Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাইলেন্ট কিলার – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প231 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তীরে এসে তরি ডুবল

    অফিসেও সকলে জিজ্ঞাসা করছে রিম্পাকে, পিকু আর সুমনের কথা৷ খবরের কাগজে বেরিয়েছে খবরটা৷ আর জানতে বাদ নেই কারো৷ আজ মীনাক্ষীদি আমতা আমতা করে বলেই ফেলল, ‘রিম্পা, সুমনের জামিন পেয়েছ? আর ছেলেটাকেও কি জেলে রেখেছে?’ রিম্পার সব রাগ গিয়ে পড়ছে ওই ছেলের ওপরে৷ এত অবাধ্য ছেলে কেন যে হল৷ পিকু যে কেন ওই জিনিস নিয়ে ব্যাঙ্কে চলে গেল, কে জানে৷ এত বারণ করা সত্ত্বেও কোনো কথা শোনে না ছেলেটা৷ ভালো হয়েছে, জয়ন্ত খুন হয়েছে৷ না হলে হয়তো চাপের মুখে পিকুকেই ফাঁসিয়ে দিত৷ সুমন বাড়ি এসে কী বলবে, সেটা ভেবেই ভয় করছে রিম্পার৷ রগচটা লোক৷ এমনিতে শান্ত স্বভাবের হলে কী হবে, রাগলে যেন চণ্ডাল৷ পুলিশের বড়োকর্তার গাড়ি চালায়, পুলিশের সঙ্গে সব অপারেশনে যায় বলে বেশ গর্ব করত সুমন৷ তাকে যে লকআপে কাটাতে হবে, ভাবতেই পারেনি ও৷ সব রাগ উগরে দেবে রিম্পার ওপরে৷ কেন সে ছেলের খোঁজ রাখেনি—এটাই মূল কারণ হবে বকার৷ দুজনের ইনকামে সংসারটা চলে যায় ঠিকই, কিন্তু বিয়ের পর থেকে শখপূরণের দু-পয়সা তো দিতে পারেনি সুমন৷ এতদিন পর্যন্ত তো নিজের মায়ের খরচ একাই চালাত৷ এই বছরখানেক রিম্পার দেওর গাড়ি চালানোর কাজটা পেল বলে মায়ের খরচ কিছুটা দিতে পারছে৷ রিম্পার কত শখ ছিল, ছাদে উঠে বিকেলের হাওয়ায় ঘুরবে৷ একটা ছোট হলেও ছাদের স্বপ্ন দেখতো ও৷ বাপের বাড়িতে টিনের চালের বাড়ি ছিল, তাই বন্ধুদের ছাদে গিয়ে স্বাদ পূরণ করতে হয়েছিল৷ সুমনের ঢালাই বাড়িতে ঢুকেই তাই ভেবেছিল, ছাদে ঘুরতে পারবে৷ সেগুড়ে বালি৷ ন্যাড়া ছাদ একটা থাকলেও সিঁড়ি নেই৷ এত বছরে সে আশা পূরণ হয়নি রিম্পার৷ আশা কর্মী হিসাবে জয়েন করেছে বছর দুয়েক হল, তার আগে তো আরও অবস্থা খারাপ ছিল৷ এসব বলতে গেলে শুনতেই চায় না সুমন৷ ভেবেছিল, কিছু কিছু করে জমিয়ে সিঁড়ি করবে, দোতলায় একটা ঘর করবে৷ জমিয়েওছে কিছু৷ কিন্তু সুমনকে তার বড্ড ভয়৷ টাকা কোথায় পেলে বলে যে অশান্তি করবে, সেটা আর বলার নয়৷ এ দু-দিন কিছুই রান্না করেনি সেভাবে৷ খাওয়ার লোক দুটোই বাইরে থাকলে আর কি রাঁধতে ইচ্ছে করে? হাতের কাজগুলো চটপট সারছিল রিম্পা৷ ইদানীং সন্ধের দিকে বেরোতে বেশ ভয় করছে ওর৷ জয়ন্ত খুন হবার পর থেকেই গা ছমছম করছে৷ চোখের সামনে যেন ভাসছে দৃশ্যটা৷ তাই হাতের কাজ সেরে বিকেল বিকেল বেরিয়ে বাইরের কাজগুলো সেরে আসবে রিম্পা৷ রিম্পার বাড়ির পাশের প্রতিবেশীরাই আসল শত্রু, ওর ঘরের কথা বলে বেরিয়েই যেন আনন্দ৷ ফোনটা ভালো করে ক্লিন করার পরেও কেমন একটা ভয়-ভয় করছে রিম্পার৷ কেউ দেখেনি তো! ওর ভাবনার মাঝেই দেখতে পেল, লগ্নজিতাম্যাডামের গাড়িটা এসে দাঁড়াল বিজয়দের বাড়ির সামনে৷ তড়িঘড়ি নিজের ঘরে ঢুকে গেল রিম্পা৷ জানালা দিয়ে দেখল, বিজয়দের বাড়িতেই ঢুকল ম্যাডাম৷ বিজয়ের ওই হিংসুটে বউটা যে ওর সম্পর্কে ভালো কথা বলবে না, সেটা রিম্পা ভালোই জানে৷ কিন্তু কিছু করারও নেই৷

    লগ্নজিতা পরিষ্কার দেখল, ওকে দেখে রিম্পা এগিয়ে না এসে ছুটে নিজের ঘরে ঢুকে গেল৷ সেদিকে গুরুত্ব না দিয়েই বিজয়ের বাড়িতে ঢুকল৷ বিজয়ের একটা সাইকেলের গ্যারেজ আছে পাড়ার মোড়ে৷ তাই পাড়ার সব খবর ওর নখদর্পণে৷ গ্যারেজ বন্ধ করে দুপুরে খেতে এসেছে বাড়িতে৷ পুলিশ দেখে একটু হকচকিয়ে গিয়েছিল প্রথমে৷ তারপর বলল, ‘বসুন অফিসার৷ জয়ন্ত খুনের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করবেন তো? শুনুন অফিসার, এ পাড়ায় আরও গোটা চারেক খুন হবে খুব তাড়াতাড়ি এ আমি বলে দিলাম৷’

    সুশোভন বলল, ‘কী করে বুঝলেন?’

    বিজয় রাগত স্বরে বলল, এসব কাঁচা টাকার ব্যাবসা করবে দিয়ে বহুদিন বাঁচবে তা-ই হয়? মরবে মরবে, সব ক-টা মরবে৷ এই যেমন জয়ন্ত মরল, তেমনি উৎপল মরবে, রাঘব মরবে, জলধরস্যার মরবে, তপনদা মরবে, রিম্পাবউদি মরবে৷ বিজয় সব দেখে শুধু, বলে না কিছুই৷ টাকার লোভ বড়ো লোভ৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘এদের সকলের সঙ্গেই কি জয়ন্তর যোগাযোগ ছিল?’

    বিজয় হেসে বলল, জয়ন্ত খুন হয়েছে বলেই ও অপরাধী আর এরা সব তুলসীপাতা এমন নয়৷ ওর দোকানটা ডেরা ছিল ঠিকই, কিন্তু এরা সব একেকটি জিনিস৷ সবাই মিথ্যে বলছে৷ সবাই বলছে৷ জলধরস্যার সব জানে, স্কুলের ছাত্ররা রোজ ওই স্কুলে গিয়ে নেশার জিনিস খাচ্ছে, ও জানে না বললে চলবে? পনেরোই আগস্ট পতাকা তুলেই ভাষণ দেয়, আমি মানুষ গড়ার কারিগর৷ হাতির মাথা কারিগর৷ শুধু বদবুদ্ধি দেয়৷ একমাত্র ছেলে মারা যাবার পরেও লোকটার কোনো শোক নেই, জানেন ম্যাডাম৷ কী পিশাচ দেখুন৷ তারপরেও টাকা টাকা করে গেল লোকটা৷ আর ভাইপোটাও হয়েছে আরেক রকবাজ৷ আরে আমরা গরিব ঘরের মানুষ৷ বাপ খেতে পেত না তো পড়াবে কী? তোদের সব এত সুযোগ থাকতেও লেখাপড়া না শিখে বাজে কাজ করিস? ওই তো দত্তদের মেয়েটাকে লাইন মারে৷ দত্তদার পয়সা আছে, এক মেয়ে৷ ব্যস, কার্তিক মার্কা চেহারা নিয়ে পিছনে পড়ে গেল৷

    লগ্নজিতা বলল, ‘সুশোভন, ঋতিকারা গোস্বামী৷ নোট প্যাড খুলে মেলানোর কিছু নেই৷ এটা এ পাড়ার কোনো দত্ত৷’

    বিজয় একনাগাড়ে বলেই যাচ্ছে, ‘আর আমাদের পাশে এই হয়েছে এক ঢলানি মেয়েছেলে৷ কেন রে, অমন ভালো স্বামী, সে ঘরে থাকতে একবার জয়ন্ত, একবার তপনদা— এদের গল্প শেষ হয় না৷ তপনদা তো মাঝে মাঝে বাড়িতেও আসে৷ স্কুল ছুটি থাকলে ব্যাটা এখানে এসে রোদ পোহায়৷ আর রিম্পাবউদির পিরিত কত৷ সুমনদা তো চোখ থাকতেও অন্ধ৷ আর কী বলব বলুন৷ রিম্পাবউদি সব জানত৷ ছেলে তো শুধু চকোলেট বিক্রি করত পঞ্চাশ টাকায়, আর বউদি কী করে, জানেন? পাড়ার অল্পবয়েসি সুন্দরী মেয়েদের মডেল করবে বলে কোথায় যেন পাঠায়৷ তারা রোজ সকালে সেজেগুজে বেরিয়ে যায়, ফেরে সেই মাঝরাতে৷ কোথায় যায়, কে জানে! মেয়েগুলোর সাজপোশাক, চুল-টুল বদলে যায়৷

    বিজয়ের বউ বলল, অন্ধকার স্টুডিয়োতে ছবি তোলা হয় মেয়েদের৷ নেশার জিনিস খাইয়ে দিয়ে এসব করে৷ আমি ওই উত্তরাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, বলেছিলাম তোরা কী কাজ করিস রে যে এত টাকা পাস৷ তখন ও বলেছিল, কোনো খারাপ কাজ করতে হয় না৷ শুধু ছবি তুলতে হয়, ভিডিও করতে হয়৷ ওরা সুন্দর সুন্দর ড্রেস দেয় সেগুলো পরে৷ ড্রেস না মাথা, পোশাক না পরে ছবি তুলে আসে৷ সুশোভন বলল, ম্যাডাম কলকাতাতেও মনে হচ্ছে নীল ছবির শুটিং চলছে পুরোদমে৷ মাঝখান থেকে ফাঁসে রাজ কুন্দ্রা৷

    লগ্নজিতা বলল, ‘আপনাকে অফার করেনি কোনোদিন?’

    বিজয়ের স্ত্রী বলল, সেই থেকেই তো ঝামেলা আমার রিম্পার সঙ্গে৷ বলেছিল, নিজে দু হাতে রোজগার করবি, চিন্তা কীসের? দুটো ছবি তুলবি, কাজ শেষ৷ থোড়ি লোকের বিছানায় যাচ্ছিস? সুমনদার সঙ্গেও তো রোজ ঝগড়া লাগে৷ নেহাত সুমনদা মানুষটা শান্ত প্রকৃতির তাই সেভাবে কিছু বলে না৷

    বিজয় বলল, ‘ম্যাডাম, ওই তপন মহান্তির বাউল বাউল ভণ্ডামিতে একদম পাত্তা দেবেন না৷ একখানা জিনিস লোকটা৷ ওই স্কুলের আরও দুজন আছে৷ একজন হচ্ছেন বলাকা ম্যাডাম আরেকজন অগ্নিভস্যার৷ বাচ্চাদের গান-নাটক শেখানোর নাম করে কী শেখায় কে জানে৷ ওই স্কুলের বাকি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কথাতে কোনো গুরুত্বই দেওয়া হয় না, ম্যাডাম৷ জলধরস্যারের পেয়ারের লোক বলাকাম্যাম আর অগ্নিভস্যার৷ বাকিরা তো ভয়েই চুপ করে থাকে৷ স্কুলের ভিতরের রাজনীতি জানতে আমার বাদ নেই৷ ওই স্কুলে সরকার থেকে যত সাইকেল দেওয়া হয় সব প্রথমে আসে আমার কাছে৷ হেডস্যারকে খুব ভালো করে চিনি৷ নামও চাই, পয়সাও চাই৷ চরিত্রহীন মাস্টার৷ ও জানত না, পিকু এসব করে— এটা আমি বিশ্বাস করি না৷ জলধরবাবুও জানত আর রিম্পা বউদিও জানত৷ সব মরবে৷ জয়ন্তটা বোকা তাই আগে মরল৷ কে গাড়ি চাপা দিল তোর প্রাণের বন্ধু উৎপল৷ দোকান বন্ধ করে একসঙ্গে বসে চা না খেলে এদের চলত না৷ টাকা বড়ো গোলমেলে জিনিস৷ জয়ন্তর বউটা নাকি কোন হসপিটালে ভরতি আছে৷ সব মিথ্যে কথা৷ কোথায় লুকিয়ে রেখেছে, কে জানে!’ বিজয় বলল, ‘শুনুন ম্যাডাম, একটা কথা বলি, জয়ন্ত মানুষটা প্রথমে খারাপ ছিল না৷ চিনতাম তো বহু আগে থেকে৷ বিয়ে হবার পর থেকেই শুরু হল এসব সমস্যা৷ সাধারণ ঘরে অত সুন্দরী বউ নিয়ে হবেটা কী? সিনেমা তো করবে না৷

    লগ্নজিতা বলল, ‘বিজয়, আমরা এখন আসছি৷ তুমি একটু চোখ-কান খোলা রেখো৷ কিছু অন্যরকম দেখলেই এই যে আমার ফোন নম্বর, কল করে দেবে৷ আর শোনো, এই টাকাটা রাখো৷ পুলিশের সঙ্গে থাকার জন্য এটা তোমার পুরস্কার৷

    বিজয় হেসে বলল, ‘ম্যাডাম আমি কিছু দেখলেই জানাব আপনাকে৷’

    সুশোভন বাইরে বেরিয়ে বলল, ‘ম্যাডাম, এই সুমনদার স্ত্রী তার মানে ঘোরালো আছে৷

    লগ্নজিতা বলল, ‘সে তো আছে৷ কিন্তু চলো, তার বক্তব্যটা একবার শুনে আসি৷’

    সুমনের বাড়ির সামনে এসে দেখল, ঘরে তালা ঝুলছে৷ সুশোভন বলল, ম্যাডাম, পালাল নাকি?

    লগ্নজিতা হেসে বলল, আপাতত৷ চলো, স্কুল তো ছুটি৷ নাহলে বিজয়ের কথামতো বলাকা আর অগ্নিভর সঙ্গেও একটু গল্প করে আসা যেত, বুঝলে৷ যা-ই হোক চলো, আপাতত উৎপলের মামাবাড়িতে একটু চা খেয়ে আসি৷’

    সুশোভন বলল, ‘ম্যাডাম, ছেলেটা কিন্তু মারাত্মক মিথ্যাবাদী৷ কী লেভেলের মিথ্যে বলে ঋতিকাকে ফাঁসিয়েছে, ভাবলেই অবাক লাগছে৷ ঋতিকাকে সত্যিটা বলা উচিত ছিল, ম্যাডাম৷’

    লগ্নজিতা সিটবেল্টটা বেঁধে বলল, ‘সুশোভন, তোমরা কয় ভাই?’

    সুশোভন ঘাবড়ে গিয়ে বলল, ‘আমি একা, ম্যাডাম৷ ভাইবোন কেউ নেই৷ কেন বলছেন?’

    লগ্নজিতা গাড়িটা স্টার্ট করে বলল, গুগলে ম্যাপ চালু করো৷ না মানে ঋতিকা আর উৎপলের ব্রেকআপ চাইছ তো, তাই ভাবছি, তোমার ভাইয়ের বউ করে নিয়ে যেতে চাইছ হয়তো৷’ সুশোভন বিরক্ত হয়ে জানালার দিকে তাকাল৷ ম্যাডামের এই এক দোষ৷ গুরুত্বপূর্ণ সময়েও এসব মজা করা৷

    লগ্নজিতা হেসে বলল, ‘আরে চটছ কেন? এদের প্রেমপর্বের এমনিই ইতি ঘটবে, চিন্তা কোরো না৷ এমন বখাটে টাইপ ছেলের সঙ্গে ওই কালচার্ড ফ্যামিলির মেয়ের বিয়ে হয় না রে বাবা৷’ সুশোভন বলল, ‘টাইটানিক সিনেমায় হয়েছিল৷’

    লগ্নজিতা হেসে বলল, ‘বিয়েটা হয়নি কিন্তু, ছেলেটা ডুবেছিল৷ প্রেমটা হয়েছিল মাত্র৷ এনিওয়ে, ওর লাভলাইফের লাস্টিং ডেট নিয়ে আমাদের মাথাব্যথার দরকার নেই৷ আমাদের একটাই লক্ষ্য, জয়ন্তকে কে খুন করল? এই ড্রাগস কীর্তির পিছনে কে কে ছিল? এরা কি একটা টিম হয়ে কাজ করত? এদের হেড কে? কারণ এই চুনোপুঁটিরা এমন একটা চক্র চালাত এটা আমি বিশ্বাস করি না৷ এরা জাস্ট পদাতিক সৈন্য ছিল৷ সেনাপতি কে ছিল, মাস্টাব মাইন্ডটাকে খুঁজে বের করতে হবে৷ তাই এদের ব্রেকআপ নিয়ে ভেবে লাভ নেই৷ উৎপলটাকে তোলাই যায়, কী বলো? জয়ন্তকে যে লরিটা ধাক্কা দিয়েছে, সেটা উৎপলের লরি এটুকু প্রমাণই যথেষ্ট৷ কান টানলে জলধরের সক্রেটিস কপচানো বেরিয়ে যাবে৷ গুরু বিষক্রিয়ায় মারা গিয়েছিল বলে শিষ্য জলধর তার স্টুডেন্টদেরও বিষ খাওয়াতে সাহায্য করছে৷ এইটুকুটুকু ছেলেরা ড্রাগ অ্যাডিক্টেড হয়ে পড়ছে, সুশোভন৷ এটা একটা বড়ো ক্রাইম৷ উনি কিছু জানতেন না বললে চলবে কেন? স্কুলের সুনাম বজায় রাখার এটা উপায়? লোকটার জ্ঞান দেওয়ার টেকনিক আর ওই নিরীহ সৎ টাইপের ভাবভঙ্গি দেখে আমার জাস্ট অসহ্য লাগছিল৷’

    সুশোভন বলল, ‘ম্যাডাম, চায়ের দোকানদারটাও বলল, ওটা উৎপলের লরি ছিল৷ আর রাঘবের কেসটা কী? এ আগ বাড়িয়ে এসে খবর দিতে চাইছে কেন? এ নিজেও তো এসবের সঙ্গে যুক্ত৷ তাহলে?

    লগ্নজিতা হেসে বলল, ‘শহর জুড়ে যেন প্রেমের মরশুম৷ বুঝলে সুশোভন৷ প্রেমে দাগা পেলে শত্রু হতে কতক্ষণ৷ রাঘবের গার্লফ্রেন্ডকে উৎপল ভাগিয়ে নিয়েছিল৷ সে এখন উৎপলের এক্স অবশ্য৷ সেই থেকেই সামনে বন্ধুত্ব রাখলেও ভিতরে বিজবিজে রাগটা রয়ে গেছে৷ এদিকে তেমন কিছু করতেও পারছে না, কারণ স্কুলের অনুষ্ঠানের যাবতীয় ক্যাটারিং রাঘব পায় জলধরবাবুর মাধ্যমে৷ তাই ভাইপোকে কিছু করলে জেঠু চটবে৷ টাকা বড়ো বালাই৷ সুতরাং ওপরে বন্ধুত্ব থাকলেও রাঘব সুযোগ খোঁজে৷ জয়ন্ত ছিল রাঘবের বেশি ঘনিষ্ঠ৷ তারপর জয়ন্ত আচমকাই উৎপলকে বেশি ভরসা করতে শুরু করল, সুতরাং জয়ন্তর ওপরে ওর রাগ বাড়ল৷ কারণ বিজয়ের কথা মতো রাঘব আগে রেগুলার এদের আড্ডায় এলেও ইদানীং খুব কম আসছে৷ উৎপল আর জয়ন্ত রেগুলার বসত৷ দলে ভাঙন ধরেছিল৷’

    সুশোভন বলল, ‘ম্যাডাম, তাহলে রাঘব জয়ন্তকে মারবে উৎপল কেন? এ লজিক তো মেলে না৷

    লগ্নজিতা বলল, ‘আরেকটা গল্প তৈরি হয়েছে, সুশোভন৷ রিসেন্ট একটা বেশ বড়ো কাজ রাঘব পেয়েছে জয়ন্তর দ্বারা৷ সেটা নিয়ে উৎপল একটু থ্রেটও করেছিল জয়ন্তকে৷ স্কুলের সিকিউরিটি বলল, জয়ন্ত আর উৎপলের মধ্যে তর্কাতর্কিতে রাঘবের নামটা বার বার আসছিল৷ গল্পের ভিতরে গল্প আছে৷

    সুশোভন বলল, ‘ম্যাডাম জয়ন্তর বউটাকে খুঁজে কেন পাওয়া যাচ্ছে না বলুন তো? একটা ছেলে বিয়ে করল, বউ এই পাড়ায় বছর দুয়েক থাকল, তারপরে যদি চলেও গিয়ে থাকে তাহলেও কেউ তার খবর জানবে না, এটা কেমন গোলমেলে ঠেকছে৷ মনে হচ্ছে ইচ্ছে করে কেউ বলতে চাইছে না৷ জয়ন্তর বউয়ের কথা বললেই ওই অনীতাও কেমন চুপ করে থাকছে৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘একটা জিনিস কিন্তু ক্লিয়ার, ওই জয়ন্তর বউটা এই অঞ্চলের বিষয়টা অপারেট করত৷’

    সুশোভন বলল, ‘ম্যাডাম, ওর বউই ওকে খুন করিয়ে দেয়নি তো?’

    লগ্নজিতা বলল, ‘না-দেওয়ার তো কিছু নেই৷ পিনাক মণ্ডল ধরা পড়ার পরে জয়ন্তর দোকানটাই টার্গেট হবেত্ত এটা তো অজানা নয়৷ জয়ন্তকে ধরা গেলে ড্রাগসের হদিশও পাওয়া যেত৷ দোকানে অথবা বাড়িতে নিশ্চয়ই পাওয়া যেত৷ তাহলে বিষয়টা অনেক সহজ হয়ে যেত৷ এখনও অবধি পিকুর ওই একটা লজেন্স ছাড়া হাতে কোনো প্রমাণ আমরা পাইনি, সুশোভন৷ তার কারণ জয়ন্তর খুন হয়ে যাওয়া৷ তাই জয়ন্তকে বাঁচিয়ে রাখলে অনেকেই আমাদের নাগালে চলে আসত৷

    সুশোভন বলল, ‘ম্যাডাম, ডানদিকে৷ উৎপলের বড়োমামার বাড়ির বেলটা যখন বাজল তখন ঘড়ির কাঁটায় দুপুর দুটো৷

    লগ্নজিতা বলল, সুশোভন গৃহস্থের বাড়িতে তো আমাদের খেতে দেবে না, দেখো তো কাছেপিঠে কী রেস্টুরেন্ট আছে৷ বেরিয়ে একটু চাইনিজ খাব আজ৷

    দরজা খুলল একজন মধ্যবয়স্ক ভদ্রলোক৷ এর ছবিই ঋতিকা ফেসবুকে দেখিয়ে বলেছিল, এটা উৎপলের বড়োমামা৷ না, ভদ্রলোক একেবারেই এডিটিং অ্যাপ ব্যবহার করেন না৷ ফেসবুক প্রোফাইলে যেমন দেখতে লাগছিল, সামনেও তা-ই৷ দুপুরবেলা বাড়িতে দুজন অপরিচিত লোক দেখে একটু অবাক হয়েই বললেন, আপনারা?

    সুশোভন বলল, ‘আমি উৎপলের বন্ধু, মামা, ও আছে?’ মামার চোখে তখনও বিস্ময়-মাখানো অবিশ্বাসী দৃষ্টি৷ সুশোভন ল্যাংটোবেলার বন্ধুর মতো একটু বেশিই আপন হয়ে বলল, বদমাশটা কি আমায় ডেকে এখন নিজেই বেপাত্তা হল নাকি?

    মামা এতক্ষণে একটু নিশ্চিন্ত হলেন যেন৷ ভাগনা নিজেই ডেকেছে বন্ধুকে বলেই হয়তো আন্তরিকতার সঙ্গে বললেন, ‘আরে না না, কোথাও যায়নি, এই তো লাঞ্চ করে শুয়ে আছে৷ আসলে ও কদিনের জন্য এখানে আছে, তার কারণ বাড়িতে বসে কাজে কনসেনট্রেইট করতে পারছে না৷ ওর জেঠু, জেঠিমা বড়ো জ্বালাচ্ছে৷ তাই বাড়িতে কাউকে জানায়ওনি তেমনভাবে৷ এসো তোমরা, ভিতরে বোসো, ওকে ডেকে দিচ্ছি৷

    সুশোভন আর লগ্নজিতা ভিতরে ঢোকার আগেই ঘর থেকে বেরিয়ে এল উৎপল৷ ওর মামা বললেন, ‘তোরা কথা বল৷’ উৎপলের চোখে বিস্ময়৷

    লগ্নজিতা হেসে বলল, এই মামারই এখন-তখন অবস্থা তা-ই না উৎপল? হাসপাতালে রাত জাগতে হচ্ছে এঁর জন্যই তো৷

    উৎপল বিরক্ত হয়ে বলল, ‘তাতে আপনাদের কী? কে আপনারা? এখানে কেন এসেছেন?’

    সুশোভন বলল, ‘একসঙ্গে অনেকগুলো প্রশ্ন করা যার স্বভাব, তার নিশ্চয়ই একটা প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়ারও স্বভাব আছে৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘জয়ন্তকে খুন করলে কেন?’

    উৎপলের মুখ মুহূর্তে রক্তশূন্য হয়ে গেল৷ নিজেকে সামলানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে বলল, ‘কে আপনারা? আমি কাউকে খুন করিনি৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘সুশোভন, উনি মনে হয়, নিজের গাড়ির নম্বর ভুলে গেছেন, অথবা নিজের লরির খালাসিকেও চেনেন না৷ ওকে একটু মিষ্টি করে বুঝিয়ে বলো, ওর খালাসি স্বীকার করেছে, জয়ন্তকে ওদের লরিই ধাক্কা দিয়েছে৷ সুতরাং এখানে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং চলবে না৷

    উৎপল পায়ে জুতো দুটো গলিয়ে মামার উদ্দেশে বলল, ‘মামা আমি একটু আসছি৷’ মামা ভিতর থেকে কিছু একটা বলল সেটা শোনা গেল না৷ উৎপল বাইরে বেরিয়ে এসে বলল, ‘দেখুন, আমি জয়ন্তদাকে মারিনি৷ আমি কেন মারব বলুন তো? জয়ন্তদা কি আমার কোনো ক্ষতি করেছিল? লোকটাকে আমি চিনি না, সারাদিন লরি পড়ে ছিল স্কুলের সামনে যেখানে থাকে৷ এই লোকটা মোটা টাকা দিয়ে বলেছিল, আধা ঘণ্টার জন্য ভাড়া নেবে তাই রাজি হয়েছিলাম৷ কী করে জানব বলুন এমন কীর্তি করতে পারে? শুভর মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে চুপ করিয়ে রেখেছিল৷ শুভ নিশ্চয়ই বলেছে আপনাদের বিষয়টা৷ আমরা কেউ জানতাম না লরি নিয়ে ছেলেটা ঠিক কোথায় যাচ্ছে৷ বলছিল, ইট না তুললে কাজ হবে না৷ ম্যাডাম, আমি সত্যিই জানি না এর বেশি কিছু৷ জয়ন্তদার সঙ্গে আমার কোনো শত্রুতা ছিল না৷ শুধু শুধু একটা লোককে কেন মারব?

    লগ্নজিতা বলল, ‘দরদাম নিয়ে একটা ঝগড়া তো জয়ন্ত মারা যাবার মাত্র তিন দিন আগেই আপনার সঙ্গে হয়েছিল৷ ব্লু হেভেনের ম্যানেজারের সঙ্গে কি দাম নিয়েই তো আপনার ঝামেলা হয়েছিল গত শুক্রবার? তারপরেই কি জয়ন্তকে বলেছিলেন, তুমি শুধু নিজের পেট ভরাবে বললে তো হবে না? ব্যাবসা সকলের, তাই সবার সুবিধে দেখতে হবে৷

    উৎপল ধপ করে বসে পড়ল একটা ভাঙা বেঞ্চে৷ মাথায় হাত দিয়ে বলল, ‘বিশ্বাস করুন আমি কিছু জানি না৷’

    সুশোভন বলল, জানার তো দরকার নেই৷ আমরা তো জানি৷ দোষ স্বীকার করতে তো বলা হয়নি, শুধু থানায় যেতে বলা হয়েছে৷ না গেলেও কোনো সমস্যা নেই, আমরাই ধরে নিয়ে যেতে পারি৷

    উৎপল তীব্র আক্রোশে দাঁতে দাঁত ঘষে বলল, ‘প্রমাণ ছাড়া এভাবে অ্যারেস্ট করতে পারেন না৷’

    লগ্নজিতা হেসে বলল, সব পারি শুধু আষাঢ়ে গল্প দিতে পারি না৷ আমার লরিটা অন্য একজন নিয়ে গেল, তাকে আমি চিনি না আর সেই অচেনা ব্যক্তি মুহূর্তে একজনকে খুন করে দিল তারপরেও আমি থানায় এসে কমপ্লেইন্ট না লিখিয়ে চুপচাপ মামাবাড়িতে এসে গা-ঢাকা দিলাম তা-ই তো? এই টাইপের গল্প বলার সময় জিভকে জিজ্ঞাসা করে দেখবেন তো ওর লজ্জা করে কি না বলতে৷’ উৎপলকে গাড়িতে তুলে সোজা থানার লকআপে চালান করে লগ্নজিতা বলল, ‘এ বিশ্বাসদা মেয়েটা যদি কিছু না বলে তো লকআপে রাখো একরাত৷ আজ খুব টায়ার্ড৷’

    অনীতা প্রায় ককিয়ে উঠে বলল, ‘ম্যাডাম আমি কিছু করিনি৷ সত্যিই আমি আর কিছু জানি না৷’

    বিশ্বাসদা, যেটা বললাম, ওটা করুন৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅনুভবে তুমি – অর্পিতা সরকার
    Next Article নীরবে তোমায় দেখি – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }