Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাক্ষাৎকার এবং অন্যান্য – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প167 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বাদশাহ নামদার হুমায়ূন

    হুমায়ূন আহমেদ কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ-এর ঐতিহাসিক উপন্যাস বাদশাহ নামদার। মোগল সাম্রাজ্যের রংদার চরিত্র সম্রাট হুমায়ুনকে নিয়ে লিখেছেন লেখক হুমায়ূন। একেবারে ভিন্ন ধরনের এই বই নিয়ে লেখকের কৌতূহলোদ্দীপক সাক্ষাৎ কার নিয়েছেন আলীম আজিজ ও তৈমুর রেজা।

    প্রশ্ন: সরাসরি বইয়ের প্রসঙ্গে চলে আসি। বাদশাহ নামদার উপন্যাসের কাহিনির সঙ্গে অনেক বেশি মিল আছে গুলবদন বেগম প্রণীত হুমায়ুন-নামা গ্রন্থের।
    হুমায়ূন আহমেদ: হ্যাঁ, সেই বইটা আমার কাজে এসেছে। তবে আমি অনেক কিছু নিয়েছি জওহর আফতাবচির কাছ থেকে, বাদশাহ হুমায়ুনকে যিনি পানি পান করাতেন।
    এই লোকটি সব সময় বাদশাহ হুমায়ুনের সঙ্গে সঙ্গে ছিলেন। তিনি যখন যুদ্ধে পরাজিত হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন তখনো তিনি তাঁকে ছেড়ে যাননি। এমন কি আকবরের যখন জন্ম হয়েছে তখনো জওহর আফতাবচি সঙ্গে ছিলেন।
    প্রশ্ন: আপনি সাধারণত সমকাল নিয়েই লেখালেখি করেন। হঠাৎ বাদশাহ হুমায়ুনকে নিয়ে উপন্যাস লিখতে গেলেন কেন?
    হুমায়ূন: বাদশাহ নামদার বইটি লেখার কারণ আমি বইয়ের ভূমিকাতে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি। ছোটবেলায় আমি যখন ক্লাস সিক্স-সেভেনে পড়ি, তখন আমাকে বেশ ঝামেলার মধ্যে পড়তে হয়েছে। ছাত্ররা আমাকে ডাকত ‘হারু হুমায়ূন’। কারণ শেরশাহর সঙ্গে প্রতিটি যুদ্ধে আমি হেরেছি। পালিয়ে বেড়িয়েছি। আমি বলতাম, আমি হারছি নাকি? সবাই বলত, ‘হারু হুমায়ূন, হারু হুমায়ূন’। এটা একটা কারণ। আরেকটা হতে পারে, চিতোরের রানি যখন সাহায্য চেয়ে তাঁর কাছে রাখিবন্ধন পাঠালেন, তিনি যে সঙ্গে সঙ্গে সব ফেলে রেখে ছুটলেন—এই পাগলামিগুলো আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছে।
    প্রশ্ন: হারু হুমায়ূন আপনার লেখায় আগে বোধহয় কখনো আসেনি। হঠাৎ করে আপনার সঙ্গে এর যোগসূত্র হলো কীভাবে? হঠাৎ করে কেন মনে এল হুমায়ূনকে নিয়ে লিখতে হবে?
    হুমায়ূন: আসলে আমার আকর্ষণ তাঁর খ্যাপা ধরনের জন্য। এই রকম একটা পাগল লোক। ভিস্তিওয়ালা তাঁর জীবন রক্ষা করেছে বলে আধাবেলার জন্য তাকে দিল্লির সিংহাসনে বসিয়ে দিলেন। এটা পাগলামি ছাড়া আর কী! তুমি তাকে টাকা-পয়সা দাও। একেবারে দিল্লির সিংহাসনে বসিয়ে দেওয়া—এটা কোনো কাজ হলো? তার মানে তুমি এত হেলাফেলা করে ভাবো? এইটা আমাকে খুবই সারপ্রাইজ করল। চিতোরের রানিকে সাহায্য করতে তিনি সব ফেলেফুলে ছুটলেন। এটাও সারপ্রাইজিং। তারপরে রক্তবর্ণ কাপড় পরে তিনি যে মানুষ হত্যা শুরু করলেন—এটা কিন্তু ইতিহাস থেকে নেওয়া। সেখানে একটা ছেলে এসে গান গাইল। গান শুনে মুগ্ধ হয়ে হুমায়ুন সবাইকে ক্ষমা করে দিলেন। মোগল চিত্রকলার শুরুটা কিন্তু হুমায়ুনের হাতে। তাঁর আগে মোগল চিত্রকলা ছিল না। তিনি পারস্য থেকে চিত্রকর নিয়ে এলেন। ভারতে তিনিই প্রথম মানমন্দির তৈরি করেছেন। কেন? কারণ তিনি পারস্যে মানমন্দির দেখে আসছেন। তাঁর মৃত্যুও হয়েছে কিন্তু ওই মানমন্দিরের কারণে। সকালে ফজরের আজান হয়েছে। তিনি জানেন সকালে ফজরের আজানের সময় শুক্রগ্রহ মানে সন্ধ্যাতারাটা ওঠে। ওটা দেখার জন্য তাড়াহুড়ো করে সিঁড়ি দিয়ে নামছেন। পরনের কাপড়ে আটকে তিনি পড়ে যান। এ সব ঘটনা, একটা ক্যারেক্টার এত বিচিত্র হতে পারে? এত খেয়ালি হতে পারে। বৈরাম খাঁর কথা পড়েছ না?
    প্রশ্ন: অনেকে মনে করেন, দুই ধরনের সাহিত্যিক থাকে। পপুলার লেখক আর সিরিয়াস লেখক। সিরিয়াস সাহিত্যিকদের মধ্যে দেখা যায়, তাঁরা ইতিহাস নিয়ে কাজ করেন। এই বই দিয়ে আপনি ইতিহাসের দিকে ঝুঁকছেন। জনপ্রিয় সাহিত্যিকের খাতা থেকে নিজের নাম কি কাটাতে চাচ্ছেন?
    হুমায়ূন: না, না। আমি আমার আগের যে খাতা সেটাতেই বহাল আছি। আমার খাতা একটাই। আমি এমনিতে ইতিহাসের খুব মনোযোগী পাঠক। ইতিহাসে আমার আগ্রহ আছে। এখানে বাসায় যে বইগুলো দেখছেন, সেটা কিন্তু আমার মূল লাইব্রেরি না। আমার অনেক বই স্কুলে আছে। তারপর নুহাশ পল্লিতে আছে। লেখার থেকে আমি পড়ার পেছনে বেশি সময় দিই। এত জানার জিনিস আছে পৃথিবীতে। কিন্তু বাংলা বইয়ে ইতিহাস খুবই কাঠখোট্টাভাবে লেখা। এই লেখাগুলো তো কেউ পড়ে না। আমার ইচ্ছে করে এসব গল্প পাঠকের সঙ্গে শেয়ার করতে। গল্পগুলোই আসলে আমাকে ইনস্পায়ার করে। আমার বাসায় গুলবদনের বই সাত বছর ধরে আছে। শাওন কখনো পড়ার আগ্রহ পায়নি। কিন্তু বাদশাহ নামদার যখন ও পড়ে শেষ করল, তখন গুলবদনের বই তাকে টানতে শুরু করল। এখন সে গুলবদন পড়ছে, বাবরনামা পড়ছে।
    প্রশ্ন: বাদশাহ নামদার লিখতে গিয়ে আপনি নিজেই হুমায়ুন চরিত্রটির মধ্যে ঢুকে পড়েছেন এমন কি কখনো মনে হয়েছে?
    হুমায়ূন: না, আমি নিজেকে কখনো তাঁর জায়গায় কল্পনা করিনি। কারণ যে নির্দয়তা তিনি দেখিয়েছেন, সেগুলো ভয়াবহ। আমি কখনো এসব ভাবতে পারি না। একটা মানুষের মধ্যে তো ভালো-মন্দ দুইটাই থাকবে, ওনার মধ্যেও পুরোপুরি ছিল।
    প্রশ্ন: আপনার টিপিক্যাল চরিত্রগুলো এই বইয়ে প্রায় অনুপস্থিত। দুজন মাত্র চরিত্রকে আপনার চেনা ধরনের সঙ্গে মেলানো যায়। হরিশঙ্কর আচার্য আর হামিদা বানু। যেমন হামিদা বানু জোৎ স্না দেখতে ভালোবাসে।
    হুমায়ূন: হামিদা বানু চরিত্রটা ঐতিহাসিকভাবেই এমন। জোৎ স্না দেখতে ভালোবাসে। একটু চঞ্চল, একটু ছটফটে। হুমায়ুনের সঙ্গে তাঁর যখন বিয়ে হবে তখন হামিদা বানুর বয়স মাত্র পনেরো। হুমায়ুনের চারটা বউ আছে। হুমায়ুন মায়ের সঙ্গে রদখা করতে গিয়ে দেখলেন পনেরো বছরের একটি মেয়ে তাঁকে কুর্নিশ করছে। তিনি হতভম্ব হয়ে জিজ্ঞেস করছেন, মেয়েটা কে? জানা গেল, একজন শিক্ষকের মেয়ে। হুমায়ুন বললেন, আমি একে বিবাহ করতে চাই। হামিদা বানু বিয়ের কথা শুনে বললেন, এটা অসম্ভব ব্যাপার। আমি এমন কাউকে বিয়ে করব, যাঁর হাত আমি যখন ইচ্ছে ধরতে পারি, যাঁকে দেখলে আমার কুর্নিশ করতে হবে না। আর ইনি তো রাজ্যহারা লোক। একে আমি বিয়ে করতে যাব কেন? এসব আমার বইয়ের মধ্যে আছে।
    প্রশ্ন: তো স্যার, এই বইয়ের মধ্যে আপনি যেমন আলাদা হয়ে উঠেছেন, এটা কি আপনি সচেতনভাবেই চেষ্টা করেছিলেন?
    হুমায়ূন: না, না। দেখো পৃথিবীতে দুই ধরনের লেখক আছে। একটা হলো স্পনটিনিয়াস রাইটার। আরেকটা ধরন হলো, চিন্তাভাবনা করে বইপত্র পড়ে ধীরেসুস্থে লিখবে। অল থ্রু মাই লাইফ আই ওয়াজ এ স্পনটিনিয়াস রাইটার। এর মধ্যে কোনো ব্যতিক্রম ছিল না। তবে এই স্পনটিনিয়াস রাইটিংয়ের জন্য আমাকে ইতিহাস পড়তে হয়েছে। তথ্যগুলো ব্রেইনের একটা অংশে ছিল। কিন্তু আমি লিখেছি স্পনটিনিয়াসলি। চিন্তাভাবনা করে, এটা করব ওটা করব—এসবের মধ্যেই আমি নেই।
    প্রশ্ন: এই বইয়ে আপনার লেখার স্টাইলে পরিবর্তন স্পষ্ট, যেমন আপনার লেখায় হিউমার খুব পরিচিত ব্যাপার, কিন্তু এই বইতে কোথাও কোথাও ঝিলিক থাকলেও হিউমার প্রায় নেই।
    হুমায়ূন: হ্যাঁ। এই বইয়ে আমার স্টাইলগত পরিবর্তন অবশ্যই আমার ইচ্ছাকৃত। এখানে আমি প্রচুর তৎ সম শব্দ ব্যবহার করেছি। পুরোনো বানানগুলো অনেক ক্ষেত্রে রক্ষা করেছি। পুরোনো আবহটা আনার জন্য। যেসব দীর্ঘ-ঈ কার আজকাল হ্রস্ব-ইতে লেখা হচ্ছে সেগুলোতে আমি দীর্ঘ-ঈকার ব্যবহার করেছি। পাণ্ডুলিপি হায়াৎ মামুদের কাছে পাঠানো হয়েছিল। তাঁকে আমি বলেছি, আমি দীর্ঘ-ঈকারগুলো রাখছি, যাতে ল্যাঙ্গুয়েজ প্যাটার্নে একটা পুরোনো দিনের ফ্লেভার তৈরি হয়। এটা সচেতনভাবে করা।
    একটা গল্প তোমাদের বলি, এটা আমাকে বোঝার জন্য কাজে লাগতে পারে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো একটা উপলক্ষে আমাকে চট্টগ্রামে নিয়ে গেলেন। সেখানে আমাকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে। আমি আগ্রহ করে গেলাম। গিয়ে দেখি হলভর্তি লোকজন বসে আছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক রফিক কায়সার বক্তব্য দিতে মঞ্চে উঠলেন। হুমায়ূন আহমেদ মধ্যবিত্ত নিয়ে লেখালেখি করেন। এর বাইরে তিনি যেতে পারেন না। মধ্যবিত্ত হলো আমাদের সমাজের টু পার্সেন্ট মাত্র। বাকি আটানব্বই লোক অন্য শ্রেণীর। কৃষিজীবী আছে, মৎ স্যজীবী আছে। অল থ্রু অব হিজ লাইফ তিনি এদের নিয়ে কিছু লেখেননি। মাত্র টু পার্সেন্ট লোক নিয়েই লিখেছেন। তাঁকে লেখক বলে স্বীকৃতি দেওয়ার তো কিছু নেই। যাঁরা দুর্বল মনের মানুষ, তাঁরা এসব শুনলে চিন্তায় পড়ে যান। আরে এভাবে তো কখনো ভাবিনি। মাত্র টু পার্সেন্ট লোককে নিয়ে লিখছেন। দেখলাম কিছু কিছু ছেলেপেলের মন খুব খারাপ হয়ে গেল। তারা এটা নিতে পারছে না। তাঁর কথা শেষ হওয়ার পর আমি বললাম, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় লেখক যাঁকে বলা হয়, তিনি সারা জীবন শুধু রাজা-বাদশাহ আর রাজকন্যাদের নিয়ে লিখেছেন। তাঁর নাম শেকসপিয়ার। আমার শেকসপিয়ারের মতো ক্ষমতা নেই বলে আমি এগুলো লিখছি। কিন্তু মধ্যবিত্ত নিয়ে লিখলেই যে সব স্পর্শ করা যাবে না, এটা কে বলেছে আপনাকে? এরপর তিনি খুবই লজ্জিত হয়ে আমাকে সরি বলেছেন।
    আরেকটা ঘটনা বলি। বিচিত্রার শাহাদাত চৌধুরী আমাকে বললেন, আপনি তো লেখালেখি করছেন, এক কাজ করি। আপনাকে ট্যাগ করে দিই সৈয়দ শামসুল হকের সঙ্গে। দুজনের মুখোমুখি একটা আলোচনা আমরা ছাপব। আমি রাজি হয়ে গেলাম। সৈয়দ হকের সঙ্গে বসলাম মুখোমুখি। তিনি প্রশ্ন শুরু করলেন এইভাবে, হুমায়ূন আহমেদ সাহেব। আপনার সব উপন্যাসই দেখি, হয় চার ফর্মায় শেষ হয়, নয় পাঁচ ফর্মায় কিংবা ছয় ফর্মায়। এভাবে ফর্মা হিসেবে কি উপন্যাস আসে আপনার মাথায়? আমি সঙ্গে সঙ্গে টের পেলাম, তাঁর ইনটেনশন খুব খারাপ। আমি তো পুরোপুরি ধরা খেয়ে গেছি। তখন বললাম, ‘হক ভাই, আপনি যে সনেটগুলো লেখেন, এগুলো তো ১৪ লাইনে লেখেন। আপনার ভাব যদি ১৪ লাইন মেনে আসতে পারে, আমার উপন্যাস ফর্মা হিসেবে এলে অসুবিধা কী?’
    প্রশ্ন: আপনি এর আগে ঐতিহাসিক যেসব উপন্যাস লিখেছেন, সেখানে ন্যারেটর হিসেবে আপনার সাধারণ মানুষকে পাই। এখনকার সাব-অল্টার্ন স্টাডিস বা তলা থেকে দেখা ইতিহাসের সঙ্গে এই ব্যাপারটা খুব খাপ খায়। কিন্তু বাদশাহ নামদার উপন্যাসের প্রায় পুরো গল্পটাই অভিজাতদের পাটাতন থেকে বলা। ন্যারেটর হিসেবে নিম্নবর্গ বা তলার মানুষ নেই। এটা কেন হলো? আপনার কি কোনো লিমিটেশন ছিল?
    হুমায়ূন: লিমিটেশন তো ছিলই। আমি যাঁদের কাছ থেকে তথ্য নিচ্ছি, এঁদের
    একজন হচ্ছেন আবুল ফজল। একজন হচ্ছেন হুমায়ুনের বোন। একজন তাঁর পানি সরবরাহকারী আফতাবচি। আমাকে তো এঁদের কাছ থেকে তথ্যগুলো নিতে হয়েছে। আর সেই সময় হুমায়ুনের রাজসভায় যাঁরা গেছেন, তাঁদের কারও কারও ভাষ্যের সাহায্য আমি নিয়েছি। কাজেই নিচু তলার কারও ভাষ্য পাওয়ার সুযোগ ছিল না। এঁদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখার কেউ নেই। এটা করতে গেলে আমাকে করতে হতো পুরোপুরি কল্পনার সাহায্য নিয়ে। সে ক্ষেত্রে আমি ইতিহাস থেকে আরও দূরে সরে যেতে পারতাম। এই উপন্যাসের একটা চরিত্র হচ্ছে ভিস্তিওয়ালা। সে যদি একটা বই বা উপন্যাস লিখে যেতে পারত, তাহলে তার দৃষ্টিভঙ্গিটা আমরা জানতে পারতাম।
    প্রশ্ন: এই উপন্যাসে আমরা দেখি, হুমায়ুন যখনই যুদ্ধ জয় করতেন, তখনই তিনি বিরাট উৎ সবে মেতে উঠতেন। হেরেমের ব্যাপারেও তাঁর যথেষ্ট আগ্রহ ছিল। তিনি আফিম খেতেন, এটা আপনার উপন্যাসেই আছে। কিন্তু বাদশাহ নামদার-এ হেরেমটাকে আপনি কিছুটা এড়িয়ে গেছেন।
    হুমায়ূন: হ্যাঁ, এটা আমি কিছুটা বাদ দিয়েছি। এই জিনিসটাকে আমার কাছে একটু অরুচিকর মনে হয়। পতিতালয় থাকবে একজন সম্রাটের, এটা কেমন কথা।
    প্রশ্ন: সেক্স বা সেক্সুয়ালিটি বিষয়ে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি কী—সাহিত্য বা ফিকশনের ক্ষেত্রে?
    হুমায়ূন: এটা নিয়ে আসাটাকে খুব মডার্নিস্ট মনে করা হয়। যিনি যত ভালোভাবে নিয়ে আসতে পারেন, তিনি তত মডার্ন লেখক, এটা ভাবা হয়। আমাদের বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে বড় লেখক যিনি, তাঁর নাম হচ্ছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। উনার গল্প-উপন্যাসে কোথাও সেক্সুয়ালিটি পেয়েছ? এক জায়গায় শুধু আছে, ‘তখন তাহার শরীর জাগিয়া উঠিল।’ এর বেশি তিনি আর আনেননি। শুধু ‘জাগিয়া ওঠা’ পর্যন্ত। পাঠকের কল্পনার ওপর তিনি ছেড়ে দিয়েছেন।
    প্রশ্ন: বাদশাহ নামদার-এ ওই সময়ের জিওগ্রাফি, এনভায়রনমেন্ট, ওই সময়ের সোসাইটি, সাধারণ মানুষ—এর প্রায় কিছুই আমরা দেখতে পাচ্ছি না। এটা আপনার উপন্যাসে একটা ব্যত্যয়। ঐতিহাসিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে এটা একটা খামতিও। এ ব্যাপারে আপনার নিজের কী মনে হয়?
    হুমায়ূন: তোমরা তো আমাকে কনফিউজ করে দিলে। ওই যে কালটা ধরা যাচ্ছে না বলছ, সেটা আমার মনে হয় না। আমাদের সেলিনা হোসেন গালিবকে নিয়ে একটা উপন্যাস লিখেছেন। সেই উপন্যাসে গালিব বলছেন, একজন স্ত্রী ভাত রাঁধতে পারলেই হলো। গালিবের স্ত্রী তো ভাত রাঁধতে পারেন না। বড়জোর রুটি বানাতে পারেন। এই ত্রুটিগুলো কিন্তু আমি করিনি। আর সাহিত্যিক তো ঐতিহাসিক না। ভারবাটিম তার সবকিছু ধরার দরকার নেই। তোমাদের কল্পনার জন্য জায়গা রাখতে হবে না, বলো? সময় ধরার জন্য আর কী করতে পারতাম, বলো।
    প্রশ্ন: যেমন ধরেন, ওই সময়ের পথঘাট। আমরা অনেক যাত্রার বিবরণ পেয়েছি যে সৈন্য দল যাচ্ছে।
    হুমায়ূন: পথঘাট ছিল না, ফর ইয়োর ইনফরমেশন। পথঘাট শুরু করলেন শেরশাহ। গ্র্যান্ডটাংক রোড বানালেন উনি। পথঘাট ছিল না তো, যে পথের বর্ণনা দেব। পালকি-টালকি ছিল…আরেকটা কারণ হলো, আগে আমি ঐতিহাসিক যেসব উপন্যাস লিখেছি, যেমন—জোছনা ও জননীর গল্প, সেই সময়টা আমি নিজ চোখে দেখেছি বা মধ্যাহ্ন কিছুটা হলেও দেখেছি, বাবা-চাচাদের কাছ থেকে শুনেছি। কিন্তু এই উপন্যাসের সময়টা চাক্ষুস দেখেছে, এমন কারও সঙ্গে কথা বলারও সুযোগ নেই। বই যেগুলো হাতে আছে, এর বাইরে আমরা কিন্তু কিছু জানতে পারছি না। যে বইগুলো আমি পড়েছি, সেখানে প্রায় কোনো ডিটেইলই নেই। গুলবদন বেগমের বইয়ে যেমন—শুধু এভাবে লেখা যে আম্মা এটা বললেন বা আব্বা এটা করলেন। অমুক এটা করলেন, তমুক এটা করলেন। শুধু সারমর্মটা আছে। বর্ণনা সেভাবে নেই।
    আর একটা সমস্যা হলো, হুমায়ুনের সময়ের কোনো স্থাপত্যকলাও নেই। সবই ধ্বংস হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ধ্বংস হয়েছে এইটিন ফিফটি সেভেনে। সিপাহি বিদ্রোহের কারণে ইংরেজরা খুবই খেপে গেল, মোগলের কিছুই থাকবে না এখানে, ইনক্লুডিং তাজমহল। সব ডেমোলিশ করতে হবে। তখন এটা রক্ষা করলেন একজন ইংরেজ সাহেব। তাঁর নামটা এই মুহূর্তে আমি ভুলে গেছি। তিনি এগিয়ে এসে বহু কষ্টে এটা রক্ষা করলেন। লালকেল্লা আর তাজমহল। ওরা ঠিক করেছিল, মোগলের কোনো চিহ্নই রাখবে না।
    আর শোনো। আমার লেখার ধরন নিয়ে একটা ছোট্ট কথা তোমাদের বলি। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ঔপন্যাসিক বলতে হবে তলস্তয়কে। আরেকজন দস্তইয়েভস্কি। এঁরা করেন কী, একটা চরিত্রকে বর্ণনা করা শুরু করেন। ধরো, তোমাকে তারা বর্ণনা করছেন। অনেক লাইন কিন্তু খরচ করছেন তোমার পেছনে। তার চোখ এমন ছিল, তার অল্প কিছু গোঁফ ছিল, নাকটা খাড়া ছিল—টোটাল বর্ণনা দিয়ে তোমার চেহারাটা ফুটিয়ে তুলবেন। আমি কিন্তু ওই লাইনে যাই না। সাধারণত আমি চেহারার বর্ণনা দিই না। আমি এই ব্যবস্থাটা করি। ডায়ালগের ভেতর দিয়েই যেন পাঠক চরিত্রগুলোকে কল্পনা করতে পারে। এটার সুবিধাটা দেখো। আমরা পথের পাঁচালী উপন্যাসটা যখন পড়ি, তখন প্রত্যেকেই একজন করে দুর্গাকে কল্পনা করি। একটা অপু কল্পনা করি। সত্যজিৎ রায় যখন ছবি বানালেন, তখন সবার কল্পনাটা সীমিত হয়ে গেল। যে কারণে আমি এত কিছু লিখি, আমি কিন্তু হিমু নিয়ে কোনো সিনেমা বা নাটক করিনি। কারণ, সবার কল্পনায় নিজের মতো একটা হিমু আছে। আমি ওইটায় হাত দিতে চাইনি। মিসির আলিও আমি বানাইনি। অন্যরা দুয়েকজন বানিয়েছে। আমি এর থেকে দূরে থাকছি। শুভ্রও আমি বানাইনি। বানাতে চাচ্ছিও না। যার মনে যা আছে, সেটাই থাকুক।
    প্রশ্ন: এখানে দেখা যায়, বাদশাহ হুমায়ুনের জ্যোতির্বিদ্যার প্রতি খুব ঝোঁক ছিল।
    হুমায়ূন: অত্যন্ত ঝোঁক ছিল। উনি তাঁর ছেলে আকবরের জন্মের পর নিজের হাতে ৪০ না ৪৫ পৃষ্ঠার একটা কোষ্ঠী তৈরি করেছিলেন। আকবরের জন্মতারিখটা ভুল লেখা আছে। কারণ, সত্যিকারের জন্মতারিখ সবাই জেনে ফেললে জাদুটোনা করে কেউ তার ক্ষতি করতে পারে। আকবরের জন্মের সময় আফতাবচি সেখানে উপস্থিত। আবুল ফজল এটা জানলেন অনেক পরে। আমরা তো নেব জওহর আফতাবচির মতো।
    প্রশ্ন: আপনার উপন্যাসে হুমায়ুন প্রবলভাবে ভাগ্যবিশ্বাসী একজন মানুষ, গ্রহ-নক্ষত্রের বিচার ছাড়া তিনি কিছু করেন না, কিন্তু তাঁর আশপাশে এমন কোনো চরিত্র নেই। জ্যোতির্বিদ্যায় পারদর্শী কারও দেখা কিন্তু আমরা পাই না।
    হুমায়ূন: ঠিকই বলেছ। আমার উপন্যাসে এ রকম কোনো চরিত্র নেই। কিন্তু বাদশাহ হুমায়ুনের লোক ছিল, যে এই গ্রহ-নক্ষত্রের ব্যাপারগুলো দেখত বা তিনি নিজেই দেখতেন বেশির ভাগ সময়। বাবর কিন্তু এসবের ব্যাপারে বিশ্বাসী ছিলেন না। তিনি তলোয়ারের ওপর নির্ভর করতেন, রণক্ষেত্রের ওপর বিশ্বাস রাখতেন। হুমায়ুন দূর্বল মনের মানুষ। এ জন্য গ্রহ-নক্ষত্রের ওপর নির্ভর করতেন।
    প্রশ্ন: আপনি যখন ঐতিহাসিক উপন্যাস লেখেন, তখন এমন অনেক চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে হয় যাদের আপনি দেখেননি, বইপত্র ছাড়া যাদের কথা জানার উপায় নেই। এ রকম চরিত্রগুলো আপনি কীভাবে ভিজুয়ালাইজ করেন? কোনো পদ্ধতি কি থাকে আপনার?
    হুমায়ূন: পদ্ধতি থাকলে তো আমি লেখক বানানোর একটা স্কুল দিয়ে ফেলতে পারতাম। আর বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথের পর সবচেয়ে বড় লেখক হতেন রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর। রবীন্দ্রনাথের ছেলে। কারণ, তাঁরই সবচেয়ে বেশি সুযোগ ছিল বাপের কাছ থেকে লেখালেখির কলাকৌশল শিখে নেওয়ার। সে তো মোটামুটি গাধা ছাড়া কিছু হয়নি।
    এটা আসলে বলা যাচ্ছে না। ব্রেইনের কোন অংশে কীভাবে আসলে প্রসেস হয়, আমি জানি না। তুমি কাঠমিস্ত্রির সঙ্গে থেকে শিক্ষা নিয়ে ভালো ছুতার হতে পারবে। কিন্তু লেখকের কাছ থেকে ট্রেনিং নিয়ে ভালো লেখক হতে পারবে—এটা আমি মনে করি না। এর প্রেরণাটা অন্যখান থেকে আসে। এটা রহস্যময়।
    প্রশ্ন: স্যার, বাদশাহ নামদার-এর সূত্র ধরে এ রকম আরও ঐতিহাসিক উপন্যাস লেখার ইচ্ছা কি আছে আপনার?
    হুমায়ূন: না, এই মুহূর্তে আমি আর ভাবছি না। অনেক সময় নষ্ট হয় আমার। দুনিয়ার বই পড়তে হয়। আর ব্যাপারটা খুব কনফিউজিং। একেকজন ঐতিহাসিক একেক রকম কথা বলে যাচ্ছেন। ভেরি ভেরি কনফিউজিং। এক ধরনের ইতিহাস পড়লে তোমার মনে হবে, আওরঙ্গজেবের মতো নিষ্ঠুর মানুষ পৃথিবীতে নেই। আরেক ধরনের ইতিহাস পড়লে মনে হবে, ও মাই গড, আওরঙ্গজেবের মতো ভালো মানুষ পৃথিবীতে নেই। একটা উদাহরণ দিই। রাজপুতানার এক রাজার দুজন রানি ছিলেন। তাঁরা একসঙ্গে গর্ভবতী হলেন। তখন রাজা মারা গেলেন। এই দুজনের এক রানি খবর পাঠালেন আওরঙ্গজেবের কাছে, ‘আপনি যদি আমার সন্তানকে স্বীকৃতি দেন রাজা হিসেবে, তাহলে আমি আমার লোকজন নিয়ে মুসলমান হয়ে যাব।’ আওরঙ্গজেব দুই রানির কোনো ছেলেকেই রাজত্ব দিলেন না। যে রাজা মারা গেছেন, তাঁর ছোট ভাইকে রাজত্ব দিলেন। সভাসদরা বললেন, ‘কী আশ্চর্য! আমরা এত বড় একটা সুযোগ পেলাম। আপনি সেটা নিলেন না কেন?’ আওরঙ্গজেব বললেন, ‘আমি রাজ্য শাসন করতে এসেছি। ধর্মপ্রচার করতে আসিনি। নাবালক পুত্রকে বসিয়ে আমার চলবে না।’ আওরঙ্গজেব নিজে খুবই ধার্মিক লোক। তিনি বলছেন এই কথা।

    সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০১০

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহিমুর দ্বিতীয় প্রহর – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article তোমাকে – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }