Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও বাংলা ভাষা – সম্পাদনা : নিরুপম আচার্য

    নিরুপম আচার্য এক পাতা গল্প195 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও বাংলা গান: সেকাল থেকে একাল – মধুমিতা সরকার

    কোনো দেশ বা জাতির মেরুদন্ড হলো তার সংস্কৃতি। সেই দেশ বা জাতির পূর্ণ পরিচয় বহন করে তার সংস্কৃতি। আর দেশ বা জাতির উন্নতির প্রণোদনা হিসেবেও তা কাজ করে। কালের প্রবাহে বহমান মানব সভ্যতায় জাতিসমূহের পরস্পরের আগমন প্রত্যাগমনের মধ্যদিয়ে ঘটে নানা বিনিময় যা কোনো জাতির বিকাশে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিনিময়ের ক্ষেত্রে মানুষ নিজ সংস্কৃতির স্বভাবজাত, হৃদয়গ্রাহী ও উত্তম বস্তু ধারণের মধ্যদিয়ে উন্নত হয়ে ওঠে, পূর্ণতা পায় তার সংস্কৃতি। আদান প্রদান যখন পারস্পরিক বিনিময় না থেকে কোনো এক পক্ষের প্রাধান্য বেড়ে যায় এবং অপর পক্ষে তা প্রভাব বিস্তার করে তখন আগ্রাসন আভাসিত হয় এবং সময়ের আবর্তে এর প্রভাব গভীর থেকে গভীরতর হতে থাকে। আগ্রাসন থাকে আধিপত্যবাদ। এতে কোনো একটি দেশের একক সংস্কৃতি অন্য দেশের সংস্কৃতিকে প্রায় ধ্বংস করে নিজের আধিপত্য বিস্তার করতে চায় এবং নিজে সেই সংস্কৃতির স্থান নিয়ে নেয়। অর্থাৎ কর্তৃত্ব ভাবাপন্ন হয়ে কোনো সংস্কৃতি যখন অন্য সংস্কৃতিকে গ্রাস করে নিয়ন্ত্রণ করে বা ধ্বংস করে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করে তখন তা হয়ে ওঠে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন। আগ্রাসনে বন্দী হওয়া সংস্কৃতির ভিত্তিমূল নড়ে যায়। জাতির উন্নতির বদলে ঘটে অবনতি, সংস্কৃতি হয়ে ওঠে অপসংস্কৃতি। এর ফলে সেই দেশের নিজস্ব ইতিহাস, ঐতিহ্য, বিশ্বাস ও মূল্যবোধের ধরন পরিবর্তিত হয়ে যায়। এর এক জ্বলন্ত উদাহরণ বর্তমাণের বাঙালির সংস্কৃতির একাংশ। বাংলা তথা বাঙালির দীর্ঘদিনের গৌরবোজ্জ্বল সংস্কৃতি বিদেশী-বিজাতী সংস্কৃতির নগ্ন প্রভাবে আজ যেন লক্ষ্যচ্যুত হতে বসেছে। তার নানা প্রকাশ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে লক্ষিত হয়। সবচেয়ে বেশী দৃষ্ট হয় বর্তমানের বাংলাগানের বেশ কিছু অংশ জুড়ে।

    গান হলো মানব সংস্কৃতির পূর্ণ বিকাশের সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম। আর বাংলা গানের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও গুরুত্ব পায়। কারণ গান ছাড়া বাঙালি অসম্পূর্ণ। গানকে বলা যেতে পারে বঙ্গীয় সংস্কৃতির প্রাণ। বাঙালি-মানসের সার্থক প্রতিফলন ঘটে গানেই। সর্ব কর্মে, সর্ব পরিবেশ-পরিস্থিতি, সর্ব অনুভূতিতে গান বাঙালির সঙ্গী, প্রধান অবলম্বনও। বাংলা গানের অভিজাত যে ধারা তা খুব সহজে প্রাপ্ত হয়নি। তার জন্য চলেছিল নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা, নানা গ্রহণ-বর্জনের দীর্ঘপথ পরিক্রমা এবং তা পরিণতি পায় রবীন্দ্রনাথের হাতে।

    বাংলা সংগীতের ইতিহাসের দিকে একটু ফিরে তাকালে দেখা যায় যে, ঔপনিবেশিক বসতি রূপে কলকাতার আবির্ভাবের সাথে বাংলার সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক জীবনে আমূল পরিবর্তন দেখা দেয়। ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ও ঔপনিবেশিক শাসন ব্যবস্থা সম্প্রসারণের ফলে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিভিধ শ্রেণির মানুষ জীবিকা নির্বাহের তাগিদে কলকাতায় এসে বসবাস করতে শুরু করে। আর এদের সূত্রে আসে ঐতিহ্যাশ্রয়ী গ্রামীণ সংস্কৃতি যা কলকাতায় এসে নিজের রদবদল ঘটিয়ে গড়ে তোলে স্বতন্ত্র লোকসংস্কৃতি যাকে বলা যায় নাগরিক লোকসংস্কৃতি। এই নাগরিক লোকসংস্কৃতির প্রধান অঙ্গ সংগীতের এমন রূপ গড়ে ওঠে যা তৎকালীন নবসৃষ্ট কলকাতার পাশ্চাত্য সংস্কৃতির অভিঘাত ও অর্থের প্রাচুর্যে সৃষ্ট অবনমিত রুচিকে তুলে ধরে। কবিগান, যাত্রা, পাঁচালি, আখড়াই ইত্যাদি বিভিন্ন শ্রেণির বাংলা গান সে সময় প্রচলিত থাকলেও তার রূপ ও ভাষাভঙ্গি এমন অবস্থায় পৌঁছেছিল যা বাবু কালচারের বিকৃত রুচি ও আমোদের প্রকাশক হয়ে ধরা পড়ে। গানের বিষয়গত ক্ষেত্রে জনপ্রিয় ও প্রাধান ছিল ধর্ম ও প্রেম। প্রাধান্য ছিল আদি রসের, যার ফলে তৎকালীন বাংলা গানের বাণী হয়ে ওঠে অধিকাংশ ক্ষেত্রে অশিষ্ট ও সুরগত দিক থেকে হয়ে পড়ে দুর্বল। সুরগত দুর্বলতা ও বাণীগত অশিষ্ট ভাষা ও ভঙ্গির দাপটে তৎকালীন বাংলা গান এক সময় প্রায় কোণঠাসা হয়ে পড়ে। দু’একটি উদাহরণ— (i) “কও দেখি হে নূতন নাগর / একী নূতন ভাব রাখা / হয়ে কামিনী, জেগে পোহাই যামিনী / ছমাসে নমাসে তোমার পাই নাকো দেখা”, (ii) “তোমার কাঁচা পিরিত তাইতে জান না / পুরুষ পরশ পিরিত মাখা / ঠেকলে পরে হয় সোনা”, (iii) “দেশ ঢলালেম প্রেম করে সই / প্রাণ গেলে বাঁচি / বিচ্ছেদ বিষে, লোকের রিষে / আমি দুই জ্বালাতে জ্বলতেছি”১ ইত্যাদি।

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শৈশবে সংগীত শিক্ষার সূত্রপাত যে সমস্ত গানের মধ্যদিয়ে হয় ঠাকুর বাড়ির সংগীত শিক্ষক বিষ্ণু চক্রবর্তীর কাছে, তার উল্লেখ তিনি নিজেই করেছেন— “এক যে ছিল কুকুর চাটা শেয়াল কাঁটার বন / কেটে করলে সিংহাসন” ইত্যাদি। এই গান শিক্ষা প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ বলেন— “বিষ্ণু যে গানে হাতেখড়ি দিলেন এখনকার কালের কোনো নামী বা বেনামী ওস্তাদ তাকে ছুঁতে ঘৃণা করবেন”।২ নাগরিক সভ্যতার অর্থনীতির চাপে শিল্প পণ্যে পরিণত হয়।, ঘটে রুচির অবনমন— এও তো আগ্রাসনধর্মী ভাবনার ফলশ্রুতি। বাংলা গানের এই দুরূহ পরিস্থির চাপে অভিজাত ভদ্র সমাজ এ সমস্ত গান থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলতে থাকে এবং স্বতন্ত্র অভিজাত সাংস্কৃতির রুচি আনুযায়ী গান সৃষ্টির নানা প্রয়াস, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে থাকে। দীর্ঘ পথ পরিক্রমার পর অভিজাত শিষ্ট সংগীত ধারা হিসেবে বাংলা গান প্রতিষ্ঠিত হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাতে। বাণীগত অশিষ্টতা ও সুরগত দুর্বলতা থেকে মুক্ত করে তিনি অভিজাত বাংলা গানের মূল ধারাকে স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠিত করেন। এই ধারায় দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, রজনীকান্ত সেন, অতুলপ্রসাদ, নজরুল প্রমুখ একে একে নানা সংযোজন করে বাংলা গানের ধারাকে শক্তিশালী ও উন্নত করে উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যান। এঁরা প্রত্যেকেই দেশী-বিদেশী গানের নানা উপাদান সংযোজন করেন বাংলা গানের ধারায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রাচ্য-পাশ্চাত্য সংগীতের নানা প্রয়োগ করেছেন বাংলা গানের রূপ নির্মিতিতে। তিনি খেয়াল, দ্রুপদ, ভারতীয় বিভিন্ন আঞ্চলিক গান বা বিলাতি গান ভেঙ্গে বাংলা গান যেমন সৃষ্টি করেছেন, তেমনি বিভিন্ন রাগরাগিনী, লোকসংগীত, বিলাতি সংগীতের নানা প্রভাব দ্বারাও গান রচিত করেছেন। তবে তাঁর গানের ভাষায় এই প্রভাব প্রত্যক্ষ হয়না, তা সুর ও বাণীর যথাযথ প্রয়োগে হয়ে উঠেছে মৌলিক সৃষ্টি। দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের গান সৃষ্টিতে পাশ্চাত্য প্রভাব অনেকটাই। তিনি পাশ্চাত্য গানের সুর কাঠামো বজায় রেখে যেমন গান রচনা করেছেন, তেমনি প্রাচ্য-পাশ্চাত্য সংগীতের মিশ্রণেও গান সৃষ্টি করেছেন। সংগীতের ভাব ও সুরগত দিকে বৈচিত্র্য আনেন, পাশ্চাত্য গানের গতিভঙ্গি বা ওজস্বিতা নিয়ে আসেন বাংলা গানে। বাংলা গানের জগতে তাঁর অভিনব সংযোজন হাসির গানে তিনি বহু ইংরেজী শব্দের ব্যবহারও করেছেন। যেমন— ‘Reformed Hindoos’ গানে লিখলেন— “যদি জানতে চাও আমরা কে / আমরা Reformed Hindoos / আমাদের চেনে না ক যে, / Surely he is an awful goose” , বা “তারেই বলে প্রেম -/ যখন থাকে না future এর চিন্তা / থাকে না ক shame – / তারেই বলে প্রেম”৩ ইত্যাদি। রজনীকান্ত সেনও তাঁর কিছু গানে ইংরেজী শব্দ ব্যবহার করেছেন— “দেখ আমরা জজের Pleader, / যত Public Movement এ leader / আর, conscience to us is a marketable thing”, বা “দেখ আমরা হচ্ছি পাশ করা / ডাক্তার মস্ত মস্ত, / ঐ Anatomy, Physiology তে / একদম সিদ্ধহস্ত”।৪ অতুল প্রসাদ সেন বাংলা গানে সংযোজন করেন গজল ও ঠুংরীর সুর কৌশল, আঙ্গিক ও ভাব। বিশেষ করে ঠুংরী গানের সূক্ষ্ম কারুকার্য ও গীতশৈলী বা চাল সংযোজন করেন বাংলা গানে। নজরুল ইসলাম দেশীয় ও বিদেশী গানের নানা ব্যবহার করেছেন তাঁর গানে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের সংগীত ধারা বাংলা গানের সঙ্গে যুক্ত করেন। বাংলা গানের সুরে আনেন মধ্যপ্রাচ্য সুরের সূক্ষ্ম কারুকার্য ও মাদকতা, করেন উর্দু, আরবী-ফার্সী শব্দের ব্যবহার। যেমন— “আলগা কর গো খোঁপার বাঁধন / দিল বহী মেরা ফঁস গয়ী”, বা “বুলবুলি নীরব নার্গিস বনে” বা “মদীর আঁখির সুধায় সাকী ডুবাও আমার এ তনুমন”৫ ইত্যাদি। নজরুল বাংলাগানের জগতে গজল-এর প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন এবং দেশী-বিদেশী নানা গানের রূপ-ভাষা-ভঙ্গি-সুর ব্যবহার করে বাংলা গানকে উৎকর্ষতা দান করেছেন। উক্ত সংগীত স্রষ্টাদের সংগীতে প্রাচ্য-পাশ্চাত্য বিভিন্ন শ্রেণির সঙ্গীতের নানা ব্যবহার তাঁদের গানকে ভারাক্রান্ত করে তোলেনি কখনোই। কারণ তাতে ছিল না কোন আগ্রাসী মনোভাব বা আগ্রাসনের ছাপ। তা ছিল গ্রহণ, আত্মীকরণ ও মৌলিক রূপদান, যা বাংলা গানের ভান্ডারকে বৈচিত্র্যে ও ঐশ্বর্যে ভরপুর করেছে।

    কালের প্রবাহে বহমান মানব সভ্যতার ভাষা ধীরে ধীরে সহজ থেকে সহজতর হয়ে উঠতে থাকে। সাহিত্যের ভাষা, কথ্য ভাষার সাথে সাথে এর অভিঘাত দেখা যায় সংগীত জগতেও। নজরুল পরবর্তী যে বাংলা গানের পরিচয় আধুনিক বাংলা গান হিসেবে, সে গানের ভাষা পূর্ববর্তী সংগীত স্রষ্টাদের গড়ে দেওয়া সংগীতগুণ সম্পন্ন কাব্যভাষা থেকে সরে আসতে থাকে। অতি সাধারণ শব্দ-বাক্য ধীরে ধীরে বাংলা গানে স্থান করে নেয়, ঘটতে থাকে ভাষা মিশ্রণও। যেমন— “ও কেন এত সুন্দরী হলো / ওমনি করে ফিরে তাকালো / দেখেতো আমি মুগ্ধ হবোই / আমি তো মানুষ” [কথা: পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়, সুর ও শিল্পী: মান্না দে]। বা ‘লক্ষ্মীটি দোহাই তোমার, আঁচল টেনে ধরো না / লোকে দেখলে বলবে কি, দুষ্টুমি আর করো না” [কথা গৌরপ্রসন্ন মজুমদার, সুর রাহুল দেববর্মন, শিল্পী: আশা ভোঁশলে], বা ‘মাছে কাঁটা খোঁপার কাঁটা, কাঁটা অনেক রকম / ফুলের কাঁটার চেয়েও জ্বালায় প্রেমের কাঁটার জখম’ [কথা: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার, সুর: রাহুল দেববর্মন, শিল্পী: আশা ভোঁশলে] বা ‘আমি মিস ক্যালকাটা চাই দিতে টিপস / এখনো তো কেউ জানে না আমার স্ট্যাটিসটিকস’ [কথা: পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়, সুর: সুধীন দাশগুপ্ত, শিল্পী: আরতি মুখার্জী], বা ‘আমার নাম এ্যাণ্টনি কাজের কিছু শিখিনি / সিংগিং কিম্বা লার্নিং পেইন্টিং ডান্সিং’ [কথা: পুলক বন্ধ্যোপাধ্যায়, সুর: বীরেশ্বর সরকার, শিল্পী: কিশোর কুমার] ইত্যাদি। এই ধারার গানের ভাষা কাব্যভাষার খোলস ছেড়ে প্রাত্যহিক জীবনের রোজকার ব্যবহৃত ভাষার কাছাকাছি সরে আসলেও সুর-বাদ্য-গায়কী অসাধারণ উৎকর্ষতা প্রকাশ করে ঢেকে দেয় বাণীর দৈ্ন্য। জনপ্রিয়তার জোয়ারে ভাসে বাংলা গান। সময় এগোয়, তার সঙ্গে বদলায় বাংলা গানের জগৎ।

    সময়ের হাত ধরে বর্তমানে বাংলা গান আজ পরিবর্তনের এমন স্তরে পৌঁছিয়েছে যে, একটা বড় অংশের বাংলা গানের ভাষা-ভঙ্গি-ভাব থমকে দেয় শ্রোতৃ-সমাজকে। রুচিশীল মন নিয়ে নির্দ্বিধায় এইগান শোনা বেশ কষ্টকর। এ-গানের বাণী অংশে যেমন নির্দ্বিধায় প্রাধান্য বিস্তার করেছে ইংরেজী-হিন্দী শব্দ, উচ্চারণ, তেমনি গানের ভাব-ভঙ্গিও রুচির অধোগমনকে স্পষ্ট করে। কয়েকটি গানের দিকে দৃষ্টিপাত করলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে—

    ১.

    “মনের ব্ল্যাক এ্যান্ড হোয়াইট টি ভি তে

    তুই কালার লাগালি

    রিমোট দিয়ে প্রেমের চ্যানেল দেখালি

    ঠুমকা লাগালি রূপের বিজলি গিরালি

    তোকে দেখে গাইছে প্রেমের রিমিক্স কাওয়ালী”

    ২.

    “এই হাওয়া silki silki

    বলে যায় বাতে দিলকি

    চলো না ভেসে যাই জোয়ারে…

    মস্তি মাঙ্গে দিল মাহি রে”

    ৩.

    “Hey you listen to me

    you are my love জানো তুমি…

    ও মধু ও মধু I love you”

    ৪.

    “…আমার স্বপ্ন জুড়ে তুই

    আর তোর চিন্তারা শুধুই

    ঘুরে ফিরে যাচ্ছে বারে বারে

    আর কোনো রাস্তা নেই আমার…

    O my love, আদুরে গোলাপ”

    ৫.

    “যতই বলো আমায় বোকাভোলা

    কাল হবি তুই আমার কোকাকোলা”

    ৬.

    “চার আনার মাল খেয়ে আট আনার দাদাগিরি / এতো মানা যাবে না

    রেশনের চাল খেয়ে বিরিয়ানীর বাতেলা / সেটাও দেওয়া যাবে না।

    সিগারেট খাবো রে রেখেছ বাংলা বিড়ি / আইটেম দেখলে তবু,

    মিস করি না বলতে / উফ কি লাগছে” ইতাদি

    গানে হিন্দী-ইংরেজী শব্দের বহুল ব্যবহার, ‘তুই’ তোকারি করে বলা, ভাব-ভঙ্গি উপস্থাপনের অধোগমনে আজ বাংলা গান ভারাক্রান্ত। তবে একটা কথা স্বীকার করতে হয়, এ সকল গানের সুর-বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার অসাধারণ, দুর্দান্ত। ফলে কোমর আপনিই দুলে ওঠে এর তালে। কিন্তু বাণী একটু মন দিয়ে শুনলে বোঝা যায় তার করুণ পরিণতি কোন পর্যায়ে গেছে। হিন্দী গানের আদলে এসেছে ‘তুই’ করে বলা। হিন্দী ভাষার ক্ষেত্রে ‘তুই’ সম্বোধন নৈকট্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয় (‘তু শায়র হ্যায়’, ‘মা তুঝে সলাম’, ‘তেরে দরপর সনম চলে আয়’, রূপ তেরা মস্তানা’ ইত্যাদি) এই আদলেই বাংলা গানেও অতি নৈকট্য বোঝাতে ‘তুই’ ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রেমের ক্ষেত্রে তা যেন আরও সাবলীল ভাব নিয়ে আসছে বলে মনে করা হয়। বর্তমানে অধিকাংশ গান তৈরী হচ্ছে ‘মাস’-এর জন্য ‘ক্লাস’-এর জন্য নয়। গানকে আজ পণ্য বানিয়ে এই ‘সংগীত পণ্যে’র ক্রেতা বৃদ্ধির জন্য তাতে নানা গ্রহণ-বর্জন অবলম্বিত হচ্ছে, জোর দেওয়া হচ্ছে কথ্য ভাষা বা দৈনন্দিন জীবনের ব্যবহৃত ভাষার উপর। গান কেউ কান দিয়ে শোনে, কেউ হৃদয় দিয়ে তা অনুভব করে। বর্তমানে কান দিয়ে গান শোনার শ্রোতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই গান আজ অনুভব জাগায় না, হৃদয়ে দোলা লাগায় না, দোলা লাগায় শরীরে। সংগীতকে আজ পণ্যে পরিণত করে ক্রেতার কাছে আকর্ষণীয় করতে তাতে নানা চটক ব্যবহৃত হচ্ছে। আগ্রাসনের এটি একটি প্রধান দিকও। স্বাধীন দেশে সংস্কৃতি আজ আগ্রাসনের শিকার হয়ে পরাজিত-পরাধীন। হারাতে বসেছে তার নিজস্বতা; তার মর্যাদা, হারাচ্ছে তার মধুর বাণী-সম্পদ।

    গতিশীলতা সচলতার প্রধান লক্ষণ। প্রবাহমান সময়ে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পরিবর্তিত হচ্ছে সমস্ত কিছুই, ভাষাও তার একটা অঙ্গ। বর্তমানে দৈনদিন জীবনের ভাষা বদলে গেছে— কেউ এখন খুব একটা ‘নমস্কার’ বলে না, বলে ‘হাই, হ্যালো’; ‘কিন্তু’ বলে না, বলে ‘বাট’, ‘বিদায়ে’র স্থলে ‘বাই’। নির্দ্বিধায় ব্যবহৃত হয় ‘দিবানা’, ‘জো হুকুম’, ‘বাওয়াল’, ‘ইয়ার’, ‘হামেশা’, ‘মস্তি’। শুধু তাই নয় ‘গুরু’, ‘মামা’, ‘কাকা’ ইত্যাদি শব্দ ব্যবহৃত হচ্ছে তার নিজস্ব অর্থ নিয়ে নয়, বিশেষ প্রকার কোনো কর্মদক্ষতা বা নৈকট্য বোঝাতে [বলো গুরু, কি দিলি মামা ইত্যাদি] যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় এসব সম্বোধন। এর প্রভাব খুব স্বাভাবিক ভাবেই গানেও এসে পড়েছে। গানে অন্য শব্দ ব্যবহার মাত্রই খারাপ নয়। এই গ্রহণ-বর্জন চলতেই পারে। এক্ষেত্রে কোনো আনুগত্য বা বিরোধিতা না করে উপযোগিতা দেখা প্রয়োজন, সম্মানের সঙ্গে তার স্থান ছেড়ে দিতে হয়— এ ভাবেই ভাষা সচল থাকে, বিকাশ ঘটে— একথা খুবই সত্য। কিন্তু কোনো সংকীর্ণতা নয়, দেখতে হবে শব্দ বা বাক্যের মান, তার গভীরতা। এমন গানও তো আছে যেখানে অন্য শব্দের ব্যবহার নেই, তা বাংলাতেই রচিত। কিন্তু তার অর্থ-মান রুচিকে আঘাত করে। পুরো গান মন দিয়ে শুনলে একটাই কথা মনে আসে— “এ কেমন বাংলা গান?” —এ কেমন ভাষা ব্যবহার? —এমন উদাহরণ অনেক আছে। দৈনন্দিন জীবনে অবশ্যই আমরা শুদ্ধ বাংলা বলি না। তাতে এমন অনেক শব্দ ব্যবহার করি যা বাংলা নয়। কিন্তু তা কখনোই রুচির সীমাকে লঙ্ঘন করে না। অভিজাত বাংলা গান প্রতিষ্ঠার আগে বাংলা গানের যে রূপ ও ভাষাভঙ্গি ছিল সেটাও সাংস্কৃতিক আগ্রাসনেরই ফলশ্রুতি। হঠাৎ প্রাপ্ত প্রচুর অর্থের বলে বলিয়ান বাঙালি পাশ্চাত্য সংস্কৃতির অভিঘাতকে দেশীয় গ্রাম্য সংস্কৃতির সঙ্গে মিশিয়ে রূপ দিয়েছিল নিজস্ব রুচি আনুযায়ী। প্রভাব-আগ্রাসন ছিল, কিন্তু সম্মুখে ছিল না কোনো নিদর্শন। ফলে নতুন গড়ে ওঠা এ গানের রূপ পৌঁছিয়েছিল অশিষ্টতার চরম সীমায়। সেখান থেকে বাংলা গানকে উদ্ধার করে স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠা দেন রবীন্দ্রনাথ এবং পরবর্তীতে নানা গুণীর স্পর্শে গান সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে। এঁদের গানেও পাশ্চাত্য বা অন্য সংস্কৃতির প্রভাব ছিল। তবে তা আগ্রাসন হয়ে ওঠেনি। তা ছিল গ্রহণ-আত্মীকরণের মাধ্যমে বঙ্গীয়করণ। গানের সুর-ভাষা-ব্যাকরণের উপর বিশেষ দখল থাকায় পঞ্চপ্রধান ও অন্যান্য স্রষ্টারা নিজেদের গানে প্রাচ্য-পাশ্চাত্য নানা উপাদান প্রয়োগ করতে পেরেছেন বা আঙ্গিকগত নানা প্রয়োগ করেছেন সফলতার সঙ্গে। এতে কোথাও আগ্রাসী মনোভাব বা আগ্রাসন বিশ্রী ভাবে প্রকট হয়ে ওঠেনি। বর্তমানে তা হচ্ছে। সাংস্কৃতিক আগ্রাসন খুব সূক্ষ্ম ভাবে ধীরে ধীরে প্রভাব বিস্তার করে আজ ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে। জাতি ও দেশকে প্রভাবিত – ক্ষতিগ্রস্ত করছে। দেশীয় সমস্ত কিছু, এমনকি ভাষা বা মাতৃভাষার প্রতিও টান না থেকে তৈরী হচ্ছে দূরত্ব। সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মধ্যদিয়ে দেশের নিজস্ব ইতিহাস, মূল্যবোধ, বিশ্বাসের ধরন বদলে যাচ্ছে, আত্মপরিচয় ধীরে ধীরে সঙ্কটের মুখোমুখি হচ্ছে, ভিন্ন সংস্কৃতির অভিঘাতে আমাদের গৌরবোজ্জ্বল সংস্কৃতি আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। বর্তমানে বাংলা গান আজ কেউ মন দিয়ে শোনে না, মনেও রাখে না। এর সুর বাদ্যে সাময়িক আনন্দ লাভ করে, উত্তেজনা বোধ করে, আর বাণী শুনলে থমকে যায় রুচিশীল মন। আতঙ্কিত হয় অর্থ বুঝে বা শব্দ ব্যবহারে, বোঝা যায় সাংস্কৃতিক আগ্রাসন কতো ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। বাংলা সংস্কৃতিকে বিসর্জন দিয়ে বাংলা ভাষা আজ এগিয়ে চলেছে সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের অভিঘাতে, যার চরম প্রকাশ বাংলা গানে আজ বর্তমান।

    তথ্যসূত্র:

    ১. সর্বানন্দ চৌধুরী সম্পাদিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সংগৃহীত ও সম্পাদিত ‘বাঙালির গান’, পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি সংস্করণ, এপ্রিল ২০০১

    ২. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সংগীতচিন্তা, বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, জৈষ্ঠ্য ১৪১১ বঙ্গাব্দ, পৃ.-১৭৬

    ৩. সুনীলময় ঘোষ সম্পা. দ্বিজেন্দ্রলাল-সঙ্গীত সমগ্র, সাহিত্যম, অক্টোবর ১৯৯৭

    ৪. নিশীথ সাধু ও সুনীলময় ঘোষ সম্পদিত, রজনীকান্ত সঙ্গীত সমগ্র, সাহিত্যম, জানুয়ারী ১৯৯৭

    ৫. কাজী নজরুল ইসলাম, নজরুল গীতিকা, নজরুল ইন্সটিটিউট, ঢাকা, ডিসেম্বর ২০০২

    সহায়ক গ্রন্থ:

    ১. পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়, কথায় কথায় রাত হয়ে যায়, আনন্দ, ২০১২

    ২. সুধীর চক্রবর্তী, গান হতে গানে, পত্রলেখা, ২০০৮

    ৩. সুধীর চক্রবর্তী, বাংলা গানের সন্ধানে, অরুণা প্রকাশণী, ১৩৯৭

    লেখক পরিচিতি: সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, শ্রীগোপাল ব্যানার্জী কলেজ, বাগাটি, মগরা, হুগলি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশী – হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড
    Next Article আমার জবানবন্দি – নির্মল সেন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }