Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    জর্জ ইলিয়ট এক পাতা গল্প47 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাইলাস মারনার – ৫

    পাঁচ

    ডানস্ট্যান যখন কুটির ছেড়ে বেরল সাইলাস তখন মাত্র শ’ খানেক গজ দূরে। গ্রাম থেকে ফিরছিল সে। কাঁধে একটা বস্তা নিয়ে হাঁটছিল সাইলাস। তার হাতে ছিল প্রদীপ। গ্রাম থেকে সুতো কিনে আনার জন্যে গিয়েছিল ও। কাল দরকার পড়বে। বাড়ির উষ্ণতায় ফেরার জন্যে মনটা আকুল হয়ে রয়েছে তার।

    দরজা খুলে ঘরে ঢুকল সাইলাস। তার দুর্বল দৃষ্টি নজর করতে পারল না কোন অসঙ্গতি। বস্তাটা নামিয়ে রাখল সে। প্রদীপটা রাখল এক কোণে। একাজগুলো করার ফলে তার পায়ের ছাপ ঢেকে দিল ডানস্ট্যানের পদচিহ্ন। চুলার পাশে উত্তাপের জন্যে বসল সে। বেশ আরাম বোধ করছে এখন। মাংসের টুকরোটাও সেঁকা হয়ে এসেছে প্রায়। কিন্তু সাইলাসের মন ছটফট করতে লাগল। স্বর্ণমুদ্রাগুলো না দেখা পর্যন্ত শান্তি পাচ্ছে না সে। খাবার টেবিলে ওগুলো ছড়িয়ে বসে খেতে কী ভালই না লাগবে!

    প্রদীপটা নিয়ে যন্ত্রের কাছে গেল সাইলাস। বালি সরিয়ে ইঁটগুলো তুলে ফেলল। গর্ত খালি! না, এ কিছুতেই হতে পারে না। নিশ্চয়ই ভুল দেখছে সে। কাঁপা হাতে গর্তের ভেতর হাত বোলাল সাইলাস। গতটা সত্যিই ফাঁকা। গাছের পাতার মত কাঁপতে লাগল সে। মনে করার চেষ্টা করল, অন্য কোথাও মুদ্রাগুলো রেখেছে কিনা। কোথায় রেখেছে? টেবিলে? উঁহু, খাটের নিচে? নাহ্। সবখানেই খুঁজল বেচারা, ঘরের কোথাও খুঁজে পাওয়া গেল না ব্যাগ দুটো। অবশেষে মাথা পরিষ্কার হল সাইলাসের। কি ঘটেছে বুঝতে পেরে চিৎকার করে উঠল সে। তারপর পাগলের মত ঘর ছেড়ে বেরিয়ে এল।

    তীরের ফলার মত সারা গায়ে বিধছে বৃষ্টির ফোঁটা। বার কয়েক মাটিতে আছাড় খেল সে, কিন্তু কোনদিকে হুঁশ নেই তার। সোজা চলে এল রেইনবো সরাইখানায়। সে জানে এখানে পাওয়া যাবে গ্রামের মাথাদের। তাঁদেরকে সব খুলে বলবে সে। সাহায্য চাইবে। তাঁরা নিশ্চয়ই টাকা ফিরে পেতে সাহায্য করবেন তাকে।

    ছয়

    গ্রামের মান্যগণ্য সকলেই উপস্থিত ছিলেন সরাইখানায়। বৃষ্টির দিন পেয়ে ভূত-প্রেত নিয়ে জমিয়ে গল্প গুজব করছিলেন তাঁরা। এসময় আচমকা খুলে গেল দরজা। বলতে না বলতেই ভূত এসে দরজায় দাঁড়াল নাকি? সাইলাসের একহারা শরীরটা দেখে ভূত ঠাওরেছিলেন তাঁরা। মলিন দেখাচ্ছে তার চেহারা। ভাবলেশহীন চোখে তাঁদের দিকে চেয়ে রইল সে।

    নীরবতা নেমে এল ঘরে। ভয় পেয়েছেন সকলে। অবশেষে মুখ খুললেন মিস্টার স্নেল। এ সরাইখানার মালিক।

    ‘কি ব্যাপার, মিস্টার মারনার? কি হয়েছে?

    ‘চোর!’ অতিকষ্টে বলল সাইলাস, ‘চোর! আমার সব সোনা নিয়ে গেছে। পুলিশ স্কয়্যার…

    আর বলতে পারল না সে। পড়ে যাওয়ার দশা হল তার।

    ‘ওকে ধর, জেম রডনি,’ চিৎকার করে বললেন মিস্টার স্নেল।

    ‘তুমি ধর,’ ভয় পেয়ে বলে উঠল জেম। জেমের দিকে ফিরল সাইলাস। লোকটা চুরি করে খরগোশ মারে।

    ‘জেম, আমার টাকা নিয়েছ তুমি? কিচ্ছু বলব না আমি। দিয়ে দাও। তোমাকে…তোমাকে একটা মোহর বকশিস দেব।’

    ‘কি?’ খেপে উঠল জেম। ভয়-ডর পালিয়েছে তার। ‘তুমি বলতে চাও আমি চোর? আমি তোমার টাকা চুরি করেছি?’ রাগের চোটে হাতের গ্লাসটা সে সাইলাসের গায়ে ছুঁড়ে মারে আরকি।

    পরিস্থিতি সামাল দিতে চেষ্টা করলেন স্নেল। সাইলাসের গা থেকে ভেজা কোটটা খুললেন তিনি। তাকে বসিয়ে দিলেন একটা চেয়ারে, ফায়ারপ্লেসের পাশে। ‘না জেনে কাউকে দোষ দেয়া ঠিক নয়। খুলে বলুন তো কী হয়েছে,’ নরম গলায় বললেন তিনি।

    সব ঘটনা বলল সাইলাস। সকলেই বিশ্বাস করলেন তার কথা, দুঃখ প্রকাশ করলেন। এই প্রথম তাঁরা উপলব্ধি করলেন, সাইলাস মারনার তাঁদের মতই সাধারণ একজন মানুষ।

    স্নেল হাত রাখলেন সাইলাসের কাঁধে। ‘আমরা আপনার পাশে আছি, মিস্টার মারনার। জেম রডনি কিন্তু নির্দোষ। সারা সন্ধ্যাটা সে এখানেই কাটিয়েছে।

    ‘জেম,’ বলল সাইলাস, ‘ভুল হয়ে গেছে, ভাই, মাফ করে দিয়ো। কারও প্রতি কোন অভিযোগ নেই আমার।’ হাত জোড়া মাথায় রাখল সে। ‘আমি জানতে চাই…শুধু জানতে চাই আমার টাকা গেল কোথায়….

    ‘কত টাকা ছিল, মিস্টার মারনার?’ গ্রামের দরজি জিজ্ঞেস করল।

    ‘দু’শো বাহাত্তর পাউণ্ড, বারো শিলিং, • ছয় পেন্স। কাল রাতে গুনেছি।’

    ‘খুব বেশি ভারী নয় তাহলে। কেউ ঘরে ঢুকে নিয়ে গেছে। নিশ্চয়ই চোরের পায়ের ছাপ রয়েছে, আপনি দেখতে পাননি। চলুন, পুলিশ নিয়ে আপনার বাড়ি যাব। তন্ন তন্ন করে খুঁজলে নিশ্চয়ই কোন সূত্র পাওয়া যাবে।

    স্নেল দরজার কাছে গিয়ে উঁকি দিলেন বাইরে। ‘বৃষ্টি পড়ছে।’

    ‘পড়ক। আমরা যাব’ বলল দরজি।

    ‘আমিও যাব,’ দাঁড়িয়ে পড়ল জেম রডনি।

    সাইলাসকে ধরে দাঁড় করালেন স্নেল। নিজের একটা কোট পরতে দিলেন। হতাশ ভঙ্গিতে সবার দিকে একবার চাইল সাইলাস। তারপর দুই সঙ্গীর সঙ্গে বেরিয়ে পড়ল বৃষ্টির মধ্যে।

    সাত

    পরদিন সকালে গ্রামের সবার মুখে মুখে ফিরল চুরির কথা। কেউ কেউ বলল সাইলাস পাগল; তার কথা বিশ্বাস করা যায় না। তবে বেশিরভাগ লোকই ওর দুর্দশায় দুঃখ পেল।

    স্নেলের ধারণা; চোর হচ্ছে এক ফেরিঅলা। ‘কাল এসেছিল এখানে। বদমাশের মত দেখতে। সাইলাসের বাড়িতেও গিয়েছিল বলে,’ সরাইখানায় উপস্থিত সকলকে বললেন তিনি।

    ‘ব্যাটা বোধহয় লুকিয়ে বসে ছিল সাইলাসের বাড়ির কাছে। অপেক্ষা করছিল। বেচারা দেখতে পায়নি। যেই বেরিয়েছে ঘর থেকে অমনি ব্যাটা সব গায়েব করে দিয়েছে,’ বলল একজন। অন্যেরা সায় দিল তার কথায়।

    পুলিশ বহু খুঁজেও সেই ফেরিঅলার পাত্তা পেল না। সে কোথায় ফেরি করতে চলে গেছে কে জানে।

    .

    ওদিকে গডফ্রেও নিজের জ্বালায় অস্থির। ডানস্ট্যান বাড়ি ফেরেনি। গেল কোথায়? ওয়াইল্ডফায়ার কেইবা কোথায় নিয়ে গেল? ‘ডানস্ট্যান হয়ত ঘোড়াসুদ্ধ বিপদে পড়েছে,’ ভাবল সে। নাকি বেচে দিয়েছে? যদি তাই হয় তাহলে এত সহজে আর এ মুখো হচ্ছে না সে। সব টাকা খুইয়ে তবে ফিরবে। ইস্! কী বোকামি যে করেছি! ওকে ঘোড়াটা দেয়াই উচিত হয়নি।’

    ঘোড়া নিয়ে বেথারলির দিকে রওনা দিল গডফ্রে। সম্পূর্ণ মনের বিরুদ্ধে, কারণ মলি ফ্যারেন ওখানেই থাকে। ওর সঙ্গে দেখা হয়ে যাক সেটা কিছুতেই চায় না গডফ্রে। কিন্তু ঘোড়ার খবর পাওয়া যেতে পারে ব্রাইসের কাছে। বেথারলিতেই ওর বাড়ি। সুতরাং বাধ্য হয়েই যেতে হচ্ছে তাকে। ব্রাইসের সঙ্গে পথেই দেখা হল তার।

    ‘তোমার ভাইয়ের কপাল খারাপ,’ ওকে দেখে বলল ব্রাইস।

    ‘তার মানে?’ উদ্বিগ্ন কণ্ঠে প্রশ্ন করল গডফ্রে।

    ‘ও কিছু বলেনি তোমাকে?’ অবাক হয়ে গেছে ব্রাইস।

    ‘ও তো এখনও বাড়িতেই ফেরেনি।’

    ‘ওয়াইল্ডফায়ারের দাম বলেছিলাম একশো-বিশ পাউণ্ড। কিন্তু রেস খেলতে গিয়ে…’

    ‘ওয়াইল্ডফায়ারের হাঁটু ভেঙেছে! জানতাম এমন একটা কিছু হবে! প্রায় চেঁচিয়ে উঠল গডফ্রে!

    ‘তারচেয়েও খারাপ,’ বলল ব্রাইস। ‘মারা গেছে ঘোড়াটা। তোমার ভাই ফেরেনি এখনও?’

    ‘না, ঘটে বুদ্ধি থাকলে ফিরবেও না। আমার ঘোড়া মেরে ফেলেছে…

    ‘তোমার ঘোড়া?’ অবাক হয়ে প্রশ্ন করল ব্রাইস। ‘তারমানে মিথ্যে বলেছে ও। তোমার অনুমতি ছাড়াই বেচে দিচ্ছিল আমার কাছে।’

    ‘না, আমার অনুমতি ছিল।’

    ‘তাই বল,’ বলল ব্রাইস। ‘তাহলে বাড়ি ফিরল না কেন?’

    ‘সেটাই তো ভাবছি,’ বলল গডফ্রে। এমুহূর্তে ছোট ভাইয়ের জন্যে চিন্তা হচ্ছে তার। ‘আমি বাড়ি ফিরব। যাবে নাকি ওদিকে?

    মাথা নাড়ল ব্রাইস। গডফ্রের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ঘোড়ার মুখ ঘোরাল বাড়ির দিকে।

    ধীরে ধীরে বাড়ির দিকে এগোল গডফ্রে। চিন্তামগ্ন। ফাউলারের ভাড়ার ব্যাপারটা বলে দিতে হবে বাবাকে। সে মনস্থির করে ফেলল আগামীকাল সকালে জানাবে সব কিছু। মলির কথাও গোপন করবে না। বেশি দেরি করলে মলি নিজেই এসে ফাঁস করে দেবে সব। জেনে যাবে সবাই। বাবা দেবেন তাড়িয়ে। চিরদিনের মত হারাতে হবে ন্যান্সিকে। এটা কিছুতেই হতে দিতে পারে না সে।

    আট

    পরদিন সকাল সকাল নাস্তা সারল গডফ্রে। তারপর বাবার ঘুম থেকে ওঠার জন্যে অপেক্ষা করতে লাগল। স্কয়্যার কাস ঘুম ভেঙে দেখেন ছেলে বসে রয়েছে। কারণ জিজ্ঞেস করতে গডফ্রে বলল, ‘কিছু কথা ছিল।’

    ‘ও, টাকা চাই?’

    ‘আসলে ওয়াইল্ডফায়ারের কথা…কপালটাই খারাপ…’

    ‘ঘোড়াটার হাঁটু ভেঙেছে, এই তো?’ প্রশ্ন করলেন স্কয়্যার, ‘চিকিৎসার টাকা লাগবে। উঁহুঁ, টাকা-পয়সা হবে না। লোকে ভাড়া দেয়নি এখনও। ফাউলার গতমাসে বলেছিল একশো পাউণ্ড দেবে। কিসের কী, এক পেনিও দেয়নি। ওকে বার করে দেব আমি। আজই।

    ‘ফাউলারের ব্যাপারেও কথা আছে,’ দুর্বল কণ্ঠে বলল গডফ্রে। ওয়াইল্ডফায়ারকে বেচতে পারলে ফাউলারের ভাড়াটা মিটিয়ে দিতে পারতাম।’

    ‘তুমি! ফাউলারের ভাড়া মেটাবে! কি বলছ এসব! পাগল হয়ে গেলে নাকি?

    ‘ফাউলার ঠিকমতই ভাড়া দিয়েছিল। ওর কোন দোষ নেই। টাকাটা আমি…মানে…ডানস্ট্যানকে দিয়েছিলাম।’

    স্কয়্যারের লাল মুখ আরও লাল হল একথা শুনে। টাকা পেয়েও দাওনি আমাকে! বলেছ ফাউলার ভাড়া দেয়নি। এসব মিথ্যে কথার কারণ কী? তুমিও চুরি বিদ্যা শিখে গেছ?’ শ্বাস নেয়ার জন্যে থামলেন স্কয়্যার। ‘ডানস্ট্যান কোথায়? ওকে এক্ষুণি এখানে ডেকে নিয়ে এস।’

    ‘ও এখনও ফেরেনি, স্যার।’

    ‘কেন? ঘোড়া থেকে পড়ে ব্যথা পেয়েছে?’

    ‘না, স্যার। কিন্তু দুর্ঘটনার পর থেকে ওকে আর দেখা যায়নি।’

    ‘তবে তোমাকেই জবাবদিহি করতে হবে,’ ক্রুদ্ধস্বরে বললেন স্কয়্যার। ‘ওকে টাকা দিতে গেলে কেন? বল।’ ডান হাতের মুঠি সজোরে টেবিলে বসালেন তিনি।

    ‘আমি…আমি জানি না কেন দিয়েছি।’

    ‘জান না? ফাজলামির আর জায়গা পাও না? টাকা খাইয়ে ওর মুখ বন্ধ রাখছ, তাই না?’

    গডফ্রে কিছু না বললেও তার চেহারায় ভয়ের ছাপ ফুটে উঠল। বাবা কি জেনে ফেলেছেন? হালকাভাবে বলতে চেষ্টা করল সে, ‘আসলে তেমন কিছুই না…কেবল এক যুবকের বোকামি…’

    ‘আর কত বোকামি করবে! ছেলেমানুষ তো নও। অপদার্থের মত ঘুরে না বেড়িয়ে এবার কিছু একটা করার চেষ্টা কর।’

    ‘ফার্মের কাজে সব সময়ই সাহায্য করতে চেয়েছি আপনাকে। আপনি নেননি।’

    ‘নেব কেন? তোমার ওপর আস্থা নেই আমার,’ বললেন স্কয়্যার। তারপর প্রসঙ্গ পাল্টে বললেন, ‘বিয়ে করছ না কেন? ল্যামেটারের মেয়েকে পছন্দ করতে না তুমি? কি হয়েছে? ও ফিরিয়ে দিয়েছে তোমাকে?’

    ‘তা নয়, তবে ফিরিয়ে দেবে,’ মাথা নিচু করে বলল গডফ্রে।

    ‘কেন? ওকে প্রস্তাব দিয়ে দেখেছ?’

    ‘না, স্যার।’

    ‘ওর বাবাকে বলব আমি। আমাকে ফেরাতে পারবে না সে।’

    ‘প্লীজ, স্যার, ওটা করতে যাবেন না, অনুনয় করল গডফ্রে। ফ্যাকাসে হয়ে গেছে মুখ। ‘আমি নিজেই মেয়েটিকে প্রস্তাব দেব।’

    ‘তবে জলদি কর। আর নিজেকে ওর জন্যে তৈরি করে নাও।’ এক মুহূর্তের জন্যে থামলেন স্কয়্যার। তারপর আবার বলতে শুরু করলেন, ‘ডানস্ট্যানের ঘোড়া বেচে টাকাটা আমাকে দেবে। আর দেখা হলে বলবে এ বাড়িতে ওর আর ফেরার দরকার নেই। নিজে রোজগার করে খেতে শিখুক।’ রাগে অগ্নিশর্মা স্কয়্যার উঠে পড়লেন টেবিল ছেড়ে। তারপর গটগট করে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন।

    লজ্জায় নুয়ে পড়ল গডফ্রে। নিজের চোখেই ছোট হয়ে গেছে সে। কাপুরুষ ছাড়া আর কিছু ভাবতে পারছে না নিজেকে। বাবাকে মলি ফ্যারেনের কথা বলার সৎ সাহসটুকুও নেই তার। বোঝার ওপর শাকের আঁটির মত নতুন উদ্বেগ এসে আবার ভর করেছে মনে। বাবা যদি ন্যান্সির বাবার সঙ্গে বিয়ের ব্যাপারে সত্যিই কথা বলেন, তবে? কী করবে তখন সে? কিছুই করতে পারবে না, এক অপেক্ষা করা ছাড়া। নিশ্চয়ই কিছু একটা ঘটবে। হয়ত মারাও যেতে পারে মলি। ইদানীং অসুস্থতা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে তার। আফিম নিতে শুরু করেছে সে। খুব বেশিদিন আর নেই ও। এমনিতরো হাজারো কুচিন্তা ভিড় জমাল গডফ্রের মনে।

    নয়

    পেরিয়ে গেল কয়েক সপ্তাহ। চোর ধরা পড়ল না। ডানস্ট্যানেরও কোন খবর নেই। অবশ্য সকলের ধারণা ডানস্ট্যান নিজেই বাড়ি ছেড়েছে। এর আগেও পালিয়েছে বহুবার। টাকার দরকার পড়তে সুড়সুড় করে ফিরে এসেছে আবার।

    ডানস্ট্যান চোর এটা কারও মাথাতেই এল না। কাস পরিবার এ গ্রামের গর্ব। সবাই শ্রদ্ধা করে তাদের, সমীহ করে। সে-বাড়ির ছেলে চোর হবে কিভাবে!

    বড়দিনের আর বেশি বাকি নেই। বছরের সেরা উৎসবের জন্যে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে লোকজন। ফলে ডানস্ট্যানের প্রসঙ্গ ধামাচাপা পড়ে গেল।

    বড়দিন নিয়ে সাইলাসের কোন মাথাব্যথা নেই। তার একমাত্র আনন্দ ছিল তার মুদ্রাগুলো। সেগুলোই নেই যখন, তখন আর রইল কী, দুঃখ আর বেদনা ছাড়া? কিন্তু এখনও কঠোর পরিশ্রম করে চলেছে সে। যদিও মন তার পড়ে রয়েছে চুরি যাওয়া টাকার ওপর। ‘যত কষ্টই করি না কেন ঐ পরিমাণ সোনা আর কোনদিন জমাতে পারব না!’ মাঝে মাঝেই রাতে কাজ শেষে বসে থাকে সে। ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদে।

    সাইলাসের প্রতি গ্রামের সকলেই এখন সহানুভূতিশীল। আগে তাদের ধারণা ছিল সাইলাস চতুর লোক, অসৎ। আর এখন তারা মনে করছে লোকটা বোকা, নইলে কারও জমানো টাকা চুরি যায়? বড়দিনের আগে অনেকেই উপহার সামগ্রী আর খাবার পাঠাল সাইলাসকে। দেখা হলে কুশল জিজ্ঞেস করল। বাড়ি এসে সান্ত্বনা দিয়ে গেল। কিন্তু সাইলাসের কোন উপকার তাতে হল না। স্বর্ণমুদ্রাগুলোর কথা কিছুতেই ভুলতে পারল না সে।

    সাইলাসের কুটিরে সবার আগে এলেন মিসেস ডলি উইনথ্রপ, দয়ালু মহিলা, সহমর্মী। প্রতিবেশীর বিপদে-আপদে ঝাঁপিয়ে পড়েন। রবিবারের এক সকালে এলেন তিনি। সাইলাস তখন তার তাঁত নিয়ে ব্যস্ত। ভদ্রমহিলা সঙ্গে করে তাঁর ছোট ছেলে অ্যারনকে নিয়ে এসেছেন। অ্যারন এই অদ্ভুত লোকটিকে অসম্ভব ভয় পায়। সে আড়াল নিল মায়ের পেছনে।

    ‘মিস্টার মারনার,’ বললেন ডলি, ‘আপনার জন্যে ক’টা কেক এনেছি।’

    তাঁকে ধন্যবাদ জানাল সাইলাস।

    ‘বড়দিন তো এসে গেল,’ মৃদু হেসে বললেন ডলি।

    ‘আজ সকালে গির্জার ঘণ্টা শোনেননি?’

    ‘হ্যাঁ, শুনেছি,’ জবাব দিল সাইলাস। ‘গির্জায় যাই না আমি।

    ‘জানি, কিন্তু গেলে শান্তি পেতেন,’ বললেন ডলি। ‘আমি পাই। ঈশ্বরের কাছে কিছু চাইলে তিনি বান্দাকে ফেরান না।’

    সাইলাস কোন কথা বলল না। মনে মনে ভদ্রমহিলার কথার বিরুদ্ধাচরণ করল সে।

    এ মুহূর্তে অ্যারনের ভয় অনেকখানি কেটেছে। মায়ের চেয়ারের আড়াল থেকে গুটিগুটি বেরিয়ে এল সে। ওর দিকে এক টুকরো কেক এগিয়ে দিল সাইলাস। দৌড়ে আবার মায়ের কাছে ফিরে গেল অ্যারন। তবে হাতটা বাড়িয়ে রাখল, কেক চাই তার।

    ‘ছি অ্যারন! উনি তোমাকে ছোঁচা ভাববেন না?’ ধমক দিলেন ভদ্রমহিলা। তারপর সাইলাসের দিকে চেয়ে বললেন, ‘ও খেতে বড় ভালবাসে। ছোট মানুষ তো!’ অ্যারনের মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, ‘ওর গলাটা ভারি মিষ্টি। চট জলদি সব কিছু শিখে ফেলে। ওর বাপের কাছ থেকে বড়দিনের একটা গান শিখেছে, শুনবেন?’

    মাথা ঝাঁকিয়ে সায় দিল সাইলাস। মুখে হাসি ফোটাতে চেষ্টা করল।

    ‘অ্যারন, দাঁড়িয়ে শুরু করে দাও,’ ওর মা বললেন।

    মায়ের কাঁধে মুখ লুকাল অ্যারন।

    ‘অ্যারন, গাও সোনামণি। মিস্টার মারনার তোমার গান শুনতে চাইছেন।’

    এবার টেবিলের পেছনে চলে গেল ছেলেটি। দাঁড়াল, কেবল মাথাটা দেখা যাচ্ছে তার। তারপর সুরেলা গলায় গানটা গাইল।

    ‘দারুণ না?’ জিজ্ঞেস করলেন ডলি।

    ‘হ্যাঁ,’ সাইলাস জবাব দিল। ভদ্রমহিলাকে খুশি করার জন্যেই কথাটা বলল সে।

    ‘বড়দিনে অন্য বাচ্চাদের সঙ্গে গির্জায় গাইবে ও। আপনি আসবেন। আপনার ভাল লাগবে।’

    সাইলাস আর এক টুকরো কেক বাড়িয়ে দিল অ্যারনের দিকে।

    ‘প্লীজ, দেবেন না, দৃঢ় কণ্ঠে বললেন ডলি। ‘আমরা এখন চলি। আপনার যে-কোন প্রয়োজনে ডাকবেন, আসব। কিন্তু দয়া করে রবিবার কাজ করবেন না, শরীর-মন খারাপ হবে।’

    ভদ্রমহিলাকে ধন্যবাদ জানাল সাইলাস। কিন্তু তিনি চলে গেলে খুশি হল সে। একা থাকতে চায় ও, কাজ করতে চায়।

    সাইলাস ছাড়া আর সকলেই বড়দিনে গির্জায় গেল। সেখান থেকে ফিরে যে যার মত মেতে উঠল উৎসবে। সাইলাস বাড়িতে বসে রইল। ডিনারের জন্যে বেশ খানিকটা মাংস পেয়েছে সে। উপহার হিসেবে পাঠিয়েছে ল্যামেটার পরিবার। বিষণ্ন মনে তাই খেল সাইলাস।

    ওদিকে ‘রেড হাউস’-এ সেদিন পার্টি হল। সবাই উপভোগ করল। ডানস্ট্যান কেবল অনুপস্থিত। কিন্তু তার কথা মনে করল না কেউই।

    বড়দিনের পর নববর্ষের জন্যে সাজসাজ রব পড়ে গেল। নববর্ষের আগের দিন সন্ধ্যায় স্কয়্যার কাসের বাড়িতে নাচের পার্টি হবে। কাস পরিবারের বন্ধুরা তাতে আমন্ত্রিত। ন্যান্সি ল্যামেটারও আসবে। সে দিনটির জন্যে আকুল হয়ে অপেক্ষা করতে লাগল গডফ্রে। ন্যান্সির সঙ্গে নাচবে সে! ন্যান্সির সঙ্গ উপভোগ করবে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }