Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    জর্জ ইলিয়ট এক পাতা গল্প47 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাইলাস মারনার – ১০

    দশ

    স্কয়্যারের বাসায় দারুণ জমল সেদিন। পেটপুরে খেল প্রত্যেকে। ডিনারের পর শুরু হল নাচ। ন্যান্সির সঙ্গে কয়েক দফা নাচল গডফ্রে। ভাবভঙ্গিতে বুঝল মেয়েটি ওকে এখনও ভালবাসে। আনন্দে ভরে উঠল ওর বুক। ভুলে গেল স্ত্রীর কথা।

    মলি ফ্যারেন কিন্তু ভোলেনি গডফ্রেকে। স্কয়্যারদের পার্টির কথা সে-ও শুনেছে। তিক্ততায় ছেয়ে রয়েছে তার মন। ‘গডফ্রে ওখানে মেয়েদের সঙ্গে নাচছে…আর আমি? একা পড়ে রয়েছি,’ ভাবল সে। মনে পড়ল, গডফ্রে বলেছে মরে গেলেও স্কয়্যার কাসকে কিছু জানাবে না। ওকে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দেবে না। কথাটা মনে হতেই রেগে উঠল মলি। ‘ঠিক আছে। আমিও দেখে নেব। নাচের পার্টিতে যাব আমি। গডফ্রের বান্ধবীরা দেখুক আমাকে কী অবস্থায় রেখেছে সে। স্কয়্যার দেখুক তার ছেলের বউ আর নাতনীকে। আমার নোংরা কাপড় দেখে সবার সামনে লজ্জা পাক ওরা। আমাকে শেষ করে দিয়েছে বদমাশটা!’

    নববর্ষের আগের রাত। বেথারলি থেকে রওনা দিল মলি। কোলে তার সন্তান। তুষার পড়ছে। তারই মধ্য দিয়ে হেঁটে চলেছে সে। দু’বছর বয়েস ওর মেয়ের। ঘুমন্ত মেয়েটিকে বয়ে নিয়ে যেতে কষ্ট হচ্ছে অসুস্থ মলির। খানিক বাদেই কাহিল হয়ে পড়ল সে। থেমে দাঁড়াল। বেশ খানিকটা আফিম গিলে রওনা দিল আবার। কিন্তু বেশিদূর আর যাওয়া হল না। নেশা ধরে গেছে তার, বড্ড ঘুম পাচ্ছে। ঘুমোবে সে এখন।

    বাচ্চার কথা ভুলে, সবকিছু ভুলে পুরু তুষারের ওপরই শুয়ে পড়ল মলি। আহ্, কী নরম! একটা ঝোপে মাথা রাখল সে। নিথর শুয়ে রইল। কোলের বাচ্চা কোলেই রইল। তখনও গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন বাচ্চাটি।

    গাঢ় ঘুম পাচ্ছে মলির। শিথিল হল তার হাতজোড়া। মায়ের কাছ ছাড়া হল বাচ্চা। তুষার পড়তেই ঘুম ভাঙল তার। ‘মা,’ চেঁচিয়ে উঠল সে, ‘মা।’ কিন্তু জবাব মিলল না।

    টলমল পায়ে উঠে দাঁড়াল মেয়েটি। মাথার ওপর তারারা উজ্জ্বল আলো ছড়াচ্ছে। চারপাশে ঘন, সাদা তুষার। ‘মা,’ আবার চেঁচাল সে। সাড়া দিল না মলি ফ্যারেন।

    হঠাৎ বাচ্চাটির চোখে পড়ল উজ্জ্বল আলো-তুষারের ওপর দিয়ে আসছে। খুব সুন্দর দেখাচ্ছে। ভারি ভাল লাগল তার। আলতো পায়ে সেদিকেই এগোল সে। যত এগোচ্ছে তত উজ্জ্বল হচ্ছে আলো। এভাবে সাইলাস মারনারের কুটিরে পৌঁছে গেল সে।

    ঘরে ঢুকল বাচ্চাটি। আগুন জ্বলছে চুলায়। ওটার কাছে গেল সে। উত্তাপ লাগছে গায়ে। দারুণ আরাম! ছোট হাত দুটো বাড়িয়ে বসে পড়ল ও। তারপর কখন যে ঘুমিয়ে পড়ল নিজেও জানল না।

    এগারো

    ‘সাইলাস মারনার তখন কুটিরে ছিল না। সে গিয়েছিল বাইরে, নববর্ষের ঘণ্টাধ্বনি শোনার জন্যে। তার প্রতিবেশীরা বলেছে: মাঝরাতে ঘণ্টাধ্বনি শুনতে ভুল করবেন না কিন্তু। ওটা শুভ সঙ্কেত, ভাগ্য ফিরিয়ে দেয়। বলা যায় না, আপনার টাকা ফিরেও পেতে পারেন।

    ফলে আর দ্বিধা করেনি সাইলাস, মাঝরাতে ঘণ্টাধ্বনি শুনতে ঠিক বেরিয়ে এসেছে। শোনা হয়ে গেলে সে ফিরে চলল কুটিরে। এসময় আবার ঘোরের মধ্যে পড়ল ও। স্থাণুর মত দাঁড়িয়ে রইল কুটিরের বাইরে। কতক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিল জানে না সে। তারপর হুঁশ ফিরতে দেখে ঠাণ্ডা লাগছে। ভেতরে চলে এল তখন।

    ঢুকেই অবাক হয়ে গেল সাইলাস। ঘর অন্ধকার। চুলায় কয়েকটা চেলা কাঠ দিয়ে আগুনটা উসকে দিল সে। এবার আলোকিত হয়ে উঠল ঘর। আরে! ফায়ারপ্লেসের সামনে… ওটা কী? সোনা! আবার ফিরে এসেছে তার কাছে; প্রতিবেশীরা তো তাহলে ঠিকই বলেছিল!

    ঝুঁকে পড়ল সাইলাস, আরও ভালভাবে দেখার জন্যে। নিজের চোখকেই বিশ্বাস হচ্ছে না তার। খাঁটি সোনা! ছোঁয়ার জন্যে দু’হাত বাড়িয়ে দিল সে।

    সোনা যদিও তবে এগুলো সোনার মুদ্রা নয়, সোনালি চুল। সাইলাস তার ফিরে পাওয়া সম্পত্তিতে হাত বোলাল।

    সাইলাসের একটা ছোট বোন ছিল। বড় আদরের। সে কিশোর বেলার কথা। বেচারী বোনটি শিশুকালেই মারা যায়। এই কি সেই ছোট্ট বোন? নাকি তাকে স্বপ্নে দেখছে সাইলাস? চোখ বুজল সে। কল্পনায় ভেসে উঠল মা-বোনের মুখ, ছেলেবেলার সুখের স্মৃতিগুলো।

    হঠাৎ কেঁদে উঠল বাচ্চাটি। ঘুম ভেঙে গেল তার। ডাকতে লাগল, ‘মা, মা,’ করে। হাঁটুর ওপর বসাল ওকে সাইলাস, আদর করল। তারপর খানিকটা দুধ গরম করে খেতে দিল।

    সাইলাসের দিকে বড় বড় চোখ মেলে তাকিয়ে রইল মেয়েটি, কী নিশ্চাপ সেই দৃষ্টি। খানিক বাদে হাঁটু থেকে নেমে নিজেই ঘরময় হেঁটে বেড়াতে লাগল। ওর পেছন পেছন এল সাইলাস, পড়ে যেতে গেলেই ধরবে। কিন্তু তার দরকার হল না। মেয়েটি বসে পড়ে জুতো খুলতে চেষ্টা করল। পায়ে ব্যথা পাচ্ছে সে। কাজটা করে দিল সাইলাস। ওর দিকে চেয়ে দেবশিশুর মত হাসল মেয়েটি।

    ওর ভেজা জুতো জোড়ার দিকে চাইল সাইলাস। কোন সন্দেহ নেই তুষার মাড়িয়ে এসেছে। কে ছিল ওর সাথে? বাচ্চাটিকে কোলে নিয়ে বাইরে বেরিয়ে এল সে।

    নিচু হয়ে মেয়েটির পায়ের ছাপ পরখ করল ও। তারপর ছাপ অনুসরণ করে এগোল। কিছুক্ষণ পরে পৌঁছে গেল কয়েকটা ঝোপ- ঝাড়ের কাছে। ‘মা,’ কেঁদে উঠল মেয়েটি। ঝোপের মধ্যে পড়ে রয়েছে মলি ফ্যারেনের নিষ্প্রাণ দেহ। ইতোমধ্যেই তুষার অনেকখানি ঢেকে দিয়েছে তার শরীর।

    বারো

    ওদিকে ‘রেড হাউস’-এ তখন সুখের অন্ত নেই। নাচছে সবাই। তাজা বাতাসের জন্যে খুলে রাখা হয়েছে সবগুলো দরজা। দরজায় দাঁড়িয়ে রয়েছে চাকর-বাকররা, নাচ দেখছে। গ্রামের অনেকে রয়েছে ওখানে।

    এ মুহূর্তে একা দাঁড়িয়ে রয়েছে গডফ্রে। চোখ তার ন্যান্সির দিকে। নাচছে সে। হঠাৎ হৈ-চৈ শুনে দরজার দিকে তাকাল ও। ওর বাচ্চা না? বুকে চেপে ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছে সাইলাস। নিশ্চিত হওয়ার জন্যে এগিয়ে গেল গডফ্রে। হ্যাঁ, কোন ভুল নেই। ওরই সন্তান!

    মারনারকে দেখে বিরক্ত হলেন স্কয়্যার। ‘আপনি এখানে কী চান?’

    ‘একজন ডাক্তার দরকার, স্যার। এক মহিলা পড়ে রয়েছে তুষারে…মারা গেছে খুব সম্ভব…কূয়ার কাছে।

    এগিয়ে এলেন যাজক। ‘শ্‌শ্‌, মারনার। আস্তে কথা বলুন। মহিলারা শুনলে ভয় পাবেন। আমি ডাক্তারকে ডেকে আনছি।’

    মহিলারা অবশ্য শুনে ফেলেছেন ইতোমধ্যে। তাঁরা বাচ্চাটিকে কাছ থেকে দেখার জন্যে এগিয়ে এলেন। হাসছে শিশুটি। গডফ্রের দিকে ফিরল ন্যান্সি। ‘কার বাচ্চা এটা?’ প্রশ্ন করল সে।

    ‘কে জানে?’ বলল গডফ্রে। ‘কোন্ মহিলা নাকি পড়ে রয়েছে তুষারে। তারই হবে মনে হয়। ‘

    ‘বাচ্চাটাকে এখানে রেখে যেতে পারেন,’ সাইলাসকে বললেন এক মহিলা। ‘চাকর-বাকররা দেখে রাখবে।

    ‘অসম্ভব!’ দ্রুত বলে উঠল সাইলাস। আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরল শিশুটিকে। ‘ও আমার কাছে এসেছে। ওকে আমিই রাখব।’

    ডাক্তারকে তাসের আসর থেকে ডেকে আনা হল। স্কয়্যারের সঙ্গে কথা সেরে গডফ্রেকে প্রশ্ন করলেন তিনি, ‘আমাকে একজোড়া উঁচু বুট দিতে পারবে?’ তারপর বললেন, ‘কাউকে বল ডলি উইনথ্রপকে ডেকে আনবে। এখন তাঁকেই প্রয়োজন।’

    ‘আমি নিজেই যাচ্ছি,’ বলল গড়ফ্রে।

    সাইলাস মারনারকে নিয়ে ডাক্তার তক্ষুণি বেরিয়ে গেলেন। গডফ্রেও আর দেরি করল না। সোজা ডলি উইনথ্রপের বাড়িতে চলে গেল সে। সেখান থেকে তাঁকে নিয়ে মারনারের কুটিরের দিকে রওনা দিল। বারবার ওকে ফিরে যেতে বললেন ডলি। বললেন এই ঠাণ্ডার মধ্যে বাইরে থাকলে অসুখ করবে। কিন্তু তাঁর কথা গায়ে মাখল না গডফ্রে।

    কুটিরের ভেতর ঢুকলেন ডলি। বাইরে দাঁড়িয়ে রইল গডফ্রে। উদ্বিগ্ন মনে ভাবতে লাগল, ‘মলি কি সত্যিই মারা গেছে? যদি তাই হয় তবে আমি এখন মুক্ত। ন্যান্সিকে বিয়ে করতে আর কোন বাধা রইল না!…বাচ্চাটা রয়েছে যদিও, কিন্তু কেউ জানে না আমি ওর বাবা। আমি ওকে সব ভাবে সাহায্য করব। কিন্তু কখনই ওকে নিজের সন্তান বলে স্বীকার করব না…কিন্তু মলি যদি মরে না গিয়ে থাকে! তখন? আমি শেষ! ও সবাইকে বলে দেবে আসল ঘটনা। বাবা তো খেদাবেই, ন্যান্সিও আর ফিরে চাইবে না।’

    কুটির থেকে বেরিয়ে গডফ্রেকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলেন ডাক্তার। অবাক হয়ে গেলেন তিনি। ‘এখানে কী করছ তুমি? বাড়ি চল!’

    ‘মহিলা…মহিলা কেমন আছে?’ ঢোক গিলে প্রশ্ন করল গডফ্রে।

    ‘মারা গেছে। আমি আসার আগেই। কিছুই করতে পারলাম না।’

    ‘মহিলা বয়স্কা?’

    ‘না, না। একদম অল্পবয়সী, দেখে মনে হল গরীব ঘরের। তবে আঙুলে বিয়ের আঙটি রয়েছে।

    ‘মহিলাকে দেখতে চাই একবার,’ ডাক্তারকে বলল গডফ্রে। তারপর বলল, ‘আপনি এগোন। আমি আসছি।’

    কুটিরে ঢুকল গডফ্রে। হ্যাঁ, মলি ফ্যারেনই শুয়ে রয়েছে। একে দু চোখে দেখতে পারত না সে। ভাল করে মৃতা স্ত্রীকে দেখে নিল গডফ্রে। তারপর সাইলাসের দিকে ফিরল। ওর বাচ্চা কোলে চুলার পাশে বসে রয়েছে সে। ঘুম ঘুম চোখে গডফ্রের দিকে চাইল মেয়েটি, তবে বাপকে চিনতে পারল না। সাইলাসের দিকে চেয়ে হাসল। ছোট্ট একটা হাত বাড়িয়ে কান ধরে টানল।

    ‘ওকে এতিমখানায় দেবেন নিশ্চয়ই?’ প্রশ্ন করল গডফ্রে। উদাসীনতার অভিনয় করল সে।

    ‘না, না। ও আমার কাছে থাকবে।’

    ‘কিন্তু আপনি কি ওকে মানুষ করতে পারবেন? অসুবিধে হবে তো।’

    ‘হোক,’ পাল্টা বলল সাইলাস। ‘তবু রাখব। ওর মা নেই। বাবা কোথায় আছে কে জানে? দুনিয়ায় আমিও একা। টাকা ছিল তাও গেছে। আমাদের দু’জনের মধ্যে অদ্ভুত মিল…’

    ‘বেচারী!’ বলল গডফ্রে। ‘ওর নতুন কাপড় দরকার। এটা রাখুন, সাইলাসের হাতে একটা স্বর্ণমুদ্রা ধরিয়ে দিয়ে দ্রুত বেরিয়ে গেল সে।

    ডাক্তার দাঁড়িয়ে ছিলেন বাইরে। তাঁর কাছে পৌঁছে বলল গডফ্রে, ‘ভেবেছিলাম মহিলাকে হয়ত চিনতে পারব। কিন্তু আগে কখনও দেখিনি একে। বাচ্চাটা খুব সুন্দর, না? মারনার নাকি পালবে ওকে।

    ‘তাই নাকি?’ উদাসভাবে প্রশ্ন করলেন ডাক্তার। তাঁর মন পড়ে রয়েছে ‘রেড হাউস’-এ।

    আর কোন কথা হল না দু’জনার মধ্যে। দ্রুত ফিরে চলল তারা ‘রেড হাউস’-এ। নানা চিন্তা আসছে গডফ্রের মাথায়। ‘বেচারী মলি।’ ভাবল সে। দুঃখ হচ্ছে ওর জন্যে, তবে আনন্দও কম নয়। ন্যান্সিকে বিয়ে করতে বাধা রইল না আর। ‘মলির কথা কেউ জানবে না। ডানস্ট্যান ফিরলে রকবক করতে চাইবে। কিন্তু পয়সা দিলেই সব ঠাণ্ডা। ন্যান্সিকে মলির কথা জানাব না আমি। কেনই বা জানাব? বেচারী দুঃখ পাবে…সাইলাস আমার বাচ্চাটার দেখাশোনা করবে, ওকে সব রকমের সাহায্য দেব। আমার বাচ্চা ভালই থাকবে…’

    ‘রেড হাউস’-এ ফেরার পথে এসব চিন্তাই এল তার মাথায়।

    তেরো

    এ ঘটনা নিয়ে লোকে গাল-গল্প জুড়ল। অনেকে বলল সাইলাস বোকামি করেছে। বাচ্চাটাকে তার রাখা উচিত হয়নি। ‘পাগল লোক, বলল তারা। ‘তাছাড়া বয়স্ক মানুষ। বাচ্চা দেখবে কিভাবে?’ তবে বেশিরভাগ লোকই সাইলাসের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তার মানবতায় মুগ্ধ। অনেকেই, বিশেষ করে মহিলারা বাড়ি এসে ওকে নানা উপদেশ দিয়ে গেল।

    তবে বলাই বাহুল্য সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়ালেন মিসেস ডলি উইনথ্রপ। সাইলাস তাঁকে গডফ্রের দেয়া মুদ্রাটা দিতে চাইল। বলল বাচ্চার জন্যে নতুন কাপড়ের ব্যবস্থা করে দিতে।

    ‘কোন দরকার নেই,’ বললেন ডলি। ‘অ্যারনের গায়ে অনেক কাপড় ছোট হয়ে গেছে। সেগুলো পরতে পারে ও, প্ৰায় নতুনই রয়েছে।

    বাচ্চাটিকে গোসল করাতে শুরু করলেন ডলি। কাছে দাঁড়িয়ে দেখতে লাগল সাইলাস। ‘কী সুন্দর!’ কোঁকড়া কোঁকড়া সোনালী চুলগুলো ধুয়ে দেয়ার সময় বললেন তিনি। খানিকক্ষণ কী যেন চিন্তা করলেন ভদ্রমহিলা। তারপর বললেন, ‘মিস্টার মারনার, ও প্রথম প্রথম জ্বালাতন করতে পারে। আমি অবশ্য নিয়মিত আসব। আপনাকে সাহায্য করতে।’

    ‘ধন্যবাদ,’ বলল সাইলাস। ‘আমি ওর সব কাজ নিজেই করতে চাই। আমি চাই ও আমাকে ভালবাসুক। আপনি বরং আমাকে শিখিয়ে দিন কিভাবে কী করতে হয়।‘

    ‘অবশ্যই,’ ছোট একটা শার্ট তুললেন ডলি। ‘প্রথমে এটা পরাবেন।’

    বাচ্চার ওপর ঝুঁকে পড়ল সাইলাস। ভাল করে দেখে নেয়ার জন্যে। ওর দিকে ছোট্ট হাত বাড়িয়ে দিল মেয়েটি। চুমু খেল গালে।

    ‘দেখেছেন!’ প্রায় চেঁচিয়ে উঠলেন ডলি। চিনে ফেলেছে আপনাকে। ভালবেসে ফেলেছে। আপনি ওকে কোলে নিয়ে নিজেই কাপড় পরিয়ে দিন।

    হাঁটুতে বসাল ওকে সাইলাস। ডলির সাহায্য নিয়ে বাচ্চাকে কাপড় পরাল। শিশুটির জন্যে ভালবাসায় বুক ভরে উঠেছে তাঁর। হ্যাঁ, এই ভালবাসার কাছে টাকা-পয়সা কিছুই না, নস্যি। হঠাৎ নিজেকে অসম্ভব সুখী মনে হল তার। এত সুখ জীবনে পায়নি সে। এই অনুভূতির কোন তুলনা নেই।

    ‘খুব সহজ না?’ সাইলাস বাচ্চার পোশাক পরানর পর জিজ্ঞেস করলেন ডলি। ও কিন্তু মাঝেমধ্যে দুষ্টুমি করবে, এদিক-সেদিক পালারে, আমি তো চিনি বাচ্চাদের। আস্ত বানর একেকটা।’

    এক মুহূর্ত ভাবল সাইলাস। ‘ওকে তাঁত যন্ত্রের সঙ্গে বেঁধে রাখব, যাতে পালাতে না পারে। লম্বা, নরম একটা কাপড় জোগাড় করতে হবে। সর্বক্ষণ নজর বন্দী থাকবে তখন।

    ‘তা করতে পারেন, বললেন ডলি। ‘অ্যারনের ছোট চেয়ারটা এনে দেব। তাতে বসে থাকবে ও। ইস্, ও যদি আমার মেয়ে হত!’

    ‘ও আমার,’ দ্রুত বলে উঠল সাইলাস।

    ‘তা তো অবশ্যই। তবে ওর কিন্তু অনেক কিছু শিখতে হবে। ওকে গির্জায় নিয়ে যাবেন, প্রার্থনা করতে শেখাবেন। আমার অ্যারন যা সুন্দর করে প্রার্থনা করে! আমার তো মনে হয় যেন পাদ্রীই প্রার্থনা করছেন।’

    ভদ্রমহিলার কথাগুলো বিশেষ সন্তুষ্ট করতে পারল না সাইলাসকে। চুপ করে রইল সে।

    ‘আগে দরকার একটা নাম,’ বললেন ডলি। ‘ওকে কি নামে ডাকবেন, ঠিক করেছেন?’

    ‘আমার মায়ের নাম ছিল হেপজিবাহ,’ চিন্তিত ভঙ্গিতে বলল সাইলাস। ‘মায়ের নামেই রাখা হয়েছিল ছোট বোনের নাম।

    ‘নামটা অনেক বড়, কঠিনও,’ মৃদু হেসে বললেন ডলি।

    ‘আমি বোনকে সব সময় এপি বলে ডাকতাম। একেও তাই ডাকব।’

    নামটা ডলিরও পছন্দ হল। বাচ্চাকে নিয়ে গির্জায় গেল সাইলাস। যাজক ওর নাম রাখলেন ‘এপি।’

    চোদ্দ

    নতুন জীবন শুরু করল সাইলাস। সুখী জীবন। ধীরে ধীরে বেড়ে উঠতে লাগল এপি। সর্বক্ষণ হাসি লেগেই রয়েছে তার মুখে। জিভের ডগায় হাজারো প্রশ্ন। সেগুলোর জবাব দিতে দিতে সাইলাস হয়রান।

    এপিকে নিয়ে বেড়াতে বেরয় সাইলাস। ওর জন্যে ফুল কুড়িয়ে আনে এপি। ওকে ‘বাবা’ বলে ডাকে। বাপ-বেটিতে মিলে পাখিদের গান শোনে। এত সুখ কখনও পায়নি সাইলাস।

    এপির বয়স এখন তিন। অন্য বাচ্চাদের মত মাঝেমধ্যে দুষ্টুমি করে সে-ও। সাইলাসের কথা শোনে না।

    ‘ওকে শাসন করবেন,’ উপদেশ দেন ডলি উইনথ্রপ। ‘দুষ্টু বাচ্চাদের শাস্তি দিতে হয়। চড়-চাপড় মারতে বাধলে কয়লার চালায় ঢুকিয়ে দেবেন। অ্যারনকে তাই করি আমি। মাত্র এক মিনিটের জন্যে। কালো ভূত হয়ে বেরিয়ে আসে। আর কখনও যেতে চায় না ওখানে। এপিকেও ঢোকাবেন। বাচ্চারা বেয়াদব হয়ে গেলে মুশকিল।’

    ‘তা ঠিক,’ ভাবল সাইলাস, ‘কিন্তু এপিকে কিছুতেই কষ্ট দিতে পারব না আমি। কিছুতেই না।’

    এভাবেই কাটতে লাগল। এপিকে কোনরকম শাসন করে না সাইলাস। কিন্তু করতে হল একদিন।

    সেদিন কাজে ব্যস্ত ছিল সাইলাস। এপি কখন যে কাঁচিটা হাতিয়ে নিয়েছে জানে না সে। ওর দিকে পিছন ফিরে বসল এপি। যেন ও কি করছে, সাইলাস দেখতে না পায়। তারপর তাঁতের সঙ্গে বাঁধা কাপড়টা কেটে ফেলল। গুটগুটিয়ে বেরিয়ে এল বাইরে।

    সাইলাস এসবের কিছুই জানল না। সে ভাবল, ‘বাহ্, এপি আজ বড় শান্ত রয়েছে।’ তারপর যেই কাঁচি নেয়ার জন্যে ফিরেছে দেখে এপি হাওয়া! –

    ছুটে বাইরে বেরিয়ে এল সাইলাস। নাম ধরে বহু ডাকল। সাড়া পেল না। ভয়ে তার আত্মারাম খাঁচাছাড়া হবার জোগাড়। কুয়ায় পড়ে যায়নি তো? দৌড়ে গেল সাইলাস। নাহ্। মাঠে গেছে? গেল সাইলাস। সেখানেও নেই। পরের মাঠটাতে পুকুর রয়েছে একটা। ডুবে গেল নাকি? আবার ছুটল সাইলাস।

    হ্যাঁ, ঐ তো পুকুরের পাশে বসে রয়েছে এপি, আপন মনেই হাসছে, কথা বলছে। কাদায় দেবে রয়েছে ওর দু’পা। এক হাতে ধরা একপাটি জুতো, পানি ভর্তি। সামান্য তফাতে দাঁড়িয়ে একটা গরু, এই অবুঝ শিশুর কাণ্ড-কারখানা দেখছে।

    সাইলাস তড়িঘড়ি ছুটল। ওর কাছে পৌঁছে তুলে নিল কোলে। চুমোয় চুমোয় ভরিয়ে দিল ছোট্ট মুখটা। তারপর মেয়েকে কোলে করেই বাড়ির দিকে হাঁটা ধরল। ভাবল সে, ঠিকই বলেছিলেন ডলি উইনথ্রপ। ওকে শাস্তি দিতে হবে। নইলে আবার পালাবে।

    অনিচ্ছাসত্ত্বেও তাই করতে হল সাইলাসকে। এপিকে কয়লার চালায় ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে দিল সে। মুহূর্ত পরেই চিকন গলা শোনা গেল, ‘খোল, খোল।’ সাইলাস বার করে আনল ওকে।

    কালো ভূত হয়ে রয়েছে এপি। ওকে গোসল করাল সাইলাস। নতুন কাপড় পরাল। এসব করতে করতেই কারার হয়ে গেল সময়। কাজ মাটি হল। সাইলাস ভাবল, ‘এবার নিশ্চয়ই বুঝবে ও, পালালে শাস্তি পেতে হয়।

    এপিকে বেঁধে রাখার ছেঁড়া কাপড়টা তুলে নিল সে। কিভাবে ওটা মেরামত করা যায় ভাবছে ও। তার এই ক্ষণিকের অন্যমনস্কতার সুযোগ নিল এপি। ছুটে গিয়ে আবার ঢুকে পড়ল কয়লার চালায়। ‘বাবা, দেখ,’ ওখান থেকে চেঁচাল সে। সাইলাস চেয়ে দেখে সারা শরীরে আবার কালি মেখেছে তার মেয়ে।

    ‘ওতে কাজ হয়নি,’ সাইলাস পরে এক সময় বলল ডলি উইনথ্রপকে। ‘ও ভেবেছে এটা একটা মজার খেলা। ভাবুক, অসুবিধে নেই; এটা তো দুষ্টুমিরই বয়স। বড় হলে ঠিক হয়ে যাবে।’

    ‘হুঁ, বোধহয় তাই,’, বললেন ডলি।

    এপিকে বিনা শাস্তিতে মানুষ করতে লাগল সাইলাস। ওর আদর- ভালবাসায় স্বাধীনভাবে বেড়ে উঠতে শিখল এপি। সাইলাস যেখানেই যায় মেয়েকেও সঙ্গে নেয়। ফলে খুব শিগগিরই গ্রামের সকলের কাছে পরিচিত এবং প্রিয় হয়ে উঠতে লাগল ওরা দু’জন। এপি আর তার বুড়ো বাপকে সবাই পছন্দ করে এখন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }