Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও বাংলা ভাষা – সম্পাদনা : নিরুপম আচার্য

    নিরুপম আচার্য এক পাতা গল্প195 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও শেরশাবাদিয়া ভাষা – আকবর হোসেন

    সাংস্কৃতিক আগ্রাসন হল কোন সংস্কৃতিকে জোর করে নিয়ন্ত্রন, বিশেষ ভাবে প্রভাবিত করে ধ্বংস করে দেওয়া। অন্য ভাষার সংস্কৃতির প্রভাবে যখন অপেক্ষাকৃত দুর্বল, পিছিয়ে পড়া ভাষার অপমৃত্যু ঘটে, তখন আমরা তাকে এক ভাষার প্রতি অন্য ভাষার আগ্রাসন বলি। এই সাংস্কৃতিক আগ্রাসনকে সাংস্কৃতিক সাম্রাজ্যবাদ বলতেও দ্বিধা নেই। এই সাংস্কৃতিক আগ্রাসন একদিনে আসেনি। পুঁজিবাদী সমাজের ধ্যন-ধারণা থেকে এর জন্ম হয়। সামন্তবাদী সমাজ থেকে মানুষ যখন পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থায় প্রবেশ করে তখন তারা চিন্তা করে, পুঁজির বিকাশ হবে না যদি তাদের সংস্কৃতিকে সবাই অনুসরণ না করে। ফলে তাদের কৌশলে ভিন্নভাষী মানুষ নিজের সংস্কৃতিকে ঘৃণা করে অন্য সংস্কৃতির প্রতি ভীষণভাবে আকৃষ্ট হয় এবং সেই সংস্কৃতিকে শ্রেষ্ঠ বলে মনে করে তার দিকে ঝুঁকে পড়ে। ভাষার এই আগ্রাসন কোন বিছিন্ন ঘটনা নয়। সভ্যতার প্রথম লগ্ন থেকে অপেক্ষাকৃত সমৃদ্ধ জাতি ও ভাষা, দুর্বলজাতি ও তার ভাষাকে গ্রাস করতে চেয়েছে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেই প্রয়াস সফলও হয়েছে। একটি বিজয়ী জাতি বিজিত জাতির ভাষাকে বিলুপ্ত করে তার নিজের ভাষাকে সেই জাতির ওপর চাপিয়ে দিয়েছে। নানা প্রলোভন, অর্থনৈতিক, জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে দুর্বল জাতি বিজয়ী জাতির ভাষাকে সাদরে বরণও করে নিয়েছে। এই ভাবে পৃথিবীতে অনেক ভাষা হারিয়ে গেছে। অনেক ভাষা আজ হারানোর মুখে। আসলে একটি ভাষার প্রায় বিলোপ মানে একটি সংস্কৃতি বিলোপ, একটি জাতিসত্তার অপমৃত্যু। আর এই রকম একটি ভাষা মুসলিম সম্প্রদায়ের শেরশাবাদিয়া ভাষা।

    শেরশাবাদিয়া ভাষায় সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের প্রসঙ্গ আলোচনার করার আগে এই জাতির জীবন, সংস্কৃতি, উত্থান সম্পর্কে সম্যক ধারণার প্রয়োজন। এই শেরশাবাদিয়া মুসলিম জনগোষ্ঠী মূলত আফগান দেশীয় পাঠান মুসলমান জনগোষ্ঠীর একটি শাখা। আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক জটিল আবর্তে কোন এক সময় দলবদ্ধ ভাবে অখন্ড পাঞ্জাবে তারা চলে আসে এবং এখানকার ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নেয়। পরবর্তীতে ষোল শতকের তিন-চারের দশকের সময়কালে অর্থাৎ শের খাঁর গৌড় আক্রমনকালে তারা তাঁর সৈন্য হিসাবে গৌড় অঞ্চলে পদার্পণ করে। শের শাহ রাজ্যকে শাসনকার্য ও রাজস্ব আদায়ের সুবিধার্থে কয়েকটি পরগনায় ভাগ করেন। এ রকমই একটি পরগনা হল ‘শেরশাহাবাদ’-যার ভিতরে ছিল বাংলার রাজধানী গৌড় শহর ও পরবর্তীতে টাঁড়া শহর। এর আয়তন ১,০৬,৫৬৮ একর, এর অধীনে ১৫টি এস্টেট রয়েছে। মূল অংশটি গঙ্গা ও মহানন্দার মধ্যবর্তী এলাকায় গৌড়ের ধ্বংসাবশেষ নগরকে ঘিরে অবস্থিত। আর এই শেরশাহাবাদ পরগনার অধিবাসীরা শেরশাবাদী বা শেরশাবাদিয়া নামে পরিচিত। এই জনগোষ্ঠীর ভাষা বিশেষকেও শেরশাবাদী বা শেরশাবাদিয়া ভাষা বলে। ঐসব যুগে শাসকদের ভাষা ফারসী থাকলেও এই পরগনার সাধারণ জনগন এমন এক কথ্য ভাষায় কথা বলত, যার মধ্যে এক বিশেষ স্বাতন্ত্র্য রয়েছে— যা শেরশাবাদিয়া ভাষা নামে পরিচিত। মালদার অন্যতম লোকসংস্কৃতি গম্ভীরা এই ভাষায় গাওয়া হয়। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির প্রভাবে সেই ভাষার ঐতিহ্য, ধারাবাহিকতা, কৃষ্টি-কালচার, সাহিত্যচর্চা হারিয়ে যেতে বসেছে।

    আধুনিকতার সূত্রপাতে যেমন আমাদের মনন চিন্তার গভীরতা বেড়েছে তেমনি ইউরোপীয় ধারাই লালিত হয়ে তাদের সাহিত্য, ভাষা, সংস্কৃতি অনুকরণের চেষ্টা করেছি। দেশের মানুষ বেশি বেশি করে বিদেশী সংস্কৃতিকে আঁকড়ে ধরতে চায়- আর এটাকেই তারা সভ্যতা ও আধুনিকতা বলে মনে করে। ফলে নিজস্ব চিন্তা-চেতনা, রীতিনীতির কথা ভূলে যায়। শেরশাবাদিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে তার ব্যতিক্রম হয়নি। বর্তমান প্রজন্ম শেরশাবাদিয়া ভাষা থেকে প্রায় বিছিন্ন হয়ে পড়েছে। বিছিন্ন পড়েছে সেটা ভূল, তাদেরকে সেই পথে চালনা করা হচ্ছে। মুসলমান সমাজ এমনিতেই শিক্ষা সংস্কৃতি দিক থেকে অনেক পিছিয়ে ছিল, তার ওপর ধর্মীয় গোঁড়ামি, সংকীর্ণতা সার্বিক শিক্ষার পথকে রুদ্ধ করে দিয়েছিল। উনিশ শতকের যে নবজাগরণ, সেই নবজাগরণের আলো এই জনগোষ্ঠীর মধ্যেও ধীরে ধীরে প্রবেশ করে। তবে সেই ভাবে গ্রামীন মানুষকে খুব একটা নাড়া দিতে পারেনি। পরবর্তীতে শিক্ষার আলো যখন সমাজের সবক্ষেত্রে প্রবেশ করে, তখন শেরশাবাদিয়ার সেই সমস্ত মানুষরাও বুঝতে পারে শিক্ষার গুরত্ব। এতদিন পর্যন্ত এই জাতি নিজস্ব সাংস্কৃতিক, ভাষাকে আঁকড়ে থাকলেও সেই ঐতিহ্য বর্তমানে অনেকটাই হারিয়ে গেছে। বাইরের মানুষের কাছে এই জনগোষ্ঠীর চাল-চলন, কথাবার্তা খুবই পরিচিত। যেন ভাষায় তাদের পরিয় বহন করত। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ভাষায় কথা বলার হার কমে যাচ্ছে। এর মূলে বাংলা ও ইংরেজি ভাষার আগ্রাসনকে অস্বীকার করা যায় না। যেহেতু ভাষাটি একটি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ, সেহেতু শিক্ষা-সংস্কৃতি, জীবন-জীবিকা, সামাজিক, অর্থনৈতিক প্রয়োজনে অন্য ভাষার প্রভাব পড়েছে বা বাধ্য হয়ে সেই ভাষাগুলির দারস্থ হতে হয়েছে। এই ভাষার নিজস্ব কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই। সরকারি কাজকর্মও এই ভাষায় করা হয় না। শেরশাবাদিয়া জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই ভাষা সীমাবদ্ধ রূপ নিয়েছে। তাই শিক্ষা-দীক্ষা, জীবন-জীবিকা, ব্যবসা-বানিজ্যের ক্ষেত্রে অন্য ভাষার উপর নির্ভর করতে হয়। যেহেতু শেরশাবাদিয়া অধ্যুষিত এলাকা বাংলার মধ্যে অবস্থিত, সেহেতু বাংলা ভাষার প্রভাব সবচেয়ে লক্ষনীয়। তবে বর্তমানে ইংরেজি ভাষার আগ্রসনও ব্যাপক ও জোরদার হতে শুরু করেছে।

    শেরশাবাদিয়া ভাষা বর্তমানে হারিয়ে যেতে বসলেও গ্রামীন সাধারণ মানুষের মধ্যে তা কিছুটা বেঁচে আছে। আর এই বিপন্নতা তখনই দেখা গেছে যখন এই ভাষার কথা বলার লোক কমে এসেছে, অর্থনৈতিক, সামাজিক মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রলোভনে সেই ভাষা-ভাষিরা অন্য ভাষা ব্যবহার করতে শুরু করেছে, পরবর্তী প্রজন্মকে মাতৃভাষা হিসাবে সেই ভাষা শেখানো হয় না, সরকারি কাজে, পঠন-পাঠনে সেই ভাষাকে গুরত্ব দেওয়া হয় না, সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চা করা হয় না। শুধু তাই নয় এই জনগোষ্ঠীর যে পরিবারে শিক্ষার আলো প্রবেশ করছে বা যারা শিক্ষিত হয়েছে, আধুনিকতার অহংকারে, নিজেকে সবার কাছে জাহির করার বাসনায় তারা এই ভাষাকে ত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে ঘৃণা করতে শুরু করে।আঁকড়ে ধরতে চায় বাংলা ও ইংরেজি ভাষাকে। পরবর্তী প্রজন্মকেও তারা এই শেরশাবাদিয়া ভাষার ধারের কাছে যেতে দেয় না। তাদের কাছে সেই ভাষা অজানাই থেকে যায়। এমনকি এই জনগোষ্ঠীর মধ্যেই হোক আর বাইরে, এই ভাষায় কথা বললে তারদিকে ব্যঙ্গের দৃষ্টিতে তাকানো হয় এবং তাকে অশিক্ষিত, অপদার্থ, মুর্খের আখ্যায় ভূষিত করতে মন ছটপট করতে থাকে। অনেক সময় তার বহিঃপ্রকাশও লক্ষ্য করা যায়। শিক্ষিত হলে তার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা আরও মারাত্মক হয়ে দাঁড়ায়— সমালোচনায় তার জীবন-সংস্কৃতিকে খান খান করা হয়। শিক্ষিত হলেও বংশের কোন খারাপ বিশেষণে তার শিক্ষাকে ধুলায় মিশিয়ে দেওয়া হয়- শুধু শেরশাবাদিয়া ভাষা ব্যবহারের জন্য। তুচ্ছার্থ অর্থে অন্য জনগোষ্ঠীর মানুষ এবং স্বগোষ্ঠীর একদল শিক্ষিত মানুষরা এই জনগোষ্ঠীর মানুষদের ‘শেরশা’ বাদ দিয়ে শুধু ‘বাদিয়া’ বলে ব্যঙ্গ করে। ফলে শেরশাবাদিয়া ভাষার প্রতি বিরূপতা তৈরী হয়। এক সময় এই ভাষা তারা প্রায় ভূলে গিয়ে বাংলা ও ইংরেজি ভাষাকে আঁকড়ে ধরে। বাংলা ও ইংরেজি ভাষার সর্বাত্মক আগ্রাসনেই আজ শেরশাবাদিয়া ভাষা বিপন্নতার পথে। এর প্রভাব এতটাই সর্বগ্রাসী ও মারাত্মক হয়ে দাঁড়িয়েছে যে মানুষের চিন্তা-চেতনা, আচার-আচরণ, পোশাক, জীবনযাত্রা, খাদ্যাভাস, মূল্যবোধ, নৈতিকতার জায়গায় শেরশাবাদিয়া ভাষাকে সরিয়ে কোথাও বাংলা, আবার কোথাও ইংরেজি ভাষা জায়গা করে নিয়েছে।

    মানুষের চিন্তা-চেতনা, আদর্শকে নিয়ন্ত্রন করার জন্যই সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চালানো হয়। যে কোন আগ্রাসনই হোক তার প্রভাব কখনোই ভালো নয়। আর যদি সাংস্কৃতিক আগ্রাসন হয়, তবে তা হয় আরও ভয়াবহ। কারণ সাংস্কৃতিক আগ্রাসন বার বার প্রয়োগ করতে হয় না। একবার কোন সমাজ, জনগোষ্ঠীকে প্রভাবিত করতে পারলে তার প্রভাব হয় সুদূরপ্রসারী। যেখান থেকে বেরিয়ে আসার উপায় হয়তো থাকে না। শেরশাবাদিয়া সম্প্রদায়ের সামগ্রিক জীবন প্রণালীকে বাংলা ও ইংরেজির সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ভীষণভাবে গ্রাস করেছে। পরিবর্তন করেছে সামগ্রিক জীবনের কথ্যভাষার রূপকে। সেই পরিবর্তনময় ভাষার বিবর্তনকে বোঝাতে কিছু উদাহারণের আশ্রয় নেব। যেমন খালি করা অর্থে বোঝাতে এই সম্প্রদায় ‘আজোড়’ শব্দ ব্যবহার করত। কিন্তু বর্তমানে ‘খালি’ শব্দের প্রাধান্য দেখা যায়, তেমনি উড়োশ অর্থে ছারপোকা, ওসরা-বারান্দা, ওসার-চওড়া, ওচ্ছা-বেটে,খাটো, কান্ধা-ধার, কবিতর-পায়রা, খাট্টা-টক, গিধনী-শকুন, গতোর-শরীর, গা, পহাত-সকাল, ইটে-ওটে-এখানে-ওখানে, উঝোট-হোঁচট, উদাম-খোলা, সানিহ্যা-প্রবেশ, উকাশ-অবকাশ, লহু-রক্ত, এ্যাকোড়া-একরোখা, জেদি, ক্যাইটঠ্যা- ঘন, শক্ত, কৃপণ, খৈলহা-অলস, খাসলত-স্বভাব, চরিত্র, গুমান-অহংকার, গুদড়ি-ছেঁড়া কাপড়, ঘিন্যাহী-ঘৃণ্য, চোপা-মুখ, গিথ্যান-বাড়ির প্রধান কর্ত্রী, ঘাটা-রাস্তা, জাঞ্জোরা-ভূট্টা, জিরি-মিহি, তোগদির-ভাগ্য, দদ-ব্যথা, দড়া-রশ্মি, পুসতা-বারান্দা, ফকফৈক্যা-ধবধবে, ভোগা-মিথ্যা ইত্যাদি শত শত শেরশাবাদিয়া শব্দের জায়গা দখল করে নিয়েছে বাংলা ভাষার শব্দগুলি। কয়েকটি শব্দ তুলে ধরেছি মাত্র। আরও অনেক শব্দ বাংলার ভাষার আগ্রাসনের মুখে মুখ থুবড়ে পড়েছে, উচ্চারিত হয়েছে বাংলা ভাষা। এক প্রজন্ম যখন অন্য ভাষার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কিছু শব্দের পরিবর্তন করেছে, পরবর্তী প্রজন্ম তো সেই পরিবর্তন শব্দের স্পর্শে আসেনি, বরং শিশু ও কৈশোর বয়সে যা শিখেছিল, তা থেকে রেহাই পেতে চেয়েছে। যেহেতু বর্তমানে শিক্ষার আলো প্রায় শেরশাবাদিয়া পরিবারে প্রবেশ করেছে সেহেতু বাইরের সংস্কৃতির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নিজের সংস্কৃতিকে ভুলতে বসেছে। ফলে নিজের ভাষাকে গ্রাস করে নিয়েছে অন্য ভাষা- যার মধ্যে বাংলা ভাষা অন্যতম।

    বর্তমান পরিস্থিতিতে মাতৃভাষার প্রতি মমতা, ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, আগ্রহ দিন দিন কমে যাচ্ছে। প্রতিযোগিতার বাজারে ইংরেজি ভাষাকে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে। আর ইংরেজি ভাষার জন্য সাংস্কৃতিক আগ্রাসন আরও সহজ হয়েছে। মানুষকে সহজেই প্রভাবিত করা যায়। এই ভাষার আগ্রাসন কেবল উন্নয়নশীল দেশের জন্য নয়, অনেক ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও জনগোষ্ঠীর ভাষা আজ ইংরেজির দাপটে বিলুপ্ত হতে চলেছে। সব ভাষাকে আত্মস্থ করে চতুর্দশ শতাব্দী নাগাদ ইংরেজি ভাষা নতুন রূপে আত্মপ্রকাশ করে। ফলে অনেক ভাষা যেমন বিলুপ্ত হয়েছে, তেমনি বিলুপ্তির পথেও অনেক ভাষা। যুগ যুগ ধরে দুর্বল ভাষার ওপর সমৃদ্ধ ভাষার আক্রমন, সন্ত্রাস অব্যাহত থেকেছে। শেরশাবাদিয়া ভাষাও সেই আগ্রাসন থেকে রেহাই পাইনি। উপনিবেশিকতার উত্তরাধিকার সূত্রে আমরা ইংরেজি ভাষাকে আপন বলে গ্রহন করে নিয়েছি। সেখান থেকে বেরিয়ে আসা কখনোই সম্ভব নয়। বর্তমান সমাজে তার বিস্তার আরও বেশি। তাই ছোট বয়স থেকে অভিভাবকেরা ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলে ছেলে-মেয়েদের পাঠাতে শুরু করে। ফলে তার পক্ষে মাতৃভাষার আপন স্বাদ গ্রহন করা সম্ভব হয়ে উঠে না। অভিভাবকরাও ছেলে-মেয়েদের ইংরেজি ভাষায় কথা বলাকে এক অহংকার হিসাবে গ্রহন করে। সর্বত্র তা জাহির করতেও পিছপা হয় না। আবার শিক্ষা, চাকরি, সুযোগ-সুবিধার চমকপ্রদ ফাঁদে পড়ে নিজদের অতি আধুনিক বলে মনে করে। এটাও শেরশাবাদিয়া ভাষার প্রতি ইংরেজি ভাষার সাম্রাজ্যবাদ। আমরা সারাদিনে অনেক ইংরেজি ভাষার আশ্রয় নিয়ে চলাফেরা করি। যেমন- ব্রাশ, কলগেট, চেয়ার, টেবিল, মোবাইল, চার্জার, ব্যাটারি, টি-টেবিল, বেঞ্চ, সিলিন্ডার, গ্যাস, ওভেন, শার্ট, প্যান্ট- শত শত শব্দ ব্যবহার করি। ইংরেজি ভাষার প্রচুর শব্দকে নিজের বলে গ্রহন করে নিয়েছি। এতটাই শব্দগুলির সঙ্গে আত্মস্থ হয়ে গেছি যে, সেই ভাষাগুলি ছাড়া আমরা অচল। এমনকি বাংলা ভাষার মানুষরাও। অনেক নিজস্ব ভাষাও হারিয়ে গেছে ইংরেজি ভাষার প্রভাবে। যেমন ‘উরাল’ বলতে গরু মহিষের গাড়ির পেছনের দিকে ভারী ওজনকে বোঝাত, ধুরি বলতে গাড়ির দুই চাকার মধ্যবর্তী সংযোকারী মোটা দন্ডকে বোঝাত কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সেই জায়গাগুলি দখল করে নিয়েছে ইংরেজি শব্দ নামাঙ্কিত যন্ত্র, ট্র্যাক্টর। এছাড়া কৃষিক্ষেত্রে পাম্পিং মেশিন, থ্রেসারসহ আরও অনেক শব্দের প্রবেশ ঘটে। এই সমাজের আগের মানুষরা মাসের নাম নিজের ভাষায় বলত- অগ্রহায়ণকে আঘুন, চৈত্রকে চৈত, শ্রাবনকে শাওন, ভাদ্রকে ভাদু, পৌষকে পুষ। কিন্তু বর্তমান প্রজন্ম ইংরেজি মাস তারিখের বাইরে যেতে পারে না। ফলে ইংরেজি ভাষার আগ্রাসন এই জাতির সত্তাকে কতটা আঘাত হেনেছে, তা সহজেই অনুমেয়।

    তাই বলা যায়, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন যেকোন জাতি বা গোষ্ঠীর সার্বভৌমত্বের পক্ষে বিশাল ক্ষতিকর। আমাদের ভাবা দরকার এমন পরিস্থিতির কারণ সম্পর্কে। এর উত্তরও আমাদের কাছে, বিদেশী সংস্কৃতি প্রীতি আমাদের এই পর্যায়ে নিয়ে গেছে। এমনকি দেশের মধ্যে নিজের মাতৃভাষায় যথেষ্ট সুযোগ সুবিধা না থাকায় পরভাষা নির্ভর হয়ে থাকতে হয়। ফলে তারা অন্য ভাষা সংস্কৃতিকে শ্রেষ্ঠ বলে মনে করে। এই শেরশাবাদিয়া ভাষা বিপন্ন হয়েছে দুই দিক থেকে- এক, অন্য একটি ভাষাকে সাদরে গ্রহন করে, দুই নিজ ভাষীদের অবহেলা ও উপেক্ষা। অন্য ভাষার যে সম্পদ ও শক্তি আমাদের আকৃষ্ট করছে, সেগুলি অর্জন করা জরুরী। শুধু ভালোবাসা দিয়ে একটি ভাষাকে বাঁচানো যায় না, সব দিক দিয়ে তাকে স্বাবলম্বী করে তুলতে হয়- যেটা শেরশাবাদিয়া ভাষার ক্ষেত্রে হয়নি। ফলে ভাষার উপযুক্ত কাঠামো তৈরীর পাশাপাশি পরবর্তী প্রজন্মকে মাতৃভাষায় পাঠ, মাতৃভাষায় শিক্ষা প্রসারের উদ্যোগ, সরকারি কাজকর্ম, সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চায় মাতৃভাষাকে প্রধান্য দিতে হবে। তার জন্য দেশীয় প্রশাসনকে এগিয়ে আসতে হবে। সেই সঙ্গে সংকীর্ণতা নয়, বিভিন্ন সমৃদ্ধ ভাষার সংযোগ ও আদান প্রদানের মাধ্যমে নিজ ভাষাকে শক্তিশালী, স্বাবলম্বী ও সমৃদ্ধ করে তুলতে হবে।

    সহায়ক গ্রন্থ:

    ১। আব্বাস আলী খান, বাংলা মুসলমানদের ইতিহাস, বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার, ঢাকা, অষ্টম প্রকাশ, জুন ২০১৪।

    ২। জাহিরুল ইসলাম, বাংলায় মুসলমানের ইতিহাস, পূর্বা, কলকাতা-১৪, প্রথম প্রকাশ, জানুয়ারি ২০১৫।

    ৩। আবদুল সামাদ, শেরশাবাদিয়াদের কথালেখ্য, বাদিয়াবার্তা প্রকাশনা, মালদা, তৃতীয় সংস্করণ, আগস্ট ২০০৩।

    ৪। মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত, মাওলা ব্রাদার্স, প্রথম সংস্করণ, জুলাই ১৯৯৮।

    ৫। ড. রামেশ্বর শ, সাধারণ ভাষাবিজ্ঞান ও বাংলা ভাষা, পুস্তক বিপনি, কলকাতা-৯, তৃতীয় সংস্করণ, ৮ই অগ্রহায়ণ ১৪০৩।

    লেখক পরিচিতি: গবেষক, রাঁচি বিশ্ববিদ্যালয়, সহকারী শিক্ষক, ভগবানপুর হাই মাদ্রাসা (H.S), সামসী, মালদা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশী – হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড
    Next Article আমার জবানবন্দি – নির্মল সেন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }