Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাংস্কৃতিক সাম্প্রদায়িকতা – বদরুদ্দীন উমর

    বদরুদ্দীন উমর এক পাতা গল্প152 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাংস্কৃতিক সাম্প্রদায়িকতা

    সাংস্কৃতিক সাম্প্রদায়িকতা

    ভারতবর্ষে বিপরীতধর্মী জাতির মোকাবেলায় মুসলমানের নিজস্ব তহজীব ও তমুদ্দন সম্পর্কে শঙ্কিত ও সচেতন থাকতে হোত। সামান্য পদঙ্খলন হলেই সমূহ বিপদের সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে এ ভয় ছিল। প্রতিপক্ষের সাংস্কৃতিক আক্রমণ থেকে আত্মরক্ষার উপায় নিয়ে তাঁরা ছিলেন চিন্তিত। ছোটকালে ঢাকায় দেখেছি মসজিদের সামনে কোন বাজনা চলত না। হিন্দু পর্বের সময় এ নিয়ে দাঙ্গা হয়েছে পর্যন্ত। আকজাল মুসলমানেরাই সামাজিক আচার অনুষ্ঠান উপলক্ষে নির্বিবাদে রাস্তাঘাটে বাজনা বাজায়। নামাজের সময়ে পর্যন্ত এ বাজনার বিরতি ঘটে না। কিন্তু তা নিয়ে ধর্মীয় কারণে কেউ উত্তেজিত হয়ে উঠেছে এ খবর শুনিনি। আমাদের জীবন এতে নানাভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে; শহরে গোলমাল বেড়েছে। কিন্তু ধর্ম সম্বন্ধে ঢাকার মুসলমান সমাজের ঔদাসীন্যের প্রমাণ হিসাবে এই ঘটনা উল্লেখযোগ্য কিনা সন্দেহ। কথা এই যে, পূর্বে আপত্তি হতো বাদকদল হিন্দু ব’লে। তাদের হাতে ইসলাম অপমানিত হবে এটা কেউ বরদাশত করতে রাজী ছিল না। পাকিস্তানে এসেছে ইসলাম সম্পর্কিত একটা নিরাপত্তার ভাব। দু’একজন বাদক মসজিদের সামনে বাজনা বাজালেই ইসলাম বিপন্ন হ’বে একথা কেউ ভাবে না। [১]

    [১. আমার সাম্প্রদয়িকতা নামক বইয়ের সমালোচনা প্রসঙ্গে সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন। পূর্বমেঘ সপ্তম বর্ষ, প্রথম-দ্বিতীয় সংখ্যা, বৈশাখ-আশ্বিন ১৩৭০। পৃষ্ঠা ৬৯-৭০]

    উপরের উদ্ধৃতিটির মধ্যে যে মনোবৃত্তির পরিচয় মেলে তারই নাম সাম্প্রদায়িকতা। এখানে লেখকের বক্তব্যকে বিচার করলে দেখা যাবে যে তাতে সত্যিকার ধার্মিকতার কোন স্থান নেই। অর্থাৎ ধর্মের মর্যাদা রক্ষার প্রতি তাঁর কোন আগ্রহ নেই। কিন্তু ধর্মকে ঐহিক স্বার্থের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করার ব্যগ্রতা আছে। পাকিস্তানপূর্ব যুগে মসজিদের সামনে বাজনা বাজানোর ফলে যে দাঙ্গা হাঙ্গামা হতো তার প্রতি লেখকের অকুণ্ঠ সমর্থন কারণ সেই দাঙ্গা হাঙ্গামাকে সমর্থন না করলে সেটা পদস্খলনের সামিল এবং সামান্য পদস্খলন হলেই সমূহ বিপদের সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় যে, উল্লিখিত ‘বিপদ’ যদি ধর্মসম্পৰ্কীয় হতো তাহলে আজকাল ‘নামাজের সময়ে পর্যন্ত বাজনার বিরতি না ঘটলে ‘ যথেষ্ট আশঙ্কার কারণ ছিলো। কিন্তু উদ্ধৃত অংশটির লেখকের অন্তরে সে আশঙ্কাবোধ একেবারেই নেই। এর সরল অর্থ মসজিদের সামনে বাজনা বাজানোর মধ্যে আত্যন্তিকভাবে কোন দোষ নেই। অর্থাৎ তার ফরে ধর্মের প্রকৃত অবমাননা হয় না। অবমাননা হয় তখনই যখন সেই বাজনা বাজায় অমুসলমান। হিন্দু এ বাজনা বাজালে সেটা হয় সাংস্কৃতিক আক্রমণ কিন্তু মুসলমান সে কাজ করলে তার সাত খুন মাফ!

    এ আক্রমণ তাহলে কি জাতীয় সাংস্কৃতিক আক্রমণ? এর চরিত্র বিচার করতে গিয়ে প্রথমেই দেখা যাবে যে এটা আর যাই হোক ধর্মীয় নয়। তা হলে বাদকদল হিন্দু, মুসলমান, খৃষ্টান যাই হোক মসজিদের সামনে নামাজের সময় বাদ্যবাদনে আপত্তির কারণ থাকতো।

    কিন্তু আক্রমণটি যদি ধর্মীয় না হয় তাহলে তা কোন্ প্রকৃতির ‘সাংস্কৃতিক আক্রমণ?’ এ প্রশ্ন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কারণ যাঁরা এ ধরনের আক্রমণকে সাংস্কৃতিক আক্রমণ আখ্যা দেন তাঁদের সংস্কৃতির মূল ব্যাখ্যা বাহ্যতঃ ধর্মকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত।

    ২

    আলোচ্য উদ্ধৃতিটির লেখক ‘ধর্ম’ এবং ‘সংস্কৃতিকে’ প্রকৃতপক্ষে বিচ্ছিন্ন করেছেন এবং বিপরীত দাবী সত্ত্বেও এ বিচ্ছেদই সাম্প্রদায়িকতার অন্যতম প্রধান চরিত্রলক্ষণ। অর্থাৎ যে মানুষ সাম্প্রদায়িক তাকে ধার্মিক হতেই হবে এমন কথা নেই। শুধু তাই নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তার কাছে ধর্মের তত্ত্ব এবং ব্যবহার নিতান্তই গুরুত্বহীন। এজন্যেই দেখা যায় যে সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন মানুষ, সে হিন্দুই হোক অথবা মুসলমান, কদাচিৎ ধর্মনিষ্ঠ। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক জীবন শুধু যে ধর্মনিরপেক্ষ তাই নয়, অনেক ক্ষেত্রে সর্বতোভাবে ধর্মবিমুখ।

    সাম্প্রদায়িক মনোবৃত্তির এখানেই মূল বিরোধিতা। একদিকে তা চিন্তার কাঠামোকে জোরপূর্বক ধর্মের উপর স্থাপন করতে চায় আবার অন্যদিকে সংস্কৃতির নামে তা মানুষের চিন্তাকে চালনা করে ধর্মহীন ঐহিকতার দিকে। এ দুই প্রবৃত্তির মধ্যে দ্বিতীয়টিই সর্বাংশে প্রধান, কারণ এজন সাম্প্রদায়িক ব্যক্তির তথাকথিত ধর্মানুগত্য ধর্মীয় আনুগত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত নয়। একথা অনস্বীকার্য যে, ধর্মকে তার প্রয়োজন। কিন্তু সে প্রয়োজনের চরিত্র স্বতন্ত্র। সাম্প্রদায়িকতাবাদীর কাছে ধর্ম তাই জীবনযাপনের পদ্ধতি নয়, তা হলো ক্ষুদ্র ঐহিক স্বার্থ সিদ্ধির হাতিয়ার।

    এই সব কারণে দেখা যায় ধর্মের দোহাই দিয়ে সাম্প্রদায়িকতাবাদীরা অনেক কিছু বললেও সংস্কৃতি বলতে আসলে যা বোঝাতে চান ধর্মের সাথে তা সম্পর্কহীন। তাঁদের সংস্কৃতিচর্চার লক্ষ্য ধর্মের গৌরববর্ধন নয় আসলে তা হলো ধর্মের প্রতি বাহ্যিক আনুগত্য জ্ঞাপনকারী লোকদের শ্রেণীস্বার্থ প্রতিষ্ঠা ও প্রসারে সহায়তার আয়োজন।

    ধর্মনিরপেক্ষ সংস্কৃতিসেবীদের মত তাঁরাও নিজেদের জীবনে ধর্মের প্রভুত্বকে অস্বীকার করেন কিন্তু প্রথমোক্তদের মতো তাঁরা সেটা সরাসরি এবং সততার সাথে কবুল করতে নারাজ। সাধারণ ধর্মনিষ্ঠ এবং ধর্মনিরপেক্ষ মানুষের সাথে সাম্প্রদায়িকতাবাদীদের এখানেই প্রকৃত পার্থক্য। ধর্মনিষ্ঠ মানুষ সত্যি সত্যি ধর্মে বিশ্বাস করে এবং ব্যবহারিক জীবনেও ধর্মের কোন প্রভাব থাকে না। সাম্প্রদায়িকতাবাদীরা এর কোনটাই নয়। তারা বোঝাতে চায় যে, তত্ত্বগতভাবে তারা ধর্মানুগত কিন্তু তাদের ব্যবহারিক জীবনে সে আনুগত্যের কোন দেখা মেলে না। এ কারণেই সত্যিকার ধর্মনিষ্ঠ এবং ধর্মনিরপেক্ষ ব্যক্তির জীবনে সাধারণভাবে সততার একটা স্থান থাকলেও সাম্প্রদায়িকতাবাদীর জীবন অসৎ এবং মিথ্যাময় হতে বাধ্য।

    ৩

    ধর্মকে শোষণের কাজে ব্যবহার কোন নোতুন কথা নয়। ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে সেটা হয়েছে। প্রত্যেক পর্যায়েই দেখা গেছে যে, অধিক সংখ্যক মানুষ ধর্মে সততার সাথে বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং অল্প সংখ্যক লোকে সে বিশ্বাসকে ব্যবহার করেছে। এভাবেই ধর্ম পরিণত হয়েছে শোষণের হাতিয়ারে। ইতিহাসের এই অভিজ্ঞতাতে তাই দেখা যায় যে মানুষ ধর্মচর্চা করলেই সে খারাপ একথার কোন ভিত্তি নেই। পৃথিবীতে অগণিত শোষিত মানুষই আবহমানকাল থেকে ধর্মচর্চা করে আসছে এবং তারা খারাপ এবং অসৎ এ কথা বলা মূঢ়তা ব্যতীত কিছুই নয়। কিন্তু তার অর্থ আবার এই নয় যে, ধর্মচর্চাকারী মানুষ সঠিক পথের অনুসারী। এর অর্থ এই যে, ধর্মচর্চা করা এবং ধর্মকে অন্য উদ্দেশে ব্যবহার করা এ দুই মনোবৃত্তির মধ্যে প্রভেদ আছে। এবং যে কোন যুক্তিগ্রাহ্য চিন্তার ক্ষেত্রেই এ প্রভেদকে স্বীকার করা প্রয়োজন।

    যারা ধর্মচর্চা করে তারা অধিকাংশই শোষিত এবং অশিক্ষিত। ধর্মচর্চা শোষণ ও অশিক্ষার মতোই তাদের জীবনের ভূষণ। তাই শোষণ ও অশিক্ষাকে যেমন তারা জীবন থেকে সহজে বাতিল করতে পারে না, ধর্মকেও তেমনি বর্জন করা তাদের সাধ্যাতীত। এগুলির অস্তিত্ব তাদের জীবনে প্রায় সমান্তরাল এবং সমকালস্থায়ী।

    ধর্মনিষ্ঠা এবং সাম্প্রদায়িকতার এই পার্থক্যকে যথাযথভাবে নির্ণয় করা এজন্যেই খুব গুরুত্বপূর্ণ। ধর্মকে যারা শোষণের কাজে ব্যবহার করেছে অর্থাৎ ধর্মনিষ্ঠ মানুষদেরকে যারা চিরকাল শোষণ করে এসেছে সাম্প্রদায়িকতাবাদীরা তাদেরই ঐতিহ্যবাহী, এদেশে তাদেরই তারা আধুনিক ও সমসাময়িক সংস্করণ।

    শোষণকে উচ্ছেদের জন্যে এ সত্যকে পরিষ্কারভাবে উপলব্ধির প্রয়োজন অপরিহার্য। এ উপলব্ধি যদি অন্তরে না আসে তাহলে ধর্মের দ্বারা সমগ্র সমাজ কিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, ধর্মকে কিভাবে অসৎ উদ্দেশ্য সাধনের কাজে সাম্প্রদায়িকতাবাদী শোষকেরা ব্যবহার করছে তার সত্যিকার চরিত্রও সার্থকভাবে উদ্ঘাটিত হবে না।

    ৪

    ভারতবর্ষে মুসলিম সাম্প্রদায়িকতা তার বর্তমান চরিত্র পরিগ্রহ করতে শুরু করে ঊনিশ শতকের সত্তরের দিকে, দেওবন্দ এবং আলীগড় মুসলিম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পত্তনের পর থেকে। এই প্রতিষ্ঠান দুটির উদ্দেশ্য এক ছিলো না। দেওবন্দে শিক্ষার যে ব্যবস্থা ছিলো তার মধ্যে আধুনিকতার পরিবর্তে ছিল গতানুগতিকতা। বহু শতাব্দী পূর্বে প্রবর্তিত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানের, বিশেষতঃ আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাব্যবস্থাকে ভিত্তি করেই নির্মিত হয়েছিলো তার শিক্ষা কাঠামো। সেই অনুসারে সেখানে ধর্মীয় শিক্ষা, বিশেষতঃ ‘ফিকাহ-এর উপর গুরুত্ব দেওয়া হতো যথেষ্ট। বৃটিশ ভারতে যে নোতুন শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়েছিলো তার সাথে প্রকৃতপক্ষে দেওবন্দের কোন সম্পর্কই ছিলো না। এ সব দিক থেকে দেওবন্দ ছিলো পুরোপুরি একটি রক্ষণশীল ধর্মীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তত্ত্বগতভাবে এবং ব্যবহারিক জীবনে ধর্মচর্চাই ছিলো তার মুখ্য উদ্দেশ্য।

    এই উদ্দেশ্যের সাথে আলীগড় কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন সামঞ্জস্য ছিলো না। আলীগড় কলেজের প্রতিষ্ঠার সাথে স্যার সৈয়দ আহমদ খান প্রভৃতি যাঁরা যুক্ত ছিলেন তাঁরা প্রতিষ্ঠানটিকে আধুনিক শিক্ষার উপযোগী করে গঠন করতে চেয়েছিলেন। কাজেই বৃটিশ ভারতে উনিশ শতকে নোতুন আর্থিক ও সামাজিক প্রয়োজনে যে নোতুন শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তিত হলো আলীগড়ের প্রতিষ্ঠাতারা ছিলেন তারই দ্বারা অনুপ্রাণিত। সেজন্যেই এই শিক্ষায়তনে বিশুদ্ধ ধর্মীয় শিক্ষার পরিবর্তে বিজ্ঞান এবং আধুনিক জ্ঞানের অনুশীলনের প্রতি গুরুত্বই ছিলো বেশী।

    দেওবন্দ এবং আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথমটি সৃষ্টি হয়েছিলো নোতুন আর্থিক জীবনকে অনেকাংশে উপেক্ষা করে ধর্মীয় জীবন গঠনের উদ্দেশ্যে এবং দ্বিতীয়টি সৃষ্টি হয়েছিলো ধর্মীয় জীবনকে অনেকাংশে উপেক্ষা করে নোতুন আর্থিক জীবন গঠনের উদ্দেশ্যে। স্যার সৈয়দ আহমদের ব্যক্তিগত ধর্মনিষ্ঠা এবং ধর্মানুগত্য সত্ত্বেও দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠানটির ক্ষেত্রে এ কথা সত্য। তিনি মুসলমানদের ঐহিক জীবনে দুরবস্থার অবসান ঘটাতে যত্নবান হয়েছিলেন এবং তাঁর সমগ্র শিক্ষাচিন্তার সেটাই হলো মূলসূত্র।

    স্যার সৈয়দ যখন আলীগড় কলেজের পত্তন করেছিলেন তখনও সাম্প্রদয়িকতা ভারতবর্ষের মাটিতে ভালভাবে মূল এবং শাখা বিস্তার করেনি। তাঁর নিজের চিন্তাও তখন ছিলো বহুলাংশে অসাম্প্রদায়িক। কিন্তু নিজের চিন্তার অসাম্প্রদায়িক চরিত্র সৈয়দ আহমদ খান বেশী দিন আর রক্ষা করতে সক্ষম হলেন না। অচিরেই ঊনিশশো আশির দিকে আর্থিক ও রাজনৈতিক তাগিদে তাঁর সে চিন্তা ভেঙ্গে পড়লো। তিনি দেখলেন যে, নব্যশিক্ষিত মুসলমানদের ব্যবসা বাণিজ্য চাকরী বাকরী ইত্যাদি ঐহিক স্বার্থ রক্ষার সংগ্রাম অনেকাংশে পরিণত হলো নব্যশিক্ষিত হিন্দুদের সাথে সংগ্রামে। আর্থিক জীবনে শুরু হলো হিন্দু-মুসলমানের ভাগ বাঁটোয়ারার মারামারি এবং তার থেকেই জন্মলাভ করলো সাম্প্রদায়িক রাজনীতি।

    দেওবন্দের প্রতিষ্ঠাতাদের দৃষ্টি অন্যদিকে নিবন্ধ থাকার ফলে তাঁদের রাজনীতিও হলো ভিন্ন। সে প্রতিষ্ঠান থেকে যারা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতো তারা ইংরেজের অফিস আদালতে কোন চাকরী পেতো না। তাদের সে শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকার ফলে তারা ব্যবসা- বাণিজ্য-চাকরীতে বিশেষভাবে প্রতিষ্ঠা লাভের আশাও করতো না। তারা চাকরী পেতো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসমূহে অথবা উপার্জন করতো অন্যান্য ধর্মীয় কাজকর্মের দ্বারা। সেই হিসাবে হিন্দুদের সাথে তাদের আর্থিক জীবনে কোন প্রতিযোগিতা ছিলো না এবং প্রতিযোগিতার এই অভাব এবং ভাগ বাঁটোয়ারার মারামারির বাইরে থাকার ফলে তাদের রাজনীতির চরিত্রও হলো স্বতন্ত্র। সাম্প্রদায়িকতা থেকে সে রাজনীতি ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত থাকলো মোটামুটিভাবে মুক্ত।

    আলীগড়ে যে আধুনিক শিক্ষাগ্রহণ মুসলমানেরা শুরু করলো সে শিক্ষাই বাঙলাদেশ এবং অন্যান্য স্থানের মুসলমানেরা ধীরে ধীরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গ্রহণ করতে শুরু করলো। তাদের এই নোতুন শিক্ষার তাগিদ সম্পূর্ণভাবে এলো আর্থিক ও সামাজিক জীবনকে গঠন করার তাগিদে। এই তাগিদের রাজনীতিই হলো সাম্প্রদায়িক এবং তার থেকেই হলো মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠা। যে প্রয়োজনে মুসলিম লীগের জন্ম সে প্রয়োজনের অভাবেই দেওবন্দে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠা। তাদের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান জমিয়তে ওলামায়ে হিন্দ এ জন্যেই ছিলো অসাম্প্রদায়িক। এ জন্যেই তার সাথে ছিলো ভারতীয় জাতীয় আন্দোলনের ঘনিষ্ঠতর যোগাযোগ।

    ৫

    সাম্প্রদায়িক রাজনীতির মাধ্যমেই মুসলিম সংস্কৃতি নামে কথিত সংস্কৃতি পরিণত হলো মধ্যবিত্ত শ্রেণীস্বার্থ প্রতিষ্ঠার হাতিয়ারে। এ মুসলিম সংস্কৃতি ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দেওবন্দের মুসলিম সংস্কৃতি নয়। এ এমন এক সংস্কৃতি যার সাথে ইসলামের তেমন কোন তত্ত্বগত যোগ নেই। প্রকৃতপক্ষে এ সংস্কৃতি ইসলামে বিশ্বাসী বলে যারা দাবী করে তাদের হালুয়া রুটির যোগানদার।

    মুসলিম সংস্কৃতির নাম করে মুসলমানদের যে সব সংস্কৃতিগত বৈশিষ্ট্যের উল্লেখ করা হয় সেগুলি অনেকক্ষেত্রে কৃত্রিমভাবে অথবা গায়ের জোরে সৃষ্ট। এদের অস্তিত্বও খুব বেশী দিনের নয়, এরা সাম্প্রদায়িকতার উত্থানযুগের প্রায় সমসাময়িক। অমুসলমানদের থেকে মুসলমানরা যে পৃথক এই কথা আর্থিক ও রাজনৈতিক কারণে প্রচার করার প্রয়োজনীয়তা থেকেই বহুলাংশে হিন্দু-মুসলমান উভয় সাম্প্রদায়িক সংস্কৃতিরই জন্ম। এজন্যে মুসলমানেরা যা করতো হিন্দুরা চাইতো তার বিপরীতটি করতে এবং হিন্দুরা যা করতো মুসলমানেরা তার উল্টোটি করে বসতো। যে কোন সমাজ ও দেশের সংস্কৃতি যে তার আর্থিক জীবনের দ্বারা কতখানি নিয়ন্ত্রিত ভারতবর্ষে সাম্প্রদায়িকতা এবং সাম্প্রদায়িক সংস্কৃতির উন্মেষ তারই এক অনস্বীকার্য উদাহরণ। এ কারণেই ইসলাম ধর্মের মধ্যে তথাকথিত মুসলিম সংস্কৃতির মূলসূত্র অনুসন্ধান করলে অতি সহজেই বিভ্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ বিভ্রান্তিকে অতিক্রম করতে হলে তার সন্ধান করতে হবে এ দেশের আর্থিক ও রাজনৈতিক জীবনভূমিতে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি ১ – বদরুদ্দীন উমর
    Next Article সংস্কৃতির সংকট – বদরুদ্দীন উমর

    Related Articles

    বদরুদ্দীন উমর

    সাম্প্রদায়িকতা – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    সংস্কৃতির সংকট – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি ১ – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে বাঙলাদেশের কৃষক – বদরুদ্দীন উমর

    October 29, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি ২ – বদরুদ্দীন উমর

    October 29, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    বাঙলাদেশে কমিউনিস্ট আন্দোলনের সমস্যা – বদরুদ্দীন উমর

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }