Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাইলেন্ট কিলার – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প231 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অষ্টধাতুর কৃষ্ণমূর্তি

    লগ্নজিতা দেখল, ওর ফোনটা বেজে চলেছে৷ কৌশিক ফোন করছে৷ ফোনটা রিসিভ করতেই কৌশিক বলল, ‘জাস্ট জ্ঞান ফিরেছে সোনাইয়ের৷ কিন্তু এখনও নর্ম্যাল কন্ডিশনে আসেনি৷ কাঁদছে, হাসছে— কেমন একটা পাগলের মতো বিহেভ করছে৷ ডক্টর জানালেন, স্বাভাবিক হতে একটু সময় লাগছে৷ তখন ডক্টরের চেম্বারে ছিলাম তাই ফোন সাইলেন্ট করা ছিল৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘তুমি এখন কোথায়?’

    কৌশিক বলল, ‘বাবাকে বাড়িতে দিয়ে হসপিটালে যাব একবার৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘কৌশিক, তোমার এক পরিচিত ছিল না যে অকশন করায়৷ ওই যে একবার তুমি আমায় একটা অ্যান্টিক নেপালি ছুরি গিফট করেছিলে৷’

    কৌশিক বলল, হ্যাঁ, ওর নাম সীমান্ত৷ আমার স্কুলের বন্ধু৷ লেখাপড়াটা মন দিয়ে না করেও যে বড়োলোক হওয়া যায় ইধার কা জিনিস উধার করে, সেটা ও প্রমাণ করে দিল, বুঝলে৷ কিন্তু কেন বলত? হঠাৎ ওকে কেন চাইছ?

    লগ্নজিতা বলল, ‘আমায় এখন নিয়ে যেতে পারবে ওর কাছে?’

    কৌশিক একটু থমকে বলল, ‘জিতা, তুমি কি আজীবন এরকমই থাকবে? মানুষ হিরের আংটি চায়, দামি গাড়িও চায় তার উড বির কাছে তা নয়, অকশন করা এজেন্টের সঙ্গে দেখা করতে চাই৷ তোমার মাথায় এমন উদ্ভট ভাবনার উদয় কেন হয় জিতা?’

    লগ্নজিতা বলল, যদি না নিয়ে যেতে পারো, বলে দাও, আমি ঠিক খুঁজে নেব৷’

    কৌশিক একটু চুপ করে থেকে বলল, ‘তোমার এই অভিমানী গলাটা শোনার পরে আমি যে সব কাজ ফেলে চলে যাব— এটুকু রিড করেই নিয়েছ আমায়৷ তাই শেষ অস্ত্রটা যথাসময়ে নিক্ষেপ করেই দাও তুমি৷ কোথায় আছো বল?’

    লগ্নজিতা বলল, ‘তোমার বাড়ির একদম কাছে৷ তুমি ফোন ধরছিলে না বলে টেনশনে নার্সিং হোমে যাচ্ছিলাম৷ আপাতত ডক্টর’স ভিলা থেকে পাঁচ মিনিটের দূরত্বে আছি৷’

    কৌশিক বলল, ‘জিতা, আমার আজ লাঞ্চ করা হয়নি৷’

    লগ্নজিতা হেসে বলল, ‘সে তো কোনোদিনই হয় না, ডিয়ার৷ রোজই তো বিকেল চারটে তোমার লাঞ্চ টাইম৷ ’

    কৌশিক বলল, ‘এগিয়েই যখন এসেছ আরেকটু এগিয়ে আমিনিয়াতে চলে এসো৷ খেয়ে নিয়ে সীমান্তর সঙ্গে মিট করব৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘শোনো, খাওয়ার সময় আমি পাশে পাখা নিয়ে বসে থাকতে পারব না, কারণ আমিও খাব৷ বিরিয়ানির গন্ধে আমার মনটা কেমন উদাস হয়ে যায়, জানো কৌশিক৷ মনে হয়, ওই রুদ্রজ্যোতিস্যারই এ কেসটার ফয়সালা করুক৷ কী দরকার এত জটিলতায় জড়ানোর?’

    কৌশিক বলল, ‘এই শোনো, তুমি বরং বেড়াল মাছ ফেলে চলে গেছে টাইপ ঢপ আমায় দিয়ো৷ আমি ভাবব সেই বেড়ালটা বৈষ্ণবধর্ম পালন করছে৷ কিন্তু প্লিজ তুমি জটিল কেস থেকে নিজের নাকটা সরিয়ে নেবে— এটা বিশ্বাস করতে বোলো না প্লিজ, হজমেরও তো একটা ব্যাপার আছে৷ কোথায় তুমি? আমি আমিনিয়ার সামনে দাঁড়িয়ে, জিতা৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘আমি ঠিক তোমার পিছনে৷’

    রেস্টুরেন্টে ঢুকে খাবার অর্ডার দিয়েই কৌশিক বলল, ‘আমি চাই, তুমি এই কেসটা সলভ করো৷ সোনাঝুরির অবস্থা আজ দেখার পর থেকেই মনে হচ্ছে, এইভাবে নিঃশব্দে ছোট ছোট ছেলে-মেয়েগুলোকে মরতে দেওয়া যায় না৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘মাদকের নেশাকে সাইলেন্ট কিলার বলাই যায়, কৌশিক৷ কোনো রক্তপাত নেই, বন্দুকের আওয়াজ নেই, গলায় ফাঁস লাগানো নেই অথচ এগুলো কিন্তু একেকটি প্ল্যানড মার্ডার৷ প্রথমে একটা ক্যাপসুল, তারপর দুটো, তারপর অনেকগুলো৷ ডিপ্রেশন কাটানোর নামে ডিপ্রেশনের শিকার হচ্ছে এরা৷ ওভারডোজ নিতে যাচ্ছে, তারপর নিঃশব্দে চলে যাচ্ছে পৃথিবী ছেড়ে৷ কী ভয়ংকর ভাবো তো৷ ইদানীং কলকাতায় এত ছড়িয়ে গেছে ব্যাপারটা, জাস্ট ভাবতে পারছি না৷ বলিউডে বহুদিন ধরেই এর রমরমা, কিন্তু এখন সাধারণের হাতের মুঠোয় চলে এসেছে বিষয়টা৷’

    কৌশিক বলল, ‘এই রে, ভুল হয়ে গেছে একটা৷ সোনাইয়ের ফোনটা মনে হয়, ওর পকেটে ছিল, ওকে কেবিনে ঢোকানের সময়ে নিজের কাছে রেখেছিলাম, আর ফেরত দেওয়া হয়নি৷ মাথার কি ঠিক ছিল এতক্ষণ? এখন ফোনটাতে রিং হচ্ছে৷ দেখি, হসপিটাল থেকে ঘুরে সেই রাতে ওদের বাড়িতে দিয়ে আসতে হবে ফোনটা৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘ফোনটা রিসিভ করো প্লিজ৷’

    কৌশিক ইতস্তত করে বলল, ‘অন্যের ফোন রিসিভ করব? অনুরূপা ওর বন্ধু, সে ফোন করছে তো৷’

    জিতা বিরক্তির গলায় বলল, ‘যুধিষ্ঠির কি তোমাকেই দায়িত্ব দিয়ে গেছে কৌশিক, কলিযুগে তার রোলটা প্লে করার জন্য? ফোনটা রিসিভ করো৷ আমার দরকার আছে৷ কৌশিক, মুখটা এমন করে আছ কেন? তোমায় কি আমি ফুল প্লেট বিরিয়ানি খেয়ে পাঁচশো মিটারের দৌড় প্রতিযোগিতায় নামিয়ে দিয়েছি?’

    ফোনটা রিসিভ করতেই অনুরূপা বলল, ‘এই সোনাঝুরি, তুই যে বলেছিলিস, আজকে আমাকে একবার এলিগেন্ট স্পা-তে নিয়ে যাবি, এদিকে ফোনটাই তো ধরছিস না৷ শোন-না, অ্যাট্রাকটিভটা দুরন্ত কাজ হয়৷ বিলিভ মি, আমি জাস্ট টেনশন ফ্রি হয়ে গেছি৷ এবারের ফেসিয়ালটা আমি এলিগেন্ট থেকেই করব৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘আমি ওর রিলেটিভ কথা বলছি৷ ও একটু অসুস্থ রয়েছে৷ তাই ফোনটা আমার কাছে৷ আচ্ছা অনুরূপা, এই এলিগেন্ট স্পা-টার অ্যাড্রেস আমায় একটু দিতে পারবে? সোনাঝুরিও বলেছিল এর নাম৷ আমিও একবার ফেসিয়াল করাতে যাব ভাবছি৷’

    অনুরূপা বলল, ‘কী হয়েছে সোনাঝুরির? সিরিয়াস কিছু?’

    লগ্নজিতা বলল, ‘ডায়েট করে করে উইক হয়ে পড়েছিল৷ তাই চেকআপে ঢুকেছে৷’

    অনুরূপা বলল, ওহ৷ আমি বলছি, অ্যাড্রেসটা আপনি লিখুন৷’ ফোনটা কেটে দিল জিতা৷ কৌশিক মুখ চুন করে বসে ছিল এতক্ষণ৷ মনে হচ্ছিল, পার্টনার ব্যাঙ্কের ভল্ট ভাঙছে আর ওকে পাহারা দিতে দেওয়া হয়েছে৷

    কৌশিক জোরে নিশ্বাস ছেড়ে বলল, ‘জিতা, তোমরা যখন পুলিশের ট্রেনিং নাও তখন কি এটারও ট্রেনিং দেওয়া হয়?’

    লগ্নজিতা মাটনের টুকরোটা আলতো করে ভাঙতে ভাঙতে বলল, ‘কীসের ট্রেনিংয়ের কথা বলছ বলোতো?’

    কৌশিক বলল, ‘এই অবলীলায় মিথ্যে বলার৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘সে তো তোমরাও ট্রেনিং নাও, বস৷ গ্যাস হয়েছে পেটে জেনেও ইউ.এস.জি. করতে পাঠিয়ে দাও ল্যাবে৷ কেন? কারণ ওই ল্যাব বছরের শেষে তোমাদের বাড়িতে বিদেশ ভ্রমণের দুটো টিকিট পাঠিয়ে দেবে৷ মাথাব্যথা হচ্ছে বলে ডক্টরের চেম্বারে ঢোকার পর ডক্টর এমন ভয় দেখিয়ে দেবে যেন মনে হয় ব্রেন টিউমারটা এখুনি ফেটে যাবে বুঝি৷’

    কৌশিক মুখ ভারী করে বলল, ‘আমি তেমন ডাক্তার নই৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘এই কোয়ালিটি কমেছে বলো এদের বিরিয়ানির? না না, আমি তো সব ডাক্তার কথা বলিনি৷ বললাম, এসব ট্রেনিংও বোধহয় দেওয়া হয়৷ আমাদের পুলিশেও দেশের আইন রক্ষার শিক্ষা দেওয়া হয়, তারপর কী করে যেন এই প্রফেশনে ঢুকেই লোকের বাঁ হাতটা বড়ো বেশি সচল হয়ে যায়৷ বাঁ হাত পেতেই থাকে কাগজের নোটের লোভে৷ আর বাকি রইল মিথ্যে বলা, সত্যের সন্ধান করার জন্য যতক্ষণ মিথ্যে বলতে হবে, আমি বলব৷ আপাতত সোনাঝুরির ফোনটা আমি একবার চেক করব৷’

    কৌশিক বলল, ‘অন্যের ফোন চেক করাটা অন্যায়৷ লগ্নজিতা বলল, ‘কৌশিক, তোমার বোন আজ মারা যেতে পারত, যে চক্রটাতে পড়েছে, সেটাকে খুঁজে বের করতে হবে না?’

    কৌশিক চুপচাপ ফোনটা দিয়ে বলল, ‘চলো, সীমান্তকে মেসেজ করেছিলাম, ওর অফিসেই আছে, যেতে বলল৷ কিন্তু তোমার এই পুলিশের ইউনিফর্ম দেখলে একটা কথাও বলবে না৷ কারণ ওরা প্রচুর চোরাই জিনিস বিক্রি করে৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘আরে, ও নিয়ে চিন্তা কোরো না বস৷ আমার গাড়িতে সব সময় দুটো সেট জামা-প্যান্ট থাকেই৷ কখন কার সঙ্গে চায়ের আড্ডায় বসতে হয়, সেই ভেবেই৷’

    কৌশিক বলল, ‘কিন্তু চেঞ্জ করবে কোথায়?’

    লগ্নজিতা হেসে বলল, ‘তোমার সামনে নিশ্চয়ই করব না, সে আশাও কোরো না৷’

    কৌশিক মুচকি হেসে বলল, ‘আহা, আশায় বাঁচে চাষা৷ লগ্নজিতা বলল, ‘ওয়েট, এদের ওয়াশরুমেই কাজ সারব৷ ‘কৌশিক কিছু বলার আগেই বাইরের পার্কিংয়ের দিকে ছুট দিল জিতা৷

    ড্রেস চেঞ্জ করে একটা ব্লু ফেডেড বেল বটম জিনস আর লাইট অলিভ কালারের টি-শার্ট পরে রেডি হয়ে বলল, কী ডক্টর, এখন তোমার উড বি বলে পরিচয় দিতে পারবে তো?’

    কৌশিক মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল, ‘সানন্দে ৷’

    লগ্নজিতা মুচকি হেসে বলল, ‘প্রেম বড়োই অন্ধ৷ এই একটা কথা আমি মেনে নিলাম৷’

    কৌশিক কৌতূহলী চোখে তাকিয়ে বলল, ‘মানে? হঠাৎ এ কথাটা কেন বলছ?’

    জিতা গাড়িতে উঠতে উঠতে বলল, ‘না হলে আমার মতো সানট্যান-পড়া চেহারা দেখে তুমি মুগ্ধ হও৷’

    কৌশিক অভিমানী গলায় বলল, ‘মোটেই না, প্রেমের অন্তত চারটে চোখ আছে৷ একটা চোখ দিয়ে সে প্রেমিকার ডেডিকেশন দেখে৷ আরেকটা চোখ দিয়ে বিশ্বাসযোগ্যতা পরখ করে৷ আরেকটা চোখ দিয়ে সততাটা চেখে নেয়৷ শেষ চোখ দিয়ে দেখে নেয়, তাকে কতটা ভালোবাসছে৷ এগুলো সব আমি দেখেশুনে তারপর ধপাস হয়েছি৷ সোজা গিয়ে লেফট টার্ন নিয়ে একটা ক্যাফেটরিয়া আছে, ওটার ওপরে ওর অফিস৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘লেট’স গো৷ আমি তোমার গাড়িকে ফলো করছি৷’

    সীমান্ত বসুর অফিসটা বেশ ছিমছাম৷ প্রচুর অ্যান্টিক জিনিসপত্র দিয়ে সাজানো৷ ভদ্রলোক ব্যাবসাটা মারাত্মক বোঝেন৷ সব জিনিসের গলায় একটা করে গোল্ডেন ট্যাগ লাগানো, তাতে জিনিসটির বিক্রয়মূল্য আর জিনিসটির প্রাপ্তিস্থান লেখা আছে৷ কৌশিককে দেখেই সীমান্ত উঠে দাঁড়িয়ে প্রায় বুকে জড়িয়ে ধরে বলল, ‘বল বস, তোর জন্য কী করতে পারি৷ তুই আমাদের স্কুলের গর্ব, আমাদের ক্লাসের গর্ব ছিলিস৷ তখন মাইরি তোর দিকে তাকিয়ে ভাবতাম, ছেলেটা এমন টকাটক অঙ্ক কষে কী করে? তারপর বুঝলাম, তোর মাথায় ভগবান বুদ্ধিটাই বেশি দিয়ে দিয়েছে৷’

    কৌশিক বলল, ‘হ্যাঁ ভগবান আমার মাথায় বুদ্ধি দিয়েছে আর তোর কপালে টাকা৷’

    সীমান্ত বিশাল খুশি হয়ে গর্বিত ভঙ্গিমায় হেসে বলল, ‘ধুর কী যে বলিস!’

    সীমান্ত বলল, ‘বল, কী জন্য গরিবকে মনে করলি? সেই স্কুলের রিইউনিয়নের পর আবার দেখা৷ কী খাবি বল?’ এতক্ষণে লগ্নজিতাকে খেয়াল করে সীমান্ত বলল, ‘ওহ সরি ম্যাডাম৷ পুরোনো বন্ধুকে পেয়ে খেয়ালই করিনি আপনাকে৷’

    কৌশিক বলল, ‘আমার উড বি৷’

    সীমান্ত নমস্কারের ভঙ্গিমা করে বলল, ‘কী সৌভাগ্য৷ স্ন্যাক্স আর কফি আনাই কথা বলতে বলতে শুনব৷’

    কৌশিক বলল, আমরা খেয়েই এলাম৷ তুই শুধু কোল্ড ড্রিঙ্ক আনা৷’ সীমান্ত ফোনে কাউকে কোল্ডড্রিঙ্কের অর্ডার দিতেই কৌশিক বলল, ‘জিতার খুব শখ, আমাদের নতুন ফ্ল্যাটটা কিছু অ্যান্টিক জিনিস দিয়ে সাজাই৷ তখনই তোর কথা মনে পড়ল৷ একটু গাইড করবি তুই৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘আমার একটা জিনিস চাই, আপনাকে ব্যবস্থা করে দিতে হবে৷’

    সীমান্ত ডাক্তার বন্ধুর কাছ থেকে এতটা গুরুত্ব পেয়ে আপ্লুত হয়ে বলল, ‘নিশ্চয়ই বলুন, না ম্যাডাম৷’

    লগ্নজিতা অষ্টধাতুর কৃষ্ণমূর্তিটার ছবি দেখিয়ে বলল, ‘এটা৷’

    সীমান্ত একটু অবাক হয়েই বলল, ‘এ ছবি আপনি কোথায় পেলেন, ম্যাডাম?’

    লগ্নজিতা বলল, আমার এক পরিচিত ফোটোগ্রাফারের অ্যালবাম থেকে৷ উনি এই ছবিটার জন্য ক্যালকাটা বেস্ট ফোটোগ্রাফির অ্যাওয়ার্ডও জিতেছেন৷’

    সীমান্ত বলল, বুঝেছি৷ ‘আপনি বোধহয় সুবর্ণাম্যামের কথা বলছেন৷ উনি অকশনের ছবি তুলতে আসেন মাঝে মাঝে৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘হ্যাঁ, সুবর্ণাদির বাড়িতেই দেখেছিলাম ছবিটা৷ এই কৃষ্ণমূর্তিটা আমায় পাইয়ে দিন৷ টাকা যা লাগে, আমি দেব৷’

    কৌশিককে কনুই দিয়ে এক গুঁতো দিল জিতা৷ কৌশিক মুখটা এমন করে আছে যেন কয়েতবেলের আচার চুরি করতে গিয়ে দিদার হাতে ধরা পড়েছে৷ জিতার গোঁত্তা খেয়ে বলল, ‘হ্যাঁ সীমান্ত, টাকা নিয়ে ভাবিস না৷ আমার শ্বশুরের প্রচুর টাকা৷’

    সীমান্ত কোল্ড ড্রিঙ্ক দুটো সামনে রেখে বলল, ‘ওরে টাকা নয়, প্রবলেম অন্য জায়গায়৷ এটা আর ভারতে নেই৷ একজন এন.আর.আই. কিনে নিয়ে ইয়োরোপে চলে গেছে৷ আমার অকশনেই সেল হয়েছিল মাস চারেক আগে৷ পাঁচ কোটিতে বিক্রি হয়েছিল, বুঝলি৷ এই যে বাঁশিটা দেখছিস, তাতে যে পাথরগুলো দেখছিস, সব ক’টা দামি হিরে, বুঝলি৷ আর মুকুটে দেখ পান্না আর চুনির কাজ৷

    লগ্নজিতা বলল, ‘বেচল কে এটাকে? এমন জিনিস কেউ বেচে?’

    সীমান্ত বলল, এস. আগরওয়াল৷ আরে ভদ্রলোক এটা পৈতৃক সূত্রে পেয়েছিলেন৷ আরও দুই ভাই এর ভাগীদার৷ লোকটা এতটা চালাক যে অকশন করে বিক্রি করে দিয়ে সে টাকা পকেটে ঢুকিয়ে নিয়ে বাকি ভাইদের গল্প দিয়েছে, ব্যাঙ্কের ভল্ট থেকে চুরি গেছে৷ লোকটা মহা ধুরন্ধর লোক৷’

    লগ্নজিতা মনখারাপ করে বলল, ‘এই আগরওয়ালের বাড়ি কোথায়, কলকাতায়?’

    সীমান্ত বলল, ‘আরে এই তো বউবাজারে গোটা তিনেক সোনার দোকান আছে এর৷ আর কী কী আছে জানি না, তবে টাকা আছে প্রচুর, আর টাকার লোভও প্রচুর৷ না হলে বংশানুক্রমে পাওয়া এমন কৃষ্ণমূর্তি কেউ বেচে দেয়?

    লগ্নজিতা বলল, ‘আচ্ছা, ওই প্রবাসী বাঙালির ছবি আছে আপনার কাছে? সীমান্ত বলল, ‘সে হয়তো আছে৷ কিন্তু উনি বেচবেন না, ম্যাডাম৷’

    লগ্নজিতা বলল, পাঁচ কোটি দিয়ে এটা কেনার ক্ষমতা আপনার বন্ধুর নেই৷ এটা শুধু কৌতূহলমাত্র৷ আশাভঙ্গের পরের স্টেপ এগুলো৷’

    সীমান্ত আর কৌশিক হেসে উঠল৷ সীমান্ত বলল, ‘কিন্তু ম্যাডাম, অ্যান্টিক জিনিসের কোনো অভাব নেই আমার কাছে৷ বলতে পারেন এ শহরের সব থেকে বড়ো অকশন ডিলার আমি৷ প্রতিসপ্তাহে একটা করে বড়ো অকশন করেই থাকি৷ এরকম ধরনের কৃষ্ণমূর্তি পেলেই আমি আগে কৌশিককে কল করব৷’ হোয়াটসঅ্যাপে সম্ভবত ইয়োরোপের ওই ভদ্রলোকের সঙ্গে ভালোই যোগাযোগ আছে সীমান্তর৷ ধনী খদ্দের, তাই নিজের তাগিদেই যোগাযোগ রেখেছে সীমান্ত৷ ওখান থেকে ছবিটা নিয়ে কৌশিকের হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দিয়ে বলল, ‘তারপর বল বিয়েটা কবে করছিস৷ নিমন্ত্রণ যদি না পাই, হামলা করব কিন্তু৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘আমি আপনাকে নিমন্ত্রণ করবো সীমান্তদা৷ আজ আসি৷’

    বাইরে বেরিয়ে লগ্নজিতা বলল, ‘কৌশিক, এ তো পুরো গোলকধাঁধা৷’ মূর্তি চুরিই যায়নি, বেচে দিয়ে চুরি হয়েছে বলে প্রাইভেট ডিটেকটিভ নিয়োগ করে ফেলল আগরওয়াল, যাতে ফ্যামিলির লোকজন ওকে সন্দেহ না করে৷ এদিকে রুদ্রজ্যোতিস্যার দিল্লি থেকে কলকাতায় এসে গত তিন মাস ধরে গোরু খোঁজা খুঁজে চলেছেন এই মূর্তিটাকে৷ কলকাতার যত পুরোনো অ্যান্টিকের দোকান খুঁজে ফেলেছেন নাকি ভদ্রলোক৷ আচ্ছা উনি সীমান্তর কাছে এলেন না কেন বলোতো?’

    কৌশিক বলল, এলেও সীমান্ত বলবে না৷ আরে, অপরিচিত লোকের কাছে ওরা এমন ভাব করে থাকে যেন এসব অকশনের বিষয়ে ও কিছুই যানে না৷ কারণ অনেক চোরাই জিনিসও জেনে-বুঝে বিক্রি করে দেয় ওরা৷ হ্যাঁ জিনিসটা হয়তো ওরা চুরি করে না, কেউ একজন এসে সস্তায় বেচে দেয় ওদের৷ কিন্তু এটা কেনাও তো অন্যায় তা-ই না?’

    লগ্নজিতা বলল, ‘আইনের নাকের ডগায় বসে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এরা এসব করে বেড়াচ্ছে, বলো৷ আমরা নিরুপায়৷’

    কৌশিক বলল, ‘জিতা, সীমান্ত আমায় বিশ্বাস করে সব বলল, প্লিজ ওকে ফাঁসিয়ে দিয়ো না৷’

    লগ্নজিতা হেসে বলল, ‘দেব না৷ সোনাঝুরির ফোনটা একবার দাও৷’

    কৌশিক আবার মুখটা বাংলার পাঁচের মতো করে গর্হিত কাজটা করল৷ লগ্নজিতা মনে মনে বলল, কলিযুগে এই ধর্মপুত্রকে নিয়ে আমার হয়েছে বিপদ৷ লোকটা কেন যে এতটা সৎ, কে জানে! ফোনটা ঘেঁটে কয়েকটা নম্বর নিজের ফোনে নিয়ে ফোনটা কৌশিকের হাতে দিয়ে বলল, ‘ভাবছি একটা ঝোলা আর একটা একতারা কিনে তোমায় বাউল বানিয়ে দেব৷ উফ কৌশিক অমন অপরাধী-অপরাধী মুখ করে থেকো না৷’

    কৌশিক গাড়িতে স্টার্ট দিয়ে বলল, ‘আমি হসপিটালে চললাম৷ তুমি সাবধানে ফিরো৷ রাতে কল করব৷’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅনুভবে তুমি – অর্পিতা সরকার
    Next Article নীরবে তোমায় দেখি – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }