Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    জর্জ ইলিয়ট এক পাতা গল্প47 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাইলাস মারনার – ১৫

    পনেরো

    পেরিয়ে গেল ষোলোটি বছর। শরতের এক উজ্জ্বল সকাল। রবিবার। গির্জার ঘণ্টাধ্বনি শোনা যাচ্ছে। গ্রামের লোক বেরিয়ে আসছে প্রার্থনা শেষে।

    বিয়াল্লিশ বছর বয়সের এক লোকও রয়েছে তাদের সঙ্গে। লম্বা। মাথায় সুন্দর চুল। এই লোক হচ্ছে গডফ্রে কাস। তার পাশে রয়েছে এক মহিলা। ন্যান্সি। তার স্ত্রী।

    স্কয়্যার কাস মারা গেছেন। তবে ন্যান্সির বাবা-মা বেঁচে রয়েছেন। ডানস্ট্যান আজও নিখোঁজ। এপিকে পাওয়ার পর থেকে নিয়মিত গির্জায় আসে সে।

    সাইলাস মারনারও রয়েছে সকলের সঙ্গে। সাদা চুল আর বাঁকা কাঁধে বয়স্ক দেখাচ্ছে তাকে। তবে তার সারা মুখে ছড়িয়ে রয়েছে স্বর্গীয় সুখ। সবার সঙ্গে হেসে কথা বলছে সে। দেখে বোঝা যায় সুখী একজন মানুষ। এপি এখন আঠারো বছরের সুন্দরী তরুণী। সাইলাস আর তার পিছে হাঁটছে সুদর্শন এক যুবক। পরনে সুট। অ্যারন উইনথ্রপ। এপির কথা ভাবছে সে। সবসময়ই ভাবে, ওকে ভালবাসে  অ্যারন, বিয়ে করতে চায়।

    ‘বাবা,’ ডাকল এপি, ‘মিসেস উইনথ্রপের মত একটা বাগান আমার চাই।’

    বেশ, করে দেব।’

    উঁহু, তোমাকে কিছু করতে দেব না। তোমার কষ্ট হবে।’

    ‘তুই ভাবিস না। প্রত্যেকদিন বিকেলে অল্প-স্বল্প খাটলেই হয়ে যাবে।’

    ‘আমি সাহায্য করব,’ বলল অ্যারন। পরম আগ্রহ তার। পিছন থেকে এগিয়ে এল। এপির পাশে পাশে হাঁটতে লাগল সে।

    ‘তবে তো শিগগিরই বাগানটা হয়ে যাচ্ছে,’ অ্যারনের দিকে চেয়ে মৃদু হাসল সাইলাস।

    ‘কূয়ার কাছে আজ বিকেলে যাব আমি। জমি পরখ করে তবে খুঁড়ব।

    ‘অ্যারনই জমি খুঁড়বে, বাবা,’ বলল এপি। ‘আমরা শুধু চারা বুনে দেব।’

    ‘আমি অনেক চারা এনে দিতে পারব,’ উৎসাহে টগবগ করে ফুটছে অ্যারন।

    ‘তবে তো কথাই নেই,’ হাসল সাইলাস। অ্যারন ওদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাড়ির পথে চলল। এপি আর সাইলাস যাবে তাদের কুটিরে।

    ‘বাবা, আমার বহু দিনের শখ, ছোট্ট একটা বাগানের,’ বাপকে বলল এপি। ‘জানতাম অ্যারন আমাদের সাহায্য করবে।’

    ‘ওর খুব খাটনি যাবে।’

    ‘গায়ে মাখবে না ও,’ খুশি মনে বলল এপি। কুটিরে পৌঁছল ওরা। ওদের স্বাগত জানাল স্ন্যাপ। ওদের কুকুর। একটা বিড়াল ছানা খেলা করছে টেবিলের নিচে। ওটার মা জানালার পাশে গুটিসুটি মেরে বসে রোদ পোহাচ্ছে। সুখী ঘরোয়া দৃশ্য।

    কুটিরের সর্বত্র এক মহিলার যত্নের ছোঁয়া। সবকিছু ঝকঝকে তকতকে, পরিষ্কার।

    গডফ্রে কাস বৃদ্ধ তাঁতী আর এপির প্রতি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল। চমৎকার কয়েকটি আসবাবপত্র উপহার দিয়েছে ওদের। বাপ-বেটির প্রতি ওর দুর্বলতার জন্যে গ্রামের প্রত্যেকে প্রশংসা করে তার।

    চেয়ারে বসে এপিকে দেখছে সাইলাস। কী সুন্দর করে গুছিয়ে রেখেছে সংসারটাকে। টেবিলে পরিষ্কার, সাদা চাদর বিছাল তার মেয়ে। খাবারের পাত্রগুলো রাখল তার ওপর।

    খেতে বসল সাইলাস। খেয়ে চলল একাগ্রচিত্তে। অন্যান্য দিনের তুলনায় আজ কম কথা বলল সে। মাঝেমধ্যে খাওয়া থামিয়ে এপিকে দেখল।

    ষোলো

    খাওয়া সেরে বাইরে এসে বসল সাইলাস। পাইপ টানতে লাগল। নানা চিন্তা এখন তার মাথায়। মনে অনাবিল শান্তি। ‘হ্যাঁ,’ ভাবল সে, ‘দুনিয়ায় শান্তিও কম নয়। বাচ্চাটা আমার জীবন বদলে দিয়েছে। ঈশ্বরই পাঠিয়েছেন ওকে। আমি তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ। এবং তাঁর অস্তিত্বকে সন্দেহ করার জন্যে ক্ষমাপ্রার্থী।

    সাইলাস অনেক আগেই এপিকে তার মায়ের দুঃখজনক মৃত্যুর কথা জানিয়েছে। মায়ের আঙুলের বিয়ের আঙটিটা দিয়েছে ওকে। যে ঝোপে মাথা রেখে মারা গিয়েছিল ওর মা সেটা এখনও রয়েছে, সেখানটাতে। বাড়ছে।

    টেবিল পরিষ্কার করে বাইরে এল এপি। বাবার পাশে বসল। সেই ঝোপটার দিকে চেয়ে বলল, ‘বাবা, ঝোপটা আমাদের বাগানে লাগাব। অ্যারন বলেছে সাদা লিলির চারা এনে দেবে আমাকে। ওটাকে ঘিরে চারাগুলো লাগাব।’

    ‘ঠিকই বলেছিস, মা। ঝোপটা বাগানে লাগিয়ে ওটার চারপাশে দেয়াল তুলে দেব।’

    ‘অ্যারনই করে দেবে কাজটা। কূয়ার কাছে অনেক পাথর পড়ে রয়েছে। ছোটগুলো আমরা আনব। আর বড়গুলো আনবে ও।’

    এই বলে পাথর কুড়িয়ে আনতে ছুটল এপি। হঠাৎ থমকে দাঁড়াল সে। বিস্ময়ে চেঁচিয়ে উঠল, ‘বাবা, দেখে যাও! পানি একদম নেমে গেছে। গতকালই তো ভরা দেখলাম।’

    ওর কাছে এগিয়ে এল সাইলাস। ওকে বুঝিয়ে বলল, ‘জমিটা স্যাঁতসেঁতে। মিস্টার কাসের লোকেরা গর্ত খুঁড়ছে। পানি বার করে দেয়ার জন্যে। দেখবি খুব শিগগির শুকনো হয়ে যাবে এ জায়গাটা। কূয়াটাও শুকিয়ে যাবে।

    বাপ-বেটি পাশাপাশি বসল। ক’মিনিট কেউ কোন কথা বলল না। তারপর মুখ খুলল এপি, ‘বাবা, বিয়ের সময় আমি কি মায়ের আঙটিটা পরব?’

    ওর দিকে তাকাল সাইলাস। ‘কেন, বিয়ের কথা ভাবছিস নাকি?’

    ‘উম্…অ্যারন বলছিল-’

    ‘ওকে পছন্দ তোর?’

    ‘হ্যাঁ, বাবা। তুমি ভেব না। আমি বিয়ের পরও তোমাকে ছেড়ে কোথাও যাব না। অ্যারন বলেছে ও আমাদের সঙ্গে এসে থাকবে। তোমার ছেলের মত।’

    ‘ছেলেটা ভাল। ওকে ছোট থেকে দেখছি। আমার আপত্তি নেই। বুড়ো হয়ে গেছি, আজ আছি কাল নেই। তোকে দেখা-শোনার জন্যে তো একজন কাউকে দরকার! ঠিক আছে, মিসেস উইনথ্রপের সঙ্গে কথা, বলব আমি। দেখি উনি কি বলেন।’

    কিছুক্ষণ বাদে সাইলাসের কুটিরের দিকে আসতে দেখা গেল অ্যারন আর মিসেস উইনথ্রপকে।

    সতেরো

    সেই রবিবারেরই বিকেল। বাগানে বসে রয়েছে ন্যান্সি কাস। একা। তার স্বামী গেছে জমি দেখাশোনা করতে। পাথুরে কূয়ার কাছে। ‘লোকগুলো ঠিকমত কাজ করে থাকলে জমি শুকিয়ে গেছে এতক্ষণে। তুমি অপেক্ষা কর। আমি চা খাওয়ার জন্যে ফিরব, বেরিয়ে যাওয়ার সময় বলে গেছে সে।

    ন্যান্সি বসে বসে রাজ্যের চিন্তা করতে লাগল। গডফ্রে ওকে ভালবাসে। কিন্তু মাঝেমধ্যে কেমন যেন হয়ে যায় সে। গম্ভীর মুখে বসে থাকে। তখন স্বামীকে বুঝতে পারে না ন্যান্সি। নিজের মনেই বহুবার প্রশ্ন করেছে সে, ‘ওর কিসের দুঃখ?’ ওদের ছেলে মেয়ে হয়নি। সেটাই কি কারণ? একাধিকবার বলেছে গডফ্রে, ‘কাউকে পালক নিই।’ একবার এপির কথাও তুলেছিল। রাজি হয়নি ন্যান্সি। রাজি হওয়া কি উচিত ছিল তার?

    ন্যান্সির ভাবনায় ছেদ পড়ল এসময়। কাজের মেয়েটা এসে জানাল, ‘চা তৈরি।’

    ‘সাহেব ফিরেছেন?’

    ‘জ্বি, না।’ তারপর হঠাৎ চেঁচিয়ে উঠল মেয়েটি, ‘আরে, সবাই দেখছি কৃয়ার দিকে দৌড়াচ্ছে। দুর্ঘটনা নিশ্চয়ই….

    ‘কী বললে!’ ভয়ে অন্তরাত্মা কেঁপে উঠল ন্যান্সির। ‘কী হয়েছে? স্বামীর জন্যে উদ্বেগ হচ্ছে তার।

    ‘বলতে পারছি না…তবে খারাপ কিছু ঘটেছে।

    পরিস্থিতি হালকা করার চেষ্টা করল ন্যান্সি। মিস্টার স্নেলের ষাঁড়টা হয়ত ছুটে গেছে আবার। তাই এত ছোটাছুটি।

    ‘কাউকে গুঁতিয়ে দিয়েছে হয়ত…’

    ভয় পেয়ে গেল ন্যান্সি। গডফ্রে কোথায়? এত দেরি করছে কেন? এতক্ষণে তো তার ফিরে আসার কথা!

    সামনের জানালায় ছুটে গেল সে। রাস্তা ফাঁকা। কেউ নেই। ‘খামোকা ভাবছি আমি,’ নিজের মনকে প্রবোধ দিল ও। কিন্তু শান্তি পেল না। ইতোমধ্যে পেরিয়ে গেছে অনেকক্ষণ। গডফ্রে ফেরেনি এখনও।

    আঠারো

    উদ্বিগ্ন ন্যান্সি দাঁড়িয়ে রয়েছে জানালায়। এসময় ঘরে ঢুকল গডফ্রে।

    ‘এসেছ? আমি তো ভয়েই মরি…’ থেমে গেল ন্যান্সি। ফ্যাকাসে হয়ে রয়েছে গডফ্রের মুখ। কাঁপা হাতে হ্যাটটা খুলে রাখল সে। ধপ করে বসে পড়ল চেয়ারে। মাথা নুয়ে পড়েছে বুকের কাছে।

    ‘কি হয়েছে তোমার?’

    ‘বস। এখানে বস, শান্তস্বরে বলল গডফ্রে। আঙুল দিয়ে উল্টো দিকের চেয়ারটা দেখাল। ‘ভয়ানক ব্যাপার ঘটে গেছে।’

    ‘কী হয়েছে খুলে বল।

    ‘ডানস্ট্যান। ওর কঙ্কাল পাওয়া গেছে। পাথুরে কূয়ার নিচে। দুটো পাথরের মাঝখানে পড়ে ছিল। শুকিয়ে গেছে কূয়াটা। ওর ঘড়ি আর আমার চাবুকসুদ্ধ উদ্ধার করা হয়েছে কঙ্কাল…’ এক মুহূর্তের জন্যে থামল গডফ্রে।

    ‘ওকি…ওকি আত্মহত্যা করেছে?’

    মনে হয় না। খুব সম্ভব মাতাল অবস্থায় পড়ে গেছে। ওহ্, ন্যান্সি, ও-ই সেই চোর। সাইলাসের টাকা ওই চুরি করেছিল। সে-টাকাও পাওয়া গেছে কূয়ার ভেতর।’

    হতবাক হয়ে গেছে ন্যান্সি। প্রাথমিক বিস্ময় কাটিয়ে উঠে স্বামীকে সান্ত্বনা দিল সে, ‘তুমি মন খারাপ কোরো না, গডফ্রে। আমি তোমার পাশে আছি।’

    ‘আরও কথা আছে, ন্যান্সি,’ বলে চলল গডফ্রে। ‘শুনলে কষ্ট পাবে তুমি। কিন্তু বলতে আমাকে হবেই। আজ দেখলাম পাপ কোনদিন চাপা থাকে না। অপরাধীকে ধরা পড়তেই হয়…’ মাথা নিচু করে কিছুক্ষণ বসে রইল গডফ্রে। তারপর ন্যান্সির দিকে চেয়ে বলতে শুরু করল:

    ‘ন্যান্সি, তোমার কাছ থেকে একটা সত্যি লুকিয়ে রেখেছিলাম এতদিন। আজ বলছি…এপির মায়ের কথা মনে আছে? যার মৃতদেহ তুষারে পড়ে ছিল…সেই মহিলা আমার স্ত্রী। এপি আমারই মেয়ে।’

    অন্যদিকে মুখ ফেরাল ন্যান্সি।

    ‘ন্যান্সি, আমাকে মাফ করবে না?’

    ‘আমাকে আগে বলনি কেন?’

    ‘বললে তুমি যদি আমাকে বিয়ে না কর, সেই ভয়ে বলিনি।’

    ‘উফ, গডফ্রে! আগে যদি জানতাম এপি তোমার মেয়ে তবে

    নিজের কাছে এনে রাখতাম ওকে। আপন মেয়ের মত।’

    ‘সেটা এখনও সম্ভব। আমরা ওকে পোষ্য নিতে পারি।

    ‘এত সহজ নয়। ভুলে যেয়ো না ওর বয়স এখন আঠারো। অন্য *জায়গায়, অন্যভাবে মানুষ হয়েছে সে। ওকে নিতে আমার কোন আপত্তি নেই। কিন্তু ও কি রাজি হবে?’

    ‘আজ রাতে ওদের বাসায় চল না যাই,’ বলল গডফ্রে।

    উনিশ

    সাইলাস আর এপি বসে রয়েছে ঘরে। সাইলাসের সামনে টেবিলে রাখা রয়েছে তার হারানো মুদ্রাগুলো। বিকেলটা প্রচণ্ড উত্তেজনায় কেটেছে। ফলে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে সে।

    ‘জানিস, মা,’ এপিকে বলল সে। ‘তুই আসার আগে এই মুদ্রাগুলো ছিল আমার নয়নের মণি। পরম মমতায় এদের জমিয়েছিলাম আমি। তারপর তুই এলি, আমার জীবনের ধারা পাল্টে দিলি। আমাকে নতুন করে বাঁচতে শেখালি। তোকে যে আমি কী ভালবাসি- ‘

    ‘সে আমি জানি, বাবা। তুমি আমার জন্যে অনেক কষ্ট করেছ।’

    ‘ওকথা বলিস নারে,’ বলল সাইলাস। তারপর চুপ করে গেল সে। চিন্তিত মুখে বলল, টাকাগুলো এখন তোর দরকার। সেজন্যেই সময়মত ফিরে পেয়েছি এগুলো। ঈশ্বরই ফিরিয়ে দিয়েছেন। সত্যি কোন তুলনা নেই তাঁর।

    এ সময় দরজায় টোকা পড়ল। এপি উঠে গিয়ে খুলে দিল দরজাটা। মিস্টার এবং মিসেস কাস এসেছেন। তাঁদেরকে অভ্যর্থনা জানাল এপি। দুটো চেয়ার এগিয়ে দিল বসার জন্যে। তারপর সাইলাসের পাশে গিয়ে দাঁড়াল।

    ‘আমার ভাইয়ের অপকর্মের জন্যে, লজ্জায় আমার মাথা হেঁট হয়ে গেছে। আমি যে কোন্ মুখে আপনার সঙ্গে কথা বলব…আমি ভাইয়ের হয়ে ক্ষমা চাইছি।’

    ‘ওসব কথা থাক না,’ বলল সাইলাস। ‘আপনার তো কোন দোষ নেই। আপনি আমাদের জন্যে অনেক করেছেন।’

    ‘সাইলাস, আপনার কাছে একটা অনুরোধ করব। রাখবেন?’

    অবাক হল সাইলাস। তারপর শান্তস্বরে বলল, ‘বলুন, সম্ভব হলে অবশ্যই রাখব।’

    ‘আমরা এপিকে পালক নিতে চাই। কথা দিচ্ছি, ওর কোন অযত্ন হবে না। আর ও তো এ গ্রামেই থাকবে। যখন ইচ্ছে এসে আপনার সঙ্গে দেখা করে যাবে। ওকে সত্যিকারের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলব আমি।’

    কালো হয়ে গেল সাইলাসের মুখ। অনেকক্ষণ কোন কথা বলতে পারল না সে। এপিকে হারানোর কথা ভাবতেই পারে না ও। গডফ্রে কাস এমন অনুরোধ করবে তা স্বপ্নেও ভাবেনি সাইলাস। বাপের কাঁধে হাত রাখল এপি। মেয়ের স্পর্শে নিজেকে অনেকখানি ফিরে পেল সাইলাস। দুর্বল কণ্ঠে জিজ্ঞেস করল, ‘এপি, তুই কি আমাকে ছেড়ে যাবি?’

    বাপের অন্তরের ব্যথা বুঝতে পারল এপি। গডফ্রের দিকে ক্রুদ্ধ দৃষ্টি হানল সে। ঠাণ্ডা গলায় বলল, ‘আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, স্যার। কিন্তু আমি আমার বাবাকে ছেড়ে দুনিয়ার কোথাও যাব না। আমি আপনাদের ‘সত্যিকারের মানুষ’ হতে চাই না, আমি এখানেই থাকব। এটাই আমার বাড়ি।’ শেষের দিকে কেঁপে গেল এপির গলা। ওর হাতটা নিজের হাতে তুলে নিল সাইলাস।

    ন্যান্সির চোখ ছলছল করছে। চুপ করে শুনতে লাগল সে।

    গডফ্রে ফিরল সাইলাসের দিকে। ‘শুনুন, মিস্টার মারনার, এপিকে নিয়ে যাওয়ার অধিকার আমার আছে। ও আমার মেয়ে। মলি ফ্যারেন আমার স্ত্রী ছিল।

    একথা শুনে তীক্ষ্ণ চিৎকার করে উঠল এপি। কড়া গলায় বলল সাইলাস, ‘একথা ষোলো বছর আগে বলেননি কেন? তিল তিল করে ওকে গড়ে তুলেছি আমি। আর আজ আপনি এসেছেন ওকে ছিনিয়ে নিতে? এতদিন কোথায় ছিলেন? আপনি আমাকে খুন করতে এসেছেন? ও আমার মেয়ে। ওর ওপর কোন অধিকার নেই আপনার।

    গডফ্রে এবার এপির দিকে ফিরল। ‘মারনার তোমাকে বাপের স্নেহে মানুষ করেছেন একথা সত্যি। তাঁর কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। আমি তোমার প্রতি অবিচার করেছি তাতেও ভুল নেই। কিন্তু আমি বদলে গেছি এখন। আমাকে একবার সুযোগ দাও।’

    ‘আমাকেও.’ বলল ন্যান্সি। ‘আমার ছেলেমেয়ে নেই। তোমাকে আমি আপন মেয়ের মত আদর করব।’

    সাইলাসের হাতখানা শক্ত করে চেপে ধরল এপি। তারপর কঠিন গলায় বলতে শুরু করল, ‘আপনাদেরকে অনেক ধন্যবাদ। জেনে রাখুন, এই ভদ্রলোক আমার বাবা। এঁকেই চিনি আমি। আর কাউকে চিনি না, চিনতে চাইও না। আমি বাবাকে ছেড়ে গেলে…’ কেঁদে ফেলল এপি। ‘বাবাকে ফেলে কখনও যাব না আমি। কখনও না,’ কাঁদতে কাঁদতে বলল সে।

    ‘আমি বুঝি, মা,’ নরম স্বরে বলল ন্যান্সি। কিন্তু, মা, আপন বাবার প্রতিও তো তোমার দায়িত্ব কম নয়। সে তোমাকে নিজের কাছে রাখতে চায়। তাকে ফিরিয়ে দেয়াটা কি ঠিক হচ্ছে?’

    ‘সাইলাস মারনার আমার আপন বাবা,’ পাল্টা বলল এপি। ‘আমি সব সময় চেয়েছি ছোট্ট একটা বাসা, যেখানে বাবা থাকবেন; আমি থাকব। বিয়ে করব যাকে সেও আমাদের সঙ্গে এসে থাকবে। বাবাকে ভালবাসবে, তাঁর দেখাশোনা করবে।’ বাবার কাঁধে মুখ গুঁজে কেঁদে ফেলল এপি।

    হতাশ চোখে স্ত্রীর দিকে চাইল গডফ্রে। তার আশা নিভে গেছে। ‘চল, ফিরে যাই,’ বলল সে।

    নিঃশব্দে বেরিয়ে এল ওরা, ঘর ছেড়ে। হাঁটা ধরল ‘রেড হাউস’- এর দিকে। মুখে কথা নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }