Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাইলেন্ট কিলার – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প231 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ফেসবুকে প্রেম

    ঋতিকার সকাল হয় বেশ ভোরে৷ জিমে বেশ কিছুক্ষণ ঘাম না ঝরালে ওর দিন শুরু হয় না৷ এটা ওর রোজকার অভ্যাস৷ তারপর স্নান সেরে স্বচ্ছ পোষাক পরে আয়নার সামনে দাঁড়ানোটাও ওর নেশা৷ দিনের শুরুতে রাত থেকে ভিজিয়ে-রাখা পাঁচ পিস আমন্ড আর ডিটক্স ওয়াটারটা নিয়ে ব্যালকনিতে বসে খবরের কাগজে চোখ বোলানোটাও ওর ছোটোবেলার অভ্যেস৷ ইংরেজি কাগজ পড়ার নেশাটা ওর এসেছে বাবার কাছ থেকে৷ বাবাও রোজ সকালে চায়ের কাপ হাতে ইংরেজি কাগজ উলটে যেত৷ ইংরেজি, বাংলা মিলিয়ে তিনটে কাগজ পড়ত বাবা৷ যদিও বাবাকে ও পেয়েছে মাত্র ছয় বছর পর্যন্ত৷ তারপরেই ঠিক কী নিয়ে যে মায়ের সঙ্গে বাবার সমস্যা হল সেটা বুঝে উঠতে পারল না৷ আজও পারেনি অবশ্য৷ শুধু বুঝেছিল, বাবা এমন একটা অন্যায় কাজ করেছে, যেটা মেনে নেওয়া যায় না৷ হঠাৎই মা ওকে নিয়ে চলে এল মামাবাড়ি৷ দাদুও বলল, ‘আর ফেরার দরকার নেই৷ এত ব্রিলিয়ান্ট একটা ছেলে যে এভাবে নষ্ট হয়ে যাবে, বুঝতে পারিনি সুবর্ণা৷ ক্ষমা করিস৷’ মায়ের বিয়েটা দাদুই দিয়েছিল নিজের পছন্দ করা ছাত্রের সঙ্গে৷ বাবার না ছিল বংশমর্যাদা, না ছিল আর্থিক অবস্থা৷ বাবাদের বংশে নাকি একমাত্র বাবাই ছিল শিক্ষিত ছেলে৷ ঋতিকার দাদু প্রফেসর৷ ইউনিভার্সিটির বেস্ট ছেলে ছিল ঋতিকার বাবা৷ সময়ে-অসময়ে নিজের বইপত্র নিয়ে দাদুর বাড়িতে হানা দিত বাবা৷ ইঞ্জিনিয়রিংয়ের ছেলে হয়েও সব বিষয়ে কত নলেজ ছেলেটার৷ সেই থেকেই নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসত দাদু বাপ-মা মরা ছেলেটাকে৷ বাবা নিজেও যখন গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রফেসরিটা পেল তখনই দাদু আচমকা ঠিক করে ফেলল, নিজের মেয়ের সঙ্গে বিয়ে দেবে সত্যজিৎ ব্যানার্জির৷ কিন্তু ঋতিকার মা সুবর্ণা ঠিক মন থেকে মেনে নিতে পারছিল না সত্যজিৎকে৷ ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট হিসাবে সত্যজিৎকে শ্রদ্ধা করলেও জীবনসঙ্গী হিসাবে মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছিল সুবর্ণার৷ কারণ ছোটো থেকে হাই সোসাইটিতে মানুষ হওয়া সুবর্ণা অমন একটা ছাপোষা বাড়ির অনাথ ছেলেকে স্বামী হিসাবে মেনে নিতে নারাজ ছিল৷ সুবর্ণা গোস্বামী নিজেও কলকাতা ইউনিভার্সিটির ইকনমিক্সে ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হওয়া মেয়ে৷ দুর্দান্ত ফোটোগ্রাফার৷ তার তোলা আলোকচিত্র পুরস্কৃতও হয়েছে৷ শুধু তা-ই নয়, দেখতেও বেশ সুন্দরী৷ এমন গুণের মেয়ে হঠাৎ এমন চালচুলোহীন ছেলেকে বিয়ে করতে যাবেই বা কেন? কিন্তু ঋতিকার দাদু বড়ো একগুঁয়ে ছিল৷ মেয়েকে চূড়ান্ত স্বাধীনতা দিয়ে মানুষ করলেও বিয়ের ব্যাপারে কিছুই শোনেননি৷ সরকারি ব্যাঙ্কে কর্মরতা মেয়ের অমতেই বিয়ে দিয়ে দিলেন সত্যজিতের সঙ্গে৷ বিয়ের পরে সত্যজিৎ চেয়েছিল, শ্বশুরের বিশাল বাড়িতে থেকে যাবে ঘরজামাই হয়ে৷ কিন্তু বাদ সাধল সুবর্ণা৷ পরিষ্কার বলেছিল, ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকতে হবে৷ তারপর দুজনের ইনকামে ফ্ল্যাট বুক করে দিলেই হবে৷ ঋতিকার দাদুর কাছে মেয়ের এই সিদ্ধান্ত অপ্রত্যাশিত ছিল৷ অনাথ ছেলেটার সঙ্গে বিয়ে দেবার আরেকটা উদ্দেশ্য ছিল ওঁর, সেটা হল নিজের বাড়িতেই বসবে বিবাহিত মেয়ের সংসার৷ একমাত্র মেয়েকে কাছছাড়া করতে চায়নি দাদু৷ কিছুটা বোধহয় বাবার ওপরে অভিমান করেই সত্যজিতের হাত ধরে বাবার বাড়ি ছেড়েছিল সুবর্ণা৷ সতজিতের তখন নতুন চাকরি, তা ছাড়াও কিছু লোন ছিল নিজের নামে, তাই সংসারে সেভাবে টাকা দিতে পারত না৷ সুবর্ণার টাকাতেই চলছিল সংসার৷ তারপরে ঠিক কী ঘটেছিল, কেউই কোনোদিন বলেনি ঋতিকাকে, শুধু মা একদিন ওর হাত ধরে বেরিয়ে এসেছিল ওই ফ্ল্যাট ছেড়ে৷ তখন অবশ্য বাবা নতুন ফ্ল্যাট কিনে ফেলেছিল৷ বিয়ের বছর ঘুরতেই প্রেগন্যান্ট হয়েছিল সুবর্ণা৷ এত কম বয়সে মা হতে চায়নি সুবর্ণা৷ কিন্তু সত্যজিৎ কোনো কথা শুনতে চায়নি৷ ঋতিকার জন্মের পরে কিন্তু মেয়েকে সময় তেমন দিতে পারেনি সত্যজিৎ৷ কারণ কলেজ ছাড়াও সে তখন একটা নতুন কাজে জয়েন করেছিল৷ তাই বাবাকে কমই পেত ঋতিকা৷ কিন্তু বাবাকে ওর বেশ ভালো লাগত৷ নিরীহ নিরীহ মুখ, বিশেষ ঝগড়াঝাঁটি করত না৷ সব কথাতেই কেমন একটা না-বোঝা দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকত৷ সদ্য আঠারো পেরোনো ঋতিকার খুব ইচ্ছে করে বাবার সঙ্গে একবার দেখা করতে৷ কিন্তু মা সমস্ত যোগাযোগ ছিন্ন করে দিয়েছিল৷ গোটা বাড়ি খুঁজেও ঋতিকা বাবার কোনো ছবি জোগাড় করতে পারেনি৷ মা বোধহয় চায়নি, বাবার সঙ্গে ঋতিকার দেখা হোক৷ দাদুর শাসন আর মায়ের স্নেহে বড়ো হয়ে উঠেছে ঋতিকা৷ জীবনে অভাব কী বুঝতেই পারেনি৷ নিজেদের বাড়ির গাড়ি করেই স্কুলে গেছে আজীবন৷ সিঙ্গল মা হয়েও আগলে রেখেছিল দশ হাত দিয়ে৷ একটু বড়ো হতেই ঋতিকা বলেছিল, মা-তুমি আরেকটা বিয়ে করো-না৷’ সুবর্ণা হেসে বলেছিল, আবার যদি মানুষ চিনতে ভুল হয়ে যায়!’ সুবর্ণা বেড়াতে যায়, গানের অনুষ্ঠানে যায়, ছবি তোলে, অবসর সময়টা খুব আনন্দেই যাপন করে৷ দাদুই বহুদিন ফিসফিস করে বলত, ‘সত্যজিৎকে এতটা ভুল চিনলাম?’ তারপর মা একদিন রুখে দাঁড়িয়ে বলেছিল, ‘বাবা, আমি ওই মানুষটার নাম এ বাড়িতে শুনতে চাই না৷ যদি তুমি রোজই ওই এক আপশোস করো তাহলে আমায় বাড়ি ছাড়তে হয়৷’ রিটায়ার্ড প্রফেসরের একমাত্র নেশা দাঁড়িয়েছিল বাগান করা আর নাতনিকে লেখাপড়া শেখানো৷ নিজের বই পড়ার নেশাটাকে হঠাৎই মেরে ফেলেছিল দাদু৷ বলেছিল, বই মানুষকে ধোঁকা দেয় অনেক সময়৷ পড়ায়া মানেই সে সৎ নয়৷

    সুবর্ণা থাকত নিজের জগতে৷ সেখানে যেন কোনো দুঃখ প্রবেশ করতেই পারবে না৷ উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার আগে মা ঋতিকাকে জিজ্ঞাসা করেছিল, ‘কী হতে চাস জীবনে?’ ঋতিকা না ভেবেই উত্তর দিয়েছিল, ‘মডেলিং করতে চাই৷’ মা একটু চুপ করে থেকে বলেছিল, জয়েন্টে হয়তো চান্স পাবি তুই, তারপরেও কি মডেলিংই করতে চাস? ঋতিকা একটু ভেবে বলেছিল, ‘ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করে, চাকরি পেয়ে তারপর সেটা ছেড়ে দিয়ে মডেলিং করব৷’ সুবর্ণা হেসে বলেছিল, ‘যাতে ইন্টারভিউয়ে বলতে পারিস, আমি অমুক কোম্পানির জব ছেড়ে শখকে গুরুত্ব দিয়েছি? বেশ, যেটা তোর ইচ্ছে, সেটা করিস৷ কারো ইচ্ছেপূরণে বাধা আমি হব না কোনোদিনই৷’ দাদু মাথা নিচু করত এসব কথা শুনলে৷ কিন্তু কোনো প্রতিবাদ করত না৷ দাদুর মতো মানুষ চিনতে ঋতিকারও ভুল হয়ে যাবে না তো? ভয় করে ঋতিকার৷

    উৎপলের সঙ্গে পরিচয়টা ফেসবুকেই৷ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার৷ এ ছাড়াও ওর ট্রান্সপোর্টের বিজনেস আছে৷ ঋতিকার থেকে বছর পাঁচেকের বড়োই হবে৷ ওদের ফোনে কথা রেগুলার হলেও ওরা মাত্র দিন সাতেক মিট করেছে পার্কে বা সিনেমা হলে৷ কিন্তু উৎপলের সরলতায়, কেয়ারিং মানসিকতায় ঋতিকা মুগ্ধ৷ যদিও মা বা দাদু এখনও জানে না উৎপলের কথা৷ আরেকটু ম্যাচিয়োর হোক ওদের সম্পর্কটা, তারপর না হয় বলবে মা-কে৷ মায়ের আপত্তি থাকার কথা নয়৷ উৎপলের বাবা পেশায় ডাক্তার, উৎপল নিজে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার৷ ফ্যামিলি স্ট্যান্ডার্ড যথেষ্ট ভালো৷ উৎপলকে দেখতেও তো দারুণ৷ সব থেকে বড়ো কথা, ঋতিকাকে খুব ভালোবাসে উৎপল৷ বারবার মনে হয়, উৎপলকে ট্রাস্ট করা যায় নির্দ্বিধায়৷ কিন্তু মায়ের জীবনে এরকম একটা ঘটনা ঘটে গেছে বলেই হয়তো মা বার বার বলে, মানুষ চেনা সবচেয়ে কঠিন কাজ৷ আর এটা শুনে শুনেই কাউকে সম্পূর্ণ ট্রাস্ট করতে পারে না ঋতিকা৷ উৎপল ঋতিকার বাবার কথা সবটা শোনার পরে বলেছে, আমার বাবাকে বলে দেব, তোমায় যেন মেয়ের মতো আদর করে৷ ঋতিকার প্রতিটা কষ্ট যেন ওর কাছ থেকে মুহূর্তে সরিয়ে দিয়ে ওর মনের গহিনে আলোর রেখা প্রবেশ করানোর জন্য উদগ্রীব হয়ে থাকে উৎপল৷ এসব কারণেই হয়তো উৎপলকে এতটা ভালোবাসে ঋতিকা৷ আর বসে থাকলে চলবে না৷ ওর ডান্স ক্লাস আছে৷ ছোটো থেকে কত্থক শেখে ও৷ এখন তো নাচটা ও রক্তে নিজের জায়গা করে নিয়েছে৷ লোপামুদ্রা ডান্স অ্যাকাডেমিতে জয়েন করেছে সেই ছোটোবেলায়৷ মায়ের হাত ধরে ভয়ে ভয়ে গিয়েছিল ঋতিকা৷ এখন লোপামুদ্রা ডান্স অ্যাকাডেমি ওর আরেকটা পরিবার৷ ব্রেকফাস্ট টেবিলে রোজকার মতো ডাক পড়ল ওর৷ মা আর দাদু ওয়েট করছে ওর জন্য৷ উনসত্তর বছরের দাদু এখনও বেশ ফিট৷ শুধু চোখগুলো একটু ভোগায় দাদুকে৷ মাঝে মাঝেই নাকি আবছা দেখে দাদু৷ ডক্টর বলেছে, এটা নার্ভের সমস্যা৷ ব্রেকফাস্ট টেবিলে ওদের রোজই নিজের নিজের কাজ নিয়ে গল্প হয়৷ মা বেশি হাসির কথা বলে৷ আর মেনকাপিসি তাতে ফোড়ন দেয়৷ আজও সেইভাবেই ব্রেকফাস্ট শেষ করে বেরোবে বলে রেডি হচ্ছিল ঋতিকা৷

    তখনই ফোনটা এল৷ ‘পুলিশ অফিসার লগ্নজিতা ভট্টাচার্য কথা বলছি৷ আপনার সঙ্গে কথা বলতে চাই৷ এখন বাড়িতে গেলে কি কথা বলা যাবে? উৎপলের বিষয়ে কিছু কথা ছিল৷’

    চমকে উঠল ঋতিকা৷ ভয়ে ভয়েই বলল, ‘ওর কিছু হয়েছে কি?’

    লগ্নজিতা বলল, ‘সামনে বসে কথা বলতে চাই৷’

    বাড়িতে এখনও উৎপলের বিষয়ে কিছু বলেনি৷ কাল থেকে উৎপলের ফোন সুইচড অফ বলছে৷ কোনো মেসেজ অবধি নেই৷ ভেবেছিল, হয়তো অফিসের মিটিংয়ে ব্যস্ত আছে৷ কিন্তু এমন কোনোদিনও হয়নি যেদিন ও একটাও মেসেজ করেনি৷ এখন আবার পুলিশ ফোন করছে৷ ঋতিকা বলল, ‘আমি আসছি৷ কোথায় আসতে হবে, বলুন৷’ লগ্নজিতা একটা ক্যাফের নাম বলল, যেটা ঋতিকার বাড়ির বেশ কাছেই৷

    লগ্নজিতা আর সুশোভন বসে আছে দুটো কফি নিয়ে৷ পুলিশের ড্রেস পরে নেই৷ তাই লোকজন অদ্ভুতভাবে তাকাচ্ছে না৷ পুলিশের পোশাকে থাকলে সাধারণ মানুষ এমনভাবে তাকায় যেন মনে হয়, ডিউটি টাইমে এরা কফি খায় বলেই ধর্মতলার মোড়ে ওঁর সাইকেলটা সেদিন চুরি হয়ে গেল৷ আজ যেহেতু ক্যাজুয়াল পোশাকে আছে তাই ওই চাপটা নেই৷ সুশোভন বলল, ‘ম্যাডাম কী করে বুঝলেন মেয়েটাই ওর প্রেমিকা?

    লগ্নজিতা বলল, তোমার অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ, আমি এখনও ডাক্তারবাবুর প্রেমে পড়ে আছি তাই বুঝতে পারলাম, এরাও প্রেম করছে৷ আরে রাঘব তো প্রথম দিনই এসে এর হিস্ট্রি-জিয়োগ্রাফি দিয়ে গিয়েছিল৷ তবে খোঁজ নিয়ে যা বুঝলাম, মেয়েটা উৎপলদের থেকে অনেক হাই স্ট্যান্ডার্ডে বিলং করে৷ এখন জানতে হবে, মামণিকে ফাঁসাল কী করে ওই দুবার ব্যাক-পাওয়া ছেলে৷ ছেলের এলেম আছে৷ ক্যালকাটা গার্লসের সেকেন্ড গার্লকে ফাঁসিয়ে ফেলল৷ সুশোভন, তুমি মাত্র পঁচিশ বছরে বিয়েটা কেন করলে? না মানে প্রেমিকার বাড়ি থেকে তো চাপ ছিল না৷ তোমার তো অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ তাহলে?

    সুশোভন বলল, ম্যাডাম, আমার ঠাকুমার খুব শরীরটা খারাপ ছিল তখন৷ আমিও চাকরি পেয়ে গেছি৷ তাই সবাই বলল, নাতির বিয়েটা দেখে যাক৷’ লগ্নজিতা বলল, ‘কেন, স্বর্গে যাওয়ার পাসপোর্টে কি লিখতে হবে নাকি, নাতির বিয়ে দেখেছে কি না? এই রে, তাহলে তো আমার স্বর্গে যাওয়া হল না৷ কারণ আমার বয়েস এখন ত্রিশ৷ বিয়ে করব আরও বছর দুয়েক পরে৷ আমার ছেলে-মেয়ের বিয়েই দেখে যেতে পারব কি না সন্দেহ আছে, তারপর আবার নাতির৷ তবে যা-ই বলো সুশোভন, তোমার বউটি কিন্তু ভারী মিষ্টি৷ বেশ আপ্যায়ন করতে জানে৷ তোমাকেও স্বামী বলে বেশ মানে-টানে৷ দেখো একদিক দিয়ে অন্তত তুমি সফল৷ পুলিশ হিসাবে কেয়ারলেস হতেই পারো, কিন্তু স্বামী হিসেবে সফল৷ কম বয়সে বিয়ে করে স্বামী হয়েছ, এবারে বাবা হবে আর আমার সহকারী হিসেবে শুধু ছড়িয়ে যাবে৷ সুশোভন বুঝতে পারছিল না ম্যাডাম হঠাৎ ওর বিয়ের পিছনে কেন পড়ল৷ এবারে বুঝতে পারল, ম্যামের আসল উদ্দেশ্য হল সুশোভনকে এভাবে মনে করিয়ে দেওয়া, যে সাত তাড়াতাড়ি বিয়ে করলেই দায়িত্ববান হওয়া যায় না৷

    সুশোভন বলল, ‘ম্যাডাম, আমি খোঁজ নিয়েছি তো জলধরবাবুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের৷ কিন্তু লোকটা হেভি চালাক ম্যাডাম৷ সব স্ত্রী-র নামে আছে মনে হয়৷ পাশাপাশি তিনটে ব্যাঙ্ক থেকে জানাল এই নামে কোনো অ্যাকাউন্ট নেই৷ একটা ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট পেলাম, সেটা স্যালারি অ্যাকাউন্ট৷

    লগ্নজিতা বলল, ‘তা ওঁর বউয়ের নামটা জানতে কি আমি বারণ করেছিলাম? নাকি পরস্ত্রীর নাম জানা নিষেধ?’

    সদ্যবিবাহিত বলে সুশোভনকে থানার সকলেই মোটামুটি অল্পবিস্তর লেগপুলিং করে৷ কদিন আগে মেজোবাবু তো রীতিমতো সকলের সামনে বলল, ‘এরপরেও পাবলিক বলবে পুলিশ রেসপন্সিবল নয়, দেখুক এসে, একজন সদ্যবিবাহিত স্বামী কীভাবে সন্ধে ছ-টা পর্যন্ত থানায় থেকে এতক্ষণে বাড়ি যাচ্ছে! মানুষজন আর বুঝবে কবে?

    সুশোভন ব্যাগটা কাঁধে নিয়েও চেয়ারে বসে পড়েছিল দেখে সবাই হাসাহাসি হল একদফা৷ সুশোভন বলল, ‘ম্যাডাম, খোঁজ নিচ্ছি৷’

    কথার মাঝেই লগ্নজিতার ফোনটা বেজে উঠল৷ একটা নেভি-ব্লু ড্রেস পরে বেশ সুন্দরী মেয়ে ক্যাফের সামনে দাঁড়িয়ে এদিক-ওদিক চোখ বোলাচ্ছে৷ সুশোভন হাত নাড়তেই মেয়েটি এগিয়ে এসে বলল, ‘ঋতিকা গোস্বামী’৷

    লগ্নজিতা হ্যান্ডশেক করে বলল, ‘আমি লগ্নজিতা ভট্টাচার্য তোমায় ফোন করেছিলাম৷ তুমি বেশ ছোটো তাই তোমায় তুমিই বলছি৷ প্লিজ বোসো৷’

    ঋতিকা বসতেই সুশোভন কফি অর্ডার করতে যাচ্ছিল, ঋতিকা বলল, ‘আমি জাস্ট ব্রেকফাস্ট করে বেরোলাম৷ আমার ডান্স ক্লাস আছে৷ উৎপলের ঠিক কী হয়েছে, ম্যাডাম?’

    লগ্নজিতা বলল, কতদিনের পরিচয় উৎপলের সঙ্গে?

    ঋতিকা বলল, ‘ফেসবুকে আলাপ৷ হল বেশ কিছু মাস৷ কেন বলুন তো?’

    লগ্নজিতা বলল, ‘উৎপল বেপাত্তা৷ তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না৷ সেই কারণেই তোমার হেল্প চাইতে এলাম৷ বাড়ির কারো ফোন সে রিসিভ করছে না৷ ওর জেঠু থানায় মিসিং ডায়েরি করে এসেছে৷’

    ঋতিকা ভয়ার্ত গলায় বলল, ‘সে কী? এসব কখন হল? পরশু রাতে তো অনেকক্ষণ গল্প হল আমার সঙ্গে৷ অফিস থেকে ফিরতে একটু দেরি হয়েছিল বলল৷

    সুশোভন অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করল, ‘কীসের অফিস?’

    ঋতিকা বলল, ‘ওর অফিস৷ ও তো মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার৷ টাটা মোটরস-এ আছে৷’

    সুশোভন কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল, আচমকা তোতলা হয়ে যাওয়ায় কথাটা বোধহয় আটকে গিয়েছিল৷ তখনই লগ্নজিতা ইশারায় ওকে চুপ করতে বলল৷

    লগ্নজিতা ক্যাজুয়াল গলায় বলল, ‘ওর জেঠুর ধারণা তুমি হয়তো ওর খোঁজ দিতে পারবে৷’

    ঋতিকা বলল, ‘উৎপল কিন্তু আমায় বলেছিল, ওর বাড়ির কাউকে এখনও জানায়নি আমাদের সম্পর্কের কথা৷ এখন শুনছি, ওর বাড়িতে জানে৷ দেখুন অফিসার, আমার তো এটাই মাথায় ঢুকছে না, ও মিসিং হবে কেন? আমিও কাল বিকেল থেকে ওকে ফোনে পাইনি৷ ওর ফোন সম্ভবত সুইচড অফ৷ গোটা একটা দিন আমার খোঁজ না নিয়ে ও থাকে না৷ তাই ও বেপাত্তা হয়েছে না ভেবে ভাবুন ওর কোনো বিপদ হল কি না৷ আমার তো মনে হচ্ছে, ওকে কেউ কিডন্যাপ করেছে৷

    সুশোভন বলল, উৎপল তো চব্বিশ বছরের সুস্থ ছেলে, ওকে সেভাবে কেউ কিডন্যাপ করেছে বলে মনে হচ্ছে না৷ না মানে করতে পারে, কিন্তু কিডন্যাপারদের কোনো কল ওর বাড়িতে আসেনি৷

    ভীত গলায় ঋতিকা বলল, ‘কিন্তু তাহলে ওর হল কী? ওর আরেকটা বিজনেস আছে৷ ট্রান্সপোর্টের বিজনেস৷ ওই কাজে কোথাও যায়নি তো?’

    লগ্নজিতা বলল, ‘উৎপলের আর কোনো নম্বর আছে?’

    ঋতিকা একটু ভেবে বলল, ‘ওর এক বন্ধুর নম্বর আছে আমার কাছে৷ উৎপলই আলাপ করিয়ে দিয়েছিল৷ বন্ধুটা হোটেল ম্যানেজমেন্ট করে নিজেই বিজনেস শুরু করেছে৷’ ফোনটা বের করতে করতেই ঋতিকা বলল, ‘এই যে রাঘব৷’

    লগ্নজিতা বলল, এঁকে একবার ফোন করে দেখো তো৷ আমরা জানতে চাইছি, বোলো না৷ আসলে পুলিশ শুনলেই মানুষ গুটিয়ে যায়৷ ওই কারণে আমরা হেল্প করতে চেয়েও পারি না অনেক সময়৷ সকলে তোমার মতো কোঅপারেট করে না আসলে৷

    ঋতিকা ফোনটা স্পিকারে করে বলল, ‘হ্যালো রাঘবদা, আমি ঋতিকা বলছি৷ উৎপলকে ফোনে পাচ্ছি না তাই তোমায় করলাম৷ ও কোথায় জানো কিছু?’

    রাঘব খুব ক্যাজুয়াল গলায় বলল, ‘এদিকে একটা ছোটো সমস্যা হয়েছে তাই দু-দিনের জন্য মামাবাড়ি গেছে৷ ওর আরেকটা নম্বর দিচ্ছি, ওটাতে ট্রাই করো ঋতিকা৷ তারপর বলো, কেমন আছ? উৎপলের খোঁজ নেওয়া ছাড়াও তো মাঝে মাঝে ফোন করতে পারো৷ আমিও ভালো গল্প করতে পারি কিন্তু৷

    ঋতিকা বলল, ‘হ্যাঁ করব৷ আপাতত ফোন নম্বরটা দাও উৎপলের৷’ রাঘব নম্বরটা বলল, সুশোভন নোট করে নিল৷

    ঋতিকাকেই লগ্নজিতা বলল, ‘কল করে দেখো তো, ছেলেটা কোথায় গেল?’

    ঋতিকা ভ্রূ কুঁচকে স্বগতোক্তি করে বলল, ‘এই নম্বরটা আমায় দেয়নি কেন উৎপল?’

    লগ্নজিতা নরম গলায় বলল, ‘এখন অভিমান করার সময় নয়, ঋতিকা৷ প্লিজ কল হিম৷

    ফোনটা করেই ঋতিকা বলল, ‘তুমি কোথায়? তোমায় কাল থেকে পাচ্ছি না কেন ফোনে?’

    উৎপল যে একটু ঘাবড়েছে, সেটা ওর গলা শুনেই বোঝা গেল৷ তবুও সদ্য বহু কষ্টে পটানো প্রেমিকার সামনে অস্বস্তিকর পরিবেশ এড়াতেই বলল, ‘আরে বড়োমামার খুব শরীর খারাপ৷ তাই মামাবাড়ি এসেছি৷’

    ঋতিকা বুদ্ধি করে বলল, ‘বাড়ির কেউ জানে?’

    একটু সচেতন গলায় উৎপল বলল, মামার শরীর খারাপ বললে মা কাঁদতে শুরু করবে তাই বলিনি৷ ফোনটা সুইচড অফ করে দিয়েছি৷ আমি আসলে হসপিটালে রাত জাগছি তো তাই মেসেজ করা হয়নি৷ তুমি ঠিক আছ তো ঋতিকা?’

    ঋতিকা বলল, ‘তার মানে তুমি এখন বেহালায়, তা-ই তো? তোমার বড়োমামা তো ওখানেই থাকেন তা-ই না?

    উৎপল হেসে বলল, ‘সব মনে রেখেছ? আজ রাতে ভিডিয়ো কল করব৷ ঋতিকা বলল, ঠিক আছে৷ আমি নাচের ক্লাসে যাচ্ছি, এখন রাখলাম৷

    লগ্নজিতা কিছু বলার আগেই নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে উৎপলের প্রোফাইলে ঢুকে এক মধ্যবয়স্ক ভদ্রলোকের ছবি দেখিয়ে বলল, ‘এটা ওর বড়োমামা৷ বাকি আপনারা কীভাবে কাজ করবেন, সেটা আপনারা ডিসিশন নিন৷ তবে ওর বাড়ির লোককে জানিয়ে দেবেন কিন্তু ওর মায়ের কাছ থেকে গোপন করতে বলবেন৷’

    লগ্নজিতা বলল, ‘তুমি আমাদের অনেক হেল্প করলে৷ একটা কথা বলতে চাই, তুমি খুব ব্রাইট মেয়ে৷ পড়াশোনা করো মন দিয়ে৷ কাউকে বিশ্বাস করার আগে আরও কয়েকবার ভাববে৷ কারণ মানুষটা ভুল হয়ে গেলে সেখানে স্যাক্রিফাইস বা কম্প্রোমাইজ করেও লাভ হয় না৷ তাই পথ চলার সঙ্গীটি সঠিক হওয়া প্রয়োজন৷’

    ঋতিকা থমকে দাঁড়িয়ে বলল, ‘আপনি ঠিক আমার মায়ের মতো কথা বলেন৷ আমার মা নিজেকে ছাড়া আর কাউকে বিশ্বাস করে না এ পৃথিবীতে৷ কিন্তু ম্যাডাম, কাউকে বিশ্বাস না করে করে মা আজ একলা, জানেন৷ মায়ের আনন্দ মানে একা একা জলে-জঙ্গলের ছবি তুলে বেড়ানো৷ আপনি যদি উৎপল সম্পর্কে এটা বলেন, তাহলে আমায় বলতে হয়, উৎপল ছেলেটার একটাই গুণ-ও মিথ্যে বলে না৷ আর ঠিক এই কারণেই আমি ওকে পছন্দ করি৷

    লগ্নজিতা বলল, ‘তোমার বয়েস কম, তাই জীবনকে কম দেখেছ৷ এ নিয়ে পরে একদিন কথা হবে৷’

    ঋতিকা একটু উদ্ধত গলায় বলল, ‘কেন, বয়েস কম হলেই জীবন সম্পর্কে ধারণা কম হবে-এটা কে বলল আপনাকে? এই হচ্ছে আপনাদের মুশকিল৷ সুযোগ পেলেই বয়সে ছোটোকে জ্ঞান দেওয়ার সুযোগ ছাড়তে নারাজ৷ তা ছাড়া আপনি আমায়—উৎপলকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না তাই হেল্প করার জন্য বলেছিলেন৷ সেটা আমি করে দিয়েছি৷ এরপর আর একটা শব্দও উৎপল সম্পর্কে শুনতে চাই না আমি৷ একটা মিসিং ডায়েরির ওপরে ভিত্তি করে আপনি একজনের ক্যারেক্টর সার্টিফিকেট দিতে বসবেন না অফিসার৷ নিজের কানেই তো শুনলেন, কেন ও বাড়িতে না জানিয়ে মামাবাড়িতে আছে৷ শুধু তা-ই নয়, ও মামার জন্য রাত জেগে হসপিটালে বসে আছে৷

    সুশোভন আবার কিছু বলতে যাচ্ছিল৷ লগ্নজিতা বলল, সে তো অবশ্যই৷ ছেলেটা শুধু মাকে জানাবে না বলে এসব করেছে৷ ঠিক আছে ঋতিকা, তুমি ডান্স ক্লাসে যাও৷ আমাদের সাহায্য করার জন্য ধন্যবাদ৷

    ঋতিকা ঘাড় নেড়ে ‘ওয়েলকাম’ বলে চলে গেল৷ সুশোভন উত্তেজিত হয়ে বলল, ‘ম্যাডাম, এ তো মারাত্মক ফ্রডের পাল্লায় পড়েছে৷ উৎপল ব্যাক-পাওয়া ছেলে৷ কলেজ কমপ্লিট করেনি৷ সব ডিটেলস আমার ল্যাপটপে আছে৷ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, টাটা মোটরস-এসব কী তাপ্পি দিয়েছে ম্যাডাম মেয়েটাকে! ওর দুটো প্রাইভেট কার আছে আর একটা লরি৷ আগে একটাই গাড়ি ছিল, নিজেই চালাত৷ এখন দুটো ড্রাইভার রেখেছে৷ লরিটা বেশি দিন আগে কেনাও নয়৷ এসব মিথ্যে বলার কারণ কী?

    লগ্নজিতা বিল মিটিয়ে বলল, ওসব মেয়ে পটানোর সময় বলতে হয়৷ তোমাদের ডাক্তারবাবু আমায় বলেছিল, তোমার অ্যাসিস্ট্যান্ট হয়ে থাকতে চাই আজীবন৷ তারপর দেখো, এতবার বললাম, বাচ্চাটাকে দেখার ভান করে ওদের দেওয়া অ্যাড্রেসে পৌঁছে গিয়ে দেখতে, আদৌ ওখানে ওর বাড়ি কি না, সেটা আর করে উঠতে পারলেন না তিনি৷ তাই বলছি, মেয়ে পটানোর সময় ওরকম অনেক কিছুই মানুষ বলে৷ এনিওয়ে চলো সুমনের বাড়িতে একবার যেতে হবে৷

    সুশোভন বলল, ‘ম্যাডাম রিম্পা কিন্তু কারণে-অকারণে জয়ন্তর সঙ্গে গল্প করত৷ এত গল্প করত, সেদিন আমরা যখন গেলাম বলল না তো৷ আরেকটা খুব রহস্যজনক ঘটনা দেখলাম৷ রিম্পা মণ্ডলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গত পাঁচ মাসে বেশ মোটা অ্যামাউন্ট ঢুকেছে৷ ওর স্যালারি বেশি নয়৷ সুমনের নির্দিষ্ট ইনকাম৷ তাহলে প্রায় লাখ পাঁচেক ঢুকল কী করে?’

    লগ্নজিতা বলল, সুশোভন, আমার কেন জানি না মনে হচ্ছে, এরা সবাই জয়ন্তকে সাহায্য করত৷ তারপর জানাজানি হয়ে যেতে এদের মধ্যেই কেউ জয়ন্তকে ঠুসে দিল৷’

    সুশোভন বলল, ‘ম্যাডাম, আমার তো তপন মহান্তি থেকে এই খবর দেওয়া রাঘবকে অবধি সন্দেহ হচ্ছে৷ কারণ এরা সবাই জানত জয়ন্তর এই রাতারাতি বড়োলোক হবার ব্যাপারটা৷ তাই জানতাম না বলে শান্তিগোপাল সেজে এখন লাভ নেই৷ আর এই জয়ন্তর কাজের মেয়েটা মাইরি হেভি ঢ্যাঁটা জিনিস৷ কথাও বলছে ইনস্টলমেন্টে, ম্যাডাম৷ আরে ঝেড়ে কাশতে বেজায় কষ্ট এর৷ দিতে হয় দুটো রুলের বাড়ি৷’

    লগ্নজিতা বলল, ওদের যা ইউনিয়ন আছে তাতে এসব করতে গেলে তোমার নতুন বউকে হাত ঘষে বাসন মাজতে হবে৷ পরিচারিকা পাবে না এ তল্লাটে৷ তাই ওসব ভাবনা মাথা থেকে বের করো দেখি৷ অন্য স্টাইলে ঠিক বের করে নেব৷ এখন চলো, রিম্পাকে একবার দেখে আসি৷ তারপর সুমনের জামিনের ব্যবস্থা করতে হবে৷ আসলে আমি সুমনের জামিনটা নিয়ে ঢুকতে চাইছি না৷ যেহেতু আমার ড্রাইভার তাই এমন কোনো অন্যায়ে যদি ও সত্যিই জড়িয়ে থাকে তো সেটাও বিচার করুক মিস্টার সান্যাল৷ পারিজাত অবশ্য বলল, জামিনের ব্যবস্থা করে কল করবে৷ চলো, সুমনের প্রতিবেশীদের সঙ্গে একটু কথা বলে আসি৷’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅনুভবে তুমি – অর্পিতা সরকার
    Next Article নীরবে তোমায় দেখি – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }