Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও বাংলা ভাষা – সম্পাদনা : নিরুপম আচার্য

    নিরুপম আচার্য এক পাতা গল্প195 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিশ্বায়ন ও রাজনীতির চাপে পিষ্ট আসামের বাংলা ভাষা: অতীত ও বর্তমান – পীযূষ নন্দী

    ভারতবর্ষের উত্তরপূর্বাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি রাজ্য হল আসাম। ১৮২৬ সালের ইয়ান্ডাবু সন্ধির ফসল আসাম প্রদেশ। এই আসামে ২০১১ সালের আদমসুমারি মোতাবেক ৯০,২৪,৩২৪ জন১ বাঙালি বাস করেন। যা কিনা রাজ্যের মোট জন সংখ্যার ২৯ শতাংশ। তবে আসামে বাঙালিরা নতুন নয়। মহাভারতের সময়েও আসামের২ মাটিতে বাঙালির পদচিহ্ন দেখা যায়। গৌড় রাজত্বেও আসামে বাঙালির উজ্জ্বল উপস্থিতি ইতিহাসের পাতায় লক্ষ করা যায়। আহোম রাজত্বেও আহোম রাজাদের আমন্ত্রণে বহু বাঙালি আসামে বসতি স্থাপন করেন।

    ব্রিটিশ রাজশাসন আরম্ভ হওয়ার পূর্বে যেসকল বাঙালি আসামে এসে স্থায়ীভাবে থেকে গিয়েছিলেন তারাও ক্রমে স্থানীয়দের সাথে মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছেন। এদিকে ব্রিটিশ ভারতের প্রথম রাজধানী কলকাতায় স্থাপন হওয়ার সুবাদে ইংরেজ প্রশাসনে বাঙালির উল্লেখযোগ্য অংশীদারিত্ব ছিল। আসামও ইংরেজ শাসনের প্রথম দিকে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অধীনস্থ ছিল। ইংরেজ প্রশাসক প্রতিনিধির মাধ্যমে আসামের শাসন পরিচালনা করতেন এবং অবধারিতভাবেই বাঙালি কর্মচারীরাই ছিলেন এই প্রশাসন যন্ত্রের মূল চালিকাশক্তি। শাসনকার্যের সুবিধার্থে ও বিভিন্ন ভাষাভাষীদের বোধগম্যতার জন্য ব্রিটিশ সরকার ১৮৩৬ খ্রিস্টাব্দে প্রশাসনিক ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষার প্রচলন শুরু করার পাশাপাশি বিদ্যালয়গুলোতেও বাংলা ভাষায় বিদ্যাচর্চা শুরু করে। শাসনকার্যে, আদালতে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাংলা ভাষার এই প্রচলন কিন্তু ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত নবীন অসমিয়া সমাজের বৃহৎ অংশ সহজে মেনে নিতে পারেনি। ফলে সৃষ্টি হয়েছিল প্রচণ্ড ক্ষোভের। এরই মধ্যে দেশবিভাজন ও স্বাধীনতা লাভের পর আসামে বাঙালির জনস্ফীতি দেখে তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী গোপীনাথ বরদলৈ আসামে সরকারি ভাষা হিসেবে অসমিয়া প্রবর্তনের কুচকাওয়াজ শুরু করেন, কেননা তিনি মনে করতেন আসাম কেবল অসমিয়াদেরই জন্য। সুতরাং আসামের সরকারি চাকরিও অসমিয়াদেরই জন্য। ১৯৪৭ সালের ৩রা অক্টোবর গুয়াহাটিতে প্রধানমন্ত্রী গোপীনাথ বরদলৈ তাঁর সরকারের ভাষা নীতি সম্পর্কে সুস্পষ্ট মতামত তুলে ধরে সাংবাদিকদের জানান—

    “…the language policy of government the premier said that Assamese would be the official and state language.”৩ লক্ষণীয় যে,আসামে ব্রহ্মপুত্র এবং বরাক উপত্যকা নামে দুটি উপত্যকা রয়েছে। আসামের দুটি উপত্যকায়ই বাংলাভাষীর বসবাস থাকলেও তুলনামুলকভাবে বরাক উপত্যকায় ৯০ শতাংশ বাংলাভাষীর বাসভূমি। ফলে প্রধানমন্ত্রীর ওই বক্তব্যে বরাক উপত্যকায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এই চাঞ্চল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই প্রধানমন্ত্রী গোপীনাথ বরদলৈ ১৯৪৭ সালের ১৫ নভেম্বর শিলচরে উপস্থিত হয়ে ফের জানালেন অসমিয়াকে বাধ্যতামূলকভাবেই রাজ্যিক ভাষা করা হবে। তবে বাংলা স্কুলগুলিতে সরকারি অনুদান কোনোভাবেই বন্ধ করা হবে না। কিন্তু পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী বরদলৈর এই অঙ্গীকার যে কেবল মিথ্যার ফানুস ছাড়া আর কিছুই ছিল না— তা একের পর এক বাংলা স্কুল বন্ধ করে দেওয়ার মধ্য দিয়ে যেমন প্রমাণিত, তেমনি বেঁচে থাকা স্কুল গুলোর সরকারি অনুদানও লজ্জাজনকভাবে কমিয়ে দেওয়ার মধ্যে প্রতিফলিত। অপরদিকে অসমিয়া স্কুলগুলোতে সরকারি অনুদান বাড়ল, স্কুল সংখ্যাও বৃদ্ধি পেল ব্যাপক গতিতে। সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রেই অসমিয়াকরণের কাজ এগিয়ে চলল পরিকল্পনা মাফিকই।৪ উল্টোদিকে সরকারি ষড়যন্ত্রে বাংলা মাধ্যমের বিদ্যালয় একের পর এক বন্ধ হয়ে যেতে লাগল। কেননা, গোপীনাথ বরদলৈ ১৯৪৮ সালেই আইন সভায় ঘোষণা করেছেন এই বলে যে, “It is not the intention of the government to make Assam a bi-lingual state and for the sake of homogeneity of the province…all non-Assamese to adopt Assamese language.”৫ এই ঘোষণার ফলে বাংলা শিক্ষায় আগ্রহীদের অনেকেই দমে গেলেন অনেকটা পারিপার্শ্বিক অবস্থার চাপে পড়েই। কেননা সামাজিক স্তরেও অসমিয়া জাতিয়তাবাদ ইতিমধ্যেই হিংস্ররূপ নিয়েছে। ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় স্থানে স্থানে বাঙালি নিধনও শুরু হয় কেবল ‘বাঙালি’ হওয়ার অপরাধেই। সরকার বাহাদুর তখন নীরব দর্শকের ভূমিকায় অবতীর্ণ। ১৯৫০ সালে অসমিয়াদের এই জাতিবিদ্বেষ ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে। বাঙালি মুসলমানের অনেকেই ইতিমধ্যে ভাষিক পরিচয় পাল্টানোর চিন্তাচর্চা শুরু করে দিয়েছেন; এরই ফাঁকে রং পালটে নিয়েছেন অনেকেই।

    ১৯৫১ সালের লোকগণনায় এক সাংঘাতিক ‘ম্যাজিক’ হয়ে গেল আসামের অসমিয়া জনসংখ্যার বিস্ময়কর জনস্ফীতিতে। ১৯৩১ সালের লোকগণনায় আসামের অসমিয়া জনসংখ্যা ছিল ১৯,৯২,৮৪৬ জন। কিন্তু কুড়ি বৎসরের মাথায় সেই সংখ্যা দাঁড়াল ৫৯,৬৬,১৫৯ জন। সকলেই বিস্মিত, কেমনভাবে এটা সম্ভব? ভারতের সেন্সাস কমিশনের মতে, ১০ বৎসরে জনসংখ্যা সাধারণত ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পায়, কিন্তু অসমিয়া জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ইঁদুরের জন্মহারকেও হার মানিয়ে দিয়েছে। “আসলে অসমিয়াদের জন্মহার বাড়েনি,গণনায় কারচুপি করেই সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে।”৬ এই কারচুপির উদ্দেশ্য অসমিয়াকে রাজ্যভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রভূমি প্রস্তুতকরণ। সুকুমার বিশ্বাস তাঁর ‘আসামে ভাষা আন্দোলন ও বাঙালি প্রসঙ্গ’ গ্রন্থে দেখিয়েছেন, দেশ বিভাজনের পর আসামের মোট জনসংখ্যা ছিল ৯০,৪৩,৭০৭ জন। এর মধ্যে অসমিয়া ৩১%, বাঙালি ৩১% এবং পার্বত্য ও অন্যান্য জাতি ছিল ৩৮%। অসমিয়া এবং বাঙালি জনসংখ্যা সমান থাকলে আইনগত ভাবে অসমিয়াকে রাজ্যভাষা করা সম্ভব হবে না জেনে বা আশংকা করেই অসমিয়া ভাষা ব্যবহারকারীর কৃত্রিম সংখ্যাধিক্য ঘটিয়ে ম্যাচ জেতার গোপন ব্লুপ্রিন্ট প্রস্তুত করা হয়েছিল। ওদিকে বাংলা মাধ্যমের বিদ্যালয়গুলোর আর্থিক সাহায্য বন্ধ করে দেওয়ায় গোয়ালপাড়া জেলার ২৫০টি নিম্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৯৪৭-৪৮ সাল থেকে ১৯৫০-৫১ সালের মধ্যে অসমিয়া মাধ্যমের বিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। কেবল নিম্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় নয়, হাইস্কুল বা কলেজে ভরতি,বৃত্তি ইত্যাদির ক্ষেত্রেও আসাম সরকার বাঙালি ছেলে-মেয়েদের বঞ্চিত করেছেন নানা আইন ও পদ্ধতির বেড়াজালে। ফলে অনিচ্ছা সত্ত্বেও অনেক বাঙালি অভিভাবক ছেলে-মেয়েদের অসমিয়া বিদ্যালয়ে পাঠাতে শুরু করেন। চাপের মুখে পড়ে তখন থেকেই বিদ্যালয় স্তরে বাংলা পঠন-পাঠন এর পরিসর সংকুচিত হতে শুরু করে।

    এদিকে ইতিহাসের চাকা আরও কিছুটা এগিয়ে গেলে ১৯৫৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আসাম গভর্নরের উপদেষ্টা এন,কে,রুস্তমজি ঘোষণা করেন যে, “…it has been finally decided to introduce Assamese as the medium of instructions in all schools in the agency with effect from the next school session.”৭ এই ঘোষণার কয়েক মাস বাদেই দেখা গেল কেবল শিক্ষার মাধ্যমই নয়, “জনমতের কোনো তোয়াক্কা না করেই ১৯৬০ সালে অসমিয়া ভাষা আসাম রাজ্যের সরকারি ভাষার মর্যাদা লাভ করে একক ভাবে।”৮ ফলে বরাক উপত্যকায় এহেন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। বাংলা ভাষা রক্ষার্থে ১৯৬১ সালের ১৯শে মে ১১ জন বাংলা মায়ের সন্তান শহিদ হন। এর পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় ‘বঙ্গাল খেদা’ আন্দোলন তীব্র মাত্রা লাভ করে। আন্দোলনের পার্শ্ব ক্রিয়ার অকথ্য নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে তখন অনেক হিন্দু বাঙালি পার্শ্ববর্তী রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে পাড়ি দেয়। বস্তুত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও উগ্র অসমিয়া জাতিয়তাবাদের দাপটে বাংলা ভাষা আসামে সাত দশক পূর্বে যে চাপের মুখে পড়েছিল তা থেকে এখনও মুক্ত নয়। মুক্ততো হয়ই নি, বরং ষড়যন্ত্রের নতুন নতুন ছদ্মবেশ বাংলা ভাষার প্রচলনে নিত্য নতুন বাধার সৃষ্টি করেই চলেছে।

    সাম্প্রতিক কালে আসামের সবচেয়ে প্রভাবশালী মন্ত্রী (শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থ, পূর্ত ইত্যাদি দপ্তরের মন্ত্রী) ডঃ হিমন্ত বিশ্বশর্মা ঘোষণা করেছেন যে, এখন থেকে আসাম সরকারের অধীনে চাকরি পেতে হলে প্রার্থীকে অসমিয়া পড়ার শংসাপত্র আবশ্যিক হবে। এই ঘোষণার পর আবার দেখা গেল ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার হাতে গোনা কয়েকটি বাংলা মাধ্যমের বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীর টান পড়তে শুরু করেছে। বাংলা মাধ্যমের নিম্ন প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে উত্তীর্ণ হয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা সাধারণত নিকটবর্তী উচ্চ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বাংলা স্কুলেই ভরতি হয়। কিন্তু মন্ত্রীর ওই ঘোষণার পর দেখা গেছে এখন অনেক ছাত্র-ছাত্রীরা বাংলা স্কুলের পরিবর্তে অসমিয়া স্কুলে ভরতি হয়েছে। এভাবে স্থানে স্থানে বাংলা স্কুল ছাত্র-ছাত্রীর অভাবে রক্তশূন্যতায় ভুগছে। এরকম পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়ে আসামের হোজাই এবং ঢেকিয়াঝুলি শহরের একাধিক স্কুল ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। তাছাড়া অনেক ইংরেজি স্কুলে এতদিন বাংলা ভাষা-সাহিত্য একটা বিষয় হিসেবে পড়বার সুযোগ ছিল। বাঙালি ছাত্র-ছাত্রীরা কিছুটা হলেও মাতৃভাষা শিক্ষা অর্জন করতে পারতো। সরকারের ওই ঘোষণার পর সকল ইংরেজি স্কুলেই এখন অসমিয়া বাধ্যতামুলক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। আসামের বিদ্যালয়স্তরে বাংলা বিদ্যাচর্চার পরিসর এভাবেই একটু একটু করে তলানিতে এসে ঠেকেছে।

    শুধু রাজনৈতিক কারণেই যে আসামে বাংলা বিদ্যাচর্চার পরিসর দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে, তা কিন্তু নয়। ইংরেজির আগ্রাসনী ভুমিকাও এক্ষেত্রে একটা বড় ভূমিকা পালন করছে। বিশ্বায়নের প্রভাব থেকে এখন গ্রামগঞ্জও মুক্ত নয়। বিশ্বায়ন আমাদের অত্যধিক অর্থনৈতিক সচেতন করে তুলেছে। লাভ লোকসানের হিসেব আমরা বেশ ভালোভাবেই বুঝতে শিখে গেছি। বিশ্বায়নের কল্যাণে আমরা এখন মাতৃভাষা প্রেমের সেকেলে আবেগ থেকে ক্রমশ মুক্ত হয়ে অর্থকড়ি ভাষা বিদ্যার প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছি। কারণ, “অধিকাংশ বাঙালি বাবুর কাছে এখন সুরম্য বাড়ি, গাড়ি, শেয়ার বাজার, ‘একা একা’ ভালো থাকার জন্য যাবতীয় ভোগ ও বিলাস উপকরণই অভীষ্ট হয়ে উঠেছে। এদের ছেলেমেয়েদের সামনে পাখির চোখ হয়ে উঠে আসছে ল্যাপটপ, স্মার্ট ফোন ও ইন্টারনেট সংস্কৃতি। ব্যক্তিগত উন্নতির সোপান হয়ে দেখা দিচ্ছে গ্লোবাল ভিলেজ ও গ্লোবালাইজেশানের রংমশাল। স্বাভাবিক ভাবেই তৃতীয় প্রজন্মের বিদ্যার্জন শুরু হয় কনভেন্টে, নয়তো যেকোনো ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে। অন্যদের মতো তারা রাইম বলতে পারে,ছড়া জানে না,হ্যারি পটার চেনে ‘ঠাকুরমার ঝুলি’ কিংবা ‘গুল বকাওলি’ দেখেনি। এদের জন্য ড. মুহম্মদ শহীদুল্লারা বৃথাই সারাজীবন কান্নাকাটি করে গেলেন।”৯ ফলে একসময় আসামের যে সকল ঐতিহ্যবাহী বাংলা স্কুলে পড়ে জীবন ধন্য করার জন্য অভিভাবক, ছাত্র-ছাত্রীরা স্বপ্ন দেখতো সেইসব স্কুল এখন অধিকাংশ সাধারণ মেধার ছাত্র-ছাত্রীই প্রধান অবলম্বন হয়ে উঠেছে। গুয়াহাটি রেল স্ট্যাশনের কাছেই অবস্থিত পল্টন বাজার বেঙ্গলি হাইস্কুল, হোজাইয়ের দেশবন্ধু বিদ্যাপীঠ এর অন্যতম উদাহরণ। আসামের কলেজ স্তরেও এখন বাংলা এম,আই,এল, কিংবা বাংলা অনার্স ক্লাসে পনেরো/কুড়ি বছর আগের মতো হল/রুম ভর্তি ছাত্র-ছাত্রী দেখা যায় না। কারণ স্কুল স্তরে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কমলে কলেজে তার প্রতিফলন অনস্বীকার্য। আবার বাঙালি অধ্যুষিত এলাকার কোনো কোনো কলেজের অসমিয়া এম,আই,এল কিংবা অনার্স ক্লাসের ছাত্র-ছাত্রীদের অধিকাংশই দেখা যায় বাঙালি মায়ের সন্তান। তাও কিন্তু জাতীয়তাবাদী সংগঠন গুলোর বহুদিনের অভিযোগ— “হিন্দু বাঙালিরা অসমিয়া পড়ে না” কোনোকালেই ঘোচে না। ওরা এই খবর রাখে না যে, হোজাই শঙ্করদেব বিদ্যানিকেতনের সিংহ ভাগ শিক্ষার্থীই হিন্দু বাঙালি ঘরের সন্তান।

    বাঙালি ছাত্র-ছাত্রীদের মুখে আকছার এই প্রশ্ন শোনা যায়, আসামে বাংলা পড়ে কী হবে? অর্থাৎ নিশ্চিত ভবিষ্যতের প্রশ্নে দেশের অন্যান্য প্রান্তের মতো আসামের বাঙালি ছাত্র-ছাত্রীরাও মাতৃভাষার পরিবর্তে অর্থকড়ি ভাষায় বিদ্যা অর্জন করতে চায়। ফলে শহর অঞ্চলের ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবক সমাজের ঝোঁক ইংরেজির দিকেই বেশি। নিদেন পক্ষে অসমিয়া; কিন্তু বাংলা কভু, কক্ষনও নয়! আসলে ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার বাংলা স্কুল গুলোর অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রীই আসে তুলনামূলকভাবে সীমিত আয়ের পরিবার ও গ্রামাঞ্চল থেকে। ধনী ও সামর্থ্যবান পরিবারের ছেলেমেয়েরা সিংহভাগই যাচ্ছে সাহেবি ভাষায় বিদ্যা অর্জন করতে। যদিও এই প্রবণতা নতুন নয় তবু এই শ্রেণির এহেন প্রবণতা ব্যাখ্যা করে একজন বাংলা ভাষা প্রেমিক মন্তব্য করেছেন এভাবে, “সুদীর্ঘ ঔপনিবেশিক শাসনে আবদ্ধ আমরা আলো-অন্ধকার দুই-ই অর্জন করেছি। পাশ্চাত্যের জ্ঞান বিজ্ঞান মুক্তচিন্তা ও সাংস্কৃতিক উপাদান যেমন ঋদ্ধ করেছে আমাদের তেমনি তার বাইরের চটকের প্রতি মোহগ্রস্ততা অন্ধকারে টেনে নামিয়েছে। আমরা ইংরেজি শিখেছি, প্রাগ্রসর হয়েছি, বিশ্বের সামনে প্রতিযোগী হয়ে উঠে এসেছি, আমাদের কল্যাণ হয়েছে। পাশাপাশি সাহেবদের দেখাদেখি আমাদের জাতীয় নেটিভতাকে ঘৃণা করতে শিখে নিজেদের অকল্যাণ ডেকে এনেছি। ভাষাও একটি অন্যতম নেটিভতা। একে তাচ্ছিল্য করার প্রবণতা তাই নতুন নয়। সে রক্তের গভীরে বাসা বেঁধে আছে।”১০ সুতরাং বাংলা ভাষার প্রতি অধিকাংশ বিত্তবান ও মধ্যবিত্তের মনোভাব এই মন্তব্যের পর আর বুঝতে অসুবিধা হয় না। অথচ কে তাদেরকে বোঝাবে যে, বাঙালি সন্তান ইংরেজি বিদ্যায় যতই পটু হোক না কেন, মাতৃভাষা না শিখলে তার শিক্ষা পূর্ণতা লাভ করে না। মাতৃভাষার মধুর মানবিক রস ভাণ্ডারের রহস্য উদ্ধার থেকে সে চিরকালই বঞ্চিত থেকে যায়। বিদেশি ভাষায় শিক্ষাদীক্ষার ফলে আজ অধিকাংশ শিক্ষার্থীই কর্মজীবনে রোবট সুলভ আচরণে দক্ষ হয়ে উঠছে। কেননা মানবিকতা বোধ,চিন্তাশক্তি ও কল্পনাশক্তির যথোচিত সমাবেশ সকলের মধ্যে ওই ভাষার কারণেই ষোলো আনা পুষ্টি লাভ করে না। মাতৃভাষার সাহিত্যরস থেকে বঞ্চিত থাকার ফলে ভালো মানবিক বৃত্তিগুলোও মন থেকে ধীরে ধীরে নিঃশেষ হয়ে যায়। এজন্যই অনেকে অমানবিক ও স্বার্থান্বেষী আচরণে সিদ্ধ হয়ে উঠে; হারিয়ে যায় জাতীয় চেতনাবোধ। সে জন্যই বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. শুভ্রা দাশগুপ্ত মনে করেন, “শিক্ষার সঙ্গে জীবনের সুসামঞ্জস্য তখনই হতে পারে যখন আমাদের শিক্ষা বাংলা ভাষা ও বাংলা সাহিত্যের মাধ্যমে হবে।”১১ আমাদের ভুললে চলবে না যে, রবীন্দ্রনাথ সহ অনেক মনীষীই মাতৃভাষাকে মাতৃদুগ্ধের সঙ্গে তুলনা করে গেছেন। এই তুলনা পৃথিবীর তাবৎ মাতৃভাষা সম্পর্কেই প্রযোজ্য। তবে বাঙালির মাতৃভাষার ক্ষেত্রে যদি একালের শিক্ষিত বাঙালি, ছাত্র ও যুব সমাজ সে কথা ভুলে যায় তবে আত্মঘাতের হাত থেকে আমাদের কে রক্ষা করতে আসবে?

    শিক্ষা অনুষ্ঠানে বিদ্যাচর্চা ছাড়া কোনো ভাষাই সমাজ জীবনে বিশেষ ব্যপ্তি লাভ করতে পারে না। আসামে স্কুল-কলেজের বিদ্যাচর্চার ক্ষেত্রেই যেহেতু বাংলা ভাষার পরিসর দিন দিন সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে তাই অবধারিত ভাবে সমাজ জীবনেও তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। বাঙালি বাড়ির বিয়ে, অন্নপ্রাশন ইত্যাদির নিমন্ত্রণপত্র এখন ইংরেজিতে ছাপানো অনেকটাই ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুরোটা না হলেও শিক্ষিত অফিসিয়ালদের ক্ষেত্রে তো ষোলো আনাই হচ্ছে। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চা খুবই সীমিত হয়ে গেছে। রবীন্দ্রনাথ, নেতাজি, স্বামী বিবেকানন্দরা জন্মদিনে বন্দিত হন ঠিকই কিন্তু আগের মতো আড়ম্বর পূর্ণ আয়োজন দেখা যায় কদাচিৎ। অধিকাংশ অনুষ্ঠানই অনুষ্ঠিত হয় নামকাওয়াস্তে। অবশ্য বৌদ্ধিক আলোচনা কিংবা উন্নত রুচির সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দর্শক শ্রোতার নগণ্য তথা নিরুৎসাহ জনক উপস্থিতিও আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে আয়োজকদের উৎসাহ দমিয়ে দিয়েছে। দুর্গোৎসবের সঙ্গে সংগতি রেখে বাঙালি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে যাত্রা পালার আয়োজন, লিটল ম্যাগাজিন প্রকাশনা দুই দশক আগে পর্যন্ত ছিল আমাদের সংস্কৃতির অঙ্গ। ছোট পত্রিকার যেমন বিজ্ঞাপন আর ক্রেতার অভাব তেমনি যাত্রাপালার ক্ষেত্রে অভাব দর্শক ও স্পন্সরের। কারণ এসব কাজে কোন লাভ নেই,বোকা বাক্সে প্রদর্শিত অনুষ্ঠানের মতো ‘মজা’ নেই এই ‘গেঁয়ো’ যাত্রাপালায়। বিশ্বায়নের মায়াজাল ইতিমধ্যে আমাদের চোখ ধাঁধানো অনুষ্ঠান দেখিয়ে মজিয়ে রেখেছে। অর্থাৎ বিশ্বায়নের করাল গ্রাসে এগুলো হারিয়ে গেছে বেনে পাড়ার মোড়ে। বরাক উপত্যকায় বেশ কয়টি বাংলা দৈনিক সংবাদ পত্র চললেও ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় ‘দৈনিক যুগশঙ্খ’ই হল বাঙালির ক্ষোভ বেদনা বঞ্চনা ও আনন্দ প্রকাশের একমাত্র মাধ্যম। অথচ এই দৈনিক পত্রিকাটিও চলছে ধুঁকে ধুঁকে, হাজারটা প্রত্যাহবানকে অতিক্রম করে। পারিপার্শ্বিক চাপে প্রাণ খুলে বাঙালির হাজারটা সমস্যা ও তার কারণ নির্দেশ সংবাদ প্রতিবেদনে প্রকাশ সবসময় সম্ভব হয় না বলে একাংশ পাঠক ওই পত্রিকা কেনেন না। আবার পুরোদস্তুর সংবাদ-ধর্ম পালন করতে গেলে পত্রিকা দপ্তরে রাতের অন্ধকারে জ্বলে উঠে বিদ্বেষী আগুনের লেলিহান শিখা। তাছাড়া সরকারি বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে বৈমাত্রেয় সুলভ আচরণের প্রসঙ্গ তো আছেই। সুতরাং এসমস্ত প্রসঙ্গকে পাশ কাটিয়ে চলতে গেলে একটি পত্রিকার অবস্থা কী হতে পারে তা সহজেই অনুমেয়। তাও যে পত্রিকাটি দীর্ঘ দিন যাবত এই উপত্যকায় বেঁচে রয়েছে তা একমাত্র পাঠক সাধারণের আশীর্বাদ ও বাংলা ভাষার প্রতি থাকা অকৃত্রিম ভালোবাসার জন্যই। তা নইলে এই পত্রিকাও এক সময়ের বহুল প্রচারিত দৈনিক কাগজ ‘সময় প্রবাহ,’ ‘গণ পত্রিকা’, ‘সকাল বেলা’ ইত্যাদির মতো ইতিমধ্যে ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিতো। অন্যদিকে বাঙালি সামাজিক-সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী গুলোর কাজ কর্মও একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে, রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, উগ্র জাতীয়তাবাদীদের চাপ আর বিশ্বায়নের করাল গ্রাস আসামের বাঙালির হাল কেমন বেহাল করে ছেড়েছে। স্বস্তির কথা,বাঙালি অধ্যুষিত এলাকায় কেউ এখনও বাঙালির মুখের ভাষা কেড়ে নেয়নি। অসমিয়া প্রধান এলাকার বাঙালিরা ছেলেমেয়েদের অসমিয়া স্কুলে পাঠানোর পাশাপাশি সমাজ জীবনেও ত্রিশ/চল্লিশ শতাংশ অসমিয়া শব্দ মিশিয়ে মৌখিক বাংলাকে চালু রেখেছে।

    আসামে বাংলা ভাষার অতীত ও বর্তমান রূপরেখা অঙ্কনের পর স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠে এর ভবিষ্যৎ নিয়ে। বিশ্বায়ন ও রাজনীতির চাপে পিষ্ট আসামের বাংলা ভাষার ভবিষ্যৎ এক কথায় অন্ধকার। কারণ, অনেক নির্যাতন, সামাজিক হেনস্থা ও রাজনৈতিক কারসাজির ফলে পদে পদে শিকার অনেক বাঙালি এখন পরিবেশ পরিস্থিতির সঙ্গে আপস করে নিতে চায়, নিজেকে পারিপার্শ্বিক আবহে মিলিয়ে নিতে চায়। আর চায় বলেই তারা লোকগণনায় মাতৃভাষা হিসেবে বাংলার পরিবর্তে অসমিয়া লেখাতে যেমন উৎসুক, তেমনি সন্তানদের অনা–বাংলা স্কুলে পাঠিয়ে নিশ্চিন্তে জীবন যাপন করতে আগ্রহী। এহেন চিন্তার নেপথ্যে অবশ্য এন আর সি, অসম চুক্তির ৬নং দফা রূপায়ন ভীতিও ক্রিয়াশীল রয়েছে। যাই হোক, সাধারণ বাঙালির উল্লিখিত প্রবণতা অব্যাহত থাকলে আসামের ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় আগামী দু/তিন দশকের মধ্যে অবশিষ্ট বাংলা স্কুল গুলি রূপান্তরিত হয়ে যাবে অসমিয়া কিংবা ইংরেজি মাধ্যমে। অভিভাবকদের সামনে বিকল্পহীন দু-চারটে স্কুল কালের বুকে বেঁচে থাকলে থাকতে পারে। বরাক উপত্যকায় অবশ্য বাংলা আরও কয়েক দশক নিশ্চিন্তে চলবে। তবে বিশ্বায়ন তথা ইংরেজির আগ্রাসন থেকে ওই উপত্যকাও মুক্ত নয়। তবে আসাম বলতে যে বৃহত্তর তথা প্রধান অঞ্চলকে বোঝায় সেই অঞ্চলের (ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা) বাংলা ভাষার হাল সত্যিই উদ্বেগজনক। মাতৃভাষাকে মায়ের মত ভালোবেসেও বলছি, এই দুরারোগ্য ব্যধি থেকে মাকে সারানোর কোনো সম্ভাবনা এই মুহূর্তে নেই। অদূর ভবিষ্যতে কোনো গতিপথের সন্ধান মিলবে বলেও মনে হয় না। বিশ্বায়ন ও রাজনীতি এভাবেই আমাদের মাতৃভাষাকে এরাজ্যে চেপে চেপে পিষ্ট করে ফেলেছে। একটু একটু করে গ্রাস করে নিচ্ছে বাঙালির জাতিসত্ত্বা। কেননা, জাতির অস্তিত্ব নির্ভর করে ভাষা,সাহিত্য ও সংস্কৃতির উপর। যে রাজ্যে বাঙালির ভাষা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এহেন দৈন্য দশা চলছে সেরাজ্যে বাঙালির অস্তিত্ব কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে তা সহজেই অনুমেয়।

    তথ্যসূত্র ও মন্তব্য:

    ১। www.google.com/search Bengali people in assam/cencus2011. visited on 20th Oct’2020.

    ২। মহাভারতের যুগে আসামের নাম ছিল প্রাগজ্যোতিষপুর বা কামরূপ। কালিকা পুরাণ মতে, গৌহাটির নিকটবর্তী মা কামাখ্যা মন্দির ছিল কামরূপ রাজ্যের মধ্যবর্তী স্থলে এবং বিষ্ণু পুরাণ মতে, কামাখ্যা চতুর্দিকে একশত যোজন পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। একশত যোজন অর্থাৎ ৪৫০ মাইল। সেই হিসেবে সমগ্র পূর্ববঙ্গ প্রাচীন আসামের অন্তর্ভুক্ত ছিল। সূত্র: নীলাদ্রী রায়, আসামে অসমীয়া ও বাঙ্গালী জাতির ইতিবৃত্ত, শ্রী চৈতন্য প্রেস, প্রথম সংস্করণ, শিলচর-২০১৭, পৃষ্ঠা ২-৩।

    ৩। Amrit Bazar Patrika, Calcutta, October 5, 1947 (সুকুমার বিশ্বাস, আসামে ভাষা আন্দোলন ও বাঙালি প্রসঙ্গ ১৯৪৭-১৯৬১, পারুল প্রকাশনী প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম সংস্করণ, কলকাতা ২০১৭, পৃষ্ঠা-৬১ তে ব্যবহৃত উদ্ধৃতি থেকে উদ্ধৃত)।

    ৪। সুকুমার বিশ্বাস, আসামে ভাষা আন্দোলন ও বাঙালি প্রসঙ্গ ১৯৪৭-১৯৬১, পারুল প্রকাশনী প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম সংস্করণ, কলকাতা ২০১৭, পৃষ্ঠা-৬৩।

    ৫। Assam Assembly Proceeding, 1948, P.511, উদ্ধৃত Report of Non-Official Enquiry Commission on Cachar, A.K.Das Memorial Trust, (পুস্তিকা), P.5 এবং আসামের উপেক্ষিত, পৃষ্ঠা-৬ (সুকুমার বিশ্বাস, আসামে ভাষা আন্দোলন ও বাঙালি প্রসঙ্গ ১৯৪৭-১৯৬১, পারুল প্রকাশনী প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম সংস্করণ, কলকাতা ২০১৭, পৃষ্ঠা-৬৭ এ ব্যবহৃত উদ্ধৃতি থেকে উদ্ধৃত)।

    ৬। প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা-৮৩।

    ৭। The Assam Tribune, Gauhati, April 21, 1959 (সুকুমার বিশ্বাস, আসামে ভাষা আন্দোলন ও বাঙালি প্রসঙ্গ ১৯৪৭-১৯৬১, পারুল প্রকাশনী প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম সংস্করণ, কলকাতা ২০১৭, পৃষ্ঠা-১২০ এ তে ব্যবহৃত উদ্ধৃতি থেকে উদ্ধৃত)।

    ৮। প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা-১২০।

    ৯। সাগর বিশ্বাস, বাঙালির মাতৃভাষা, উনিশে মে, শান্তনু গঙ্গারিডি (সম্পাদনা) একাদশ বর্ষ, কলকাতা ২০১৮, পৃষ্ঠা-২১।

    ১০। তদেব, পৃষ্ঠা-২১।

    ১১। ড. শুভ্রা দাশগুপ্ত, মাতৃভাষা ও শিক্ষার সম্পূর্ণতা, সম্মেলনী, রামদুলাল বসু (সম্পাদনা), ৮৩ বর্ষ ২য় সংখ্যা, ডিসেম্বর, নতুন দিল্লী ২০১১।

    লেখক পরিচিতি: সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, হোজাই গার্লস কলেজ, হোজাই, আসাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশী – হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড
    Next Article আমার জবানবন্দি – নির্মল সেন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }