Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাইলেন্ট কিলার – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প231 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মাসি না মডেল?

    কৌশিকের নামটা ফুটে উঠল লগ্নজিতার ফোনের স্ক্রিনে৷

    রিসিভ করতেই কৌশিক বলল, জিতা, বাচ্চাটার জ্ঞান ফিরেছে৷ কিন্তু ওর মা-কে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না৷ আরেকজন অল্পবয়েসি মেয়ে এসে বলছে সে নাকি এর মাসি৷ আমি বলেছি, মা-কে ছাড়া কাউকে অ্যালাও করা যাবে না কেবিনে৷ জেনারেল বেডে দেওয়া হয়েছে৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘বি কেয়ারফুল, কৌশিক৷ ওই মাসি, দিদি কাউকে ঢুকতে দেবে না৷ আমি আসছি৷ ওকে ইন্টারোগেট করতে হবে৷’

    কৌশিক বলল, বাচ্চাটার মাকে দেখে মনে হচ্ছিল, নিম্নমধ্যবিত্ত ফ্যামিলি৷ কিন্তু মাসিকে তো হলিউডের মডেল মনে হচ্ছে৷

    লগ্নজিতা আবার বলল, ‘যাও, তোমায় পারমিশন দিলাম ওই মডেলের দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকার৷ শুধু দেখো যেন মডেল না পালায়৷ আমি আসছি৷’

    কৌশিক গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, ‘নয়, নয় করে বছর চারেক তো হল আমাদের সম্পর্কের৷ এখনও অবধি এতটুকু পজেসিভনেস তো দেখলাম না আমার প্রতি৷ এই জিতা, তুমি আদৌ আমায় ভালোবাসো তো?’

    লগ্নজিতা বলল, ‘সুশোভন, তুমি মেয়েটিকে জেরা করো৷ রেকর্ড করবে৷ আমি হসপিটাল থেকে ঘুরে আসছি৷’

    ‘হ্যাঁ, কৌশিক, কী যেন বলছিলে? মডেলটা বাচ্চাকে ভালোবাসে কি না, সেটা নিয়ে তোমায় ভাবতে হবে, না বুঝলে?’

    কৌশিক হেসে বলল, ‘বুঝলাম, ম্যাডাম৷ নিজের ভাগ্যকে দোষারোপ করে তো আর লাভ নেই, নিজেকে দোষারোপ করা উচিত৷ শীতকালে শীত পড়বে এটাই স্বাভাবিক৷ পুলিশ চোর-ডাকাত ধরবে এটাই স্বাভাবিক৷ আর লগ্নজিতা ভট্টাচার্য জটিল কেস সমাধান করবে এটাই সরল সত্যি৷ এগুলো জেনেও যখন তোমার প্রেমে পড়েছিলাম তখন আর ভাগ্যের দোষ দিয়ে হবেটা কী? এনিওয়ে, তুমি এসো হসপিটালে৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘উফ, কাজের সময় তুমি যে কেন কবি হয়ে ওঠো, কে জানে!’

    ফোনটা রাখতেই বিধাননগর থেকে মিস্টার সান্যাল কল করে বললেন, ‘ম্যাডাম, আপনি শুনলাম, আজ পিনাক মণ্ডলের স্কুলে গিয়েছিলেন? কেন ম্যাডাম এ চত্বরের সব কেস কি আপনাকেই দেখতে হবে? বুঝলাম আপনি নেশায় গোয়েন্দা, কিন্তু আমাদেরও ছিটেফোঁটা সৌভাগ্যের ভাগীদার হতে দিন৷ আপনি শুনলাম, নিজের অফিসে তালা লাগিয়ে এখন থানায় ঘাঁটি গেড়েছেন?’

    লগ্নজিতা একটু গম্ভীর স্বরে বলল, ‘এ কী বলছেন মিস্টার সান্যাল? দিনকয়েক আগেও তো আপনারা ড্রাগ পাচারের কেস ধরেছিলেন৷ দশ মিনিটের মধ্যেই লালবাজার নারকোটিক সেলে কেসটা চালান করে নিশ্চিন্তে রসগোল্লা খাচ্ছেন৷ আমি আর কোথায় সব কেস পেলাম? নেহাত স্কুলটা আমার থানাগুলোর আন্ডারে, সুমনও আমারই ড্রাইভার তাই আমি পার্সোনালি এটা দেখছি৷ আগের ড্রাগের কেসগুলো তো নারকোটিক সেলে ফাইলের নীচে চাপা পড়ে গেছে, মিস্টার সান্যাল৷

    এত কথা শোনার পরে মিস্টার সান্যাল বললেন, ‘ম্যাডাম, আপনি কী করে জানলেন, আমি রসগোল্লা খাচ্ছি?’

    লগ্নজিতা হেসে বলল, ‘সেন মশাইয়ের দোকান থেকে আনলেন নাকি? যেভাবে রস টেনে খাচ্ছেন৷ মিস্টার সান্যাল, আমি আপাতত একটা কাজে যাচ্ছি, আপনি বরং আরেকটা বই লিখে ফেলুন, ‘‘রসগোল্লায় রস নেই’’ নাম দিয়ে৷’

    ফোনটা রেখেই মনে মনে হাসল লগ্নজিতা৷ থানায় কেউ একজন পাশ থেকে বলছিল, ‘স্যার, আরেকটা রসগোল্লা দিই?’ সেটা শুনেই লগ্নজিতা গোয়েন্দাগিরি ফলিয়ে দিল মিস্টার সান্যালের ওপরে৷ ভদ্রলোক হয়তো ভাবছেন ওঁর শরীরে সি.সি.টি.ভি. ক্যামেরা সেট করে দিয়েছে ও৷

    হসপিটালে পৌঁছেই দেখল একজন বছর চব্বিশের মারাত্মক সুন্দরী মেয়ে সৃজিতের কেবিনের বাইরে বসে আছে৷ কৌশিক ওকে দেখেই বলল, ‘ওই যে উনি৷ নাম বলছেন রক্তিমা৷ দেখো, ওর মা বা বাচ্চাটার থেকে এঁর স্ট্যান্ডার্ডটা কিন্তু বেশ আলাদা৷ না মানে চোখে পড়ছে৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘আমি এসে গেছি এবারে তুমি রক্তিমার থেকে চোখ সরাতে পারো, কৌশিক৷ আমি বুঝে নিচ্ছি৷’

    কৌশিক মুচকি হেসে বলল, ‘সিরিয়াসলি? আর ইউ জেলাস?’

    লগ্নজিতা বলল, একেবারেই নয়৷ আমি সুন্দরী নই, তাই তাদের সঙ্গে আমার কোনো প্রতিযোগিতা নেই৷ আর শুধু রূপ দেখে যারা প্রেমে পড়ে, তাদের প্রতি আমি আরও বেশি আগ্রহ হারাই৷

    কৌশিক ঢোঁক গিলে বলল, ‘বাচ্চাটার মা-কে সারা হসপিটালে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, জিতা৷’

    লগ্নজিতা ভ্রূ কুঁচকে বলল, ‘আরে, তোমরা এত দায়িত্বজ্ঞানহীন হও কী করে বলত? তোমাদের হসপিটালে ডাক্তার সেজে এসে কেউ একটা মানুষকে খুন করে বেরিয়ে যাচ্ছে, কেউ টের পাচ্ছে না৷ আজ এতবার বললাম, বিষয়টা সাংঘাতিক৷ তারপরেও তোমরা এত কেয়ারলেস কী করে হও, বলবে? এখন বাচ্চাটার জ্ঞান ফিরেছে, সে তো মা-কে খুঁজবে৷

    কৌশিক অপ্রস্তুত হয়ে বলল, ‘আরে, মায়ের তো নিজেরই খেয়াল রাখা উচিত বাচ্চাটার কখন সেন্স আসছে, সে ব্যাপারে৷ আমরা চিকিৎসা করব না পেশেন্টের বাড়ির লোকের দিকে নজর রাখব বলত? এই হয়েছে এদের সমস্যা৷ এতক্ষণ লবিতে বসে ছিল, ঘণ্টাখানেক আগে মাসি এন্ট্রি নিল মা বেপাত্তা৷

    লগ্নজিতা বলল, ‘কৌশিক, মা বেপাত্তা ইচ্ছে করে হয়েছে নাকি কেউ ভয় দেখিয়ে বের করে নিয়ে গেল, সেটাই তো জানার৷ ওর মায়ের সঙ্গে কথা বলে মনে হচ্ছিল, মহিলা কিছু একটা গোপন করছে৷ এনিওয়ে, চল, বাচ্চাটাকে আগে দেখি৷’

    বাচ্চাটা বেশ দুর্বল৷ চোখ খুলে শুয়ে আছে ঠিকই, কিন্তু প্রাণশক্তি কমে গেছে যেন৷ লগ্নজিতা আলতো করে মাথায় হাত রেখে বলল, ‘তোমার নাম কী?’

    ছেলেটা ওষুধের ঘোরের মধ্যেই বলল, ‘সৃজিত রায়৷’

    ‘কোন ক্লাসে পড়ো?’

    প্রশ্নটা শুনেই ছেলেটা কৌশিকের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘মা কোথায়?’

    কৌশিক শান্ত গলায় বলল, ‘তোমার জন্য বিস্কিট আনতে গেছে৷ তুমি কোন ক্লাসে পড়ো? স্কুলে তোমার বন্ধু আছে?’

    সৃজিত বলল, ‘আমি ক্লাস সেভেনে পড়ি৷ হ্যাঁ, আমার অনেক বন্ধু আছে৷ আমি কি ডাক্তারখানায় এসেছি? ইঞ্জেকশন দিয়ো না আমায়৷’

    কৌশিক বলল, ‘দেব না৷ তুমি কি চকোলেট খেয়েছিলে অনেকগুলো? তোমার পেটে লাগছিল তো৷’

    সৃজিত বলল, আমি ছটা চকোলেট খেয়েছিলাম৷

    লগ্নজিতা বলল, ‘কোথা থেকে কিনলে চকোলেট তুমি?’

    সৃজিত বলল, কিনিনি তো৷ দোকান থেকে নিয়েছিলাম৷ ‘ঠিক সেই সময়েই ঝড়ের গতিতে ঢুকল সৃজিতের মা আর মাসি৷ দুই মহিলাকে কোনো অ্যাঙ্গল থেকেই বোন মনে হয় না৷ সহোদরা দূরে থাকুক, মাসতুতো, পিসতুতো বোন বলেও মনে হচ্ছে না৷ কারণ দুজনের মধ্যে সামান্যতম মিল নেই৷ সৃজিতের মা এসে বলল, ‘ডাক্তারবাবু, ছেলেটা যদি এখন সুস্থ থাকে তাহলে আমি কি বাড়ি নিয়ে যেতে পারি?’

    কৌশিক বললো, দেখুন এটা আর আমাদের হাতে নেই৷ যেহেতু ওর স্টমাকে নারকোটিকস পাওয়া গেছে, সেহেতু এটা পুলিশ কেস৷ পুলিশ বললে আমরা ডিসচার্জ করে দেব৷ একটু রেস্টে থাকতে হবে৷ প্রোটিনযুক্ত খাবার খেতে হবে৷ আমি দুটো মেডিসিন লিখে দিয়েছি৷ এরপর বাকি পুলিশ বুঝে নেবে৷’

    সৃজিতের মা কাবেরী বেশ ঝাঁজালো গলায় বলল, ‘দেখুন, ড্রাগস ও পাবে কোথায়? ঘরে ছিল ইঁদুর-মারা বিষ, ওটাই ভুল করে খেয়েছে হয়তো৷ আমার ছেলেকে নিয়ে যাবে বলে ওর মাসি এসেছে৷ নিজের কাজকর্ম ফেলে৷ এখন ওকে আটকে রাখা তো চলবে না৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘কাবেরীদেবী, ঘণ্টাখানেকের জন্য আপনি কোথায় হাপিশ হয়ে গিয়েছিলেন বলুন তো? আপনি ইঁদুর-মারা বিষ সরানোর জন্য বাড়িতে যখন গিয়েছিলেন তখনই তো সৃজিত আমাদের জানাল ও ছ-টা চকোলেট খেয়েছে একসঙ্গে৷

    সৃজিতের মাসির পরিচয়ে যে মহিলাটি এতক্ষণ চুপচাপ দাঁড়িয়ে ওদের কথা শুনছিল, সে এগিয়ে এসে বলল, ‘দিদি, ওঁদের ডিউটি করতে দে৷ যদি সত্যিই ড্রাগস পেয়ে থাকেন ডাক্তারবাবু তাহলে সেটা তো বাচ্চাদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য খুবই ভয়ংকর৷ ওদের বিষয়টা তলিয়ে দেখতে দে৷ সানুকে না হয় আমরা কাল বাড়ি নিয়ে যাব৷ লগ্নজিতা কিছু বলার আগেই মেয়েটি উঠে এসে হাত জোড় করে বলল, ‘ম্যাডাম, আমি রক্তিমা ঘোষ৷ প্যাথোলজিক্যাল ল্যাবের রিসেপশনিস্ট, ম্যাডাম৷ সৃজিত আমার বোনপো৷ সৃজিতের বাবা মারা যাবার পরে ও আমার কাছেই মানুষ৷ দিদি তো দিনরাত দোকান নিয়ে ব্যস্ত থাকত, আমি তখনও চাকরি পাইনি৷ তাই সৃজিতকে নিয়েই কাটত আমার দিনরাত৷ লগ্নজিতা বলল, ম্যাডাম বুঝতেই তো পারছেন কেসটা কতটা জটিল৷ ড্রাগসের ওভার ডোজ হয়ে প্রায় মরেই যাচ্ছিল ছেলেটা৷’

    রক্তিমা বলল, ‘একটা জিনিসই মাথায় ঢুকছে না, এসব ও পেল কোথায়? ম্যাডাম, আমরা যদি ঘণ্টাখানেক ওয়েট করি তাহলে কি আপনাদের জেরাটা শেষ হবে? আসলে সানু অসুস্থ তো৷ তাহলে আজ রাতেও দিদিকে হসপিটালে স্টে করতে হবে৷ বাড়ি ফাঁকা তো৷ আমি বেরিয়ে যাব কাজে৷’ সৃজিতের মা বেশ তাড়ায় রয়েছে৷ রক্তিমার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আমায় বাড়ি ফিরতেই হবে৷ তুই তাহলে সানুর কাছে থেকে যা একটু৷

    রক্তিমা বলল, ‘আমি কী করে থাকব দিদি? আমি মলিকে ঘণ্টাখানেকের জন্য বসিয়ে এসেছি৷ আমায় ফিরতে হবে৷’

    লগ্নজিতা ওদের থামিয়ে দিয়ে বলল, ‘আপনারা আধ ঘণ্টা বাইরে ওয়েট করুন৷’

    কথার মাঝেই রক্তিমা এগিয়ে এসে সৃজিতের গালে হাত বুলিয়ে ফিসফিস করে কিছু একটা বলল৷ কৌশিক আর লগ্নজিতা চোখাচোখি করল৷ বেশ বুঝতে পারছে, ওরা কেউই চাইছে না সৃজিতকে কোনোরকম প্রশ্ন করা হোক৷ লগ্নজিতা বলল, বলো সৃজিত, তারপর চকোলেট খাওয়ার পরে কী হল?’

    সৃজিত চোখ বন্ধ করে বলল, ‘আমার আর কিছু মনে পড়ছে না, ম্যাডাম৷ আমি বাড়ি যাব৷’

    লগ্নজিতা ফিসফিস করে বলল, এর বাড়ির প্রপার অ্যাড্রেসটা নিয়ে রিলিজ করে দাও৷ না হলে মিডিয়া ডেকে পিছনে লেলিয়ে দেবে৷ হসপিটালে অসুস্থ বাচ্চার জেরা চলছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা৷ আর আমাদের বাঙালিদের তো শুধু একটা বাহানা চাই হুজুকের৷ সেটা যদি পুলিশের বিরুদ্ধে হয় তাহলে তো সোনায় সোহাগা৷ তুমি একটু নার্সকে বলে রাখো৷ ওষুধ বোঝানোর সময় যেন কায়দা করে সৃজিতের অ্যাড্রেসটা নিয়ে নেয়৷ অবশ্য স্কুলে গেলেও পেয়ে যাব৷ তবুও দেখি, মহিলা কতটা সত্যি বলছে৷ আরেকটা কথা, ওই রক্তিমা কোন ল্যাবে আছে, সেটাও জেনে নিয়ো৷ জেরাতে যখন এত আপত্তি তখন শুধু গল্প নয়, পাঁচশো পাতার উপন্যাস আছে, কৌশিক৷ এই দেড় দিনের মধ্যে ঝড়ের গতিতে ঘটনার ঘনঘটা ঘটে যাচ্ছে৷ সব গুলিয়ে যাচ্ছে৷ অলরেডি একটা খুন হয়ে গেছে৷ কলকাতার প্রকাশ্য দিবালোকে আমার এলাকায় স্কুলের সামনে চকোলেটের মধ্যে নারকোটিক ব্যবহার করে সেটা বাচ্চাদের দিয়ে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে সর্বত্র৷ যাকে ধরলে এর একটা মাথার ঠিকানা পাওয়া যেত, সে-ই খুন হয়ে গেল, কৌশিক৷ এনিওয়ে, আপাতত আমি চললাম৷ সানডে হয়তো বেরোতে হবে৷ রেডি থেকো৷ ও.টি. থাকলে আগের দিন সেরে রেখো প্লিজ৷

    কৌশিক বলল, ‘চেষ্টা করছি৷ কোথায় যেতে হবেটা নিশ্চয়ই গাড়িতে উঠে অন্তত এক কিলোমিটার গাড়ি চলার পরে জানতে পারব তা-ই তো? যাক গে, তোমার সঙ্গে আমি জাহান্নামে যেতেও রাজি৷

    লগ্নজিতা বেরিয়ে এল৷ আসার সময় আবারও বলে এল, ‘অ্যাড্রেসটা নোট করে রেখো৷’ লগ্নজিতা থানায় ফিরে এসে দেখল, সুশোভন তখনও ধমকাচ্ছে জয়ন্তর পরিচারিকাকে৷ লগ্নজিতা ক্লান্ত স্বরে বলল, ‘এখনও চলছে?’

    সুশোভন বিরক্তির সুরে বলল, ‘ম্যাডাম, মহা বিছুটি মেয়ে৷ একটা কথাও বলছে না৷ বলছে, আমি কিছু জানি না৷ কাজ করতাম, বাড়ি যেতাম৷ ম্যাডাম দেখুন, হাতে আই ফোন প্রো৷ কত মাইনে পায় ম্যাডাম এরা?

    লগ্নজিতা হেসে বলল, ‘তোমার কী ফোন সুশোভন? স্যামসাং? রিলস বানাও? অনীতা ভালো রিলস বানায় তা-ই না?

    অনীতা ঘাড় গোঁজ করে বসে আছে৷ সৃজিতের সঙ্গে ভালো করে কথা হয়নি বলেই মেজাজটা খিঁচড়ে আছে৷ ওই মাসি আর মা দুজনের জন্য আসল তথ্যটা জানা গেল না৷ গণ্ডগোল আছে বুঝেও চলে আসতে হল ওকে৷ মাথার শিরাগুলো দপদপ করছিল৷ তার মধ্যে অনীতার অনমনীয় মনোভাব দেখেই মাথায় আগুন জ্বলে গেল৷ বেশ চিৎকার করেই বলল, কেন সময় নষ্ট করছ সুশোভন? লকআপটা তো ফাঁকাই আছে৷ অতিথি যখন নিজে যেচে চাইছে লকআপে ঢুকতে তখন দেরি না করে ভরে দাও৷ দেখে রাতে যেন ওকে মশা না কামড়ায়৷ আজকাল যা ডেঙ্গি হচ্ছে৷

    লগ্নজিতা বেরিয়ে যাবার উদ্যোগ নিতেই অনীতা বলল, ‘ম্যাডাম, আমায় ওরা মেরে দেবে৷ জয়ন্তদাকে তো ওরা মেরে দিল৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘বেশ, বোলো না৷ জেলে থাকো৷ কেউ তোমায় মারতে পারবে না৷

    সুশোভন, ওর বাড়িতে একটা খবর পাঠিয়ে দিয়ো৷ বাচ্চা, স্বামী এরা আবার অপেক্ষা করে বসে থাকবে৷’ অনীতা তখনও ঘাড় গোঁজ করে বসে আছে দেখেও লগ্নজিতা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে এল৷ সুশোভনকেও ইশারায় বেরিয়ে আসার নির্দেশ দিল৷ লগ্নজিতার নিজস্ব অফিসের রুমের সামনে দুজন কনস্টেবল দাঁড়িয়ে থাকে সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে৷ মাঝে মাঝেই খেয়াল করে দেখে, শ্যামলবাবু ঘুমাচ্ছেন৷ এই থানায় বসবে কদিন ঠিক করার পরেই ওর দুজন পার্সোনাল সিকিয়োরিটিও পিছন পিছন এসে হাজির হয়েছে৷ আজও শ্যামলবাবু ঝিমুচ্ছেন৷ ওদের আর দোষ কী? লগ্নজিতা ছুটে বেড়ালে ওরা আর কার ঘরের সিকিউরিটি হবে? নিজের ঘরে ঢোকার সময় লগ্নজিতা সিকিয়োরিটিকে বলে ঢুকল, আমরা একটা মিটিং-এ আছি৷ কেউ এলে বাইরে ওয়েট করতে বলবেন৷

    ঘরে ঢুকেই সুশোভন বলল, ‘ম্যাডাম, এই অনীতা পুরো ঘোরালো জিনিস৷ ১৪ প্রো ব্যবহার করার টাকা ও পেল কোথায়? এর হাজবেন্ড রঙের মিস্ত্রি৷ বাড়িতে থাকেই কম৷ অনীতা আরও তিনটে বাড়িতে কাজ করে৷ খোঁজ নিয়ে দেখলাম, সেই বাড়িগুলোতে ও মাত্র আধ ঘণ্টা করে থাকত৷ কোনোটাতে বাসন মাজা, কোনোটাতে ঘর মোছা৷ রান্না থেকে সব কাজ করত জয়ন্তর বাড়িতেই৷

    ‘ম্যাডাম, ওর বাচ্চাটা বছর তিনেকের৷ তাকেও নিয়ে এসে জয়ন্তর বাড়িতেই রাখত৷ বাড়িটা দোকানের পিছনে তিনটে-চারটে বাড়ি পিছনেই৷ কাল সকালে একবার বাড়িটা রেইড করতে পারলে হত৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘অনীতার কাছে কাকে বসিয়ে এসেছ বলত?

    সুশোভন হেসে বলল, বিশ্বাসদাকে, ম্যাডাম৷ রেডিয়োটা দিয়ে এসেছি, ম্যাডাম৷ আর চিন্তা নেই৷ সারারাত বসিয়ে রাখবে অনীতাকে৷ ম্যাডাম, আজ তাহলে বাড়ি চললাম৷ কাল এসে অনীতাকে দেখা যাবে৷

    লগ্নজিতাও বেরিয়ে এল থানা থেকে৷ নিজের ফ্ল্যাটে ঢুকেই ওর প্রথম একটা কথা মাথায় খেলে গেল৷ কেউ একজন ওর দৃষ্টি ঘোরানোর জন্যই জয়ন্তকে খুন করে দিল৷ জয়ন্তকে হয়তো কোনো এজেন্ট মাল দিত৷ আসল মাথার হদিশ জয়ন্ত বেঁচে থাকলেও লগ্নজিতা পেত না৷ এরা এত চুনোপুঁটির হাতের নাগালে থাকেও না৷ জয়ন্তর ফোনটা অবধি নিয়ে যায়নি তারা৷ তার মানে প্রমাণ লোপাট করার উদ্দেশ্য ছিল না৷ সময় দরকার ছিল৷ জয়ন্ত খুনে সেই সময়টা ওরা পেয়ে গেল৷ অদ্ভুতভাবে এক-দু-দিনে ঝড়ের গতিতে এত কিছু ঘটে যাওয়ায় একটু কি বেশি চঞ্চল হয়ে পড়েছে লগ্নজিতা? আরেকটু ভেবে প্ল্যান করতে হবে৷ জয়ন্ত খুনের আড়ালে হয়তো আসল অপরাধীরা মুখ লুকিয়ে নেওয়ার সময় পাচ্ছে৷ সব থেকে বড়ো কথা, ইউসুফ বলল, জয়ন্তর দোকানের সামনে পাহারা বসিয়েছে৷ কিন্তু তপনের কথামতো জয়ন্ত সন্ধেতে দোকানে ঢুকেছিল৷ তাহলে ইউসুফের লোক তাকে দেখতে পেল না কেন? তবে কি কেউ বুঝতে পেরে গিয়েছিল, জয়ন্ত পুলিশের নজরবন্দিতে রয়েছে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅনুভবে তুমি – অর্পিতা সরকার
    Next Article নীরবে তোমায় দেখি – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }