Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও বাংলা ভাষা – সম্পাদনা : নিরুপম আচার্য

    নিরুপম আচার্য এক পাতা গল্প195 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অন্ধকার থেকে আলোর প্রত্যাশায় ‘নীল ময়ূরের যৌবন’: ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষিতে – তাপস মন্ডল

    সেলিনা হোসেন আমাদের স্বাধীন বাংলার লেখক এবং লেখক সমাজের কন্ঠস্বর। লেখকের দায় মেনে নিয়েই নিজেকে তিনি যুক্ত করেছেন গণতান্ত্রিক অসাম্প্রদায়িক সমতাভিত্তিক আধুনিক রাষ্ট্রভাবনা আর বাংলার সঙ্গেই। লেখা সম্পর্কে ‘লেখকের মৌল দায়িত্ব ভালো লেখা। নিজের প্রতি সৎ থেকে নিজের অনুভবকে শক্ত মেরুদন্ড দেয়া লেখকের কর্তব্য।’ তাঁর রচনায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ গণমানুষের সংগ্রাম হিসেবে চিত্রায়িত হয়েছে। যা মুক্তিযুদ্ধের সামগ্রিক ধারণা দেয়। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর পাকিস্তানি স্বৈরশাসকরা আমাদের ভাষার ওপর আক্রমণ করেছিল। তারা চেয়েছিল উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। তারা আমাদের ব্যবহৃত বাংলা ভাষাকে টুঁটি চেপে হত্যা করতে চেয়েছিল। ‘নীল ময়ূরের যৌবন’ উপন্যাসে মন্ত্রী দেবল ভদ্র যেন পাকিস্তানি স্বৈরশাসকেরই প্রতিনিধিত্ব করে। বস্তুত ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করেই স্বাধীনতার স্বপ্ন বিস্তার লাভ করে। বাহান্নর ভাষা আন্দোলনই আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রথম সোপান। কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন ‘নীল ময়ূরের যৌবনে’ সেই বিষয়টিই রূপকের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন।

    ভাষা আন্দোলনকে রূপকের মোড়কে ঢেকে পৃথিবীর সব ভাষাভাষি মানুষের অস্তিত্বের প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি উপন্যাসের মাধ্যমে। ভাষা সংগ্রাম তাঁর উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। রাজা এবং তার পরিষদ্বর্গের সাথে সমাজের সাধারণ মানুষের মুখের ভাষার পার্থক্য এবং এই জনগোষ্ঠীর ভাষাকে কোথাও স্থান দিতে অপারগ রাজসম্প্রদায়। রাজরোষানল থেকে সাধারণ মানুষের মুখের সহজ স্বচ্ছন্দ ভাষাকে টিকিয়ে রাখার নিরন্তর সংগ্রামের রূপরেখা এই উপন্যাস। এই সংগ্রাম যেমন চর্যাপদের সময়কালে ছিল তেমনি এখনো আছে। তার উদাহরণ হলো আমাদের দেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষার মানুষের অবহেলিত এবং অধিকাংশমান দশা। হাজার বছরের সংগ্রামী মানুষের সংগ্রামের শিল্পীত রূপ এ উপন্যাস।

    আলোচ্য উপন্যাসে আমরা দুই শ্রেণীর জীবনধারা লক্ষ্য করি। একদিকে রাজার দরবার। যেখানে সমাজের উচ্চশ্রেণীর আনাগোনা। যারা তৎপর থাকে তাদের অধীনস্থ নিম্ন বংশজাত প্রজাদের শাসন ও শোষণে। ক্ষমতার অপব্যবহার যথেচ্ছ আইন তৈরি ও আইন প্রয়োগ তাদের নেশা। সাধারণ লোকের দৈনন্দিন জীবনে মুখের ভাষাকে স্বীকৃতি দিতে তারা নারাজ। সংস্কৃত ভাষাকেই তাদের যতো সমাদর। তারা মানতে পারে না নিম্নবর্গের কেউ বাংলায় গীত রচনা করুক। তাদের বিপরীত প্রান্তে অবস্থান করছে তারা যাদেরকে সেই তথাকথিত উচ্চশ্রেণীর দল ‘ছোটোলোক’ বলে আখ্যা দিয়েছে। কাহ্নপা, ডোম্বি, দেশাখ চরিত্রগুলি যার প্রতিনিধিত্ব করছে। সামাজিক ও আর্থিকভাবে তাদের অবস্থান দুর্বল। কখনো হয়তো খেতে পায়, কখনো হয়তো পায় না। কিন্তু একে অন্যের দুঃখ সুখে তারা অপরাপর। তাদের মুখে ভাষা বাংলা। এই ভাষাতেই গীত রচনা করে কাহ্নপা, ভুসুকুপা, কুক্কুরীপা’রা। যার জন্য রাজদরবারে অপমানিত হতে হয় কানুকে। তখন তার পাশে থেকে তাকে সাহস দিয়ে যায় বইয়ের আরেক প্রধান চরিত্র ডোম্বি। পাশাপাশি গাঁয়ের লোকেদের কাছেও সমাদৃত হয় কানুর গীত। কিন্তু রাজ আজ্ঞা না মানার অপরাধে, ডোম্বির প্রতিবাদী আচরণের ফলে তাদের দিতে হয় এর চরম মূল্য। আলোচ্য ‘নীল ময়ূরের যৌবন’ উপন্যাসে এই মূল প্রতিপাদ্য বিষয়বস্তুর মধ্যে ভাষা আন্দোলন এক ভিন্নমাত্রা বহন করেছে।

    আলোচ্য উপন্যাসে অসাধারণ মেধাবী কবি কাহ্নপাদ বুদ্ধমিত্র রাজার দয়ায় রাজদরবারে পাখা টানার কাজ পায়। কিন্তু এই কাজের থেকে প্রথমেই তাঁর পরিচয় একজন কবি হিসাবে। কবিতাই তার প্রাণ। কাহ্নপাদ এই রাজদরবারে প্রতিদিন পাখা টানার সুবাদে এখানে প্রতিনিয়ত দেখতে পায় তার নিজের ভাষার প্রতি অবজ্ঞা-অবহেলা এবং অপ্রচলিত ভাষা সংস্কৃতের কদর। আসলে রাজসভার ব্রাহ্মণমন্ত্রী দেবল ভদ্র ও অন্যান্য ব্রাহ্মণ পন্ডিতেরা চায় সবসময় তাকে কোণঠাসা করে রাখতে। এ ব্যাপারে জানলেও তাঁর মুখটি খুলবার জো নেই, তবে তাঁর কবিত্ব সত্তা সর্বদাই তাকে জাগ্রত করে এর বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার জন্য। তাই ভেতরে প্রকাশের আকাঙ্খা যখন তীব্র হয় তখন ওই রাজসভা তছনছ করে ফেলতে ইচ্ছে করে কাহ্নপাদের। ও প্রবলভাবে অনুভব করে যে ব্রাহ্মণ পন্ডিতদের রাশভারি সংস্কৃত ভাষার পাশাপাশি ওর লৌকিক ভাষাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে, যে ভাষাতে কথা বলে ওর মত শত শত জন। তাই ওকে নিয়ে যে যত হাসাহাসি এবং বিদ্রূপ করুক না কেন তাতে সে কান করে না। কিন্তু ভাষার প্রতি অমর্যাদা মানেই তাঁর কবিত্বের প্রতি আঘাত হানা। সে আঘাত সে সহ্য করতে পারে না। যেহেতু লৌকিক ভাষা কাহ্নপাদের বুকের ভাষা, সংস্কৃত ভাষার সঙ্গে যার কোন সম্পর্ক নেই, নেই কোন নাড়ির টান। সেইজন্য তার মাথাব্যাথাও নেই ভাষা সংস্কৃতির প্রতি। তাই রাজসভায় যখনি গীতের আসর বসেছে তখনি নিজের ভাষাকে প্রতিষ্ঠা দেওয়ার লক্ষ্যে ব্রাহ্মণমন্ত্রী দেবল ভদ্রের কাছে অনুনয় বিনয় করেছে। তবুও মন্ত্রীর মন কল্পিত হয়নি। বরং তাকে ব্যঙ্গ করে ছুঁচোর কেত্তন বলে ভাগিয়ে দিয়েছে। এবং ভয় দেখিয়ে বলেছে—

    “লৌকিক ভাষা অগ্রাহ্য, অকথ্য। নম্লেচ্ছিতবৈ, নাপভাবীতবৈ। এটা ম্লেচ্ছ ভাষা, এই ভাষা ব্যবহার করলে অপরাধ হয়। যদি কেউ ব্যবহার করে তবে তাকে প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে।”
    (i)

    অর্থাৎ ভয় দেখিয়ে এরা ভাষাকে দমিয়ে দিতে চায়। কিন্তু এই ভয়ে ভীত হয়নি কাহ্নপাদ। সে ভাষাকে প্রতিষ্ঠা দেওয়ার লক্ষ্যে অবিচল। সুতরাং মন্ত্রীর কাছ থেকে বিরূপ আচরণ পেয়েও সে শেষপর্যন্ত রাজসভায় তাঁর গীত পড়ার দাবি নিয়ে রাজার কাছে উপস্থিত হয়। এবং রাজার অনুমতি আদায় করে নেয়। এই খুশিতে কাহ্নপাদ ডোম্বির কাছে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে। সে ডোম্বিকে বলে—

    “এতদিনে আমাদের ভাষার মর্যাদা হবে মল্লারী। আমি দেখাবো ওদের ওই বড় বড় তালের মতো শব্দগুলো কেবল ভাষা নয়। আমাদের ভাষা ঝরঝরে প্রাণবন্ত। আমাদের ভাষা সজীব। কী বলো মল্লারী।”
    (ii)

    কাহ্নপাদ এইভাবে মল্লারীর কাছে সংস্কৃত ভাষা অপেক্ষা লৌকিক ভাষার বিশেষত্ব ব্যক্ত করেছে। সেইসঙ্গে মল্লারীকে একথাও বলেছে যে রাজসভায় সংস্কৃতের কদর, সে রাজসভার আমার দরকার নেই। আসলে রাজসভাটা ব্রাহ্মণদের আধিপত্য। তাই সেখানে তারা আমাকে ও আমাদের ভাষাকে সবসময় অবজ্ঞা করে। এজন্য অনেকসময় কাহ্নপাদের ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে যায়। ফলে এদের ঘাড়ের ওপর পা রেখে আমার ভাষার শক্তি দেখাতে ইচ্ছে করে, ইচ্ছে করে নিজের ভাষাটা ওদের মুকুটের মতো মাথায় পরি। আর আমাদের ভাষায় যে নদীর স্রোত আছে তা তাদেরকে জানিয়ে দি। তবে কাহ্নপাদের এটা মনের ইচ্ছা। তা বাস্তবায়িত করা ততটা সহজ নয়। কেননা যেখানে ব্রাহ্মণমন্ত্রী দেবল ভদ্রের মত স্বৈরাচারী শাসক থাকে সেখানে তো কোনো কথাই নেই। কুক্কুরীপাদ এজন্য বলে— ‘রুখের তেন্তুলি কুম্ভীরে খাঅ’। সরাসরি বলতে পারে না বলে কুক্কুরীপাদ এমন আবরণ দিয়ে বলে। চমৎকার কথা বলে কুক্কুরী—

    “ওদের জীবনে গাছের তেঁতুল ওই দেবল ভদ্রের মতো হোঁতকা মুখো কুমিরে খায় বলেই তো এদের এত যন্ত্রনা। সমাজে ঠাঁই নেই, মুখের ভাষার দাম নেই, ঘরে নিত্য অভাব।”
    (iii)

    কাহ্নপাদেরও তাই করা উচিত। পূর্বে একবার কাহ্নপাদ প্রচন্ড ক্রোধে লিখে ফেলেছিল ডোম্বির কথা—

    “নগর বাহিরেঁ ডোম্বি তোহোরী কুড়িআ।

    ছই ছোই যাইসি ব্রাহ্ম নাড়ি আ।।”
    (iv)

    এই পংক্তি লিখে কাহ্নপাদ পরক্ষনে তা কেটে দেয়। কেননা দরবারে বসে এই কথা বললে ওরা ওখানেই তাঁর টুঁটি ছিঁড়ে মেরে ফেলবে। তাঁর মত ছোটো লোকেরা একথা বলতে পারে না। সেজন্য কুক্কুরীপাদের মতো ভাষার আবরণকেই গ্রহণ করে কাহ্নপাদ লিখে—

    “তিন ভুঅন মই বাহিঅ হেঁলে/হাঁউ সুতেলি মহাসুহ লীডেঁ।”
    (v)

    এই পংক্তিতে ভাষার তীব্রতা খুঁজে না পেয়ে কাহ্নপাদ আরো লিখে—

    “আলিএঁ কালিএঁ বাট রুন্ধেলা।

    তা দেখি কাহ্ন বিমনা ভইলা।।

    কাহ্ন কাহঁ গই করিব নিবাস।

    জো মন গোঅর সো উআস।।”
    (vi)

    এই পংক্তিতেও তাঁর মন ভরে না। আসলে ভাষার আবরণ অনেকটা দোষের। অর্থাৎ এই আবরণটা না রাখলে রচনাটা আরো তীব্র করা যেতো এবং বুকের জ্বালা আরো উজাড় করে কথা বলা যেতো কিন্তু রোগটা অন্য জায়গায়। রাজ্যের ব্রাহ্মণমন্ত্রী ও ব্রাহ্মণ পন্ডিতের দল বাঘের মতো বসে থাকে, সুযোগ পেলেই হালুম করে ঝাঁপিয়ে পড়া কেবল। এমনিতেই ওরা কেউ ওর ওপর খুশি নয়। ওর উপর জোর করে ভাষার দাবি জানাতে গেলে তো রক্ষে নেই। যদিও শেষ পর্যন্ত কাহ্নপাদ রাজার অনুমতি নিয়ে রাজসভায় ভাষার দাবি জানাতে উপস্থিত হলে ব্রাহ্মণমন্ত্রী দেবল ভদ্রের জন্য সে গীত পড়ে উঠতে পারেনি—

    “দেবল ভদ্রের মেজাজ অসহিষ্ণু হয়ে গেছে, উৎসবের পরবর্তী অংশের জন্যই সে এখন উন্মুখ। রাগ এসে পড়ে কাহ্নপাদের ওপর। রুক্ষ মেজাজে খেঁকিয়ে ওঠে, এত রাত পর্যন্ত বসে আছিস কেন?

    গীত পড়বো।

    গীত?

    দেবল ভদ্রের চোখ কপালে ওঠে, ভীষণ বিস্ময়।

    কার লেখা গীত?

    আমার।

    তোর! তুই কি গীত লিখিস? তুই সংস্কৃতের কী জানিস!

    সংস্কৃত জানবো কেন? আমার ভাষায় লিখেছি।

    ——- ——– ——– ———

    ও ছুঁচোর কেত্তন

    দেবল ভদ্রের কন্ঠে ব্যঙ্গ।

    বেরো এখান থেকে, বেরো বলছি। …. ”
    (vii)

    অর্থাৎ দেবল ভদ্র তাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয় রাজসভা থেকে। এই অপমান তার নিজের একার নয়। তার সমাজের সমস্ত মানুষের। কেননা তাদের দাবি এই গীতের মধ্যে ছিল যা ভাষার আবরণে লিখিত। কিন্তু দেবল ভদ্রের জন্য সে দাবি আর জানাতে পারলো না। তাই কাহ্নপাদ বলে—

    “রাজসভা থেকে যে যন্ত্রনা নিয়ে ফিরেছি তার দায়ভার এই লোকালয়েরও। আমি উপলক্ষমাত্র, কিন্তু বহন করতে হবে সবাইকে। আমার মুখের ভাষার অবমাননা আমাদের সবার।”
    (viii)

    দিনের পর দিন এইভাবে তাদেরকে অপমান এবং ভাষার প্রতি অবমাননা করেই চলেছে স্বৈরাচারী শাসকের দল। তাই এখন থেকে তারা নিজেরাই ঠিক করেছে এবার আর ওদের মুখাপেক্ষি হয়ে থাকবে না। নিজেদের সম্মান এবং ভাষার প্রতিষ্ঠা নিজেদেরকে গড়ে নিতে হবে। যাতে করে ওরাও বুঝতে পারে – আমরা ছোটলোক বলে আমাদের ভেতরে কি কোন মানুষ নেই? তবে তারা এটাও স্বীকার করেছে এতদিনে যা হয়েছে তা তাদের ভাবনার ভুলেই। কাহ্নপাদ দেশাখের কাছে সে কথাই বলেছে—

    “এতদিনে আমার ভুল ভাঙলো দেশাখ। আমি এখন বুঝতে পারছি যে শুধু রাজদরবারই কোনো ভাষাকে টিকিয়ে রাখতে পারে না। ওরা যতই সংস্কৃতের বড়াই করুক ওটা কারো মুখের ভাষা নয়। বাঁচিয়ে রাখবে কে? আমাদের ভাষা আমাদের মুখে মুখেই বেঁচে থাকবে রে দেশাখ।”
    (ix)

    একথা সত্য সংস্কৃত ভাষা অপেক্ষা লৌকিক ভাষা মানুষের মুখে মুখে বেশি প্রচলিত। তাই যদি হয় তবে কানুর বুকের ভাষা সবার বুকের ভাষা হয়ে মুখে মুখে ফিরবে। ওদের আর কোনো দুঃখ থাকবে না। তবুও বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা থেকেই যায়। যে রাজ্যে ব্রাহ্মণ মন্ত্রী দেবল ভদ্রের মত স্বৈরাচারী শাসকেরা থাকে সেখানে এ কি করে সম্ভব? তাই তাদেরকে এমন এক জায়গার সন্ধান করতে হবে যেখানে তাদের মুখের ভাষায় গীত লিখলে আর রাজার লোক মারতে আসবে না। এবং যেখানে মানুষে মানুষে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। এইরকম একটা জায়গার খোঁজের অপেক্ষায় দিন গুণছে তাঁরা। সবশেষে কাহ্নপাদের গলায় সেইরকমই স্বপ্নের ভূখন্ডের কথা শুনতে পাওয়া যায়—

    “তোরা কেউ দুঃখ করিস না দেশাখ। আমাদের তেমন একটা জায়গা একদিন হবে। আমরাই রাজা হবো। রাজা প্রজা সমান হবে। আমাদের ভাষা রাজদরবারের ভাষা হবে। তেমন দিনের জন্য আমাদের প্রস্তুত হতে হবে দেশাখ।”
    (x)

    সর্বোপরি ১৯৪৭ সালে ভারত এবং পাকিস্তান স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিনত হয়। পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে স্বাধীন বাংলাদেশ তারাও পাকিস্তানের অন্তর্গত হয়। পূর্ব পাকিস্তানের সমস্ত মানুষের প্রাণের ভাষা, আত্মার আত্মীয়, বুকের ভাষা, মুখের ভাষা বাংলা। কিন্তু পাকিস্তান সরকার তাদের ওপর চাপিয়ে দেয় উর্দু ভাষা। আপামর বাঙালি জাতিসত্ত্বার এই অপমানকে মেনে নিতে পারেনি। লড়াই শুরু হয় উর্দু ভাষার বিরুদ্ধে। বরকত, জব্বররা প্রাণ দেয় নিজের প্রাণের ভাষাকে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। ১৯৫২ সালে রক্তক্ষয়ী অসম সংগ্রামে বহু বাঙালি ভাষা শহীদ হন। কাহ্নর মতো তারা স্বপ্ন দেখেছিলেন এক স্বাধীন ভূখন্ডের। যার দক্ষিণে থাকবে এক সুন্দর বন আর সাগর। কাহ্নর মত তারাও স্বপ্ন দেখেছিলেন রাজা প্রজায় কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। সবার মুখের ভাষা হবে রাজদরবারের ভাষা। তারই ফলশ্রুতি যেন ১৯৭১ এর স্বাধীন বাংলাদেশ। যে দেশের জনগণের একমাত্র ভাষা বাংলা। যে সংগ্রাম প্রাচীনকালে শুরু করেছিলেন কাহ্নরা, তারই যেন পরিণতি আধুনিককালের স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মের মধ্য দিয়ে। এভাবেই সেলিনা হোসেন তাঁর উপন্যাসে সেকালের কাহিনীকে একাল পর্যন্ত বিস্তৃত করে এক নতুন কন্ঠস্বরকে ধ্বনিত করলেন যার মধ্য দিয়ে চর্যাপদকে জীবনের আখরে পুননির্মাণ করলেন।

    তথ্যসূত্র:

    (i) হোসেন সেলিনা – ‘নীল ময়ূরের যৌবন’, নয়া উদ্যোগ, প্রথম সংস্করণ ২০০৯, কলকাতা – ৭০০০৬৭, পৃষ্ঠা সংখ্যা – ৩৫।

    (ii) তদেব। পৃষ্ঠাসংখ্যা – ৩৬।

    (iii) তদেব। পৃষ্ঠাসংখ্যা – ৩৮।

    (iv) তদেব। পৃষ্ঠাসংখ্যা – ৩৮।

    (v) তদেব। পৃষ্ঠাসংখ্যা – ৩৮।

    (vi) তদেব। পৃষ্ঠাসংখ্যা – ৩৮-৩৯।

    (vii) তদেব। পৃষ্ঠাসংখ্যা – ৪২।

    (viii) তদেব। পৃষ্ঠাসংখ্যা – ৪৭।

    (ix) তদেব। পৃষ্ঠাসংখ্যা – ১৪২।

    (x) তদেব। পৃষ্ঠাসংখ্যা – ১৪৪।

    সহায়ক গ্রন্থপঞ্জী

    (i) আজাদ সালাম, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান, অনুবাদ: আশিষ কুমার চক্রবর্তী, ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট, ইন্ডিয়া, নয়াদিল্লি – ১১০০৭০, প্রকাশন: ডিসেম্বর ২০০৩ অঙ্কুর প্রকাশন, ঢাকা।

    (ii) হোসেন সেলিনা, ‘নীল ময়ূরের যৌবন’, নয়া উদ্যোগ, প্রথম সংস্করণ ২০০৯, কলকাতা – ৭০০০৬৭।

    লেখক পরিচিতি: সহকারী অধ্যাপক, গোবিন্দ প্রসাদ মহাবিদ্যালয়, অমরকানন, বাঁকুড়া।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশী – হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড
    Next Article আমার জবানবন্দি – নির্মল সেন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }