Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাইলেন্ট কিলার – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প231 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    এক মাসে সুন্দরী

    কৌশিক ফোন করেছিল, ‘লগ্নজিতা শুনতেও পায়নি৷ ফোনটা রিসিভ করতেই কৌশিক বলল, ‘একটা অ্যাড্রেস দিচ্ছি, চলে এসো৷ এখন কোনো প্রশ্ন করো না প্লিজ৷’

    লগ্নজিতা জানে, কৌশিক যখন বলছে তখন বিষয়টা খুবই সিরিয়াস কিছু৷ কৌশিক খুব ভালো করেই জানে লগ্নজিতার ব্যস্ততা৷ সেখানে যখন ফোন করে ইমিডিয়েট আসতে বলল কৌশিক, তখন বিষয়টা গুরুতর তো অবশ্যই৷

    কৌশিককে বেশ বিভ্রান্ত লাগছে৷ কৌশিকের বাবা কৃষ্ণেন্দু আঙ্কলও রয়েছে নার্সিং হোমের সামনে৷ যেহেতু কৌশিক নিজে সরকারি হসপিটালের ডক্টর তাই আত্মীয়স্বজনকেও সরকারি হসপিটালেই ভরতি করতে চায়৷ তাই নামী নার্সিং হোমের অ্যাড্রেস শুনে একটু অবাকই হয়েছিল লগ্নজিতা৷ ও ঢুকতেই কৌশিক প্রায় হন্তদন্ত হয়ে বলল, ‘সোনাই মানে সোনাঝুরি ভরতি আছে আশঙ্কাজনকভাবে৷ বাবার এক ছাত্রই দেখছেন এখানে৷ মনে পড়ছে না? আমার মামাতো বোন সোনাঝুরি৷ আমার মায়ের কাছেই বড়ো হয়েছে, বলতে পারো৷ মা মারা যেতে তাই আমার থেকে বেশি ও কেঁদেছিল৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘কী হয়েছে?’

    ডক্টর সুধীর মিশ্র বললেন, ‘ড্রাগসের ওভারডোজ৷ আপাতত জ্ঞান নেই৷ প্রায় দু-ঘণ্টা হয়ে গেল অজ্ঞান অবস্থায়৷ মামিয়ার সঙ্গে একটু কথা বলো৷’

    লগ্নজিতা বলল, আঙ্কলের বার্থডে পার্টিতে যে মেয়েটা দুর্দান্ত ডান্স করল, সেই মেয়েটা তো?’

    কৌশিক বলল, ‘হ্যাঁ জিতা৷ ওর গল্প আমি তোমায় করেছি অনেক৷ ও ফোনেও কথা বলেছিল তোমার সঙ্গে৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘সেগুলো মনে আছে আমার৷ আসলে তোমার আরও দুই মামার মেয়ের সঙ্গেও পরিচয় হয়েছিল আমার৷ তাই আইডেন্টিফাই করে নিলাম৷ খুব মিশুকে সোনাঝুরি৷’

    কৌশিক বলল, ‘চলো, মামিয়া আর মামাইয়ের সঙ্গে একবার কথা বলবে৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘কৌশিক ওঁদের মনের অবস্থার কথাটা একবার ভেবে দেখো৷ এখন প্রশ্ন করাটা কী ঠিক হবে? তুমি বরং একটা কথা বলো, এটা সুইসাইড হতে পারে? কৌশিক যে বেশ ভেঙে পড়েছে, সেটা ওর মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে৷ ওর নিজের কোনো বোন নেই৷ সোনাঝুরিই ভাইফোঁটা থেকে রাখি সবকিছুতে এসে হাজির হয় কৌশিকের কাছে৷ তাই ওর প্রতি খুবই টান আঙ্কলের আর কৌশিকের৷ লগ্নজিতা জানে, আঙ্কলের সঙ্গে সোনাঝুরির ভালো বন্ধুত্ব আছে৷ বহু কথা শেয়ার করে ওরা৷ সোনাঝুরিই ফোনে বলেছিল একবার৷ যদিও জিতার সঙ্গে সামনে দেখা হয়েছে ওই একবারই৷ আঙ্কল ওকে দেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, দেখো জিতা, সোনাইয়ের কোনো প্রবলেম ছিল না৷ ইন ফ্যাক্ট, ওর কোনো রিলেশনশিপও ছিল না৷ পড়াশোনা থেকে নাচ-গান সবেতে তুখোড় মেয়ে সোনাই৷ তাই আমি এটা মেনে নিতেই পারব না, ও সুইসাইড করতে গিয়েছিল৷ অথচ সুধীর জানাল ড্রাগসের ওভারডোজ৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘আঙ্কল, ডক্টরের সঙ্গে একবার কথা বলা যাবে?’

    আঙ্কল বলল, নিশ্চয়ই৷ তুই আয় আমার সঙ্গে৷ লগ্নজিতাকে নিয়ে আঙ্কল সোজা ঢুকল ডক্টর সুধীর মিশ্রর চেম্বারে৷’

    সুধীর মিশ্র বললেন, ‘ব্লাড টেস্টে পাঠানো হয়েছে৷ রিপোর্ট চলে আসবে সন্ধের মধ্যে৷ তবে প্রাথমিকভাবে রোগীকে টেস্ট করে যা বুঝেছি, তাতে ড্রাগস অ্যাডিক্টেড ছিল৷ মানে আজকাল তো এমন অনেক রোগী আসে তাই তাদের সিমটমগুলো খুব পরিচিত৷ ব্লাড টেস্ট রিপোর্টটা আসুক তাহলে প্রপার বলতে পারব, ঠিক কোন ড্রাগস ও নিত৷ আপনিও একটু খেয়াল করলে বুঝবেন, স্কিনে একটা ব্ল্যাক স্পট আসছে৷ ওর মা বলল, মেয়ে ডায়েট কন্ট্রোল নাকি বরাবরই করত৷ কিন্তু ইদানীং বলছে খিদে নেই৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘ডক্টর, আমি কদিন আগেই একটা খবরে পড়ছিলাম, সম্প্রতি নার্কোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর হাতে ধরা পড়েছে বলিউডের ড্রাগ সাপ্লায়ার উসমান শেখ৷ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সামনে এসেছে বেশ কিছু তথ্য৷ বলিউডে একটা ধারণা আছে, মাদক নিলে যৌনতার ইচ্ছে বাড়ে, তাতে নাকি নায়িকারা আরও লাস্যময়ী হয়ে ওঠেন৷ অনেক নায়িকা আবার মনে করেন, মাদক নিলেই সুন্দর চেহারা ধরে রাখা যায়৷ আর তাই এক্সপেরিমেন্টাল মাদকসেবনই ক্রমে হয়ে ওঠে নেশা৷’

    ডক্টর বললেন, ‘আর ম্যাডাম, এই সুন্দরী হবার চেষ্টায় কত মেয়ে অল্প বয়সেই নেশাগ্রস্ত হয়ে যাচ্ছে, ভাবতেই পারবেন না৷ এক্সারসাইজ বা পুষ্টিযুক্ত সুস্থ খাবার খেয়ে ফিট হবার ইচ্ছে এদের নেই৷ এরা রাতারাতি সুন্দরী হতে চায়৷ এভাবেই এসবের চক্করে পড়ে যায়৷ তারপর নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে৷ শুনলাম পেশেন্টের নাকি চেহারাটাই অবসেশন৷ হিরোইন হতে গিয়ে প্রাণটাই হয়তো যাবে৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘আমায় প্লিজ রিপোর্টটা একটু পাঠাবেন৷ আমি কলকাতায় এদের চক্রটা নিয়েই ছুটে বেড়াচ্ছি৷’

    সুধীর মিশ্র বললেন, ‘ম্যাডাম, এ তো ছড়িয়ে পড়েছে৷ কদিন আগে দুজন জিম ইনস্ট্রাক্টর ধরা পড়েছে, জানেন? ভালো বডি বানিয়ে দেব বলে ক্যাপসুল দিত স্টুডেন্টদের৷ ধরা পড়েছে, ওটা কোকেন ছিল৷ তাই একজনকে ধরে লাভ নেই, ম্যাডাম৷ কারা কলকাতায় মাদক নিয়ে আসছে, তাদেরকে ধরতে হবে৷ না হলে এ জিনিস চলতেই থাকবে৷’

    লগ্নজিতাকে কিছুটা জোর করেই কৌশিক নিয়ে গেল ওর মামির কাছে৷ ভদ্রমহিলা নিশ্চুপ হয়ে বসে আছেন৷ মেয়ের জ্ঞান আদৌ ফিরবে কি না, সেই অপেক্ষায় মুহূর্ত গুনছেন৷ লগ্নজিতা নরম গলায় বলল, ‘ও ইদানীং নতুন কোনো মেডিসিন নিত? জানেন কিছু?’

    ভদ্রমহিলা ঘাড় নেড়ে বললেন, ‘হ্যাঁ নিচ্ছিল৷ খুব কস্টলি একটা হার্বাল ক্যাপসুল খাচ্ছিল স্কিন আর হেয়ারের প্রোগ্রেসের জন্য৷ আগে খেত কি না জানি না৷ তবে এবারে আমার কাছে পনেরো হাজার চাইল৷ বলল, মা, প্রতিমাসে এটা দেবে আমায়? আমি একটা স্কিন ট্রিটমেন্টে আছি৷ আমি বিশেষ কিছু বলিনি৷ মেয়ের যা জেদ, টাকা না দিয়ে উপায় নেই৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘ওষুধটা কোন দোকান থেকে কিনেছে, কিছু বলেছে?’

    মহিলা একটু ভেবে বললেন, ‘না, সেটা তো বলেনি৷ তবে বলল, আমি, ঋতিকা আর অনুরূপা তিনজনেই খাচ্ছি৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘এদের ফোন নম্বর আছে? দিতে পারবেন?’

    কৌশিক নম্বরগুলো কালেক্ট করে বলল, ‘আমি তোমায় সেন্ড করলাম৷ জিতা, এদের ধরতেই হবে৷ এভাবে মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা বন্ধ করা উচিত৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘টেনশন কোরো না৷ সোনাঝুরি সুস্থ হয়ে উঠবে৷ প্রয়োজনে কল করো৷’

    বাইরে বেরিয়ে হালছাড়া গলায় সুশোভন বলল, ‘ম্যাডাম, এরা বট গাছের মতো শিকড় ছড়িয়ে দিয়েছে৷ কাকে ছেড়ে কাকে ধরবেন বলুন তো?’

    লগ্নজিতা অন্যমনস্কভাবে বলল, ‘সুশোভন, রুদ্রজ্যোতি বা পারিজাত কেউ কোনো আপডেট দিল? ওদের তদন্তের রেজাল্ট কিছু বলল?’

    সুশোভন বলল, ‘রুদ্রস্যার নাকি নিজের তদন্তের প্রোগ্রেস কাউকে বলেন না৷ তবে পারিজাতস্যার যেটুকু বললেন, তাতে বুঝলাম, সুমনকে জেরা করেছেন রুদ্রস্যার৷ ওঁর ধারণা, সুমনই ছেলের হাত দিয়ে এসব পাচার করত৷ আর জয়ন্তর দোকান ওর বাড়ির কাছে, তাই দোকান থেকে নিতে সমস্যা হচ্ছিল না৷ সুমন ধরা পড়ার দিনেই জয়ন্ত খুন হয়েছিল৷ আবার যেদিন সুমন ছাড়া পেল তার পরের দিনই তপন খুন হল৷ ওটাও সুমনেরই প্ল্যান ছিল৷’

    লগ্নজিতা একটু ভেবে বলল, ভুল তো কিছু বলছেন না৷ সকালে সুমনের ছেলে ধরা পড়ল আর সন্ধেতে জয়ন্ত খুন হল৷ ছাড়া পাওয়ার পরেই তপন খুন৷ বুঝতে পারছি না৷ রুদ্রস্যার তো সুমনের শত্রু নয়৷ উনি যখন বলছেন, কিছু ভেবেই বলছেন হয়তো৷ চলো, মূর্তি চুরির বিষয়টা নিয়ে একটু দেখতে হবে৷ আমি পেনড্রাইভটা দেখলাম৷ কেসটা জলের মতো পরিষ্কার, বুঝলে৷ রুদ্রস্যার কেন এটাকে এত কমপ্লিকেটেড বলছেন, সেটা বোঝার জন্য একবার আগরওয়ালের বাড়ি যাই আজ সন্ধেতে, চলো৷’

    সুশোভন বলল, ‘ম্যাডাম চলুন, তার আগে ঋতিকাদের বাড়িটা ঘুরে আসি৷ জলধরবাবুর ক্রাশকেও দেখে আসি৷ এদিকে উৎপলের বেল রিজেক্ট হওয়ায় ভদ্রলোক হেভি খেপে আছে আমাদের ওপরে৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘ভাইপোর সঙ্গে একসঙ্গে থাকার ব্যবস্থা করতে হবে মনে হচ্ছে৷ এদিকে ইউসুফ বলল, রাঘবকে নাকি দু-দিন জলধরবাবুর বাড়ি থেকে বেরোতে দেখেছে এরা৷’

    সুশোভন বলল, ‘ম্যাডাম, এই ছেলেটা ভীষণ ফিশি৷ পুরো দু’দিকে খেলে৷’

    এমনভাব করছিল, যেন এরা ওর শত্রু৷ এখন দেখা যাচ্ছে, দু‘দিকেই খেলে যাচ্ছে৷ লগ্নজিতা বলল, আরে ওর গার্লফ্রেন্ডকে ভাগিয়ে নিয়েছে উৎপল৷ সেই থেকেই রাগ৷ আর এই উৎপল তো বিশ্বপ্রেমিক দেখছি৷ ওদিকে ঋতিকার মতো হাই প্রোফাইল একটা মেয়ে৷ এদিকে পাড়ার দত্ত বাড়ির মধ্যবিত্ত মেয়ে৷ দুটো ফ্লেভারে পোষাচ্ছিল না, আবার কোকেন, হেরোইনের ফ্লেভারও চাই তার৷ উফ জিনিস বটে একটা৷’

    সুশোভন বলল, ‘ম্যাডাম ডান দিকে ঘুরেই বড় বাগানওয়ালা বাড়ি৷ গেটটা দেখলে তাক লেগে যাবে ম্যাম৷’

    লগ্নজিতা গেটের সামনে দাঁড়িয়ে বলল, ‘সুশোভন, পরের জন্মে প্রফেসর হব বুঝলে৷ এমন একখানা বাড়ি বানাব৷’

    সুশোভন বলল, ‘কেন ম্যাডাম, আপনার হলদিয়ার বাড়িটা তো দারুণ৷’

    লগ্নজিতা হেসে বলল, ‘সে তো বাবার কীর্তি৷ আমার তো নয়৷ এটা কি সুবর্ণা গোস্বামীর বাবার বানানো? সুশোভন বলল, হ্যাঁ ম্যাডাম,৷ আহা রে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার উৎপল এবাড়ির জামাই হতে হতে হল না৷ গেটের সামনেই সিকিউরিটি দাঁড়িয়ে আছে৷’

    লগ্নজিতা বলল, সুবর্ণা গোস্বামীর সঙ্গে দেখা করতে চাই৷’

    লগ্নজিতা নিজের পরিচয় দিতেই সিকিউরিটি একটু তীক্ষ্ণদৃষ্টিতে তাকাল ওদের দুজনের দিকে৷ তারপর প্রায় দশ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকার পরে লোকটা এসে বলল, ‘আসুন৷’

    সুশোভন বলল, ‘ম্যাডাম, পুলিশদের জীবনের এই এক বিড়ম্বনা৷ সবাই এড়িয়ে যেতে চায়৷’

    বিশাল ড্রয়িং রুমে বসে আছে লগ্নজিতা আর সুশোভন৷ চারদিকে অ্যান্টিক জিনিসপত্র৷ আর দেওয়ালে অসংখ্য ছবি৷ ছবিগুলো এতটাই সুন্দর যে শিল্পকলা না— বোঝা মানুষকেও আকর্ষণ করবে৷ লগ্নজিতা ঘুরে ঘুরে দেখছিল ছবিগুলো৷ সবই খুব দামি ক্যামেরায় তোলা বেশ বোঝা যাচ্ছিল৷ হঠাৎই একটা ছবিতে চোখ আটকে গেল লগ্নজিতার৷ কোথায় যেন দেখেছে ছবিটা৷ সময় নষ্ট না করেই নিজের মোবাইল দিয়ে ছবিটা তুলে নিল ও৷ সঙ্গে সঙ্গেই সিঁড়িতে পায়ের আওয়াজ পেল৷ যে আসছে, সে যে খুব ব্যস্ততায় আছে, সেটা তার হাঁটার শব্দ শুনেই বোঝা যাচ্ছে৷ ঋতিকা কেন এত সুন্দরী, সেটা বোঝার জন্য ওর মা সুবর্ণাকে একবার অন্তত দেখা উচিত৷ ব্যক্তিত্ব শব্দটা হয় শুধুই ওর জন্য প্রয়োগ করা উচিত অথবা এই শব্দটা ও নিজেই আবিষ্কার করেছে৷ একে কোনো প্রশ্ন করতেও বাধবে লগ্নজিতার৷ সুবর্ণা গোস্বামী নমস্কারের ভঙ্গিমা করে বলল, ‘বসুন৷ আসলে আমার আজ একটা ইন্টারভিউ আছে ম্যাগাজিনে৷ ওই কারণেই শুটিং ফ্লোরে যেতে হবে৷ যা জিজ্ঞাসা করার, একটু যদি তাড়াতাড়ি করেন, খুব উপকার হয়৷

    লগ্নজিতা বলল, ‘ম্যাডাম, আপনি হয়তো জানেন না, আপনার মেয়ের বয়ফ্রেন্ড উৎপল বলে ছেলেটিকে আমরা অ্যারেস্ট করেছি একটা মার্ডারের কারণে৷’

    সুবর্ণা নিজেকে সামলে নিয়ে বলল, ‘বয়ফ্রেন্ড কি না বলতে পারব না, তবে বন্ধু হতেই পারে৷ সে অন্যায় করলে অ্যারেস্ট করবেন— এতে আমার কী বলার আছে?’

    লগ্নজিতা বলল, ‘না ম্যাডাম, এটা জাস্ট জানালাম৷ এখন যেটা বলতে এসেছি, সেটা হল, ঋতিকার বন্ধু সোনাঝুরি এখন নার্সিং হোমে ভরতি আছে৷ অতিমাত্রায় ড্রাগস নেওয়ার ফলেই সেন্সলেস অবস্থায় ভরতি করতে হয়েছে৷’

    সুবর্ণা যে বেশ চমকেছে, সেটা তার পা দুটোর পজিশন চেঞ্জ করা দেখেই বোঝা গেল৷ তবুও গাম্ভীর্য ধরে রেখেই বলল, ‘হ্যাঁ, সোনাঝুরি ওর ডান্স স্কুলের বন্ধু৷ ঠিক কী হয়েছিল? সুইসাইড নাকি?’

    লগ্নজিতা বলল, ‘না, ঠিক সেটা নয়৷ শুনলাম, আরও সুন্দরী হবার বাসনাতেই স্কিন আর হেয়ারের কী একটা প্রোডাক্ট খেতে শুরু করেছিল রিসেন্ট৷ সেটার কারণেই নাকি এমন হয়েছে৷ সোনাঝুরি বলেছে, আমি, ঋতিকা আর অনুরূপা খাচ্ছি৷ ম্যাডাম, একটু মনে করে দেখুন তো, এর মধ্যে ঋতিকা কি আপনার কাছে হাজার পনেরো টাকা চেয়েছিল?’

    সুবর্ণা উঠে দাঁড়িয়ে পড়েছিল উত্তেজনায়৷ ধপ করে বসে বলল, ‘আমার কাছে নয়, দাদুর কাছ থেকে নিয়েছিল৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘ম্যাডাম, ওই ওষুধ কোনো হার্বাল ওষুধই নয়৷ ওটা ড্রাগস৷ এইভাবেই একদিন নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়বে৷’

    সুবর্ণা বলল, ‘অফিসার আপনি কি ওর ঘরটা সার্চ করতে এসেছেন? তাহলে করতেই পারেন৷ ও এখন অ্যারোবিক্সের ক্লাসে গেছে৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘ম্যাডাম, একটা প্রশ্ন করতে পারি?’

    সুবর্ণা বলল, ‘নিশ্চয়ই৷’

    লগ্নজিতা মুগ্ধ দৃষ্টিতে দেওয়ালের ছবিগুলোর দিকে তাকিয়ে বলল, ‘ম্যাডাম, অপূর্ব ফোটোগ্রাফি আপনার৷’ এরকম প্রশংসা সুবর্ণা প্রথম শুনল না, তাই সেভাবে উচ্ছ´সিত নয় হয়তো৷ অথবা ঋতিকার বিষয়টা নিয়ে চিন্তিত৷ লগ্নজিতা বলল, ‘ম্যাডাম, আপনি স্কুলশিক্ষক জলধর ব্যানার্জিকে চেনেন?’

    সুবর্ণা একটু অন্যমনস্ক স্বরে বললেন, ‘এই নামের একজন আমার এগজিবিশনে আসেন মাঝে মাঝেই৷ কিন্তু উনি স্কুলশিক্ষক নন৷ কলেজের প্রফেসর৷

    লগ্নজিতা নিজের মোবাইলের ফোটো গ্যালারি খুলে জলধরবাবুর ছবিটা খুলে বলল, ইনি কি?’

    সুবর্ণা বললেন, ‘হ্যাঁ ইনিই৷ ভদ্রলোক আমার বেশ কিছু ছবিও কিনেছেন৷ সেই সূত্রেই আলাপ৷ কেন বলুন তো?’

    লগ্নজিতা বলল, ‘ম্যাডাম উৎপল এঁরই ভাইপো৷ ইনি বসু ইনস্টিটিউশনের প্রধানশিক্ষক৷ প্রফেসর নন৷’

    সুবর্ণা ভ্রূ কুঁচকে বলল, ‘মানুষ যে কেন এত অকারণ মিথ্যে বলে, কে জানে! এনিওয়ে, আমায় বেরোতে হবে৷ আপনারা যদি একবার ওর ঘরটা সার্চ করে নিতেন৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘ম্যাডাম, আমরা সার্চ ওয়ারেন্ট আনিনি৷ তাই অফিসিয়ালি তো সার্চ করতে পারি না৷’

    সুবর্ণা হেসে বলল, ‘এসেছেন তো মানবিকতার খাতিরে৷ তাহলে সেই সূত্রেই না হয় কাজটা করুন৷ দেখুন, ঋতি আমার একমাত্র সন্তান৷ ব্যাঙ্কের কাজ সামলে ফোটোগ্রাফি করি আমি৷ হয়তো খুব বেশি সময় দিতে পারি না ওকে তবুও চেষ্টা করি খেয়াল রাখার৷ কিন্তু এরকম সাইলেন্ট কিলার মাদকের পাল্লায় পড়লে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হব আমরা৷ প্লিজ অফিসার, ডু সামথিং৷’

    লগ্নজিতা সুশোভনকে ইশারা করল৷ সুবর্ণা ঋতির ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে ছিল৷ লগ্নজিতা আর সুশোভন তছনছ না করে খুবই শান্তভাবে ওর ঘরটা সার্চ করছিল নিজস্ব পদ্ধতিতে৷ একটা অ্যাপল শেপের খুবই আকর্ষণীয় কন্টেনার দেখতে পেল ওর বেডসাইডের ড্রয়ারে৷ সঙ্গে একটা বিল৷ কন্টেনারের ওপরে লেখা— অ্যাট্রাকটিভ৷ সুশোভন বলল, ‘ম্যাডাম, এটাই৷ লগ্নজিতারা ওটা নিয়ে বেরিয়ে এল ঘর থেকে৷

    লগ্নজিতা বলল, ‘ম্যাডাম, একটা কথা জানার ছিল, এই ছবিটা আপনি কোথায় তুলেছেন?’

    সুবর্ণা বলল, ‘এটা আমার পুরস্কারপ্রাপ্ত ছবি৷ একটা অ্যান্টিক জিনিসের অকশনে গিয়েছিলাম৷ ওখানেই এই অষ্টধাতুর কৃষ্ণমূর্তিটা দেখেছিলাম৷ মূর্তিটা একটু ব্যতিক্রমী মূর্তি৷ দেখুন, কৃষ্ণর হাতের বাঁশি ধরার পজিশনটা একটু আলাদা৷ আর মাথায় মুকুটের রংটা দেখছেন— এটা প্ল্যাটিনামের৷ বাঁশির ওপরে সাতটা হিরে সেট করা আছে৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘এটা কবেকার কথা, ম্যাডাম৷’

    সুবর্ণা বলল, ‘বছরখানেক আগের কথা৷ এটা নিয়ে টেলিগ্রাফ একটা নিউজও করেছিল৷ আমার এই ছবিটা পুরস্কার পাচ্ছে, সেই অনুষ্ঠানটা কভার করেছিল ওরা৷’

    ম্যাডাম, আমি জানি, আপনি তাড়ায় আছেন, ‘তবুও একটা কথা জানার আছে, অকশনটা কার ছিল? মানে মূর্তিটা কে বিক্রি করছিল?’

    সুবর্ণা বলল, ‘আমি ফিরে এসে আপনাকে জানাচ্ছি, ম্যাডাম৷ একটা ফাইলে সব নোট করা আছে৷ যা ছবি তুলেছি, সেগুলো কোথায় তুলেছি, তার বড়ো ফাইল আছে আমার৷ রাতে কল করছি আপনাকে৷’

    লগ্নজিতা ভদ্রমহিলার পার্সোনালিটি দেখে ভেবেছিল, হয়তো কোনোরকম কোঅপারেশন করবেন না৷ কিন্তু সুবর্ণা সত্যের ভক্ত৷ ওঁর কথায় মিথ্যের গন্ধ নেই বলেই উনি চান, অপরাধী ধরা পড়াক৷

    গাড়িতে উঠে সুশোভন বলল, ‘ম্যাডাম, মূর্তির কেসটা কী হল?’

    লগ্নজিতা বলল, ‘ওটা নেহাতই কাকতালীয়৷ এই মূর্তিটাই চুরি গেছে, সুশোভন৷ রুদ্রস্যার এটাকেই খুঁজছেন৷ ফাউ দুটো তথ্য পেয়ে গেলে ক্ষতি আছে কি তোমার?’

    সুশোভন বলল, ‘ম্যাডাম, ওই সোনাঝুরির খবর তো কিছুই পাওয়া গেল না৷ কৌশিকস্যার তো কিছুই জানালেন না৷’

    লগ্নজিতা কৌশিককে ফোন করল বার দুয়েক৷ ফোনটা রিসিভ করল না কৌশিক৷ কোনো মেসেজও পাঠাল না৷ তবে কি সোনাঝুরির কিছু ঘটে গেল? লগ্নজিতা বলল, ‘বুঝতে পারছি না, জানো৷ মেয়েটা বেঁচে আছে তো? দু-ঘণ্টায় সেন্স আসেনি৷’

    সুশোভন বলল, ‘ম্যাডাম, ওই অ্যাট্রাকটিভের কন্টেইনারটা ল্যাবে দিয়ে আসি, দিন৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘গোটা পাঁচেক ক্যাপসুল দিয়ে এসো৷ বলবে, রিপোর্টটা ইমিডিয়েট চাই৷ আমি একবার নার্সিং হোম ঘুরে থানায় আসছি৷ শোনো, ওই অনীতাকে আজকে একবার জিজ্ঞাসাবাদ করবে তো৷ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে আসবে৷

    সুশোভন বলল, ‘গোটা দেড় দিন আটকে রেখেও তো পেট থেকে কিছু বের করতে পারলাম না, ম্যাডাম৷ জয়ন্তর স্ত্রী-র অ্যাড্রেসটা দরকার৷’

    লগ্নজিতা নার্সিং হোমের দিকে চলল৷ মাথার মধ্যে অজস্র ভাবনার আনাগোনা চলছে৷ গ্যারেজের বিজয়ের কথামতো রিম্পা থেকে তপন, জয়ন্ত থেকে তার স্ত্রী, জলধরবাবু থেকে উৎপল, রাঘব থেকে আরও দুজন স্কুল টিচার— সকলে জড়িত এ কাজে৷ রুদ্রস্যারের ধারণা অনুযায়ী সুমনও জড়িত এতে, কিন্তু খুনি কে? জয়ন্ত আর তপনের খুনি কি একই ব্যক্তি নাকি আলাদা? তপন মহান্তি হাতে ফোন নিয়ে ভিডিয়ো করে বেড়াত৷ জয়ন্ত খুনের দিন থেকে তার অ্যাকাউন্টে অকারণ টাকা ঢুকেছে৷ যে টাকা দিয়েছে, সে অনলাইনের যুগেও অনলাইন পেমেন্ট করেনি৷ তপন নিজে গিয়ে ক্যাশ জমা দিয়ে এসেছে৷ জলধরবাবু সব জেনেও জয়ন্তর দোকান নিয়ে কোনো অবজেকশন দেননি৷ তপন, জয়ন্ত, জলধর, রিম্পা এদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট চেক করলেই বোঝা যায়, এরা নিজের স্যালারি ছাড়াও অন্য সোর্স থেকে টাকা ইনকাম করত৷ তাই এদের মধ্যেই বখরা নিয়ে ঝামেলা হত৷ খুনি এর মধ্যে থেকেই কেউ৷ মাথার মধ্যে অনেকগুলো চিন্তা জট পাকাচ্ছিল৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅনুভবে তুমি – অর্পিতা সরকার
    Next Article নীরবে তোমায় দেখি – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }