Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প539 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মায়েদের জন্য ভালোবাসা

    বহু বছর আগে আমি যখন যুক্তরাষ্ট্রে ছিলাম তখন আমার ছেলেমেয়েরা খুব ছোট। তারা তাদের স্কুলটাকে খুব পছন্দ করত। তার কারণ সেখানে লেখাপড়া ছাড়া আরও অনেক কিছু হতো। যে রকম মে মাস এলেই স্কুলের সব বাচ্চা খুব উৎসাহ নিয়ে তাদের মায়েদের জন্য কোনো একটা উপহার তৈরি করা শুরু করত। মে মাসের ১১ তারিখ ‘মা দিবস’। সেদিন বাচ্চারা রীতিমতো হইচই করে মায়ের হাতে সেটা তুলে দিত! (বাবা দিবস মনে হয় ষড়যন্ত্র করে জুন মাসে রাখা হয়েছে−তত দিনে স্কুল ছুটি হয়ে যায় বাবার জন্য আর উপহার তৈরি হয় না!)

    ব্যাপারটাতে খানিকটা ছেলেমানুষি আছে, কিন্তু আমার মনে হয়, এই ছেলেমানুষিটুকু খুবই দরকার। ছাগল বা গরুর বাচ্চা জন্ন হওয়ার পরই তিড়িং-বিড়িং করে লাফাতে থাকে, কিন্তু মানুষের বাচ্চার মতো অসহায় হয়ে আর কেউ জন্ন নেয় না। মায়েরা সেই অসহায় বাচ্চাকে বুকে ধরে মানুষ করেন বলে পৃথিবীতে এখন ছয় বিলিয়ন মানুষ! (এই ছয় বিলিয়ন মানুষের মধ্যে একজনও নেই যাকে কোনো একজন মা পেটে ধরেননি!) পৃথিবীর এই সভ্যতার একেবারে গোড়ার ব্যাপারটা হচ্ছে সন্তানের জন্য ভালোবাসা। অন্যসব ভালোবাসা থেকে এই ভালোবাসা অনেক বেশি খাঁটি আর গভীর এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সে জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর কাব্যগাথা তৈরি হয়েছে মায়েদের নিয়ে। কোনো কিছুর জন্য আমাদের ভালোবাসা গভীর হলে কোনো না কোনোভাবে সেখানে আমরা ‘মা’ কথাটি জুড়ে দিই। তাই নিজের দেশকে বলি মাতৃভুমি, মুখের ভাষাকে বলি মাতৃভাষা! নিজেদের সভ্য হিসেবে পরিচয় দিতে হলে সবার আগে দেখি মায়েদের আমরা কতটুকু সম্মান করি, সেই ছেলেবেলা থেকে শুনে আসছি মায়ের পায়ের নিচে হচ্ছে বেহেশত!

    নারী উন্নয়ন নীতিমালা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে হঠাৎ করে আমাদের কিছু আলেম-ওলামা বলে বসেছেন, আমি যদি পুরুষ মানুষ হয়ে থাকি তাহলে আমার মা যেহেতু একজন মহিলা তিনি আমার থেকে নিচু স্তরের মানুষ। পত্রিকায় ছাপা হওয়া সেই খবর আমাকে কয়েকবার পড়তে হয়েছে বিশ্বাস করার জন্য যে সত্যিই এই কথাগুলো আলেম-ওলামারা বলেছেন। আলেম-ওলামাদের এ রকম একটা কথা বলার কোনো পরিকল্পনা ছিল না, আমাদের চারজন উপদেষ্টা নারী উন্নয়ন নীতিমালাটি এই আলেম-ওলামাদের হাতে তুলে দিয়ে তাঁরা যেন এই কথাগুলো বলতে পারেন তার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তাঁরা শুধু এই কথাটি বলেননি, ধর্মের দোহাই দিয়ে নারী উন্নয়ননীতির এমন সব পরিবর্তনের কথা বলেছেন যে সেই পরিবর্তন করা হলে এই নারী উন্নয়ননীতিকে আর ‘নারী উন্নয়ন নীতি’ বলা যাবে না, এটাকে ‘পুরুষের ঔদ্ধত্যের নীতি’ বা এই ধরনের নতুন কোনো একটা নাম দিয়ে চালাতে হবে।

    যেসব মানুষ নারীদের সম্পর্কে অসম্মানজনক কথা বলছেন তাঁরা যদি এই পৃথিবীর জ্ঞান-বিজ্ঞানের একটু খবর রাখতেন তাহলে তাঁরা মুখ ফুটে এ ধরনের কথা বলতে সাহস পেতেন না। পৃথিবীতে টিকে থাকাটা যদি কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে থাকে তাহলে নারীদের তুলনায় পুরুষেরা রীতিমতো বিপদগ্রস্ত গোষ্ঠী! বিজ্ঞানের এমন একটা পর্যায় এখন এসেছে যে প্রায় রুটিন মাফিক স্তন্যপায়ী প্রাণীদের ক্লোন করা শুরু হয়েছে। নানা রকম আইন-কানুন করে ঠেকিয়ে রাখা হয়েছে, তা না হলে মানুষের ক্লোন করা এখন শুধু সময়ের ব্যাপার। যখন ক্লোন করা ডাল-ভাতের মতো হয়ে যাবে, তখন পৃথিবীর মেয়েরা যদি কোনো কারণে বিরক্ত হয়ে পুরুষদের পরিত্যাগ করে তাহলে এক প্রজন্ন পরই পৃথিবীতে আর কোনো পুরুষ থাকবে না, মেয়েরা কিন্তু নিজেদের ক্লোন করে দিব্যি পৃথিবীতে বেঁচে থাকবে!

    নারী বড় না পুরুষ বড়−স্কুলের ছেলেমেয়েদের মতো আমি মোটেও সেই বিতর্ক শুরু করতে যাচ্ছি না! যে জিনিসটা আমাদের মনে রাখতে হবে সেটা হচ্ছে নারী আর পুরুষ ভিন্ন দুটি প্রজাতি নয়−দুজনই মানুষ। পৃথিবীতে মানুষ হিসেবে দুজনেরই একই অধিকার কেউ যদি বলে একজনের অধিকার বেশি অন্যের অধিকার কম তাহলে তার থেকে অন্যায় কথা আর কিছু হতে পারে না। মানুষ হয়ে অন্য মানুষকে তার অধিকার না দেওয়ার মতো বড় অপরাধ আর কী হতে পারে?

    ২.
    ১৯৯৭ সালে প্রথমবার জাতীয় নারী উন্নয়ননীতি ঘোষণা করা হয়েছিল। নারী আর পুরুষের মধ্যে পার্থক্য দুর করে জাতীয় জীবনে তাদের মোটামুটি এক জায়গায় নিয়ে আসার বিভিন্ন কৌশল এই নারী উন্নয়ননীতিতে ছিল। সেই নারী উন্নয়ননীতিটি সে সময়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সংস্থা, নারী অধিকার সংগঠন এবং নানা ধরনের বেসরকারি মানবাধিকার সংগঠনের মাঝে আলাপ-আলোচনার সুযোগ ছিল বলে সবার মধ্যে এক ধরনের প্রত্যাশা ছিল। সেই নারীনীতিতে উত্তরাধিকারের বেলাতেও নারী এবং পুরুষের সমান অধিকারের কথাও বলা হয়েছিল। (মজার ব্যাপার হচ্ছে−এখন প্রতি সপ্তাহে শুক্রবার করে ইসলামি দলগুলো নারী উন্নয়ননীতির নামে একটা হাঙ্গামা শুরু করলেও তখন সে রকম কিছু করেছিল বলে মনে পড়ে না!)

    ’৯৭-এর নারী উন্নয়ননীতি এই দেশের মানুষ বেশি দিন দেখতে পায়নি। কারণ জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর এক দিন রাতের অন্ধকারে সেই নারীনীতি পরিবর্তন করে ফেলা হলো! বলা হয়ে থাকে সেই পরিবর্তনটুকু করেছে জোট সরকারের শরিক জামায়াতে ইসলামী এবং সেই পরিবর্তনের কথা প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া কিংবা আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ দুরে, মহিলা আর শিশু বিষয়কমন্ত্রী খুরশিদ জাহান হকও জানতেন না! পুরোপুরি জামায়াতে ইসলামী কায়দায় পরিবর্তনগুলো করার কারণে সেই দলিলটি তখন আর ‘নারী উন্নয়ননীতি’ থাকল না, বরং হয়ে গেল ‘নারী ঠেকাও নীতি’। পরিবর্তন করা হয়েছিল ২০০৪ সালের মে মাসের মাঝামাঝি, দেশের মানুষ সেটা জানতে পারল ২০০৫ সালের প্রথম দিকে! জানামাত্রই সঙ্গে সঙ্গে সবাই এই নারী ঠেকাও নীতি প্রত্যাখ্যান করে সবাই ১৯৯৭ সালের নারী উন্নয়ননীতি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি করতে শুরু করল।

    শেষ পর্যন্ত এই বছর বিশ্ব নারী দিবসে প্রধান উপদেষ্টা নারী উন্নয়ননীতি ২০০৮ ঘোষণা করলেন। উত্তরাধিকারের কথাটি নেই, তবুও সবাই প্রাথমিকভাবে একটু সতর্ক হয়ে সেটাকে স্বাগত জানাল, কারণ এর মধ্যে কিছু নতুন বিষয় এসেছে (যেমন−পাঁচ মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি, জাতীয় সংসদে বর্ধিত আসনের পরিবর্তে এক-তৃতীয়াংশ আসনে প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচন, নারীর ক্ষমতায়নের জন্য কোটা বাড়ানো ইত্যাদি)! বলা যেতে পারে, এটা ১৯৯৭ সালের নারী উন্নয়ননীতির পুনর্বিন্যাস।

    এ পর্যন্ত ঠিক ছিল, কিন্তু এর পরে যা ঘটল তার জন্য কেউ প্রস্তুত ছিল না! ধর্ম ব্যবসায়ী দলগুলো রুটিনমাফিক তাদের চেঁচামেচি শুরু করে দিল এবং সঙ্গে সঙ্গে সরকারের চরজন উপদেষ্টা এই নারীনীতি পর্যালোচনা করার জন্য এমন একটা কমিটির হাতে তুলে দিলেন, যাঁরা আজীবন প্রগতিশীল কাজের বিরোধিতা করে এসেছেন, আজীবন নারীদের সব ধরনের উন্নয়নে বাধা দিয়ে এসেছেন। ‘আলেম-ওলামা’দের এই কমিটিতে কোনো মহিলা নেই। বাংলাদেশে ১৪ কোটি মানুষের মধ্যে সাত কোটি মহিলা−এই সাত কোটি মহিলার মধ্যে একজন মহিলাও নেই, যিনি ধর্ম সম্পর্কে জানেন? যিনি এই আলেম-ওলামাদের সঙ্গে বসে ধর্মের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটা পর্যালোচনা করতে পারেন? নারী উন্নয়ননীতি−কিন্তু সেটা পর্যালোচনা করবে কিছু নারীবিদ্বেষী পুরুষ, এটা কোন ধরনের যুক্তি? সবচেয়ে মজার কথা হচ্ছে, এই নারী উন্নয়ননীতিতে কিন্তু এ ধরনের ব্যাপার যেন না ঘটে সেটা নিয়েও সতর্ক করে দেওয়া আছে। ৩.৫ ধারায় বলা হয়েছে, ‘স্থানীয় বা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কোনো ধর্মের, কোনো অনুশাসনের ভুল ব্যাখ্যার ভিত্তিতে নারীস্বার্থের পরিপন্থী এবং প্রচলিত আইনবিরোধী কোনো বক্তব্য বা অনুরূপ কাজ করা বা কোনো উদ্যোগ না নেওয়া’। অথচ ঠিক এ কাজটিই করা হলো, ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে নারীস্বার্থের পরিপন্থী একটা উদ্যোগ নেওয়ার জন্য কিছু আলেম-ওলামাকে সুযোগ করে দেওয়া হলো−এর চেয়ে উৎকট রসিকতা আর কী হতে পারে?
    বর্তমান সরকার বিচ্ছিন্ন কয়েকজন মানুষের সরকার−আমরা আগেও দেখেছি, হঠাৎ করে উপদেষ্টাদের চাকরি চলে যায়! এ রকম অবস্থায় অন্য কিছু না হোক নিজের চাকরির জন্য মায়ার কারণেও তো তাঁদের আরও একটু সতর্ক থাকার কথা−তাঁরা কোন যুক্তিতে এ রকম দায়িত্বহীন একটা কাজ করলেন? সে জন্য তাঁদের কি কখনো দেশের মানুষ ক্ষমা করবে?

    ৩.
    জাতীয় নারী উন্নয়ননীতি ২০০৮ আসলে খুব ছোট একটা দলিল−সুচিপত্রটুকু ছেড়ে দিলে মাত্র ১৯ পৃষ্ঠা। সব মিলিয়ে এখানে পাঁচটা অধ্যায়। কোন অধ্যায় কী নিয়ে সেটা সহজে বোঝা যায় না, কারণ অধ্যায়গুলোর কোনো শিরোনাম নেই; ভেতরের বিষয়গুলো দেখে অনুমান করে নিতে হয়। প্রথম অধ্যায়টি হচ্ছে ভুমিকা, সুচনা পর্ব ও পূর্ব ইতিহাস। দ্বিতীয় অধ্যায় হচ্ছে উন্নয়ননীতির লক্ষ্য। আমার কাছে যে কপিটি আছে সেটা দেখে মনে হলো, এত গুরুত্বপূর্ণ একটা দলিল, কিন্তু এর পরিবেশনাটুকু একটু অগোছালো। এ অধ্যায়ের ১৯টি লক্ষ্যের ক্রমিকসংখ্যাগুলো দেখে বোঝা যায়, নারী উন্নয়ননীতির অন্যান্য অংশের সঙ্গে মিল রেখে এর ক্রমিকসংখ্যা হওয়া উচিত ছিল ২.১ থেকে ২.১৯, কিন্তু লেখা হয়েছে ১.১ থেকে ১.১৯। ফলে এ দলিলটিতে ১.১ থেকে ১.৬ ধারা রয়েছে দুবার এবং বর্ণনা করছে দুটি ভিন্ন বিষয়। তৃতীয় অধ্যায়টি হচ্ছে নারী উন্নয়ননীতির একেবারে মূল বিষয়টি−দ্বিতীয় অধ্যায়ে যে লক্ষ্যগুলো ঠিক করা হয়েছিল সেগুলো বস্তবায়ন করার জন্য কী পদক্ষেপ নেওয়া যায় তার তালিকা। নারী উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সব বিষয়ই সেখানে আছে, যেমন বলা আছে বৈষম্য কিংবা নির্যাতন কীভাবে দুর করা যাবে। কীভাবে রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক অধিকার দেওয়া যাবে এবং সবশেষে শিক্ষা-দীক্ষা প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি দিয়ে জীবনের মান বাড়াতে হবে।

    এই দলিলের চতুর্থ ও পঞ্চম অধ্যায় হচ্ছে এই উন্নয়ননীতির বাস্তবায়নের কৌশল, কর্মপরিকল্পনা, অর্থায়ন−এসব বিষয় নিয়ে।

    এই নারী উন্নয়ন নীতিমালাটি পড়ার সময় ঘুণাক্ষরেও কারও মনে হবে না যে এখানে বিরোধিতা করার মতো একটি অক্ষরও আছে। মজার ব্যাপার যে ‘আলেম-ওলামারা’ তার পরও এই নারী উন্নয়ন নীতিমালা বিরোধিতা করার মাল-মসলা পেয়ে গেছেন। এটি একেবারে অবিশ্বাস্য, যে বিষয়গুলো আমরা সভ্য মানুষের পরিচয় হিসেবে দেখি তাঁরা সেই বিষয়গুলোরই বিরোধিতা করেছেন, আর সবচেয়ে ভয়ের কথা তাঁরা সেটা করছেন ধর্মের নাম দিয়ে। মোটামুটি নিশ্চিতভাবে বলা যায়, এই দেশের যেসব সত্যিকারের ধর্মপ্রাণ মানুষ আছেন তাঁরা এই আলেম-ওলামাদের প্রতিক্রিয়া দেখে একেবারে হতভম্ব হয়ে গেছেন, তাঁরা কখনো কল্পনাও করেননি তাঁদের ধর্মকে এ রকমভাবে ব্যাখ্যা করা সম্ভব!

    কয়েকটি উদাহরণ দেওয়া যায়, এই আলেম-ওলামারা বাচ্চার পরিচয় দেওয়ার বেলায় বাবার নাম দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মায়ের নাম দেওয়ার বিরুদ্ধে! যে মা নয় মাস তাঁর সন্তানকে পেটে ধরে জন্ন দেন, বুক আগলে রক্ষা করেন, সেই মায়ের নাম সন্তানের পরিচয় দেওয়ার সময় লেখা যাবে না−এ রকম কথা কি কোনো সভ্য মানুষ মুখ দিয়ে উচ্চারণ করতে পারেন!

    সারা পৃথিবী অনেক চেষ্টা করে বাল্যবিবাহ থেকে সরে আসার চেষ্টা করছে। এর কী ভয়াবহ ফল হতে পারে সেটি একটা ছোট বাচ্চাও জানে (খবরের কাগজে দেখেছি স্কুলের বান্ধবীকে জোর করে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে খবর পেয়ে ক্লাসের অন্য সবাই মিলে সেটাকে ঠেকিয়ে দিয়েছে)। আমাদের কপাল−এই দেশের আলেম-ওলামারা সেটা জানেন না, তাঁরা বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করতে নারাজ! বাইরের জগৎ যখন এই কথা শুনবে তখন আমরা মুখ দেখাব কেমন করে?

    আলেম-ওলামারা এই নারী উন্নয়ননীতির যে ধারাগুলোর বিরোধিতা করেছেন, সেগুলো দেখে এই দেশের নারীরা একটু মুচকি হাসতেও পারেন! সম্ভবত, তাঁরা নারীদের রীতিমতো ভয় পান, মনে হয় নারীদের ক্ষমতায়ন হয়ে যাবে এই বিষয়টি তাঁদের কাছে রীতিমতো আতঙ্কের একটা বিষয়! তারা যেন কোনোভাবে রাজনৈতিক ক্ষমতা না পেয়ে যায়, অর্থনৈতিকভাবে মুক্ত না হয়ে যায়, সম্পদের অধিকার না পেয়ে যায় সেটাই তাঁদের একমাত্র দুর্ভাবনা। তাঁরা কোটা প্রথারও বিরুদ্ধে, কারণ তাহলে মেয়েরা তাদের ক্ষমতায়নে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে−কিন্তু সেই কথাটা তাঁদের মুখ ফুটে বলার সাহস নেই! তাঁরা বলেন, ‘কোটা প্রথা নারীর জন্য অমর্যাদাকর।’ মজার কথা হচ্ছে তারা কিন্তু সরাসরি ঘোষণা দিয়েছেন, নারীর মর্যাদা পুরুষ থেকে কম−এই ঘোষণায় তাদের যে অমর্যাদা করা হলো সেই কথাটি একবারও তাঁদের মাথায় আসেনি!

    ৪.
    এই দেশের সাত কোটি মানুষ হচ্ছে মহিলা। যারা নারী উন্নয়ননীতির বিরোধিতা করছেন তাঁদের মনে রাখতে হবে তাঁরা এই দেশের এক-দুজন নয় সাত কোটি মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করার সর্বনাশা খেলায় মেতে উঠেছেন। জেনে হোক না জেনে হোক তাঁদের কর্মকান্ড দিয়ে তাঁরা বাংলাদেশের মেয়েদের মনে ধর্ম নিয়ে একটা প্রশ্ন তৈরি করে দিচ্ছেন। এই মেয়েদের অনেকেই দেখেছে তারা নিজেদের কর্মক্ষেত্রে পুরুষের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। অনেক ক্ষেত্রে তারা তাদের ওপরে, তাহলে কেন তাদের পুরুষের নিচে স্থান নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হবে, সেটা তারা কিছুতেই বুঝতে পারছে না। তাঁরা যে ধর্মের কথা বলে মেয়েদের ঘরের ভেতর আটকে রাখতে চাইছেন, সেই ধর্মের যে তাঁরা অনেক বড় একটা ক্ষতি করার চেষ্টা করছেন, সেটা কি তাঁরা জানেন?
    নারী উন্নয়ননীতি আসলে মোটেও শুধু নারীদের ব্যাপার নয়। এটা আমাদের সবার ব্যাপার, তাই নারী উন্নয়নের জন্য শুধু নারী আর নারী সংগঠনের সদস্যরা কথা বলবেন সেটাও হতে পারে না। যখন দেখব নারীদের অধিকার দেওয়া হচ্ছে না তখন বুঝতে হবে আমাদের কারও অধিকার দেওয়া হচ্ছে না। সেই অধিকার আদায় করার জন্য শুধু নারীদের নয় আমাদেরও পথে নামতে হবে।

    আমাদের দেশের নারীদের সংগ্রামের এক দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। এই নারী উন্নয়ননীতি নিয়ে যদি আবার সংগ্রাম করতে হয় তাহলে সেই সংগ্রামে শুধু নারীরা থাকবে না, সেখানে পুরুষেরাও থাকবে।

    শুধু মায়েরা থাকবে না, মায়ের পাশে সন্তানেরাও থাকবে। বিশ্ব মা দিবসে বাংলাদেশের সব মায়ের জন্য ভালোবাসা এবং ভালোবাসা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আরো টুনটুনি ও আরো ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }