযোগে রচিত হয় দ্বিভাষিকতা (Bi-lingualism), বহুভাষিকতা (Multi-lingualism); সূচিত হয় ভাষা সরণ (Language shifting), ভাষা মৃত্যু (Language Death), ভাষা নিধন (Language Jenocide) এর মত বিষয়গুলি। বিশেষত কোন ভাষার কেন্দ্রীয় অঞ্চলের তুলনায় প্রান্তিক অঞ্চলে (প্রান্তিক কথাটি এক্ষেত্রে সীমান্ত অঞ্চলের অর্থ বাহক) এই ভাষা সংযোগ ও সংকটের ছবিটা বেশি পরিলক্ষিত হয়। কারণ সীমান্ত অঞ্চলে বসবাসকারী জনসমাজকে সামাজিক কিংবা আর্থিক কারণে নিজের ভাষা সংস্কৃতির পাশাপাশি ওপারের ভাষা সংস্কৃতিকেও আয়ত্ত করতে হয়। অবশ্য এই আয়ত্তীকরণ কোন ক্ষেত্রে দীর্ঘ সামাজিক পরম্পরায় সহজাতভাবে, আবার কোন স্থানে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের চাপে ঘটে চলেছে। কখনোবা দীর্ঘকাল একই ভূখণ্ডে বসবাসকারী জনসমাজের মধ্যে দৈশিক বিভাগ/গণ্ডী টানতে গিয়েও এসমস্যা উদ্ভূত হয়ে ওঠে। একই ভাষাভাষী মানুষ তখন জাতি সূত্রে কিংবা দেশীয় সূত্রে দুটি ভিন্ন ভূখণ্ডে দাঁড়িয়ে ‘দোঁহাপানে চেয়ে রয়’ মাত্র। এইরূপ এক সংকটের ছবি পরিলক্ষিত হয় বাংলার অখণ্ড মেদিনীপুরের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্ত জুড়ে বহুকাল ধরে প্রচলিত ওড়িয়া প্রভাবিত বাংলা ভাষার ক্ষেত্রে।

    সীমান্ত অঞ্চলের এই ভাষা সমস্যার আলোচনার ক্ষেত্রে প্রথমেই জানতে হয় সীমান্তের ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক বিবর্তনের ধারাটি। বর্তমানে পূর্ব, পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলার অংশবিশেষ নিয়ে বাংলার দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্ত গঠিত। আর সমান্তরালভাবে ওপারে রয়েছে উড়িষ্যার বালেশ্বর ও ময়ূরভঞ্জ জেলা। কিন্তু সুপ্রাচীন কাল থেকে এই রেখা ঠিক এইরূপে ছিল না। সে পরিবর্তন ও পরিবর্ধনের ইতিহাস বহু বিস্তৃত আলোচনার সাপেক্ষ। প্রবন্ধের সংক্ষিপ্ত পরিসরে সেই ইতিহাসের একটি সংক্ষিপ্ত রূপরেখা টানা হল মাত্র।

    মহাভারতের আদিপর্বে বঙ্গ, সুম্ভ, কলিঙ্গ, তাম্রলিপ্ত প্রভৃতি জনপদের নামোল্লেখ ও অবস্থান দেখে বোঝা যায় এগুলি ছিল পরস্পরের সন্নিকটবর্তী। খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকে অশোকের অনুশাসনে বঙ্গের নামোল্লেখ নেই কিন্তু কলিঙ্গের উল্লেখ রয়েছে। আসলে সেখানে ‘কলিঙ্গ বঙ্গভূমির দূর প্রতিবেশী নয়। সেকালে দুটি দেশের ভাষা ও লোক ব্যবহার একরকম ছিল বলে মনে হয়।’১ তবে বর্তমান উড়িষ্যার কলিঙ্গ ও উৎকল সেকালে পৃথক দুটি রাজ্য ছিল। কটকের দক্ষিণ থেকে গঞ্জাম পর্যন্ত কলিঙ্গ আর ‘কাঁসাই নদীর ওপারে পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যার অংশ সেকালে উৎকল নামে খ্যাত ছিল’।২ এই উৎকলকেই ফাহিয়েন, হিউয়েন সাংরা ‘ওড্ড’ বা ‘ওড্র’ দেশ নামে আখ্যায়িত করেছেন। খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতকে রচিত ‘রঘুবংশম্’-এও এইরূপ ভূভাগের উল্লেখ রয়েছে।

    আবার ‘আচারঙ্গ’ জৈনশাস্ত্রে দক্ষিণ-পশ্চিমবাংলার মেদিনীপুর সন্নিহিত অঞ্চল ‘সুম্ভ’ নামে পরিচিত ছিল। যার প্রধান নগরী—ভূরীশ্রেষ্ঠ ও বন্দর তাম্রলিপ্ত। আবার গুপ্ত যুগের শেষ পর্ব হতে( খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতক) খ্রিস্টীয় দ্বাদশ শতক পর্যন্ত বাংলার দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্ত ও উত্তর উড়িষ্যার বেশিরভাগ অংশ ‘দণ্ডভুক্তি’ (বর্তমান নাম দাঁতন-র)অন্তর্গত ছিল। সমকালে ওড়িষ্যাও ছিল নানান মণ্ডলে বিভক্ত এবং স্বতন্ত্র রাজাদের দ্বারা শাসিত।দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলার সীমান্তবর্তী ছিল উড়িষ্যার দুটি মণ্ডল—বোনাই (Bonai) ও খিজিঙ্গ মণ্ডল (Khijjinga-Kotta)। বর্তমান বালেশ্বর ও ময়ূরভঞ্জ জেলার বেশিরভাগ অঞ্চল ছিল এই দুই মণ্ডলান্তর্গত। বোনাইর শাসক ময়ূর রাজারা মেদিনীপুরের তাম্রলিপ্ত পর্যন্ত শাসন করতেন এবং কথিত আছে তমলুকের ‘ময়ূরধ্বজ’ রাজপরিবার এই বোনাই থেকে গিয়ে রাজত্ব করেন। এ বিষয়ে “W. W. Hunter has proved that there was an intimate link between the ruling families off Mayurbhanj and Tamralipti… mayura family of bonai  migrated to Tarmaliptai. There they established their rule and were later on defeated by the Bhanja King of Mayurbhanj.”
    ৩

    খ্রিস্টীয় একাদশ-দ্বাদশ শতক থেকে ষোড়শ শতকের মধ্যভাগ পর্যন্ত (১৫৬৫ খ্রিস্টাব্দ) মেদিনীপুরের বেশিরভাগ অংশই উড়িষ্যার কেশরী, গঙ্গ, সূর্যবংশীয় রাজাদের অধীনস্থ ছিল। সে বিস্তৃত ইতিহাস এক্ষেত্রে অনালোচ্য বিষয়। শুধু এটুকু বললেই যথেষ্ট হবে ‘মাদলাপঞ্জী’ গ্রন্থ থেকে জানা যায় উড়িষ্যার শাসনতান্ত্রিক বিভাগের ৩১টি দণ্ডপাটের ৬টি দণ্ডপাট ছিল মেদিনীপুরের বিভিন্ন অংশকে নিয়ে। আর এই শাসনের সূত্র ধরে মেদিনীপুর অঞ্চলে ওড়িয়া ভাষা ও সংস্কৃতির ব্যাপক প্রভাব সূচিত হতে থাকে। বিনয় ঘোষ যথার্থ জানিয়েছেন—

    ‘আনুমানিক পাঁচশ বছর ধরে ক্রমাগত ঐতিহাসিক উত্থান-পতনের আঘাত পেয়ে মেদিনীপুরের দক্ষিণাঞ্চলের এই অংশে কোন পরিকল্পিত সংস্কৃতিসৌধ ভিত্তি থেকে চূডা পর্যন্ত সুশৃঙ্খল ধারায় গড়ে ওঠার অবকাশ পায়নি।… তার মধ্যে উড়িষ্যার গঙ্গবংশীয় ও পরবর্তী রাজারা এই অঞ্চলে দীর্ঘকাল ধরে প্রায় একচ্ছত্র প্রভুত্ব করেছেন।… রাজনৈতিক ক্ষেত্রে যাদের অখণ্ড প্রতিপত্তি ছিল, সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও যে তারা নিরঙ্কুশ প্রভুত্ব কায়েম করবেন তাতে বিস্মিত হবার কিছু নেই। উড়িষ্যার সাংস্কৃতিক প্রভাব এই অঞ্চলেও তাই খুব বেশি দেখা যায়’।৪

    এরপর থেকে (১৫৬৮ খ্রিস্টাব্দ) সীমান্তের রাজনীতিতে উল্টো স্রোত বইতে থাকে। সুলেমান কররানী উড়িষ্যার রাজাকে পরাজিত করে মেদিনীপুর সহ উড়িষ্যার বিস্তৃত অংশ বাংলার অন্তর্ভুক্ত করেন। এরপর মোগল এবং পরবর্তীতে (অষ্টাদশ শতকে) মুর্শিদাবাদের নবাবরা বিশেষত আলিবর্দী খাঁ কটক পর্যন্ত বাংলার সীমাকে বজায় রাখার চেষ্টা করেন। যদিও বেশ কিছু সময় মারাঠা বর্গীরা উড়িষ্যাসহ মেদিনীপুরের দক্ষিণ-পশ্চিমের বেশিরভাগ অংশ তাদের অধীনে রেখেছিল (১৮০৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত); তবে সে লুঠেরা জাতির সাংস্কৃতিক প্রভাব এ অঞ্চলে খুবই কম। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ষোড়শ শতক থেকে  বাংলার অধীন উড়িষ্যাতে উপর বাঙালি অধিবাসীদের অভিবাসন ও সাংস্কৃতিক প্রভাব ক্রমশ বাড়তে থাকে। বিশেষত শাহ্ সুজার রাজত্ব (১৬৩৯
    – ১৬৬০ খ্রিস্টাব্দ) কালে বাংলা-বিহার-উড়িষ্যাকে একটি সুবার মধ্যে আনা হয় এবং তারপর থেকে ইংরেজ আমলের অনেকটা সময় পর্যন্ত ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ ও বালেশ্বর জেলার বেশিরভাগ অঞ্চলকে মেদিনীপুরের সঙ্গে যুক্ত করা ছিল।

    ১৭৬৫ – ১৮০৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে কয়েক ধাপে সমগ্র উড়িষ্যা ইংরেজদের অধিকারে আসে এবং শাসনের সুবিধার্থে উড়িষ্যাকে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্ভুক্ত করা হয়। রাজনৈতিক কারণে উনিশ শতকের মধ্যভাগে বাংলা ভাষা ও বাঙালি জাতির বেশ আধিপত্য ঘটতে থাকে উড়িষ্যায়। কারণ নবাবী আমল থেকে সুদক্ষ বাংলার বুদ্ধিমান প্রশাসকদের উড়িষ্যার বিভিন্ন সরকারি ক্ষেত্রে নিয়োগ করা হতে থাকে। ইংরেজ কোম্পানির আমলে এই ধারা আরো ব্যাপকতর হয়। উড়িষ্যার কোর্ট এবং স্কুলে ওড়িয়া ভাষার পরিবর্তে বাংলা ভাষা প্রচলনের দাবি ওঠে। ১৮৪১ খ্রিস্টাব্দে ‘The sadar board of Revenue proposed to substitute Bengali for Oriya as the language of government and business in Orissa’৫ এবং ১৮৪৮ কটকের কালেক্টর কমিশনারকে জানিয়েছিলেন ‘Oriya should Cease to exist as a separate language’৬ যদিও কমিশনার Golds burry এসব দাবি খারিজ করে দেন। তবু ওড়িয়া ভাষাকে মুছে ফেলে তার স্থানে বাংলাকে প্রতিস্থাপিত করার এক চক্রান্ত অনবরত চলতে থাকে। বিশেষত ১৮৬৮-১৮৭২ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে পণ্ডিত রাজেন্দ্রলাল মিত্র, কান্তিলাল ভট্টাচার্যরা বারংবার দাবি করতে থাকেন বাংলা প্রচলনের। তাঁদের যুক্তি— ‘Oriya is not a separate language… Oriya was a mere dialect of Bengali’৭। ভাবলে অবাক লাগে, যে ওড়িয়া প্রায় ৬০০ বছর আগে বাংলা থেকে পৃথক হয়ে স্বতন্ত্র ভাষা ও লিপিরূপে বিকশিত হয়েছিল, রাজেন্দ্রলাল মিত্ররা রাজনৈতিক স্বার্থে তার স্বাতন্ত্র্যকে স্বীকার করলেন না। উপরন্তু দাবি করলেন যে তা বাংলার এক উপভাষা মাত্র। জন বীমস্ কিন্তু এই ভ্রান্ত ধারণার প্রতিবাদ করেছিলেন। আসলে এই ভাবেই বহু দেশে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে ভাষা নিধন (Language Jenocide) ঘটে। ওড়িয়ার ক্ষেত্রেও তাই ঘটত, যদি না সেই সময় বেশিরভাগ ওড়িয়াবাসী এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হতেন। তাদের একের পর এক সমবেত আন্দোলনে এসব প্রস্তাব খারিজ হয়ে যায়।

    বাংলা প্রেসিডেন্সি থেকে মুক্তি ও ওড়িয়া ভাষাভাষীর ভিত্তিতে রাজ্য গঠনের দাবি ওঠে বারংবার। সেক্ষেত্রে তমলুকসহ মেদিনীপুরকে উড়িষ্যার মধ্যে সংযুক্ত করার দাবি ছিল প্রবল। কারণ বহু শতক ধরে এই অঞ্চল গুলিতে প্রচুর অভিবাসিত ওড়িয়ারা বসবাস করে চলেছে এবং তাদের মাতৃভাষা তখনো ওড়িয়াই ছিল। অবশেষে মন্টেগুর রিপোর্ট অনুসারে ব্রিটিশরা বাংলা থেকে পৃথক করে ‘বিহার ও উড়িষ্যা’ প্রোভিন্স ১৯১২ খ্রিস্টাব্দে গঠন করে। কিন্তু মেদিনীপুরের এই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলকে দেওয়া হল না নতুন প্রোভিন্সের সঙ্গে। ফলে মেদিনীপুরের বহু মানুষ ওড়িয়া ভাষাভাষী হলেও অধিবাসী হিসেবে হয়ে রইল বাঙালি। তবু উড়িষ্যাবাসীরা হাল ছাড়েনি। ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দে যখন তারা পুনরায় ইউনাইটেড স্টেট রূপে উড়িষ্যার দাবি তোলে তখনো তারা দক্ষিণ-পশ্চিম মেদিনীপুরকে (কাঁথি মহাকুমা, কেশপুর, দাঁতন, গোপীবল্লভপুর, ঝাড়গ্রাম ও নারায়ণগড় থানা) উড়িষ্যার অন্তর্ভুক্ত করার কথা জানায়। কিন্তু তৎকালীন বাংলার সরকার সে প্রস্তাব নাকচ করে দেন। আর যুক্তি হিসেবে দেখানো হয় মেদিনীপুরবাসীরা যে ভাষা ব্যবহার করে তা পুরোপুরি ওড়িয়া নয় ওড়িয়া ও বাংলার এক মিশ্র রূপ। ‘The Government of bangal rejected the possibility of any transfer because to them the in habitants were strongly against the proposed transfer and the language of the inhabitants was a mixture of Bengali and Oriya considerably different from the language of Oriyas’৮ অবশেষে ৬টি জেলা নিয়ে ১৯৩৬ এর পয়লা এপ্রিল যখন ওড়িয়া ভাষাকেন্দ্রিক স্বতন্ত্র উড়িষ্যা রাজ্য গঠিত হলো তখন কোনোভাবেই মেদিনীপুরের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ উড়িষ্যায় যুক্ত হলো না। সীমান্তের ওপারে রইল বালেশ্বর আর এপারে রইল বাংলার মেদিনীপুর।

    বাংলার দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তের এই ভাঙ্গা-গড়ার দীর্ঘ ইতিহাস থেকে দুটি বিপরীত ধারায় ভাষা সরণের ঘটনা লক্ষ্য করা যায়। প্রথম পর্বে ওড়িয়া জাতির শাসনের সূত্র ধরে দক্ষিণ-পশ্চিম মেদিনীপুরের বিস্তৃত ভূখণ্ডে ওড়িয়া ভাষার ক্রমপ্রচলন ঘটে। আবার পরবর্তীকালে বাংলা প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত উড়িষ্যায় বাংলা ভাষা প্রচলন ও বিস্তারের প্রচেষ্টা চলে। এর ফলে সীমান্ত সংলগ্ন মেদিনীপুরের ওড়িয়া বাসীদের ভাষা ও সংস্কৃতিগত এক সংকট তৈরি হয় ধীরে ধীরে। কারণ অধিবাসী সূত্রে তারা বর্তমানে বাঙালি হলেও কয়েক প্রজন্ম ধরে তারা ভাষা ও জাতিতে ওড়িয়া। কিন্তু বাংলা ভূখণ্ডে থাকার সূত্রে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির চাপে তাদের মৌখিক ওড়িয়া ভাষার স্বরূপ ধীরে ধীরে বদলাতে শুরু করে। বহু পূর্বে উড়িষ্যা থেকে আগত ব্রাহ্মণ, করণ, রাজু প্রকৃতি সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষজনের ওড়িয়া ভাষা ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে ও দক্ষিণ পশ্চিমা বাংলা (সুম্ভক বাংলা) ঝাড়খন্ডী বাংলার প্রভাবে  পরিবর্তিত হতে থাকে এবং তা এক পৃথক ভাষারূপ গড়ে তোলে। এই ভাষাকে ওড়িয়া প্রভাবিত বাংলা ভাষা বলে চিহ্নিত করা চলে। ‘দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্ত বাংলার লোকায়ত সংস্কৃতি’ গ্রন্থে ড. বঙ্কিমচন্দ্র মাইতি এই ভাষাকে ‘উত্তরা ওড়িয়া উপভাষা’
    ৯ (যেহেতু উত্তর উড়িষ্যার বালেশ্বর জেলার সঙ্গে এই অঞ্চলের প্রাচীন সংযোগ ও ভাষাগত মিল রয়েছে) বলে চিহ্নিত করেছেন। অবশ্য এ নাম বিশেষ বিবেচনার অপেক্ষা রাখে।

    প্রসঙ্গত এই ওড়িয়া প্রভাবিত বাংলা ভাষার স্বরূপ সম্পর্কে কয়েকটি বিষয় আলোচনা একান্ত জরুরী; যার মাধ্যমে এই ভাষার সংকটের ছবিটা আরো স্পষ্ট হবে। অখণ্ড মেদিনীপুরের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে প্রচলিত এই ভাষাকে দুটি বিভাষা অঞ্চলে ভাগ করা যেতে পারে। ১) মোহনপুরী ওড়িয়া প্রভাবিত বাংলা ২) কাঁথির  ওড়িয়া প্রভাবিত বাংলা।
    এই ভেদের প্রধান কারণ হল উড়িষ্যা সংলগ্ন এই আঞ্চলিক বাংলায় ওড়িয়া প্রভাব সব ক্ষেত্রে সমান নয়। রামনগর, মোহনপুর, দাঁতন, নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুর, উড়িষ্যা লাগোয়া হওয়ায় ওড়িয়া ভাষার প্রভাব বেশি। আর কাঁথির ১ ও ২ নং ব্লক, এগরা মহাকুমার দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ, পটাশপুরের দক্ষিণাংশ সীমান্ত থেকে দূরবর্তী হওয়ায় ওড়িয়া প্রভাব কিছুটা কম। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এইরূপ বিভাজনের ক্ষেত্রে জেলার ভৌগোলিক সীমারেখাকে নির্দিষ্ট করে ধরা হয়নি, ভাষাগত সাধর্ম্য লক্ষ্য করে এইরূপ বিভাজন করা হয়েছে।

    এই প্রসঙ্গে দুটি বিভাষার নমুনা দিলে ওড়িয়ার প্রভাব কোথায় কতখানি তা বোঝা যাবে। যেমন—

    ১) আমি যাবোনা। (বাংলা)

    মুঁ য়িবিনি। (ওড়িয়া)

    মু য়িমিনি। (মোহনপুরী ওড়িয়া প্রভাবিত বাংলা)

    আমে যিবানি। (কাঁথির ওড়িয়া প্রভাবিত বাংলা)

    ২) আমি আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। (বাংলা)

    আম্ভে(গৌরবার্থে)আপণঙ্কু স্বাগত্ জাণুছি। (ওড়িয়া)

    মু তুমকু স্বাগত জাণুচি। (মোহনপুরী ওড়িয়া প্রভাবিত বাংলা)

    আমে তুমকু স্বাগত জাণাউচে। (কাঁথির ওড়িয়া প্রভাবিত বাংলা)

    ভাষার ধ্বনিতাত্ত্বিক ও রূপতাত্ত্বিক দিকের বিস্তৃত ব্যাখ্যা এখানে অনাবশ্যক বলে শুধু বাক্যিক রূপের দিকটি  উল্লিখিত হল। এখান থেকে সহজেই বোঝা যায় সীমান্ত সংলগ্ন মোহনপুরী বিভাষায় সর্বনাম ও ক্রিয়ারূপের ক্ষেত্রে উড়িয়া প্রভাব যতটা বেশি, কাঁথির বিভাষায় সে প্রভাব অনেক কম। বরং মান্য বাংলার দিকে তার ঝোঁক বেশি। যদিও ওড়িযার সব চিহ্ন তার দেহ থেকে এখনো সম্পূর্ণ মুছে যায়নি। আর ওড়িয়া ও বাংলার এই মিশ্র রূপকে লক্ষ্য করে গ্রীয়ার্সন মেদিনীপুরের ভাষাকে ‘Mechanical mixture of corrupt bengali and corrupt oriya’
    ১০ বলে দাবী করেছিলেন এবং মানুষের ভাষাব্যবহারের ধরণ নিয়ে সরসমন্তব্য করেছিলেন— ‘A man will begin a sentence in Oriya, drop into Bengali in his middle and go back to Oriya its end’।১১ তবে তাঁর ‘Mechanical mixture’ কথাটি আপত্তিজনক। কারণ যে দুটি ভাষা একই মাতৃগর্ভজাত এবং দীর্ঘকাল যারা সহোদর ভাবে সহাবস্থান করেছে আজ রাজনৈতিক কারণে তাদের পৃথক করা হলেও সাধর্ম্য বা স্বলক্ষণ সহজে মোছার নয়। তাই দক্ষিণ-পশ্চিম মেদিনীপুরের এই ভাষারূপ বহু শতক ধরে এক সহজাত ভাবে গড়ে উঠেছে।

    তবে কাঁথির ওড়িয়া প্রভাবিত বাংলা ভাষারূপ যে দক্ষিণ-পশ্চিমা বাংলা তথা মান্য বাংলার প্রভাবে ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়েছে সে কথা সহজেই বলা চলে। বিশেষত ব্রিটিশ আমল থেকে কাঁথি মহাকুমা বাংলা শিক্ষা-সংস্কৃতি ও রাজনীতির অন্যতম পীঠস্থান হয়ে ওঠে। রাজনীতির সূত্রে সেকালের রাজধানী কলকাতার সঙ্গে তার প্রত্যক্ষ যোগ সাধিত হয়। বিশেষত কাঁথির ভূমিপুত্র দেশপ্রাণ বীরেন্দ্রনাথ শাসমল, যিনি ছিলেন ব্রিটিশ কলকাতার অন্যতম কংগ্রেস নেতা ও ল-ইয়ার; তিনি কাঁথির উন্নতি কল্পে সম্পূর্ণ আত্মনিয়োগ করেন। ফলে নতুন নগরায়ণের জোয়ারে, কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে এইসব  অঞ্চলের মানুষ ধীরে ধীরে মান্য বাংলার  দিকে ঝুঁকতে থাকে। তাছাড়া স্কুল-কলেজের ক্রমপ্রসারে তরুণ প্রজন্ম আঞ্চলিক ভাষার থেকে এই মান্য বাংলাকে বেশি করে গ্রহণ করতে থাকে। শুধু ঘরোয়া পরিবেশে ছাড়া সকল ক্ষেত্রেই মান্য বাংলার ব্যবহারিক প্রসার ঘটে। আর স্থানীয় মানুষের মৌখিক ভাষাও (ওড়িয়া প্রভাবিত বাংলা) মান্য বাংলার প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে ধীরে ধীরে নতুন রূপ লাভ করতে থাকে।

    কিন্তু এই আঞ্চলিক ভাষার রূপও ক্রমশ ক্ষীণ হতে শুরু করেছে বিগত কয়েক দশক ধরে। বিশেষত দক্ষিণ-পশ্চিম মেদিনীপুর এখন সারা ভারতের কাছে বিখ্যাত দুটি কারণে— প্রথমত: পর্যটনস্থল, দ্বিতীয়ত: মৎসবন্দর। বিশেষত কাঁথির দীঘা, শঙ্করপুর, পেটুয়াঘাট, জুনপুট এমনকি উড়িষ্যার তালসারি এখন এই দুই কারণে প্রায় উন্নতির শিখরে লাফিয়ে চলেছে। আর সেই সূত্রে স্থানীয় মানুষজন এবং নবপ্রজন্ম শিক্ষিত হচ্ছে মান্য বাংলা, হিন্দি এবং ইংরেজি ভাষাতে। যার দ্বারা রুটি রোজগারের পথ খুব সুগম। কারণ ভাষাগত সমস্যা ব্যবসায়িক বা বহিঃসংযোগের ক্ষেত্রে বহু অন্তরায় সৃষ্টি করে।

    এর পাশাপাশি আর একটি বিষয়ও ওড়িয়া প্রভাবিত আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহারকে কোণঠাসা করে তুলেছে। আধুনিক শিক্ষিত বাঙালি সমাজ এই ভাষা ব্যবহারকারীদের প্রতি একটা উন্নাসিকতা প্রদর্শন করে চলেছে। বাংলার মানুষের ওড়িয়া ব্যবহারে তারা সুপ্রসন্ন নন। এমনকি স্কুলের শহুরে শিক্ষকরা ছাত্র-ছাত্রীদের আঞ্চলিক ওড়িয়া ভাষা ব্যবহার কিংবা উচ্চারণজনিত প্রভাবকে তীব্রভাবে ব্যাঙ্গ করে থাকেন। কেউ কেউ তাদের ‘উড়িয়া’ ‘উড়ে’বলে বিদ্রুপও করেন। এ অভিজ্ঞতা প্রবন্ধ-লেখকের একেবারে বাস্তব প্রসূত। কারণ চাকুরীর সূত্রে লেখককে বেশ কিছুদিন উড়িষ্যার সীমান্ত সংলগ্ন একটি স্কুলে কাজ করতে হয়েছিল। ছাত্রদের ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে আঞ্চলিক ওড়িয়া প্রভাবিত বাংলা বলার পক্ষে ওকালতি করতে গিয়ে বহুবার শহুরে শিক্ষকদের সঙ্গে বাগ-বিতণ্ডায় জড়াতে হয়েছে তাঁকে। এমনকি বহু স্থানীয় আঞ্চলিক ওড়িয়াভাষী শিক্ষকরা স্টাফ রুমে ব্যক্তিগত আলাপ-আলোচনা কালে নিজেদের আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার করার প্রবল ইচ্ছা প্রকাশ করেন। কিন্তু শহুরে শিক্ষিতদের নিকট সম্মান খোয়া যাওয়ার ভয়ে কোথাও নিজের ভাষাকে গুটিয়ে নেন আর মান্য বাংলা বলতে বাধ্য হন।

    রবীন্দ্রনাথ একদা লোকসাহিত্য চর্চায় হাত দিতে গিয়ে বুঝেছিলেন লোকভাষা ও লোকসংস্কৃতির উপাদান সমাজের এত নিম্নস্তরে নেমে গেছে যে তাদের পুনরুদ্ধার করা খুব সহজ নয়। বর্তমান ক্ষেত্রে সে কথা আরও বেশি সত্য। কারণ আধুনিক Globalization এর প্রভাব ভাষার রূপ ও ব্যবহারকে করে তুলেছে অনেক বিকৃত। ভাষার মধ্যে ইংরেজি, হিন্দির মাত্রাছাড়া ব্যবহার মানুষের আঞ্চলিক ভাষিক রূপকে সংকুচিত করে চলেছে। ওড়িয়া প্রভাবিত বাংলার ক্ষেত্রে এসব সমস্যা তো আছেই, তার পাশাপাশি শিক্ষিত বাঙালিদের এই ভাষার প্রতি প্রবল উন্নাসিকতা, অর্থকরী শিক্ষার প্রসার, ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্রমবিস্তার এইসব অঞ্চলের মানুষদের মান্য বাংলার প্রতি প্রবল ঝোঁক বাড়িয়ে দিয়েছে। এই আগ্রাসনের কবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে ওড়িয়া প্রভাবিত বাংলায় আঞ্চলিক রূপও খুঁজে পাওয়া দুর্লভ হবে। এক্ষেত্রে ভাষা রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে স্থানীয় শিক্ষিত সমাজকে। বিশেষত দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলার ওড়িয়া ব্রাহ্মণ, করণ, রাজু প্রভৃতি সম্প্রদায়কে (কারণ এদের মৌখিক ভাষাই হল ওড়িয়া প্রভাবিত বাংলা) নিজেদের সমাজ-পরিবেশে এ ভাষা ব্যবহারে আগ্রহী হতে হবে। মনে রাখতে হবে শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে মান্য বাংলার ব্যবহার যেমন আবশ্যক, তেমনি আঞ্চলিক সমাজ ও সংস্কৃতিতে নিজের আঞ্চলিক ভাষার রূপকে রক্ষা করাও অন্যতম কর্তব্য। কারণ আঞ্চলিক ভাষা বৈচিত্র্য নিয়েই তো একটি ভাষার সামগ্রিক রূপ। এই সমস্ত আঞ্চলিক রূপ রক্ষিত না হলে কথ্য বাংলা ভাষার ঔপভাষিকবৈচিত্র্য লুপ্ত হবে। সেই সঙ্গে হারিয়ে যাবে ভাষাকেন্দ্রিক সমাজ তথা জাতির ভাঙা-গড়ার ইতিহাস।

    তথ্যসূত্র:

    ১. সেন, সুকুমার: বঙ্গভূমিকা: ইস্টার্ন পাবলিশার্স: ১৯৭৪: পৃ- ১৪৬।

    ২. সেন, সুকুমার: বঙ্গভূমিকা: ইস্টার্ন পাবলিশার্স: ১৯৭৪: পৃ – ৫।

    ৩. Ray, Ram kamal: Feudetory States of Medieval Orissa: Amadeus Press: 2004: page-112।

    ৪. ঘোষ, বিনয়: পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি: দ্বিতীয় খণ্ড: প্রকাশভবন: প্র: সং-১৯৮০: পৃ-১২৮।

    ৫. De,S.C: Trend of political event in orissa, Introduction: P.K. Jena: Orissa-A New Province: Punthi- Pustak: calcutta: 1988: page-15।

    ৬. De, S.C: Trend of political event in orissa, Introduction: P.K Jena: Orissa-A New Province: Punthi-Pustak: calcutta: 1988: Page-15।

    ৭. P. K Jena: Orissa-A New Province: Punthi-Pustak: calcata: 1988: page-16।

    ৮. P. K Jena: Orissa-A New Province: Punthi-Pustak: calcata: 1988: Page-41।

    ৯. মাইতি, বঙ্কিমচন্দ্র: দক্ষিণ–পশ্চিম সীমান্ত বাংলার লোকায়ত সংস্কৃতি: বিদিশা প্রকাশনী: নারায়ণগড় মেদিনীপুর: ১৩৯৭: পৃষ্ঠা-৭৬।

    ১০. Grierson, G. A.: Linguistic Survey of India: Vol-v: Part-lll: New Delhi: P-369।

    ১১. Grierson, G. A: Linguistic Survey of India: Vol-v: Part-lll: New Delhi: P-369।

    লেখক পরিচিতি: সহকারী অধ্যাপক; ঝাড়গ্ৰাম রাজ কলেজ (গার্লস’ উইং)।

    রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী অধ্যাপক ড. নিরুপম আচার্য, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের তন্নিষ্ঠ পাঠক ও গবেষক হিসেবে ইতিমধ্যে নজর কেড়েছেন। প্রায় দুই দশক জুড়ে অধ্যাপক হিসেবে যেমন তিনি অধ্যাপনা করেছেন, তেমনি লিখেছেন অনেক মূল্যবান গ্রন্থ। ভাষাতত্ব, সাহিত্যতত্ব, চরিতসাহিত্য, রবীন্দ্রসাহিত্য প্রভৃতি বিষয়ে তাঁর স্বচ্ছন্দ পদচারণা। সম্পাদনা করেছেন ‘কলাবতী’ সাহিত্য পত্রিকা।বর্তমানে তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত হচ্ছে ই-ম্যাগাজিন ‘সৃষ্টির নানাকথা’। এর পাশাপাশি যোগ্যতার সাথে তিনি পরিচালনা করে চলেছেন সেমিনার। বর্তমান প্রস্তুত গ্রন্থটি তারই ফসল। মাতৃভাষা বাঙলার বিপন্নতার কথা বাঁধা পড়েছে কালো অক্ষরে। যার ভেতর থেকে পাঠক খুঁজে পাবেন নানা তথ্য ও সত্য ।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশী – হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড
    Next Article আমার জবানবন্দি – নির্মল সেন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }